Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেপিয়েন্স: এ ব্রিফ হিস্টোরি অফ হিউম্যানকাইন্ড – ইউভাল নোয়া হারারি

    ইউভাল নোয়া হারারি এক পাতা গল্প202 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. আমরা ভার্সেস তোমরা

    এইটা কোথ থেকে আসছে জানি না—কিন্তু আমাদের মধ্যে “আমরা ভার্সেস তোমরা” বলে একটা ব্যাপার আছে। এইটা জর্জ বুশ আমাদের মধ্যে ইনজেকশন দিয়া পুশ করে নাই। সুপ্রাচীন কাল থেকেই এটা আমাদের মধ্যে আছে।

    আমরা নিজেদের সেইভাবেই ডিফাইন করি—যেটা আমরা না। স্যামুয়েল হান্টিংটন একটা চমৎকার উদাহরণ দিসেন। একজন কর্মজীবী নারী যখন তার দশজন গ্‌হিনী বান্ধবীর সাথে গল্প করেন, তখন তার মাথায় থাকে যে এই গ্রুপে তিনিই একমাত্র কর্মজীবী। সেই নারীই যখন অফিসে তার পুরুষ কলিগদের সাথে মিটিং করেন, তখন কিন্তু তার মাথায় থাকে না যে তিনি একই কোম্পানিতে একই পোস্টে জব করনে। তিনি যে একজন নারী—এই পরিচয়টাই প্রধান হয়ে ওঠে তখন।

    চাইলে এরকম হাজারটা উদাহরণ দেয়া যাবে। চিটাং কলেজের যে ছেলেটা ঢাকায় ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে আসে, তার নন-চিটাং বন্ধুদের সামনে হয়তো সে গর্বভরে বলে ‘আঁরা চিটাইঙ্গা। আঁরাই বেস্ট’। সেই ছেলেটাই যখন বৈদেশ পড়াশোনা করতে যায়, তখন তার সুর পালটে হয়ঃ “আঁরা বাংলাদেশী। আঁরাই বেস্ট”।

    এইভাবেই মানুষ নিজেদের মধ্যে ভাই-বেরাদরসশিপ তৈরি করে। নিজের অস্তিত্বের প্রয়োজনেই তৈরি করে। আর এটা করতে গিয়েই আরেকদল মানুষকে সে অনায়াসে ‘তোমরার’ দলে ফেলে দেয়। প্রতিটা সভ্যতাই তাই গর্বভরে অন্য সভ্যতার মানুষদের বর্বর ঘোষণা করেছে। মিশরের ফারাওরা অ-মিশরীয় মাত্রকেই বর্বর ভাবতো। রোমানরা ভাবতো অ-রোমানদের। খালি গায়ে ঘোরাফেরা করে বলে ভারতীয়দের বর্বর ভাবতো ব্রিটিশরা। স্বামী-স্ত্রী প্রকাশ্যে চুমু খায় বলে আবার ব্রিটিশ সভ্যতাকে বর্বর ভাবতো ভারতীয়রা।

    তবে এই “আমরা বনাম তোমরা” দ্বন্দ্বের মধ্য থেকেও আমাদের মধ্যে কিছু কমন ব্যাপারে বিশ্বাস তৈরি হয়েছে। প্রথম বিশ্বাসটা আসছে টাকায়। তারপর পলিটিক্যাল সিস্টেমে। যে আমাদের কাউকে না কাউকে দরকার আমাদের শাসন করার জন্য। সর্বশেষ আসছে ধর্ম।

    ব্যবসায়ী, রাজ-রাজড়া আর ধর্মপ্রচারকরা তাই এই দুনিয়া সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ এলিমেন্ট। গুরুত্বপূর্ণ যদি নাও মানেন, এটা মানতে হবে—এই তিন দল হল সমাজ পরিবর্তনের মূল ফোর্স। আমরা বনাম তোমরা’র যে বাইনারীতে আমরা সাধারণ মানুষ আটকে থাকি, এরা আমাদের সেই বাইনারী থেকে বের করে নিয়ে আসে। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ক্‌ষক, শ্রমিক—বাদবাকি সবার দরকার সমাজকে ফাংশনাল রাখার জন্য। সমাজ বদলে এরা কোন ভাইটাল ফোর্স না। সমাজে যে র‍্যাডিকাল পরিবর্তনগুলো আসে, তা ঐ বণিক, রাজা আর পয়গম্বরের হাত দিয়েই আসে।

    একজন ব্যবসায়ীর কাছে যেমন গোটা দুনিয়াটাই একটা বাজার। আর সব মানুষ তার পটেনশিয়াল কাস্টোমার। কোন বয়বসায়ীকে এইজন্য দেখবেন না তার ব্যবসা নিয়া সন্তুষ্ট থাকতে। দেখা হলেই বলবে, ভাই, আগের মত আর ব্যবসাপাত্তি নাই। খোঁজ নিলে দেখা যাবে, সে তার ব্যবসা বাড়িয়েই চলেছে। ওষুধ থেকে জুতা, জুতা থেকে কসমেটিক্স, কসমেটিক্স থেকে রিয়েল এস্টেট। একই কথা খাটে রাজ-রাজড়াদের জন্যও। গোটা দুনিয়াটাই তার টেন্ট্যাটিভ সাম্রাজ্য। আর দুনিয়ার মানুষ তার পটেনশিয়াল প্রজা। এদিকে ধর্মপ্রচারক মনে করেন, দুনিয়া জুড়ে কেবল একটা সত্যই থাকবে। সবাই দল বেঁধে এই সত্যের অনুসারী হবে।

    এই যে গ্লোবাল ভিশন, দুনিয়ার সব মানুষকে এক ফিলোসফির শামিয়ানায় আনার যে চেষ্টা–তাতে কিন্তু দিন শেষে জয়ী হয় টাকাই। পলিটিক্যাল সিস্টেম নিয়া মানুষের মধ্যে মতবিরোধ আছে। গণতন্ত্রই বেস্ট কিনা—এই নিয়া মানুষের মনে এখনো সন্দেহ আছে। অনেককেই বলতে শুনবেন, এর চেয়ে আর্মি ভালো ছিল। কিংবা আগের দিনের জমিদাররাই ভালো ছিল। কিংবা এরশাদের একনায়কতন্ত্রই ভালো ছিল।

    ধর্ম নিয়া তো কথাই নাই। আমার গডে হয়তো আপনি বিশ্বাস করেন না। কিংবা আপনার গডে আমি বিশ্বাস করি না, টাকার গডে কিন্তু আমরা সবাই বিশ্বাস করি। আমেরিকান টাকার উপর লেখা থাকেঃ “In God We Trust”. এই গড অবশ্যই খ্রিস্টান গড। যে লোকটা টিপিক্যাল গডে বিশ্বাস করে না কিংবা ভিন্ন গডে বিশ্বাস করে, সেও কিন্তু এই টাকা স্বচ্ছন্দে ব্যবহার করে। টাকার উপর গডের কথা লেখা আছে দেখে সে ভারতীয় পণ্য বর্জনের মত এই টাকাও বর্জন করে না। কিংবা আমেরিকান সরকারের কাছে পিটিশনও দাখিল করে না যেঃ তোমার টাকার উপর গডের কথা লেখা আছে। তোমার টাকা আমি আর ইউজ করবো না।

    এই একটা স্রোতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ এক হয়ে মিশে যায়। টাকাকে আমি-আপনি যতোই গালি দিই না কেন, দুনিয়ার মানুষকে কেউ যদি এক করতে পারে, তবে এই টাকাই।

    আমেরিকা ছিল লাদেনের এক নম্বর শত্রু। আমেরিকান ক্‌ষ্টি- কালচার, পলিটিক্স—সব কিছুতেই তার ছিল ভয়ানক বিত্‌ষ্ণা। সেই লাদেনও কিন্তু আমেরিকান ডলারকে প্রিয়তমার মতোই বুকে আগলে রাখতো।

    আমাদের শিকারী পূর্বপুরুষদের মধ্যে টাকা-পয়সার কোন ধারণা ছিল না। এরা দল বেঁধে শিকার করতে যেতো। যা পেতো, তাই ভাগাভাগি করে খেতো। কেউ হয়তো শিকারে বেশি দক্ষ। তাই বলে যে মাংসের ভাগটা বেশি পেত—তা না। যে লোকটা শিকার ভালো জানে না, কিন্তু গাছগাছড়ার রস দিয়ে ক্ষত সারাতে পারে, তাকেও সে সমান ভাগই দিত। এইভাবে একটা অঘোষিত বিনিময় প্রথা গড়ে উঠেছিল তাদের মধ্যে।

    ক্‌ষিভিত্তিক সমাজও কমবেশি একইরকম ছিল। বনেজঙ্গলে ঘোরা মানুষগুলো একটা নির্দিষ্ট গ্রামে এসে থিতু হল। এদের মধ্যেই কেউ ছিল ক্ষত সারানোয় ওস্তাদ, কেউ কাপড় বোনায়, কেউ বা হাতুড়-বাটাল দিয়ে মিস্তিরিগিরিতে। আমরা যাকে বলি ‘স্বনির্ভর অর্থনীতি’–ঠিক সেইটা ছিল তাদের। বাইরের মানুষের সাথে যোগাযোগ করা লাগতোই না বলা যায়। ফুলটাইম ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা দর্জির তাই তখনো প্রয়োজন হয় নাই।

    নগর ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা এসে সব কিছু ওলট পালট করে দেয়। শহর মানেই কুটি কুটি লোক। যাদের কেউ কাউকে চেনে না। কাজেই, আমার প্রতিবেশী, যে কিনা দাবি করে সে গাছগাছড়ার রস দিয়ে এক চুটকিতে আমার ক্ষত সারায়ে দিতে পারবে—তার এই দাবির সত্যমিথ্যা আমি জানি না। এই অবিশ্বাস থেকে জন্ম হল স্পেশালাইজেশনের। জন্ম নিল স্পেশালাইজড ডাক্তার, মিস্তিরি আর দর্জি।

    স্পেশালাইজেশনের প্রভাব পড়লো গ্রামেও। একটা গ্রামে হয়তো পুইঁশাকের ফলন ভালো হয়। শহরের লোকে ভাবলো, কী দরকার কষ্ট করে বাড়ির পেছনে পুঁইশাক ফলানোর? এর চেয়ে ঐ গ্রাম থেকে কিনলেই তো হয়। ধীরে ধীরে এই গ্রামের খ্যাতি চারদিকে ছড়িয়ে পড়লো। অন্য গ্রামগুলোও বসে রইলো না। যে ফসলটা তারা অতো ভালো ফলায় না, সেই ফসল তারা ফলানোই ছেড়ে দিল। সমস্ত মনোযোগ দিল যেই ফসল ভালো ফলে, তার উপর। এইভাবে আরেকটা গ্রাম হয়তো টমেটোর দিক দিয়ে, আরেকটা গ্রাম আলুর দিক দিয়ে নিজেকে স্পেশালাইজ করে নিল।

    স্পেশালাইজেশনের ফলে কনজ্যুমার হিসেবে শহরের মানুষের সুবিধা হল। কিন্তু ওভারঅল অর্থনীতি হয়ে পড়লো জটিল। আর অর্থনীতি যতো কমপ্লেক্স হয়, বিনিময় প্রথা ততো অকার্যকর হতে থাকে। আগে গ্রামে থাকতে পাশের বাড়ির বৌদির কাছ থেকে কলাটা-মূলাটা আনা যেত। জানা কথা যে, সেও একদিন তার কাছ থেকে মাছের কুটোটা বিনিময়ে নিয়ে যাবে। কিন্তু শহরে তো এই সুবিধা নাই। যে ধনঞ্জয় আমার ধরা ইলিশ মাছের বিনিময় কাল দেবে বলে নিয়ে গেলো, কাল কেন— সারা জীবনেও তার সাথে আমার আর দেখা নাও হতে পারে।

    বিনিময় প্রথার অসুবিধা বোঝানোর জন্য একটা উদাহরণ দিই।

    ধরা যাক, আপনার আমের বিরাট বাগান। সেইখানে ল্যাংড়া, ফজলি, মোহনভোগ—নানা স্বাদের আম ফলে। একদিন আপনার জুতা গেছে ছিঁড়ে। আপনার প্রতিবেশীর কাছে আপনি শুনলেন, নদীর ঐপারে বাজারে এক মুচি আছে। তাকে দিয়া সে জুতা ঠিক করাইসিলো। আজ পাঁচ বছর হইসে, সেই জুতার কিচ্ছু হয় নাই। তো আপনি নাচতে নাচতে মুচি ভদ্রলোকের কাছে গেলেন। আশা, কয়টা আমের বিনিময়ে তার জুতা ঠিক করায়ে নিবে।

    মুচি বেচারা পড়লো বিপদে। গত সপ্তাহেই সে তিনটা ফজলি আমের বিনিময়ে একজনের জুতা ঠিক করে দিসিলো। তিনটা নাকি চারটা? তার এখন ঠিক মনে পড়তেসে না। প্রতিদিন তো সে কতো কিছুর বিনিময়ে কতোজনের জুতাই ঠিক করে দেয়। ধান, গম, মাংস, কাপড়-চোপড়—দ্যা লিস্ট গোজ অন। এতো কিছুর ভীড়ে আমের হিসাব মাথায় থাকে নাকি?

    ধরা যাক, তিনটাই আম। এইখানেও সমস্যা। তিনটা আমের বিনিময়ে সে এক কিশোরীর জুতা ঠিক করে দিসিলো। আর এটা পূর্ণবয়স্ক পুরুষের বুট। এর জন্যও কি তিনটা আম চাওয়া ঠিক হবে? কয়টা চাইলে সে ঠকবে না? বেশি আম না হয় নিল। বেশি আম নিয়ে সে করবেটা কী? বাসায় খালি সে আর তার বউ। ফ্রীজও নাই যে আম প্রিজার্ভ করে রাখবে। বেশি নিলে শুধু শুধু এটা পচবে।

    আরেকটা কনসার্ন আছে তার। অতি সম্প্রতি দেশে একটা ছোঁয়াচে রোগের আমদানি হইসে। কাতারে কাতের গরু-ছাগল সেই রোগে আক্রান্ত হইতেসে। কাজেই, চামড়ার সাপ্লাই গেছে কমে। আগে এক জোড়া জুতার বিনিময়ে সে যতোটুকু চামড়া পাইতো, এখন তার অর্ধেক পায়। এই ব্যাপারটাও তো কনসিডার করতে হবে।

    এতো কিছু বিবেচনায় আনতে গিয়ে তার মাথামোথা গরম হয়ে গেল। নিজের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য সে আপনাকে ‘ভাংতি নাই’ বলে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিল। এই সমস্যা যে খালি ঐ মুচি ভদ্রলোকই ফেস করছে—তা না। গোটা বাজারে যদি ১০০টা পণ্যের ১০০ জন বিক্রেতা থাকে, তবে তাদের মধ্যে ৪৯৫০ রকম এক্সচেঞ্জ রেট থাকবে। পণ্যের সংখ্যা বেড়ে যদি ১০০০ হয়, তবে এই এক্সচেঞ্জ রেটের সংখ্যা হবে ৪৯৯৫০০। একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের পক্ষে এই রেট মনে রাখা সম্ভব না।

    অবস্থা আরো খারাপ হইতে পারে যদি মুচি ভদ্রলোক বা তার স্ত্রী—কারোরই আমের প্রতি ভালোলাগা না থাকে। হয়তো দু’জনের মধ্যে বেশ খটাখটি চলছে এখন। মুচি ভদ্রলোকের এখন আম্র দরকার না, দরকার একজন ডিভোর্স লইয়ার। এক্ষেত্রে যেটা হতে পারে—আপনি এক ডিভোর্স লইয়ারকে খুঁজে বের করবেন, যার কিনা আম পছন্দ। আপনার আমের বিনিময়ে সে মুচির ডিভোর্স করায়ে দিবে। মুচি তার বিনিময় দিবে আপনার জুতা ঠিক করে। ডিরেক্ট বিনিময় না হয়ে এটা হল ইনডিরেক্ট বিনিময়। তিনধারী লেনদেন। কিন্তু আপনি যে ঐদিনই একজন আমখোর ডিভোর্স লইয়ার খুঁজে পাবেন–তার গ্যারান্টি কী?

    সুতরাং, এইভাবে সমস্যার সমাধান হবে না। কিছু সমাজ একটু অন্যভাবে এই সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করসিলো। তারা স্পেশালিস্টদের কাছ থেকে সমস্ত রকম পণ্য আর সার্ভিস কিনে রাখতো। তারপর যার যেটা দরকার, তাকে তার উৎপাদিত পণ্য বা সার্ভিসের বিনিময়ে সেটা দিয়ে দিত। এর সমস্যা হল এই যে, সেন্ট্রালি কালেক্ট করলে আপনি কখনোই ভালো দাম পাবেন না। ভালো দাম না পেলে আপনার মধ্যে কাজ করার বা ভালো জিনিস বানানোর আর উৎসাহ থাকবে না। আপনি চাইবেন, মিনিমাম স্পেসিফিকেশনটুকু মিটায়া কোনমতে পণ্য বা সার্ভিস সাপ্লাই দিতে। সোভিয়েত ইউনিয়নে যেটা হইসিলো।

    সমস্যার সমাধান করার জন্য দরকার একটা কমন জিনিস যেটা দিয়ে সবকিছু বিনিময় করা যাবে। সব শ্রেণির এক্সপার্টকে কানেক্ট করার জন্য একটা কমন গ্রাউন্ডের প্রয়োজন হল। আর সেই কমন গ্রাউন্ড তৈরি করলো টাকা। কীভাবে? সেইটা না হয় পরেই বলি।

    ছোটবেলায় একটা ব্যাপার নিয়ে আমি বেশ টেনশনে পড়ে গেছিলাম।

    আমার আব্বু প্রতিদিন অফিস যেতো টাকা আনতে। কিন্তু অফিসের লোকজন তো খারাপ। এরা আব্বুকে প্রতিদিন টাকা দিতো না। মাসের শুরুতে কোন একদিন হয়তো কিছু টাকা আনতে দিত।

    টাকার অভাবে আমরা যখন যা খুশি—তাই কিনতে পারতাম না। নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হত। টাকা যে কেউ ছাপায়–এই ধারণা আমার ছিল। আব্বুকে জিজ্ঞেস করে জানা গেল, সরকার এই টাকা ছাপায়। তখন আমার মনে আইডিয়া এলো, সরকারই যদি টাকা ছাপায়, তাইলে তো সে বেশি বেশি করে টাকা ছাপালেই পারে। তাইলেই তো আর কারো ঘরে কোন অভাব-অনটন থাকবে না।

    যে ভুলটা আমি করেছিলাম, সেই একই ভুলটা করেছিল মধ্যযুগে স্পানিশরা। এরা আমেরিকা এসে পিনিকগ্রস্তের মত স্বর্ণ লুটেপুটে নিয়ে গিয়েছিল। এদের এই পিনিক দেখে মেক্সিকোর তৎকালীন অধিবাসী এ্যাজটেকরা খুব অবাক হয়েছিল।

    এমন না যে এ্যাজটেকরা কখনো সোনা ব্যবহার করেনি। তারাও এটা দিয়ে গহনা বানাতো, মূর্তি বানাতো। ব্যস, এইটুকুই। সোনা খাওয়া যায় না, পরা যায় না, পান করা যায় না। মোটামুটি আকামের একটা জিনিস। এই আকাইম্যা জিনিস নিয়া ইউরপিয়িদের এতো পিনিক কেনো? এ্যাজটেকরা ইউরোপীয়দের নেতা হার্নান কোর্তেকে একবার জিজ্ঞেসও করেছিলঃ সোনা নিয়া তোমাদের এতো পাগলামো কেনো? কোর্তের উত্তরটা ছিল চমৎকারঃ “I and my companions suffer from a disease of the heart which can be cured only with gold।”

    রহস্যটা হচ্ছে এই যে, স্প্যানিশরা স্বর্ণকে বিনিময়ের কমন মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতো। তাই তারা ভেবেছিল, যতো বেশি স্বর্ণ হবে তাদের, ততো তারা বড়লোক হয়ে যাবে। কিন্তু স্বর্ণ তো আসলে টাকা না। ইন ফ্যাক্ট, ‘টাকা’-ও কোন টাকা না। টাকা তাই—যার বিনিময়ে আরেকজন আমাকে কিছু দিবে। সেটা স্বর্ণমুদ্রা না হয়ে কাদামাটিও হতে পারে। দেশের সমস্ত মানুষ যদি এই কাদামাটির বরকতে বিশ্বাস আনে, তবে বিয়েতে হয়তো স্বর্ণ নয়, কাদামাটির ওজন নিয়ে মুরুব্বিদের মধ্যে বাহাস হবে।

    বুঝতেই পারছেন, কিছুদিনের মধ্যেই স্পেন দেশে স্বর্ণের ইনফ্লেশন হয়। আগে যে স্বর্ণ দিয়ে পাঁচ কেজি গম কেনা যেত, আজ তা দিয়ে এক কেজিও কেনা যায় না। স্বর্ণ বেড়েছে, সমাজে সম্পদের পরিমাণ তো আর বাড়েনি। আর এই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েই বাংলাদেশ সরকার স্রেফ একটা অবুঝ শিশুকে খুশি করার জন্য ইচ্ছেমত টাকা ছাপাতো না।

    স্বর্ণ্মুদ্রা আসার আগেও নানাভাবে টাকার প্রচলন ছিল। কখনো শস্যের দানা, কখনো গরু-ছাগলের চামড়া, কখনো বা লবণকে টাকা হিসেবে ব্যবহার করা হত। অনেকে বলেন, ইংরেজি Salt শব্দটা থেকেই Salary শব্দের উৎপত্তি। মধ্যযুগে যুদ্ধের সময় সৈন্যদের বেতন হিসেবে যে লবণ দেয়া হত। সুবে বাংলাতেও যে স্যালারি হিসেবে লবণ দেয়া হত না—তাই বা কে বলতে পারে? ‘নুন খাই যার, গুণ গাই তার’—কথাটা তো আর আকাশ থেকে এসে পড়েনি!

    প্রিজন ব্রেক মুভিগুলোতে দেখবেন, সিগারেটকে এখানে টাকা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। যার কাছে যতো বেশি সিগারেট, জেলখানার সে ততো বড় হেডম। এমনকি যারা স্মোক করে না, তাদেরও জেলখানায় এই সিগারেট দিয়েই সব কিছু বিনিময় করে। এক প্যাকেট পাউরুটির দাম হয়তো দুইটা সিগারেট, একটা চলনসই ঘড়ি দশটা সিগারেট, এক বোতল বিদেশী মদ বিশটা সিগারেট।

    আমরা অবশ্য টাকা বলতে বুঝি ব্যাংকনোটরূপী টাকা। যদিও দুনিয়ার সমস্ত টাকার একটা খুব ক্ষুদ্র অংশ জুড়ে আছে এই ব্যাংকনোট। আজকের দুনিয়ায় টাকা আছে প্রায় ৬০ ট্রিলিয়নের মত। তার মধ্যে ব্যাংকনোট আর কয়েন রূপে আছে মাত্র ৬ ট্রিলিয়ন। প্পরো টাকার মাত্র ১০%। বাকি টাকাটা আছে আমাদের কম্পিউটার সার্ভারগুলোতে। আমাদের দৈনন্দিন কেনাকাটা, বিদ্যুৎ বিল, মোবাইল বিল—সবই আজকাল ইলেকট্রনিক হয়ে যাচ্ছে। বিরাট ক্রিমিনাল ছাড়া আজকাল আর কেউ স্যুটকেস ভর্তি টাকা নিয়ে ঘোরাফেরা করে না

    ইলেকট্রনিক ফর্মেই হোক আর ব্যাংকনোট রূপেই হোক, কোন কিছু টাকা হতে হলে সবার আগে যেটা লাগবে—সেটা হল কনভার্টিবিলিটি। রূপান্তরযোগ্যতা। আমি বাদাম বিক্রি করে আপনার কাছ থেকে সার্কিটের ডিজাইন শিখি না। কারন, সেটা আমার কোন কাজে লাগবে না। আমি নিই টাকা। কেননা এই টাকা দিয়ে আমি আবার মুদি দোকানীর কাছ থেকে তেল কিনতে পারবো। টাকা এইভাবে এক পণ্যকে আরেক পণ্যে কনভার্ট করে দিচ্ছে। আপনি হয়তো ঘূষ খাচ্ছে। সেই ঘূষের টাকায় দানখয়রাত করে মানুষের দোয়া কিনে নিচ্ছেন। একজনের সার্ভিস এখানে আরেকজনের দোয়ায় কনভার্ট হচ্ছে।

    খালি কনভার্টিবল হলেই হবে না। এর আরো দুটো গুণ থাকা লাগবে। এক, একে সহজে স্টোর করা যাবে। আর দুই, একে সহজে ট্রান্সপোর্ট করা যাবে। শস্যকে টাকা হিসেবে ব্যবহার করলে দুটো সমস্যাই হয়। একে তো একে স্টোর করলে হয় ইঁদুরে খেয়ে ফেলবে নয়তো গুদামে আগুন লেগে যাবে। আর এটা সহজে পরিবহণযোগ্যও না। ধরা যাক, আপনি বাড়ি বিক্রি করবেন। এখন বাড়ি বিক্রির বিনিময় হিসেবে কি কয়েক মণ ধান বা লবণ নিয়ে দুই ক্রোশ পথ পাড়ি দবেন? পেইনটা একটু বেশিই হয়ে গেলো না?

    কয়েন আর নোট্রূপী টাকা এসে এই সব সমস্যার সমাধান করেছে। নিজের কাছে রাখতে ভয় পাচ্ছেন? অকা। বাড়ির কাছে ব্যাঙ্কে গিয়ে রেখে আসেন। টাকা নিয়ে দুই ক্রোশ দূরে যাওয়া দরকার? আপনাকে গরুর গাড়ি বোঝাই করে টাকা নেয়া লাগবে না। লুংগির গিঁটে বেঁধে নিলেই চলবে।

    গুণীজনেরা তাই টাকাকে সকল সমস্যার মূল বললেও টাকাই আবার সকল সমস্যার সমাধানও।

    আগেই বলেছিলাম, মানুষের গল্প করতে গেলে মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের বার বার ফিরে আসতেই হবে। এখন যেমন আমরা আছি সুমেরীয়ানদের সাথে সুমেরে। আজকের ইরাকের দক্ষিণ প্রান্তে।

    টাকার গল্পটাও এইখান থেকেই শুরু। যীশুর জন্মেরও তিন হাজার বছর আগে এখানেই প্রথম বার্লির দানাকে টাকা হিসেবে চালিয়ে দেয়া হয়।

    এই দানা দিয়েই সমস্ত কিছু কেনাবেচা করা হত। বার্লির দানা ঠিকঠাক ওজন করা জন্য প্রায় এক লিটারের একটা স্ট্যান্ডার্ডাইজড বাটি তৈরি করা হল। স্যালারি দেয়া হত এই বাটিতে বার্লি ওজন করে।

    এক লিটারের এই স্ট্যান্ডার্ডাইজড বাটিকে বলা হত এক সিলা। একজন পুরুষ শ্রমিক হয়তো মাসে ষাট সিলা কামাতে পারতো। নারী শ্রমিক কামাতো ত্রিশ সিলার মত। এদের যে ফরম্যান ছিল তার কামাই ছিল মাসে ১২০০-৫০০০ সিলার মত। ৫০০০ সিলা বার্লি খেয়ে নিশ্চয়ই সে শেষ করতে পারতো না। যেটুকু বেঁচে যেত, সেটা সে পরিবারের জন্য মাছ, মাংস, দুধ-ডিম কিনতো।

    শুরু শুরুতে মানুষকে কনভিন্স করা আসলেই টাফ ছিল—যে তোমার বার্লি খালি বার্লি না, এটা হল টাকা। আপনি যদি এই ইতিহাসে অনুপ্রাণিত হয়ে বাসার চালের বস্তাটা পিজা হাটে নিয়া পিজা কিনতে চান, পিজা হাটের লোক হয় আপনাকে পাগল ভাববে নয়তো পুলিশ ডাকবে। সেই সময় তো কাগুজে টাকার ধারণা ছিল না। আর বার্লি যেহেতু খাওয়া যায়, এর একটা নিজস্ব ভ্যালু আছে। কাজেই, শুরুটা খুঁড়িয়ে হলেও আস্তে আস্তে বার্লি আস্তিক মানুষের সংখ্যা ঠিকই বেড়ে গেলো।

    বার্লির সমস্যা ছিল, এটা স্টোর করে রাখা যায় না অনেকদিন। কাজেই, এমন কিছুর দরকার হল টাকা হিসেবে যাকে ইঁদুরে খেয়ে ফেলবে না বা সহজেই আউনে পুড়ে যাবে না। ব্রেকথ্রু টেকনোলজি হিসেবে এলো রুপার ব্লক। ৮.৩৩ গ্রাম রুপার একটা ব্লক। এই ব্লককে বলা হত শেকেল।

    হামুরাবির সংবিধানে যখন বলা হত, কোন অভিজাত পুরুষ যদি কোন দাসীকে হত্যা করে, তবে ক্ষতিপূরণ হিসেবে সেই দাসীর মালিককে ২০ শেকেল দিতে হবে। এই ২০ শেকেল মানে ২০টা রুপার মুদ্রা না। ২০*৮.৩৩= ১৬৬ গ্রাম রুপার কথা বলা হচ্ছে এখানে। বাইবেলেও এই ‘শেকেল’ এর উল্লেখ পাওয়া যায়। ইউসুফ নবীকে তার ভাইয়েরা এই ২০ শেকেলের বিনিময়েই ইসমায়েলীদের কাছে বেঁচে দিয়েছিল।

    কালের বিবর্তনে নির্দিষ্ট ওজনের ধাতুকে যে বিনিময়ের কমন মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যায়—এই আইডিয়া আমাদের গ্রেট গ্রেট নানা-দাদাদের মাথায় পাকাপোক্ত হয়ে গেড়ে বসলো।

    আমরা যাকে কয়েন বা মুদ্রা বলি, তার আবির্ভাব হয় আজকের তুরস্কে। ৬৪০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। আগের মতই নির্দিষ্ট ওজনের সোনা/রুপা দিয়ে তৈরি হত এই মুদ্রাগুলো। নতুনত্বটা ছিল অন্য জায়গায়। ইতিহাসে প্রথমবারে মত মুদ্রার উপর রাজ-রাজড়ার নাম খোদাই করা শুরু হয়। এর মানে, স্বয়ং রাজা আমাকে কথা দিচ্ছেন— বৎস, আমার এরিয়ায় তুমি নিশ্চিন্তে এই মুদ্রা ইউজ করতে পারো। কেউ এই মুদ্রার বিনিময়ে তোমাকে কিছু দিতে না চাইলে আমাকে খালি বলবা। আমি তার চৌদ্দপুরুষকে দেখে নিব।

    সোনা/রুপার ব্লকে একটা সমস্যা ছিল। ধরা যাক, আপনি আমাকে বাদাম বিক্রির জন্য দুই শেকেল রুপা দিলেন। এখন এই দুই শেকেল রুপা যে পিউর, তার গ্যারান্টি কে দিবে? দিনে আমার একশো জন কাস্টোমার। এখন একশো জনের দেয়া শেকেলের বিশুদ্ধতা যাচাই করতে গেলে আমার আর বাদাম বেচা লাগবে না। রুপার কয়েন যখন চালু হইলো, তখন আমার এই টেনশন রাজামশাই নিজ কাঁধে নিয়ে নিল। কয়েনের উপুর রাজার খোমাখানা প্রিন্ট করার মানে, এইখানে আর যা কিছু প্রিন্ট করা আছে সব কিছুর দায় রাজার। কয়েনের উপর দুই শেকেল লেখা আছে মানে, এইখানে দুই শেকেলই আছে। বা না থাকলেও ক্ষতি নাই। দুই শেকেলের বিনিময়ে বাজারে যা পাওয়া যায়, আমি ঠিক তা-ই পাব।

    দেশের রাজার সাথে আমার সরাসরি কোন সম্পর্ক নাই। কোনকালে ছিলও না। যেটুকু সম্পর্ক— তা এই টাকা-পয়সার মাধ্যমে। টাকা-পয়সার তাই যেমন একটা অর্থনৈতিক ন্যারেটিভ আছে। তার পাশাপাশি আছে একটা রাজনৈতিক ন্যারেটিভ। আধ্যাত্নিক ন্যারেটিভ।

    যুগে যুগে তাই টাকা জাল করাকে বিরাট অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হইসে। টাকা জাল করা মানে সরাসরি রাজার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করা। সোজা কথা, দেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা।

    তবে টাকা জাল করে বড়লোক হতে চাইলে আমি একটা ছোট্ট সাজেশান দিতে পারি। কখনোই বাজারে বড় নোট ছাড়বেন না। বড় নোট সবাই চেক করে। পাঁচশো বা এক হাজার টাকার নোট জাল করে ধরা খাওয়া চান্স তাই অনেক বেশি। জাল করবেন একশো বা পঞ্চাশ টাকার নোট। ধরা খাওয়া চান্স ৯৯% যাবে।

    যা বলছিলাম, লোকে আসলে টাকায় বিশ্বাস করে না। টাকাটা যেই লোক বা অথরিটি ইস্যু করসে, বিশ্বাসটা আসলে তার উপর। আমেরিকান ডলারে আমাদের বিশ্বাস বাংলাদেশি টাকার চেয়ে বেশি কেন? কারণ, আমেরিকান সিস্টেমের উপর আমাদের বিশ্বাস। এখানকার স্ট্রাকচার আর সিকিউরিটির উপর বিশ্বাস। আমাদের এলিট সমাজ কেন বাংলাদেশে ইনভেস্ট না করে মালয়েশিয়ায় বাড়ি বানায়? কারণ সে জানে এখানকার টাকার কোণ ভ্যালু নাই। আজ সরকার বদল হলে ব্যাঙ্কে তার হাজার কোটি টাকার কানাকড়িও ভ্যালু থাকবে না। বাধ্য হয়ে সে তাই টাকা সরিয়ে মালয়েশিয়া/সিঙ্গাপুর রাখে। যেখানে তার টাকার আজকে যেই ভ্যালু, কালকেও সেই একই ভ্যালু থাকবে।

    এইজন্যই রোমান দিনারিয়াস কয়েনের এতো ভ্যালু ছিল পুরো আফ্রো-এশিয়ায়। রোমান সম্রাটের উপর বিশ্বাস এতোই প্রবল ছিল যে ভারতে পর্যন্ত এই দিনারিয়াসে কেনাবেচা হত হামেশাই। আরব মুদ্রার নাম যে দিনার, সেও এসেছে এই ‘দিনারিয়াস’ থেকেই।

    আর টাকার সর্বগ্রাসী ক্ষমতার কথা কে না জানে? যে আরব মুসলিম বিশ্বাস করে, যীশু আল্লাহর নবী, সন্তান নয়, তার কাছেও যদি প্রবল পরাক্রমশালী কোন মুদ্রা আসে, যার উপর লেখা—যীশু আল্লাহর সন্তান—সে খুশিমনে সেই মুদ্রা ব্যবহার করবে। তার ধর্মের অপমান হয়েছে বলে এই মুদ্রা সে বর্জন করবে না।

    টাকার সাফল্য যদি কিছু থেকে থাকে—এটাই। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্পূর্ণ অপরিচিত দুইটা মানুষের মধ্যে বিশ্বাস স্থাপন করা। আমাদের বিশ্বাসের যদি কোন স্তম্ভ তৈরি হয়ে থাকে, সেই স্তম্ভের সবচেয়ে উঁচু আসনটায় থাকবে এই টাকা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমানুষের ইতিহাস : ইউভাল নোয়া হারারি
    Next Article স্পাই মেয়ে – মার্থা ম্যাককেনা

    Related Articles

    ইউভাল নোয়া হারারি

    মানুষের ইতিহাস : ইউভাল নোয়া হারারি

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }