Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেরা আশ্চর্য! সেরা ফ্যানট্যাসটিক (প্রথম পর্ব) – সম্পাদনা : অদ্রীশ বর্ধন

    লেখক এক পাতা গল্প464 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    খাচ্ছিলো তাঁতী তাঁত বুনে • গুরনেক সিং

    ঐ যে কথায় বলে নাকপালের লিখন কেউ খণ্ডাতে পারে না? আমারও হয়েছিল তাই! নইলে বেশ তো ছিলাম মশাই, সেথ্‌না সাহেবের আস্তাবলে ট্রেনার হিসেবে। সকাল-সন্ধ্যে কুল্লে হাফ ডজন ঘোড়া নিয়ে কারবারতার মধ্যে দুটি আবার বিলকুল বাচ্চা। তবে পেডিগ্রি ভালো। ওদের মা উনিশ শো বত্রিশে কিং জর্জ কাপে বাজী মেরেছিলবাপও ভালো। ওদের মা জীবনে কম বাজী পায়নি। তাই আশা ছিল ঠিকমতো ট্রেনিং দিয়ে নিলে হয়তো মেহনতে পুষিয়ে যাবে। এ ছাড়া বাকি কয়েকটি ছিল বয়স্ক ঘোড়া। আমার কাজের মধ্যে কাজ ছিল সকালে রেস গ্রাউন্ডে রুটিন মাফিক ঘোড়াগুলির অ্যাক্‌শন চেক করা আর ওদের টাইমিং ক্লক্‌ করা। মাত্র ঘণ্টা কয়েকের ওয়াস্তা। আর সন্ধ্যাবেলায় কোল্ট্‌ দুটোকে নিয়ে কোর্সে দৌড়াবার ট্রেনিং দেওয়া। ট্রেনারের যা কাজ আর কি! সেথ্‌না সাহেব মাইনেও মন্দ দিতেন নাপ্রায় সাড়ে বারোশো টাকার মতোতা ছাড়া বোনাসও আছে। সেবার যখন আমাদের স্টেব্‌লের ঘোড়া ‘প্লে-বয়’ কুইন্‌স্‌ কাপ পেলো, তখন উনি হাজার টাকা বোনাসও দিয়েছিলেন। মোটামুটি সব মিলিয়ে মন্দ ছিলাম না।

    তবে ঐ যে বলে নাকপালের লিখন কেউ খন্ডাতে পারে না?আমারও হল তাই। পড়লাম গিয়ে চন্দর খপ্পরে। চন্দকে চেনেন না? চন্দ হল ও লাইনের ধুরন্ধর দালাল। রেস জগতের যাবতীয় ঘটন-অঘটন তার নখাগ্রে। রেস-কর্তাদের উঁচু আর নীচু মহলে ওর সমান যাতায়াত। রেস-সমাজের যে খবর চন্দ জানে না, সে খবর জানবার মতো নয়!

    একদিন সন্ধ্যেবেলায় কোর্সে স্পেয়ার জকিরা কোল্ট্‌ দুটোকে ট্রায়াল রান করাচ্ছে। আমি মেম্বার্স এন্‌ক্লোজারে একটি বেতের চেয়ারে বসে, এমন সময় চন্দ এলো! “কি মিত্তির, কেমন চলছে?” বলে অন্য চেয়ারটা টেনে নিয়ে বসলো অনুমতির অপেক্ষা না করেই।

    বললাম, “চলে যাচ্ছে এক রকমআমাদের আবার চলা! তারপর, তুমি কেমন আছো?”

    বললে, “আছি ভালোই। কয়েকদিন থেকেই তোমাকে কন্ট্যাক্ট্‌ করবার কথা ভাবছিনানান্‌ ঝামেলায় সেটা আর হয়ে উঠছে না।চাকরি করবে?”

    বললাম, “বর্তমানে আমি যে বেকার আছি, সে খবর তোমাকে কে দিলো?”

    “বেকার হতে যাবে কেন? বালাই ষাট!” বল্লে“তবে এর চেয়ে ভালো মাইনের চাকরি একটি আমার হাতে ছিল! তুমি এগ্রি করলে তাঁর স্টেবলের সিকি অংশ তোমার নামে লিখে দিতেও রাজী আছেন ভদ্রলোক!ট্রাই নিয়ে দেখবে নাকি, ব্রাদারবেশ শাঁসালো সওদা!”

    ট্রেনার হিসেবে একজন কেষ্ট-বিষ্টু না হলেও বাজারে নেহাৎ ফেলনাও আমি নই। গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকটি নামী ঘোড়া এ শর্মার হাত দিয়ে বেরিয়ে গেছে। আমার উইনিং অ্যাভারেজ খুবই ভালো থাকে বরাবর, এ বছর তো এখন পর্যন্ত আশাতীত রকম ভালো। অতএব নতুন অফারে খুব বেশী আশ্চর্য হলাম নাতবে অবাক হলাম সিকি অংশ দেবার কথা শুনে। বললাম, “ভদ্রলোক কে?”

    “তুমি ঠিক চিনবে না, নাম হচ্ছে প্রফেসার কি সাম্‌ চাকলাদারএ লাইনে বিলকুল নতুন লোক। তবে এমন এক মোক্ষম বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি উনি আবিষ্কার করেছেন যে, সেই পদ্ধতিতে ঘোড়াকে ট্রেন করলে একেবারে সিওর উইনার!” বলে সন্ধানী চোখে আমার মুখের দিকে তাকালো চন্দ।

    বললাম, “মাপ করো, ভাইও সবে আমি নেই! আজ পর্যন্ত কতো ‘মোক্ষম পদ্ধতি’ তো দেখলাম এই রেসের মাঠেকিন্তু কাউকেই তো ঐ দিয়ে করে খেতে দেখলাম না। তা ছাড়া এই প্রফেসর-টফেসরগুলোর ওপর আমার বিন্দুমাত্র বিশ্বাস নেই।”

    “আহা, একবার দেখতে দোষটা কি? টালী লিংক তো এখান থেকে বেশী দূর নয়; চলোই না আমার সঙ্গে, একবার ব্যাপারটা নিজের চোখে দেখে এসো। যদি বোঝ যে পোষাবে না, ‘না’ করে দেবে। যে লোকটা তোমায় দু হাজার মাইনে আর লাভের সিকিভাগ দিতে চায়, সেও নিশ্চয়ই কিছু না বুঝে-সুঝে অফারটা দিচ্ছে না!”

    কি আর করাচন্দকে এড়ানো বরাবরই শক্ত।

    বললাম, “তবে তাই চলো। কিন্তু আধ ঘন্টার বেশী আমি সময় দিতে পারবো না!”

    “ব্যস ব্যস, ওতেই হবে। চলো না, নিজের চোখেই ব্যাপারটা দেখবে চলো।”

    গেলামনা গিয়ে উপায়ও ছিল না আমার। চন্দ যখন নিজের পকেট থেকেই ট্যাক্সি ভাড়াটা দিলো, তখন একটু অবাক হলাম। ওকে নিজের পকেট থেকে খরচ করতে আমি কমই দেখেছি। তখনই আমার সাবধান হওয়া উচিৎ ছিল; বোঝা উচিৎ ছিল যেযাক গে!

    প্রফেসর চাকলাদার নামে যে ভদ্রলোকটির সঙ্গে ও আলাপ করিয়ে দিল, তাঁকে দেখে আমার মোটেই শ্রদ্ধা হল না। একজন কালো, বেঁটে, টেকো ও মোটা লোককে দেখে শ্রদ্ধা না হওয়াটা খুব অন্যায় নয়। কিন্তু সেই অশ্রদ্ধাকে ছাপিয়ে ছলাৎ করে আমার দেহের রক্ত মাথায় উঠলো, যখন ভদ্রলোকের স্টেব্‌ল্‌টি দেখলাম। মনে হল যেন কোনো ঘোড়ার হাসপাতালে এসে পড়িছি বুঝি! তিনটে বেতো রোগী হাড় জিরজিরে ঘোড়া কোনোক্রমে চার-পায়ে দাঁড়িয়ে ক্লান্তভাবে ঘাস খাচ্ছেঘাস খাওটাই যেন একটা বিরাট পরিশ্রমের কাজ! এদের তুলনায় রমজান মিঞার ছ্যাকড়া গাড়ীর ঘোড়াদের বোধহয় পক্ষীরাজ আখ্যা দেওয়া চলে! ওদের মধ্যে একটিকে আবার জিন-লাগাম এঁটে তৈরি রাখা হয়েছে।

    “কেমন দেখছেন?” প্রফেসর চাকলাদার পরম স্নেহে জিন লাগানো ঘোড়াটির দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করলেন আমাকে।

    চন্দ বোধহয় আমার মনের ভাবটা কিঞ্চিৎ আন্দাজ করতে পেরেছিল। বললো, “ঘোড়াটা গত হপ্তার অক্‌শানে প্রফেসর চাকলাদার বেশ দাঁও মতো কিনে ফেলেছেন হেমাত্র পাঁচ শো টাকায় (বুঝলাম চন্দ দালাল ছিল!) তবে এখানে ইম্পর্ট্যান্ট হচ্ছে প্রফেসর চাকলাদারের যুগান্তকারী আবিষ্কারটি। যাকে বলে একেবারে মোক্ষম পদ্ধতিসিওর উইনিং!”

    “তাহলে এবার মাঠে যাওয়া যাক কি বলেন?” প্রফেসর চাকলাদার গদ গদ ভাবে বললেন।

    একবার ইচ্ছে হল দুত্তোর বলে কেটে পড়ি। এই ঘোড়ার ট্রেনার হওয়ার চেয়ে সার্কাসের ক্লাউন হওয়া অনেক ভালো। তবে কৌতূহল বড় বালাই। মনে হল দেখাই যাক না

    প্রফেসর চাকলাদার নিজেই চাপলেন ঘোড়াটার পিঠে। ঘোড়াটার পিঠ ধনুকের মতো বেঁকে গেলমনে হল যে-কোন মুহূর্তে বেচারী মুখ থুবড়ে পড়তে পারে। কেন যে পড়লো না সেটাই একটা রহস্য।

    কোর্সের অন্যপ্রান্তে যাবার আগে একটা বাইনোকিউলার আমার হাতে ধরিয়ে দিলেন প্রফেসর চাকলাদার। বললেন, “আপনি ঘোড়াটা সম্পর্কে যাই কেন ভেবে থাকুন না, মিস্টার মিত্র, এই বাইনোকিউলার দিয়ে গোড়া থেকে শেষ পর্যন্ত এর মুভ্‌মেন্টস্‌টা শুধু ভালোভাবে মার্ক করে যাবেন আপনি আর টাইমিংটা একটু ক্লক্‌ করবেন, প্লীজ!”

    বুঝলাম, এও এক যন্ত্রণা হল। একমাইল পোষ্ট থেকেও যদি দৌড়ায়, তাহলে এক মাইল কভার করতে ওর দশ মিনিটের কম নিশ্চয় লাগবে না! আর ওই দশ মিনিট বাইনোকিউলারটা চোখে ধরে আমাকে ওর মুভ্‌মেন্টস্‌ মার্ক করতে হবে! ভালো জ্বালায় পড়া গেল দেখছি।

    যতক্ষণ না প্রফেসর চাকলাদার মাইল পোষ্টের কাছে গেলেন, ততক্ষণ দাঁড়িয়ে

    দাঁড়িয়ে চন্দকে শান্ত করতে লাগলাম, অবশ্য মনে মনে। ও যে আমাকে এখানে এনে এমন একটা হাস্যকর ব্যাপারের মধ্যে জড়িয়ে ফেলবে সেটা জানলে আমি হাজার অনুরোধেও এ পথ মাড়াতাম না। থাকগে। আসল কথায় আসি। অবশেষে প্রফেসর চাকলাদার তাঁর বাহনটি নিয়ে নির্দিষ্ট মাইল পোষ্টের কাছে গিয়ে দাঁড়ালেন। তারপর রুমাল নেড়ে আমাকে ইশারা করলেন। আমি ভারী বাইনোকিউলারটা চোখে লাগিয়ে নিলাম। দেখলাম, সে এক অতি হাস্যকর ব্যাপার। মোটা ভারী দেহটা নিয়ে প্রফেসর চাকলাদার ঘোড়াটির পিঠে কুঁজো হয়ে বসে আছেন। এক হতে লাগাম ধরে আছেন, অন্য হাতে চশমা সামলাতে ব্যস্ত!

    পরমুহূর্তে ঘোড়াটি ছুটলো। সঙ্গে সঙ্গে হাতের স্টপ্‌ ওয়াচটি চালিয়ে দিলাম। কিন্তু এ কি! এটা কি সেই ঘোড়া যেটা আমি খানিক আগে দেখেছি? নিজের চোখকে পর্যন্ত বিশ্বাস করতে ইচ্ছা হয় না। ঘোড়া তো ছুটছে না, যেন হাওয়ায় উড়ে চলেছে। প্রফেসর চাকলাদারের আড়াই মণ প্লাস নিজের পনেরো সের ওজন পিঠে নিয়েও এমন স্পিডে ছুটেছে যে না দেখলে প্রত্যয় হয় না। দেখতে দেখতে ও এক মাইল কোর্স উড়ে পার হয়ে এলো। বাইনোকিউলার নামিয়ে স্টপ ওয়াচ দেখলাম দু মিনিট বাইশ সেকেন্ড। …অদ্ভুত! অবিশ্বাস্য!! গত ডার্বির উইনার ‘ফ্লাইং সসার’ ঘোড়ার উইনিং টাইম ছিল তিন মিনিট পাঁচ সেকেন্ড!

    কখন যে প্রফেসর চাকলাদার আমার পেছনে এসে দাঁড়িয়েছেন টের পাইনি। বললেন, “কেমনটি দেখলেন, মিস্টার মিত্র?”

    বললাম, “দেখলাম ভালই, তবে সত্যিকারের রেসে ও খেল দেখানো যাবে না।”

    “কেনকেন?”

    “ঘোড়াকে নেশা করিয়ে রেস দৌড়ানো অপরাধ। তাতে আপনার জেল হবে আর আমার লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে!”

    “আহাহা! তুমি এই যখন না বুঝে সুঝে হুট্‌ করে একটা কথা বলে ফেল মিত্তির, তখন আমার বড় রাগ হয়!” চন্দ হাঁ হাঁ করে উঠলো।

    “তাহলে ঘোড়াটা ড্রাগ্‌ড্‌ নয়?”

    “না, মোটেই না। ওই যে বলছিলাম একটা মোক্ষম বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি”

    “দুত্তোর বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি! তুমি কি বলতে চাও ওই বেতো ঘোড়াটা শুধুমাত্র ট্রেনিং এর জোরে একটা রেকর্ড রান্‌ করে বেরিয়ে গেল?”

    “না, তাও না। একটু ধৈর্য ধরে না শুনলে ব্যাপারটা তোমায় বোঝাই কি করে? না, ঘোড়াটিকে ড্রাগ্‌ও দেওয়া হয়নি আর তেমন কোন ট্রেনিংও দেওয়া হয়নি। আসলে ও ক্ষেত্রে প্রফেসর চাকলাদার তাঁর একটি গোপন আবিষ্কারকে

    কাজে লাগিয়েছেন যার ফলে এই অসম্ভবটি সম্ভব হয়েছে।”

    “একটু খোলসা করে বলো।”

    “আমি বলছি” প্রফেসর চাকলাদার মৃদু হেসে বললেন, “আমি একটা এমন পদ্ধতি আবিষ্কার করেছি যার দ্বারা আর্থের গ্র্যাভিটেশন ফোর্সকে”

    “সোজা ভাষায় বলুন”

    “ওহ্যাঁ। পদ্ধতিটির নাম হল অ্যান্টি-গ্র্যাভিটি। একটি বিশেষভাবে প্রস্তুত প্রিন্টেড্‌ সার্কিটকে একটি বিশেষ পোটেন্‌শিয়ালের ইলেকট্রিক ফিল্ড দিয়ে যদি অ্যাক্টিভেটেড করা যায় তাহলে সেই সার্কিটটির ওপর গ্র্যাভিটির অর্থাৎ তখন পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণী শক্তির কোনো প্রভাব থাকবে না। অর্থাৎ তখন ঐ প্রিন্টেড সার্কিটের ওপর যে বস্তুই রাখা হোক না কেন, তার ওজন হবে শূণ্য!”

    “আরো একটু খোলসা করে বলুন” আমার কৌতূহল ও উত্তেজনা এখন বাড়তে আরম্ভ করেছে।

    “আসলে কারিকুরিটা করা আছে ঘোড়ার জিনের মধ্যে! একটা পাতলা ধাতুর পাতে সার্কিটটি প্রিন্ট করে জিনের চামড়ার মধ্যে খুব সাবধানে সেলাই করা আছে, বাইরে থেকে তার কিছুই বোঝবার উপায় নেই। ইলেকট্রিক ফিল্ড দিয়ে ঐ সার্কিটটিকে যখনই অ্যাকটিভেটেড করা হবে তখনই ঐ জিন আর তার ওপর বসা মানুষের ওজন হয়ে যাবে শূন্য! (বিভিন্ন পোটেন্‌শিয়ালের ইলেকট্রিসিটি দিয়ে ইচ্ছে মতো এই রি-অ্যাকশন কন্ট্রোল করে ওজন অর্ধেক অথবা সিকি ভাগ কমিয়ে দেওয়া যায় প্রয়োজন মতো)! তখন ঘোড়াটি দৌড়াবে বিলকুল ভারমুক্ত হয়ে। এ যেন জকি আর জিন ছাড়াই ঘোড়া রেসে দৌড়াচ্ছে। এমতাবস্তায় যে কোন সাধারণ ঘোড়া যে কোন চ্যাম্পিয়ন ঘোড়াকে রেকর্ড টাইমে হারিয়ে দিতে পারে!”

    “বুঝলাম। কিন্তু তবু আপনারা ধরা পড়ে যাবেন। সার্কিটটা না হয় জিনের মধ্যে সেলাই করে লুকিয়ে রাখলেন, কিন্তু ব্যাটারী ট্যাটারি? ও সব তো বাইরে রাখতেই হবে! তাতেই আপনারা ধরা পড়ে যাবেন।”

    “না, ব্যাটারির কোনো দরকারই পড়বে না। আমাদের কাজের পক্ষে অত্যন্ত লো পোটেন্‌সিয়ালের সামান্য ইলেকট্রিসিটিই দরকার আর সেই ইলেকট্রিসিটি জোগাবে আপনার হাতের এই বাইনোকিউলারটি।”

    আমি অবাক হয়ে হাতের বাইনোকিউকুলারটির দিকে তাকালাম।

    “এই বাইনোকিউলারটি বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে, এতে দূরবীণের লেন্সের সঙ্গে ফিট্‌ করা আছে একটি ফটো-ইলেকট্রিক সেলের কমপ্লেক্স। যতক্ষণ ধরে এটি ছুটন্ত ঘোড়ার জকি আর জিনের ওপর ফোকাস করে রাখা হবে ততক্ষণ এটি থেকে প্রিন্টেড্‌ সার্কিটে প্রয়োজনীয় ইলেকট্রিসিটির সরবরাহ অব্যাহত থাকবে। তা ছাড়া একটি ছোট বোতামের সাহায্যে আপনি এখান থেকেই ইলেকট্রিক পোটেন্‌সিয়ালের হ্রাস বৃদ্ধি করে জিন আর জকির ওজন ইচ্ছেমতো কন্ট্রোল করতে পারবেন। ধরুন, হয়তো দেখলেন শূন্য ওজনে ঘোড়টি অবিশ্বাস্য রকম ব্যবধানে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন আপনি বোতামটির সাহায্যে পিঠের ওজনটি একটু বাড়িয়ে দিতে পারবেন ফলে ঘোড়ার গতিও কমে যাবে। আসলে ঘোড়াকে চালাবেন আপনি, জকি নয়। জাকির কাজ শুধু লাগাম ধরে বসে থাকা।”

    বললাম, “সেটা না হয় হল! কিন্তু ও ব্যাপারে আমাকে জড়াতে চাইছেন কেন? যা দেখলাম, তাতে আপনারা নিজেরাই যে কোনো রেস অতি সহজেই জিততে পারবেন।”

    “আপনাকে দরকার নামের জন্যে। আপনি এ লাইনে একজন বিখ্যাত ট্রেনার। আপনার নাম ও ঘোড়ার সঙ্গে জড়িত থাকলে চট করে কেউ ফন্দীর কথা ভাবতে পারবে না। ধরে নেবে, হয়তো এর জন্যে মূলতঃ আপনার ট্রেনিংই দায়ী। তা ছাড়া, আমি নিজেও প্রচার করে দেবো যে, রেস-হর্স ট্রেনিংয়ের এমন একটি বৈজ্ঞানিক পন্থা আমি আবিষ্কার করেছি—যাতে যে কোনো সাধারণ ঘোড়াকে অতি সহজেই ভালো রানার করে তোলা যায়। পেডিগ্রির থিওরীটা নস্যাৎ করে আমি নতুন একটা কমপ্লিকেটেড্‌ থিওরী দিয়ে দোবো, যেটি সাধারণ লোকে চট করে বুঝতে পারবে না আর যারা বুঝবে, আমাদের সাফল্য দেখে বোকা বনবার ভয়ে তারা প্রতিবাদ করতে সাহস পাবে না। তাহলেই লোকে মোটামুটি ব্যাপারটা লজিকাল বলে ধরে নেবে। বলুন, আপনি আমাদের প্রস্তাবে রাজী? দু’হাজার মাইনে আর টোটাল উইনিংয়ের সিকি অংশ বোনাস!—বলুন!”

    চন্দ বললে, “নিজের চোখেই তো সব দেখলে ভায়া, কোনো রিস্ক নেইএভরিথিং টু গেন! ভিড়ে পড়ো।”

    কি যে হল আমার! কিছু না ভেবে হঠাৎ সম্মতিসূচক হাত বাড়িয়ে দিলাম। আমার চারপাশে তখন সত্যজিৎ রায়ের ‘নায়কে’র স্বপ্নের মতো কারেন্সি নোটের বৃষ্টি হচ্ছে! হায়রে, স্বপ্নের পরবর্তী অংশটা তখন যদি মনে পড়তো!

    এর পর আমার প্রথম কাজ হল একটি ভালো জকি জোগাড় করা। প্রফেসার চাকলাদার অবিশ্যি নিজেই জকি হতে রাজী ছিলেন। কিন্তু আইনগত বাধা ছিল, রিস্কও ছিল। আমাকে ঠিক যে কারণে ওঁরা দলে নিলেন, একটি ভালো আর নামী জাকিরও প্রয়োজন ছিল ঠিক সেই কারণেই।

    অবিশ্যি তাতে বিশেষ অসুবিধে হল না। জনসন ছিল আমার বন্ধু, এ-ওয়ান্‌ জকিও বটে। খ্যাতিও কম ছিল না ওর। বছরের বেশী ভাগ সময়ই ঋণে ডুবে থাকতোঅথচ রোজগারও করতো কম নয়!

    তাকে খুব সাবধানে বাজিয়ে দেখলাম। খুব সহজেই টোপ গিললো। বুঝলাম, টাকার জন্যে ও এখন সব কিছুই করতে পারে।

    আট্‌ঘাট বেঁধে নামলাম আসরে। পক্ষীরাজটির নাম দিলাম ‘মাই হোপ্‌’। নাম গোত্রহীন “মাই হোপ্‌’ ফাস্ট এন্ট্রিতে অডস্‌ পেলো ওয়ান টু টেন! বাইরের বুকিরা দর দিলো ওয়ান টু ফিফটিন। গোড়ার দিকে কিছু ভাগ্য-সন্ধানীরা বাজীও ধরলো। কিন্তু রেস শুরু হবার কিছুক্ষণ আগে ঘোড়া দর্শনের পালায় তারা সকলেই মাথায় হাত দিয়ে বসলো ওই পক্ষীরাজটির ওপর অধিষ্ঠিত জনসনকে দেখে অনেকে ডন্‌ কুইকজোট বলে ঠাট্টা করতেও ছাড়লো না। বাইরের বুকিংয়ে এক লাফে দর উঠে গেল ওয়ান টু ফর্টিতে। অর্থাৎ “মাই হোপ্‌” যদি কেউ হোপ করে বাজী ধরে পাঁচ টাকা, “মাই হোপ’ জিতে গেলে তার প্ৰাপ্য হবে চল্লিশ গুণ অর্থাৎ—দু’শো টাকা! পাবলিক অবিশ্যি আর ওপথে গেল না, মাত্র কয়েকজন দুরাশাবাদী ছাড়া। বেনামীতে শতখানেক টাকা ধরলাম মাত্র আমরা চারজন—আমি, চন্দ, জনসন আর প্রফেসার চাকলাদার।

    রেস শুরুর কিছুক্ষণ আগে আমি মেম্বার্স স্ট্যান্ডে বাইনোকিউলিয়ারটি বাগিয়ে জায়গামতো দাঁড়ালাম। এতক্ষণ মাই হোপের পিঠটি জনসন সাহেবের ভারে ধনুকের মতো বেঁকে ছিলবাইনেকিউলার দিয়ে দেখলাম হঠাৎ তার পিঠ সোজা হয়ে গেল। বুঝলাম, অ্যান্টি গ্র্যাভিটির কাজ আরম্ভ হয়ে গেছে।

    তারপর রেস শুরু হল। সে রেসে ‘মাই হোপ’ বাদে ঘোড়া ছিল ছ’টি তার মধ্যে দুটি ছিল আবার হট্‌ ফেভারিট, ঐ দুটির মধ্যেই একটির জেতার কথা। কিন্তু সারা ময়দানকে চমক লাগিয়ে বন্দুক থেকে ছোটা বুলেটের মতো ‘মাই হোপ’ প্রথম চোটেই এগিয়ে গেল প্রায় দু লেংথ!… আর কেউ কিছু বোঝবার আগেই সারা মাঠে আগুন লাগিয়ে প্রায় পাঁচ লেংথের ব্যবধানে জিতে গেল, ‘মাই হোপ’। বাইনেকিউলারের মধ্যে দিয়ে দেখলাম জনসন খুশী মুখে হাত নাড়ছে। সারা মাঠে তখন হৈ হট্টগোলের মধ্যে কান পাতা দায়। ব্যাপারটা সত্যিই অভাবনীয়! তাই রেস কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে ফলাফল ঘোষণাটা আটকে দিলেন। ঘোড়াটিকে বিশেষজ্ঞরা পুঙ্খানুপুঙ্খরুপে পরীক্ষা করলেন, নানান্‌ রকম টেস্ট করা হল, প্রফেসার চাকলাদারের ইন্টারভিউ নেওয়া হল। উনি রাজনৈতিক নেতাদের মতো এক বিরাট ভূমিকা ফেঁদে নিয়ে তাঁর নতুন থিওরীর কথা বললেন। জাজেরা কেউ হলেন ইম্প্রেসড্‌, কেউ কনফিউসড্‌, কেউ বা হতভম্ব! শেষে সকলে রায় দিলেন: না, কোনো গোলমাল নেই, ঘোড়া নিজ গুণেই জিতেছে!

    ফলাফল ঘোষণা করে দেওয়া হল! ‘মাই হোপ’ জিতেছে। একশো টাকায় আমরা চার হাজার টাকা করে পেলাম প্রত্যেকে। স্টেক মানি ছিল দশ হাজারসেখান

    থেকে ভাগ পাওয়া গেল আড়াই হাজার করে। মন্দ নয়, কি বলেন?

    সেই আমাদের জয়যাত্রা আরম্ভ হল।

    পরের হস্তায় মাই হোপের ওপর ওয়েট বাড়িয়ে দেওয়া হল আট সের। অবিশ্যি আঠারো সের বাড়িয়ে দিলেও বিশেষ ক্ষতি বৃদ্ধি হত না। আবার ‘মাই হোপ’ অতি সহজেই জিতলোজেতবারই কথা।

    পুবে জয়যাত্রার পালা সাংগ করে আমরা পশ্চিমে পাড়ি দিলাম। সেখান থেকে দক্ষিণেতারপর দক্ষিণ-পশ্চিমে। মাই হোপের তখন ভুবনজোড়া না হোক, ভারত জোড়া নাম তো বটেই।

    পরে আমরা খুব বেশী দর আর পেতাম না অবশ্য। ওয়ান টু টু কি ওয়ান টু থ্রী বড় জোর। কারণ সকলেই প্রায় বুঝে ফেলেছিল যে ‘মাই হোপ’ দেখতে যাই হোক না কেন দৌড়ায় কিন্তু জব্বর। কিন্তু তাতে আমাদের বিশেষ চিন্তার কারণ ছিল না। কারণ জয় সম্পর্কে নিশ্চিত থাকায় আমরা এরপর ব্যক্তিগতভাবে বেশ মোটা টাকাই বাজী ধরতামঅলওয়েজ হাজারের ঘরে! তাতে মোটামুটি টাকাটা ডবল হয়ে ফিরে আসতো—তা ছাড়া স্টেক মানির সিকি ভাগ তো ছিলোই। শিগগিরই প্রফেসার চাকলাদার ‘মাই হোপ’ জাতীয় আর একটি অখ্যাত ঘোড়া রেসে নামাবার জন্যে একটি নতুন সার্কিট তৈরির কাজে ব্যস্ত ছিলেন। অতএব অদূর ভবিষ্যতে আমাদের চিন্তিত হবার কেন কারণই ছিল না।

    তারপরই ঘটলো সেই অঘটনটি। সেই কথাতেই আসছি। বম্বে রেসে সেটা আমাদের প্রথম এন্ট্রি। যে রেসে ‘মাই হোপ’ ঠাঁই পেয়েছে, সে রেসে আরো অনেক বাঘা বাঘ ঘোড়া আছে—‘মাই হোপ’কে বম্বের পাব্লিক তাই খুব বেশী ইম্পৰ্ট্যান্স দেয় নি। বাংলার মাটি আর বম্বের মাটির ফারাক আছে তো! তাই আমরা ভালো দরই পেলাম ওয়ান টু এইট্‌!

    সারা মাঠ লোকে লোকারণ্য, কোথাও তিল ধারণের ঠাইটুকুও নেই।

    আমি ছিলাম স্পেসাল গেস্ট এনক্লোজারের স্ট্যাণ্ডের মাথার দিকে। আর বাইনোকিউলারটি দিয়ে এক মনে লক্ষ্য করছিলাম স্টার্টিং পোস্টের কাছে জড়ো হওয়া ঘোড়াগুলোকে। আমার বাইনেকিউলারের প্রধান লক্ষ্য ছিল অবশ্য ‘মাই হোপ’।

    আমার ঠিক পাশে ছিলেন একটু মোটামতো গুজরাতী ভদ্রলোক। মাই হোপের একজন আড্‌মায়ারার তিনি। কারণ, জানতে পারলাম, প্ৰথম কয়েকটি রেসে নাকানি-চোবানি খাওয়ার পর এখন ‘মাই হোপ’ই তার লাস্ট হোপ। পাঁচ হাজার টাকা বাজী ধরেছেন উনি মাই হোপের ওপর। বললেন, এ রেসে জিতে গেলে আর কখনো এ মুখো হবেন না।

    রেস শুরু হবার আগে থেকেই সে ভদ্রলোকের উত্তেজনা প্ৰকাশ পেতে লাগলো। কখনো উঠে দাঁড়ান, কখনো আবার বসে পড়েন। কখনো বা সিগারেট ধরান, তারপর একটান টেনে নিয়েই সেটি ছুঁড়ে ফেলে আবার উঠে দাঁড়ান। কখনো বা আমার দিকে করুণ চোখে তাকিয়ে প্রশ্ন করেন “ও বাবুজী, ঠিক জেতেগা তো? অ্যাঁ, কেয়া বোলা?”

    রেস শুরু হল। দীর্ঘ রেস থাকায় প্রথম দিকে ওজনটাকে একেবারে শূন্যে না নামিয়ে অর্ধেক করে দিলাম। হতভাগা ঘোড়াটা তাতেই ফিফথ প্লেসের বেশী এগুতে পারলো না! এইভাবে চললো কিছুক্ষণ, তারপর উইনিং পোস্টের ফার্লং-দুই আগে বেণ্ডের মুখে বোতামটি ঘুরিয়ে ওজনটি দিলাম একেবারে শূন্য করে। আর সঙ্গে সঙ্গে ‘মাই হোপ’ চার-চারটি বাঘা প্রতিদ্বন্দ্বীকে বিদ্যুৎ বেগে পার করে এগিয়ে গেলো। …আর মহা উল্লাসে পাশের গুজরাতী ভদ্রলোকটি লাফিয়ে উঠলেন—তারপর আনন্দের আতিশয্যে, আমি কিছু বোঝবার আগেই আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। আমি নিজেকে মুক্ত করবার জন্যে প্ৰাণপণে টানা-হ্যাঁচড়া করতে লাগলাম! কিন্ত কাকস্য পরিবেদনা। চল্লিশ হাজার টাকা জেতার আনন্দে ভদ্রলোক তখন পুরোপুরি পাগল। “মার দিয়া, মার দিয়া!” বলে তিনি আরো জোরে চেপে ধরলেন আমাকে! আর এই টানা-হ্যাঁচড়াতে আমার হাতের বাইনোকিউলারটি ছিটকে পড়লো সাত হাত দূরে।

    ছুটন্ত অবস্থায় আপনার ঘাড়ে যদি দেড় মণ ভারী বোঝা ফেলে দেওয়া হয় তখন আপনার অবস্থাটি কি দাঁড়াতে পারে আপনি কল্পনা করে দেখেছেন কি? যতোই কল্পনা করুন, আসল ব্যাপারটি আপনি কিন্তু কিছুতেই আঁচ করতে পারবেন না। পারতেন—যদি সেদিন বম্বের মাঠে মাই হোপের অবস্থাটি স্বচক্ষে দেখতেন।

    উইনিং পোস্টের কয়েক গজ মাত্র দূরে ব্যাপারটা ঘটলো। পাখীর পালকের মতো উড়ে চলা মাই হোপের দেহটা হঠাৎ ধনুকের মতো বেঁকে গেল। কারণ, যে মুহূর্তে বাইনোকিউলারটি লক্ষ্যচ্যুত হল, জকি আর জিনের ওজনটি আকাশ থেকে পড়া দেড়মণি বোঝার মতোই এসে পড়লো ওর পিঠে। ঐ গতিতেই বেচারী এগিয়ে যাবার চেষ্টা করলো, কিন্তু সেটা পারবে কেন? পড়লো হুমড়ি খেয়ে! জনসন ওর পিঠ থেকে ছিটকে পড়লো দশ হাত দূরে। অন্য ঘোড়াগুলি একে একে ওকে পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে গেল অবলীলাক্রমে!

    ব্যাপারটা ঐখানেই শেষ হলে কিছু বলার ছিল না। ছুটন্ত ঘোড়ার হঠাৎ পড়ে যাওয়াটা এমন কিছু অবাক কাণ্ড নয়। কিন্তু মই হোপের পড়ার ধরনটাই অনেককে অবাক করলো। জাজ্‌দের চোখও সেটা এড়ায়নি। তাই আবার শুরু হল তদন্ত। তন্ন তন্ন করে অনুসন্ধান চালালো তারা। প্ৰিণ্টেড সার্কিটটা আর গোপন রাখা গেল না।

    তবু হয়তো তারা কিছুই বুঝতে পারতো না, কারণ অ্যান্টিগ্র্যাভিটির আইডিয়া তাদের কল্পনারও বাইরে। কিন্তু এই প্রফেসাররা যে এমন ভীতু হয়, সেটা আমি জানতাম না। পুলিশের কয়েকটি বাঘা অফিসারের ধমকে ভ্যাঁ করে সব আইডিয়াটা ফাঁস করে দিলেন প্রফেসার চাকলাদার!

    চন্দর, আমার আর জনসনের দু বছর করে জেল হয়ে গেল। উপরি হিসেবে আমার আর জনসনের লাইসেন্সটাও বাতিল হয়ে গেল—মোটা টাকা জরিমানাও গুনতে হল!

    আর প্রফেসার চাকলাদার—উনি বেশ বহাল তবিয়াতেই আছেন। শুনেছি, কি এক নতুন ব্যাপারে উনি ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে গবেষণায় নিযুক্ত আছেন। সরকারকে সাহায্য করবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে উনি শাস্তির হাত থেকে রেহাই পেয়েছেন।

    তাঁর নতুন কোনো আবিষ্কার? মাফ করবেন, সে খবর আমি রাখি না, রাখতে চাইও না!

    .

    প্রথম প্রকাশ: ‘আশ্চর্য!’ অগাস্ট, ১৯৬৬

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রেত-প্রেয়সী – অদ্রীশ বর্ধন
    Next Article আদিম আতঙ্ক – অদ্রীশ বর্ধন

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }