Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেরা আশ্চর্য! সেরা ফ্যানট্যাসটিক (প্রথম পর্ব) – সম্পাদনা : অদ্রীশ বর্ধন

    লেখক এক পাতা গল্প464 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মন্দাবতীর জঙ্গলে • ক্ষিতীন্দ্রনারায়ণ ভট্টাচার্য

    দেশ ভ্রমণের বাতিক আমার কবে থেকে শুরু হয়েছিল তা এখন বলা কঠিন, তবে এটুকু বলতে পারি ভারতবর্ষের এমন অনেক জায়গায় আমার যাবার সুযোগ হয়েছে যা সাধারণ ট্যুরিস্টদের হয় না। এর কারণ, বেড়াতে গেলে কোথায় উঠব, কোথায় খাব, ঘুরবার জন্য গাড়ি জুটবে কিনা, দরকারের সময় গাইড মিলবে কিনা এ সব নিয়ে আমি কখনও মাথা ঘামাই নি। বিলাসবহুল বড় বড় শহর বা ঐতিহাসিক জায়গার চাইতে লোকচক্ষুর আড়ালে প্রকৃতির বুকে যে সব আশ্চর্য সৌন্দর্য এখানে সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে তার প্রতিই আমার আকর্ষণটা বেশি। এজন্য এমন অনেক অজ-পাড়াগাঁয়ে অজানা-অচেনা বনজঙ্গলে আমি ঘুরে বেড়িয়েছি যার নামও কেউ কখনও শোনেনি। আসল কথা, ছুটি পেলেই আমি লোটাকম্বল নিয়ে বেরিয়ে পড়ি; সব সময় যে কোন নির্দিষ্ট গন্তব্য স্থান ঠিক করা থাকে তাও নয়। কিন্তু তাতে আমার ভ্রমণে কোন অসুবিধা হয় না।

    এবার কিন্তু একটা নির্দিষ্ট জায়গায় যাব বলেই বেরিয়েছিলাম। আর, ঠিক একা রওনা হইনি, আমার সঙ্গী ছিল আমার বাল্য বন্ধু কপিল। কপিলই একদিন খবর দিল তার কোন্‌ এক পিসতুত দাদা মধ্যপ্রদেশের কোন্ এক জঙ্গলে ফরেস্ট অফিসার হয়ে চলে গেছেন। ভদ্রলোক বিয়ে টিয়ে করেন নি, একা একাই থাকেন। মাঝে মাঝে এই নিঃসঙ্গ জীবন যখন ভালো লাগে না তখন আত্মীয়স্বজনদের কাউকে দিন কয়েক তাঁর ওখানে কাটিয়ে যাবার জন্য অনুরোধ জানান। কিন্তু ঐ বন্য পরিবেশের কথা শুনে কেউ বড় একটা যেতে চায় না। কপিলকেও লিখেছিলেন। সেও একা একা যাবার ভরসা পাচ্ছিল না। হঠাৎ আমার কথা মনে পড়ায় আমার কাছে এসে প্রস্তাব করেছিল, আমি গেলে সেও একবার যেতে পারে।

    আমার কাছে বলা বাহুল্য, এ এক অভাবিত প্রস্তাব। কাজেই আমি যে সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যাব এ কথাও বোধ হয় বলার দরকার করে না। কপিলকে বললাম, ‘আজই লিখে দে, আমরা যাচ্ছি। মালপত্র সঙ্গে বেশি নেবার দরকার নেই। যত হাল্কা হয় ঘোরার পক্ষে ততই ভালো। পিঠে একটা বড় দেখে ন্যাপ্সাক, তার মধ্যেই বাতাসপোরা বিছানা-বালিস আর ২-৪টে জামা কাপড় ভরে নিলেই চলবে। আর হাতে একটা অ্যাটাচি কেসে এটা ওটা দরকারী খুঁটিনাটি জিনিস।

    ব্যাস এই যথেষ্ট।’

    যথা সময়ে আমরা দু’বন্ধু মন্দাবতীর জঙ্গলে এসে হাজির হলাম। যেমনটা ভেবেছিলাম তার চাইতে এটি অনেক দুর্গম জায়গা। দণ্ডকারণ্য পার হয়ে আরও বহুদূরে গভীর জঙ্গলের মধ্যে এক ফরেস্ট বাংলোয় ডেরা বেঁধেছেন কপিলের দাদা ভগীরথবাবু। কপিল অবশ্য তাঁকে রাঙাদা বলে ডাকে, আমিও সেই সুবাদে তাকে রাঙাদা বলেই বলব। রাঙাদা অবশ্য আমাদের জন্য একটা ট্রাক পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু সেই ট্রাকে করে শতাধিক কিলোমিটার পথ পার হয়ে গায়ে দস্তুর মতো ব্যথা ধরে গেল। আমার তবু অভ্যাস আছে, কপিল একেবারে যেন নেতিয়ে পড়ল। কিন্তু বাংলোয় পৌঁছে দু’জনেই চমকে উঠলাম।

    ভারতের বহু জায়গা ঘুরেছি আমি, প্রকৃতির সমারোহও কম দেখি নি। কিন্তু এ যেন একটা আলাদা জগৎ। পাশ দিয়ে কুলু কুলু করে বয়ে চলেছে একটা নদী। এরই নাম মন্দাবতী, আর এরই নাম থেকে এখানকার অরণ্যের নাম হয়েছে মন্দাবতীর জঙ্গল বা অরণ্য। নদীতে জল বেশি নেই, কিন্তু স্রোত প্রবল। জলের মধ্যে এখানে ওখানে ছড়িয়ে রয়েছে বড় বড় পাথরের চাঁই। নদীর জল তার ওপর আছড়ে পড়ে কোথাও ছড়িয়ে পড়ছে ফোয়ারার মতো আবার কোথাও বা সৃষ্টি করছে ছোট ছোট জলপ্রপাত। নদীর ওপারেই গহন অরণ্য। বিরাট বিরাট বনস্পতি ঘেঁষা ঘেঁষি করে দাঁড়িয়ে জায়গাটাকে প্রায় দুর্ভেদ্য করে রেখেছে।

    রাঙাদা বললেন, ‘আগে একটু জলটল খেয়ে জিরিয়ে নাও, তারপর বরঞ্চ একটু বেড়িয়ে আসা যাবে। সঙ্গে থাপাকে নেব, ও বন্দুক নিয়ে সঙ্গে-সঙ্গে যাবে। জাতে নেপালী তো। একসময়ে লড়াইতেও গিয়েছিল। বন্দুক চালাতেও খুব ওস্তাদ। তবে এখানে ও জিনিসটার বড় একটা দরকার হয় না।’

    ‘কি রকম?’আমি প্রশ্ন না করে পারলাম না।

    রাঙাদা বললেন, ‘প্রায় ৮/৯ মাস তো এখানে আছি। কোনদিন কোনও হিংস্র জন্তু চোখে পড়ে নি। কি কারণে ওরা এ জঙ্গল ত্যাগ করেছে ভেবে পাই না। একটু সামনেই দেখবে একটা জায়গায় কেমন খাদের মতো একটা গর্ত হয়েছে, যেখানে নদীর জল এসে জমে থাকে, চট্‌ করে বেরিয়ে যায় না। এখানকার যত বুনো জানোয়ার, সন্ধ্যা হলেই তারা একে একে ওখানে আসে জল খেতে। নানা জাতের হরিণ, বনগরু, শেয়ালটেয়াল তো আসেই, বানরও কম আসে না। ও জায়গাটায় বানরের খুব আনোগোনা দেখেছি। ছোট-বড় নানা জাতের বাঁদর যাদের সবগুলোর নাম আমি জানি না। কিন্তু রোজই ওরা আসে। হাতিটাতি দূরের কথা, বাঘটাগ কিংবা ভালুকটালুক থাকলে নিশ্চয়ই তাদেরও দু’একটার দেখা পাওয়া যেত, আর অন্য জানোয়ারগুলোও সতর্ক হত, কিন্তু সে রকম এখনও দেখিনি। তাই মনে হয় তেমন হিংস্র জন্তু এখানে নেই বললেই চলে। একবার শুধু একটা বুনোশুয়োর দেখেছিলাম। কিন্তু দলে ভারি থাকায় অন্য জানোয়ারগুলো তাকে তেমন তোয়াক্কা করেনি।’

    রাঙাদার কথায় ভরসা পেয়ে সেদিনই আমরা তাঁর সঙ্গে বেড়াতে বেরিয়েছিলুম। অবশ্য থাপা বন্দুক নিয়ে সঙ্গে-সঙ্গে ছিল। যতই নিরাপদ মনে হোক, জঙ্গল জঙ্গলই। কখন কোন্ দিক্‌ থেকে বিপদ এসে পড়ে কে বলতে পারে?

    কিন্তু দিন কয়েক বেড়িয়েই আমাদের ভয় একদম ভেঙ্গে গেল। শেষে আমি কপিলকে নিয়ে অনেক সময় নিজেরাই বেরিয়ে পড়তাম, রাঙাদা বা থাপার ভরসায় না থেকে। অত বড় আর এত গহন বন আমি এর আগে আর কখনও দেখিনি। তাই যাবার সময় ভালো করে নিশানা রেখে রেখে চলতে হত পথ হারাবার ভয়ে। রাঙাদা অবশ্য প্রায়ই সাবধান করে দিতেন।

    অনেক নতুন নতুন গাছ। সেগুন গাছ খুব বেশি। শাল, পিয়াল, শিশু এসব গাছও কম নয়। তা ছাড়া বিরাট বিরাট ঝুরি নামানো বট, অশ্বথ, পাকুড় কী নেই? বুনো আম, বুনো জাম, আরও কত নাম-না জানা বুনো দলের গাছও চোখে পড়ত। শুধু তাইই নয়। নানা রকম জীবজন্তু-ও যখন তখন সামনে দিয়ে দৌড়ে চলে যেত। বিশেষ করে হরিণ আর বানর।

    রাঙাদার কাছে একদিন শুনলাম এহেন গভীর জঙ্গলে এখনও কিছু কিছু জংলী মানুষও নাকি বাস করে। তারা লোকালয়ে বড় একটা আসতে চায় না। দু’একজন নৃতত্ত্ববিদ্‌ ওদের সম্বন্ধে খোঁজ নেবার চেষ্টা করেন নি এমন নয়। কিন্তু খুব যে বেশি তথ্য যোগাড় করতে পেরেছেন এমন মনে হয় না। তবে এটুকু জানা গেছে যে জংলী হলেও এরা খুব নিরীহ জাতের মানুষ, কিছুটা ভীতুও বলা চলে। চাষবাসেরও ধার ধারে না। বুনো ফলমূল, কন্দ জাতীয় খাবার এখানে অঢেল পাওয়া যায়। তাই খেয়েই এদের দিন চলে। তবে সুযোগ পেলে পাখিটাখি বা হরিণটরিণও যে ধরে খেতে ছাড়ে না এমন নয়।

    সেদিন কপিলকে নিয়ে বেরিয়েছিলাম, আর বলতে কি বনের মধ্যে একটু বেশি দূরেই ঢুকেপড়েছিলাম। হঠাৎ মনে হল গাছের এক ডাল থেকে আর এক ডালে একটা অদ্ভুত জন্তু চলে গেল। জন্তুটার মুখ দেখে মানুষ বলেই প্রথমটা মনে হয়েছিল, কিন্তু একটু পরেই দেখলাম পেছনে লম্বা লেজ রয়েছে আর পা দিয়ে গাছের ডাল যে ভাবে আঁকড়ে ধরে চলে গেল তাতে বাঁদর জাতীয় জীব ছাড়া আর কিছু ভাবা যায় না ওকে।

    কী হতে পারে জন্তুটা? এর নামও তো কোন দিন শুনি নি!

    বাংলোয় ফিরে এসে রাঙাদাকে খবরটা দিতেই তিনি তো হতবাক্‌। ‘বলিস

    কি রে, এতদিন এখানে আছি, ও রকম কোন জন্তু তো কোন দিন দেখি নি। বলছিস বাঁদরের মতো পা, বাঁদরের মতো লেজ, কিন্তু মুখটা ঠিক মানুষের মতো। এ যে তাজ্জব ব্যাপার। মিসিং লিঙ্ক নাকি?’

    এরপর আমাদের ঝোঁক চাপল যে করে হোক জন্তুটাকে খুঁজে বার করতে হবে। জঙ্গলের ভিতর অনেকটা ঢুকতে হবে ঠিকই, কিন্তু আমি তো আগেই বলেছি, যখনই জঙ্গলের মধ্যে ঢুকি উপযুক্ত নিশানা রেখে যাই যাতে পথ হারাবার ভয় না থাকে। কাজেই ঐ ভাবেই আবার সেই জঙ্গলের গভীরে গিয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করলাম।

    কিন্তু না, গোটা কয়েক বনমোরগ আর হরিণ ছাড়া কিচ্ছু চোখে পড়ল না। কিন্তু আমি নাছোড়বান্দা। একবার যখন চোখে পড়েছে তখন আর একবার তাকে খুঁজে বার করতেই হবে। আমার চোখে দৃষ্টিবিভ্রম হলেও কপিলের চোখেও কি তাই হবে? কাজেই যা দেখেছি নিশ্চয়ই ভুল দেখিনি।

    পরদিন আবার বেরুলাম। কিন্তু সেদিনও হতাশ হয়ে ফিরতে হল।

    এইভাবে পর পর দিন চারেক কাটাবার পর কপিল যখন হতাশ হয়ে অনুসন্ধান বন্ধ করবার প্রস্তাব করল, তখন আমার রোখ আরও চেপে গেল। বললাম, ‘তুই যাস না যাস, আমি একাই যাব।’

    রাঙাদাও সায় দিয়ে বললেন, ‘না না, সত্যি যখন ও রকম অদ্ভুত একটা জানোয়ার চোখে পড়েছে বলছ তখন ভালো করে খুঁজে দেখা দরকার বই কি! আজ আমার একটু কাজ আছে, কাল সবাই একসঙ্গে বেরুব। থাপাকেও নিয়ে যাব। একটু সাবধান হওয়া ভালো।’

    গভীর জঙ্গল ভেদ করে চলেছি। আগে আগে বন্দুক হাতে থাপা, তার পেছনে আমি আর কপিল, রাঙাদা চলেছেন সবার পিছে। সকলেরই চোখে সতর্ক দৃষ্টি। দেখতে দেখতে জঙ্গল আরও ঘন হয়ে এল। এবার আর পথ করে যাওয়া সহজ নয়। রাঙাদার হাতে একটা মস্ত ভোজালির মতো অস্ত্র। দরকার মতো এগিয়ে এসে তিনি গাছের ডাল কেটে কেটে পথ পরিষ্কার করে দিচ্ছেন। কিন্তু তবু যতই এগোচ্ছি ততই মনে হচ্ছে আর বোধ হয় এগোনো যাবে না। রাঙাদা এখানকার ফরেস্ট অফিসার, তাঁর অন্ততঃ তল্লাটের নাড়ী নক্ষত্র জানা উচিত ছিল। কিন্তু না, তিনিও জানতেন না যে বন এত দূর পর্যন্ত চলে এসেছে আর এত ঘন হয়ে। বনরক্ষীরা কখনও এদিককার কোন হদিস দেয়নি। তারাও হয়তো ভেবেছিল ওদিকে এমন আর কিছু নেই যা সরকারের দিক দিয়ে ভালো করে সার্ভে করা দরকার। রাঙাদার আগে তাঁর জায়গায় যিনি ছিলেন তিনি এক অ্যাংলো ইন্ডিয়ান। এ সব দিকে নজর দেওয়ার চাইতে কোন জায়গায় মহুয়া গাছ আছে তার থেকে

    ভালো মদ পাওয়া যেতে পারে সেই সব দিকেই নাকি তাঁর উৎসাহ ছিল বেশি।

    ‘এ সব জায়গায় হিংস্র প্রাণী থাকাও অসম্ভব নয়’ আমি মন্তব্য করলাম। রাঙাদা উত্তরে বললেন, ‘হ্যাঁ, সম্ভব তো সব কিছুই; তবে কথা হচ্ছে হিংস্র প্রাণীদেরও তো প্রয়োজনীয় খাদ্য থাকা দরকার। অর্থাৎ তাদের সঙ্গে কিছু দুর্বলতর প্রাণীও না থাকলে বেচারারা তো না খেয়েই মারা যাবে।’

    রাঙাদার কথা শেষ হতে না হতে হঠাৎ কাছের একটা গাছের ওপর থেকে কিচ্‌ কিচ্‌ শব্দ শোনা গেল। তাকিয়ে দেখি চার পাঁচটা বাঁদর অবাক চোখে আমাদের দেখছে। বোধ হয় ও রাজ্যে আমাদের মতো বিচিত্র প্রাণী ওরা আগে দেখে নি বলেই ওদের কৌতূহল। কপিলকে একটু ঠেলা দিতেই সে বলল, ‘হ্যাঁ আমিও দেখেছি। ঠিক সেদিনকার মতোই লম্বা লেজ, তেমনি পায়ের গড়ন, মুখখানা তো বাঁদরের মতোই মনে হচ্ছে, মানুষের সঙ্গে কোন মিল আছে বলে তে মনে হচ্ছে না।’

    রাঙাদাও লক্ষ্য করলেন, ‘হ্যাঁ, এ জাতের বাঁদর এখানকার জঙ্গলে মাঝে মাঝে দেখা যায়। খুব বড় বড় চেহারা হয় এদের। ধাড়ি হনুমানের চেয়েও বড়। কিন্তু এগুলি এপ্‌ নয়, বাঁদরই। কি রকম লম্বা লেজ দেখছ না? এপ্‌ যাকে তোমরা বল বনমানুষ, তাদের তো আর লেজ হয় না, অবশ্য উল্লুকেরও লেজ নেই।’

    বলতে বলতে আমরা আর একটু এগিয়ে এসেছিলাম। এবার দেখা গেল বানরের সংখ্যা যত কম মনে করেছিলাম ততটা কম না, প্রায় সব কটা বড় বড় গাছেই দু-চারটে বসে আছে। আমাদের দেখে কিচ্‌ কিচ্‌ শব্দ করে এক ডাল থেকে অন্য ডালে লাফিয়ে পড়ছিল ওরা। লাফাবার সময় পায়ের আঙুল দিয়ে অনায়াসে গাছের ডাল আঁকড়ে ধরতেও কোন অসুবিধা হচ্ছিল না ওদের। ‘একটা ফটো নেওয়া দরকার।’ বলে রাঙাদা তাঁর ক্যামেরাটা বার করলেন আর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই অনেক দূর থেকে কে যেন ইংরেজীতে চেঁচিয়ে উঠল,‘ডোন্ট ডিস্টার্ব দেম, ডোন্ট ডিস্টার্ব।’ ওদের বিরক্ত কর না।

    তাজ্জব কাণ্ড! এখানে আবার ইংরেজীতে কথা বলে কে? আর এই সংরক্ষিত বনে রাঙাদার অজ্ঞাতে কোন লোক, শিক্ষিত নিশ্চয়ই, এল কী করে? তবে কি কোন শিকারী লুকিয়ে শিকার করতে এসেছে? শিকারী হলে তার আবার মায়া কেন এত? নাঃ ব্যাপারটা দেখতে হচ্ছে। থাপা এবার বন্দুক উঁচিয়ে ধরে তাড়াতাড়ি শব্দস্থল লক্ষ্য করে যতটা সম্ভব দ্রুত পায়ে এগোতে লাগল। আমরাও সমান তাল রেখে তাকে অনুসরণ করলাম। এবারে আবার এক অবাক কাণ্ড। ঘন জঙ্গলের মধ্যে খানিকটা জায়গা ছোট্ট একটা টিলার মতো উঁচু হয়ে আছে। তার আশপাশে কোন জঙ্গল নেই, থাকলেও কেউ তা কেটে পরিষ্কার করে নিয়েছে। সেই টিলার ওপর ছোট্ট একটা কাঠের বাড়ি, মাথায় ঢালু চাল। দেখলেই বোঝা যায় বুনোদের তৈরি নয়, দস্তুর মতো পাকা হাতের তৈরি। ঘরে বাতাস চলাচলের জন্য বড় বড় জানালা বসানো, তাতে কাঠের গরাদ আঁটা। আর, তার চেয়েও আশ্চর্য সেই জানালায় পর্দা ঝুলছে, ফুর ফুর করে উড়ছে হাওয়ায়।

    আমরা কাছাকাছি যেতেই দেখলাম ঘরের সামনেকার ফাঁকা জায়গায় দাঁড়িয়ে শার্ট আর ট্রাউজার পরা একটা লোক হাত-পা নেড়ে অনুরূপ পোশাক পরা কয়েকটি লোককে কি যেন বোঝাচ্ছেন। চেহারা দেখে বোঝা গেল এঁরা সকলেই বিদেশী এবং শ্বেতাঙ্গ। অবশ্য কোন দেশের লোক তা গোড়ায় ঠাহর করা গেল না।

    এবার থাপাকে পাশে নিয়ে রাঙাদা এগিয়ে গেলেন। নিজের পরিচয় দিয়ে বললেন, তিনি এখানকার বনবিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্তা, তাঁর অজ্ঞাতে এখানে ঘরবাড়ি তৈরি করে আপনারা কারা এখানে বসতি বসিয়েছেন?

    ইতিমধ্যে আমাদের সাড়া পেয়ে ঘরের ভিতর থেকে আরও ২-৩ জন বেরিয়ে এলেন। এঁরা স্ত্রীলোক, এবং পোশাক দেখে মনে হল এঁরা নার্সের কাজ করেন।

    রাঙাদার পরিচয় পেয়ে দলপতি সাহেবটি হ্যান্ডশেক্‌ করার জন্য হাত বাড়িয়ে দিলেন। তারপর একটু ভাঙ্গা ভাঙ্গা ইংরেজীতে বললেন, ‘আমরা বিদেশী, ইয়োরোপ থেকে বন্য প্রাণী নিয়ে রিসার্চ করবার জন্য এখানে এসেছি। বনবিভাগের সব নিয়মকানুন হয়তো জানি না, তবে আমাদের কাছে ভারত সরকারের অনুমতিপত্র আছে। কোনও বদ্‌ মৎলব নিয়ে আসি নি।’

    রাঙাদা পদোচিত গাম্ভীর্যের সঙ্গে বললেন, ‘সে কি! এখানে রিসার্চ করতে এসেছেন, জঙ্গল কেটে ঘরদোর বানিয়েছেন, অথচ সবচেয়ে গোড়ায় যা করা উচিত ছিল ফরেস্ট অফিসারকে জানানো, তাই করেন নি! কিসের রিসার্চ করছেন আপনারা? কোথা দিয়ে ঢুকলেন এই ঘন জঙ্গলে?

    তাঁর কথা শেষ হতে না হতে মাথায় ওপর একটা গুরু গুরু আওয়াজ শোনা গেল। সবাই বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখল ওপর থেকে একটা হেলিকপ্টার ধীরে ধীরে নেমে আসছে! হেলিকপটার নামবার জন্য যেটুক সমতল ভূমি দরকার, ঘরটির পাশে তারও ব্যবস্থা করা হয়েছে!

    রাঙাদা ঠোঁট কামড়ে বললেন, ‘ও বুঝেছি। তবে—’

    সাহেবও বোধ হয় একটু ঘাবড়ে গিয়েছিলেন, বললেন, ‘অন্য কিছু ভাববেন না। উই আর ফ্রেন্ডস্। লেট্‌স হ্যাভ এ কাপ্‌ অভ টি,তারপর আলাপ করব।’

    সাহেবের রকমসকম দেখে আমরা তাজ্জব বনে গেছি। একটা অকর্ম যে সে করেছে তাতে ভুল নেই, কিন্তু সেজন্য কোন লজ্জা বা অনুশোচনা হচ্ছে বলে তো

    মনে হয় না! চালচলন দিব্যি স্বাভাবিক।

    বারান্দায় চেয়ার টেবিল পাতাই ছিল, আমরা ইতস্ততঃ করতে করতে যেন নিজেদের অজ্ঞাতসারেই গিয়ে সেখানে বসে পড়লাম। ভিতর থেকে টুংটাং পেয়ালার শব্দ শোনা যাচ্ছিল। পরক্ষণেই দরজার ফাক দিয়ে কে যেন উঁকি দিল। সাহেব তাকে সরে যেতে ইশারা করলে সে বোধ হয় তা বুঝতে পারল না। আবার এসে উঁকি দিল কৌতূহলের সঙ্গে। এবার আর আমার চিনতে কোন ভুল হল না। সেই লম্বা লোক, সেই লম্বা আঙুলওয়ালা পা আর খোঁচা খোঁচা দাড়িগোঁফওলা মানুষের মত মুখ। এ সেই আশ্চর্য জীব, যেটিকে সেদিন আমি আর কপিল অকস্মাৎ গাছের ওপর আবিষ্কার করেছিলাম।

    সাহেবের সঙ্গে রাঙাদার অনেকক্ষণ কথাবার্তা হল। জানা গেল সাহেবটির নাম ডক্টর ভিলহেল্‌ম্‌ স্মিট্‌। বাড়ি ভিয়েনা। পেশায় ডাক্তার এবং বিখ্যাত অস্ত্র চিকিৎসক। গ্রাফ্‌টিং নিয়ে দীর্ঘদিন রিসার্চ করছিলেন এবং এ ব্যাপারে আশ্চর্য সাফল্যও দেখিয়েছেন। কারও কান বা নাক বা হাত পা কেটে গেলে অপরের শরীর থেকে তা কেটে নিয়ে বেমালুম জুড়ে দেওয়া তাঁর কাছে কিছুই না। ইদানীং তিনি গ্রাফটিং করে এক জানোয়ারের সঙ্গে অন্য জানোয়ারের আধাআধি জুড়ে দিতেও সক্ষম হয়েছেন। প্রথম এক টিকটিকির গায়ে অন্য টিকটিকির কাটা গা জুড়ে কাজ শুরু করেন। তাতে সাফল্য লাভ করার পর আর একটু বড় জানোয়ার নিয়ে পরীক্ষা চালান। এই ভাবে গিনিপিগের সঙ্গে খরগোসের, মেঠো ইঁদুরের সঙ্গে বেড়ালের, এমন কি কুকুরের সঙ্গে ভেড়ার শরীর জুড়ে দিয়ে অসাধ্য সাধন করেছেন। অবশ্য ঐসব কাজ সম্পন্ন করতে তাঁকে দীর্ঘ সময় বিচ্ছিন্ন দেহগুলোকে কৃত্রিম উপায়ে বাঁচিয়ে রাখতে হয়েছিল। আর এ কাজ একবারেও সম্ভব হয় নি। প্রতিক্ষেত্রেই বিশ ত্রিশটি করে জীবকে তাঁর এই রিসার্চ-এর জন্য প্রাণ দিয়ে হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি খোদার ওপর এই খোদকারিতে সাফল্যই লাভ করেছিলেন।

    এর পর তাঁর এক বিচিত্র সাধ হল। এবার পরীক্ষা চালাবেন মানুষের ওপর। মানুষের দেহের সঙ্গে অন্য কোন প্রাণীর, মানুষের সঙ্গে চেহারায় যার খানিকটা মিল আছে এমন কোন প্রাণীর দেহাংশ জোড়া লাগিয়ে নতুন সংকর প্রাণী তৈরি করা যায় কিনা তাই দেখবেন পরখ করে। কিন্তু ইয়োরোপের মতো সভ্য দেশে বসে তে আর একাজ চালানো যায় না। কে আসবে তাঁর কাছে এই পরীক্ষার উপাদান হতে? তাই তিনি ঠিক করলেন এমন কোন জায়গায় গিয়ে তাঁর পরীক্ষা চালাবেন যেখানে এমন জংলী মানুষ বাস করে যাকে অন্যেরা মানুষ বলেই মনে করে না। অর্থাৎ যেখানে মানুষের প্রাণের কোনই মূল্য নেই।

    কোথায় পাবেন সে রকম জংলী মানুষ? প্রথমেই তাঁর আফ্রিকার কথা মনে হয়েছিল। আফ্রিকার লোকেরা এখন ধীরে ধীরে সভ্য হতে শুরু করলেও এখনও সেখানে বনে জঙ্গলে এমন অনেক মানুষ বাস করে যারা নামেই মানুষ, সভ্য জগতের সঙ্গে এখনও তাদের কোন যোগাযোগ ঘটেনি। এই রকম একটা জায়গা হচ্ছে কঙ্গো দেশ। অর্থাৎ কঙ্গোর অরণ্য। প্রথমে সদলবলে সেখানেই চলে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু গিয়ে দেখলেন, ব্যাপারটা যত সহজ ভেবেছিলেন ততটা সহজ নয়। ওখানকার জঙ্গলে লোকগুলো অসভ্য হতে পারে, কিন্তু ততোধিক হিংস্র। আশপাশের অন্য প্রাণীরাও। তারপর জায়গাটা এত অস্বাস্থ্যকর যে ঐ আবহাওয়ায় মানুষ হয় নি এমন লোকের পক্ষে ওখানে প্রাণ নিয়ে টিকে থাকাই দুষ্কর। তবু চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু পর পর নিজের বিশ্বস্ত সহকারীদের মধ্যে তিন তিনজনকে খুইয়ে তাঁকে কাজ অসমাপ্ত রেখেই সেখান থেকে পালিয়ে আসতে হয়।

    কিন্তু জেদ তাঁর অলঙ্ঘ্য। যা করবেন মনে করেছেন তা করবেনই। খোঁজ খোঁজ করতে করতে শেষে তাঁর এক নৃতত্ত্ববিদ্‌ বন্ধুর কাছে খবর পেলেন ভারতবর্ষের মধ্যপ্রদেশে এখনও এমন ২-১ টা গহন অরণ্য আছে যেখানে কোন কোন জাতের জংলী মানুষ লোক চক্ষুর আড়ালে থেকে শুধু নিজেদের সমাজের গণ্ডীর মধ্যেই বাস করে। শুধু তাই নয়, ঐ অঞ্চলের কাছাকাছি এক রকম বড় জাতের বানরও দেখতে পাওয়া যায় যারা আকৃতিতে বড় হলেও স্বভাবে ভারী নিরীহ। ব্যাস, স্মিট সাহেব তাঁর প্রোগ্রাম স্থির করে ফেললেন।

    তারপর কি করে ভালোমানুষ সেজে বেড়াবার নাম করে ভারতে এসে শেষে নিজস্ব হেলিকপ্টারে তিনি এই জঙ্গলটি আবিষ্কার করেন এবং সঙ্গীসাথী এনে সেখানে জঙ্গল সাফ করে কাঠটাঠ কেটে ঘরদোর বানিয়ে, যন্ত্রপাতি বসিয়ে তথাকথিত রিসার্চ এর সাজসরঞ্জাম, মায় অপারেশন থিয়েটার সমেত পুরো একটি গবেষণাগার তৈরি করে ফেললেন, সে এক বিরাট কাহিনী। যাই হোক, শেষ পর্যন্ত তিনি ঐ জংলী মানুষদের আস্তানা খুঁজে বার করে, তাদের উপহার-টুপহার দিয়ে প্রলুব্ধ করে কিংবা অন্য কোন পর্যায়ে পোষ মানিয়ে, তাদেরই একজনের দেহে অস্ত্রোপচার করে তার দেহের নীচের দিকটায় ঐ বড় জাতের বানরের দেহাংশ গ্রাফটিং করে জুড়ে দিতে সমর্থ হলেন। অবশ্য এই পরীক্ষার জন্য কতজন জংলীমানুষ আর বানরকে প্রাণ দিতে হয়েছিল তার কোন হিসেব পাওয়া যায়নি, তিনিও বলেন নি। তবে এটা ঠিক, কাজটা করা হয়েছিল গোপনে এবং অনেক দিন ধরে, সম্ভবতঃ রাঙাদা এখানে আসবার বহুআগে। তবে ঐ ভারত সরকারের অনুমতি পত্রটত্র সব বাজে কথা, ভাঁওতা ছাড়া কিছু নয়। রাঙাদা ভালোমানুষ বলে

    ওগুলো দেখতে চাননি। চাইলে সাহেব খুবই মুশকিলে পড়তেন সন্দেহ নেই।

    আমরা সেদিনকার মতো ফিরে এলাম। আমার আর বেশিদিন অপেক্ষা করার মতো ছুটি ছিল না, কপিলেরও না। রাঙাদা এর পর কি ব্যবস্থা নিয়েছিলেন কিংবা নেবেন বলে ঠিক করেছিলেন তা এখনও জানতে পারি নি। তবে স্মিট সাহেব দুনিয়ার চোখে যত বড় অপরাধই করে থাকুন, তিনি যে সার্জারি ইতিহাসে একটা অকল্পনীয় নজির রেখে গেলেন তা স্বীকার না করে উপায় নেই। এ যেন সুকুমার রায়ের কল্পনার সেই হাঁস আর সজারু মিলে হাঁস জারুর সৃষ্টি। কিংবা, আরও ভালো করে বললে, সেই গাইবাবুর গল্প। গল্পটা যারা শোনে নি তাদের না হয় বলে দিচ্ছি।

    একবার এক কেরানীবাবু আর একটা গরু একসঙ্গে রেললাইন পার হতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে। সেখানে একজন ওস্তাদ ডাক্তার ছিলেন যিনি কাটা দেহ জুড়ে দিয়ে লোকদের বাঁচিয়ে দিতে পারতেন। এক্ষেত্রেও ওদের বাঁচিয়ে দিলেন। কিন্তু তাড়াতাড়িতে একটা ভুল হয়ে গেল। কেরাণীবাবুর ওপরের দিকটার সঙ্গে গরুর নিচের দিকটা জোড়া হল, তেমনি গরুরও নিচের দিকটাও হল কেরাণীবাবুর নিচের দিকটার সঙ্গে যুক্ত। কেরাণীবাবু ঐ নতুন চেহারায় রূপান্তরিত হওয়ায় তার নাম হয়ে গেল, “গাইবাবু”। শুধু এখানেই গল্পের শেষ নয়। সেই থেকে কেরাণীবাবু খুর পায়ে খুটখুট করতে রোজ অফিসে যেতেন আর বিকেলে বাড়ী ফিরে দু’সের করে দুধ দিতেন।

    .

    প্রথম প্রকাশ: ফ্যানট্যাসটিক, অগাস্ট-সেপ্টেম্বর, ১৯৮২

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রেত-প্রেয়সী – অদ্রীশ বর্ধন
    Next Article আদিম আতঙ্ক – অদ্রীশ বর্ধন

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }