Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেরা আশ্চর্য! সেরা ফ্যানট্যাসটিক (প্রথম পর্ব) – সম্পাদনা : অদ্রীশ বর্ধন

    লেখক এক পাতা গল্প464 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রফেসর ত্রিশঙ্কু • শিশির কুমার মজুমদার

    এই গল্প প্রঃ শঙ্কুর নয়, প্রঃ ত্রিশঙ্কুর গল্প।

    ও সোজা কথায় বলতে হলে বলতে হবে, প্রঃ শঙ্কু টু দি পাওয়ার তিন ইকোয়লটু প্রঃ ত্রিশঙ্কু। তবেই বুঝে নিন তিনি, কে, কেমন, কত শক্তিধর।

    একটা বিজ্ঞান মেলায় ভীড়ের মাঝে ঘুরে সব কিছু দেখছিলাম, মনে মনে ভাবছিলাম, ইউরোপ, আমেরিকায়, রাশিয়ায়, ওরা বিজ্ঞানকে কোথায় এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে, আমাদের দেশ… হঠাৎ খপ করে কে যেন আমার হাতটা চেপে ধরল। বলল, পেয়েছি।

    চমকে তাকিয়ে দেখি সেই বিখ্যাত প্রঃ ত্রিশঙ্কু আমার সামনে দাঁড়িয়ে। এক গাল হেসে তিনি বললেন, আপনাকেই খুঁজছিলাম। আরে মশাই সেবারে সেই মুলতানি গাইটা… যাকগে সে কথা। এবারে যা আবিষ্কার করেছি তা জগৎ কাঁপাবে। চলুন, দেখবেন চলুন। আজই এখুনি। এখানে আর কি দেখছেন, আমার ওখানে গেলে চমকে যাবেন।

    আমি ভয়ে ভয়ে বললাম, এবারের যন্ত্রটা কি নিয়ে? তা না শুনে ভালভাবে না বুঝে আর যাচ্ছি না। একথা বললাম বটে, তবে মনে মনে ভাবছিলাম, গেলে যদি সেই আগের বারের মত একটা গল্প লেখা যায় তো মন্দ কি? কিছু টাকা তো পকেটে আসবে। ও হো, সে গল্পটা বুঝি, আপনারা জানেন না? ও তাহলে পরে শোনানো যাবে। কি বলেন? এখন যা বলছি তাই শুনুন।

    প্রঃ ত্রিশঙ্কু বললেন, পাগল হয়েছেন আপনি? এখানে এই ভীড়ের মধ্যে আমার সব কথা বলি আর কি, অমনি ভিনদেশী স্পাইরা তা শুনে নিয়ে ওদের দেশে গিয়ে পেটেন্ট নিয়ে নিক, আর আমি এখানে বসে বসে বুড়ো আঙুল চুষি। চলুন, চলুন, বাইরে চলুন! ট্যাক্সিতে বসেই সব কথা হবে। ভয় নেই ট্যাক্সি ভাড়া আমার। সেবারের মতো পত্রিকায় গল্প লিখে আপনার হবে নিট লাভ।

    বুঝলাম, আগের গল্পটা ওঁর চোখ পড়েছে। তাতেও যখন ওঁর কোনও ভাবান্তর নেই, তখন দ্বিতীয় গল্পটাই বা ছাড়ি কেন?

    বললাম, চলুন, কোথায় যেতে হবে। তা এবারের যন্ত্রটা কি নিয়ে?

    উনি আমাকে প্রায় টানতে টানতেই মেলার বাইরে আনলেন। সামনের ট্যাক্সির দরজা খুলে ঠেলে আমাকে তুলে দিয়ে নিজেও উঠে পড়লেন। দরজাটা বন্ধ করে দিয়ে বললেন, সব কিছুরই অনেক রকম রূপ আছে। জল, তিন রকম। লোহা তিন রকম, না, না, দুরকম। মানুষের, হাজার রকম, ভাল মন্দ, বদমাশ, পাজী থেকে শুরু করে পঞ্চভূতে মিলিয়ে যাবার সময় পর্যন্ত যে কত রকম রূপ, তার হিসাব কে রাখে? তাই যদি হবে তো শব্দেরই বা নানান রকম রূপ হবে না কেন বলুন? শব্দ কি জিনিস নয়?

    আমি ভ্যাবাচাকা খেয়ে বললাম, এ বটে, শক্ত শব্দ, পাতলা শব্দ, ধোঁয়াটে শব্দ, তেকোণা শব্দ, এসবই বা হবে না কেন? কিন্তু তা দিয়ে কি হবে আমাদের?

    ধমকে উনি বললেন, বোকার মতো কথা বলবেন না। এতটা বুঝলেন, আর বাকীটা বুঝতে পারলেন না? শক্ত শব্দ ছুঁড়ে মারা যায়। তাতে শত্রুপক্ষ ঘায়েল হবে, প্রাণে মরবে না। মারতে হলে পাতলা শব্দে চুবিয়ে মারতে হবে। আর দম বন্ধ করতে চান তো ধোঁয়াটে শব্দ ছাড়ুন। আর একটা হিরোসিমা নাগাসাকি ঘটিয়ে দেওয়া যাবে ওই শব্দ ধোঁয়া ছেড়ে। খরচ? কুল্লে হয়তো চার পাঁচ পয়সা, যার পঁয়ষট্টি ভাগই মেকী। তাও আবার এক কালে মাঝে ফুটো ছিল। তা হলেই বুঝুন আমার আবিষ্কারের গুরুত্বটা।

    আমি তো হাঁ হয়ে গেছিলাম! কথা বলব কি? শক্ত শব্দ মাঝে মাঝে অফিসের বসের কাছে শুনি, যখন তিনি কাজে ভুল করে সে ভুলের দায়িত্ব আমার ঘাড়ে চাপান। কিন্তু তা বলে পাতলা শব্দ, ধোঁয়াটে শব্দ!! সে আবার কি?

    কি জানি বাবা, এবারে প্রঃ ত্রিশঙ্কু কি কাণ্ডই না করে বসেন। যন্ত্রের হাতল ধরে টান দিলে, শেষে আমরাই না আবার পাতলা শব্দের মাঝে হাবুডুবু খেয়ে ডুবে মরি। ছলাৎ ছল, কলাৎ কল, ঝর ঝর, কল কল, কুলু কুলু, টিপ টিপ, টুপ টাপ, এর বেশীও কি পাতলা শব্দ আছে? সব যদি এক সঙ্গে তেড়ে যন্ত্রের মুখ দিয়ে বার হতে আরম্ভ হয় তাহলেই তো সর্বনাশ! একেবারে ভেসেই যাব!

    প্রঃ ত্রিশঙ্কু বললেন, ভাল্‌ব ছত্রিশটা, দাঁতকাটা চাকা আটচল্লিশটা, এমনি চাকা ডজন দুই। তা ছাড়া ট্রানজিস্টার, চোক, ট্রান্সফরমার, স্পিকার, লাউড স্পিকার যে কতগুলো লেগেছে, তার হিসাব আমি জানলেও, বললেও আপনি বুঝবেন না। চলুন, আপনার সামনে হাতল টানব, আর শব্দের সঠিক রূপ স্বচক্ষে আপনি দেখতে পাবেন। হুঁ হুঁ বাব্বা, এবারে মুলতানি গাই না।

    আমি ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, সেবারে তো একটা মুলতানি গাই আর একজন লেখক ছিল আপনার যন্ত্রের জ্বালানি, এবারে জ্বালানি কি?

    উনি একটুও চিন্তা না করেই বললেন, হিন্দী সিনেমার গান, মাদ্রাজী ছবির ডায়লোগ, হিন্দুস্থানীদের ঝগড়ার ভাষা, মাড়োয়ারী ব্যবসায়ীদের ব্যবসার ভাষা, সঙ্গে কিছু বিখ্যাত বাঙ্গালী লোকদের সরকারি প্রাইজ পাওয়া বইয়ের অংশের ভাষা, ব্যাস, এই সাফিসিয়েন্ট। তারপর হাতল টানো আর ভাষার আসলি রূপ দেখ। না, না, শব্দের। আর প্রয়োজন মতো যন্ত্রের চাবি ঘুরিয়ে শব্দের এক রূপ এক এক ভাবে কাছে দূরে সামনে পিছনে কাজে লাগিয়ে দাও। শত্রুরা বর্ডার ছেড়ে পালাবে, বিপক্ষের সবাই দু হাত আকাশে তুলে ধেই নৃত্য শুরু করে দেবে। বন্ধুরা বলবে, মাইরী চকাচক। কেউ লাঠি নিয়ে তেড়ে আসবে, কেউ আবার দু চোখ বুঁজে মাথা দোলাবে খুশিতে। অপূর্ব আবিষ্কার। প্রথম এর কদর দেশের লোক বুঝলে হয়। না বোঝে তো সব কিছু তুলে নিয়ে ভিনদেশে চলে যাব। নোবেল প্রাইজ চাই, তো ওটা ছাড়ি কেন?

    ট্যাক্সি ড্রাইভার গাড়ির গতি বাড়িয়ে দিয়ে বলল, স্যার, আপনার ওই যন্ত্রটাতে যাতা ভেঙাস কারের গান শোনা যাবে? আর ওই ছিঃ জনের বেরেক নাচের তালের ভাম্পো ভ্যাম্পো বাজনা শোনা যাবে? সস্তায় আমায় একটা যন্তর দেবেন স্যার? মানথিলি ইনস্টলমেন্টে টাকাটা দিয়ে দেব। সাচ বাত বলছি।

    প্রঃ ত্রিশঙ্কু বাধা দিয়ে বললেন, থাক থাক। আর বলতে হবে না। যাচ্ছই তো আমার ওখানে, যন্ত্রের সামনে তোমায় ওই খেউরগুলো শুনিও তো ভাল করে। তাহলে, জ্বালানি কিছু বাড়বে। বেশ, বেশ, তাহলে নয় ফের একটা যন্ত্র দেবার চেষ্টা করব। কিন্তু তুলে নেবে কি করে…?

    মহাখুশি হয়ে ড্রাইভার বলল, আপনি লোকটা মাইরী…

    সেই আগের মতোই একটা পাঁচিল ঘেরা বাড়ির ফটকের সামনে ট্যাক্সিটাকে দাঁড় করালেন প্রঃ ত্রিশঙ্কু। দরজা খুলে নেমে ব্যস্ত হয়ে জামার পকেটগুলো হাতড়ে বললেন, ঐ যাঃ মেলায় দেখছি আমার পিকপকেট হয়ে গিয়েছে। ভাড়াটা মিটিয়ে দিন তো! বলে আর না দাঁড়িয়ে সোজা লোহার গেটে গিয়ে জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগলেন।

    ড্রাইভার বলল, যাঃ কলা, এ যে দেখছি চালু পূর্জা, ও মশাই, আপনারও পিকপকেট হয়নি তো? দিন দিন ভাড়া। না হলে, মুখের বুকনি নয়, হাতের সুখ করে নেব মশাই। আমি ছাড়ব না।

    ভীষণ ভয়ে আমি গুণে গুণে ভাড়ার টাকা মিটিয়ে দিলাম। মিটারে কত যে উঠেছে তা দেখতেই ভুলে গেলাম। দেখলেও, তখন কি আর হিসেব কষতে পারতাম? ড্রাইভার খুশি মনে হাসি মুখে গাড়ি ঘুরিয়ে নিয়ে হাওয়া হয়ে গেল। তার মানে দেড় চোট খেলাম।

    ওদিকে গেটটা তখন বিশ্রী আওয়াজ করে খুলে গেল। একটা নেড়া মাথা ছোকরা মুখ বার করে এদিক ওদিক দেখে ফিস ফিস করে বলল, আপনে ঢোহেন জলদি। পিচনে ইসপাই লাগছে, বোঝেন না? জলদি করেন, জলাদি করেন।

    স্পাই! চমকে প্রঃ ত্রিশঙ্কু পিছন দিকে তাকালেন। আমাকে ব্যস্ত হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, দেখেছেন নাকি তাকে? সর্বনাশ! বেটা গেল কোন দিকে? ঠিক গন্ধে চলে এসেছে। ফর্মুলাটা হাতিয়ে নেবার ফন্দী।

    নেড়া বলল, আরে আরে করেন কি!! করেন কি! ইসপাইরেই জিগাইতেছেন ইসপাইয়ের কথা! আপনের ভীমরতি ধরছে। তা না অইলে অমন যন্তর বানান! আসেন, আসেন ভিতরে ঢোহেন।

    প্রঃ ত্রিশঙ্কু এই মারেন তো সেই মারেন করে তেড়ে গেলেন ছেলেটার দিকে। বললেন, কাকে কি বলছিস রে নেড়া, এ্যাঁ, কাকে কি বলছিস… স্পাই দেখেছিস কোন দিন, দেখেছিস? তা না…

    আমি বললাম, থাক থাক, ছেলেমানুষ। এখন ভিতরে চলুন। যন্ত্রটা দেখি। কি নাম দিয়েছেন যন্ত্রটার?

    উনি গজ গজ করতে করতে ভিতরে ঢুকলেন। পিছন পিছন আমিও। নেড়াটাও সমানে গজ গজ করতে লাগল, আমি বুঝুম ক্যামনে। হয়নরেই তো সন্দেহ হয়। তবে?

    প্রঃ ত্রিশঙ্কু শান্ত হয়ে বললেন, তোকে তখুনি বলেছিলাম, নেড়া হোসনে, হোসনে। সব বুদ্ধি বেরিয়ে যাবে। তা না, কোথায় মামাতো ভাইয়ের পিসতুতো শালার মাসতুতো দিদির কার যেন কে মরেছে, অমনি অশৌচ হয়েছে বলে নেড়া হলি! দেখ এখন কি ঝামেলা পাকাচ্ছিস।

    নেড়া ক্ষেপে কি গিয়ে বলল, জানেন নি অশোচ অইলে ন্যাড়া অইতে হয়। ছেরাদ্দ করতে হয়। তয় ঠিক কে যে মরছে বুঝি নাই বইলা শুধু ন্যাড়া অইছি। হ্যার লেইগ্যা এত কথা ক্যান?

    আমি বললাম, থাক থাক, অত রাগ করতে নেই। নেড়া মাথায় চাঁদি গরম হয়ে যাবে। শেষে কি হতে কি হয় কে বলতে পারে?

    ও বলল, দেহেন তো আপনে, আমি বইল্যা নাম করা ওয়েল্ডার, বেশী মাইনা পাওনের লোভে এইহানে আইয়্যা ফাইস্যা গেছি। রাত্র দিন নাটের লগে ইসকুরু, তার লগে চাকা, তার গায়েনি পাইপ, পিছনে চোঙ্গা, সামনে হাণ্ডিল ওয়েল্ড করছি, কি যে কিম্ভুতকিমাকার যন্তর অইছে তা উনিই জানেন, এহন কইতাছে, মাথায় বুদ্ধি নাই। নাই তো নাই… থাকলেনি জাহাজের কাম ছাইড়া এই হানে মরতে আসি? অ্যাপনেই কয়েন?

    আমি বললাম, তা তো ঠিক। কিন্তু যন্ত্রটা কই?

    ক’পা এগিয়ে একটা ভাঙ্গা দালান পার হয়ে বাঁয়ে মোড় নিতেই নেড়া বলল, ওই দ্যাহেন হেই যন্তর! দেহেন, দেহে ওইটা যন্তর না কিম্ভুত এউকগা লোহার

    খাঁচা!

    থাম, থাম, অনেক বকেছিস। বললেন প্রঃ ত্রিশঙ্কু, ওটার কদর যদি তুই বুঝতে পারতিস, তাহলে তো আমি মাথা নেড়া করে ওয়েল্ডার হতাম, আর তুই নোবেল লরিয়েট হতিস। যাক সে কথা। আপনি শুনুন… বলে হাসি হাসি মুখে আমার দিকে তাকালেন প্রঃ ত্রিশঙ্কু। তারপর দুহাত মহা আনন্দে কচলাতে কচলাতে বললেন, এই আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি। এটার জন্যেই আমি থাকব না যখন তখনও মানুষে আমার নাম করবে।

    আমার মনে হল ওঁর সব যন্ত্রের চেহারাই প্রায় এক রকম। এটার অবশ্য বয়লার পেট নেই। তার বদলে আছে চারদিকে লাগান সেই কুকুর মার্কা গ্রামোফোনের পুরানো বেশ কটা চোঙ্গা। শব্দের সঠিক রূপ বোধ হয় ওর মধ্যে দিয়েই বার হয়। কিন্তু মনে মনে খটকা লাগল, শব্দের শক্ত নিরেট রূপটাও কি ওই চোঙ্গা দিয়েই বার হয়। আটকে যাবে না?

    নেড়া ভীষণ রেগে বলল, আমিনি এসিসটেন্ট! ন্যান, কন এহন কোন হেণ্ডেলটা টানতে অইবো?

    প্রঃ ত্রিশঙ্কু যন্ত্রটার এক পাশে সরে গেলেন। সে দিকেই দেখলাম যন্ত্রের যেন একটা ফোকলা মুখের মতো ফাঁক আছে। ওঃ, তাহলে শব্দের শক্ত রূপটা বুঝি এখান দিয়েই ঠাই ঠাই করে পড়বে।

    প্রঃ ত্রিশঙ্কু অন্যমনস্কের মতো কি যেন বললেন। আমি যেন শুনলাম, উনি বললেন, টান। অমনি নেড়া সামনের হাতলটাই প্রাণপণে ঘ্যাঁ—য়্যাচঁ করে টেনে নিল। অমনি যন্ত্রের ভিতর থেকে সু-উ-উ-ৎ করে মুখ দিয়ে ঝোল টানার মতো একটা প্রচণ্ড শব্দ উঠল! কিন্তু কিছু বোঝার আগেই বাতাসেও টান পড়ল ভীষণ! আমি, আমার আগে প্রঃ ত্রিশঙ্কু দুজনেই সেই টানে যন্ত্রের মুখের কাছে প্রায় গিয়ে পড়লাম। প্রঃ ত্রিশঙ্কু চেঁচিয়ে উঠলেন, আরে আরে আরে ন্যাধা… (বোধ হয় নেড়াকে গাধা বলতে গেছিলেন উনি।) কিন্তু কথা উনি শেষ করতেই পারলেন না, তার আগেই ওঁর মাথা থেকে কোমর পর্যন্ত সবটাই যন্ত্রের ওই মুখের মধ্যে ঢুকে গেল! চটি পড়া পা দুটো শুধু শূন্যে নেড়াকে খুঁজে লাথি চালাতে লাগল। নেড়া সঙ্গে সঙ্গে জিভ কেটে বলল, সর্বনাশ, ভুল হেণ্ডেল টাইন্যা থুইছি। ওইটা টানলে দুনিয়ার বেবাক হক্ত শব্দ হয়ে যতই হক্ত হউক না ক্যান যন্তরের মধ্যে টাইন্যা লইবো। হামনে তেমন হক্ত শব্দ না পইয়া আমাগো পেপেচোররেই টাইন্যা নিছে। এহন মাথা ঠাণ্ডা কইরা কাম করেন লাগবো। তিন নম্বর হেণ্ডেলটা টানতে অইবো। বলেই ও এক হ্যাচকা টানে একটা হাতল নামিয়ে দিল। দিয়েই চেঁচিয়ে উঠল, এই সারছে, আবার ভুল কইর‍্যা ফেলাইলাম। এ তো দেহি শব্দ কামানের হেণ্ডেল! জোরসে টাইন্যা দিছি। পলান, পলান, না অইলে ঘয়েল আইবেন কইয়া দিলাম। বলেই ও ছুট লাগাল। আমি তো ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। নেড়া প্রায় ভাঙ্গা দালানটায় কাছে পৌঁচেছে, অমনি যন্ত্রের ভিতর থেকে বিকট একটা আওয়াজ বার হল, বুম, নেড়া, বুম, তোর একদিন কি আমারই একদিন, বুম, বুম।

    ফিরে দেখি নেড়া ঘাসের ওপর পড়ে পা দুটো সমানে ছুঁড়ছে। আর ওদিকে যন্ত্র থেকে সমানে আওয়াজ বার হয়ে চলেছে, বুম, বুম, বুম! বিকট আওয়াজে কান ঝালাপালা হবার যোগাড়, প্রাণ আইঢাই করে উঠল। কিন্তু কি সর্বনাশ ওদিকে যে প্রঃ ত্রিশঙ্কু শূন্যে সমানেই দু-পা ছুঁড়ে চলেছেন। এখুনি কিছু একটা করা দরকার। আমি ভীষণ ভয়ে তিন নম্বরের পাশের পাঁচ নম্বর হাতলটা টেনে দিলাম। অমনি সুরুৎ করে প্রঃ ত্রিশঙ্কু যন্ত্র থেকে বার হয়েই বললেন, বাঁচালেন মশাই। নেড়ার চাকরি খতম। একের পর দুই, তার পর তিন, এমনি করেই তো হাতলগুলো টানবে, তা না.., আপনি মশাই মাথা ঠাণ্ডা রেখে তিনের পর ভাগ্যিস চার টানেন নি, চার টানলেই হয়েছিল আর কি। শব্দের পরমাণু ফাটতো। সে যে কি ভয়ঙ্কর ব্যাপার তা আজ পর্যন্ত কেউই জানে না, আমি তো কোন ছার। এখন আমি এক নম্বর হাতল টেনে আমার যন্ত্রের গুণ আপনাকে দেখাব। একটু ওদিকে সরে দাঁড়ান। কিছু গোপন রাখার ব্যাপার আছে তো, কে বলতে পারে, আপনি কোনো শত্রু দেশের স্পাই কিনা? রেডি, ওয়ান, টু, থ্রি।

    আমি সঙ্গে সঙ্গে চেঁচিয়ে উঠলাম, আ হা হা করছেন কি, করছেন। কি, ওটা যে চার নম্বর… কথা আমি শেষ করতে পারিনি। বিকট শব্দের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড যেন ভেঙ্গে পড়ল আমাদের চারপাশে প্রায় বেহুঁশ হয়েই পড়েছিলাম। হুঁশ ফিরে এলো, একটা কাতর শব্দে। ও দিকে নেড়া এক ঘেয়ে ভাবে কাতরাচ্ছে, ওরে বাব্বা, গেছি গেছি গেছি! এউকগ্যা ইসকুরুপ মাথায় আইয়া পড়েছে। হেই তেই এই, বন্টু পড়লে আর দ্যাখতে অইতো না। এমন কাম আর আমি করুম না। জাহাজেই ফিইর‍্যা যাইমু।

    ভাল করে চোখ পিট পিট করে তাকিয়ে দেখলাম, পাশেই প্রঃ ত্রিশঙ্কু চিৎপাত হয়ে পড়ে আছেন। নেড়ার মাথার মাঝখানটা ফুলে ঢিপি। আমার কিছুই হয়নি। সামনের অমন বিশাল যন্ত্রটা আর নেই। তার জায়গায় সারা বাগান জুড়ে ছড়িয়ে আছে লোহা লক্কড়ের টুকরো।

    চোখ চেয়ে প্রঃ ত্রিশঙ্কু বললেন, আজ নেড়ার একদিন কি আমারই একদিন। ভাল করে যন্ত্রটা ও ওয়েল্ডিং করেনি। তাই বলেই তো শব্দের পরমাণু না ফেটে যন্ত্রটাই ফেটে চৌচির হল। ও হো হো হোঃ, আমার কি সর্বনাশ হল। আমার

    এমন প্রচেষ্টা বিফল। এ দুঃখু আমি রাখব কোথায়!

    নেড়া ভীষণ রাগে বলল, হ এহোন তো হক্কল দোষই ন্যাড়ার অইবো। যন্তর ফাটছে তায় না প্রাণে বাঁচছেন, শব্দের এটম বোমা ফাটলে তো আর এমন কইর‍্যা মিথ্যা গাল পাড়তে পারতেন না। আমার পাওনা গণ্ডা মিটাইয়া দ্যান। আমিও আর এই হানে কাম করুম না। সিধা কথা।

    আমি বললাম, মিথ্যা দুঃখ করছেন প্রঃ ত্রিশঙ্কু। আপনার পরের যন্ত্রটা নিশ্চয়ই জগৎ কাঁপাবে। তবে মনে রাখবেন, আমি বাসা বদল করেছি। আগের ঠিকানায় কিন্তু আর আমাকে পাবেন না। নতুন ঠিকানাটাও আনতে ভুলে গেছি।

    প্রঃ ত্রিশঙ্কু বললেন, পরের যন্ত্র? না মশাই, যন্ত্র আমার মাথায় থাক। এর পরে আমি ভাবছি, অন্য বিষয় নিয়ে গবেষণা করব। তা ওকি মশাই চললেন যে? আপনাকে তাহলে ফের কোথায় পাব?

    বড় বড় পা ফেলে গেটের দিকে যেতে যেতে আমি বললাম, চিন্তা করবেন না, সময় মতো আমি নিজেই যোগাযোগ করব। সোজা বাগানের বাইরে এসে প্রাণ খুলে দম নিলাম। উঃ, খুব বেঁচেছি। আবার…!

    .

    প্রথম প্রকাশ: ফ্যানট্যাসটিক, সেপ্টেম্বর, ১৯৮৮

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রেত-প্রেয়সী – অদ্রীশ বর্ধন
    Next Article আদিম আতঙ্ক – অদ্রীশ বর্ধন

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }