Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেরা আশ্চর্য! সেরা ফ্যানট্যাসটিক (প্রথম পর্ব) – সম্পাদনা : অদ্রীশ বর্ধন

    লেখক এক পাতা গল্প464 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাতিক • অমিত চক্রবর্তী

    দেওয়াল-ঘড়িতে স্প্রিং-এর কড়কড় আওয়াজ হতেই বিশ্বপতি কলমটাকে টেবিলের খাঁজে শুইয়ে মনে মনে ঘণ্টার আওয়াজ গুণতে শুরু করলেন। পরপর সাতবার আওয়াজ হতেই ঘড়ির দিকে তাকালেন এবং দেখে নিশ্চিত হলেন যে তাঁর হিসেবে কোন ভুলচুক হয়নি। এখন সন্ধ্যে ঠিক সাতটা; আটটা কিংবা সন্ধ্যে ছ’টা নয়। মাথার ওপর দুহাত তুলে আড়মোড়া ভাঙলেন বিশ্বপতি, এটা তাঁর বহুদিনের অভ্যেস। তারপর টেবিলের ড্রয়ারে চাবি দিলেন এবং পরপর দু’বার কলিং বেলটা টিপলেন। ফাঁকা অফিসে বৈদ্যুতিক ঘন্টার আওয়াজে বিশ্বপতির শরীরের ভেতরটা যেন ঝন্‌ঝন্‌ করে উঠলো। রোজই এমনটা হয় এবং শরীরের ভেতরে এই ঝন্‌ঝনানি স্নায়ুগুলোকে কেমন টান্‌টান্‌ করে দেয়। হয়তো এই জন্যেই প্রত্যেকদিন সন্ধ্যে সাতটায় পরপর দু’বার কলিংবেলটা টিপে থাকেন বিশ্বপতি।

    অফিসের বেয়ারা-কাম-দারোয়ান রঘু ঘরে ঢুকে জানালাগুলো বন্ধ করে, একটা একটা করে আলোপাখার সুইচগুলো নেভায়। বিশ্বপতিও সেই ফাঁকে চেয়ারে ঝোলানো তোয়ালেটা দিয়ে মুখ মুছে অফিসের ব্যাগটা নিয়ে অফিসের বাইরে সিঁড়ির কাছটায় এসে দাঁড়ান। অফিস বলতে পেল্লায় এক হলঘর, তার এক কোণে গুটি তিনেক কেবিন যার সবচেয়ে ছোটটা পড়েছে বিশ্বপতির বরাদ্দে। রঘুও বাইরে বেরিয়ে আসে এবং সদর দরজায় তালা লাগাতে শুরু করে। সব কটা তালায় চাবি পড়তেই বিশ্বপতি সিঁড়ি দিয়ে নামতে শুরু করেন এবং ঠিক এগারোটা ধাপ নিচে নামার পরেই ঘুরে দাঁড়ান। তারপর আবার হন্‌হন্‌ করে সিঁড়ি ভেঙ্গে ওপরে উঠে দরজার তালাগুলো টেনে দেখেন, সেগুলো ঠিকমতো লাগানো হয়েছে কিনা। এটাও বিশ্বপতির বহুদিনের অভ্যেস।

    কিছুদিন হল, লালবাজার থানার মেন গেটের ঠিক উল্টো ফুটপাথে রেলিং-এর ধারে এক শনিঠাকুরের আবির্ভাব হয়েছে। কাচের বাক্সের ভেতর থাকেন তিনি। পুণ্যার্থীরা যাতে পয়সা-কড়ি দিতে পারে সেজন্য শনিঠাকুরের মাথার কাছে কাচের বাক্সের ওপর চৌকানো গর্ত কাটা; ভেতরে টাকা-কড়ি কেমন জমা হল বাইরে থেকে তা জানার ভারি সুন্দর ব্যবস্থা। প্রতিদিনের মতো আজও শনির মূর্তির সামনে দাঁড়ালেন বিশ্বপতি। ঘড়ির দিকে না তাকিয়েও তিনি বলে দিতে পারেন এখনকার সময়টা। সাতটা সতেরো। ডালহৌসি থেকে মিনিবাস যদি সাড়ে সাতটার মধ্যে ছাড়ে, তবে বাড়ী পৌঁছতে পৌঁছতে পৌনে ন’টা। বিশ্বপতি হাঁটার গতি বাড়ালেন।

    বিপত্তিটা বাঁধলো জগুবাবুর বাজারের ঠিক মুখটায়। বিকট আওয়াজ করে দক্ষিণগামী মিনিবাসের সামনের বাঁদিকের চাকাটা ফাটলো। অ্যাদ্দিন ধরে যাতায়াত করছেন, বিশ্বপতির মনে পড়ে না। আগে কখনো চাকা পাল্টানোর জন্যে বাস থেকে নেমে দাঁড়াতে হয়েছে কিনা। আজকের ব্যাপারটাই কেমন গোলমেলে; বাসটা ছাড়তে অহেতুক দেরী করলে। অন্যদিন মিনিবাসে দাঁড়াতে হলেও পার্ক স্ট্রীটের আগেই বসার সীট পেয়ে যান। আজ আশপাশের কোন যাত্রীরই ওঠার লক্ষণ দেখা যায়নি। তার ওপর কণ্ডাকটারের কাছ থেকে টিকিট কাটতে গিয়ে মানি ব্যাগের ভেতর কুড়ি টাকার একটা নোটের মাঝ বরাবর সেলোফেনের তাপ্পি ধরা পড়েছে এবং এক উটকো সহযাত্রীর কল্যাণে দুশো তিরিশ টাকা দামের নতুন জুতো কাদায় ছয়লাপ হয়েছে। সেগুলো তবু সহ্য করা যায়, কিন্তু বাড়ি ফেরার পথে রাস্তায় দাঁড়িয়ে মিনিবাসের টায়ার-পাল্টানো দেখার মতো বিড়ম্বনা আর সয় না। বিশ্বপতি ঘড়ি দেখেন। নয় নয় করেও প্রায় মিনিট পঁচিশেক সময় নষ্ট হল আজ। রাত নটার খবরটা আজ আর শোনা হবে না। বিরক্তিতে চোখ-মুখ কুঁচকে আসে ওঁর।

    বাসস্ট্যাণ্ড থেকে হেঁটে বাড়ি পৌছতে সময় লাগে মিনিট সাতেক। গোটা রাস্তাটা অন্ধকার লোডশেডিং চলছে। বাড়ি পৌঁছে দরজায় টোকা দেবার সময় বাঁ-হাতের কব্জি উল্টে ঘড়ি দেখলেন। আবছা আলোয় মনে হল ঘড়ির ছোট কাঁটাটা দশটা দশের কাছাকাছি এসেছে। স্ত্রী সুরমা দরজা খুলতেই বললেন, না দেখে দরজা খোল কেন? কে কড়া নাড়ছে দরজার ভেতর থেকে সেটা জানতে চাওয়া যায় না? কোনদিন একটা কাণ্ড হবে।

    সুরমা কোন জবাব না দিয়ে দরজার পাশে সরে দাঁড়ালেন। একান্ত নিরুপায় না হলে কোন ব্যাপারেই বাগবিতণ্ডার মধ্যে যান না তিনি। তাছাড়া বিশ্বপতিকে তো আর নতুন দেখছেন না। দেখতে দেখতে পনেরোটা বছর একসঙ্গে কাটলো। এমনিতে যে মানুষটা বদরাগী তাতো নয়; দোষের বলতে, যা একটু খেয়ালী। সময় মতো বাড়ি ফিরতে না পারার দরুনই যে মেজাজটা আজ গরম তা আঁচ করতে সুরমার অসুবিধে হয় না।

    এত রাতে কি আর চা খাবে? বিশ্বপতির দিকে তোয়ালে আর ধুতিটা এগিয়ে দিতে গিয়ে জিজ্ঞাসা করেন সুরমা।

    তার মানে? ভুরু কুঁচকে তাকান বিশ্বপতি।

    সুরমা রান্নাঘরের দিকে এগোন। ওঁকে জিজ্ঞাসা করাটাই ভুল হয়েছে। রাত্রিবেলা বাড়ি ফিরে গা ধুয়ে চা খেতে খেতে ইংরাজী খবর শোনার অভ্যেস বিশ্বপতির। খবরটা আজ শোনা না হলেও চা খাওয়ার ব্যাপারে যে ব্যতিক্রম ঘটবে না—সেটা বোঝা উচিত ছিল সুরমার। চায়ের পাট না চুকলে রাতের খাবার প্রশ্নই ওঠে না।

    জানো, তোমার এক বন্ধু এসেছিল আজ। এঁটো বাসনগুলো টেবিল থেকে তুলতে তুলতে বললেন সুরমা। তোমার সঙ্গে না কি স্কুলে পড়ত, বিলেতে ছিল অনেকদিন। নাম বললে, ‘সমীরণ’।

    টেবিল ঘড়িটায় দম দিচ্ছিলেন বিশ্বপতি। রাতের খাওয়ার পর বাড়ির যাবতীয় ঘড়িতে দম দেওয়াটাই ওঁর কাজ।

    সমীরণ এসেছিল? অ্যাদ্দিন পরেও আমাদের বাড়ি চিনতে পারলো? বিশ্বপতির চোখে-মুখে বিস্ময়। স্কুলে পড়ার সময় এ বাড়িতে মাঝে মাঝে আসতো, এ পাড়ারই একটা বাড়িতে ভাড়া থাকতো ওর মামা। স্কুলের পাট শেষ হতে ও গেল ডাক্তারী পড়তে। ডাক্তার হয়ে বেরনোর পরও বারকয়েক এখানে এসেছে—তারপর ওর মামাও এ পাড়া ছেড়ে উঠে গেল, ওরও আসা-যাওয়া বন্ধ হয়ে গেল। পরে শুনেছিলাম, ও নাকি বিলেত গিয়ে মস্ত ডাক্তার হয়েছে।

    দেখেও তো তাই মনে হল। ভিজে ন্যাতা দিয়ে টেবিলটা মুছতে মুছতে বললেন সুরমা। গায়ের রঙ টকটকে ফর্সা, এক্কেবারে সাহেবদের মতন! যে গাড়িটায় চেপে এসেছিল সেটাও একেবারে ঝকঝকে নতুন।

    ঠিকানা কিছু দিয়ে গেছে?

    উহুঁ। সুরমা মাথা নাড়েন। তবে তোমার অফিসে যাওয়ার ঠিকানা লিখে নিলে নোট বইতে। হয়তো দু-চারদিনের মধ্যেই অফিসে দেখা করবে।

    ও, আচ্ছা; বলেই সদর দরজার দিকে এগোলেন বিশ্বপতি। শুতে যাবার আগে সদর দরজার হাতল ধরে পরপর তিনবার টান দিয়ে থাকেন তিনি। দরজায় ছিটকিনি বন্ধ থাকা সত্ত্বেও বারবার হাতল ধরে টানাটানির যৌক্তিকতা আজও বুঝে উঠতে পারেননি সুরমা।

    দরজায় টোকা পড়তেই ফাইল থেকে চোখ তুললেন বিশ্বপতি। সামনেই যে সুদর্শন মানুষটি দাঁড়িয়ে আছে তাঁর মুখের মধ্যে অনেকদিন আগের এক চেনামুখের আদল পাচ্ছেন যেন। আগন্তুক ভদ্রলোক হাসিমুখে বিশ্বপতির দিকে হাতটা বাড়িয়ে দিয়ে বলেন, আমায় নিতে পারলি না? আমি সমীরণ। সেদিন তোর বাড়ি গেলাম, তোর মিসেসের সঙ্গে গল্পগুজব করলাম, চা আর পাঁপড় ভাজা খেলাম—

    বন্ধুর দিকে খানিকটা সমীহ আর খানিকটা বিস্ময়ের চোখে তাকিয়ে থাকেন বিশ্বপতি। কী বলবেন, বুঝতে পারেন না।

    টেবিলের উল্টোদিকের কাঠের চেয়ারটা টেনে নিয়ে বসে পড়েন সমীরণ। বলেন, কথা বলছিস না যে! কী ব্যাপার, ব্যস্ততার সময় এসে বিরক্ত করলাম নাকি?

    না, না, ভাবছিলাম অ্যাদ্দিন পরে তুই হঠাৎ! খানিকটা ঘোরের মধ্যে থেকে বলে ওঠেন বিশ্বপতি। তারপর বেল বাজিয়ে রঘুকে ডেকে চা আনার পয়সা দেন।

    চেয়ারের হাতলে কনুই রেখে শরীরটাকে এলিয়ে দিয়ে সমীরণ বলেন, তা সতেরো বছর কাটালাম বিলেতে—বুঝলি? বাবা মারা যাওয়ার পর দিন পনেরোর জন্যে দেশে ফিরেছিলাম। ওদেশেই বিয়েটা সেরে নিয়েছি, না, না, মেমসাহেব নয়, একেবারে খাঁটি বঙ্গ নারী। প্র্যাকটিসও নেহাৎ মন্দ হচ্ছিল না; তা ছেলেমেয়ে বড় হয়ে যাচ্ছে দেখে ভাবলাম, যাই দেশে ফিরে। এখানকার এক হাসপাতাল থেকে অফার পেয়েছিলাম, তাছাড়া প্রাইভেট প্র্যাকটিস্ তো আছে। তোর বাড়ির কাছে বড় রাস্তার ওপর একটা ঘর পেলাম, ওখানেই চেম্বার বানিয়েছি।

    কিসের ডাক্তার তুই! হার্ট? প্রশ্নটা যেন ফস্ করে মুখ দিয়ে বেরিয়ে যায় বিশ্বপতির।

    কেন তোর কি হার্টের গণ্ডগোল আছে নাকি?

    না, না, এমনি জিজ্ঞাসা করলাম। আসলে হার্টের ডাক্তারদের খুব রমরমা কিনা—

    বিশ্বপতির কথায় মুখ টিপে হাসেন সমীরণ। বলেন, এখন তো স্পেশালিস্টদের যুগ রে! চোখ-কান-গলা-পেট-এমনকি মনের রোগ—যার চিকিৎসাই কর না কেন-রুগীর ভিড় লেগেই থাকবেই।

    মনের রোগ? বিশ্বপতি টেবিলের ওপর চোখ নামিয়ে বিড়বিড় করে বলে ওঠেন। মনের রোগ সত্যিই সারে?

    সব না সারলেও কিছু কিছু রোগ নিশ্চয়ই সারে। রঘুর রেখে যাওয়া চায়ের কাপটা কাছে টেনে নেন সমীরণ। চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে বলেন, তুই খাবি না?

    না। আমি চা খাব ঠিক আড়াইটেয়। বিশ্বপতি জবাব দেন। তুই কিসের স্পেশালিস্ট, বললি না তো।

    নিউরো-সার্জারী। তিন-চার চুমুকে চা-টা শেষ করে কাপটাকে দূরে সরিয়ে রাখেন সমীরণ। মাথার অসুখের চিকিৎসা করি, বলতে পারিস। এই ধর, মস্তিষ্কের কোথাও যদি কোন গণ্ডগোল হয়। কিংবা শিরদাঁড়া—মানে সব মিলিয়ে যাকে বলে ‘সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম’—সেখানে গণ্ডগোল হলে তা সারানোর ব্যবস্থা করি আমি। তোর বাড়ির কাছে চেম্বার খোলার পর ভাবলাম—ওদিকটায় তো এক তোকে ছাড়া আর কাউকেই তেমন চিনি না। তোর মারফৎ আশেপাশের লোকজনের সঙ্গে যদি আলাপ পরিচয় হয় সেই ভেবেই তোদের বাড়ি গেছিলাম সেদিন। তোর মিসেসের কাছে শুনলাম—রোজই নাকি ফিরতে তোর ন’টা সাড়ে ন’টা বাজে।

    সমীরণের কথাগুলো আর কানে যাচ্ছিল না বিশ্বপতির। তাঁর মাথার মধ্যে ঘুরছিল ‘নিউরো-সার্জারী’ আর ‘সেন্ট্রাল নাভার্স’ শব্দ দুটো। সমীরণ থামতেই ফিসফিস করে বললেন, তোকে আমার খুব দরকার। শীগগিরই যাব তোর চেম্বারে। অসুবিধে হবে না তো?

    অসুবিধে আবার কি? বিকেল আর সন্ধ্যেটা তো বলতে গেলে মাছি তাড়াই! তুই এলে অন্ততঃ গল্পগুজবও করা যাবে। সমীরণ উঠে দাঁড়ান; তারপর দরজার দিকে এগোতে এগোতে বলেন, তাহলে ঐ কথাই রইল। বাসস্ট্যাণ্ডের উল্টোদিকে ওযুধের দোকানের ডানদিকে আমার চেম্বার, বাইরে নেমপ্লেট আছে।

    উদাস চোখে সমীরণের চলে যাওয়া দেখেন বিশ্বপতি। জীবনের সব ক্ষেত্রে সফল একজন পুরুষ। একই সঙ্গে দুজনে একদিন পড়াশুনা করেছেন। সমীরণ যে সাংঘাতিক কিছু মেধাবী ছিল তাও নয়। অবশ্য ওদের বাড়ির অবস্থাটা ছিল ভাল। ডাক্তারী পড়ার, বিদেশ যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে অনায়াসে। আর ঐ সুযোগটুকুর অভাবেই বিশ্বপতি আজ আধা সরকারী অপিসের হেডক্লার্ক!

    রঘু এসে চায়ের এঁটো কাপটা সরিয়ে নিয়ে যায়। বিশ্বপতি দেখলেন—টেবিলের ওপর গোল চাকার মতো জলছাপ। ডিসের নীচে জল লেগেছিল নিশ্চয়ই। রঘুকে কতবার বলেছেন সবসময় রবারের চাকতির ওপর কাপডিস রাখতে। ভুরু কুঁচকে ড্রয়ার টেনে এক ফালি সাদা কাপড় বের করলেন বিশ্বপতি। টেবিল থেকে সযত্নে জলের দাগ তুলতে তুলতে কব্জি উল্টে একবার ঘড়ি দেখলেন। একটা বেজে চল্লিশ। টেবিলের ওপর একগাদা ফাইল। ঠিক সাতটায় উঠতে হবে। এর মধ্যে টিফিন করতে খরচ হবে কুড়ি মিনিট। বড় সাহেবের ঘরে যদি দু-বার ডাক পড়ে তবে আরো কুড়ি মিনিটের ধাক্কা। তাহলে হাতের কাজগুলো শেষ করার জন্য কতক্ষণ সময় থাকছে? মনে মনে সেই হিসেবটা করতে থাকেন তিনি।

    .

    হ্যাঁ, এবারে খুলে বল দেখি, তোর অসুখটা কী? গদি মোড়া চেয়ারে গা এলিয়ে সমীরণের চেম্বারের দেওয়াল আর আসবাবপত্র খুঁটিয়ে দেখছিলেন বিশ্বপতি। বিকেল পাঁচটা বাজতে না বাজতেই আজ অফিস থেকে বেরিয়েছেন। তার জন্যে অবশ্য রঘুর কৃতিত্ব অনেকখানি। বেলা দুটো থেকে সে ক্রমাগত তাগাদা দিয়ে গেছে। অফিসে বেরনোর সময় সুরমাও ডাক্তারের চেম্বারে যাওয়ার কথাটা মনে করিয়ে দিয়েছে। অফিস থেকে বেরনোর সময় রীতিমতো অস্বস্তি হচ্ছিল বিশ্বপতির। রঘুকে ডেকে বলেছেন, ছুটির পর দরজায় তালাগুলো লাগাস। রাত্তিরটা বড় চিন্তায় কাটবে।

    এত ভাবছিস কী? তোর প্রবলেমটা বল।

    সমীরণের দিকে চোখ ফিরিয়ে বিশ্বপতি নীচু গলায় বলেন, সময় ধরে সব কিছু করাটাই আমার একটা রোগ। সুরমা বলে—মনের বাতিক!

    একটু খুলে বল। সমীরণ টেবিলের ওপর ঝুঁকে আসেন।

    এই যেমন ধর, সকাল সাড়ে পাঁচটায় ঘুম থেকে ওঠা, ঠিক ছটায় চা-খাওয়া, তারপর ছটা কুড়িতে দাড়ি কামানো। ছটা চল্লিশে খবরের কাগজ পড়া, সাতটায় বাজারে যাওয়া।

    তার মানে, তুই সব কিছু একেবারে ঘড়ি ধরে করিস—এই তো?

    করি, মানে করতে হয়, বিষণ্ণ গলায় বলে ওঠেন বিশ্বপতি। সারাদিন সমস্ত কাজ ঘড়ি ধরে করা কি চাট্টিখানি কথা! কিন্তু উপায় নেই। যে কোন একটা কাজের সময়ের একটু হেরফের হলেই কী যে কষ্ট হয়? ধর, সকালে কাগজটা এলো দেরীতে—সেদিন আর কাগজ পড়াই হবে না। কিংবা রাস্তায় হয়তো জ্যামে পড়ে অফিসে পৌঁছতে দশ মিনিট দেরী হল। বুকের মধ্যে যেন তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। আবার টেবিলের কাজ হয়তো শেষ হয়ে গেছে, তবুও সাতটার ঘণ্টা না বাজলে অফিস থেকে আগে বেরিয়ে পড়ি অমঙ্গল কিছু ঘটে যাবে হয়তো। বিরাট কোন ক্ষতি হয়ে যাবে আমার।

    রোববার আর ছুটির দিন কী করিস?

    রোরবারেরও কাজের রুটিন আছে। দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে রেডিও শুনি, বিকেল চারটেয় বেড়াতে বেরোই—তা সে ঝড়বৃষ্টি যাই হোক না কেন। এদিকে সুরমার হয়েছে জ্বালা। তুই তো দেখেছিস ওকে। বড় শান্ত মেয়ে। ছেলে পুলে হয়নি। আমার বাতিক সামলাতে সামলাতেই ওর জীবনটা শেষ হয়ে গেল!

    ডাক্তার দেখাসনি কখনো? কোন সাইকিয়াট্রিষ্ট?

    দেখিয়েছিলাম। আমার পাশের বাড়ির ভদ্রমহিলার কাছ থেকে ঠিকানা যোগাড় করে সুরমা নিয়ে গিয়েছিল আমায়। ডাক্তার তো প্রথমটা আমার কথায় তেমন আমলই দিলেন না। বললেন—ওরকম বাতিক মশাই সকলেরই একটু আধটু থাকে। রবার্ট ব্রুস-এর গল্প তো জানেন। পরপর সাতবার যুদ্ধে হেরে গিয়েও আবার লড়েছেন। শুনেছি, কলম্বাস নাকি ভারতে আসার টাকা যোগাড়ের জন্যে আঠারো বছর ধরে একনাগাড়ে চেষ্টা চালিয়েছেন। ডারউইন সাহেব তাঁর ইভলিউশন থিয়োরী প্রমাণের জন্য বাইশ বছর ধরে তথ্য যোগাড় করেছেন। এই যে অধ্যবসায়—এও কি এক ধরনের বাতিক নয়? শেষে ওঁর মত মানছি না দেখে বললেন, অতিরিক্ত উদ্বেগের জন্যই নাকি অমনটা করি আমি। আমার অবচেতন মনে নাকি ধারণা আছে—জীবনে যা কিছু আমি পেয়েছি, আমার চাকরি-সংসার—সবই ক্ষণিকের ব্যাপার। সব কিছু হারানোর ভয়েই আমি নাকি নিজেই নিজের চারপাশে সময়ানুবর্তিতার এক মর্ম গড়ে নিয়েছি। ভদ্রলোক আমার ঘুমের ওষুধ টযুধ খেতে দিয়েছিলেন—কোন কাজ হয় নি। আচ্ছা সত্যি বল তো—মানসিক রোগ কি সারে?

    বিশ্বপত্তির চোখের কোনটা চিকচিক করছিল। সেদিকে চেয়ে সমীরণ বললেন, এ প্রশ্নের উত্তর তো সেদিন তোর অফিসেই দিয়েছি। কিন্তু এটা তোর মানসিক রোগ নাও হতে পারে। যদি বলি এইসব উপসর্গের পেছনে তোর ব্রেনের কারসাজি রয়েছে—বিশ্বাস করবি?

    কী জবাব দেবেন বুঝতে পারেন না বিশ্বপতি। সমীরণ যেন ব্যাপারটা বুঝলেন। বললেন, তোকে একটা ঘটনার কথা বলি। সত্যি ঘটনা। এটা ঘটেছিল এখন থেকে বছর খানেক আগে—কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে। জর্জ নামে এক ছোকরার ছিল নানারকমের বাতিক। মাত্র সতেরো-আঠার বছর বয়স হলে কি হবে—পড়াশুনো খেলাধুলো, আড্ডার ধার ধারতো না। দিনের মধ্যে পঞ্চাশবার নিজের হাত দুখানা কচলে ধুতো। বাড়ি থেকে বেরিয়ে মাঝরাস্তা থেকে ফিরে আসতো রোজ—ঘরে তালা দেওয়া হয়েছে কিনা দেখতে। বারবার পকেট হাতড়ে দেখতো—মানিব্যাগটা রয়েছে কিনা। তোর মতো ঐ ছেলেটিরও মনে হতো—অদৃশ্য কেউ যেন তাকে দিয়ে জোর করে করিয়ে নিচ্ছে। আমাদের ভাষায়—রোগটার নাম ‘অবসেসিভ কমপালসিভ নিউরোসিস’। ছেলেটি ছিল অতিরিক্ত ভাবপ্রবণ। ওর ঐ অভিশপ্ত জীবন রেখে আর লাভ নেই এরকম কিছু ভেবে ছোকরা একদিন বাপের পিস্তলখানা বাগিয়ে নিজেই নিজের কপাল লক্ষ্য করে গুলি চালালে! গুলি ছোঁড়ার সময় নিশানার ভুলে গুলিটা গিয়ে বিঁধলো মস্তিষ্কের বাঁ দিকের ‘ফ্রন্টাল লোব’ নামে একটা জায়গায়। ছেলেটাকে নিয়ে যাওয়া হয় নামজাদা এক নিউরোসার্জনের কাছে। ছুরি চালিয়ে ফ্রন্টাল-লোব থেকে বুলেটটা বের করা হল। আর তাতেই ঘটলো অবিশ্বাস্য এক কাণ্ড!

    কিসের কাণ্ড?

    অপারেশনের পর ছেলেটা সুস্থ হতে দেখা গেল—তার মন থেকে যাবতীয় বাতিক একেবারে উধাও! একেবারে অন্য মানুষ হয়ে গেল সে। ঘটনাটা বিশেষজ্ঞ মহলে চাউর হতেই একেবারে হৈ হৈ পড়ে গেল। একদল বললেন—তাঁরা নাকি নিশ্চিত যে মস্তিষ্কের ভেতর ‘ব্যাসাল গ্যাংলিয়া’ নামে নার্ভগুচ্ছ ঠিকমতো কাজ না করলে লোকের মধ্যে নানারকম বাতিক দেখা দেয়। ঐ নার্ভগুলোকে সক্রিয় করে তোলার জন্যে ক্লোমিপ্রামাইন নামে এক ধরনের ওষুধ বের করলেন। আসলে ওঁরা ছিলেন অপারেশনের বিরুদ্ধে।

    ওষুধের নামটা খটোমটো ঠেকলেও ব্যাপারটা বুঝতে অসুবিধে হল না বিশ্বপতির। সমীরণ থামতেই উত্তেজিত গলায় বললেন, ওষুধটায় কাজ হল?

    উঁহু। আস্তে আস্তে দু-পাশে মাথা নাড়েন সমীরণ। হাজার রোগীর ওপর ঐ ওষুধটা প্রয়োগ করে মাত্র চারশো জনের ক্ষেত্রে সামান্য কিছু সুফল মিললেও বাকীদের ক্ষেত্রে কোন কাজই হয়নি বলতে গেলে—

    তাহলে কি অপারেশন ছাড়া গতি নেই? ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞাসা করেন বিশ্বপতি। মস্তিষ্ক কাটা ছেঁড়া করায় রিস্ক-ও তো আছে?

    তা তো আছেই। সমীরণ জবাব দেন। ইতিমধ্যে আরও যেসব রোগীদের ওপর অপারেশন হয়েছে তাদের কারো কারোর ডান হাতপায়ে জড়তা এসেছে অনেকটা প্যারালিসিসের মতন। কয়েক মাসের মধ্যেই ঐসব উপসর্গ অবশ্য কেটে যাওয়ার কথা।

    তাহলে আমাকেও কি অপারেশন করতে বলিস? ভয়ে গলা শুকিয়ে আসে বিশ্বপতির। আমারও যদি প্যারালিসিস হয়, যদি আর কোনদিন তা না সারে?

    এখনই এসব নিয়ে ভাবছিস কেন? চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন সমীরণ। আগে তোর ব্রেন-টা স্ক্যান করাই, হাসপাতালে খোঁজখবর নিয়ে দেখি—এ-জাতীয় অপারেশনের সুযোগ সুবিধে মিলবে কিনা। তারপর তো ডিসিশনের পালা। অপারেশনের ব্যাপারে যা সিদ্ধান্ত নেবার তখন নিস না হয়।

    সমীরণের চেম্বার থেকে বেরিয়ে আকাশের দিকে তাকালেন বিশ্বপতি। আবছা লাল মেঘে ছেয়ে আছে আকাশটা। রাস্তায় আলোগুলো জ্বলছে না। বাড়ির পথে হাঁটতে হাঁটতে বিশ্বপতির মাথায় ‘ব্যাসাল গ্যাংলিয়া’ আর ‘ফ্রন্টাল লোব’ শব্দ দুটো ঘুরপাক খাচ্ছিল। বাড়িতে গিয়ে সুরমার কাছে অপারেশনের কথাটা কিভাবে পাড়বেন তাই ভাবতে ভাবতে বিশ্বপতির মাথাটা কেমন ঝিমঝিম করে উঠলো।

    .

    ক্রিং ক্রিং করে টেলিফোনটা বেজেই চলেছে। অফিস ঘরের জানলাগুলো টেনে বন্ধ করতে গিয়ে রঘু দেওয়াল ঘড়িটার দিকে তাকালো। পাঁচটা বেজে দশ। এর মধ্যেই গোটা অফিসটা ফাঁকা। অথচ ছমাস আগেও ব্যাপারটা ছিল অন্যরকম। পাঁচটার সময় ফোন বেজে যাবে—কেউ ধরার থাকবে না—এটা ভাবাই যেত না। বড়বাবু থাকতেন ঠিক সাতটা অবধি। টেবিলের সমস্ত কাজ নিখুঁত ভাবে শেষ করে তবেই উঠতো! কী যেন একটা অপারেশন করাতে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। মাস তিনেক পর যখন অফিসে ফিরলেন—একেবারে অন্য মানুষ। হাঃ হাঃ করে হাসছেন, সারাদিন অফিসের ছেলেছোকরাদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছেন, অফিসে আসার কোন সময় নেই, সাড়ে চারটে বাজতে না বাজতেই বাড়ি পালাচ্ছেন। বড়বাবুর টেবিলে এখন ফাইলের স্তূপ…

    টেলিফোনের বাজনা থেমে গেছে। ঘরের পাখা-আলোর সুইচগুলো নিভিয়ে সদর দরজায় তালা লাগায় রঘু। ছ’টা তেরোর লোকালটা ধরতে হবে। আপনমনে বিড় বিড় করতে করতে সিঁড়ি দিয়ে নামতে থাকে এবং ঠিক এগারো নম্বর ধাপে এসে থমকে দাঁড়ায়। তারপর আবার হন হন করে সিঁড়ি ভেঙ্গে ওপরে উঠে দরজার তালাগুলো টেনে টেনে দেখে—সেগুলো ঠিকমতো লাগানো হয়েছে কিনা। এটা এখন প্রতিদিনই করে সে। আরও একটা অভ্যেস হালে রপ্ত করেছে। লালবাজার থানায় উল্টোদিকের ফুটপাথে বাক্সবন্দী শনিঠাকুরের কাছে গিয়ে দাঁড়ানো। অফিস থেকে বেরলেই অদৃশ্য কেউ যেন তাকে ঐদিকে ঠেলে নিয়ে যায়।

    .

    প্রথম প্রকাশ: ফ্যানট্যাসটিক, সেপ্টেম্বর, ১৯৮৯

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রেত-প্রেয়সী – অদ্রীশ বর্ধন
    Next Article আদিম আতঙ্ক – অদ্রীশ বর্ধন

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }