Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেরা ভূতের গল্প – ব্রাম স্টোকার

    লেখক এক পাতা গল্প246 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্য জিপসি প্রফেসি

    ‘আমার সত্যি মনে হচ্ছে,’ বলল ডাক্তার, ‘আমাদের যে কারও একজনের গিয়ে দেখে আসা উচিত ব্যাপারটা ভুয়া নাকি সত্যি।’

    ‘ভালোই বলেছ!’ বলল কনসিডাইন। ‘ডিনারের পরে সিগার ফুঁকতে ফুঁকতে আমরা ক্যাম্পটিতে একবার ঢুঁ মেরে আসব।’

    নৈশভোজ শেষে জোশুয়া কনসিডাইন এবং তার বন্ধু ডা. বার্লে জলার পুব দিকে হাঁটতে বেরুল। ওদিকেই জিপসিদের ঘাঁটি। ওরা বেরুবার সময় মেরি কনসিডাইন বাগান থেকে হাঁক ছেড়ে তার স্বামীকে বলল :

    ‘ওদের কিন্তু একটা ফেয়ার চান্স দিয়ো, জোশুয়া। তবে ফরচুনের ব্যাপারে কোনোরকম ক্লু দেয়া চলবে না—আর হ্যাঁ, কোনো জিপসি মেয়ের সঙ্গে কিন্তু ফষ্টিনষ্টি করতে যেয়ো না-জেরাল্ডের দিকেও খেয়াল রেখো, ও যেন কারও ফাঁদে না পড়ে।’

    জবাবে কনসিডাইন শপথ নেয়ার ভঙ্গিতে হাত তুলল। তারপর শিসের সুরে গাইতে লাগল পুরানো গানটি- দ্য জিপসি কাউন্টেস’। জেরাল্ডও গলা মেলাল। তারপর দুই বন্ধু ফেটে পড়ল হো হো হাসিতে। মেরির দিকে মাঝে মাঝেই ফিরে হাত নেড়ে দেখাল। মেরি ফটকের গায়ে হেলান দিয়ে আছে। গোধূলির আলোয় লক্ষ করছে ওদের।

    গরমকাল। চমৎকার একটি সন্ধ্যা। ঝিরঝির বাতাসে ফুরফুরে মন। নতুন বিয়ে করেছে কনসিডাইন। তার ঘটনাবিহীন জীবনে এটিই একমাত্র উল্লেখযোগ্য ঘটনা। মেরি উইনস্টনের পাণিপ্রার্থী ছিল সে অনেক আগে থেকেই। কিন্তু মেরির উচ্চাভিলাষী বাবা-মা তাঁদের একমাত্র মেয়ের জন্য আরও যোগ্য পাত্র খুঁজছিলেন। তাই শুরু থেকেই ওঁরা মেরি-জোশুয়ার প্রণয়ের সম্পর্কে আপত্তি জানিয়ে আসছিলেন। মি. এবং মিসেস উইনস্টন যখন তরুণ ব্যারিস্টারটির সঙ্গে তাদের মেয়ের ভাব ভালোবাসার বিষয়টি আবিষ্কার করেন, দুজনকে বিচ্ছিন্ন করে রাখতে মেয়েকে দূরে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। মেয়েকে দিয়ে এমন প্রতিজ্ঞাও করিয়েছিলেন সে কোনোভাবেই তার প্রেমিকের সঙ্গে যোগাযোগ করবে না। কিন্তু প্রেম কোনো বাধা মানলে তো! প্রেমিকার অনুপস্থিতি কিংবা অবহেলার কোনোটিই তরুণকে তার অবস্থানচ্যুত করতে পারেনি। আর তার আশাবাদী প্রকৃতির মধ্যে হিংসা বা ঈর্ষা বিষয়টিই নেই। দীর্ঘদিন অপেক্ষার পরে মেরির বাবা-মা হাল ছেড়ে দেন এবং দুই তরুণ-তরুণী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়।

    ওরা কয়েকদিন ধরে একটি কটেজে থাকছে। এখানে মানিয়েও নিয়েছে বেশ। সপ্তাহখানেক আগে ওদের বাড়িতে বেড়াতে এসেছে জোশুয়ার কলেজজীবনের পুরানো বন্ধু জেরাল্ড বার্লে, যে নিজেও একদা মেরির রূপের দিওয়ানা ছিল। লন্ডনের প্রচণ্ড কাজের চাপ থেকে কিছুদিনের জন্য রেহাই পেতে তার এখানে আগমন।

    স্বামী চলে যাওয়ার পরে মেরি বাড়িতে ঢুকল। পিয়ানোয় বসে মেন্ডেলসনের সুর বাজাতে লাগল।

    জিপসি ক্যাম্প অল্পক্ষণের রাস্তা। ওখানে যেতে যেতে দুই বন্ধুর নতুন সিগারেট ধরানোরও অবকাশ মিলল না। জায়গাটি জিপসি ক্যাম্পের মতোই মনোহর। কয়েকজন মানুষ আগুনের ধারে বসে হাত দেখাচ্ছে। গরিবগুর্বোরা চৌহদ্দির বাইরে। সতৃষ্ণ নয়নে দেখছে ক্যাম্পের ভেতরে কী ঘটছে।

    ওরা দুই বন্ধু হেঁটে এগিয়ে যাচ্ছে, এখানকার গ্রামবাসীদের অনেকেই জোশুয়াকে চেনে, তীক্ষ্ণ চোখের, সুন্দর দেখতে একটি ছোট মেয়ে লাফাতে লাফাতে এগিয়ে এল এবং বলল ওদের ভাগ্য বলে দেবে। জোশুয়া তার হাত বাড়িয়ে দিল, তবে মেয়েটি ওর হাতের দিকে না তাকিয়ে অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল মুখের দিকে। জেরাল্ড ওকে কনুই দিয়ে ঠেলা মারল :

    ‘ওর হাতে রুপোর মুদ্রা দিতে হবে,’ বলল সে। ‘এটা না দিলে ও মুখ খুলবে না।’

    জোশুয়া পকেট থেকে একটি হাফ ক্রাউন বের করে মেয়েটিকে দিল কিন্তু সে ওদিকে না তাকিয়েই বলল :

    ‘জিপসির হাতে সোনা দিতে হবে।’

    হাসল জোশুয়া। বলল, ‘ঠিক আছে, ছোট্ট মেয়ে। তাই পাবে। তবে আমার ভাগ্য গণনা করে খুব ভালো কিছু বলতে হবে।’ সে একটি স্বর্ণমুদ্রা দিল মেয়েটিকে। মেয়েটি মুদ্রা নিয়ে বলল :

    ‘আমি কারও ভালো কিংবা মন্দ ভাগ্য দিতে পারি না, তবে রাশিফল কী বলে তা বলতে পারি।’ সে জোশুয়ার ডান হাতটি টেনে নিল এবং সোজা . করে ধরল তালু। কিন্তু হাতের তালুতে চোখ রাখামাত্র ছেড়ে দিল হাত যেন জ্বলন্ত কয়লা স্পর্শ করেছে। তার চোখেমুখে দারুণ বিস্ময় এবং ভয়, এক ছুটে চলে গেল ওখান থেকে। ক্যাম্পের মাঝখানে, বড়সড় একটি তাঁবুর পর্দা তুলে তার ভেতরে অদৃশ্য হয়ে গেল।

    জোশুয়া অবাক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকল। দুজনেই বড় তাঁবুটি লক্ষ করছে। একটু পরেই তাঁবুর পর্দা তুলে বেরিয়ে এল-না, ছোট মেয়েটি নয়, বেশ কর্তৃত্বপরায়ণ চেহারার, ঋজু দেহের মধ্যবয়ষ্ক এক নারী।

    তাকে দেখামাত্র গোটা ক্যাম্প যেন স্থির এবং নিশ্চল হয়ে গেল। হইহল্লা, হাসি, কথাবার্তা সব বন্ধ। যেসব নারী-পুরুষ মাটিতে বসে ছিল কিংবা শুয়ে ছিল সকলেই ঝট করে উঠে দাঁড়াল, বিনীত ভঙ্গিতে তাকিয়ে থাকল রাজকীয় চেহারার মহিলাটির দিকে।

    ‘এ নিশ্চয় রানি,’ বিড়বিড় করল জেরাল্ড। ‘যাক, আমাদের ভাগ্যটা ভালোই।’

    জিপসি রানি অনুসন্ধিৎসু দৃষ্টিতে গোটা ক্যাম্পে একবার চোখ বুলাল, তারপর এক মুহূর্ত দ্বিধা না করে গটগট করে হেঁটে এসে দাঁড়াল জোশুয়ার সামনে।

    ‘আপনার হাতটা দেখি,’ হুকুমের সুরে বলল সে।

    জেরাল্ড চাপা গলায় মন্তব্য করল, ‘স্কুলে পড়ার পর থেকে কেউ আমার সঙ্গে ওভাবে কথা বলেনি।’

    ‘জিপসিকে আপনার সোনা দিতে হবে।’

    ‘তা তো দিতেই হবে,’ ফিসফিস করল জেরাল্ড। জোশুয়া তালুতে একটি স্বর্ণমুদ্রা রেখে বাড়িয়ে দিল হাত।

    জিপসি রানি ভুরু কুঁচকে হাতের দিকে তাকাল। তারপর ঝট করে চাইল ওর মুখের দিকে। বলল :

    ‘আপনার মনে কি জোর আছে-আপনার হৃদয় কি প্রকৃত হৃদয় যেটি আপনার ভালোবাসার মানুষের জন্য সাহস দেখাতে পারে?’

    ‘নিশ্চয় পারে,’ জবাব দিল জোশুয়া।

    ‘তাহলে আপনার প্রশ্নের জবাব আমি দেব, কারণ আপনার চেহারায় আমি সংকল্প দেখতে পাচ্ছি-প্রয়োজনে সংকল্প হয়ে উঠতে পারে বেপরোয়া এবং দৃঢ়। আপনি আপনার স্ত্রীকে ভালোবাসেন?’

    ‘অবশ্যই,’ জোর গলায় বলল জোশুয়া।

    ‘তাহলে ওকে এক্ষুনি ছেড়ে দিন-ওর মুখ আর জীবনেও দর্শন করবেন না। ওর কাছ থেকে চলে যান আপনার ভালোবাসা তাজা থাকতে থাকতে এবং মন অশুভ অভিপ্রায় থেকে মুক্ত থাকতে। জলদি যান—অনেক দূরে কোথাও যাবেন এবং আর কখনো আপনার স্ত্রীর কাছে ফিরে আসবেন না।’

    জোশুয়া ওর হাতটি চটজলদি টেনে নিল। বলল, ‘ধন্যবাদ!’ তার গলার স্বর আড়ষ্ট এবং ব্যঙ্গাত্মক। সে হাঁটা দিয়েছে।

    ‘আরে, এভাবে চলে যাচ্ছ কেন?’ বলল জেরাল্ড। ‘নক্ষত্র, ভবিষ্যদ্বাণী এসবের ওপর রুষ্ট হয়ে লাভ নেই। তা ছাড়া টাকাও তো দিয়েছ-তার কী হবে? উনি আর কী বলেন সেটুকু অন্তত শুনে যাও।’

    ‘আপনি চুপ করুন!’ খেঁকিয়ে উঠল রানি। ‘কী করতে হবে আপনি জানেন না। উনি যেতে চাইছে যাক-কিছু না জেনেই চলে যাক। সাবধান না হলে আমার কী!’

    জোশুয়া সঙ্গে সঙ্গে ফিরল। ‘ম্যাডাম, আপনাকে আমি টাকা দিলাম আমার কপালে অর্থকড়ির ভাগ্য আছে কিনা জানতে, বদলে আপনি কিনা আমাকে কিছু উপদেশ দিলেন!’

    ‘সাবধান!’ বলল জিপসি। ‘রাশিফল কিন্তু দীর্ঘদিন নীরব ছিল; ওই রহস্য এখনো অবগুণ্ঠনেই থাকতে দিন।’

    ‘মাই ডিয়ার ম্যাডাম, প্রতিদিন আমার জীবনে রহস্য আসে না এবং আমি টাকা খরচ করছি কিছু জানার জন্য, অন্ধকারে থাকার জন্য নয়।’

    জিপসি রানি জোশুয়ার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইল। তারপর বলল : ‘আপনার যা ইচ্ছা। আপনিই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং আপনাকে সাবধানও করা হয়েছে। এখন আপনিই আপনার নিয়তি বেছে নেবেন।

    ‘আমেন!’ বলল জেরাল্ড।

    উদ্ধত ভঙ্গিতে জোশুয়ার হাতখানা আবার টেনে নিল রানি। ওর ভাগ্য বলতে শুরু করল।

    ‘এখানে রক্তের নহর বইছে দেখতে পাচ্ছি; শিগগির এ রক্ত প্রবাহিত হবে; আমার দৃষ্টিপথে এ প্রবাহিত হচ্ছে। একটি কাটা আঙুলের আংটির মাঝ দিয়ে বইছে রক্ত।’

    ‘বলে যান!’ বলল জোশুয়া, হাসছে। জেরাল্ড নিশ্চুপ।

    ‘আরও পরিষ্কার করে বলব?’

    ‘নিশ্চয়। আমরা সাধারণ মানুষ নির্দিষ্টভাবেই কিছু জানতে চাই।’

    শিউরে উঠল জিপসি তারপর নাটুকে গলায় বলল, ‘এটা এক খুনির হাত-তার স্ত্রীর হত্যাকারী।’ হাতখানা ছেড়ে দিয়ে সে ঘুরে দাঁড়াল।

    হেসে উঠল জোশুয়া। ‘কী জানেন, আপনার জায়গায় আমি হলে বিজ্ঞান এবং দর্শনের মিশেল দিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করতাম। যেমন আপনি বললেন, ‘এটা এক খুনীর হাত।’ ভবিষ্যতে এটা যা-ই হোক বা সম্ভাবনা যা-ই থাকুক—বর্তমানে সেরকম কোনো সম্ভাবনাই নেই। আপনার ভবিষ্যদ্বাণী হওয়া উচিত ছিল এরকম—’এটি সেই হাত যেটি হবে খুনির।’ কিংবা ‘এটি সেই লোকের হাত যে হবে তার স্ত্রীর হত্যাকারী।’ রাশিফলের বিষয়টি আসলে টেকনিক্যাল প্রশ্নের সঙ্গে যায় না।’

    জিপসি এ কথার কোনো জবাব দিল না। মাথা নিচু করে, মনমরা ভাব নিয়ে এগোল তার তাঁবুর দিকে। পর্দা তুলে ঢুকে গেল ভেতরে।

    ওরা দুজন কোনো কথা না বলে বাড়ির পথ ধরল। জলার পাশ দিয়ে হাঁটছে। কিছুক্ষণ পরে একটু ইতস্তত করে নীরবতা ভঙ্গ করল জেরাল্ড।

    ‘ওল্ডম্যান, এটা স্রেফ একটা ঠাট্টা, বাজে রসিকতা। ঠাট্টা ঠাট্টাই। এটা আমাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেই কি ভালো হয় না?’

    ‘মানে?’

    ‘না মানে এ নিয়ে তোমার স্ত্রীকে কিছু বোলো না। সে হয়তো ভয় পাবে।‘

    ‘ভয় পাবে! মাই ডিয়ার জেরাল্ড, তুমি এসব কী বলছ? বোহেমিয়ার সমস্ত জিপসি এসেও যদি বলে আমি ওকে হত্যা করব তবু ও ভয় পাবে না কিংবা আতঙ্কিত হবে না। এসব নিয়ে ও চিন্তাই করবে না।’

    আপত্তি করল জেরাল্ড। ‘বন্ধু, মহিলারা পুরুষদের চেয়ে অনেক বেশি কুসংস্কারাচ্ছন্ন। তাদের নার্ভাস সিস্টেমের সঙ্গে আমাদেরটা মেলে না। আমরা ও সম্পর্কে জানিও না। আমি কর্মক্ষেত্রে এরকম বহু দেখেছি। তাই বলছি ওকে এ বিষয়ে কিছু বলার দরকার নেই। বললে ও ভয় পেয়ে যাবে।’

    জবাব দেয়ার সময় অজান্তেই কঠোর হয়ে এল জোশুয়ার মুখ। ‘বন্ধু, আমি আমার স্ত্রীর কাছে কিছুই গোপন করি না। বরং দুজনের মধ্যে এটা দিয়ে নতুন একটা শুরু হবে। পরস্পরের কাছে আমাদের গোপন করার কিছু নেই। কখনো এমনটি ঘটলে দেখবে আমাদের সম্পর্কটাই বদলে গেছে।’

    ‘তবু,’ বলল জেরাল্ড, ‘আমি বলছি কাজটা করা ঠিক হবে না।’

    ‘তুমি দেখছি জিপসির প্রতিটি কথা বিশ্বাস করে বসে আছো,’ বলল জোশুয়া। ‘তোমার সঙ্গে মহিলাকে মনে হচ্ছে একই সুতোয় গাঁথা। আচ্ছা, এটা কোনো সাজানো ব্যাপার নয় তো? তুমিই আমাকে জিপসি ক্যাম্পের কথা বলেছ-রানির সঙ্গে আগে যোগসাজশ করে কিছু করোনি তো?’ পরিহাসের ছলে কথাটা বলা। জেরাল্ড তাকে আশ্বস্ত করল ক্যাম্পের কথা সে মাত্র জেনেছে সকালে, কাজেই এর মধ্যে দুই নম্বরি করার কোনো অবকাশ ছিল না। হাঁটতে হাঁটতে সে তার বন্ধুর প্রতিটি কথা নিয়ে ঠাট্টা- তামাশা করল। কিছুক্ষণ পরে তারা পৌঁছে গেল কটেজে।

    মেরি পিয়ানোয় বসে আছে, তবে বাজাচ্ছে না। গোধূলির আলো তার ভেতরে কী এক আবেগের সৃষ্টি করেছে, চোখ হয়ে উঠেছে অশ্রুসজল। ওরা দুজন ঘরে ঢুকলে মেরি স্বামীর কাছে গিয়ে তাকে চুম্বন করল। জোশুয়া করুণ একটি মুখভঙ্গি করল।

    ‘মেরি,’ গভীর গলায় বলল সে, ‘তোমাকে আমাদের নিয়তির কথা জানানো দরকার। রাশিফল বলছে আমাদের ভাগ্য সংকটাপন্ন ‘

    ‘কী হয়েছে, ডিয়ার? আমাদের রাশিফলের কথা বলো। তবে দয়া করে ভয় পাইয়ে দিয়ো না।’

    ‘না, আমি তোমাকে ভয় পাইয়ে দিতে চাই না। তবে একটি সত্য কথা তোমার জানা উচিত। নাহ্, বলাটা প্রয়োজন যাতে আগেভাগেই তুমি সকল প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে পারো।’

    ‘বলতে থাকো, ডিয়ার, আমি শুনছি।’

    ‘মেরি কনসিডাইন, তোমার প্রতিমূর্তি মাদাম তুশোর জাদুঘরে দেখা যেতে পারে। রাশিফল বলছে আমার এই হাত রক্তে লাল হয়ে যাবে—তোমার রক্তে, মেরি! মেরি! মাই গড!’ সে লাফ দিয়ে সামনে বাড়ল, তবে ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে। জ্ঞান হারিয়ে মেঝেতে পড়ে গেছে মেরি।

    ‘আমি তোমাকে মানা করেছিলাম,’ বলল জেরাল্ড। ‘বলেছিলাম আমি মেয়েদের যেভাবে চিনি তুমি ততটা তাদের জানো না।’

    খানিক বাদে মূর্ছা ভাঙল মেরির। তবে হিস্টিরিয়া রোগীর মতো সে হাসল এবং কাঁদল, উন্মত্ত আচরণ করল এবং চিৎকার করে বলতে লাগল, ‘ওকে আমার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে রাখো-আমার কাছ থেকে আমার স্বামী জোশুয়াকে দূরে সরিয়ে রাখো।’ সে ভয়ে বারবার একই সকাতর অনুরোধ করে যেতে লাগল।

    জোশুয়া কনসিডাইন বৌয়ের অবস্থা দেখে তীব্র মর্মবেদনায় ভুগতে লাগল। মেরি যখন অবশেষে একটু সুস্থির হলো, সে তার পাশে হাঁটু মুড়ে বসে তার হাত-পা এবং চুলে চুম্বন করতে করতেআবোল তাবোল যা খুশি মিষ্টি মিষ্টি কথা বলতে লাগল। সারা রাত মেরির পাশে বসে তার হাত মুঠোয় পুরে জেগে রইল জোশুয়া। মাঝে মাঝে ঘুমের মধ্যে কেঁদে উঠল মেরি। তার স্বামী তাকে শান্ত করল, মেরি যখন বুঝতে পারল তার স্বামী তার পাশেই আছে, কান্না থামাল সে।

    পরদিন সকালে নাশতা করতে দেরি হয়ে গেল। জোশুয়ার কাছে একটি টেলিগ্রাম এসেছে। যেতে হবে কুড়ি মাইল দূরের উইদারিংয়ে। কিন্তু সে যেতে চাইছিল না। মেরি তাকে জোর করে পাঠাল। দুপুরের আগে আগে ঘোড়ার গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়ল জোশুয়া।

    সে চলে যাওয়ার পরে মেরি ঢুকল নিজের কামরায়। লাঞ্চের আগে তার চেহারা দেখা গেল না। তবে বিশাল উইলোগাছের নিচের লনে টেবিল পেতে যখন বৈকালিক চা পরিবেশন করা হলো, তখন মেহমানের সঙ্গে যোগ দিল মেরি। আগের রাতের ধকল অনেকটাই সামলে উঠেছে সে। এটা সেটা নিয়ে মামুলি আলাপ শেষে সে জেরাল্ডকে করুণ গলায় বলল, ‘কাল রাতে আমি খুব বোকার মতো আচরণ করেছি। তবে ভয়টাকে কিছুতেই সামাল দিতে পারিনি। ওটা নিয়ে ভাবলে এখনো ভয় লাগবে আমার। তবে এসব লোক এগুলো স্রেফ কল্পনা করেই বলে থাকে। আমি একটি পরীক্ষা করে দেখব যে ভবিষ্যদ্বানীটা ভুয়া কিনা।’

    ‘তোমার মতলব কী?’ জিজ্ঞেস করল জেরাল্ড।

    ‘আমি নিজেই জিপসি ক্যাম্পে যাব এবং জিপসি রানিকে বলব আমার ভাগ্যে কী আছে বলতে।’

    ‘বেশ বেশ। আমিও তোমার সঙ্গে যাই?’

    ‘না, না। তাহলে সব ভন্ডুল হয়ে যাবে। মহিলা তোমাকে চিনে ফেলতে পারে এবং আমার মতলব টের পেয়ে গেলে সেই রকমভাবে ভবিষ্যদ্বাণী করবে। আমি আজ একাই যাব ওখানে।‘

    অপরাহ্নের আলো ফুরিয়ে এলে মেরি কনসিডাইন জিপসি ক্যাম্পের পথ ধরল। আধঘণ্টা পরেই সে ফিরে এল। ঢুকল ড্রইংরুমে। জেরাল্ড তখন সোফায় শুয়ে বই পড়ছে। মেরির মুখখানা খড়ির মতো সাদা, উত্তেজনায় কাঁপছে। দোরগোড়াও পার হতে পারেনি, হুড়মুড় করে পড়ে গেল মেঝেতে। গোঙাচ্ছে। জেরাল্ড ছুটে গেল ওর কাছে। তবে মেরি জেরাল্ডের সাহায্য ছাড়া নিজেই উঠে বসল। ওকে চুপ থাকতে ইশারা করল। অপেক্ষা করছে জেরাল্ড। মেরিকে সামলে উঠতে সময় দিচ্ছে। কিছুক্ষণ বাদে সুস্থির হলো মেরি। তারপর খুলে বলল কী ঘটেছে।

    ‘আমি ক্যাম্পে গিয়ে দেখি,’ বলতে লাগল মেরি, ‘ওখানে কোনো জনমানুষ নেই। আমি ক্যাম্পের মাঝামাঝি জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলাম। হঠাৎ এক লম্বা মহিলা এসে হাজির আমার পাশে। ‘আমাকে নাকি কেউ খুঁজছে,’ বলল সে। আমি আমার হাতটি বাড়িয়ে দিলাম তার দিকে একটি রৌপ্যমুদ্রাসহ। সে নিজের গলা থেকে একটি সস্তা ক্ষুদ্র অলংকার খুলে নিয়ে মুদ্রাটির পাশে রাখল। তারপর দুটি একত্রিত করে পাশের নালায় ছুড়ে দিল। তারপর সে আমার হাত তার হাতে নিয়ে বলল, ‘এই পাপিষ্ঠ জায়গায় রক্তস্রোত বইবে।’ তারপর ঘুরে দাঁড়াল চলে যাওয়ার জন্য। আমি খপ করে তার হাত চেপে ধরে অনুরোধ করলাম আরও কিছু বলার জন্য। একটু ইতস্তত করে সে বলল, ‘হায়! হায়! আমি দেখতে পাচ্ছি তুমি তোমার স্বামীর পায়ের কাছে পড়ে আছ। তার হাত রক্তে রঞ্জিত।’

    মেরির গল্প অস্বস্তিতে ফেলে দিল জেরাল্ডকে। সে হেসে উড়িয়ে দিতে চাইল ব্যাপারটা। ‘এ মহিলার দেখছি খুনখারাবির দিকে প্রবল ঝোঁক।’

    ‘হেসো না,’ বলল মেরি। ‘আমি সইতে পারব না।’ তারপর আকস্মিক আবেগের তাড়নায় একরকম ছুটে বেরিয়ে গেল ঘর থেকে।

    কিছুক্ষণ পরে ফিরল জোশুয়া। হাসিখুশি, উজ্জ্বল। খিদেয় চোঁ চোঁ করছে পেট। তার উপস্থিতি আনন্দিত করে তুলল মেরিকে। তবে ও যে জিপসি ক্যাম্পে গিয়েছিল তা স্বামীকে জানাল না। তাই জেরাল্ডও কিছু বলল না। যেন উভয় পক্ষের মৌন সম্মতিতেই বিষয়টি নিয়ে কোনো আলোচনা হলো না সেই সন্ধ্যায়। যদিও মেরির চেহারায় কেমন অদ্ভুত, আড়ষ্ট একটা ভাব ফুটে রইল যা নজর এড়াল না জেরাল্ডের।

    দুই

    সকালে জোশুয়া নাশতা খেতে এল নির্দিষ্ট সময়ের খানিক বাদে। মেরি অনেক সকালেই উঠে পড়েছে ঘুম থেকে। তবে সময় যত গড়াতে লাগল মনে হলো সে একটু নার্ভাস হয়ে পড়ছে। মাঝে মাঝেই এদিক-ওদিক তাকাচ্ছে উৎকণ্ঠিত দৃষ্টিতে।

    জেরাল্ড লক্ষ না করে পারল না যে নাশতার টেবিলে কেউই ঠিকমতো খাবার তুলছে না মুখে। চপগুলো খুব শক্ত নয় কিন্তু ছুরি দিয়ে কাটা যাচ্ছে না। সবগুলো ছুরিই ভোঁতা। অতিথি বলে এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত রইল জেরাল্ড, তবে দেখল জোশুয়া অন্যমনষ্ক ভঙ্গিতে তার ছুরির ধার পরীক্ষা করছে ফলায় বুড়ো আঙুল ঘষে। তাকে অমন করতে দেখে মেরির মুখ শুকিয়ে গেল। প্রায় অজ্ঞান হওয়ার জোগাড়।

    নাশতা শেষে সকলে গেল বাগানে। মেরি ফুলের তোড়া বানাচ্ছে, স্বামীকে জিজ্ঞেস করল, ‘আমাকে কয়েকটা টি-রোজ দাও তো, ডিয়ার।’

    জোশুয়া বাড়ির সামনের একটা ঝাড় ধরে টান মারল। কাণ্ড বাঁকা হয়ে এল কিন্তু ঝাড়টা তোলা গেল না। পকেটে হাত ঢোকাল সে ছুরি বের করতে। পেল না।

    ‘তোমার ছুরিটা আমাকে দাও তো, জেরাল্ড,’ বলল সে। কিন্তু জেরাল্ডের কাছে ছুরি নেই। জোশুয়া ব্রেকফাস্ট রুমে গিয়ে একটা ছুরি নিয়ে এল। ওটার ধার পরীক্ষা করতে করতে অসন্তোষে বিড়বিড় করে বলল, ‘ছুরিগুলোর সব হলো কী- সব কটার ধার কমে গেল?’ মেরি চট করে ঘুরে ঢুকে পড়ল বাড়িতে।

    জোশুয়া ভোঁতা ছুরি দিয়ে গাছের কাণ্ড কাটার চেষ্টা করল। বেশ ধস্ত াধস্তি করে কাজটা শেষ করল সে। এদিকে ঝোপের ঝাড় ঘন হয়ে জন্মেছে। ঝাড়গুলো কেটে ফেলবে ঠিক করল সে।

    যেখানে বাসনকোসন, ছুরি ইত্যাদি রাখা হয় সেই জায়গাটি খুঁজেও কোনো ধারাল ছুরি পেল না জোশুয়া। মেরিকে ডাকল ও। মেরি এলে তাকে ছুরিগুলোর দশা বর্ণনা করল। মেরিকে খুব উত্তেজিত এবং বিবর্ণ দেখাচ্ছিল। সব শুনে সে যেমন অবাক হলো তেমনি ব্যথিত। মেরিকে জিজ্ঞেস করল, ‘তুমিই সবগুলো ছুরি ভোঁতা করে রেখেছ?’

    কান্নায় ভেঙে পড়ল মেরি। ‘ওহ্, জোশুয়া, আমি এমন ভয় পেয়েছিলাম!’

    রক্তশূন্য দেখাল জোশুয়ার চেহারা। ‘মেরি!’ বলল সে, ‘এই-ই বিশ্বাস করো তুমি আমাকে? আমার বিশ্বাস করতেও কষ্ট হচ্ছে!’

    ‘ওহ, জোশুয়া! জোশুয়া!’ হাউমাউ করে কাঁদছে মেরি। ‘আমাকে তুমি ক্ষমা করে দাও।’ সে অঝোরে কাঁদতেই লাগল।

    জোশুয়া একটু ভেবে বলল, ‘আমি বুঝতে পারছি ব্যাপারটা। হয় এটার অবসান ঘটাতে হবে নয়তো আমরা পাগল হয়ে যাব।’

    সে ছুট দিল ড্রইংরুমে

    ‘কোথায় যাচ্ছ তুমি?’ প্রায় হাহাকারের মতো শোনাল মেরির কণ্ঠ 1

    জেরাল্ড যা ভয় করছিল তা-ই দেখতে পেল। ফ্রেঞ্চ উইন্ডো থেকে মস্ত একটা গুর্খা চাপাতি হাতে জোশুয়াকে বেরিয়ে আসতে দেখে সে জন্যই অবাক হলো না।

    এটি সেন্টার টেবিলে সারাক্ষণ পড়ে থাকে। উত্তর ভারত থেকে জোশুয়ার ভাই তাকে ছুরিটি পাঠিয়েছিল। এটি একটি হান্টিং নাইফ। গুর্খারা মারামারির সময় প্রচণ্ড ধারাল এবং ভারী এ ছুরিটি ব্যবহার করে। এ জিনিস দিয়ে এক কোপে একটা ভেড়ার কল্লা নামিয়ে দেয়া যায়।

    জোশুয়াকে চকচকে অস্ত্রটি হাতে কামরা থেকে বেরিয়ে আসতে দেখে ভয়ে ত্রাহি চিৎকার দিল মেরি এবং গত রাতের হিস্টিরিয়ার ঘটনাটি পুনরাবৃত্তি হলো

    মেরিকে পড়ে যেতে দেখে ছুটে গেল জোশুয়া, হাত থেকে ছুড়ে ফেলেছে ছুরি, চেষ্টা করল স্ত্রীকে ধরতে।

    তবে এক সেকেন্ড দেরি হয়ে গেছে জোশুয়ার। দুই বন্ধু ভয়ে একসঙ্গে চিৎকার করে উঠল নগ্ন ফলার ওপর মেরিকে পড়ে যেতে দেখে।

    জেরাল্ড দৌড়ে গিয়ে দেখে মেরির বাঁ হাতখানা ঘাসের ওপর পড়ে থাকা ছুরির ফলার গায়ে লেগেছে। আঘাতে তার হাতের ছোট ছোট কয়েকটি শিরা কেটে গেছে এবং ক্ষতস্থান থেকে গলগল করে রক্ত বেরুচ্ছে। ক্ষতস্থান বেঁধে দেয়ার সময় সে জোশুয়াকে ইঙ্গিতে দেখাল ফলার আঘাতে বিয়ের আংটিটি খণ্ডিত হয়ে গেছে।

    অজ্ঞান মেরিকে ধরাধরি করে ওরা বাড়ির ভেতর নিয়ে গেল। অনেকক্ষণ পরে জ্ঞান ফিরল মেরির। হাতখানা বাঁধা স্লিংয়ের সঙ্গে। তবে ওকে খুশি খুশিই লাগছিল। সে স্বামীকে বলল, ‘জিপসির ভবিষ্যদ্বাণী প্ৰায় ফলে যাচ্ছিল। প্রায় বাস্তব হতে চলছিল তার প্রফেসি।’

    জোশুয়া প্রত্যুত্তরে ঝুঁকে স্ত্রীর আহত হাতে চুম্বন করল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহরর 13 – বিশ্বখ্যাত ১৩ লেখকের ১৩টি সেরা হরর গল্প
    Next Article ড্রাকুলা – ব্রাম স্টোকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }