Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেরা ভূতের গল্প – ব্রাম স্টোকার

    ব্রাম স্টোকার এক পাতা গল্প264 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য সিক্রেট অব দ্য গ্রোয়িং গোল্ড

    দ্য সিক্রেট অব দ্য গ্রোয়িং গোল্ড

    মার্গারেট ডিলান্ডর যখন ব্রেন্টস রকে বসবাস করতে গেল গোটা মহল্লা খুশিতে বাগ বাগ হয়ে উঠল নতুন একটি স্ক্যাণ্ডালের আশায়। ডিলান্ডর কিংবা ব্রেন্টস রকের ব্রেন্ট পরিবারের স্ক্যান্ডালের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। কাউন্টির গোপন ইতিহাস যদি লেখা হতো, দুই পরিবারের নামই সেখানে সসম্মানে স্থান পেত। দুটি পরিবারের স্ট্যাটাসই এতটা আলাদা এবং ভিন্ন যেন তারা অন্য কোনো মহাদেশের মানুষ-কিংবা ভিন্ন কোনো পৃথিবীর— যদিও এখনতক তাদের কক্ষপথ একটি অপরটিকে ক্রস করে নি বা কোনোরকম সংঘর্ষ ঘটেনি। ব্রেন্ট পরিবার দেশের বেশ গণ্যমান্য পরিবার, সমাজের ওপর তাদের প্রতিপত্তিও প্রচুর। নিজেদের তারা নীল রক্তের বা অভিজাত শ্রেণীর মানুষ হিসেবে মনে করে। যদিও তারা কৃষিজীবী, ডিলান্ডররাও তাই। এ পরিবারটির যে প্রাচীন ইতিহাস রয়েছে তা নিয়ে তারা গর্ববোধ করে, যদিও পরিবারটি কখনো ক্ষুদ্র কৃষক শ্রেণীর ওপরে নিজেদের তুলতে সমর্থ হয়নি। ব্রেন্ট পরিবারও নিজেদের জমিতে নিজেরাই চাষাবাদ করে। ডিলান্ডর পরিবার পুরানো বিদেশি যুদ্ধের সময়ে একদা বেশ ভালোই আয় উপার্জন করেছিল কিন্তু তাদের সম্পদে ভাটার টান লাগে মুক্ত বাণিজ্যের সূর্যের খরতাপে এবং সামরিক বাদ্যের বিপরীতে বাঁশির ‘প্রশান্ত সুর’ শোনার সময়কালে। পরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্যদের মতে তারা তখন ‘জমির সঙ্গে আটকে যায়।’ ফলে এটি তাদের দেহ এবং আত্মার সঙ্গে মিশে যায় এবং শাকসব্জি ফলানোর জীবন তারা বেছে নেয়। তবে একটি সময় নানা কারণে পরিবারটি গরিব হতে শুরু করে। পুরুষরা সারাক্ষণ অসন্তোষ প্রকাশ করতে থাকে, মদের মধ্যে ডুবিয়ে রাখে নিজেদের এবং মহিলারা ঘরকন্নার একঘেয়ে ক্লান্তিকর কাজগুলো করতে থাকে, কেউ কেউ তাদের চেয়ে নিচু পদমর্যাদার পুরুষদের বিয়ে করে ভেগে যায়। একটা সময় দেখা যায় পরিবারে সদস্য বলতে রয়েছে মাত্র তিনজন—ক্রফট, উইকহ্যাম ডিলান্ডর এবং তার বোন মার্গারেট। ভাই-বোন দুজনেই বংশানুক্রমে শারীরিক সৌষ্ঠব এবং সৌন্দর্য পেয়েছে।

    ব্রেন্টদের ইতিহাসও প্রায় একইরকম। ডিলান্ডর পরিবারের মতো তারাও তাদের লোকজন যুদ্ধে পাঠাত, তবে তাদের অবস্থান ছিল ভিন্ন। ডিলান্ডর পরিবার সৈনিক কিংবা নাবিক হিসেবে যুদ্ধে যোগ দিত। সার্ভিসে খুব একটা সম্মানজনক অবস্থান তাদের ছিল না। পক্ষান্তরে ব্রেন্ট পরিবার যুদ্ধে সম্মান অর্জন করে। তারা ‘বীর’ হিসেবে পরিচিতিও লাভ করে।

    ব্রেন্ট পরিবারের বর্তমান কর্তা জিওফ্রি ব্রেন্ট। সে দেখতে বেশ সুর্দশন। তার চেহারায় এমন কর্তৃত্বসুলভ একটি ভাব রয়েছে যা নারীদের সহজেই আকৃষ্ট করে। পুরুষদের সঙ্গে তার আচরণ দূরবর্তী এবং শীতল। তবে এটি মেয়েদের মোটেই নিরুৎসাহিত করে না। ব্রেন্টস রকের চৌহদ্দির মধ্যে এমন কোনো নারী মিলবে না যে এই সুদর্শন অকালকুষ্মান্ডটিকে পছন্দ করে না এবং গোপনে তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ নয়।

     

    আরও দেখুন
    ফ্যামিলি গেম
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা কমিকস
    বাংলা কবিতা
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ভাষা
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ইসলামিক বই

     

    ব্রেন্টস রক একটি পাহাড়ের মাথায়। এখানে রয়েছে উঁচু উঁচু প্রাচীন টাওয়ার এবং ম্যানসন। যতদিনতক জিওফ্রে ব্রেন্ট তার নিরাবেগ বজায় রাখল লন্ডন, প্যারিস এবং ভিয়েনায়–মোদ্দা কথা তার বাড়ির চৌহদ্দি থেকে অনেক দূরে—তার বিষয়ে লোকে ছিল নীরব। দূর থেকে অনেক কিছুই শোনা যায়। অনেকেই তা পাত্তা দেয় না। তবে স্ক্যান্ডাল যখন বাড়ির কাছেই ঘটে সেটি তখন ভিন্ন বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। মানুষ তখন নিন্দা শুরু করে। তবু অনেকে বাকসংযমের পরিচয় দিয়েছিল এবং মূর্তমান ঘটনা ঘটার পরেও সেদিকে কেউ খেয়াল দেয়নি। মার্গারেট ডিলান্ডর এমন অকুতোভয় এবং খোলামেলা যে জিওফ্রে ব্রেন্টের সঙ্গিনী হিসেবে তার যে অবস্থান তুলে ধরা হয়েছিল সে তা মেনে নেয় এমন সহজভাবে যে লোকে বিশ্বাস করতে থাকে তার সঙ্গে ব্রেন্টের গোপনে বিয়ে হয়ে গেছে। নিন্দুকেরা তাদের জিভ সংযত রাখাই শ্রেয় মনে করে। তারা ভাবে মহিলাকে আরও পর্যবেক্ষণ করা দরকার এবং উল্টোপাল্টা কিছু বলে তারা মার্গারেটকে সক্রিয় শত্রু তৈরি করতে চায়নি।

    তবে একজন মানুষ এর মধ্যে নাক গলিয়ে সকল সন্দেহের অবসান ঘটাতে পারত। কিন্তু পারিপার্শ্বিকতা তাকে এ থেকে নিবারিত করে। উইকহ্যাম ডিলান্ডর তার বোনের সঙ্গে কলহে লিপ্ত হয়েছিল-কিংবা এমনও হতে পারে মার্গারেট নিজেই তার ভাইয়ের সঙ্গে ঝগড়া করেছিল। পরস্পরের প্রতি তিক্ত ঘৃণা থেকেই এর সূত্রপাত। ব্রেন্টস রকে মার্গারেট কেন যেত এ নিয়ে কথা কাটাকাটি থেকে দুই ভাইবোনের প্রায় হাতাহাতির জোগাড়। দুই পক্ষই একে অপরকে হুমকি দিচ্ছিল এবং শেষমেশ উইকহ্যাম প্রচণ্ড খেপে গিয়ে বোনকে গৃহত্যাগের আদেশ দেয়। মার্গারেট সঙ্গে সঙ্গে সিধে হয় এবং নিজের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র পর্যন্ত না নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে সে দাঁতমুখ খিঁচিয়ে উইকহ্যামকে শাসায় আজকের ঘটনার জন্য তার ভাইকে আজীবন পস্তাতে হবে।

     

    আরও দেখুন
    ফ্যামিলি গেম
    অনলাইন বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    ই-বুক রিডার
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ভাষা
    অনলাইন বুক
    বাংলা বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা গল্প

     

    এরপরে কয়েক সপ্তাহ কেটে গিয়েছিল। পড়শিরা অনুমান করে মার্গারেট লন্ডন চলে গেছে, যেখানে জিওফ্রে ব্রেন্টের সঙ্গে তাকে আকস্মিক ঘুরতে দেখা যেতে থাকে এবং রাত ঘনাবার আগেই গোটা মহল্লা জেনে যায় ব্রেন্টস রকে আবাস গেড়েছে মার্গারেট। ব্রেন্ট যখন তার স্বাভাবিক সময়ের আগেই বাড়িতে ফিরে এসেছিল এতে কেউই বিস্মিত হয়নি। এমনকি তার ভৃত্যরাও জানত না কখন তার দেখা মিলবে। কারণ জিওফ্রের বাড়িতে ঢোকা বা বেরুনোর জন্য একটি ব্যক্তিগত দরজা ছিল, যেটির চাবি সব সময় তার কাছেই থাকত। সে বাড়ির কাউকে জানান না দিয়ে ওই দরজা দিয়ে মাঝেমাঝে আসা-যাওয়া করত। দীর্ঘদিন বাইরে থাকার পরে সাধারণত এরকমই ছিল তার আগমন।

    খবর শুনে মহা ক্ষিপ্ত উইকহ্যাম ডিলান্ডর। সে প্রতিশোধের শপথ নিল—মন ঠিক রাখতে তার মদ্যপানের পরিমাণ বেড়ে গেল আরও। বেশ কয়েকবারই চেষ্টা করল বোনের সঙ্গে দেখা করতে, কিন্তু মার্গারেট ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করল সাক্ষাতের প্রস্তাব। সে ব্রেন্টের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েও প্রত্যাখ্যাত হলো। ব্রেন্টকে রাস্তায় দাঁড়া করিয়ে কথা বলতে চাইল। তাতেও ফায়দা হলো না। জিওফ্রের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কেউ তাকে থামাতে পারে না। দুই পুরুষের মধ্যে বেশ কয়েকবারই মুখোমুখি সাক্ষাৎ হলো এবং উভয় পক্ষ থেকে হুমকি ধমকির বন্যা বয়ে গেল। তারা পরস্পরকে এড়িয়েও গেল। শেষে মুখ গোমড়া করে পরিস্থিতি মেনে নিতেই হলো উইকহ্যাম ডিলান্ডরকে।

     

    আরও দেখুন
    ফ্যামিলি গেম
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    PDF
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    অনলাইন গ্রন্থাগার

     

    মার্গারেট কিংবা জিওফ্রে কেউই শান্তিপ্রিয় স্বভাবের নয়, দুজনেরই মেজাজ চড়া। ফলে শিগগির দুজনের মধ্যে শুরু হয়ে গেল ঝগড়াঝাঁটির। একটি বিষয় থেকে ঝগড়া আরেকটি বিষয়ে মোড় নিল এবং ব্রেন্টস রকে মদের ফোয়ারা বইতে লাগল। মাঝেমধ্যেই ঝগড়া অত্যন্ত তিক্ততায় মোড় নিল, ভৃত্যরা শুনে ফেলতে পারে তার তোয়াক্কা না করে দুজনে অশ্লীলগালি গালাজ এবং তর্জন গর্জন চালিয়ে গেল নির্বিবাদে। তবে এ ধরনের সাংসারিক কলহে যেমন হয়-বিবাদ শেষে দুজনের মিলমিশ হয়ে যায়। ওদের ক্ষেত্রে দেখা গেল জিওফ্রে এবং মার্গারেট মাঝেমাঝেই ব্রেন্টস রক থেকে কোথাও যাচ্ছে। আর তখন উইকহ্যাম ডিলান্ডরকেও তার বাড়িতে অনুপস্থিত লক্ষ করা যায়। তবে প্রতিবারই সে মেজাজ খারাপ করে বাড়ি ফেরে।

    অবশেষে একটা সময় দেখা গেল ব্রেন্টস রকে মার্গারেট এবং জিওফ্রের অনুপস্থিতির মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি। কয়েকদিন আগে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল, আগেকার যেকোনো কলহের চেয়ে অনেক বেশি তিক্ত ছিল এবারকার বিবাদ; তবে এ ঝগড়াটিও মিটে যায় এবং ভৃত্যদের জানানো হয় ওরা দুজন কন্টিনেন্টে বেড়াতে যাচ্ছে।

     

    আরও দেখুন
    ফ্যামিলি গেম
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বই
    বাংলা কমিকস
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা গল্প
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    Library

     

    দিন কয়েক বাদে উইকহ্যাম ডিলান্ডরও বাইরে গেল এবং কয়েকদিন বাদে ফিরেও এল। এবারে তার মুখ গোমড়া নয় বরং বেশ সন্তুষ্টি এবং উল্লাসের একটি ছাপ আছে চেহারায়। উইকহ্যাম সরাসরি চলে এল ব্রেন্টস রকে। জিওফ্রে ব্রেন্টের সঙ্গে দেখা করতে চাইল। সাহেব এখনো ফেরেননি, জানিয়ে দিল ভৃত্যরা। থমথমে চেহারা নিয়ে উইকহ্যাম মন্তব্য করল, ‘আমি আবার আসব। আমার খবরটি পাকা-পরে বললেও চলবে।’ তারপর সে চলে গেল।

    সপ্তাহের পর সপ্তাহ কেটে গেল। মাসের পর মাস। একটি গুজব শোনা গেল যারমাট ভ্যালিতে অ্যাকসিডেন্ট হয়েছে। একটি ঘোড়ার গাড়ি একটি বিপজ্জনক মোড়ে বাঁক নিতে গিয়ে তার আরোহী একজন ইংরেজ ভদ্রমহিলা এবং গাড়িটির চালক, খাদে পড়ে যায়। পার্টির ভদ্রলোক মি. জিওফ্রি ব্রেন্ট ঘোড়াগুলোকে স্বচ্ছন্দে চলতে দেয়ার জন্য গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে এগোচ্ছিলেন বলে সৌভাগ্যক্রমে তিনি প্রাণে রক্ষা পান। তিনিই দুর্ঘটনার খবরটি জানান এবং সার্চ শুরু হয়। ভাঙা রেইল, রাস্তা, যেখানে ঘোড়াগুলো নদীতে পড়ে যাওয়ার আগে ধস্তাধস্তি করেছিল, তার চিহ্ন করুণ ঘটনাটির প্রমাণ দেয়। ভেজা ঋতু, শীতকালে প্রচুর তুষারপাত হয়েছে, তাই ফুলেফেঁপে উঠেছিল নদী এবং বরফে পূর্ণ ছিল ঘূর্ণিপাক। সন্ধান করে অবশেষে ঘোড়ার গাড়িটির ধ্বংসাবশেষের খোঁজ মেলে এবং নদীর একটি জলাবর্তের ধারে একটি ঘোড়ার লাশ পাওয়া যায়। পরে টাশের কাছে, বালুকাময়, আবর্জনায় ভরা জলধারায় সন্ধান মেলে গাড়িচালকের। কিন্তু অপর ঘোড়াটির মতো ভদ্রমহিলার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি—যেটুকু ধ্বংসাবেশ ছিল তা রোনের ঘূর্ণাবর্তে পাক খেতে খেতে লেক অব জেনেভার দিকে ছুটেছিল।

     

    আরও দেখুন
    ফ্যামিলি গেম
    Books
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    Library
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বইয়ের
    PDF
    পিডিএফ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার

     

    সম্ভাব্য সকল রকম অনুসন্ধান চালাল উইকহ্যাম ডিলান্ডর। কিন্তু নিখোঁজ নারীটির কোনো খোঁজ মিলল না। সে বিভিন্ন হোটেলের খাতার

    ‘মি. এবং মিসেস জিওফ্রে ব্রেন্ট’ নাম দুটি দেখতে পেল। সে যারমাটে তার বোনের স্মৃতির উদ্দেশে একখানা ফলক খাড়া করল বিবাহিত নামেই এবং একটি ট্যাবলেট বসানো হলো ব্রেটনের চার্চে, যেখানে ব্রেন্টস রক এবং ড্যান্ডারস ক্রফটের গির্জা অবস্থিত।

    প্রায় এক বছর কেটে গেল। উত্তেজনা থিতিয়ে এসেছে। মহল্লার মানুষজন ব্যস্ত যে যার কাজে। এক বছর আগের কথা কে মনে রাখে? ব্রেন্ট এখনো ফিরে আসেনি, ডিলান্ডরকে মদে আরও পেয়ে বসেছে, সে আগের চেয়ে আরও বেশি খিটখিটে এবং প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে উঠেছে।

    তারপর একদিন নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হলো। নতুন মিস্ট্রেসের জন্য সাজানো হলো ব্রেন্টস রক। জিওফ্রে ভিকারের কাছে লেখা এক চিঠিতে ঘোষণা করল যে সে মাস কয়েক আগে এক ইতালীয় ভদ্রমহিলাকে বিয়ে করেছে এবং দুজনে মিলে বাড়ি ফিরছে।

     

    আরও দেখুন
    ফ্যামিলি গেম
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা কমিকস
    Library
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

     

    একদল শ্রমিক নিয়োগ করা হলো বাড়ি ঠিকঠাক করতে। হাতুড়ির দুমদাম আর র‍্যাদার ঘর্ষণের শব্দ ছড়িয়ে পড়ল বাতাসে। বাড়িটির একটি অংশ, দক্ষিণ উইংটি পুরোটাই নতুনভাবে নির্মাণ করতে হলো। তারপর শ্রমিকের দল বিদায় নিল যন্ত্রপাতি ফেলে রেখে। পুরানো হলঘরটিরও কাজকর্ম কিছু বাকি থাকল। কারণ জিওফ্রে ব্রেন্ট ফিরে এসে নিজেই ডেকোরেশনের কাজ তদারকি করবে বলেছে। সে সঙ্গে তার শ্বশুরের বাড়ির হলঘরের ড্রয়িং নিয়ে আসবে। তার ইচ্ছা বাপের বাড়িতে যেমন থেকেছে বধূ, সেরকম ঘরের আস্বাদ যেন সে পায় স্বামীর বাড়ি এসে। যেহেতু হলঘর নতুন করে তৈরি করা হবে সে জন্য কিছু ভারা বাঁধার খুঁটি, তক্তা ইত্যাদি প্রকাণ্ড হলঘরের একপাশে রেখে দেয়া হয়েছে। সঙ্গে কাঠের একটি প্রকাণ্ড ট্যাংক বা বাক্সও আছে চুন মেশানোর জন্য। পাশে চুনভর্তি ব্যাগ।

    ব্রেন্টস রকের নতুন বউটির আগমন ঘোষণা করা হলো গির্জার ঘণ্টা বাজিয়ে এবং সাধারণ লোকের হর্ষধ্বনির মাধ্যমে। মেয়েটি দেখতে ভারী সুন্দর, যেন পটে আঁকা ছবি। তার মধ্যে আগুনের উত্তাপ আছে, রয়েছে কবিতার স্নিগ্ধতা। স্বল্প কটি ইংরেজি বাক্য শিখে এসেছে ইতালিয়ান বধূ।

     

    আরও দেখুন
    ফ্যামিলি গেম
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা অডিওবুক
    বই পড়ুন
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    সাহিত্য পত্রিকা

     

    তাই যখন ভাঙা ভাঙা উচ্চারণে, সুমিষ্ট গলায় বলল, জিতে নিল মানুষের হৃদয়, তার কাজল কালো আঁখির গলে পড়া সৌন্দর্যও মুগ্ধ করল সকলকে।

    জিওফ্রে ব্রেন্টকে আগের চেয়ে অনেক বেশি সুখী লাগছিল। তবে তাকে যারা অনেক দিন ধরে চেনে তাদের কাছে জিওফ্রের চেহারায় শঙ্কা এবং ভীতির ছাপ নতুনই মনে হলো। মাঝে মাঝে সে যেন কোনো শব্দ শুনে চমকে উঠল, যা অন্যদের কর্ণগোচর হয়নি।

    দিন বয়ে যায়। ফিসফিসানি শোনা যেতে লাগল ব্রেন্টস রকে উত্তরাধিকারী আসছে। জিওফ্রে তার বউয়ের প্রতি খুবই কোমল এবং দুজনের মাঝের বন্ধন তাকে অনেক নরম করে তুলেছে। সে প্রজাদের দেখভাল করছে, তাদের প্রয়োজনের কথা শুনছে, যা আগে কখনো করেনি। তার তরুণী স্ত্রী এবং সে মিলে কিছু চ্যারিটির কাজও করছে। দেখে মনে হয় আসন্ন সন্তানটির ওপরেই সে সমস্ত আশা ভরসা করে রেখেছে। সে ভবিষ্যতের দিকে যত গভীর দৃষ্টিপাত করছে ততই তার মুখ থেকে অন্ধকারের ছায়াটি ক্রমে হ্রাস পেতে চলেছে।

     

    আরও দেখুন
    ফ্যামিলি গেম
    বই পড়ুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    পিডিএফ
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা কমিকস
    Books
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ

     

    এদিকে উইকহ্যাম ডিলান্ডর কিন্তু তার প্রতিহিংসা পুষে রেখেছে। সুযোগের অপেক্ষায় আছে কখন শোধ নেয়া যায়। ব্রেন্টের স্ত্রীর ওপর প্রতিশোধের চাবুক চালানোর ইচ্ছা তার। কারণ জানে জিওফ্রেকে সবচেয়ে বড় আঘাত করা যাবে যদি তার ভালোবাসার মানুষটির কোনো ক্ষতি করা যায়। তার মনে হচ্ছে শোধ নেয়ার সুযোগটি পেতে আর বেশি দেরি করতে হবে না।

    এক রাতে বাড়ির লিভিংরুমে একাকী বসে আছে উইকহ্যাম ডিলান্ডর। একসময় ঘরটি দেখতে বেশ পরিপাটি এবং ছিমছাম ছিল কিন্তু সময়ের কষাঘাতে এবং অযত্ন-অবহেলার দংশনে কক্ষটির বর্তমানে বেহাল দশা। সৌন্দর্যের ছিটেফোঁটাও নেই কামরায়। আজ প্রচুর মদ পান করছে উইকহ্যাম, বোধবুদ্ধি প্রায় লোপ পাবার দশা। সে দরজায় কিসের যেন শব্দ শুনে মুখ তুলে চাইল। মনে হচ্ছে কেউ দরজায় দাঁড়িয়ে আছে। কর্কশ গলায় আগন্তুককে ভেতরে আসতে আহ্বান জানাল উইকহ্যাম। কেউ সাড়া দিল না। বিড়বিড় করে একটা গালি দিয়ে আবার গলায় মদ ঢালতে লাগল সে। অল্পক্ষণেই আশপাশের সবকিছু বিস্মৃত হলো সে, একটা ঘোরের মধ্যে যেন চলে গেল, তবে অকস্মাৎ সচেতন হয়ে উঠল সামনে দাঁড়ানো বিধ্বস্ত চেহারার মানুষটির সম্পর্কে, যাকে দেখতে তার বোনের ভৌতিক সংস্করণের মতো লাগছে।

     

    আরও দেখুন
    ফ্যামিলি গেম
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা কমিকস
    পিডিএফ
    Books
    বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

     

    কয়েক মুহূর্তের জন্য একটা ভয় জেঁকে ধরল উইকহ্যামকে। তার সামনে দণ্ডায়মান নারীটি, বিকৃত চেহারা এবং ধকধক জ্বলতে থাকা চক্ষু দেখে যাকে মানুষ বলেই চেনা দায়, শুধু একটি দিকেই তার বোনের মিল আছে বলে মনে হচ্ছে, তা তার একসময়ের সম্পদ সোনালি কেশরাজি যা এখন ধূসর বর্ণ ধারণ করেছে। মহিলা তার ভাইয়ের দিকে শীতল চাউনি মেলে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে রইল; এবং উইকহ্যামও, তাকিয়ে থেকে বুঝতে পেরেছে সত্যি তার বোন এসে উপস্থিত, লক্ষ করল বোনের প্রতি একসময়কার ঘৃণা এ মুহূর্তে তার বুকের মধ্যে দলা পাকিয়ে উঠছে। সে জিজ্ঞেস করল, ‘তুমি এখানে কেন? তুমি তো মারা গেছ এবং তোমাকে কবর দেয়া হয়েছে।’

    ‘আমি এখানে এসেছি উইকহ্যাম ডিলান্ডর, তোমাকে ভালোবাসা দেখাতে নয়, বরং তোমার চেয়ে আরেকজনকে আমি অনেক বেশি ঘৃণা করি।’ তার চোখ ঝিকিয়ে উঠল। ‘ওকে?’ জিজ্ঞেস করল উইকহ্যাম, এমন ভয়ংকর জোরে যে মহিলাটি চমকে গেল, যদিও পরক্ষণে সামলে নিল নিজেকে।

    ‘হ্যাঁ, ওকে,’ জবাব দিল সে। ‘তবে ভুল কোরো না, আমার প্রতিশোধ আমাকেই নিতে দাও। আর এ ব্যাপারে তোমার সাহায্যের প্রয়োজন আমার নেই বললেই চলে।’

     

    আরও দেখুন
    ফ্যামিলি গেম
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ইসলামিক বই
    বই
    বাংলা বই
    PDF
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ই-বুক রিডার
    পিডিএফ

     

    উইকহ্যাম হঠাৎ প্রশ্ন করল, ‘ও কি তোমাকে বিয়ে করেছিল?’

    মহিলার বিকৃত চেহারা ভৌতিক হাসিতে বিস্তৃত হলো। বীভৎস লাগছে দেখতে। কারণ তার নাক-মুখ সব ভাঙা, চেহারায় অসংখ্য কাটাকুটির দাগ, গায়ের রঙটাও ফ্যাকাশে, অনেক সাদা সাদা শুকনো ক্ষতচিহ্ন শরীরজুড়ে।

    ‘তোমার তাহলে জানতে ইচ্ছে করছে! তোমার অহংবোধে আনন্দের পরশ বইবে যদি জানতে পারো তোমার বোনের সত্যি বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু তোমাকে আমি তা বলব না। তোমার ওপর এটাই আমার প্রতিশোধ। আজ রাতে এসেছি তোমাকে শুধু জানাতে যে আমি বেঁচে আছি, কাজেই যেখানে আমি যাচ্ছি সেখানে হামলা হলে তুমি তার সাক্ষী থাকবে।’

    ‘তুমি যাচ্ছ কোথায়?’ জানতে চাইল তার ভাই।

    ‘সে আমার ব্যাপার! তোমাকে জানাবার কোনো ইচ্ছেই আমার নেই!’ সিধে হলো উইকহ্যাম, তবে এত বেশি মদ খেয়েছে যে দাঁড়িয়ে থাকতে পারল না। ঘুরে পড়ে গেল। মেঝেতে চিৎপাত থেকেই সে ঘোষণা করল বোনের পিছু নেবে। বোন যেখানেই যাক না কেন সে তাকে অনুসরণ করবে। আঁধারেও তার চুলের আলো আর রূপের ছটা দেখে হাসতে হাসতে বলল উইকহ্যাম।

     

    আরও দেখুন
    ফ্যামিলি গেম
    বইয়ের
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা কুইজ গেম
    Library
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা উপন্যাস
    বই পড়ুন
    নতুন উপন্যাস
    অনলাইন বই

     

    এ কথা শুনে ঘুরে দাঁড়াল তার বোন। বলল তার ভাই ছাড়া আরও কেউ কেউ আছে যারা তার চুল এবং রূপ নিয়ে অনুতাপ করবে।

    ‘রূপ চলে গেলেও চুল থাকবে,’ হিসিয়ে উঠল সে। ‘সে যখন গাড়ির চাকার লোহার খিলটা খুলে দিয়ে আমাদের খাদের নিচে নদীতে ফেলে দিয়েছিল ওই সময় সে আমার রূপ সৌন্দর্যের কথা ভাবেনি। হয়তো তার চেহারাও আমার মতো ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাবে ভিসপের পাথরের গায়ে আছড়ে পড়ে আমার যেমনটি হয়েছে এবং নদীর ভাসমান বরফখণ্ডে যেভাবে আমার দেহ ঠান্ডায় জমাট বেঁধে গিয়েছিল, তারও তেমন হবে। ওকে সাবধান করে দিয়ো। ওর সময় কিন্তু ঘনিয়ে আসছে!’ বলে সে একটানে দরজা খুলে রাতের আঁধারে মিলিয়ে গেল।

    দুই

    সেই রাতে অর্ধঘুমন্ত মিসেস ব্রেন্ট হঠাৎ জেগে উঠে তার স্বামীকে বলল, ‘ওগো, শুনছ। আমাদের জানালার নিচে খুট করে কিসের যেন শব্দ হলো!’ মিসেস ব্রেন্টের যদিও ধারণা শব্দটি শুনে জিওফ্রেও চমকে উঠেছিল-কিন্তু মনে হলো গভীরভাবে ঘুমাচ্ছে সে, জোরে জোরে শ্বাস করছে। আবার ঝিমুনি এসে গেল মিসেস ব্রেন্টের; তবে এবারে জাগল সে স্বামীকে বিছানা ছেড়ে উঠে জামাকাপড় পরতে দেখে। জিওফ্রের চেহারা একদম ফ্যাকাশে, তার হাতে ধরা বাতির আলো মুখে পড়তে তার চোখ দেখে রীতিমতো ভয় পেয়ে গেল মিসেস ব্রেন্ট।

    ‘কী হলো, জিওফ্রে? কী করছ?’ জিজ্ঞেস করল সে।

    ‘চুপ করো!’ অদ্ভুত খসখসে গলায় জবাব দিল জিওফ্রে। ‘ঘুমাও। আমার ঘুম আসছে না। অর্ধসমাপ্ত একটি কাজ শেষ করা দরকার।’

    ‘কিন্তু একা একা আমার ভয় লাগবে তো,’ বলল মিসেস ব্রেন্ট।

    প্রত্যুত্তরে জিওফ্রে তার গণ্ডদেশে চুম্বন করে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল পেছনে দরজা বন্ধ করে। মিসেস ব্রেন্ট কিছুক্ষণ জেগে থাকল, তারপর এমন ঘুম চেপে এল সে আর চোখ মেলে তাকিয়ে থাকতে পারল না। ঘুমিয়ে পড়ল।

    হঠাৎ একটা চিৎকার শুনে ঘুম টুটে গেল তার। কাছেপিঠেই কেউ চিৎকার দিয়েছে। লাফিয়ে বিছানায় উঠে বসল সে, একছুটে চলে গেল দরজায়। কান পাতল। নাহ্, কোনো শব্দ শোনা যাচ্ছে না। স্বামীর জন্য শঙ্কাবোধ করল সে। হাঁক দিল : ‘জিওফ্রে! জিওফ্রে!’

    একটু বাদে প্রকাণ্ড হলঘরের দরজা খুলে গেল। উদয় হলো জিওফ্রে তবে হাতে বাতিটি নেই।

    ‘হাশ্!’ ফিসফিস করল সে, তবে গলার স্বর কর্কশ এবং কঠিন ‘হাশ। বিছানায় যাও! আমি কাজ করছি এবং একদম বিরক্ত কোরো না। ঘুমাতে যাও। চিৎকার-চেঁচামেচি করে গোটা বাড়ি জাগিয়ে তুলো না!

    স্বামীর কণ্ঠে রঢ়তা মিসেস ব্রেন্টের বুক হিমশীতল করে দিয়েছে। এরকম আচরণ আগে কখনো পায়নি সে-পা টিপে টিপে ফিরে গেল বিছানায় এবং ওখানে শুয়ে কাঁপতে লাগল। এমন ভয় পেয়েছে কাঁদতেও পারছে না। প্রতিটি শব্দ শুনতে থাকল সে।

    অনেকক্ষণ নৈঃশব্দ শেষে লোহা দিয়ে কিছুতে বাড়ি মারার ভোঁতা আওয়াজ কানে ভেসে এল মিসেস ব্রেন্টের! তারপর ভারী কোনো পাথর পড়ল দুড়ুম করে, কেউ গালি দিয়ে উঠল। তবে আওয়াজটা চাপা শোনাল। এরপরে কিছু টেনে নেয়ার শব্দ, এরপরে আরও পাথরের দুডু ম-দাড়ুম আওয়াজ। ভয়ে কাঠ হয়ে শুয়ে রইল মিসেস ব্রেন্ট। দমাদম পিটছে হৃৎপিণ্ড। কোনো কিছু ঘষার অদ্ভুত শব্দ শুনল সে। তারপর সব চুপচাপ। একটু পরেই খুলে গেল দরজা। আবির্ভূত হলো জিওফ্রে। তার স্ত্রী ঘুমের ভান করে মটকা মেরে শুয়ে থাকল, তবে চোখের পাতা সামান্য ফাঁক করে দেখল তার স্বামী হাত ধুচ্ছে। সাদা চুনের মতো কী যেন লেগে রয়েছে হাতে।

    পরদিন সকালে সে গত রাতের ঘটনা উল্লেখ করল না দেখে মিসেস ব্রেন্টও ভয়ে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারল না।

    ওইদিন থেকে মনে হলো জিওফ্রে ব্রেন্টের ওপর কিছু একটার ছায়া যেন পড়েছে। সে আগে যেভাবে নিয়ম করে খাওয়া-দাওয়া করত তা বাদ দিল ঘুমাচ্ছেও না ঠিকমতো। সেই পুরানো অভ্যাসগুলো আবার ফিরে এল তার মধ্যে, যেন কেউ পেছন থেকে তাকে ওগুলো অনুসরণ করতে বলছে। পুরানো হলঘরটির নেশায় যেন তাকে পেয়ে বসল। দিনের বেলা বহুবার সে ওখানে যায়, তবে যে কেউ ও ঘরে প্রবেশ করলে, এমনকি তার স্ত্রীও, অধৈর্য ও বিরক্ত হয়ে ওঠে জিওফ্রে। ভবন নির্মাতার ফোরম্যান তার অসমাপ্ত কাজ করতে এল একদিন। জিওফ্রে তখন বাইরে। সে ফিরে এসে ভৃত্যের কাছে যেই শুনল ফোরম্যান হলঘরে এসেছে মেরামতির কাজে, চাকরটাকে ধাক্কা মেরে সরিয়ে দিয়ে ছুটল ওদিকে। হলঘরের দরজায় ফোরম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলো জিওফ্রের। সবেগে ঘরে ঢোকায় লোকটার সঙ্গে সে বাড়ি খেল।

    ফোরম্যান ক্ষমাপ্রার্থনার স্বরে বলল, ‘মাফ করবেন, স্যার। আমি একটু ইনকুয়ারির কাজে এসেছিলাম। বারো বস্তা চুন রেখে গিয়েছিলাম এখানে। কিন্তু এখন দেখছি দশ বস্তা আছে।’

    ‘রাখো তোমার বস্তা!’ খেঁকিয়ে উঠল জিওফ্রে।

    ধমক খেয়ে বিস্মিত ফোরম্যান। তবু সে বলল, ‘এখানে একটা ঝামেলা হয়েছে, স্যার। আমাদের লোকদেরই বোধহয় কাজ ওটা। তবে কাজটা আবার করাতে আপনাকেই গাঁটের পয়সা খরচ করতে হবে।’

    ‘মানে?’

    ‘কোনো গর্দভ ফায়ারপ্লেসের পাথরের ওপর ভারা বাঁধতে গিয়ে ওটা মাঝখান থেকে চিড় ধরিয়ে দিয়েছে, স্যার। তবে ওটা অনেক মজবুত বলে এখনো খাড়া হয়ে আছে।’

    শুনে এক মুহূর্ত চুপ থাকল জিওফ্রে তারপর টানটান গলায় তবে ভদ্রভাবে বলল, ‘তোমার লোকদের বলো গিয়ে হলঘরে এখন কোনো কাজ করতে হবে না। ওটা কিছুদিন এরকমই পড়ে থাকবে।’

    ‘ঠিক আছে, স্যার। আমি কয়েকজন লোক পাঠিয়ে দেব খুঁটি, তক্তা আর চুনের বস্তাগুলো নিয়ে গিয়ে হলঘরটি পরিষ্কার করে দিতে।’

    ‘না! না!’ বলল জিওফ্রে। ‘যা যেমন আছে তেমনই থাকবে। কখন কাজ শুরু করবে আমি তোমাকে খবর পাঠাব।’

    ফোরম্যান চলে গেল। যাওয়ার আগে বলে গেল আগেকার কাজের বিল সে পাঠিয়ে দেবে।

    ডিলান্ডর বার দুই ব্রেন্টকে রাস্তায় থামানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে শেষে একদিন হেঁকে বলল, ‘আমার বোনের তুমি কী করেছ, তোমার স্ত্রী?’

    জিওফ্রে প্রত্যুত্তরে তার ঘোড়ার পিঠে চাবুক মেরে আরও জোরে ছুটিয়ে দিল গাড়ি। আর ডিলান্ডর জিওফ্রের সাদা হয়ে যাওয়া মুখ এবং প্রায় অজ্ঞান মিসেস ব্রেন্টকে দেখে খুব মজা পেয়ে কর্কশ হাসিতে ফেটে পড়ল।

    সেই রাতে জিওফ্রে হলঘরে ঢুকে ফায়ারপ্লেসের সামনে গেল। তার গলা চিরে বেরিয়ে এল আর্তচিৎকার। পরক্ষণে নিজেকে সামলে নিয়ে একটি বাতি নিয়ে এল সে। ঝুঁকল ফায়ারপ্লেসের ভাঙা পাথরের ওপর দেখতে যে জানালা দিয়ে ভেসে আসা জোসনার আলো তার দৃষ্টিশক্তির সঙ্গে বেইমানি করছে কিনা। ক্রুদ্ধ গাঁকগাঁক শব্দ করে হাঁটু ভেঙে পড়ে গেল জিওফ্রে। ভাঙা পাথরের ফাটল বা বিড় দিয়ে বেরিয়ে আসা সোনালি কেশরাজির সঙ্গে মিশে আছে ধূসর চুল!

    দরজায় শব্দ হতে সচকিত হয়ে উঠল সে। ঘাড় ঘুরিয়ে তাকাল। তার স্ত্রী দাঁড়িয়ে আছে দোরগোড়ায়। আবিষ্কারটি আড়াল করার বেপরোয়া চেষ্টায় সে দেশলাই দিয়ে বাতিতে আগুন ধরিয়ে উবু হলো এবং ভাঙা পাথর থেকে বেরিয়ে আসা চুলের গোছা পুড়িয়ে ফেলল। তারপর নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে খাড়া হলো সে এবং স্ত্রীকে তার পেছনে দেখে অবাক হওয়ার ভান করল।

    পরবর্তী এক হপ্তা তীব্র বেদনা আর যন্ত্রণায় কাটল তার। হলঘরে সে বেশিক্ষণ একা থাকার সাহসই পেল না। যখনই ওখানে গেল জিওফ্রে দেখতে পেল ফাটল থেকে বেরিয়ে আছে নতুন গজানো সোনালি চুল। খুন হওয়া মহিলার লাশ কী করে বাড়ির বাইরে নিয়ে যাওয়া যায় তার পথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করল সে। কিন্তু প্রতিবারই বাধাপ্রাপ্ত হলো। একবার সে তার গোপন বা ব্যক্তিগত দরজা দিয়ে বেরিয়ে আসার সময় স্ত্রীর মুখোমুখি হয়ে গেল। মিসেস ব্রেন্ট তাকে জেরা করতে লাগল। এবং গোপন দরজার চাবিটি স্ত্রীকে অনিচ্ছাসত্ত্বেও দেখাতে বাধ্য হলো।

    জিওফ্রে তার স্ত্রীকে ভীষণ ভালোবাসে। তাই নিজের ভয়ংকর গোপন ব্যাপারটি তার স্ত্রী জেনে যেতে পারে কিংবা তাকে কোনো কারণে সন্দেহ করতে পারে এ ভাবনা তার জন্য ভয়ানক মর্মপীড়ার কারণ হয়ে দাঁড়াল। তবে কয়েকদিন পরে সে ঠিকই বুঝতে পারল তার বউ তাকে সন্দেহের চোখে দেখছে।

    সেদিন সন্ধ্যায় সান্ধ্যভ্রমণ শেষে মিসেস ব্রেন্ট বাড়ি ফিরে দেখে তার স্বামী পরিত্যক্ত ফায়ারপ্লেসের সামনে গম্ভীরভাবে বসে আছে। সে সরাসরি তার সঙ্গে কথা বলল।

    ‘জিওফ্রে, আমি ওই ডিলান্ডর লোকটার সঙ্গে কথা বলেছি। সে ভয়ংকর কিছু কথা বলেছে। বলল সপ্তাহখানেক আগে নাকি তার বোন তার সঙ্গে দেখা করেছিল। খুবই বিধ্বস্ত এবং বিপর্যস্ত চেহারা, শুধু সোনালি চুলগুলো আগের অবস্থায় রয়েছে। সে তার ভাইকে তার কিছু অভিপ্রায়ের কথা শুনিয়েছে। ডিলান্ডর আমাকে জিজ্ঞেস করেছে তার বোন কোথায় আছে-কিন্তু, জিওফ্রে, সে তো মারা গেছে। সে মৃত! তাহলে সে কী করে ফিরে আসে? আমার ভীষণ ভয় করছে, গো! কী করব বুঝতে পারছি না!’

    জবাবে বিশ্রী ভাষায় গালাগাল করে উঠল জিওফ্রে। কুৎসিত সেই গালাগালের স্রোত কুঁকড়ে দিল মিসেস ব্রেন্টকে। সে ডিলান্ডর, তার বোন এবং তার চৌদ্দ গোষ্ঠীর সবাইকে অভিসম্পাত দিতে লাগল, বিশেষ করে ডিলান্ডরের বোনের সোনালি চুল নিয়ে সবচেয়ে বেশি গালিগালাজ করল।

    ‘ওহ্, চুপ করো! চুপ করো!’ বলল মিসেস ব্রেন্ট। তারপর স্বামী তাকে আবার কী বলে বসে সেই ভয়ে নিজেই নিশ্চুপ হলো। রাগের চোটে খাড়া হলো জিওফ্রে, সরে এল চুল্লির সামনে থেকে। হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ল স্ত্রীর চোখে আতঙ্ক ফুটে উঠতে দেখে। তার চাউনি অনুসরণ করল জিওফ্রে এবং স্ত্রীর মতো সে-ও কেঁপে উঠল দেখে চুল্লির ফাটল থেকে এক গোছা সোনালি চুল বেরিয়ে আছে।

    ‘দ্যাখো! দ্যাখো!’ চিৎকার দিল মিসেস ব্রেন্ট। ‘ওটা নিশ্চয় ভুতের চুল। সরে এসো—সরে এসো!’ সে উন্মাদের মতো স্বামীর হাত ধরে টানতে টানতে কামরা থেকে বেরিয়ে পড়ল।

    সেই রাতে প্রবল জ্বর এল মিসেস ব্রেন্টের। জেলার ডাক্তার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ওকে দেখতে এলেন। লন্ডনে টেলিগ্রাফ পাঠানো হলো বিশেষ সাহায্য পাঠানোর জন্য। তরুণী স্ত্রীর অসুস্থতায় হতাশায় মুষড়ে গেছে জিওফ্রে, বিস্মৃত হয়েছে নিজের অপরাধ এবং তার পরিণাম সম্বন্ধে। সন্ধ্যানাগাদ বিদায় নিলেন ডাক্তার কারণ তাঁকে আরও রোগী দেখতে যেতে হবে। তবে যাওয়ার আগে জিওফ্রেকে বললেন, ‘তোমার স্ত্রীর ঠিকমতো দেখভাল কোরো। তাকে খোশমেজাজে রাখার চেষ্টা করবে। আমি কাল সকালে আবার আসব। আর লন্ডন থেকে কেউ এসে গেলে তো ভালোই। খেয়াল রেখো তোমার স্ত্রী যেন কোনোরকম মানসিক আঘাত না পায় কিংবা উত্তেজিত হয়ে না ওঠে। ওকে ফুর্তিতে রাখতে হবে। আপাতত এটিই চিকিৎসা।’

    সেই রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে, জিওফ্রের স্ত্রী বিছানায় উঠে বসে তার স্বামীকে ডাকল, ‘ওঠো! চলো, হলঘরে একবার যাই। আমি জানি সোনা কোথা থেকে আসছে! আমি দেখতে চাই ওটার কীভাবে বৃদ্ধি ঘটছে।’

    জিওফ্রে জানে স্ত্রীকে বাধা দেয়ার চেষ্টা বৃথা, কারণ তাতে সে উত্তেজিত হলে হিতে বিপরীত হবে। হয়তো চিৎকার-চেঁচামেচি করে নিজের সন্দেহের কথা প্রকাশ করে দিতে পারে তার স্ত্রী। অগত্যা সে স্ত্রীর গায়ে কম্বল মুড়িয়ে দিয়ে তাকে নিয়ে পুরানো হলঘরে চলল। হলঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল মিসেস ব্রেন্ট।

    ‘আজ রাতে আমাদের তিনজনের মধ্যে অন্য কাউকে আমি চাই না, ‘ ফ্যাকাশে হেসে ফিসফিস করল সে।

    ‘তিনজন! বলো দুজন,’ কেঁপে উঠল জিওফ্রে। এর বেশি কিছু বলার সাহস পেল না।

    ‘বসো,’ বলল তার স্ত্রী। নিভিয়ে দিল বাতি। ‘চুল্লির ধারে বসো এবং দ্যাখো কীভাবে বেড়ে ওঠে সোনা। রুপোলি চাঁদের আলোও তাকে হিংসে করবে। দ্যাখো, আলোটা কীভাবে মেঝে বেয়ে সোনার দিকে এগোচ্ছে-আমাদের স্বর্ণ!’

    নির্জলা আতঙ্ক নিয়ে দেখল জিওফ্রে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাকিয়ে থাকল সে সম্মোহিতের মতো। দেখল চুল্লির ফাটল দিয়ে একটু একটু করে বেরিয়ে আসছে সোনালি কেশরাজি। যেন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আকারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সে একবার চেষ্টা করেছিল ফাটলে পা দিয়ে গর্তটা আড়াল করতে। কিন্তু পাশের চেয়ারে বসা তার স্ত্রী তাকে বাধা দিয়েছে। স্বামীর কাঁধে মাথা রেখে বলেছে, ‘নড়াচড়া কোরো না গো। চুপচাপ বসে দ্যাখো। আমরা স্বর্ণ বৃদ্ধির গোপন রহস্য দেখব।’ জিওফ্রে তার স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে চুপচাপ বসে রইল। চাঁদের আলো মেঝে বেয়ে বেয়ে একটু একটু করে এগোচ্ছে, মিসেস ব্রেন্ট ঘুমিয়ে গেল।

    স্ত্রীকে জাগানোর সাহস হলো না জিওফ্রের। তাই সে দুঃখী চেহারা নিয়ে প্রস্তরবৎ বসে থাকল এবং অসহ্য সময়গুলো পার হতে লাগল।

    জিওফ্রের আতঙ্কভরা চোখের সামনে ভাঙা চুল্লির ফাটলের মাঝে সোনালি চুল লম্বায় ক্রমে বাড়তেই থাকল। ওটা যত দীর্ঘ হচ্ছে আকারে, জিওফ্রের বুক ততই হিমশীতল হয়ে আসছে। একটা সময় সে নড়াচড়ার শক্তি সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেলল শুধু ত্রাস নিয়ে দেখল নিজের নিয়তি।

    .

    পরদিন সকালে লন্ডন থেকে ডাক্তার এসে হাজির হলেন। কিন্তু জিওফ্রে কিংবা তার স্ত্রীর কোথাও হদিস মিলল না। সকল কামরায় চলল বৃথা তল্লাশি। শেষে পুরাতন হলঘরের প্রকাণ্ড দরজা ভেঙে ফেলার পরে মর্মান্তিক একটি দৃশ্য চোখে পড়ল সবার।

    ওখানে, পরিত্যক্ত প্রকাণ্ড চুল্লির সামনে ঠান্ডায় জমে মারা গেছে জিওফ্রে এবং তার স্ত্রী। দুজনেরই মুখ সাদা। তবে মিসেস ব্রেন্টের চেহারায় শান্তির ছাপ, মুদ্রিত চক্ষু, যেন ঘুমের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছে সে। কিন্তু জিওফ্রেকে দেখে ভয় পেল সকলে। তার চেহারা দেখেই বোঝা যায় কিছু একটা প্রত্যক্ষ করে প্রচণ্ড ভয় পেয়ে মারা গেছে সে। তার চোখ খোলা, চকচক করছে, তাকিয়ে আছে নিজের পায়ের দিকে। ওখানে পাকিয়ে আছে কয়েক গোছা সোনালি চুল, তাতে ধূসর কেশেরও আভাস রয়েছে, চুলগুলো বেরিয়ে এসেছে ভাঙা ফায়ারপ্লেসের একটা ফাটল বা গর্ত দিয়ে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিষ্ণু দে’র কবিতা
    Next Article ড্রাকুলা – ব্রাম স্টোকার

    Related Articles

    ব্রাম স্টোকার

    ড্রাকুলা – ব্রাম স্টোকার

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }