Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেরা আশ্চর্য! সেরা ফ্যানট্যাসটিক (প্রথম পর্ব) – সম্পাদনা : অদ্রীশ বর্ধন

    লেখক এক পাতা গল্প464 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পিপে • রণেন ঘোষ

    অপরাহ্ন প্রায় সন্ধ্যার বুড়ি ছুঁয়ে ফেলেছে। আকাশের বুকে অস্তপ্রায় সূর্যের লালাভা। ভাসা ভাসা মেঘের বুকে রক্তিমাভার অপূর্ব উল্লাস। সারা দিনের অন্বেষণ শেষ করে ঘরে ফেরায় ব্যস্ত পাখিসকল। আকাশে বুকে পাড়ি জমিয়েছে সারি বেঁধে। গাছপালার ঝোপে ঝাড়ে ঘনিয়ে আসছে রাতের অন্ধকার। কেমন যেন ধ্যানমগ্ন সন্ধ্যা।

    নেশাগ্রস্তের মতন ডেকচেয়ারে বসে থাকেন ডঃ প্রতীপ নারায়ণ সেনশর্মা। দিনের মধ্যে কয়েক ঘণ্টা কাটে ল্যাবোরেটরী ঘরে। বায়োলজি নিয়ে গবেষণার শেষ নেই। প্রাণ… প্রাণ কী, প্রাণের স্বরূপ কী? প্রাণের উৎপত্তি কোথায়? এই মহাবিশ্বের বিশাল প্রাঙ্গণে আর কি কোথাও আছে প্রাণের স্পন্দন, বুদ্ধিমান জীব মানুষই কি মহাবিশ্বের এক মাত্র বিস্ময়… নানান প্রশ্নের সমাধানে ক্লান্ত ডঃ সেনশর্মা।

    —না না সেন… বেশ বুঝতে পারছি এগুলোর কোন মানেই হয় না। কেঁচো, কাঁকড়া বিছে, ইঁদুর, কুকুর, অক্টোপাস, জেলীফিস… এ সমস্তই প্রকৃতির বিচিত্র খেয়াল ছাড়া আর কিছুই নয়। গ্রহে গ্রহে এর রকমফের অবশ্যম্ভাবী। কারণ বুদ্ধিমত্তা বা প্রাণের উৎকর্ষতা বলে তো কিছুই নেই ওদের। তবে হ্যাঁ দৈবাৎ যদি কোন গ্রহে বুদ্ধিমান জীবের বিকাশ ঘটে তাহলে তাদের আকৃতি হবে নির্ঘাৎ আমাদের মতো। পাশের চেয়ারে বসতে বসতে কথাগুলো বললেন প্রঃ গুণ। শুধু সহপাঠী বললে ভুল হবে। ডঃ সেন শর্মার প্রাণের বন্ধু এই প্রঃ অসীমান গুণ গবেষণারও একমাত্র সঙ্গী।

    —এ তোমার নিছক অনুমান। প্রমাণ আছে কি কিছু? মৃদু হেসে প্রশ্ন করলেন ডঃ সেনশর্মা।

    —প্রমাণ! প্রমাণই কি সব? এ হচ্ছে আমার বিশ্বাস—আমাদের অনুকরণেই তৈরি হতে হবে আমাদের মতো মস্তিস্ক সর্বস্ব জীবদের। আমাদের মতোই দেখতে হবে তাদের সৃষ্টিকর্তার এটাই বোধ হয় একমাত্র বিধান।

    —দারুণ বিশ্বাস তো তোমার। এসব শুনলে তো পরম নাস্তিকও ভগবৎ বিশ্বাসী হয়ে উঠবে গুণ। তুমি কি ধর্মকর্মে মন দিলে নাকি শেষকালে?

    হোহো করে হেসে উঠলেন প্রঃ গুণ। তারপর হাসি থামিয়ে বললেন—না হে

    না, ধর্মে আর মতি হবে না এ জীবনে। তবে প্রকৃতির বিচিত্র খেয়ালের পাশাপাশি রয়েছে নিয়মের কড়া শাসন। রয়েছে অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখার জন্যে অবিরাম সংগ্রাম আর প্রাকৃতিক নির্বাচন। মহাবিশ্বের গ্রহে গ্রহে এই নিয়মের কোন ব্যতিক্রম নেই। অর্থাৎ কিনা প্রাণ বিকাশের অগ্রগতির এরাই হচ্ছে আসল দিশারী।

    —তার মানে ফুটবল বা হকি খেলার মতন। একই খেলা… শুধু বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নিয়মে খেলা হয়। হাল্কাভাবেই কথাগুলো বললেন ডঃ সেনশর্মা।

    —এতো খুব স্বাভাবিক। এক এক দেশে এক এক নিয়ম। তবে নিয়মের ফারাক থাকে না কেন, একটু তলিয়ে দেখলেই বোঝা যাবে যে, সব নিয়মের মূলেই রয়েছে কতকগুলো সাধারণ সূত্র। সেই রামকৃষ্ণদেবের কথাগুলো ভেবে দেখো— ওয়াটার, জল, পানি—সব কিন্তু একটি বস্তুকে বোঝায়… শুধু প্রকাশ ভঙ্গির পার্থক্য।

    প্রঃ গুণের মুখের দিকে তাকিয়ে আর কোন কথা বললেন না ডঃ সেনশর্মা। ছোট পাইপটা টেনে বার করে নিলেন বুক পকেট থেকে। পাউচ থেকে তামাক ভরে আগুন ধরিয়ে নিঃশব্দে ধূমপান শুরু করলেন ডক্টর। গোলাকার ধোঁয়ার মালাগুলো শূন্যে মিলিয়ে গেল একে একে। সন্ধ্যে হয়ে এসেছে। দূর আকাশের বুকে আলোর হালকা হাতছানি। অন্ধকার ঘনিয়ে আসছে চারপাশে। দু’একটা তারা উঁকি দিচ্ছে আকাশের বুকে। গ্রীষ্মের দারুণ দাবদাহ সন্ধ্যার স্নিগ্ধ স্পর্শে পরম রমণীয় হয়ে উঠছে। সর্বাঙ্গ জুড়িয়ে যাচ্ছে ঠাণ্ডা মৃদু মন্দ বাতাসে।

    —আমি কি ভাবছি জান গুণ, এত বেশী স্থিরনিশ্চয় হলে কি করে তুমি? প্রমাণ তো কিছু পাইনি আমরা। …প্রমাণ না পেলে…

    কথা শেষ করতে না দিয়ে বলে উঠলেন প্রঃ গুণ। বললেন—কেবল প্রমাণ, প্রমাণ আর প্রমাণ। সব কিছুর কি প্রমাণ মেলে? অনেক কিছু দেখার পর অনুমান করাও কি উচিত হবে না? আমি বলছি আমাদের মতোই দেখতে হবে অন্য গ্রহের বুদ্ধিমান জীবদের। বেশ জোর দিয়ে কথাগুলো বললেন প্রঃ গুণ।

    বিচিত্র এক হাসি ফুটলো ডঃ সেনশর্মার মুখে।।

    অবাক করে দিচ্ছ ভাই। বহির্বিশ্বের জীবদের সম্বন্ধে কতটুকুই বা জানি আমরা। শুধু অনুমান মাত্রই সার। আর সেই অনুমানের উপর নির্ভর করে এত বড় সিদ্ধান্তে আসা কি উচিত হবে আমাদের? শুধু একটি মাত্র বুদ্ধিমান জীবের পরিচয় পেয়েছি আমরা। সে হচ্ছে এই পৃথিবীর মানুষ। নিজেদের দেখেই কি বহির্বিশ্বের প্রাণীজগৎ সম্বন্ধে কোন স্থির সিদ্ধান্তে আসা উচিত হবে? নিশ্চয় অনুমান করব আমরা। তবে সে অনুমান কেবল ব্যক্তিগত ইচ্ছারই ফসল হয়ে দাঁড়াচ্ছে মাত্র। কোন মিল থাকবে না বাস্তবের সঙ্গে।

    চেয়ারে হেলান দিয়ে নিঃশব্দে শুনছিলেন প্রঃ গুণ। ভূ দুটো কুঁচকে উঠছিল মাঝে মাঝে।

    —তোমার আরগুমেন্ট শুনলাম সেন। কিন্তু রেগে যাচ্ছ কেন বল তো? রাগ তো আর যুক্তি নয়। মানসিক আবেগ মাত্র। ধীরে ধীরে বললেন প্রঃ গুণ।

    চেয়ারের উপর সোজা হয়ে বসলেন ডঃ সেনশর্মা। একদৃষ্টে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন প্রঃ গুণের দিকে।

    —ঠিক… ঠিক বলছো গুণ। এটা এক মানসিক আবেগ মাত্র। কিন্তু মনঃস্তত্ত্ববিদরা কি বলেন জানো তো? ওঁরা বলেন যে রাগের উৎপত্তি হয় স্বল্প জ্ঞান বা অল্প জানা থেকে।

    —হ্যাঁ হ্যাঁ… তুমি… তোমার কম আছে জ্ঞানের। গর্জে উঠলেন প্রঃ গুণ। সহজ সরল বিষয়টাকে কেবলই জটিল করে তুলছো কেন বুঝি না। একটু চিন্তা করলেই জলের মতো সহজ হয়ে যাবে সব একথা তো নিশ্চয় জানো যে মানুষই এই পৃথিবীতে একমাত্র যুক্তিবাদী প্রাণী। তোমার কাছে হয় তো খুবই সামান্য এই ঘটনা। আপাত সামান্য এই ঘটনাই অসামান্য হয়ে উঠেছে আমার কাছে। আমার যুক্তির সূত্রপাত এখান থেকেই। একবার শুধু ভেবে দেখ যে এই পৃথিবীরই দেশে দেশে কত তফাৎ ভৌগোলিক আবহাওয়ায়। নিদারুণ ঠাণ্ডা আর তার পরেই রোদে জ্বলা ধু ধু মরুভূমির প্রচণ্ড উত্তাপ। একদিকে উত্তুঙ্গ আকাশ ছোঁয়া পাহাড় অন্যদিকে নীল সাগরের কী অতলান্ত গভীরতা। অথচ এত বৈচিত্র্য সত্ত্বেও আর কোন প্রাণীই কিন্তু বুদ্ধিমান হয়ে উঠল না বিশেষ কোন স্থানের সব সুযোগ সুবিধে নিয়ে। ভৌগোলিক তারতম্য নির্বিশেষে মানুষ নামক হোমোস্যাপিয়েনই হল একমাত্র বুদ্ধিমান প্রাণী এই বিশাল পৃথিবীর বুকে। আমার অনুমান গড়ে উঠেছে একান্তই এই বাস্তব সত্যের উপর। এটাই কি প্রমাণ করে না যে গ্রহে গ্রহান্তরে নানান বৈষম্যের মধ্যেও যদি কোন বুদ্ধিমান জীবের উদ্ভব হয় তাহলে তারা হবে ঠিক আমাদের মতোই মানুষ? এবার ভেবে দেখ সেন আমাদের অনুমান কি যুক্তিনির্ভর নয়? —তর্কে জেতার সম্ভাবনায় জ্বলজ্বল করে উঠল প্রঃ গুণের চোখদুটো।

    —বাঃ বাঃ অপূর্ব যুক্তিপূর্ণ তোমার অনুমান, একেবারে নতুন চিন্তা। সত্যি বিশ্বাস কর গুণ, আমার মাথায় আসেনি এসব! চেয়ার থেকে উঠে দু হাতে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরলেন প্রঃ গুণকে।—

    —শুধু এইটুকুই নয় সেন, আরো আছে।

    —আরো আছে? বলো বলো গুণ… অদ্ভুত অপূর্ব তোমার দৃষ্টিভঙ্গি।

    —আমি জানি সেন এ বিষয়েও তুমি নিশ্চয় একমত হবে আমার সঙ্গে যে

    বুদ্ধিমান জীবমাত্রের মস্তিষ্ক বা মস্তিষ্কের অনুরূপ থাকবে কিছু ওর দেহে?

    —হ্যাঁ সে বিষয়ে আর কথা কি… নিশ্চয় মস্তিষ্ক থাকবে তার! জোর দিয়ে বন্ধুকে সায় দিলেন ডঃ সেনশর্মা।

    —বেশ—তাহলে নানান যোগসূত্র থাকবে নিশ্চয় বিভিন্ন ইমপালস আদান প্রদানের জন্য। যেমন ধরো না—শব্দ, বৈদ্যুতিক চৌম্বকীয় তরঙ্গ, গন্ধ, আলো ইত্যাদি। আবার চোখ কান নাকের মতো নিশ্চয় কোন প্রত্যঙ্গ থাকবে ওদের।

    প্রঃ গুণের চোখে মুখে দারুণ উত্তেজনা। প্রতিটি বক্তব্যে স্বীকৃতি লাভের আশায় অধীর আগ্রহে তাকিয়ে রইলেন ওর মুখের দিকে।

    ডঃ সেনশর্মার দু’চোখেও উত্তেজনার আভা।

    —তা’হলে সেন, চোখ নাক কান সব থাকতে বাধ্য। শুধু তাই নয়, আমার স্থির বিশ্বাস যে ষ্টিরিওস্কোপিক অনুভূতি আর ষ্টিরিওফোনিক শব্দ শোনার জন্য নিশ্চয় দুটো করে থাকবে ঐ প্রত্যঙ্গগুলো।

    —না গুণ, এবার কিন্তু তোমার বক্তব্য মানতে পারলাম না। দুটোর বদলে তিনটে চোখ হলে অনেক সুবিধে হয় মানুষের। পেছনে যদি একটা চোখ থাকত আমাদের তাহলে সামনে পেছনে সব দেখতে পেতাম একসঙ্গে। কি বলো হে?

    —না না সেন… তোমার কথা মানতে পারলাম না কিন্তু। চোখ বা অন্য প্রত্যঙ্গ বেশী থাকলে নিশ্চয় প্রাবল্য ঘটবে ইম্পালসের। তার ফলে নাভাস ব্রেকডাউন হওয়া বিচিত্র নয় কিছু।

    —তা কেন হবে গুণ। গাড়ি চালাবার সময় তো একসঙ্গে সামনের আর আয়নার পিছনের দিক সমান নজর রাখতে হয়। তখন তো ইম্পালসের আধিক্য ঘটে না। এ বিষয়ে কিছু বলার আছে তোমার? একটু ঠাট্টার ছলে বলে উঠলেন ডঃ সেনশর্মা।

    —হুঁ! একটু চুপ করে চিন্তা করলেন প্রঃ গুণ!—দেখ সেন সামনে পেছনে আমরা দেখি বটে। তবে একসঙ্গে নিশ্চয় দেখি না। তাই না সেন?

    —সাবাশ! সত্যি অকাট্য তোমার যুক্তি। তবে প্রয়োজন মতো সামনের আর পেছনের চোখও তো ব্যবহার করা যেতে পারে?

    —না… হ্যাঁ… তা যেতে পারে বটে। তবে এ বিষয়ে চিন্তা করিনি এখনও। চিন্তার সুরে বললেন প্রঃ গুণ।।

    —ঠিক আছে। এ প্রশ্নটা না হয় ছেড়ে দিলাম এখন। কিন্তু দুটোর বদলে চারটে চোখ হলে কি অসুবিধে হত বলতো?

    একটু চুপ করে গেলেন প্রঃ গুণ। এই নতুন যুক্তির উপযুক্ত উত্তর তৈরি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন মনে মনে। কিন্তু বেশ কিছুক্ষণ চিন্তা করার পরও যুৎসই কোন জবাব যে খুঁজে পেলেন না সেটা ওঁর মুখের চেহারা দেখেই স্পষ্ট বোঝা গেল। কথা বলার সময়ও দৃঢ়তা রইল না কণ্ঠস্বরে।

    —এ বিষয়েও ভেবে দেখিনি এখনও। তবে আমার বক্তব্যও শেষ হয় নি এখনও। যাক যে কথা বলছিলাম—অকল্পনীয় দ্রুত গতিতে সংকেতের আদান প্রদান ঘটে আমাদের এই নার্ভ টিসুর মধ্যে দিয়ে আর সেই জন্যেই মাথার খুব কাছেই হওয়া উচিত চোখ কান নাক প্রভৃতি প্রত্যঙ্গগুলো। মানে যতদূর সম্ভব মস্তিষ্কের কাছে থাকতে হবে ওদের। তা নয়তো সংকেত আদান প্রদানের বিলম্ব ঘটবে অনেক। অতএব বুদ্ধিমান জীব মাত্রেরই মাথার মতো কিছু থাকতে বাধ্য।

    কোন উত্তর করলেন না ডঃ সেনশর্মা।।

    —আবার দেখ সেন, বুদ্ধিমান জীবমাত্রই কাজ করবে আর কাজ করতে হলে আমাদের হাতের মতো কোন প্রত্যঙ্গ থাকতেই হবে তাদের। শুধু থাকলেই হবে না ইচ্ছে মতো নড়াচড়ার ক্ষমতাও থাকতে হবে, আর সেই জন্যে পা থাকবে প্রতিটি বুদ্ধিমান জীবের।

    —কিন্তু পা কেন… চাকা থাকলে তো সবচেয়ে ভাল হয়? ধীরে ধীরে প্রশ্ন করলেন ডঃ সেনশর্মা।

    —চাকা? পায়ের বদলে চাকা? নিশ্চয় মাথা খারাপ হয়ে গেছে তোমার! একটু রাগত স্বরে বলে উঠলেন প্রঃ গুণ।

    —কিন্তু কেন? চাকা তো অনেক দরকারী। পায়ের চেয়ে তুমিও তো গতির নির্ভর কর বেশী। গতি মানেই চাকা আর চাকা মানেই তো দ্রুত গতির প্রতীক।

    কেমন যেন হোঁচট খেলেন প্রঃ গুণ। এরকম যুক্তি শোনেননি কখনও এর আগে।

    —সত্যি এবারে হাসালে সেন। এ কি একটা যুক্তি হল। বেশ তো তাই যদি হয় তবে হাঁটবে কি করে বনের মধ্যে, কাদার ভেতরে? রাস্তা না থাকলে চাকা তো অকেজো! প্রঃ গুণের সুরে ব্যঙ্গের আভাস।

    এক সুন্দর হাসি ফুটে উঠল ডঃ সেনশর্মার মুখে। মনে মনে উপভোগ করছেন বেশ।

    —এখনও হারিনি গুণ। আরো আছে। পা আর চাকা থাকলেই বা কি এসে যায়। সাপের কথাই ধরো না। না আছে পা না আছে চাকা অথচ গতি কি দ্রুত ওর।

    প্রতিবাদ করার আর সময় পেলেন না প্রঃ গুণ। প্রচণ্ড শব্দে দীর্ণ বিদীর্ণ হয়ে গেল আকাশ বাতাস। শব্দের বন্যা নামছে মহাকাশের বুক চিরে। শব্দের সঙ্গে সঙ্গে লালচে আভায় উদ্ভাসিত হয়ে উঠল চতুর্দিক। ঘটনার ঘনঘটায় হতচকিত হয়ে উঠল দুই বন্ধু। গাছপালার ছায়াগুলো ক্রমেই বৃহদাকার ধারণ করছে ঘাসে ঢাকা মাঠের উপর। কোন কিছু বোধগম্য হওয়ার আগেই বিচিত্র আকারের এক মহাকাশযান নেমে পড়ল ওদের সামনে মাঠের উপর। কি অদ্ভুত বিস্ময়কর মহাকাশযান! লাল উজ্জ্বল আভায় ভরে উঠেছে মহাকাশযানের চার পাশ।

    অজানা আতঙ্কে ফ্যাকাশে হয়ে উঠেছে প্রঃ গুণের মুখ। অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন সামনের দিকে। অথচ সম্পূর্ণ বিপরীত ডঃ সেনশর্মার আচরণ। অবাক হয়েছেন সন্দেহ নেই কিন্তু সমস্ত মুখে এক কৌতুকের হাসি। বেশ রসিয়ে রসিয়ে উপভোগ করছেন সমস্ত ঘটনা।

    —ভায়া হে এবার যাচাই করে দেখ না তোমার থিওরী? ফিস্‌ফিসিয়ে বলে উঠলেন ডঃ সেনশর্মা।

    —কি বলছো তুমি? এখনও তোমার রসিকতা। স্নায়বিক দৌর্বল্য এখন কাটিয়ে উঠতে পারেননি প্ৰঃ গুণ।

    —জীবনটাই তো এক পরম রসিকতা হে। ভগবান নামক যাদুরকটা কেমন পুতুল নাচ নাচাচ্ছে বলো তো আমাদের! দেখ… দেখ এবার…

    গুম্‌ গুম্‌ করে আওয়াজ উঠল মহাকাশযান থেকে। লাল আলোটা কমে গেল একদিকে। ধীরে ধীরে যেন গলে গেল এক পাশের অন্ধকার ধাতব আবরণটা। চৌকাকার কালো এক বস্তু যেন বেরিয়ে আসছে মহাকাশযানের অভ্যন্তর থেকে। ধীরে ধীরে ভেসে উঠছে… আরও… আরও উঠছে উপরে… ভাসছে এবার মহাকাশযানের উপর। লম্বা চৌকাকার এক পিপে ভাসছে জমি থেকে বেশ উপরে হাওয়ার মধ্যে। লালচে আভায় চকচক করছে ওর মসৃণ ধাতব দেহ।

    —ভালো ম্যাজিক তো? পিপে ভাসছে আকাশে! ভিনগ্রহীদের আক্রমণ শুরু হয়ে গেল পৃথিবীতে। প্রাণ বাঁচানই দায় এখন! চাপা গলায় বললেন প্রঃ গুণ।

    ওদের সামনে ভাসতে ভাসতে চারপাশে ঘুরতে শুরু করল পিপেটা। মাঝে মাঝে এগিয়ে আসছে আবার পিছিয়ে যাচ্ছে! মনে হল খুব ভাল ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ওঁদের। এবার আরো সামনে এগিয়ে এল পিপেটা। কয়েক পা পিছিয়ে গেলেন ওঁরা।

    না, একেবারে ঘাড়ের উপর এল না বা ওঁদের আক্রমণও করল না। ওঁদের সামনে ভাসতে ভাসতে কাঁপতে শুরু করল। অদ্ভুত ছন্দে মৃদুমন্দ গতিতে নাচ শুরু করল মহাকাশের আগন্তুক।

    —স্কাউট রোবট নাকি সেন? একটু ইতস্ততঃ করে বললেন প্রঃ গুণ।

    —ভুল করছেন আপনারা… আমি রোবট নই মোটেই। আমি তো আপনাদের মতোই জীবন্ত প্রাণী। পরিষ্কার স্বরে কাটা কাটা ভাবে কথা বলে উঠল পিপেটা।

    চকিতের মধ্যে চারচোখের দৃষ্টি বিনিময় হল ওঁদের।

    —বোকা পেয়েছে আমাদের! এরকমভাবেই প্রোগ্রাম করা হয়েছে নিশ্চয় রোবটটাকে। একটু জোর দিয়েই কথাগুলো বললেন প্রঃ গুণ।

    —একথা বলছ কেন গুণ। প্রোগ্রাম করা হবে কেন? আমাদের দেখতে পাচ্ছে, সব কথা শুনতে পাচ্ছে… তাছাড়া আমাদের চিন্তাও পড়তে পারছে বলে মনে হয় আমার। তাছাড়া কথা বলল কি করে আমাদের ভাষায়? আরো আছে… এবার চেয়ে দেখো ভায়া… পা নেই, চাকাও নেই… অথচ কি অনায়াস গতিতে চলা ফেরা করছে দেখ। তাহলে এবার কি বলবে গুণ? হাসিমুখে বন্ধুর দিকে তাকালেন ডঃ সেনশর্মা।

    —হ্যাঁ হ্যাঁ এবার মানছি তোমার যুক্তি। কিন্তু জীবন্ত নয় মোটেই পিপেটা।

    —বেশ তো, কি প্রমাণ চাও বল? বেশ জোর দিয়ে বললেন ডঃ সেনশর্মা।

    —প্রমাণ করুন! প্রমাণ দিতে প্রস্তুত। কথা বলে উঠল পিপে।

    —প্রমাণ… প্রমাণ… একটি মাত্রই প্রমাণ চাই। তাহলেই বুঝবো… বিড় বিড় করে বললেন প্রঃ গুণ।

    —বেশ তো… ইতস্তত কেন… কি প্রমাণ চান বলুন? মুহূর্তের মধ্যে উত্তর দিল পিপে।

    —জীবন্ত প্রাণী মাত্রই নিজের মতো প্রাণ সৃষ্টি করার ক্ষমতা রাখে… জীবন্ত হলে জন্ম দিন ঠিক আপনার মতো একটা পিপে! আদেশের সুরে বলে উঠলেন প্রঃ গুণ।

    উত্তর করল না পিপে। আরও তীব্র হয়ে উঠল গুমগুমে আওয়াজ। থর থর করে কাঁপতে শুরু করল। কাঁপুনি বাড়ছে ক্রমেই। কেমন যেন অস্পষ্ট হয়ে উঠল সমস্ত পিপেটা। মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাকিয়ে রয়েছেন ডঃ সেনশর্মা আর প্রঃ গুণ। হঠাৎ খুলে গেল যেন একটা পাশ। ছোট্ট এক পিপে বেরিয়ে এল আগন্তুক পিপের মধ্যে থেকে। একই রকম দেখতে অথচ খুবই ছোট আকারের! বড়টার সামনেই ভাসছে সদ্যোজাত নবজাতক। কাঁপছে ধীরে ধীরে। মুহূর্ত কয়েক বাদেই ঘটল আরো চমকপ্রদ ঘটনা। ফুলে উঠতে শুরু করল নবজাতক। মিনিট পাঁচেকের মধ্যে আর কোন পার্থক্য রইল না পিতা পুত্রের মধ্যে। সমানাকারের বড় দুটো পিপে ভাসছে চোখের সামনে।

    মাঝে মাঝে মাথা ঠেকিয়ে দূরে সরে যাচ্ছে পিপে দুটো। কৌতুক খেলায় মেতে উঠেছে পিতা পুত্র!

    একটু পরেই নাচতে নাচতে ভেসে চললো নবজাতক মহাকাশযানের দিকে। তারপর এক সময়ে অদৃশ্য হয়ে গেল সে মহাকাশযানের অভ্যন্তরে।

    এবার কথা বলে উঠল পিপে—আপনাদের অতিথি আমি… আর অতিথি বলে কেমন যেন লাগছে কথাটা বলতে… আমি যে জীবন্ত তার প্রমাণ তো দিলাম… কিন্তু আপনাদের প্রমাণ পেলেই নিশ্চিন্ত হতাম আমি।

    —প্রমাণ? কিসের প্রমাণ? সব যেন যেমন গোলমাল হয়ে গেল প্রঃ গুণের।

    —আপনারও যে জীবন্ত—রোবট নন… তার প্রমাণ!

    —অপূর্ব! অপূর্ব! সজোরে তারিফ করে উঠলেন ডঃ সেনশর্মা।

    —সেটা—সেটা কি করে সম্ভব হবে… প্রতিবাদের সুরে বলে উঠলেন প্রঃ গুণ।

    —সম্ভব করতেই হবে! এটাই তো ওর ন্যায্য দাবী। ওর বেলায় তুমিও তো তাই চেয়েছিলে না? ডঃ সেনশর্মার কণ্ঠে রসিকতার আমেজ।

    —কিন্তু কি করে করবো আমরা?

    —কেন ঠিক কেমন করে আমি প্রমাণ দিলাম! গম্ভীর স্বরে বলে উঠল পিপে।

    —মানে… মানে কি করে বোঝাবো ওকে? বন্ধুর দিকে নিরুপায় ভঙ্গিতে তাকালেন প্রঃ গুণ।

    রীতিমত জটিল হয়ে পড়ছে পরিস্থিতি। ডঃ সেনশর্মা গভীর ভাবে উপলব্ধি করলেন সমস্যাটা।

    —হ্যাঁ, দেখুন মহাকাশের আগন্তুক, আপনার মতো সহজ ভাবে জন্ম দিতে পারি না আমরা নবজাতকদের। তাই অন্য কোন প্রমাণ যদি চান… তাহলে…।

    —হ্যাঁ, বুঝতে পারছি এবার। নবজাতক বা বংশধর সৃষ্টির ব্যাপারে অনেক পিছিয়ে আছেন আপনারা। প্রায় প্রাগৈতিহাসিক যুগেই পড়ে আছেন দেখছি! খুব গম্ভীরভাবে বলে উঠল মহাকাশচারী পিপে।

    —ঠিক ধরেছেন আপনি! তবে কিনা…

    ডঃ সেনশর্মাকে বাধা দিয়ে আবার প্রশ্ন করল পিপে।

    —কোন নবজাতক আপনাদের শিশু বংশধরদের দেখতে পারি একবার? শিশুদের দেখলেই সব বুঝতে পারবো।

    —নিশ্চয়। নিশ্চয়। প্রঃ গুণেরই তো ছেলে আছে। কলেজে পড়ে… এখান থেকে অনেক দূর কলেজ। তবে ছবি আছে বাড়ীর ভেতরে। যদি বলেন তো…

    —এক মিনিট অপেক্ষা করুন… ছবি নিয়ে আসছি আমি… চকিতে একবার ডঃ সেনশর্মার দিকে তাকিয়ে একরকম দৌড়ে বাড়ীর মধ্যে চলে গেলেন প্রঃ গুণ। একটু পরে বাইরে বেরিয়ে এলেন প্রকাণ্ড এক বাঁধানো ছবি নিয়ে।

    ভাসতে ভাসতে আরো সামনে এগিয়ে এল পিপে। প্রফেসারও মাথার উপরে তুলে ধরলেন ছবিটা।

    এবার এক অবিস্মরণীয় ঘটনা ঘটল ওঁদের সামনে। দুই বন্ধু হতবাক! হাত

    পা ছাড়াও কি দ্রুত কাজ করে চলেছে অদ্ভুত পিপেটা।

    প্রফেসারের হাত থেকে ছবিটা উড়ে গেল পিপেটার সামনে। জোর হয়ে উঠল গুমগুম আওয়াজ। কাঁপুনিও শুরু হয়ে গেল আস্তে আস্তে। ম্যাজিকের মতো পিপের সামনে শূন্যে ভাসছে ছবি। একটু একটু করে দুলছে পিপে। পর্যবেক্ষণ করছে খুব ভাল করে।

    —কেমন করে করছেন এসব? বিস্ময় চাপতে পারলো না। প্রঃ গুণ।

    —কেন? খুব সোজা। ফোর্সফিল্ডের সাহায্যে এসব অতি সহজ। সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিল পিপে।

    নির্বাক দুই বন্ধু। কি-ই বা বলার আছে এর পরে। কয়েক মিনিট পরে আস্তে আস্তে ছবিটা নেমে এসে দাঁড়াল প্রঃ গুণের হাতের সামনে। যন্ত্রচালিতের মতো ধরে নিলেন প্রফেসার।

    —ধন্যবাদ অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাদের। সব কিছু বুঝতে পেরেছি এখন। এবার আমার বিদায় নেবার পালা। যেতে হবে আমাকে অনেকদূরে—পিপের কণ্ঠস্বরে কি কষ্টের আভাস?

    —সেকী? মহাকাশের সীমাহীন দূরত্ব পেরিয়ে এলেন শুধু এইটুকু জানতে? মাত্র কয়েক মিনিট থাকবার জন্যে আমাদের গ্রহে? নিজের অজ্ঞাতসারে বলে উঠলেন ডঃ সেনশর্মা।

    —এখানে আসার একটাই উদ্দেশ্য ছিল। সে উদ্দেশ্য সফল হয়েছে আমার। এখন তো যেতে হবে আমাকে।

    —কি সে উদ্দেশ্য আপনার? অবাক হয়ে প্রশ্ন করলেন প্রঃ গুণ।

    —আমাদের গ্রহের সমস্ত বিজ্ঞানীরাই এই মত পোষণ করেন যে মহাবিশ্বের যাবতীয় জীবন্ত প্রাণীরাই আমাদের মতন দেখতে। আমি কিন্তু প্রতিবাদ করেছিলাম। হেসেই উড়িয়ে দিয়েছিল ওরা আমার কথা! তাই প্রমাণ সংগ্রহে বেরিয়েছিলাম। প্রমাণও পেয়ে গেলাম হাতে নাতে।

    —অথচ পৃথিবীর একজন বিখ্যাত বিজ্ঞানী এই যে প্রফেসার গুণ বহুদিন আগেই প্রমাণ করেছেন যে মহাবিশ্বের বুদ্ধিমান জীব মাত্রই বিভিন্নরূপে প্রকাশমান। বেশ গম্ভীর ভাবে বলে উঠলেন ডঃ সেনশর্মা। বন্ধুর ব্যবহারে বাক্যহারা প্রফেসর।

    —খুব ভাল হল… আপনাদের মূল্যবান অভিমতের কথা নিশ্চয় জানাব আমাদের বিজ্ঞানীদের। বেশ উৎসাহভরে কথাগুলো বলে উঠল পিপে।

    —বিদায়—বিদায় বন্ধু—আপনাদের উন্নত সভ্যতার কথা চিরদিন মনে রাখবো আমরা—

    একসময়ে আকাশের বুকে অদৃশ্য হয়ে গেল অজানা বিশ্বের মহাকাশযান।

    —একেবারে ডাহা মিথ্যে কথা বললে যে সেন? একটুও বাধলো না তোমার?

    —যাই হোক বন্ধু, হেরে গেছ তুমি। হাসতে হাসতে বললেন ডঃ সেনশর্মা।—শুধুমাত্র আমার তোমার সকলের—বিশ্বের ইজ্জত বাড়াবার জন্য মিথ্যা বললাম। তা নয়তো কি ভাবতো বলোতে পিপেটা?

    .

    প্রথম প্রকাশ: ফ্যানট্যাসটিক, সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রেত-প্রেয়সী – অদ্রীশ বর্ধন
    Next Article আদিম আতঙ্ক – অদ্রীশ বর্ধন

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }