Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেরা আশ্চর্য! সেরা ফ্যানট্যাসটিক (প্রথম পর্ব) – সম্পাদনা : অদ্রীশ বর্ধন

    লেখক এক পাতা গল্প464 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হরিহরণ এফেক্ট • সুমিত কুমার বর্ধন

    প্রফেসর সুরজিত ব্যানার্জী ক্ষোভে হতাশায় খালি নিজের মাথার চুল ছিঁড়তে বাকি রাখলেন। দুমদুম করে টেবিলে দুহাতে কিল মারতে মারতে চেঁচাতে লাগলেন—“কেন? কেন? এক্সপেরিমেন্টটা সফল হচ্ছে না কেন? কেন? আমরা… আমরা প্রেসিডেন্সী কলেজের অধ্যাপক, আর আমরা এই সাধারণ এক্সপেরিমেন্টটা সফল করতে পারলাম না। আমাদের ছাত্রদের কানে কথাটা গেলে আমরা যে হাসির পাত্র হব!”

    “আহা আপনার আর দোষ কোথায়। যদি অটোমেটিক রেকর্ডারটা কোন রেডিয়েশন রেকর্ড না করে তাহলে আপনি আর কি করবেন।” প্রফেসর শান্তনু হালদার প্রফেসর ব্যানার্জীকে শান্ত করার চেষ্টা করলেন।

    প্রফেসর ব্যানার্জী আরো খাপ্পা হয়ে উঠলেন—“কিন্তু কেন রেকর্ড করছে না সেটাই তো আমরা বের করতে পারলাম না! এরপর ছাত্ররা আমাকে ছাড়বে ভেবেছেন? ওরা নিজেরা পারছিল না বলেই তো আমাকে এক্সপেরিমেন্টটা করতে দিয়েছিল। এরপর আমিও যদিও না পারি তাহলে ওরা যে শুধু হাসাহাসি করবে তাই নয় ক্লাস নিতে গেলেও পেছনে লাগবে।”

    তারপর অটোমেটিক রেকর্ডাটার দিকে চোখ পড়তে আবার দ্বিগুণ জ্বলে উঠলেন—“সব দোষ ওই রেকর্ডারটার। ওটাকে… ওটাকে আমি…!” বলে একটা টুল তুলে রেকর্ডারটা ভাঙতে যাচ্ছিলেন, প্রফেসর হাত থেকে টুলটা কেড়ে নিয়ে একরকম জাপটে ধরেই ল্যাবের বাইরে বের করে নিয়ে এলেন।

    বাইরের ক্যান্টীন থেকে কয়েক গ্লাস অরেঞ্জ স্কোয়াশ খাইয়ে মাথাটা ঠাণ্ডা করানোর পর প্রফেসর হালদার আর একবার প্রফেসর ব্যানার্জীকে নিয়ে ল্যাবে ফিরে এলেন।

    অটোমেটিক রেকর্ডারটার কাছে গিয়ে প্রফেসর হালদার রেকর্ডিং শীটটা হাতে করে তুলে ধরলেন। “এই দেখুন, কুড়ি হাজার অবধি কার্বনডাই অক্সাইডের ইনফ্রারেড রেডিয়েশন আমরা ঠিক ঠিক রেকর্ড করতে পেরেছি। কিন্তু তার ওপরে…”

    প্রফেসর ব্যানার্জী ঈষৎ বিরক্তি ভরা গলায় বললেন—“ও তো আগেও দেখেছি। কিন্তু কেন এরকম হচ্ছে সেটা না বের করতে পারলে তো ছাত্রদের কাছে মুখ

    দেখাতে পারব না।”

    প্রফেসর হালদার অটোমেটিক রেকর্ডারটার পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা স্পেকট্রো-মিটারের কাছে গিয়ে বললেন “আপনি শুধু তো অটোমেটিক রেকর্ডারটা নিয়েই পড়েছেন। স্পেকট্রোমিটারেও যে কোন গণ্ডগোল থাকতে পারে সে কথা একবার ভেবে দেখেছেন?”

    স্পেকট্রোমিটারটা প্রেসিডেন্সী কলেজের কয়েকজন ফিজিক্সের প্রফেসরের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তৈরি। বলছি বটে স্পেকট্রোমিটার কিন্তু সে বোধহয় যন্ত্রটার কোন নাম কেউ রাখেনি বলেই। সাধারণ স্পেকট্রোমিটার মাপে সাদা আলোর বর্ণালীচ্ছটা, আর এ স্পেকট্রোমিটার মাপত আলোর রেডিয়েশন। অবজারভেটরি টাওয়ারে বসানো বিরাট লেন্সের ওপর সূর্যের আলো এসে পড়ত। তারপর একগাদা প্যারাবোলিক লেন্স আয়না ইত্যাদির মধ্যে দিয়ে এসে পড়ত স্পেকট্রোমিটারের ভেতর। সেখান থেকে আলোটা আবার নানান ভাবে পরিশোধিত হয়ে শুধু ইনফ্রারেড আলো গিয়ে পড়ত অটোমেটিক রেকর্ডারটার ওপর। অটোমেটিক রেকর্ডার আবার তখন সেই ইনফ্রারেড আলোর পরিমাপ করত।

    বলাই বাহুল্য স্পেকট্রোমিটারের কোথায় গণ্ডগোল তা বের করতে কমসেকম তিন চারদিন সময় লাগবে বলেই প্রফেসর ব্যানার্জী ওটাতে হাত দেন নি।

    তবুও আর কোন রাস্তা না পেয়ে দুই প্রফেসর মিলে তন্ন তন্ন করে স্পেকট্রোমিটারটা তিনদিন ধরে চেক করলেন।

    তিন দিনের দিন বিকেলবেলা শেষ বল্টুটা এঁটে দিয়ে প্রফেসর ব্যানার্জী অ্যাপ্ৰণে মুখের ঘাম মুছতে মুছতে উঠে দাঁড়ালেন।

    “না। কোথাও কোন গণ্ডগোল নেই! তবুও কেন যে…।”

    প্রফেসর হালদার একটা খাতায় কি সব হিসেব করছিলেন। খাতাটা আর কলমটা টেবিলের ড্রয়ারে ঢুকিয়ে রাখতে রাখতে বললেন—“ছাড়ুন তো। কালকে চ্যান্সেলরকে বললেই হবে যে ওটা আর কাজ করছে না, কেন কাজ করছে না তা দেখার জন্য উনি বাইরে থেকে লোক নিয়ে আসুন। আমাদের আর মাথা ঘামিয়ে লাভ নেই, চলুন।”

    “হ্যাঁ চলুন, নিচের স্টাফরুম থেকে একটু রেডিও শুনে আসি। তিনদিন ধরে স্পেকট্রোমিটার ঘেঁটে মাথা ঝিম ঝিম করছে।”

    “রেডিও!” প্রফেসর হালদার খানিকক্ষণ হাঁ করে প্রফেসর ব্যানার্জির দিকে তাকিয়ে রইলেন। তারপর সম্বিং ফিরে পেয়ে বললেন, “এতবড় একটা খবর আর আপনি কিছু জানেন না।”

    “কই না! কেন, কি হয়েছে!”

    “কদিন ধরেই খবরের কাগজে এই নিয়ে এত হৈ চৈ হচ্ছে আর আপনি কিনা আজ আমায় জিজ্ঞেস করছেন কেন কি হয়েছে! আচ্ছা লোক মশাই আপনি!”

    “হেঁয়ালী না করে একটু ঝেড়ে কাশুন দিকি! কি হয়েছেটা কি?”

    “হবে আর কি, কদিন ধরে কোন অজানা কারণে পৃথিবীর সমস্ত রেডিও ব্যবস্থা বিকল হয়ে গেছে। পৃথিবীর তাবড় তাবড় রেডিও বিজ্ঞানীরা হাজার চেষ্টা করেও এর কোন কারণই খুঁজে পাচ্ছেন না। ফলে এই কদিন রেডিও শোনাটোনা বন্ধ হয়ে গেছে।”

    .

    প্রফেসর ব্যানার্জী ফিজিক্স বিল্ডিংয়ের ল্যাবোরেটরিতে বসে কিসব হিসেব নিকেশ করেছিলেন, প্রফেসর হালদার দরজা ঠেলে ধরে এসে ঢুকলেন। “সত্যি মশাই, আপনাকে নিয়ে আর পারা গেল না। কলেজ শুদ্ধ লোক ডক্টর হরিহরণের বক্তৃতা শোনার জন্য লাফালাফি করছে, আর আপনি এখানে বসে আছেন?”

    “ডক্টর হরিহরণটা আবার কে?”

    প্রফেসর ব্যানার্জীর প্রশ্নটা শুনে প্রফেসর হালদার হাঁ করে খানিকক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। তারপর ধপাস করে একটা খালি টুলে বসে পড়লেন।

    “এতো দেখছি আচ্ছা পাগলের পাল্লায় পড়া গেছে। ডঃ হরিহরণ কে সে খবরও আপনি রাখেন না। আরে মশাই! ডঃ হরিহরণ আগের বছর অ্যাসট্রোফিজিক্সে গবেষণার জন্য নোবেল প্রাইজ পেয়েছিলেন। এবার থেকে খবরের কাগজ-টাগজগুলো একটু পড়া আরম্ভ করুন। নইলে শেষকালে কোনদিন লোক হাসাবেন। নিন উঠুন।”

    প্রফেসর ব্যানার্জী উঠে দাঁড়ালেন বটে কিন্তু যাবার কোন লক্ষণই দেখালেন না। প্রথমেই প্রশ্ন করলেন—“কিন্তু ওই সব লম্বা লম্বা বক্তৃতাগুলো আমাদের কি কোন কাজে লাগবে!”

    যখন দেখলেন প্রফেসর হালদার কোন জবাব দিলেন না তখন আবার বললেন—“মিছিমিছি ও সব থিওরির কচকচানি না শুনে এখানে বসে বসে সেদিনকার ওই অঙ্কটা কষে ফেললে হয় না?”

    প্রফেসর হালদার কোন জবাব না দিয়ে প্রফেসর ব্যানার্জীর কাছে উঠে গেলেন। তারপর ডান হাতটা ধরে হিড়হিড় করে টানতে টানতে কলেজের অডিটোরিয়ামের দিকে নিয়ে চললেন।

    প্রফেসর ব্যানার্জী অবশ্য দু একবার প্রতিবাদ জানবার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু যতবারই মুখ খুলতে গেছেন ততবারই প্রফেসর হালদার ওঁর দিকে এমন জ্বলন্ত

    চোখে তাকিয়েছেন যে ওর আর মুখ খোলার সাহস হয়নি।

    দুজনে মিলে যখন অডিটোরিয়ামে এসে ঢুকলেন তখন হল একেবারে কানায় কানায় ঠাসা। স্টুডেন্ট ইউনিয়নের পাণ্ডা নিরঞ্জন শর্মা দুটো সীট রেখে দিয়েছিল। সেই হাত নেড়ে দুই প্রফেসরকে ডাকল। দুজনে গিয়ে সীটে বসতে বলল—“ডক্টর হরিহরণ এক্ষুণি এসে পৌঁছলেন। ওঁর বক্তৃতা আরম্ভ হতে খানিকক্ষণ দেরি হবে। কিন্তু সীট ছেড়ে কোথাও যাবেন না। আমায় অনেক কষ্টে এ দুটো যোগাড় করতে হয়েছে,” বলে নিরঞ্জন চলে গেল।

    হলের তুমুল হট্টগোলের ভেতর দশ মিনিট বসে থাকার পর ডক্টর হরিহরণ মঞ্চে এসে ঢুকলেন। পেছনে ভাইস চ্যান্সেলর সুনীত সেন আর ইউনিয়নের পাণ্ডা নিরঞ্জন শর্মা।

    শেষোক্ত দুজনের ধন্যবাদ জ্ঞাপনটাপন হয়ে যেতে ডক্টর হরিহরণ কোনরকম ধানাইপানাই ছাড়াই বক্তৃতা আরম্ভ করলেন।

    তাঁর বক্তব্য ছিল তাঁরই নবাবিষ্কৃত হরিহরণ এফেক্ট।

    হরিহরণ এফেক্ট কি, এবং তার স্বপক্ষে কি কি প্রমাণ আছে, বোঝাতে ডক্টর হরিহরণ যে সমস্ত লম্বা লম্বা থিওরী এবং ফরমূলা উত্থাপন করলেন সে সব শুনে কলেজের ছাত্রদের তো কোন ছার, এমনকি বড় বড় অ্যাসট্রোফিজিক্সের প্রফেসরদেরও বুদ্ধিশুদ্ধি তালগোল পাকিয়ে যেতে লাগল।

    ডক্টর হরিহরণ মূল বক্তব্যের শেষে ছোটখাট একটি বোমা ফেললেন অডিটোরিয়াম ভর্তি জনতার ওপর। বললেন, “হরিহরণ এফেক্ট ব্রহ্মাণ্ডের একটি বিশেষ অবস্থা যখন ব্রহ্মাণ্ডে কুচকে ছোট হয়ে যেতে থাকে। ব্রহ্মাণ্ডের কয়েকটি অংশে আমি এই পরিবর্তন লক্ষ্য করেছি, আর আমাদের সৌরমণ্ডলের গ্রহগুলোর আচার ব্যবহার লক্ষ্য করে স্থির সিদ্ধান্তে এসেছি যে আমরা ব্রহ্মাণ্ডের যে অংশে বাস করছি সে অংশটুকুতে এ বিশেষ অবস্থা দেখা দিয়েছে কয়েক বছর আগে থেকে।”

    ডক্টর হরিহরণ থামার পর বেশ কিছুক্ষণ সব নিস্তব্দ বইল, তারপর হঠাৎ পেছনের সীট থেকে বিখ্যাত গণিতজ্ঞ ডক্টর অজিতেশ আগরওয়ালা লাফিয়ে উঠলেন, “আপনি কি ইয়ার্কির আর জায়গা পাননি! যদি আপনার কথা সত্যি হয় তাহলে আপনার ফরমূলা অনুযায়ী আমরা এত ছোট হয়ে গেছি যে অণুবীক্ষণ ছাড়া আমাদের দেখা যাবে না! বলুন একি সম্ভব!”

    হল শুদ্ধু লোকের দৃষ্টিটা ডক্টর আগরওয়ালার মুখের ওপর থেকে ডক্টর হরিহরণের মুখের ওপর আর একবার গিয়ে পড়ল।

    ডক্টর হরিহরণ ঠাণ্ডা সংযত গলায় বললেন, “হতে পারে, বলা যায়। সবই সম্ভব।”

    ক্যাণ্টীনে বসে খেতে খেতে প্রফেসর ব্যানার্জী ডক্টর হরিহরণের এফেক্টের ওপর লেখা কতকগুলো কাগজপত্র দেখছিলেন। বয় এসে চায়ের কাপটা দিয়ে যেতে মুখ তুলে তাকালেন।

    প্রফেসর হালদার চিংড়ির কাটলেটে একটা কামড় দিতে দিতে বললেন— “কি হল, কিছু বোঝা গেল?”

    প্রফেসর ব্যানার্জী চায়ের কাপটা টেনে নিয়ে বললেন “হ্যাঁ, কিন্তু ডক্টর হরিহরণের থিওরী অ্যাপ্লাই করতে গেলে সৌরমণ্ডলের চেহারাটা অসম্ভব ছোট হয়ে পড়ে। এত ছোট কি..?”

    হঠাৎ কি একটা মনে পড়তে প্রফেসর ব্যানার্জী তড়াক করে সোজা হয়ে বসলেন। “আচ্ছা প্রফেসর হালদার, হরিহরণ এফেক্ট কি শুধু ম্যাটারকে এ্যাফেক্ট করে, না এনার্জিকেও করে?”

    “না, এনার্জির ওপর হরিহরণ এফেক্ট দেখা দেয় না, শুধু ম্যাটারই এর দ্বারা এ্যাফেক্টেড হয়। কিন্তু হঠাৎ একথা?”

    প্রফেসর ব্যানার্জীর মুখের ওপর চোখ পড়তে মাঝপথেই থেমে গেলেন প্রফেসর হালদার। প্রফেসর ব্যানার্জীর চোখ মুখ দিয়ে যেন আনন্দ উপছে পড়ছে।

    “পেয়েছি! পেয়েছি!” প্রফেসর ব্যানার্জী শুধু লাফিয়ে উঠতেই বাকি রাখলেন। “প্রফেসর হালদার, শুনতে চান কেন পৃথিবীর সমস্ত রেডিও স্টেশন আজ বিকল?” প্রফেসর ব্যানার্জী উত্তেজনায় প্রঃ হালদারের হাতের কাজটা বজ্রমুষ্টিতে চেপে ধরেন—“শুনবেন কেন আমরা ২০,০০০ আর্মষ্ট্রঙ্গের বেশী রেডিয়েশন রেকর্ড করতে পারি নি?”

    আঙুল দিয়ে নিজের ঝোল মাখানো প্লেটের ওপর একটা গোল্লা আঁকলেন ডক্টর ব্যানার্জী।

    “এই দেখুন। মনে করুন এটা আমরা ব্রহ্মাণ্ডের যে অংশে বাস করছি সেইটার বাউণ্ডারী। এখন এই বাউণ্ডারী যত কুঁচকে ছোট হয়ে আসবে ততই বাউণ্ডারীর ভেতরের জিনিসগুলোও কুঁচকে ছোট হয়ে আসবে। কিন্তু হরিহরণ এফেক্ট এনার্জির ওপর খাটে না বলে এনার্জিগুলো ছোট হবে না। এবং যেহেতু বাউণ্ডারীর চাইতে বড় কিছুর অস্তিত্ব সম্ভব নয় সেই জন্য যে সমস্ত এনার্জির ওয়েভ লেংথ এই বাউণ্ডারীর দৈর্ঘের চেয়ে বড় তাদের অস্তিত্ব লোপ পাবে এই সীমারেখার চৌহদ্দির ভেতর থেকে।”

    উত্তেজনায় জোরে জোরে নিশ্বাস ফেলতে লাগলেন প্রফেসর ব্যানার্জী। প্রফেসর হালদার ভয় জড়ানো গলায় ধীরে ধীরে বললেন “সেই জন্যেই রেডিও ব্যবস্থা বিকল আর সেই জন্যই কুড়ি হাজারের ওপর কোন রেডিয়েশন রেকর্ড করতে পারি নি। কিন্তু তার মানে দাঁড়ায় আমাদের আশেপাশের ব্রহ্মাণ্ডের আকার…!”

    “হ্যাঁ, প্রফেসর ব্যানার্জী প্রফেসর হালদারের মুখের কথাটা কেড়ে নিয়ে বললেন—“আমাদের ব্রহ্মাণ্ডের আকার এখন মাত্র ২০,০০০ আর্মষ্ট্রঙ্গ, অর্থাৎ—, গভীর উত্তেজনায় প্রফেসর ব্যানার্জীর গলার স্বর ঘসঘসে হয়ে এল।

    “—অর্থাৎ এক ইঞ্চির দশ ভাগের একভাগ!”

    একটা গোঁ গোঁ আওয়াজ করে প্রফেসর হালদার অজ্ঞান হয়ে গেলেন।

    দুঃস্বপ্নের শুরু এইখানে থেকেই। হরিহরণ এফেক্ট সাধারণ মানুষের জীবনের সঙ্গী হল আর কয়েকদিন বাদে।

    হরিহরণ এফেক্ট অনুযায়ী ব্রহ্মাণ্ড কুঁচকে ছোট হতেই থাকল এবং সেই সঙ্গে একটা একটা এনার্জির অস্তিত্ব লোপ পেতে থাকল।

    ইনফ্রারেড আগেই গিয়েছিল, এরপর ডাক এল সাধারণ নীল আলোর—কমপ্লট স্পেকট্রামে যার স্থান ইনফ্রারেডের পরেই।

    এর ফল—একদিন সকালে সারা দুনিয়া শুদ্ধু লোক তাজ্জব হয়ে দেখল তাদের বাগানের সব তাজা গোলাপগুলোর রঙ এক রাত্তিরেই কোন মায়াবীর খেলায় কালো হয়ে গেছে। দুনিয়া শুদ্ধু মেয়েরা সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে প্রসাধন করতে গিয়ে আঁতকে উঠে দেখল তাদের ঠোঁটে কে যেন কালো কালির প্রলেপ লাগিয়ে দিয়েছে। যারা কল কারখানায় কাজ করতে গিয়ে হাত কেটে ফেলল, তারা সভয়ে লক্ষ্য করল তাদের ক্ষতস্থান দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে কালিবর্ণ কি এক তরল পদার্থ।

    সমস্ত দেশের সরকারই কিন্তু ব্যাপারটাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলেন। সরকারী আদেশ মতো মুখ বন্ধ না করে হরিহরণ এফেক্ট দিয়ে এই সমস্ত অদ্ভুত ঘটনার ব্যাখ্যা করতে গেলেন যে সমস্ত বিজ্ঞানী তাদের হয় কাজ থেকে বহিষ্কৃত আর নয় তুচ্ছ কারণে গৃহবন্দী করা হল। সরকারী ধামাধরা কয়েকজন বৈজ্ঞানিক আর উচ্চপদস্থ অফিসার রিপোর্টারদের কাছে জবানবন্দী দিতে লাগলেন গোটা জিনিসটাকে একটা “সাময়িক পরিবর্তন” বলে, ফলে পৃথিবীর লোক আরও কিছুদিন নিশ্চিন্ত হয়ে ঘুমিয়ে নিল। হরিহরণ এফেক্ট অনুযায়ী সঙ্কোচনের গণ্ডি আরো দ্রুত হতে লাগল।

    এবারে ডাক এল হলুদ আর কমলার। গাঁদা ফুল গোলাপের পদাঙ্ক অনুসরণ করল। যুঁই গাছের ফুলের সঙ্গে পাতার রঙের কোন পার্থক্য রইল না। চিড়িয়াখানার বাঘ সিংহগুলোর রঙ মসীলিপ্ত হয়ে গেল। রেসের মাঠে সবুজ ঘোড়া দেখবার জন্য ভীড় উপচে পড়তে লাগল। যে সব সুন্দরীরা সোনালী চুলের গর্ব

    করত তাদের চুলের রঙও আর পাঁচটা মেয়ের মতো হয়ে গেল। আর…

    আর একদিন বিশ্ববাসী বিস্ফারিত দৃষ্টি মেলে দেখল দূরের আকাশ বেয়ে উঠে আসছে একটা সবুজ রঙের সূর্য।

    আর ব্যাপারটা গোপন রাখা গেল না। পৃথিবী জুড়ে আন্দোলনের ঢেউ বয়ে গেল। নানা তর্কের ঝড় উঠল। এবং শেষ পর্যন্ত জনমতের চাপে পড়ে পৃথিবীর সমস্ত সরকারকে একজোট হয়ে হরিহরণ এফেক্টকে সমগ্র মানবজাতির প্রতি একটা বিপদের সূচনা বলে স্বীকার করতে হল।

    তারপরেও অনেক তর্কাতর্কি অনেক আলোচনার পর যখন ঠিক করা হল যে হরিহরণ এফেক্টের আবিষ্কর্তা ডক্টর হরিহরণকে কিছু বলতে অনুরোধ করা হবে, তখন পৃথিবীর নীলাকাশের বুক থেকে নীল রঙের সূর্য পৃথিবীর কালো রঙের গাছপালার ওপর অদ্ভুত নীল আলো ঝরিয়ে চলেছে।

    প্রথমে ঠিক করা হয়েছিল যে ডক্টর হরিহরণ দিল্লীতে বক্তৃতা দেবেন কিন্তু যাবার পথে বিরাট জনতার ভীড় থেকে তাকে রক্ষা করা অসম্ভব বুঝেই সরকার কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে তার বলার ব্যবস্থা করলেন।

    নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে করতেই কেটে গেল আরো কয়েকটা দিন। ইতিমধ্যে অবস্থার আরো অবনতি ঘটল। জনতা এত ক্ষিপ্ত হয়ে উঠল যে নিরাপত্তার ব্যবস্থা অসম্পূর্ণ রেখেই ডক্টর হরিহরণকে ইডেন গার্ডেনসে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা হল।

    প্রঃ ব্যানার্জী ও প্রঃ হালদারও গেলেন।

    ডক্টর হরিহরণের আসার কথা ছিল সন্ধ্যে সাতটায়। সাতটা দশ থেকেই জনতার মধ্যে একটা অস্বস্তি একটা ছটফটানি দেখা দিল। সাতটা কুড়ি নাগাদ সেটা একটা কলরব এবং সাড়ে সাতটা নাগাদ একটা তুমুল হট্টগোলে পরিণত হল। মাঝে মাঝে দুটো একটা করে চটি, পচা আনাজ ইত্যাদি মাঠের ওপর আছড়ে পড়তে লাগল। আর কিছুক্ষণ চললে কি হত বলা যায় না। কিন্তু হঠাৎ বাইরে জনতার নির্ঘোষ শোনা গেল এবং তার কিছু পরেই বড় বড় ফ্লাডলাইটের নীল আলোর তলা দিয়ে হেঁটে সেই বহু প্রতীক্ষিত মানুষটি মঞ্চের ওপর গিয়ে উঠলেন।

    জনতা তুমুল উল্লাসে ফেটে পড়ল। কিছুক্ষণ ধরে করতালির আওয়াজে ঢাকা পড়ে গেল সব কিছুর আওয়াজ। তারপর উচ্ছ্বাস থেমে যেতে মাইক্রোফোনে ডক্টর হরিহরণের গলার আওয়াজ গমগম করে উঠল,

    “ভদ্রমহোদয়গণ! আমাকে ডাকা হয়েছে হরিহরণ এফেক্ট সম্বন্ধে আরো কিছু জানাতে। আমি আমার বক্তৃতা আরম্ভ করছি কতকগুলো চিঠির জবাব দিয়ে। প্রথম চিঠিটি পাঠিয়েছেন লন্ডন থেকে একজন ভদ্রমহিলা। ইনি লিখেছেন যে, সমস্ত রেডিও স্টেশন বিকল হয়ে পড়ার ফলে বিবিসি থেকে তাঁর স্বামীর চাকরি গেছে। ইনি জানতে চেয়েছেন যে, রেডিও স্টেশনগুলো আবার চালু হবার কোন সম্ভাবনা আছে কিনা। এর উত্তর হল যে, রেডিও স্টেশনগুলোর কোনদিন চালু হবার কোন সম্ভাবনাই নেই।”

    যে জনতা এতক্ষণ আশা করে বসেছিল, সেই জনতার মধ্যে এবার শুরু হল নৈরাশ্যের গুঞ্জন। থেকে থেকে ভেসে এল সিটি, অশ্রাব্য গালাগাল আর বেড়ালের ডাক।

    প্রফেসর হালদার নিচু গলায় প্রফেসর ব্যানার্জীকে বললেন, “এরা এসেছিল আশার বাণী শোনার জন্যে। কিন্তু ডক্টর হরিহরণ এদের যে সমস্ত কথা শোনাচ্ছেন তাতে তো এদের নৈরাশ্য চরমে উঠে এরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠবে।”

    প্রফেসর ব্যানার্জী জবাবে শুধু মাথাটা ওপর নিচে বাঁকালেন। “ভদ্র-মহোদয়গণ,” সমস্ত আওয়াজ ছাপিয়ে ডক্টর হরিহরণের গলা ভেসে এল—“দ্বিতীয় চিঠিটি পাঠিয়েছেন জাপানের জনৈক ভদ্রলোক। তিনি জানতে চেয়েছেন এই পরিবর্তনের প্রতিকার আমাদের জানা আছে কিনা। উত্তর: না নেই।”

    জনতার মধ্যে প্রতিবাদের ঝড় আরো তীব্র হয়ে উঠল। কয়েক পাটি চটি মঞ্চের ওপর এসে পড়ল। গালিগালাজের তীব্রতা আরো বেড়ে গেল। কিন্তু তবুও সব কিছু অগ্রাহ্য করে ডক্টর হরিহরণ বলে চললেন, “আমার পাওয়া তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম চিঠিটি এসেছে যথাক্রমে পোল্যাণ্ড, বেলজিয়াম ও ব্রেজিল থেকে। এদের সবার মূল প্রশ্ন এক: অবস্থার কি উন্নতি ঘটবে? এই প্রশ্নের উত্তর: না, এ অবস্থার ক্রমেই অবনতি ঘটবে। সত্যি বলতে কি আর কিছুক্ষণের মধ্যেই পৃথিবীর বুক থেকে সব আলো চিরতরে মুছে যাবে।”

    ক্ষিপ্র জনতার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেল। যে হাতের সামনে যা পেল তাই নিয়ে কাটাতারের বেড়া ডিঙ্গিয়ে উন্মত্তের মতো মঞ্চের দিকে ছুটে চলল। মঞ্চ ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকা নিরাপত্তা বাহিনী রাইফেল উঁচিয়ে ধরল, দরকার হলে গুলি করবে।

    কিন্তু কিছুই হল না, প্রফেসর হালদার, প্রফেসর ব্যানার্জী, সবাই দেখল এক এক করে ফ্লাডলাইটগুলো নিভে যাচ্ছে।

    এক এক করে সমস্ত আলো নিভে যাবার পর, মাথার ওপরের বেগুনি চাঁদ আর টিমটিমে তারাগুলো অন্ধকার আকাশের বুকে মিলিয়ে যাবার পর, খানিকক্ষণ সমস্ত নিস্তব্ধ রইল। তারপর মাইক্রোফোনে আবার ভেসে এল ডক্টর হরিহরণের কণ্ঠস্বর—“মানব সভ্যতার এইখানেই ইতি। দুর্ভেদ্য এই অন্ধকারের ভেতরেই হবে তার কবর।”

    আবার নিস্তব্ধতা নেমে এল সমস্ত স্টেডিয়ামের ওপর। কতক্ষণ যে দুই প্রফেসর চুপ করে বসে রইলেন তার হিসেব তারা নিজেরাই ভুলে গেলেন। হঠাৎ প্রফেসর হালদারের ঘোর কেটে গেল, কানে ভেসে এল কয়েকটা গানের কলি—অন্ধকারেই কেউ গাইছে:

    অন্ধকারের অন্তরেতে অশ্রু বাদল ঝরে,

    কোথায় আলো কোথায় আলো, আকাশ ভরা কালোয় কালো।

    প্রফেসর হালদারের চোখের কোল বেয়ে দুফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ল।

    .

    প্রথম প্রকাশ: ফ্যানট্যাসটিক, এপ্রিল, ১৯৮২

    বিদেশী ছায়ায়

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রেত-প্রেয়সী – অদ্রীশ বর্ধন
    Next Article আদিম আতঙ্ক – অদ্রীশ বর্ধন

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }