Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেদিন চৈত্রমাস – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প135 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. সকাল আটটা বাজে

    সকাল আটটা বাজে।

    আমজাদ আলি আতর-বাড়ির অফিস ঘরে চায়ের কাপ হাতে বসে আছেন। চা বিস্বাদ লাগছে। একটা সিগারেট ধরিয়েছিলেন। সিগারেটে টান দিতেই মাথায় চক্কর দিল। বমি বমি ভাব হলো। সবই শরীর খারাপের লক্ষণ। রাতে ভালো জ্বর এসেছিল। পা ফুলে ঢোল। তিনি তার ছোট মেয়ে শায়লাকে পায়ে তেল মালিশ করতে বলেছিলেন। শায়লা তেল মালিশ করতে এসে বিস্মিত হয়ে বলল, তোমার পায়ে কি পানি এসেছে নাকি? তিনি কিছু বললেন না, যদিও মেয়ের কাছে সত্যি কথাটা বলার ইচ্ছা একবার হয়েছিল। মেয়ে কথা রাখতে পারবে না। সবাইকে বলে বেড়াবে এই ভয়ে বলেননি।

    তিনি কানে ধরে উঠবোস করছেন— এই ঘটনা অবশ্যই চাপা থাকা দরকার। তাঁর তিন মেয়ের মধ্যে বড় দুটার বিয়ে হয়েছে। ওদের কাছে খবর পৌঁছে গেলে বিরাট কেলেঙ্কারি হবে। শ্বশুরবাড়িতে মেয়ে দুটা অপমানিত হবে। সবচে বড় সমস্যা তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে। এই মহিলার মাথায় সামান্য গোলমাল আছে। রাগারাগি করে ঘুমের ওষুধ খাওয়া, সিলিং ফ্যানে শাড়ি ঝুলানো প্রায়ই করে। কানে ধরে উঠবোসের কথা শুনলে বিরাট কোন কেলেঙ্কারি অবশ্যই করবে।

    আমজাদ ভাইয়ের শরীর খারাপ নাকি?

    ক্যাশিয়ার সোবাহান সাহেব কখন ঘরে ঢুকেছেন, কখন তার চেয়ারে বসেছেন আমজাদ আলি তা মনে করতে পারলেন না। মনে হয় চায়ের কাপ হাতে নিয়েই তিনি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। তিনি সোবাহান সাহেবের দিকে তাকিয়ে বললেন, একটু মনে হয় খারাপ। রাতে ঘুম হয় নাই। ভাবছি আজ উঠবোসটা করব না। রেস্ট নেব।

    সোবাহান সাহেব বললেন, কিছুক্ষণের জন্যে করুন। স্যার আজ বারান্দায় বসেছেন। বারান্দা থেকে দেখবেন যে উঠবোস চলছে। স্যারের নজরে আসা দরকার না?

    অবশাই দরকার।

    সময় নিয়ে ধীরে-সুস্থে করেন। কোনো টাইম লিমিট তো নাই।

    তা ঠিক।

    আমি সবাইকে কঠিনভাবে বলে দিয়েছি কেউ ভিড় করবে না। আর আপনার এত লজ্জা পাওয়ারও কিছু নাই। আগে পেটে ভাত তারপর লজ্জা কী বলেন ঠিক বলছি না?

    জি।

    আমার ধারণা আরো কয়েক দিন পার হলে স্যার নিজ থেকেই বলবেন—আর লাগবে না। অপরাধ মাপ। সেই সম্ভাবনা আছে না?

    আছে।

    তাহলে দেরি না করে শুরু করে দিন। স্যার আবার ঘরে চলে যেতে পারেন। চা শেষ করে যান।

    আমজাদ আলি উঠে দাঁড়াতে দাঁড়াতে বললেন, হিসাব কে রাখবে?

    আপনি বলবেন কত বার হয়েছে আমি লিখে রাখব।

    সেটা ঠিক হবে না। স্যার যদি দেখেন বারান্দায় আমি একা, তাহলে ভাববেন কোনো দুই নম্বরি হচ্ছে। খাতা-কলম নিয়ে কাউকে আমার সঙ্গে দিন।

    ঠিক বলেছেন। আমি ব্যবস্থা করছি।

    আমজাদ আলি উঠবোস শুরু করেছেন। প্রথম দিকে পায়ে টনটন ব্যথা হচ্ছিল। এখন ব্যথা নেই। তবে হাতের কনুই কেন জানি ব্যথা করছে। মনে হচ্ছে দুই হাতেই কেউ দশ কেজি ওজনের দুটো পাথর ঝুলিয়ে দিয়েছে। বুকে এক ধরনের চাপ বোধ করছেন। এটা হাতের ব্যথার কাছে কিছু না।

    সোবাহান সাহেবের ধমকে কাজ হয়েছে। আজ আর তাকে ঘিরে লোকজন দাঁড়িয়ে নেই। খাতা-কলম নিয়ে বাজার সর্দার কুদ্দুস বসে আছে। কুদ্দুস মনে হচ্ছে লজ্জা পাচ্ছে। তার দিকে তাকাচ্ছে না। তিনি বললেন, কুদ্দুস ভালো আছ?

    কুদ্দুস মেঝের দিকে তাকিয়ে বলল, জি স্যার।

    বুড়ো বয়সে ভালো বিপদে পড়েছি, তাই না কুদ্দুস?

    জি সার।

    রোজ হাশরেও আমাদের সবার শাস্তি হবে। আল্লাহপাক স্বয়ং শাস্তি দিবেন। তবে সেই শান্তিতে লজ্জা নাই। কারণ সেই শান্তি অন্য কেউ দেখবে না। বেহেশতাসী একজন আরেকজনকে চিনবে কিন্তু দোজখবাসী কেউ কাউকে চিনবে না।

    স্যার কি একটু বিশ্রাম নেবেন?

    নাহ।

    তাহলে পানি খেয়ে নেন।

    আচ্ছা পানি নিয়ে আসো। পানি খাই। বুক শুকায়ে আসছে।

     

    মবিনুর রহমান বারান্দায় বেতের চেয়ারে বসে আছেন।

    এই বাড়ির বারান্দা পুরনো আমলের বারান্দার মতো। পনেরো হাত পাশের বিশাল বারান্দা। তার চেয়ারটা দেয়াল ঘেঁষে। চেয়ারের সামনে বেতের টেবিল। তার পরেও সাত-আট হতি জায়গা আছে। ঢাকা শহরে যে বাড়ি সেই বাড়ির জন্যে এত বড় বারান্দার কোনোই প্রয়োজন নেই। বারান্দা থেকে দেখার কিছু নেই। দালান, দালান এবং দালান। সাদা দেয়ালের দালাল, হলুদ দেয়ালের দালান, ইটের দালান।

    তৰে মবিনুর রহমানকে দালান দেখতে হয় না। দুটা কাঁঠাল গাছ, একটা আমগাছ এবং একটা কামরাঙ্গা গাছ তাঁর বারান্দা শহর থেকে আলাদা করে রেখেছে। বারান্দায় বসলে মনেই হয় না সামনেই দালানের সমুদ্র। বরং মনে হয় তিনি শহরের বাইরে কোথাও আছেন। সে রকম মনে হওয়াই স্বাভাবিক। কারণ কাঠাল গাছে দুটা পাখি বাসা বেঁধেছে। হলুদ রঙের পাখি যার লেজটা লম্বা। বড় বড় শহরের গায়ে হলুদ পাখি বাসা বাঁধে না! কাক বাসা বাঁধে।

    সকাল এগারোটা। মবিনুর রহমানের সামনের টেবিলে দুটা বাংলা এবং একটা ইংরেজি পত্রিকা রাখা আছে। পত্রিকার পাশে মগ ভর্তি কফি। তিনি এখনো পত্রিকার ভাঁজ খোলেননি, কফিতেও চুমুক দেননি। সব দিন তাঁর পত্রিকা পড়তে ইচ্ছা করে না। যেদিন পত্রিকা পড়েন না সেদিন কফিতেও চুমুক দেন না। মানুষের সব কাজই একটার সঙ্গে আরেকটা যুক্ত।

     

    আজ তাঁর মন বেশ খারাপ। গতকাল দুপুরে মুরগির মাংসের ঝোলের সঙ্গে কি খেয়েছেন তা মনে করতে পেরেছিলেন। রাত বারটার দিকে মনে পড়েছিল এখন আর মনে পড়ছে না। বাবুর্চিকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেই হয়, জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছা করছে না। তিনি ঠিক করেছেন আজ সারাদিনই মনে করার চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। তবে মনের উপর বেশি চাপ দেবেন না।

    মবিনুর রহমান ছোট্ট নিঃশ্বাস ফেলে ডাকলেন, বাবুল আসো এদিকে।

    শফিক পাশের ঘর থেকে বের হয়ে এলো।

    মবিনুর রহমান টেবিলে পা তুলতে তুলতে বললেন, কয়টা বাজে বলো তো?

    স্যার এগারোটা বাজে।

    কাঁটায় কাঁটায় এগারোটা না দুএক মিনিট এদিক-ওদিক আছে?

    এগারোটা তিন।

    তোমার এখান থেকে অফিস ঘরের বারান্দা দেখা যায়?

    জি স্যার যায়।

    আমজাদ কি এখনো উঠবোস করছে?

    জি না।

    তুমি একটা চেয়ার টেনে পাশে বসো।

    শফিক চেয়ার টেনে পাশে বসল। তার অস্বস্তি লাগছে। বসের মুখোমুখি বসা যায়। পাশাপাশি কেন জানি বসা যায় না। মবিনুর রহমান বললেন, বাবুল, তোমার কি কফি খাওয়ার অভ্যাস আছে? নাকি তুমি টি ড্রিংকার?

    মাঝে মধ্যে কফি খাই।

    তাহলে কফিটা খাও। আমি মুখে দেইনি।

    এখন ইচ্ছে করছে না স্যার।

    ইচ্ছা না করলে খেতে হবে না। আমি আমার নিজের ইচ্ছা অন্যের ওপর চাপাতে খুবই অপছন্দ করি, কেন অপছন্দ করি বলো তো?

    বলতে পারছি না স্যার।

    আমার জীবনের একটা বড় অংশ কেটেছে অন্যের ইচ্ছায়। তিতা করলা আমার খুবই অপছন্দের একটা খাবার। আমার শৈশব কেটেছে তিতা করলা খেয়ে। করলার সিজনে বাবুপুরা এতিমখানায় তিতা করলা হবে না— এটা হতেই পারে না। বাবুল এখন কি করলার সিজন?

    জি স্যার।

    তাহলে তো একবার করলা ভাজি করতে বলতে হয়। তুমি কি করলা ভাজি পছন্দ করো?

    জি করি।

    ভেরি গুড, তাহলে আগামীকাল করলা ভাজি হবে। তুমি খাবে। আমি খাব। আমি শুধু দেখব। ঠিক আছে বাবুল?

    জি স্যার।

    লক্ষ্য করেছ তোমার নাম আমার মনে আছে? ছড়াটা কাজে লেগেছে। তোমার মেয়ের নামও আমার মনে আছে। তোমার মেয়ের নাম নিশো। হয়েছে?

    জি স্যার।

    নিশো কি করলা ভাজি খায়?

    বলতে পারছি না। আমি মনে করতে পারছি না।

    তোমার স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করে জেনে নিও। তোমার স্ত্রীর নাম কী?

    মীরা।

    তোমার স্ত্রীর নাম; কিন্তু আমার মনে থাকবে না কারণ তার নাম নিয়ে আমি ছড়া বানাইনি। তোমার স্ত্রীর প্রসঙ্গে আমার মনে পড়ল— আমি বিয়েও করেছিলাম অন্যের ইচ্ছায়। নিজের ইচ্ছায় না। খুবই ইন্টারেস্টিং গল্প। তোমাকে একদিন বলব। শুনলে মজা পাবে। তুমি চাইলে আজও বলতে পারি। বলব?

    আপনার বলতে ইচ্ছা করলে বলুন।

    মবিনুর রহমান পকেট থেকে সিগারেটের প্যাকেট বের করতে করতে বললেন, আমি তোমাকে কোনো গল্প বললে সেটা মনে করে রাখবে। আমি যদি কখনো শুনতে চাই শুনাবে।

    জি আচ্ছা স্যার।

    নিজের গল্প অন্যের কাছ থেকে শুনতে ভালো লাগে। ঠিক না?

    জি স্যার ঠিক।

    এই জন্যেই গল্প মনে রাখতে বলছি, অন্য কিছু না।

    মবিনুর রহমান চেয়ারে পা তুলে গুছিয়ে বসলেন। বাবুলের দিকে তাকিয়ে গল্প শুরু করলেন।

    সত্যজিৎ রায়ের একটা ছবি আছে না পথের পাঁচালী নাম। আমার বিয়ে হয়েছিল অবিকল পথের পাঁচালী স্টাইলে।

    শফিক বিড়বিড় করে বলল, পথের পাঁচালী-তে কোনো বিয়ে কি হয়েছিল?

    অবশ্যই হয়েছিল। নায়ক তার বন্ধুর সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছে সেখানে বিয়ে হলো।

    ছবিটার নাম স্যার অপুর সংসার। বিভূতিভূষণের কাহিনী।

    কার কাহিনী বলতে পারব না। সত্যজিতের ছবি সেটা মনে আছে। টিভিতে দেখিয়েছিল। শফিক শোনো ছবির স্টাইলে আমার বিয়ে হয়।

    শফিক চুপ করে রইল। তাঁকে মাথা ঘুরিয়ে গল্প শুনতে হচ্ছে। চেয়ারটা ঘুরিয়ে নিলে ভালো হতো। সেটা করা ঠিক হবে কিনা বুঝতে পারছে না।

    ছবিতে ছিল বন্ধুর মামাতো বোন কিংবা খালাতো বোন আর আমার বেলায় ছিল বন্ধুর আপন বোন। তবে ছবিতে বিয়ের পর ঘর-সংসার করে, আর আমার বেলায় রাত একটায় বিয়ে হয় পরদিন সকালে তালাক হয়ে যায়। খুবই ইন্টারেস্টিং স্টোরি। মেয়েটার নাম লায়লা। লায়লা একটা আরবি নাম। নামের অর্থ হলো রাত্রি। জানো নিশ্চয়ই?

    জি স্যার জানি। আলিফ লায়লা—আরব্য রজনী।

    আমার বিয়ের গল্পটাও আরব্য রজনী টাইপ। আমি গল্প-উপন্যাস লিখতে পারলে নিজেই একটা গল্প লিখে ফেলতাম। তোমার কি গল্প-টল্প লেখার অভ্যাস আছে?

    জি না স্যার।

    তোমার পরিচিত কোনো লেখক আছে? অন্যের প্লট নিয়ে গল্প লিখবেন? আমার কাছে অনেক গল্পের প্লট আছে।

    আমার তেমন কেউ পরিচিত নেই স্যার।

    অসুবিধা নাই। এখন পরিচয় নাই, ভবিষ্যতে হয়তো কারো সঙ্গে পরিচয় হবে তাই না?

    জি স্যার।

    তুমি নিজেও লিখে ফেলতে পারো। আমার স্ত্রীর নাম লায়লা। এটা লিখে রাখলে সুবিধা হবে, নাম ভুলবে না।

    শফিক কিছু বলল না। বুড়োর কথাবার্তায় সে তেমন কোনো আগামাথা পাচ্ছে না।

    বিয়ের গল্পটা তাহলে শোনো। বন্ধুর সঙ্গে তার গ্রামের বাড়িতে গেছি। বরযাত্রী আসবে ট্রেনে করে। বিকাল পাঁচটায় ট্রেন। বিকাল চারটা থেকে দলবুল নিয়ে স্টেশনে বসে আছি। ট্রেন এলো আধা ঘণ্টা লেট করে। আমরা স্টেশনে ব্যান্ডপার্টি নিয়ে গিয়েছিলাম। বর নামবে, ব্যান্ডপার্টি বাজনা শুরু করবে। বর নামল না। সত্যজিৎ বাবুর ছবির সাথে এইখানে একটু গণ্ডগোল। তাঁর ছবিতে বর এসেছিল নৌকায়।

    স্যার নৌকায় না, পালকিতে।

    ও আচ্ছা, মনে হয় পালকিতে। বর ছিল পাগল। আমার ক্ষেত্রে বর আসেইনি। বাড়িতে কান্নাকাটি পড়ে গেল। কান্নাকাটির কিছু ছিল না। মুসলমানি নিয়মে বিয়ের তারিখে বিয়ে না হলে কিছু যায়-আসে না। হিন্দু নিয়মে বোধহয় বিরাট সমস্যা হয়। লায়লার বাবা মহা হৈচৈ শুরু করলেন, আজকেই মেয়ের বিয়ে দেব। যদি আজ রাতের মধ্যে বিয়ে দিতে না পারি, তাহলে কাঁচা গু খাই। এই সব আজেবাজে কথা। গ্রামের মানুষরা তাল দিতে খুব ওস্তাদ। তারা তাল দিতে লাগল। রাত একটা দশ মিনিটে বিশ হাজার টাকা দেনমোহরে আমার সঙ্গে বিয়ে হয়ে গেল।

    টেনশনে আমার হয়ে গেল শরীর খারাপ। মাথা সোজা রাখতে পারি না। প্রচণ্ড মাথার যন্ত্রণা। লায়লাদের কোনো এক আত্মীয় এর মধ্যে আমাকে দুই ডেজি হোমিওপ্যাথির কি ওষুধ খাওয়াল। শুরু হলো বমি। এক সময় মনে হলো মারাই যাব। ভোর রাতে মনে হলো শরীর সামান্য সুস্থ হয়েছে। গরম পানি দিয়ে গোসল করলাম। এক কাপ আদা-চা আর অর্ধেকটা বিকিট খেয়ে একটু ভাল বোধ করছি। তখন শুনি হৈচৈ-বরযাত্রী চলে এসেছে। ওরা ভুল করে দুই স্টেশন আগে নেমে গিয়েছিল, সেখান থেকে বাস ভাড়া করে এসেছে। কী রকম ঝামেলা হলো আন্দাজ করতে পারো?

    জি স্যার পারছি।

    কি হচ্ছে না হচ্ছে আমি অবশ্যি কিছুই জানি না। আমি বারান্দায় একটা ইজি চেয়ারে সারাক্ষণ শুয়েছিলাম। এক সময় ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। সকালে আমার বন্ধু এসে আমাকে ডেকে তুলল, নানা কথা, নানা ধানাইপানাই। মূল বিষয় বিয়ে শুধু কাগজপত্রে হয়েছে। ম্যারেজ কনজুমেট হয়নি। এই বিয়ে ভেঙে দেয়া নাকি কোনো ব্যাপার না। ঐ পার্টি তাই চায়। এইসব হাবিজাবি কথা।

    তারাই কাজি ডেকে আনল। তালাক হয়ে গেল। তালাক হয়ে গেল সকাল আটটা দশে। এইখানে একটা ইন্টারেস্টিং জিনিস লক্ষ্য করো। বিয়ে হয়েছিলো একটা দশে। তালাক হবার পর ঘড়ি দেখলাম তখন বাজে আটটা দশ। আটটা দশ না হয়ে আটটা পনের কিংবা বিশও হতে পারত। তা কিন্তু হয়নি। দশ মিনিট একটা ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঠিক বলেছি কিনা বলো?

    জি স্যার।

    এরপর থেকেই সময়ের ব্যাপারটা আমার কাছে খুব ইম্পর্টেন্ট হয়ে গেছে। তোমাকে এই কারণেই বারবার কয়টা বাজে জিজ্ঞেস করি। আমার বিয়ের গল্পটা কেমন লাগল?

    ভালো।

    কোন তারিখে বিয়ে হয়েছিল এটা তোমাকে বলতে পারছি না। তারিখটা মনে নেই। মনে অবশ্যই পড়বে, তখন তোমাকে বলব। তুমি খাতায় নোট করে রেখো।

    জি স্যার রাখব।

    লায়লা এখন নারায়ণগঞ্জে থাকে। একটাই মেয়ে। মেয়েটার বিয়ের বয়স হয়েছে। তবে এখনো বিয়ে হয়নি। আমার সঙ্গে অবশ্যি তাদের কোনো যোগাযোগ নেই। তবে আমি খোঁজখবর রাখি। মাঝে মধ্যে এটা সেটা উপহার পাঠাই। গত বছর এক ঝুড়ি গোপালভোগ আম পাঠিয়েছিলাম। তোমার আগে যে ম্যানেজার ছিল সে নিয়ে গিয়েছিল। তার কাছে শুনেছি তারা তাকে যত্ন করেছে। চা-কেক খাইয়েছে। লায়লা আমার সম্পর্কেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। শরীর কেমন কি। এইসব। ভাবছি এই বছরও কিছু আম পাঠাব। তুমি দিয়ে আসবে। পারবে না?

    জি স্যার পারব।

    ক্যাশিয়ার সোবাহানের কাছ থেকে টাকা নিয়ে দুই ঝুড়ি আম কিনবে। গোপালভোগ আর হিমসাগর। দেখে-শুনে কিনতে পারবে না?

    পারব।

    বাজারে আম কি উঠেছে?

    জি উঠেছে।

    দিনাজপুরের লিচু কি পাওয়া যায়?

    পাওয়া যায়।

    শদুই লিচুও নিয়ে যাবে।

    স্যার আজ যাব?

    আজ যাবার দরকার নাই। কোনো এক ছুটির দিনে যাবে। লায়লা শুনেছি কোন এক স্কুলে মাস্টারি করে। এমন দিনে যাওয়া উচিত যেন সে বাসায় থাকে। বুঝেছ? অন্য কারো হাতে পাঠালে বুঝতেও পারবে না কে পাঠিয়েছে, কি সমাচার। তাই না?

    জি স্যার।

    আচ্ছা ঠিক আছে এখন যাও। আজ তোমার ডাল রান্না করার কথা। ভুলে যেও না। কীভাবে রাঁধতে হয় শিখিয়ে দিয়েছিলাম। মনে আছে না?

    মনে আছে।

    আমি রান্নাবান্না সব এতিমখানার বাবুর্চির কাছে শিখেছি। বাবুর্চির নাম সিদ্দিক। সিদ্দিক ভাই ব্লাঁধতেন, আমি পাশে বসে থাকতাম। রান্নার সময় নানা গল্প-গুজব করতেন। ছড়া বলতেন। সবই রান্না বিষয়ক। একটা ছড়া তোমাকে বলি শোনো। চিংড়ি মাছ বিষয়ক–

    ইচা
    কাটতে মিছা
    ধুইতে নাই
    খাইতে গেলে আবার পাই।
    ঘটনা বুঝতে পারছ?
    জি না স্যার।

    ইচা হলো চিংড়ি মাছ। কটিতে মিছা মানে কাটা অনর্থক। ধুইতে নাই মানে ধোবার সময় মাছ খুঁজেই পাওয়া যাবে না। আবার খেতে গেলে পাওয়া যাবে। বুঝেছ?

    জি স্যার।

    এখন নিচে গিয়ে খোঁজ নাও আমজাদ এই পর্যন্ত মোট কত বার উঠবোস করেছে।

    শফিক দোতলা থেকে একতলায় নেমে এলো। সিঁড়ি দিয়ে নামতে ভালো লাগছে। স্বস্তিবোধ হচ্ছে। মনে হচ্ছে বড় সাহেবের সামনে এতক্ষণ সে ত্রিশ কেজি বোঝা মাথায় নিয়ে চেয়ারে বসেছিল সিঁড়ি দিয়ে নামার আগে বোঝাটা চেয়ারে নামিয়ে এসেছে। আবার যখন তিনি ডেকে পাঠাবেন, বোঝা মাথায় নিয়ে তার আশপাশে ঘুরঘুর করতে হবে। কোনো মানে হয়?

    শফিক একতলায় নেমে প্রথম যে কাজটি করল তা হলো সিগারেট ধরালো। প্রথম সিগারেট অতি দ্রুত শেষ করে চায়ের সঙ্গে দ্বিতীয় সিগারেট। একতলায় কর্মচারীদের যে রান্নাঘর আছে, সেখানে চুলায় চায়ের পানি সব সময় ফুটছে। টি ব্যাগ-চিনি-দুধ সবই রাখা আছে। চা বানানোর আলাদা লোক নেই, নিজের হাতে বানাতে হবে।

    শফিক চায়ের কাপ নিয়ে একতলার পেছনের বারান্দায় চলে এলো। মেজাজ খুব খারাপ লাগছে। বড় সাহের তাকে কাজ দেবেন বলেছেন। কাজটা কি এখনো জানা যায়নি। মনে হয় তার পরীক্ষা শেষ হয়নি।

    শফিক সাহেব চা খাচ্ছেন নাকি?

    শফিক ভ্রু কুঁচকে তাকাল। ক্যাশিয়ার সাহেব তার দিকে আসছে। তার কি চেয়ার ছেড়ে দাঁড়ানো উচিত? পদাধিকারে ক্যাশিয়ার তার চেয়ে বড় না ছোট? কোনো কিছুই সে জানে না। সে এমন এক চাকরি করছে যে চাকরিতে তার পজিশন কি সে কিছুই জানে না। শফিক উঠে দাঁড়াল না তবে উঠে দাঁড়ানোর ভঙ্গি করল।

    সোবাহান সাহেব যন্ত্রের মতো বললেন, আপনার জন্যে একটা মোবাইল টেলিফোন স্যাংশান হয়েছে। সাইন করে নিয়ে যাবেন। কোনো কারণে চাকরি টার্মিনেট হলে কিংবা আপনি স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিলে সেইটা অফিসে দিয়ে যাবেন।

    শফিক হাসি মুখে হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়লেও মনে মনে বলল, তোর ঐ সেট তুই…দিয়ে বসে থাক। অতি কুৎসিত এই বাক্য তার মাথায় আসছে কেন সে বুঝতে পারছে না। সোবাহান সাহেব মানুষটার চেহারা ভদ্র। কথাবার্তা ভালো। তাকে দেখে মাখায় গালাগালি আসার কথা না।

    শফিক সাহেব চাকরি কেমন লাগছে?

    বুঝতে পারছি না কেমন লাগছে।

    প্রথম কয়েক দিন মন বসবে না, তারপর ঠিক হয়ে যাবে।

    শফিক বলল, প্রথম কতদিন মন বসবে না?

    সোবাহান সাহেব বললেন, এটা একটা কথার কথা বললাম। স্যারের এখানে কাজকর্ম কিছুই নাই এইটাই সমস্যা। স্যার যেমন কিছু করেন না, দিনরাত শুয়ে বসে থাকেন, আমাদেরও তাই করতে হয়। মানুষ তো কাজ ছাড়া থাকতে পারে না। ঠিক বলেছি না?

    ঠিক বলেছেন।

    গরুকে যেমন সারাদিন ঘাস খেতে হয়, মানুষকেও সে রকম সারাদিনই কিছু কিছু করতে হয়। আমাদের এখানে খেলাধুলার ব্যবস্থা আছে। আপনার ইচ্ছা হলে খেলতে আসবেন।

    কী খেলা?

    সোবাহান সাহেব শফিকের পাশের চেয়ারে বসতে বসতে বললেন, ক্যারাম আছে, দাবা আছে। রাতে নাইন কার্ড খেলা হয়। নাইন কার্ড জানেন?

    না।

    ভেরি ইজি। অল্প স্টেকে খেলা হয়। দশ মিনিট খেলা দেখলে শিখে ফেলবেন। তবে আপনি তো রাতে থাকেন না। রাতে থাকলে মজা পেতেন।

    শফিক বলল, চা খাবেন? আপনার জন্যে চা নিয়ে আসব? আমি আরেক কাপ খাব এই জন্যে জিজ্ঞেস করছি।

    না চা খাব না। আপনার মতো ঘণ্টায় ঘণ্টায় চা খাওয়ার অভ্যাস আমার নাই।

    শফিক চা এনে আবার নিজের জায়গায় বসল। তার ক্ষীণ আশা ছিল ফিরে এসে দেখবে সোবাহান সাহেব চলে গেলেন। অকারণ কথাবার্তা শুনতে ভালো লাগছে না। এই লোকের অভ্যাস মনে হয় অকারণ কথা বলা।

    সোবাহান সাহেব ঝুঁকে এসে বললেন, আপনি কি দুধ চা খান?

    জি।

    দুধ চায়ের চেয়ে রঙ চা ভাল। কনডেন্স মিল্কের চা স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ। কনডেন্স মিল্কের প্রধান ইনগ্রেডিয়েন্ট পামওয়েল। শরীরের জন্যে বিষ বলতে পারেন।

    শফিক চায়ে চুমুক দিতে দিতে বলল, আমার কাজটা ঠিক কী বলতে পারেন?

    সোবাহান সাহেব বললেন, আসবেন যাবেন চা খাবেন এই তো কাজ। এর বেশি কিছু না। স্যার অবসর নিয়েছেন। স্যারের সঙ্গে আমরা সবাই অবসরে।

    কর্তা যান বঙ্গে আমরা যাই সঙ্গে।

    উনি কোথাও বের হন না?

    সপ্তাহে একদিন ওনার পীর সাহেবের কাছে যান। বুধবার রাতে।

    ওনার পীর আছে নাকি?

    সব পয়সাওয়ালা মানুষের একজন পীর-ফকির আছে। রাস্তার কোনো ভিক্ষুককে শুনবেন না সে পীরের মুরিদ। যে কোনো কোটিপতির কাছে যান শুনবেন তিনি পীরের মুরিদ।

    স্যার কি কোটিপতি?

    কোটি টাকা এখন কোনো টাকাই না। সারের যে টাকা ব্যাংকে জমা আছে তার ইন্টারেস্টই আসে কয়েক কোটি। ওনার টাকা নিয়ে আলাপ করে আমাদের কোনো লাভ আছে? আমার লাভ নাই। আমরা গরুর লেজ। মাছি তাড়ায়ে তাড়ায়ে জীবন শেষ। এই লোক মানুষ হয়েছে এতিমখানায়। কে তার বাপ কে তার মা কিছুই জানে না। বিশ্বাস হয়?

    শফিক চুপ করে রইল। সোবাহান সাহেব বললেন, ওনার টাকা-পয়সার হিসাব করে দুইজন চার্টার্ড একাউন্টেট। চারজন ক্যাশিয়ার। কি অবিশ্বাস্য কথা!

    আপনি কি চারজন ক্যাশিয়ারের একজন?

    আরে দূর দূর। আমি হলাম গুহ্যদ্বারের ক্যাশিয়ার। আমি এইখানকার খরচের হিসাব রাখি। আসল লোকজন বসে মতিঝিলে হেড অফিসে। আপনার বেতন হবে আমার এখান থেকে। ভালো কথা, চাকরির শুরুর প্রথম মাসের বেতন অ্যাডভান্স দেয়া হয়। এটা স্যারের নিয়ম। এই টাকা মাসে মাসে কেটে রাখা হয়। আপনি মনে করে আজ যাওয়ার সময় বেতন নিয়ে যাবেন।

    শফিক বিস্মিত হয়ে বলল, পুরো বেতন?

    অবশ্যই। এখানে চাকরির মজা আছে। কাজকর্ম কিছু নাই এইটাই সমস্যা। ভাই আমি উঠি। আমজাদ সাহেবের খবর নেই।

    ওনার কি হয়েছে?

    বমি টমি করে একাকার। এখন শুয়ে আছেন। মাথায় পানি দিচ্ছে। মনে হয় ডাক্তার ডাকা দরকার।

    সব মিলিয়ে কতবার উঠবোস হয়েছে? স্যার জানতে চেয়েছেন এই জন্যে জিজ্ঞাস করছি।

    এগজাক্ট ফিগার আপনাকে জেনে বলছি। সতেরোশর ওপর হয়েছে। ওনার সঙ্গে কি আপনার দেখা হয়েছে?

    জি না।

    একবার দেখা করবেন। লোক কিন্তু ভালো। আপনার কথা জিজ্ঞেস করেছিলেন। এখন আপনার ঘরেই শুয়ে আছেন। এই ঘরটা তার ছিল। চাকরি চলে যাওয়ার পর আপনাকে দেয়া হয়েছে।

    ঘর অন্ধকার। দুটা জানালার পর্দা টানা। আমজাদ আলি লম্বালম্বি হয়ে শুয়ে আছেন। চোখ বন্ধ। মুখ হাঁ করে নিঃশ্বাস নিচ্ছেন। মাথা ভেজা। মাথায় তোয়ালে জড়ানো। কিছুক্ষণ আগেই মাথায় পানি দেয়া বন্ধ হয়েছে। পানির বালতি এখনো সরানো হয়নি। শফিকের পায়ের শব্দে তিনি চোখ মেললেন। ফ্যাসফ্যাস গলায় বললেন, কে?

    আমার নাম শফিক। শফিকুল করিম।

    ভাই সাহেব আপনাকে চিনেছি। আপনি স্যারের নতুন ম্যানেজার। ভালো আছেন?

    জি ভালো আছি।

    আমার অবস্থা কাহিল। বমি করে বারান্দা ভাসায়ে ফেলেছি। ভাই সাহেব বসেন, দাড়ায়ে আছেন কেন?

    শফিক বসল। আমজাদ আলি বললেন, আপনার ঘর দখল করে বসে আছি কিছু মনে নিবেন না।

    কোন অসুবিধা নাই। আপনার কি জ্বর। শরীর কাঁপছে।

    শীত শীত লাগছে। জ্বর কিনা বুঝতে পারছি না।

    গায়ের ওপর একটা চাদর কি দিয়ে দেব?

    আমজাদ আলি ব্যাকুল হয়ে বললেন, চাদর-টাদর কিছু আপনাকে দিতে হবে। কাউকে ডাক দিয়ে বলেন দিয়ে দিবে।

    শফিক তার কপালে হাত দিল। জ্বর ভালোই আছে।

     

    মবিনুর রহমান তাঁর শোবার ঘরে। ফুট রেস্টে পা তুলে গভীর মনোযোগে টিভি দেখছেন। টিভি দেখছেন বলা ঠিক হবে না, টিভিতে ছবি দেখছেন। সউিন্ড অফ করা। হিন্দি কোনো সিনেমা হচ্ছে। পাত্র-পাত্রীরা সবাই দীর্ঘ ডায়লগ বলছে। সবার চোখেই পানি। মবিনুর রহমানকে দেখে মনে হচ্ছে তিনি পাত্র-পাত্রীদের ঠোঁট নাড়া দেখে ডায়লগ ধরার চেষ্টা করছেন। তিনি টিভি থেকে চোখ না সরিয়ে ডাকলেন, বাবুল।

    শফিক জি স্যার বলে ঘরে ঢুকল।

    তিনি তার দিকে তাকালেন না। সিনেমায় যে দৃশ্যটা চলছে সেটা শেষ হবার জন্যে অপেক্ষা করলেন। শফিক বলল, স্যার কিছু লাগবে?

    তিনি হালকা গলায় বললেন, তোমার হাত কি পরিষ্কার আছে?

    জি স্যার পরিষ্কার।

    পরিষ্কার থাকলেও একটা কাজ করো বাথরুমে যাও, সাবান দিয়ে হাত ভালো করে ধুয়ে এসে আমার পায়ে ক্রিম লাগিয়ে দাও। আমার সামান্য ডায়াবেটিসের মতো আছে। ডায়াবেটিসে পায়ের যত্ন নিতে হয়। তুমি যেটা করবে সেটা হলো হালকা করে ম্যাসাজ করবে। আঙুলের ফাঁকে ফাঁকে ক্রিম দেবে।

    শফিক অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে। তার কি করা উচিত সে বুঝতে পারছে। ইংরেজি সাহিত্যে তার এমএ ডিগ্রি আছে। ভাইবা পরীক্ষায় এক্সটারনাল এগজামিনার বললেন, আমি একজন বিখ্যাত কবির নিজের লেখা এপিটাফের দুটা লাইন বল। তুমি যদি কবির নাম বলতে পারো তাহলে তোমাকে ভালো নাম্বার দেব। এমনিতেও তুমি ভালো করেছ তারপরেও সুন্দর সুযোগ পেলে। দেখি সুযোগটা কাজে লাগাতে পার কিনা—

    I would have written of me on my stone
    I had a lovers quarrel with the world.

    এই লাইন দুটা কোন কবির লেখা?

    শফিক বলল, রবার্ট ফ্রস্ট।

    ভাইবায় সে সত্তর পারসেন্ট নাম্বার পেয়েছিল। থিওরি আরেকটু ভাল করলে ফার্স্ট ক্লাস পেয়ে যেত। সে মাস্টারি করত ইউনিভার্সিটিতে। ছাত্রছাত্রীদের সাহিত্য পড়াতো। এসথেটিকস শেখাতো। তাদের সঙ্গে একটি মেয়েই ফার্স্ট ক্লাস পেয়েছিল, সে ইউনিভার্সিটিতে জয়েন করেছে।

    মবিনুর রহমান তার ম্যানেজারের দিকে তাকিয়ে আছেন। তাঁর চোখের দৃষ্টি তীক্ষ্ণ। তিনি মনে হয় কিছু বুঝার চেষ্টা করছেন। শফিকের কাছে এখন তাকে তার এমএ পরীক্ষার ভাইবা বোর্ডের চেয়ারম্যানের মতো লাগছে। যিনি কখনো কাউকে কোনো প্রশ্ন করেননি। যার একমাত্র কাজ ছিল ছাত্রদের দিকে তাকিয়ে থাকা।

    বাবুল?

    জি স্যার।

    তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে আমার পায়ে ক্রিম মাখিয়ে দিতে তোমার কিছু আপত্তি আছে। তোমার বাবার পায়ে তুমি কখনো হাত বুলিয়ে দাওনি?

    জি না স্যার।

    দাওনি কেন?

    বাবা কারোর সেবা নিতে পছন্দ করেন না।

    কেন করেন না?

    জানি না স্যার।

    তিনি কি তোমার সঙ্গে থাকেন?

    তিনি একটা হোটেলে রুম নিয়ে থাকেন।

    তার জন্যে তাকে মাসে কত ভাড়া দিতে হয়?

    তাকে কোনো ভাড়া দিতে হয় না। হোটেলের মালিক তার ছাত্র। আমার বাবা স্কুল-মাস্টার ছিলেন। ভাড়া দিয়ে হোটেলে বাস করার সামর্থ্য তাঁর নেই।

    মবিনুর রহমান তার দৃষ্টি আবারো টিভির দিকে ফিরালেন। আবারো তিনি দুলতে শুরু করেছেন। হঠাৎ দুলুনি বন্ধ করে শফিকের দিকে তাকিয়ে শান্ত গলায় বললেন, তোমার বাবা কারেরি সেবা যে নেন না তার কারণ মনে হয় আমি বের করতে পেরেছি। তিনি সেবা নেন না কারণ সেবা নিলে তার মূল্য দিতে হয়। ওনার মূল্য দেবার সামর্থ্য নেই। আমার যেহেতু সামর্থ্য আছে, আমি সেবা নেই এবং সেবা নিতে আমার খারাপ লাগে না। আমি একজন বৃদ্ধ মানুষ, আমার পায়ে হাত বুলিয়ে দিতে তোমার কেন খারাপ লাগছে আমি বুঝতে পারছি না। তুমি কি আমার চাকরিটা করতে চাচ্ছ না?

    চাচ্ছি স্যার! আমি খুবই খারাপ অবস্থায় আছি।

    যাও বাথরুম থেকে ক্রিম নিয়ে এসো।

     

    মবিনুর রহমান চোখ বন্ধ করে আছেন। শফিক তার সামনে মাথা নিচু করে বসে আছে। মবিনুর রহমান তাঁর বাঁ পা এগিয়ে দিয়েছেন। শফিক পায়ে ক্রিম ঘষছে। ক্রিমের গন্ধ তীব্র। শফিকের মাথা ঝিমঝিম করছে। শরীর গুলাচ্ছে।

    শফিক।

    জি স্যার।

    লায়লাকে মনে আছে?

    মনে আছে ওনার সঙ্গে কিছুক্ষণের জন্যে আপনার বিয়ে হয়েছিল।

    তোমার স্মৃতিশক্তির পরীক্ষা হোক—কখন বিয়ে হয়েছিল। কখন ভাঙলো?

    রতি একটা দশে বিয়ে হয়েছিল, ভোর আটটা দশে বিয়ে ভেঙেছে।

    তোমার স্মৃতিশক্তি ভালো। এখন মনে হচ্ছে তুমি আমার সঙ্গে কাজ করতে পারবে। কি কাজ শুনতে চাও।

    স্যরি বলুন।

    তোমার একমাত্র কাজ লায়লার সঙ্গে যোগাযোগ রাখা। তার আস্থাভাজন হওয়া। আমি এতিমখানায় বড় হয়েছি তুমি জানো না?

    জানি। আপনি বলেছেন।

    আমার নিকটজন বলতে একজনই— লায়লী। তার প্রতি যদি প্রবল দুর্বলতা বোধ করি সেটা নিশ্চয়ই দোষের না। এমনও তো হতে পারে দেখা গেল আমার মৃত্যুর পর আমি সব কিছুই তাকে দিয়ে গিয়েছি। হতে পারে না?

    জি স্যার।

    কাজেই লায়লা ভরসা করতে পারে এমন কিছু লোকজনের সঙ্গে আগে থেকেই তার পরিচয় থাকা উচিত। তুমি তাদের একজন। তুমি কখনোই মনে করবে না যে আমি হুট করে তোমাকে নিয়েছি। অনেক চিন্তা-ভাবনা করেই তোমাকে নেয়া হয়েছে।

    মবিনুর রহমান এখন চোখ মেলেছেন। তাকিয়ে আছেন শফিকের দিকে। তার চোখের দৃষ্টিতে আগের তীক্ষ্ণ ভাবটা নেই। তিনি হালকা গলায় বললেন, আমি ক্যাশিয়ার সোবাহানকে বলে দিচ্ছি তোমাকে যেন একটা সার্বক্ষণিক গাড়ি দেয়া হয়। হুট হাট করে তোমাকে নারায়ণগঞ্জ যেতে হতে পারে।

     

    সোবাহান সাহেব খুবই অবাক হয়ে শফিকের দিকে তাকিয়ে আছেন। যেন তিনি শফিককে চেনেন না। শফিক অচেনা কেউ। শফিক বলল, কিছু বলবেন? সোবাহান সাহেব নিচু গলায় বললেন, বড় সাহেব আপনার জন্যে একটা ফুল টাইম গাড়ি সংশন করেছেন।

    ও আচ্ছা।

    আপনি জিপ গাড়িটা নিন। গাড়ি পুরনো হলেও ভালো। ড্রাইভারের নাম রঞ্জু। লোক ভালো। গাড়িতে লগ বুক আছে। কোথায় যান না যান একটু লিখে রাখবেন। তেলের হিসাবের জন্যে, অন্য কিছু না। গাড়ি আপনার বাসায় রাতে থাকবে।

    শফিক বলল, আমি দরিদ্র মানুষ। গাড়ি রাখার গ্যারেজ নেই।

    গ্যারেজ লাগবে না। বাসার সামনে গাড়ি রেখে রঞ্জু গাড়িতে ঘুমাবে। স্যার ফুল টাইম গাড়ি দিতে বলেছেন। গাড়ি ফুল টাইম থাকবে। এইসব বিষয়ে স্যারের নিয়ম-কানুন কঠিন। এক কাপ চা আমার সঙ্গে খাবেন?

    না।

    আপনার ভাগ্য খুবই ভালো, স্যার আপনাকে পছন্দ করেছেন।

    ফুল টাইম গাড়ি দিয়েছেন এই জন্যে বলছেন?

    জি না এই জন্যে না। আপনার বেতনও বাড়ানো হয়েছে। পনেরো হাজার করা হয়েছে। আগারগাঁওয়ে আমাদের যে স্টাফ কোয়ার্টার, সেখানে আপনাকে ফ্ল্যাট দিতে বলেছেন।

    সোবাহান সাহেব শফিকের দিকে তাকিয়ে আছেন। তার চোখ চকচক করছে।

    শফিক বাসায় ফিরল রাত আটটার দিকে। রিকশায় আসতে হয়নি গাড়ি নিয়ে এসেছে। আজো সে খালি হাতে আসেনি। আধাকেজি রসমালাই নিয়ে এসেছে।

    মীরা আনন্দিত গলায় বলল, আজ দেখি সকাল সকাল চলে এসেছ?

    শফিক বলল, সকাল সকাল এসে কোনো সমস্যা তো তৈরি করি নি। না-কি কোন সমস্যা তৈরি করেছি?

    মীরা বলল, এ রকম রাগী রাগী গলায় কথা বলছ কেন? আমি কথার কথা বলেছি, রাত আটটা এমন কোন সকালও না। যারা অফিস করে দশটা-পাঁচটা করে। তোমার মতো ভোের সাতটায় গিয়ে রাত দশটায় ফেরে না।

    এত কথা বলছ কেন? হড়বড় হড়বড় করেই যাচ্ছ। নিশো কোথায়?

    তার ছোট মামা এসে নিয়ে গেছে।

    কেন?

    জলিলের বড় মেয়ের জন্মদিন। জন্মদিনে গেছে।

    রাতে ফিরবে না?

    না।

    তুমি খুব ভালো করে জানো নিশো রাতে বাইরে থাকবে এটা আমার খুবই অপছন্দ।

    নিশো খুব যেতে চাচ্ছিল।

    মীরা চুপ করে রইল। মানুষটা হঠাৎ কেন এত রাগ করছে সেটা বোঝার চেষ্টা করছে। মীরা বলল, তুমি কি এখন খাবে না দেরি হবে? দেরি হলে চা করে দেই।

    আমি রাতে কিছু খাব না।

    কেন?

    ক্ষিদে নেই।

    কাঁঠালের বিচি দিয়ে শুঁটকি মাছ রান্না করেছিলাম।

    হাতির বিচি দিয়ে পুঁটকি মাছ রান্না করলেও খাব না।

    এইসব কী ধরনের কথা?

    শুনে অপমান লাগছে? আমার সঙ্গে বাস করলে এই ধরনের অপমানসূচক কথা শুনতে হবে। শুনতে যদি ভাল না লাগে এমন জায়গায় চলে যাও যেখানে এ ধরনের কথা শুনবে না।

    সেই জায়গাটা কোথায়?

    কোথায় তুমি খুঁজে বের করো। তোমার মঞ্জু মামাকে জিজ্ঞেস করো।

    ওনার কথা আনলে কেন?

    ইচ্ছা হয়েছে এনেছি। যতবার ইচ্ছা হবে আনব। এখন সামনে থেকে যাও।

    মীরা শোবার ঘরে ঢুকে গেল। তার মনটা খুবই খারাপ হয়েছে। সে ঠিক করে রেখেছিল, নিশোর বাবা অফিস থেকে ফেরার পর তাকে ভুলিয়ে ভালিয়ে জলিলের ঝিগাতলার বাসায় নিয়ে যাবে। রাতটা সেখানে থাকবে। শফিক খুব আপত্তি করবে বলেও তার মনে হয়নি। মেয়ের টানে যেতে রাজি হবে। জন্মদিনের ভালো খাবার আছে। মানুষটা ভালো খাবার পছন্দ করে। আর যেতে রাজি না হলেও তাদের সময়টা খারাপ কাটবে না। বিয়ের প্রথম দিকের মতো শুধু তারা দুজন।

    শফিক হাত-মুখ ধুয়ে বারান্দায় বসে সিগারেট টানছে। শোবার ঘরের দরজা খোলা থাকায় মীরা খাটে বসে তাকে দেখতে পাচ্ছে। সে এখন কি করবে বুঝতে পারছে না। শফিকের রাগ ভাঙানোর চেষ্টা আরেকবার করে দেখবে? মানুষটা কি কারণে রাগ করে আছে সেটা জানতে পারলে চেষ্টাটা সহজ হতো। সে চায়ের সঙ্গে সিগারেট খেতে পছন্দ করে। এক কাপ চা নিয়ে তার কাছে যাওয়া যায়। এতে তার রাগ না কমলেও নিশ্চয়ই বাড়বে না। চুলায় কেতলি বসানো, পানি ফুটছে, চা বানানো কোনো ব্যাপার না। কথা হচ্ছে সে এখন যাবে না আরেকটু পরে যাবে? একটু পরে যাওয়াই বোধহয় ভালো। সময় যত যাবে রাগ তত কমবে। আবার উল্টোটাও হতে পারে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাগ বাড়তেও পারে। মীরা ছোট্ট নিঃশ্বাস ফেলে রান্নাঘরের দিকে রওনা হলো।

    নাও চা নাও।

    শফিক হাত বাড়িয়ে চা নিল। মীরা বলল, গোসল করবে? বাথরুমে পানি আছে।

    শফিক বলল, আরেকটু পরে।

    চায়ে চিনি কম হয়েছে?

    না চিনি ঠিক আছে।

    আমি কি তোমার পাশে বসব?

    বসতে চাইলে বসে। অনুমতি নেবার কী আছে?

    তুমি যে চাকরি পেয়েছ–বাবা-মাকে খবরটা তো এখনো দাওনি। ওনারা খুব খুশি হবেন।

    খুশি হবার কিছু নাই। খুশি যত কম হওয়া যায় ততই ভালো।

    তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে রেগে আছ। পাশে বসার ভরসা পাচ্ছি না।

    শফিক জবাব দিল না। মীরা পাশের চেয়ারে বসল। কথা বলার কিছু খুঁজে পাচ্ছে না। চুপচাপ বসে থাকাটাও ঠিক হচ্ছে না। মীরা বলল, আজ কি রকম গরম পড়েছে দেখেছ? কাল ছিল ঠাণ্ডা, চাদর গায়ে ঘুমাতে হয়েছে। আজ আবার গরম। তোমার অফিসে নিশ্চয়ই এসি আছে তাই না?

    শফিক জবাব দিল না। মীরা বলল, ওরা যে বলেছে তোমাকে একটা মোবাইল টেলিফোন দেবে, কবে দেবে।

    দিয়েছে।

    মীরা আনন্দিত গলায় বলল, এই খবরটা দাওনি কেন? আচ্ছা এই মোবাইলে কি টিএন্ডটি লাইনও ধরা যায়? ধরা গেলে এক্ষুণি নিশোর সঙ্গে কথা বলতে পারি।

    শফিক বলল, কথা বলতে চাইলে বলো।

    মোবাইল রেখেছ কোথায়?

    শার্টের পকেটে আছে।

    এত বড় একটা খবর তুমি গোপন রেখেছ। আশ্চর্য!

    মীরা ছুটে বের হয়ে গেল। নিশোর সঙ্গে কথা বলে এখন সে নিশোকে চমকে দেবে। কিছুক্ষণ আগে শফিক তার সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করেছে এটা এখন আর মীরার মনে নেই।

    হ্যালো কে? আমার নিশো মা?

    হুঁ।

    বলো তো আমি কে?

    মা।

    হয়েছে। কী করছ মা?

    টিভি দেখছি।

    কার্টুন?

    হুঁ।

    বলো তো কার টেলিফোনে টেলিফোন করছি?

    জানি না।

    তোমার বাবার টেলিফোন। তোমার বাবাকে অফিস থেকে দিয়েছে। তুমি কি বাবার সঙ্গে কথা বলবে?

    না। আমি কার্টুন দেখব।

    বাবার সঙ্গে কথা বলো। বাবা খুশি হবে।

    আচ্ছা।

    তুমি ধরে থাকো আমি টেলিফোনটা বাবার কাছে নিয়ে যাচ্ছি। টেলিফোনটা কানে দিয়ে রাখে। কান থেকে সরাবে না।

    মীরা বালিকাদের মতো আনন্দিত ভঙ্গিতে বারান্দায় এসে থমকে দাঁড়াল। শফিক কঁদছে। নিঃশব্দ কান্না না। শব্দ করে কাঁদছে। মীরা তার ছয় বছরের বিবাহিত জীবনে এই দৃশ্য প্রথম দেখল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসানাউল্লাহর মহাবিপদ – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article সৌরভ – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }