Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেরা ভূতের গল্প – ব্রাম স্টোকার

    ব্রাম স্টোকার এক পাতা গল্প264 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রুম নাম্বার সেভেন

    এ গল্প আমি বহু দিন কাউকে বলিনি। রহস্যের ব্যাখ্যা আমার কাছে নেই তাই ভেবেছি লোকে হয়তো আমার কথা বিশ্বাসই করবে না। এখন অবশ্য কেউ আমার কথা বিশ্বাস করুক বা না করুক তাতে কিছু আসে যায় না। আমি একটি সত্যি ঘটনাই বলছি। আপনারা হয়তো ভূতে বিশ্বাস না-ও করতে পারেন। আমিও যে বিশ্বাস করি তা নিশ্চিত করে বলতে পারি না। সেই রাতে সত্যি ভূত দেখেছিলাম কিনা তাও জানি না। যদি ওটা ভূত না হয়ে থাকে তাহলে কী দেখেছিলাম জানি না।

    ইংল্যান্ডের উত্তরে গিয়েছিলাম ব্যবসায়িক কাজে। কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলাম। আমি লন্ডনের কাছেই থাকি। তখন শীতকাল। আবহাওয়া ছিল বৈরী। আমি সকাল সকালই রওনা হয়েছিলাম, তবে বেশি দ্রুত গাড়ি চালাতে পারিনি। রাস্তাঘাট বরফে ঢাকা। তাই মন্থরগতিতে এবং সতর্কভাবে গাড়ি চালাতে হচ্ছিল। যখন ঘনিয়ে এল সন্ধ্যা, বাড়ির পথ তখনো বহু দূর। আমার গাড়ির বাতি প্রায় নিভু নিভু। গাড়ি নিয়ে মেইন রোডে অবস্থান খুবই বিপজ্জনক। কারণ ওই রাস্তায় বেশ গাড়ি চলাচল করছিল। আমি মূল রাস্তা ছেড়ে শান্ত, নির্জন একটি গাঁয়ের পথে মোড় নিলাম।

    মাইল খানেক এগোবার পরে রাস্তার পাশে একটি সাইনবোর্ড চোখে পড়ল। মিলহ্যাম লেখা রোড সাইনে। পাঁচ মিনিট বাদে আমি একটি সরু রাস্তায় উঠে এলাম। দুপাশে ঘরবাড়ি। দোকানপাটও নজরে এল। আলো জ্বলছে। রাস্তার মাথায় একটি গ্যারেজ। আমি সেখানে গিয়ে গাড়ি দাঁড়া করালাম। গ্যারেজ মালিককে আমার গাড়ির সমস্যার কথা বললাম। সে গাড়ির বাতি পরীক্ষা করে দেখল। তারপর ইঞ্জিন দেখল। মাথা নেড়ে বলল, ‘আপনার গাড়ির ডায়নামো ভেঙে গেছে। কাল সকালে মেরামত করে দিতে পারব। তবে আজ রাতে আর গাড়ি না চালানোই ভালো। নিরাপদ হবে না।

    ‘মিলহ্যামে কোনো হোটেল আছে?’ জানতে চাই আমি।

    ‘জি, আছে,’ জবাব দিল লোকটি। ‘রাস্তার ওই মাথায় ‘দ্য গোট’ নামে একটি হোটেল আছে। আপনি হোটেলটি মাত্রই পার হয়ে এসেছেন। শীতকালে মিলহ্যামে খুব বেশি মানুষজন আসে না বাইরে থেকে। মি. রিচার্ডসকে বলবেন আমি আপনার ডায়নামো মেরামত করে দিচ্ছি। উনি আপনাকে আদর-যত্নের কোনো ত্রুটি করবেন না।’

    আমি গ্যারেজ মালিককে ধন্যবাদ দিয়ে গাড়ি থেকে আমার সুটকেসটি বের করে নিলাম, তারপর হাঁটা দিলাম ‘দ্য গোট’ অভিমুখে। এটি পুরানো একটি ভবন। জানালা দিয়ে দেখতে পেলাম ছোট ডাইনিংরুমের ফায়ারপ্লেসে আগুন জ্বলছে। সদর দরজার পরেই হোটেল অফিস। আমি ডেস্কের গায়ে লাগানো বেল টিপলাম।

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    Books
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    PDF
    বাংলা ইসলামিক বই

     

    অফিসের পেছন দিক থেকে আবির্ভূত হলো বিশালদেহী এক লোক। তার এক হাতে কাপড়, অপর হাতে আধ গ্লাস বিয়ার। আমার দিকে তাকিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ হাসি উপহার দিল সে।

    ‘মি. রিচার্ডস?’ জিজ্ঞেস করলাম আমি।

    ডেস্কের ওপর বিয়ারের গ্লাস নামিয়ে রাখল সে।

    ‘জি। আপনার জন্য কী করতে পারি?’

    আমি জানালাম আমার গাড়ি গ্যারেজে রেখে এসেছি। বললাম রাতে থাকার মতো একটি রুম এবং খাবারদাবার চাই।

    ‘খাবার পেতে সমস্যা নেই,’ বলল সে। ‘ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই রেডি হয়ে যাবে ডিনার। তবে রুম পাওয়াটা একটু কঠিন। দেখতেই পাচ্ছেন এটি একটি ছোট হোটেল। আমাদের মাত্র ছয়টি বেডরুম। সবগুলোতেই লোক আছে। শীতকালে অবশ্য খুব কমই আমাদের হোটেল ভর্তি হয়ে যায়। আমি দুঃখিত।’

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা কমিকস
    বুক শেল্ফ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বইয়ের
    সাহিত্য পত্রিকা
    ই-বুক রিডার
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    সেবা প্রকাশনী বই

     

    তাহলে এখন কী করা জিজ্ঞেস করতে যাচ্ছিলাম তাকে এমন সময় দরজাটি আবার খুলে গেল। ছোটখাটো চেহারার এক ভদ্রমহিলা দ্রুত হেঁটে এলেন ভেতরে।

    ‘ইনি আমার স্ত্রী,’ বলল মি. রিচার্ডস। তার দিকে ফিরল। ‘এই ভদ্রলোককে বলছিলাম আজ রাতে আমাদের কোনো কামরা খালি নেই, লিজ। ওনার গাড়ি গ্যারেজে মেরামতির জন্য তাই উনি আজ রাতে এখানে থাকতে চেয়েছিলেন। ডিনারও করবেন।’

    ‘সাত নাম্বার রুমটা খালি আছে, টম,’ বললেন মহিলা।

    ‘কিন্তু ওটা তো—’ বাক্য শেষ করল না সে। বিয়ারের গ্লাস তুলে নিয়ে চুমুক দিতে দিতে তার স্ত্রীর কথা শুনতে লাগল।

    ‘ভদ্রলোককে এভাবে আমরা ফিরিয়ে দিতে পারি না,’ বললেন ভদ্রমহিলা। ‘আমি সাত নাম্বার রুমটি রেডি করে দিচ্ছি।’

    ‘আপনাদের বোধ হয় ঝামেলাতেই ফেলে দিলাম, ‘

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    ই-বুক রিডার
    বইয়ের
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা সাহিত্য
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বিনামূল্যে বই
    PDF
    বইয়ের

     

    ‘না, না। কোনো ঝামেলা নয়, মি—’

    ‘সন্ডার্স,’ বললাম আমি। ‘আমি জন সন্ডার্স।’

    ‘আমাদের কোনো ঝামেলা হচ্ছে না মি. সন্ডার্স। সাত নাম্বার কক্ষটি আমরা তেমন ব্যবহার করি না। আপনি ওখানে আরামেই থাকতে পারবেন। ওটাতে কোনো সমস্যা নেই।’ মহিলা তার স্বামীর দিকে তাকিয়ে ভ্রুকুটি করলেন। তার স্বামী ভাবলেশহীন হয়ে রইল।

    ‘আসুন, মি. সন্ডার্স,’ বলল সে। ‘আমাদের ঘরে তৈরি বিয়ার এক গ্লাস চেখে দেখুন। এর চেয়ে সুস্বাদু বিয়ার আপনি ইংল্যান্ডের কোথাও পাবেন না। আপনার সুটকেসটি আপাতত অফিস রুমেই থাক। এই ফাঁকে আপনার ঘরটি রেডি হয়ে যাবে।’

    ‘সে আমাকে নিয়ে বার-এ চলে এল। এখানে লোকজন মদপান এবং গল্পগুজব করছে। কয়েকজনের সঙ্গে পরিচয় হলো। এরা বাইরের শহর থেকে এসেছে। কয়েকজন আবার মিলহ্যামের বাসিন্দা। বার-এ এসেছে সান্ধ্যকালীন বিয়ার পান করতে। আমি এখানে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যই বোধ করছিলাম। মি. রিচার্ডস তার বিখ্যাত বিয়ার এক গ্লাস খেতে দিল আমাকে। ঠিকই বলেছে সে, দারুণ স্বাদ। কিছুক্ষণ পরে আমাকে জানানো হলো আমার ঘর রেডি করা হয়েছে। তখন অবশ্য এ আড্ডা ছেড়ে যেতে ইচ্ছে করছিল না! তবু একটু পরে উঠতে হলো। অফিস ঘর থেকে আমার সুটকেস নিয়ে সাত নাম্বার রুমে চলে এলাম। এটি টপ ফ্লোরে, অন্যান্য বেডরুমগুলোর মাথার ওপরে। এখানে বেশ ঠান্ডা তবে মি. রিচার্ডস ছোট একটি ফায়ারপ্লেস জ্বালিয়ে রেখেছে। ঘর কিছুক্ষণের মধ্যেই গরম হয়ে যাবে, ভাবলাম আমি। আর কামরাটিও বেশ নিরিবিলি। আজ রাতে জম্পেশ ঘুম দেয়া যাবে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    Books
    বাংলা ই-বই
    Library
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ভাষা
    অনলাইন বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

     

    কামরাটি আয়তনে তেমন বড় নয়। একটি খাট, কাপড়চোপড় রাখার আলমারি এবং দরজার পেছনে মুখ-হাত ধোয়ার জন্য একটি বেসিন। ওয়াশ বেসিন এবং আলমারির মাঝখানে দেয়াল ঘেঁষে খাড়া পিঠের একখানা চেয়ার চোখে পড়ল। আর ফায়ারপ্লেস। ব্যস এই-ই। তবে ঘরটি বেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। আমি খুশিই হলাম। সুটকেস খুলে জামাকাপড় বের করে, হাত-মুখ ধুয়ে চললাম ডিনারে।

    মিসেস রিচার্ডস ভালো রাঁধুনি। খাবারটি বেশ উপভোগ করলাম। এক বোতল রেড ওয়াইনও দিয়েছে। খাওয়া শেষে আমি বার-এ চলে এলাম। মি. রিচার্ডস এবং তার কয়েকজন বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে খানিক আড্ডা দিলাম। একটু পরে ভ্রমণক্লান্তিতে ঘুমে বুজে আসতে লাগল চোখ।

    ‘আমি ঘুমাতে যাব,’ বললাম মি. রিচার্ডসকে। ‘আমাকে একটু সকাল সকাল নাশতা দেয়া যাবে? গাড়ি রেডি হয়ে গেলেই রওনা হতে চাই।’

    ‘আটটার সময় দিলে চলবে?’

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুক
    সাহিত্য পত্রিকা
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা বই
    PDF
    গ্রন্থাগার সেবা
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা গল্প
    বাংলা ই-বুক রিডার

     

    ‘হ্যাঁ, চলবে। ধন্যবাদ। মনে হয় না সকাল নয়টার আগে ডায়নামো মেরামতির কাজ শেষ হবে।’

    ‘তাহলে শুভ রাত্রি, মি. সন্ডার্স।’ আপনাকেও ধন্যবাদ সুন্দর একটি সন্ধ্যার জন্য।’

    অগ্নিচুল্লির কারণে ঘরটি বেশ গরম। আমি বিছানায় বসে কিছুক্ষণ বই পড়লাম। কিন্তু বারবার চোখ ঘুমে ঢলে আসছে দেখে বই পড়া বাদ দিয়ে ঘরের বাতি নিভিয়ে টানটান হলাম বিছানায়। একটু পরেই ঘুমিয়ে পড়লাম।

    .

    জানি না কতক্ষণ ঘুমিয়েছি। তবে কিছু একটা আমাকে জাগিয়ে তুলল। কোনো শব্দ শুনে আমার ঘুম ভাঙেনি। বেডরুম নীরব। তবে অদ্ভুত কিছু একটা ঘটছে। আমার বিছানার পাশের টেবিলের বাতিটি নেভানো, তবু ঘরটি আস্তে আস্তে আলোকিত হয়ে আসছে কামরার একটি অংশ। আমার বিছানা ডুবে আছে আঁধারে। আমি আলমারি কিংবা মুখ ধোয়ার বেসিন কোনোটিই দেখতে পাচ্ছি না, শুধু দুটোর মাঝখানে বড় চেয়ারখানা নজরে আসছে। ওটার হাতল, পায়া, খাড়া পিঠ সবই পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। অন্ধকারেও যেন জ্বলজ্বল করছে।

     

    আরও দেখুন
    PDF
    বাংলা বই
    অনলাইন বুক
    সেবা প্রকাশনী বই
    বিনামূল্যে বই
    পিডিএফ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা গল্প
    বাংলা উপন্যাস
    গ্রন্থাগার

     

    আমি শক্ত করে চোখ বুজলাম। ভয়টয় পাইনি। অন্তত তখন নয়। ভয়টা এল পরে। না, আমি ভয় পাইনি তবে চিন্তা করতে চাইছিলাম। ওই অদ্ভুত আলোটা নিভিয়ে দিয়ে একটা ব্যাখ্যা দাঁড়া করাতে চাইছিলাম নিজের কাছে। আমি চেয়ারটি দেখতে পাচ্ছি তা সত্যি হতে পারে না। রুমের বাকি অংশ অন্ধকার। আমি আসলে স্বপ্ন দেখছিলাম। নিশ্চয়! ডিনারের পরে বার- এ বসে একটু বেশিই গিলেছিলাম, যার কারণে স্বপ্ন দেখছিলাম। খুব ধীরে ধীরে পঞ্চাশ পর্যন্ত গুনব ঠিক করলাম। পঞ্চাশ গোনা শেষ করে আমি চোখ খুলব এবং দেখব ঘর অন্ধকার। ঘর পুরো অন্ধকার থাকলেই হবে।

    ‘…চল্লিশ, একচল্লিশ….’ আমি খুব আস্তে আস্তে গুনছি এমন সময় কানে এল শব্দটা। কেউ ঘরের ভেতরে শ্বাস করছে। আমি স্থির হয়ে শুয়ে কান পাতলাম। হ্যাঁ, কেউ শ্বাস করছে! ঘন ঘন শ্বাস ফেলছে। তাহলে এটা স্বপ্ন নয়। কে নিশ্বাস ফেলছে? চোর?

    চোখ মেললাম। চেয়ারটি যথাস্থানেই রয়েছে এবং এখন ওখানে বসে আছে এক লোক। লোকটা বুড়ো। মাথার চুল পাকা। শিরদাঁড়া টানটান করে বসে আছে সে। চেয়ারের হাতল ধরে রেখেছে শক্ত হাতে। উজ্জ্বল নীল চোখ জোড়া আমার ওপর স্থির।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গল্প
    Library
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বই পড়ুন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    ই-বুক রিডার
    PDF
    গ্রন্থাগার
    বই

     

    আমি কথা বলার চেষ্টা করলাম কিন্তু গলা দিয়ে কোনো আওয়াজ বেরুল না। আমি বলতে চাইছিলাম : ‘কে আপনি? এখানে কী করছেন? আমার ঘর থেকে বেরিয়ে যান।’ আবার মুখ খুলতে চাইলাম। লাভ হলো না। আমি ওখানে শুয়ে অপেক্ষা করতে লাগলাম। নিজেকে বললাম ভয় না পেতে। লোকটা খুব বুড়ো। আমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। তবে বুড়োর চাউনি বড্ড ভীতিকর। পলকহীন চোখে সে তাকিয়েই আছে।

    ‘লোকটা কিছু একটা নিশ্চয় করছে,’ ভাবলাম আমি। ‘নিদেন কথা তো বলবেই।’

    লোকটা বোধহয় আমার চিন্তাটা শুনে ফেলল। সে বাম হাত তুলে তাক করল আমার দিকে। এবারে তার চোখে খুব করুণ, বিষাদময় চাউনি হঠাৎ, আমার আর ওকে ভয় লাগল না। লোকটা আমাকে কিছু বলার চেষ্টা

    করছে। যখন কথা বলল গলার স্বর বড্ড করুণ শোনাল।

    ‘আমি কখনো সন্ধান পাইনি,’ বলল সে। ‘কিন্তু তুমি পেয়েছ।’

     

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পত্রিকা
    অনলাইন বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ইসলামিক বই
    বই
    Books
    উপন্যাস সংগ্রহ
    গ্রন্থাগার সেবা

     

    তার হাত ঝপাৎ করে পড়ে গেল নিচে। আমি বলে উঠলাম, ‘আমি কিসের সন্ধান পেয়েছি? আপনি কে? কী—?’ তবে প্রশ্ন শেষ করার আগেই সে অদৃশ্য হয়ে গেল। ঘর আবার পুরো অন্ধকার।

    একটি কণ্ঠ আমাকে জাগিয়ে তুলল। ‘আপনার জন্য চা নিয়ে এসেছি, মি. সন্ডার্স। আপনার নাশতা আধ ঘণ্টার মধ্যেই রেডি হয়ে যাবে।’ মি. রিচার্ডস বেডসাইড টেবিলের ওপর চায়ের কাপ রেখে বেরিয়ে গেল দ্রুত।

    আমি গভীর ভাবনায় ডুবে গেলাম। আমার অদ্ভুত দর্শনার্থীটি চলে যাওয়ার পরপরই আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। অথবা সত্যি কি আমি ঘুমিয়েছি? আমি কি গোটা ব্যাপারটাই স্বপ্নে দেখেছি? বিষয়টি নিয়ে কি রিচার্ডস দম্পতির সঙ্গে কথা বলব? নাহ, এ নিয়ে কিছু বলা ঠিক হবে না। অদ্ভুত আগন্তুকের রহস্য ভেদ করতে না পারলে তারা বড়ই বিব্রত হবে। ওরা আমার খুব যত্ন-আত্তি করেছে। আমি ওদের কোনোরকম ব্রিত করতে চাই না।

    নাশতা খেয়ে হোটেল অফিসে ঢুকলাম বিল শোধ করতে। মিসেস রিচার্ডস বসে আছেন ডেস্কে। আমার যত্ন-আত্তি করার জন্য তাকে ধন্যবাদ দিলাম। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে একটু হেসে বিল দিলেন।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা গল্প
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা কবিতা
    PDF
    বইয়ের
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা শিশু সাহিত্য

     

    ‘এ আমাদের সৌভাগ্য, মি. সন্ডার্স। আমরা চাই আমাদের হোটেলে যাঁরা আসেন তাঁরা যেন আরামে থাকতে পারেন। আপনার ভালো ঘুম হয়েছিল তো?’

    আমি বিল পরিশোধের জন্য টাকা গুনছিলাম। জবাব দেয়ার জন্য মুখ তুলে তাকাতে মহিলার পেছনের দেয়ালে ঝোলানো একটি ছবিতে আটকে গেল চোখ। সাদা চুল, চওড়া, শক্ত মুখ এবং ঝকঝকে নীল চোখের লোকটাকে আমার খুব চেনা লাগল।

    ছবিটির দিকে ইঙ্গিত করলাম। ‘উনি কে?

    মিসেস রিচার্ডস ছবির দিকে একবার তাকিয়ে চট করে আমার দিকে ফিরলেন। ‘উনি টমের বাবা। আমাদের সঙ্গে এ হোটেলেই থাকতেন। পাঁচ বছর আগে মারা গেছেন। আপনি কাল যে কামরায় ছিলেন ওখানেই তাঁর মৃত্যু ঘটে। এজন্যই টম আপনাকে সাত নম্বর কামরায় থাকতে দিতে চায়নি।’

    ‘কিন্তু আপনারা-’ থেমে গেলাম আমি। সাবধানে শব্দচয়ন করতে হবে। জানি না ভদ্রমহিলা এ ব্যাপারে কতটুকু জানেন কিংবা আমাকে কতটুকুই বা বলতে চাইবেন। তবে আমি কিছু বলার আগেই মিসেস রিচার্ডস আবার বলতে লাগলেন :

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ই-বুক রিডার
    সাহিত্য পত্রিকা
    ই-বুক রিডার
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা গল্প
    বাংলা ই-বই
    বাংলা অডিওবুক

     

    ‘সাত নম্বর কামরা নিয়ে কিছু অদ্ভুত ব্যাপার রয়েছে, মি. সন্ডার্স | দুএকজন অতিথি বলেছেন ওই রুমে তাঁদের ভালো ঘুম হয়নি। রাতের বেলা তাঁরা নাকি ভয় পেয়েছেন। যদিও কেন ভয় পেয়েছেন তার ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তাঁরা বলেছেন ঘরটি নাকি ভুতুড়ে। হোটেলঅলাদের জন্য ভূতটুত খুব খারাপ ব্যাপার। তাই টমের বাবা ঠিক করেন তিনি নিজেই সাত নম্বর কামরায় রাত কাটাবেন। তিনি বিশ্বাস করতেন না যে ওটা ভুতুড়ে ঘর। বলেছিলেন ওই ঘরে মানুষ ঘুমাতে কেন ভয় পায় সেই রহস্য উদ্ঘাটন করবেন। তাঁর ভূতে বিশ্বাস ছিল না, আমারও নেই। তো, তিনি ওই ঘরে এক রাতে ঘুমাতে গেলেন সুস্থ দেহে, সুস্থ মনে। কিন্তু…‘

    ‘বলুন!’ বললাম আমি। ‘তারপর কী হলো বলে যান।’

    ‘আমি আমার শ্বশুরকে খুব পছন্দ করতাম,’ বললেন মিসেস রিচার্ডস। ‘তাঁর কথা মনে পড়লে এখনো খারাপ লাগে। আমি পরদিন সকালে তাঁর জন্য চা নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু গিয়ে দেখি ওখানে তিনি মরে পড়ে আছেন। বড় চেয়ারটিতে বসে আছেন তিনি। সারা গা বরফের মতো ঠান্ডা এবং প্রাণহীন। তিনি বুড়ো মানুষ ছিলেন। বুড়ো মানুষরা হঠাৎ করে মরে যেতেই পারেন। ডাক্তার বলেছিলেন এরকম হতেই পারে। তাঁর হার্ট ফেইল করেছিল হঠাৎ, বলেছেন ডাক্তার।’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বইয়ের
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    সাহিত্য পর্যালোচনা

     

    মিসেস রিচার্ডস টাকা নিয়ে আমাকে ভাংতি ফেরত দিলেন। আমি পকেটে ভাংতিটা রেখে সুটকেস তুলে নিলাম হাতে।

    ‘মিসেস রিচার্ডস,’ বললাম আমি, ‘একটা কথা বলতে-’

    তিনি আমার কথা শুনছেন না। আমার দিকে তাকিয়ে হেসে বললেন, ‘কাজেই বুঝতেই পারছেন, মি. সন্ডার্স, সাত নম্বর কামরার রহস্য আমরা কোনোদিন ভেদ করতে পারিনি। কেউ কোনোদিন পারবে বলেও মনে হয় না। ওটা আসলে স্রেফ একটা ভুয়া গল্প।’

    আমি বিদায় জানিয়ে বেরিয়ে এলাম হোটেল থেকে। রাস্তা ধরে দ্রুত পদক্ষেপে চললাম গ্যারেজে।

    বুড়োর কথা যেন আমাকে অনুসরণ করছিল

    ‘আমি কোনোদিন সন্ধান পাইনি,’ বলেছিল সে, ‘আমি কোনোদিন জানতে পারিনি সাত নম্বর কামরা ভুতুড়ে কিনা। কিন্তু তুমি এখন জানতে পারলে ব্যাপারটা। এখন তুমি জানো, তাই না?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিষ্ণু দে’র কবিতা
    Next Article ড্রাকুলা – ব্রাম স্টোকার

    Related Articles

    ব্রাম স্টোকার

    ড্রাকুলা – ব্রাম স্টোকার

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }