Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেরা ভূতের গল্প – ব্রাম স্টোকার

    লেখক এক পাতা গল্প246 Mins Read0
    ⤶

    বার্থডে কার্ড

    আমি চিঠিপত্রের থলেটি হাতে নিয়ে বেরিয়ে এলাম ডাকঘর থেকে। থলেটি বেশ ভারী। অনেকগুলো চিঠি ডেলিভারি দিতে হবে আমাকে। তবে মনে আমার ফূর্তিই আছে। সকাল সাতটা বাজে। ঝকমকে রোদ ছড়াচ্ছে গ্রীষ্মের সূর্য। আজ বেশ গরম পড়বে মনে হচ্ছে।

    হিলউইকের রাস্তা ধরে, চনমনে মনে লম্বা হাঁটা দিলাম। সুন্দর একটি সকালের জন্যই শুধু আমার মন খুশি খুশি নয়। আমরা-আমি এবং আমার স্ত্রী লন্ডনে থাকতাম। ওখানে দীর্ঘদিন ডাকপিয়নের কাজ করেছি। তারপর হিলউইকে পোস্টম্যানের একটি চাকরির সুযোগ জুটে যায় এবং সিদ্ধান্ত নিই কাজটি করব। বহুবারই ভেবেছি সিদ্ধান্তটি সঠিক হলো কিনা। যে এলাকায় আপনি বহুদিন ধরে আছেন, যেখানকার জীবনযাত্রার সঙ্গে আপনি অভ্যস্ত সেটি ছেড়ে চলে যাওয়া সব সময় বুদ্ধিমানের কাজ নয়। তবে এখানে আসার মাস দেড়েক বাদে বুঝতে পারি আমি ঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছিলাম। আমরা বাগানসহ একটি আরামদায়ক বাড়ি পেয়েছি। এই নিরিবিলি, ঘুমন্ত শহরটির পরিবেশ আমাদের দুজনেরই বেশ পছন্দ হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকজনের সঙ্গে বন্ধুত্বও পাতিয়ে ফেলেছি। হিলউইকের জীবন নিয়ে আমরা দুজনেই আনন্দিত। জানি এখানে বসবাস উপভোগ্যই হয়ে উঠবে।

    আমি আমার কাজটিকে সর্বদাই পছন্দ করি। আমি তাজা বাতাস এবং অনুশীলন পছন্দ করি। আর একজন ডাক হরকরা এ দুটি জিনিসই যথেষ্ট পরিমাণে পেয়ে থাকে। অফিসে বসে ডেস্কের কাজ করতে হলে আমার মোটেই ভালো লাগত না। সারাদিন ডেস্কে বসে থাকার কথা কল্পনাও করতে পারি না।

    আর আমি মনে করি আমার কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লোকের চিঠিপত্র নিরাপদে বহন করার জন্য পোস্টম্যানের দরকার। কোম্পানিগুলো পোস্ট অফিসের মাধ্যমেই তাদের অর্ডার পাঠায় এবং অর্ডার পায়। চিঠিপত্র ডেলিভারি করা না হলে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যই স্থবির হয়ে যেত।

    তবে লোকের ব্যক্তিগত চিঠিপত্র পৌঁছে দেয়ার কাজটি আমার সর্বাধিক পছন্দ। বাণিজ্যিক চিঠিপত্রের গুরুত্বও অপরিসীম, তবে লোকের বাড়ি বাড়ি পৌছে তাদের ব্যক্তিগত চিঠিপত্র বিলি করাটা সবচেয়ে ভালো লাগে আমার। আমি চিঠিপত্র এবং কার্ড তাদের লেটার বক্সে ফেলে দিই। এবং আশা করি ওইসব চিঠি এবং কার্ডে সুসংবাদই রয়েছে। ব্যক্তিগত এসব চিঠিপত্র মানুষকে অনেক আনন্দ দিতে পারে। পুরানো বন্ধুরা একে অপরকে চিঠি লিখতে পারে। তরুণ ছেলেমেয়েরা চিঠি লেখে তাদের বাবা-মাকে। ছেলেরা প্রেমে পড়লে মেয়েদের চিঠি লেখে। আর এসব চিঠিপত্র বহন করে আমি মজা পাই।

    তবে ব্যক্তিগত পত্রাবলি সব সময় সুখেরও হয় না বটে। জানি না আমি সব সময় সুসংবাদ ডেলিভারি করছি না। কোনো কোনো চিঠিতে দুঃসংবাদও থাকতে পারে। তবে বেশির ভাগ মানুষই চায় ডাকপিয়ন তাকে এসে চিঠি দিয়ে যাবে। তারা লেটার বক্সের শব্দ শুনতে পছন্দ করে। তারা চিঠি পেতে ভালোবাসে।

    সেদিন ঝকমকে সকালে গোল্ড স্ট্রিট ধরে হাঁটার সময় এসব কথাই ভাবছিলাম আমি। গোল্ড স্ট্রিটের বেশির ভাগ ভবনে দোকানপাট আর অফিস। আমি এদের সবার কাছে চিঠি পৌঁছে দিই। রাস্তার শেষ মাথায় যখন পৌঁছালাম আমার চিঠির থলেটি তখন আর অত বেশি ভারী নেই। বেশ কিছু চিঠি বিলি করার কারণে হালকা হয়ে গেছে ওজনে। আমি বামে, চার্চ রোডে মোড় নিলাম। সকালের ব্যস্ততম অংশটুকুর অবসান ঘটেছে। বাকি সময়টুকু কাটবে নির্জন রাস্তাগুলোর বাড়িঘরে চিঠি বিলি করে। এদিককার আধডজন রাস্তায় আমাকে আরও চিঠি বিলি করতে হবে। তারপর ফিরব ডাকঘরে।

    চার্চ রোডের খুব বেশি বাড়ির ঠিকানায় আজ চিঠি আসেনি। কাজেই শেষ বাড়িটিতে শিগগির পৌঁছে গেলাম। এ বাড়িটির নম্বর ৯২। এ ঠিকানায় তিনখানা চিঠি আছে আমার ঝুলিতে। বাগানের সামনের ফটকটি খুলতেই একটি কণ্ঠ ভেসে এল।

    ‘আমার চিঠিটি দিতে তুমি ভুলে গেছ, পোস্টম্যান।’

    ৯১ নম্বর বাড়ির বাগান থেকে আমাকে লক্ষ করে বলা হয়েছে কথাটি। ওই বাড়ির দরজায় দাঁড়িয়ে আছেন এক ভদ্রমহিলা। দুটি বাড়িকে পৃথক করে রাখা নিচু বেড়ার উপর দিয়ে তাঁকে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলাম আমি।

    ‘এক মিনিট,’ প্রত্যুত্তরে বললাম আমি। ‘৯২-তে এই চিঠিগুলো ডেলিভারি দিয়েই আমি আসছি।’

    ৯২ নম্বর বাড়ির লেটার বক্সে চিঠিগুলো ঢুকিয়ে দিলাম। তারপর বাগানের পথ পেরিয়ে ধীর পদক্ষেপে এগোলাম ৯১ নং বাড়িটির দিকে। চিঠির ঝুলি খুঁজেও ৯১ নং, চার্চ রোড, হিলউইক-এর ঠিকানায় কোনো চিঠি পেলাম না।

    ভদ্রমহিলা ওখানে ঠায় দাঁড়িয়েই আছেন। অপেক্ষা করছেন আমার জন্য। মুখে মৃদু হাসি। তাঁকে দেখে মনে হচ্ছে তিনি নিশ্চিত আমার কাছে তাঁর জন্য চিঠি আছে। তিনি হাত বাড়িয়ে দিলেন সামনে। তাঁর আঙুলে বড়সড় একটি সোনার আংটি। তাঁর মাথার চুলগুলো ধূসর, রোদ পড়ে চকচক করছে। বৃদ্ধার পরনে গাঢ় সবুজ রঙের একটি পোশাক, পায়ের জুতো জোড়াও বেশ চকমকে। তাঁকে এমন খুশি খুশি দেখাচ্ছিল যে আমি আরেকবার আমার ঝুলি খুঁজে দেখলাম। কারণ ওনার মন খারাপ করে দিতে ইচ্ছা করছিল না।

    ‘হয়তো কার্ড আসতে পারে আমার নামে,’ বললেন তিনি। ‘ও মাঝে মাঝে আমাকে চিঠি পাঠায় আবার কার্ডও পাঠায়।’

    ভদ্রমহিলার গলার স্বর নরম এবং ভদ্র। বড় বড় বাদামি চোখ মেলে তিনি আমাকে লক্ষ করছিলেন।

    ‘কার্ড,’ বললেন তিনি। ‘কার্ড অথবা চিঠি। আমার ছেলে পাঠাবে। সে থাকে আমেরিকায়। ওখানে চাকরি করে। অনেক বছর ধরেই আমার ছেলে আমেরিকায় থাকে। তবে আমার জন্মদিনের কথা কখনো ভুলে যায় না। আজ আমার জন্মদিন, পোস্টম্যান।’

    ‘আশা করি আপনার জন্মদিন সুখের…’ আমি বলার চেষ্টা করলাম তাঁকে। ওনাকে আমি সুখী দেখতে চাই। চাই ওনাকে ওনার চিঠি দিতে কিন্তু তাঁর ঠিকানায় কোনো চিঠিই নেই আমার থলেতে।

    ‘আরেকবার দ্যাখো, পোস্টম্যান। নিশ্চয় তোমার ঝুলিতে ওটা খুঁজে পাবে। মিসেস রজার্সের জন্য চিঠি কিংবা কার্ড। ৯১, চার্চ রোডের মিসেস রজার্সের জন্য।’

    আমি আবার আমার ঝুলি খোঁজার ভান করলাম। তলায় খানকয়েক চিঠি পড়ে ছিল। ওগুলো তুলে নিয়ে ঠিকানা পড়ার ভান করলাম। কিন্তু মিসেস রজার্সের জন্য কোনো চিঠিপত্র নেই। তবে ভদ্রমহিলার মন খারাপ করে দিতে ইচ্ছে করছিল না আমার।

    হারানো চিঠি খোঁজার ভান করার সময় বৃদ্ধার ছেলের ওপর আমার বড্ড রাগ হচ্ছিল। সে কী করে তার মায়ের জন্মদিনের কথা ভুলে গেল? তবে এ কথা তো আর ওনাকে বলা যায় না। মনে মনে ভাবাই যায় কেবল।

    অবশ্য কথা বললাম আমি। কারণ সারাদিন তো এখানে ওনার চিঠি খোঁজার ভান করে দাঁড়িয়ে থাকতে পারি না। আমার আরও কাজ আছে। পোস্ট অফিসে যেতে হবে।

    ‘আমি দুঃখিত, মিসেস রজার্স। আপনার জন্য এখানে কিছু নেই। পরে হয়তো কার্ড বা চিঠি আসবে। হয়তো আগামীকাল…আমি দুঃখিত… আমি…’

    খুশির হাসিটি মুছে গেল বৃদ্ধার মুখ থেকে। তাঁর চোখে জল দেখতে পেলাম। হঠাৎ তাঁকে আকারে খুব ছোট মনে হলো এবং মনে হলো তিনি অকস্মাৎ ভীষণ বুড়িয়ে গেছেন।

    ‘আপনি বোধহয় অসুস্থ,’ বললাম আমি। ‘চলুন, আপনাকে ঘরে নিয়ে যাই।’

    ‘না,’ বললেন তিনি। ‘না,’ তাঁর গলার স্বর অত্যন্ত দুর্বল। ‘না,’ আবার বললেন বৃদ্ধা। ‘আমাকে নিয়ে তোমার ভাবতে হবে না। আমি ভাবছি আমার ছেলের কথা। আমার প্রিয় পুত্র। ওর হয়তো কিছু হয়েছে। নইলে এর আগে তো কখনো আমার জন্মদিনের কথা ভুলে যায়নি।’

    তিনি ঘুরলেন। আমি বাগানের পথ ধরে মন্থরগতিতে ফিরে চললাম। ফটকের সামনে এসে তাকালাম পেছনের দিকে। ৯১ নং বাড়ির সদর দরজা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অদৃশ্য হয়ে গেলেন মিসেস রজার্স।

    .

    আমি বাকি চিঠি এবং কার্ডগুলো বিলি করে ফিরে এলাম ডাকঘরে। আজ সকালের মতো কাজ শেষ। সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত আমার আর কোনো কাজ নেই। ওই সময়ে আবার পোস্ট অফিসে যেতে হতো। হিলউইকে পোস্ট করা চিঠিপত্র নিয়ে রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছে দেয়া ছিল আমার কর্তব্য। ট্রেনে চিঠিগুলো চাপিয়ে দিতাম। তারপর কয়েক ঘণ্টা ফ্রি। এখন আমি বাড়ি ফিরতে পারি বিশ্রাম নিতে। তারপর বাগানে কিছু কাজ আছে।

    শিপ স্ট্রিট ধরে বাইসাইকেলে চেপে রওনা হলাম। তবে বেশি দূর গেলাম না। ছোট একটি রেস্টুরেন্টে থেমে ভেতরে ঢুকলাম কফি খেতে। আসলে কফির দরকার নেই, আমার প্রয়োজন ঠান্ডা মাথায় কিছু চিন্তাভাবনা করা। তাই টেবিলের ধারে বসলাম। রাস্তার লোকজনের দিকে তাকিয়ে থাকলাম। এদিকে আমার কফি ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছিল।

    মিসেস রজার্সের কথা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে পারছিলাম না। সারা সকাল ধরে তাঁর কথাই ভাবছিলাম। বেচারি! তাঁর অশ্রুসজল চোখ এখনো ভাসছে আমার সামনে। বেচারির জন্মদিনটা কেমন বাজে গেল। আমার জন্য কত উত্তেজনা নিয়েই না তিনি অপেক্ষা করছিলেন! অথচ আমি গিয়ে তাঁর মনটাই দিলাম খারাপ করে। অবশ্য এজন্য আমি দায়ী নই। সব দোষ তাঁর ছেলের। সে তার মায়ের জন্মদিনের কথা ভুলে গেছে। সে-ই তার মায়ের মন খারাপ করে দিয়েছে। ছেলেটা একদমই দায়িত্বহীন। না, তার চেয়েও খারাপ-অত্যন্ত নিষ্ঠুর প্রকৃতির মানুষ সে।

    কিন্তু বৃদ্ধার বিষণ্ণ, করুণ মুখখানার কথা ভুলতে পারছি না কিছুতেই। ছেলেকে দোষারোপ করেও তো মিসেস রজার্সের কোনো লাভ হচ্ছে না। দোষটা তার ছেলের, জানি আমি, কিন্তু উনি তো এখনো বেজায় মন খারাপ করে আছেন। ওনার জন্য কী করতে পারি?

    হঠাৎ একটি বুদ্ধি এল মাথায়। খুব চতুর আইডিয়া বলা যাবে না একে, তবে এর চেয়ে ভালো কোনো মতলব মাথায় খেলছে না। আমি ঠান্ডা হওয়া কফি টেবিলে রেখেই দ্রুত বেরিয়ে এলাম রাস্তায়। সাইকেলে চেপে গোল্ড স্ট্রিটের দিকে যত দ্রুত সম্ভব ছুটলাম। ওখানে একটি খবরের কাগজের দোকানে ঢুকলাম। ওরা ছবির পোস্টকার্ড এবং বার্থডে কার্ড বিক্রি করে। আমি একটি কার্ড পছন্দ করলাম মিসেস রজার্সের জন্য।

    জন্মদিনের কার্ডটি বাছাই করলাম খুব সাবধানে। এখানকার বেশির ভাগ কার্ডই বাচ্চাদের জন্য। বড়দের জন্য তৈরি করা কার্ডও আছে। তবে এগুলো মিসেস রজার্সকে দেওয়া যাবে না। কারণ ভদ্রমহিলাকে মাত্র একবার দেখলেও মনে হয়েছে উনি খুব বুদ্ধিমতী এবং ব্যক্তিত্বসম্পন্ন। তাঁকে হাসিঠাট্টার জন্মদিনের কার্ড দিলে মোটেই মানাবে না। এসব কার্ড দেখে মিসেস রজার্স হাসবেনও না। কার্ডগুলো কুকুর-বেড়াল-ঘোড়া ইত্যাদি ছবিতে বোঝাই। এসব দেখে দেখে হয়রান হয়ে গেলাম। ফটোগ্রাফ এবং ড্রয়িংগুলোও বিশ্ৰী। জন্তু- জানোয়ারগুলোকে মোটেই আসল মনে হচ্ছে না। এদের আবার পোশাকও পরানো হয়েছে! বিড়াল হাসছে… কুকুর কাঁদছে… ঘোড়া কথা বলছে.. ধেত! এসব কার্ড মিসেস রজার্সকে কিছুতেই দেওয়া যাবে না।

    অবশেষে পছন্দসই একটি বার্থডে কার্ড পেয়ে গেলাম। প্রখ্যাত ইংরেজ চিত্রকর টার্নারের আঁকা একটি ছবি। ছবিতে রঙের কারুকাজ বেশ সুন্দর। ভেতরে খুব সাধারণ একটি মেসেজ লেখা—’শুভ জন্মদিন’-ব্যস।

    আমি এই মেসেজটির নিচে লিখলাম : ‘মিসেস রজার্সের জন্য। আশা করি, আগামীকাল আপনার ছেলের তরফ থেকে একখানা কার্ড দিতে পারব।’ তারপর আমার নাম সই করে লিখলাম ‘আপনার পোস্টম্যান। ‘

    কাজটি করে বেশ ভালো লাগল আমার। যা হোক, মিসেস রজার্স অবশেষে একখানা জন্মদিনের কার্ড পাবেন। যদিও অচেনা এক লোকের কাছ থেকে কার্ড পাওয়া কিছুতেই সন্তানের তরফ থেকে পাওয়া জন্মদিনের কার্ডের বিকল্প হতে পারে না, জানি আমি। তাঁর ছেলে তাঁকে যতটা খুশি করতে পারত আমি তা পারব না। কিন্তু সে তো তার মাকে জন্মদিন উপলক্ষে কোনো কার্ড পাঠাল না। আমি দিচ্ছি। অন্তত উনি এটুকু জানবেন কেউ তাঁর জন্য ভাবে। আশা করি এতে ওনার মন খারাপ অনেকটাই কেটে যাবে।

    আমি বাইসাইকেল নিয়ে এবার চলে এলাম চার্চ রোডে। একটি বাড়ির সামনে মস্ত একটি লরি দাঁড়িয়ে আছে। ফলে রাস্তায় বেঁধে গেছে জ্যাম। অপেক্ষা করা ছাড়া গতি নেই।

    জ্যামে দাঁড়িয়ে ভাবছিলাম আমি কেন এসব ঝামেলা পোহাচ্ছি? আমার তো এখন বাড়িতে বসে বিশ্রাম নেওয়ার কথা। বাগানে কাজ করার কথা। আমি কেন মিসেস রজার্সকে নিয়ে এত ভাবছি? আজকের আগে তো ওনাকে কখনো দেখিওনি। অবশ্য হিলউইকে আমি কাজ করছিই মাত্র ছয় সপ্তাহ হলো। চার্চ রোডে দেড় মাস ধরে বিলি করছি চিঠি। কিন্তু ৯১ নং বাড়ির ঠিকানায় কোনো চিঠিপত্র আসেনি। কোনো কিছুই ওই বাড়িতে ডেলিভারি করিনি আমি। মিসেস রজার্সকে আজকের আগে তাঁর বাড়ির সামনে বা বাগানে কোথাও দেখতে পাইনি।

    ব্যাপারটি অদ্ভুত, ভাবলাম আমি। তবে এ রহস্যের জবাব আমার কাছে নেই। জ্যাম ছুটে গেল। নড়েচড়ে উঠল গাড়ি ঘোড়া। আমি মিসেস রজার্সের বাড়ি অভিমুখে ছুটলাম।

    তাঁর বাগানের ফটকে নামলাম সাইকেল থেকে। বাগানের রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে ভাবলাম, ‘আমি কার্ডখানা লেটারবক্সে রেখে দিয়ে চলে আসব? নাহ্, কাজটা ঠিক হবে না। আজ ওনার জন্মদিন। কারও সঙ্গে কথা বলতে পারলে তাঁর ভালো লাগবে।’

    আমি ভদ্রমহিলার সঙ্গে কথা বলতে চাই। তাঁর মন ভালো করে দিতে চাই। তাঁর হাতে কার্ডটি নিজেই দিতে চাই। তাঁকে জানাতে চাই আমি তাঁর প্রতি সহানুভূতিশীল।

    মিসেস রজার্সের দরজায় জোরে কড়া নাড়লাম। তারপর পিছিয়ে গেলাম। হাতে কার্ডখানা। জানালায় তাকিয়ে থাকলাম কখন দরজা খুলবে তার অপেক্ষায়।

    ‘ওই বাড়িতে কেউ সাড়া দেবে না, পোস্টম্যান।’

    ঘুরলাম আমি। ৯২ নং বাড়ির বাগান থেকে বলা হয়েছে কথাটি। ওখানে দাঁড়িয়ে আছেন এক মহিলা। তাকিয়ে রয়েছেন আমার দিকে। একে আমি আগেও দেখেছি। ইনি ৯২ নং বাড়িটির বাসিন্দা, নাম স্পারসন। চিঠি বিলি করার সময় এঁকে জানালা দিয়ে উঁকি মারতে দেখেছি আমি।

    এই মহিলার সঙ্গে এ মুহূর্তে কথা বলার মুড নেই আমার’ তবু কথা বলতে হলো। ইনি হয়তো মিসেস রজার্স সম্পর্কে কিছু জানেন।

    ‘ঠিক বুঝলাম না—’ বললাম আমি।

    ‘বললাম তো, পোস্টম্যান, ওখানে কারও সাড়াশব্দ তুমি পাবে না।’

    ‘কিন্তু ৯১ নং বাড়ির ঠিকানায় একটি কার্ড আছে।’

    ‘বাড়িটি খালি।’ বললেন তিনি।

    ‘আমার কাছে একটি কার্ড আছে,’ আবার বললাম আমি। ‘মিসেস রজার্সের জন্মদিনের কার্ড। আজ তাঁর জন্মদিন।’

    ‘জানি আমি।’ বললেন তিনি। ‘মানে জানতাম আর কী।’

    ‘জানতেন?’ বললাম আমি। ‘মানে?

    ‘মানে হলো ৯১ নং বাড়িতে কেউ থাকে না। মিসেস রজার্স ওখানে থাকেন

    না। কেউই ওখানে থাকে না। গত বছর ধরে ওখানে কেউ থাকছে না।

    ‘কিন্তু আজ সকালেই তো মিসেস রজার্সকে দেখলাম।’

    ‘তুমি স্বপ্ন দেখেছ।’ বললেন মিসেস স্পারসন।

    ‘উনি আমার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। বললেন আজ তাঁর জন্মদিন। তাঁর ছেলের কাছ থেকে জন্মদিনের কার্ড পাবার আশা করছিলেন তিনি। সে আমেরিকায় থাকে।’

    ‘সে আমেরিকায় থাকত,’ উঁচু গলায় বললেন মিসেস স্পারসন। ‘শোনো, পোস্টম্যান। এক বছর আগে, আজকের এই দিনে মিসেস রজার্স তাঁর ছেলের কাছ থেকে জন্মদিনের কার্ড পাবার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। ছেলেটি সব সময় তাঁকে জন্মদিনের কার্ড পাঠাত। তবে কার্ড আসেনি, ওইদিন বিকেলে একটি টেলিগ্রাম আসে ৯১ নং বাড়ির ঠিকানায়। তিনি জানতে পারেন তাঁর ছেলে গাড়ি অ্যাকসিডেন্টে মারা গেছে।’

    ‘বেচারি মিসেস রজার্স!’ বললাম আমি। ‘কী ভয়ানক খবর! তাও তাঁর জন্মদিনের সময় এমন ভয়ংকর একটি খবর পেতে হলো!’

    ‘ঠিক তাই,’ বললেন মিসেস স্পারসন। ‘মিসেস রজার্স ওই দিন সন্ধ্যায় মারা যান। এক বছর আগে তাঁর জন্মদিনের দিন মৃত্যুবরণ করেন ভদ্রমহিলা। হার্ট অ্যাটাকে তাঁর মৃত্যু হয়।’

    আমি এক মুহূর্ত স্থানুর মতো দাঁড়িয়ে রইলাম। মিসেস স্পারসন একদৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে আছেন। তারপর নিজের বাড়ির দরজার দিকে হাঁটা দিলেন।

    ‘আমি সারাক্ষণ এখানে দাঁড়িয়ে থাকতে পারব না,’ বললেন তিনি। ‘আমার কাজ আছে।’

    তিনি ঘরের দরজা বন্ধ করলেন। আমি মিসেস রজার্সের জন্মদিনের কার্ডখানা পকেটে রেখে ঙ্খলিত পায়ে বাগানের ফটকের দিকে এগোলাম।

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহরর 13 – বিশ্বখ্যাত ১৩ লেখকের ১৩টি সেরা হরর গল্প
    Next Article ড্রাকুলা – ব্রাম স্টোকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }