Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোনার কৌটো – আশাপূর্ণা দেবী

    লেখক এক পাতা গল্প143 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সোনার কৌটো – ৩

    ৩

    দেশটা প্রগতিশীল হয়ে গেছে দেখেই বোধহয় দেশের মধ্যে কার সেই প্রাণ ভোমরাটুকু একেবারে পুরণো চেহারাখানা নিয়ে বসে আছে এটা অপ্রত্যাশিত লাগলো। আর যা অপ্রত্যাশিত তাই তো আহ্লাদের।

    শশীতারা ঊর্ধ্বমুখে তাকিয়ে দেখে বললেন, পঞ্চাশ ষাট বছরের মধ্যে বোধহয় বাড়িতে মিস্তিরি মজুর লাগেনি?

    কথাটা ফট করে গায়ে লাগলো প্রৌঢ়া মহিলাটির।

    তিনি বেজার গলায় বললেন, লাগাবার মতো আছে কে, যে লাগাবে?

    শশীতারা অবশ্য ওর ওই বেজারে বিশেষ আনন্দ অনুভব করেন। বললেন, যারা ভোগ করছে তারা ছাড়া আর কে করতে আসবে? জমি জলা বাগান পুকুর বিষয় আশয় তো কম ছিল না আমাদের শ্বশুর ঠাকুরের!

    এই—আমাদের শ্বশুর ঠাকুরের শব্দটি উচ্চারণ করায় রীতিমত পলিটিকস আছে। প্রৌঢ়া যাতে জ্বলে যান।

    তা তিনি গেলেনও। ভাবলেন, তার মানে ইনি কোমর বেঁধেই এসেছেন। ইনিও যে সমান অংশীদার তা শোনালেন। একে উচ্ছেদ করতে না পারলে ওই আলসের অশ্বত্থের চারার মতই হবে।

    মহিলা বেজার গলায় বললেন, সেই আশাতেই বোধহয় ছুটে এসেছেন শাশুড়ী যেতে না যেতে। তবে যে মানুষ চিরজন্ম ভুগে মলো, তার সঙ্গে যে—মানুষ কোনো কালে তাকিয়ে দেখলো না, তার তুলনা চলেনা।

    ওমা, এ বৌটা তো দেখছি আচ্ছা কুঁদুলী। শশীতারা অবলীলায় বলেন, তা আমার অবিশ্যি কুকুরের কামড় হাঁটুর নীচে। তবে দ্যাওরের আমার পরিবার ভাগ্যি ভালো নয় মনে হচ্ছে। মানুষকে যে আদর আপ্যায়ন করতে হয়, সে জ্ঞানও নেই। তা কর্তাটি কোথায়? যা বলবার তাকেই বলবো ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ করি না আমি। তবে শিক্ষা সহবত তোমার ভালো নয়, একথা একশোবার বলবো। মরুক গে, যার যা বুদ্ধি! ওই যে ছেলেমেয়ে দুটোকে দেখলাম, ওরা কে?

    মহিলাটি দেওয়ালের দিকে মুখ করে ভারী গলায় বলেন, আমার নাতি নাত্নি।

    ছেলের ঘরের?

    না। অনিচ্ছুক কণ্ঠ ঘোষণা করে, মেয়ের ঘরের। জামাই নেই।

    হায় কপাল। এই দ্যাখো, ফোঁকটে অন্যের সম্পত্তি নেবো খাবো বললেই কি আর ভগবান রাজী হন? অমনি অন্য ভার চাপান। তা মেয়ে কটি?

    ওই একটিই। বলে মহিলাটি উঠানের তারে শুকোতে দেওয়া কাপড় চোপড়গুলি তুলতে নেমে যান।

    শশীতারা বলেন, কপাল আর কি! এক তরকারি আলুনি! আর ছেলে কটি?

    মহিলা যত বেজারই হোন—কথার উত্তরগুলো দিতে বাধ্য হন। ছেলে ষেটের দুটি।

    ওমা! তবে তো তুমি রাজা গো! একটা ছেলে বিনেই তো সব শূন্য। ছেলেরা কই?

    ছেলেরা এখানে থাকে না। কলকাতায় কাজ করে।

    ও! তা মেয়ে?

    মহিলাটি সংক্ষেপে বলেন, আছে ঘরে। এসেছেন যখন দেখতেই পাবেন।

    শশীতারা গম্ভীর হন। বলেন, সেতো সত্যি! দেখতেই তো এসেছি। তবে জন্ম বিধবার সামনে মুখ দেখাতে লজ্জার কিছু ছিল না মেয়ের। আর সদ্য জ্যেঠিই হই যখন। দেখা সাক্ষাৎ নেই বলে তো আর সম্পর্কটা মুছে যায়নি। তা তোমার নাম কি?

    মহিলাটি আরো বেজার গলায় বলেন, আমার আবার নাম!

    তা মা বাপ তো দিয়েছিল একটা—

    সে কবেকার কথা ভুলে গেছি।

    তবে আর কি। ছোট বৌই ভাল। নাকি মেজ? কয় ভাই এরা? মানে সৎশাশুড়ীর ছেলে কটি?

    ওই একজনই—

    শশীতারা বলেন, হায় কপাল। তা তিনি কই?

    ইস্কুলে পড়ায়, চারটেয় ফিরবে।

    শশীতারা চোখ কপালে তুলে বলেন, ও কপাল! বুড়োকে এখনো ছেলে ঠেঙিয়ে খেতে হচ্ছে? কেন তোমাদের ছেলেরা টাকা পাঠায় না?

    ছোট বৌ গম্ভীর ভাবে বলেন, একদণ্ডেই কি সব জেনে ফেলা ভালো দিদি?

    শশীতারা এ অপমান গায়ে মাখেন না। অম্লান বদনে বলেন, তা অ, আ, ক, খ না চিনলে কি বই পড়া যায়? তোমাদের নাম পরিচয় আচার আচরণ কিছুই তো জানি না, সেগুলো জানবো, তবে তো আপন বলে বুঝবো। এই জানাটাই অ, আ, ক, খ। মনে থাকার মধ্যে মনে আছে, সেই বৌ বেলায় সৎশাশুড়ীর একটা সোন্দর ফুটফুটে ছেলে দেখেছিলাম, আমার বয়সী। তোমার কর্তা যে সেইটিই কি না তাও তা জানি না। নামও ভুলে গেছি। ছেলে তো ওই একটি শাশুড়ীর মেয়ে?

    চার ননদ ছিল, সবই মরে হেজে গেছে।

    পুণ্যির বংশ। তা আগের আর কেউ ছিল টিল?

    আমার নিজের শাশুড়ীর আর ছিল না। আগের শাশুড়ীর শুধু একটি ছেলে—তা’ তিনিই তো।

    তা আর আমায় বোঝাতে হবে না ছোট গিন্নী! আগের শাশুড়ীর সে ছেলের জাজ্জল্যমান সাক্ষী তো এই সামনেই। তা বাড়িতে টিপকল আছে না কুয়ো?

    ছোট গিন্নী মাথা নেড়ে বললেন, কিছুই না। পুকুর ভরসা। কুয়ো ছিল পড়ে গেছে।

    শশীতারা গালে হাত দেন। বলেন, ওমা আমি কোথা যাবো! একালে এমন গেঁয়ো ভূত হয়ে থাকে নাকি কেউ? তাও তো তোমাদের এখানটা দিব্যি শহর বাজার। বলি খাবার জল?

    পাশের বাড়ির টিউবওয়েল থেকে আসে।

    ছোট গিন্নীর মনে হচ্ছিল, বুড়ির কোনো কথার উত্তর দেবে না। কিন্তু এমন আশ্চর্য, না দিয়েও পারছে না। বুড়ি যেন মনিবের মতো প্রশ্ন করছে।

    শশীতারা ওর মনের ভাব হাড়ে হাড়ে বুঝছেন, আর মনে মনে হাসছেন।

    এখনই হয়েছে কি? যখন বিষয়ের অর্ধেক অংশ চাইবো, তখন কী করবে দেখা যাক।

    ছোটলোকের মতন হালচাল!

    কেন, দু’বিঘে জমি বেচে সব সামলে নেনা! বাড়িটা মেরামত কর, টিপকল বসা, নাইবার ঘর বানা। তা নয়, ধান চাল খাচ্ছেন আর বসে আছেন। ছেলেদের গুণেও বলিহারী! কলকাতায় গিয়ে বসে আছিস, দেখছিস না বুড়ো মা বাপ কোনদিন ছাত চাপা পড়ে মরে। তার ওপর আবার একটা বিধবা বোন। গুচ্ছের অপোগণ্ড ভাগনা ভাগনী? একটা কেউ পুকুরে ডুবে মরলে?

    তা এতো সব আর বললেন না এখন। শুধু বললেন, তবে এইবেলা রোদে রোদে পুকুর থেকেই চানটা সেরে আসি।

    ছোটগিন্নী আবারও কথা বলেই ফেলেন, এই অবহেলায় চান করবেন?

    ওমা, চান করবো না তো কি রেলগাড়ির শরীরে থাকবো? তা কাছে পিঠে কোথায় একটা কালী মন্দির ছিল না?

    আশ্চর্য, এটাও মনে পড়ে গেল শশীতারার। নতুন বর—কনেকে নিয়ে মন্দির ঘুরিয়ে নিয়ে আসা হয়েছিল।

    ছোটগিন্নী বলেন, কালী মন্দির নয়, সিংহবাহিনীর মন্দির।

    তা হবে! আছে তো?

    মন্দির আর কোথায় যাবে? চিরকালের জিনিস ছিল আছে।

    বাঃ ছোটগিন্নীর কথা কী মিষ্টি! যেন ঢিল ছুঁড়ে মারছে। দ্যাওরের আমার ভাগ্যি ভালো।

    শশীতারা গামছা নিয়ে পুকুরের উদ্দেশে যান।

    অসুবিধে অনেক হবে।

    তবু চেপে বসে থাকতে হবে।

    ভাগের জমিটা দখল করে নিয়ে বেচবার খদ্দের জোগাড় করা, সময় লাগবে। সহজে কি দেবে?

    রাজবালা ছটফট করছিলেন। রাজবালা শশীতারাকে চানের ঘাট দেখিয়ে দিয়েই ঘরে এসে ছোট নাতিকে ইস্কুলে পাঠালেন, যা ছুটে গিয়ে দাদুকে ডেকে আনগে। বলবি ফুলপুর থেকে তোমার বৌদি এসেছে।

    মেয়ে ঘরে আছে বললেও, আসলে নেই।

    মেয়ের ঘরে মন টেঁকে না, ও কেবল পাড়া বেড়িয়ে বেড়ায়।

    ভবেশ বাঁড়ুয্যের দ্বিতীয় পক্ষের অবদান রমেশ সত্যিই একদা ফুটফুটে ছেলে ছিলো, কিন্তু এখন তাকে দেখলে মনে হবে যেন একটা আটফাটা হ্যারিকেনের চিমনি।

    যেন ভিতরে যে প্রাণ শিখাটুকু জ্বলছে, তার আলোটা ধোঁয়ায় আড়ালে অদৃশ্য।

    তামাটে রং, পাকসিটে গড়ন, ঝুলে পড়া মুখ, চুলগুলো সাদা ধবধবে।

    খবরটা শুনে প্রথমটা অবিশ্বাস্য বিস্ময়ে পাথর হয়ে গেলেন রমেশ মাষ্টার।

    আমার বৌদি এসেছেন! কোথা থেকে?

    ফুলপুর থেকে।

    রমেশের হাত পা কেঁপে উঠলো। আর সন্দেহের কিছু নেই। ভাগীদার ভাগ নিতে এসেছেন। অথচ এই ভয়ে তিনি মা মরতে একটা খবরও দেননি। অবিশ্যি একবার ছোট্ট করে তুলেছিলেন কথাটা কর্তব্যবোধে, কিন্তু যে ছেলেরা দেশের এই জমিজমাকে জিনিস বলে মনেই করে না, সেই ছেলেরাই আপত্তি তুলে বললো, কোনো দরকার নেই। এলেই দেখবেন শুনবেন, বিষয়ের ভাগ চাইবেন। জীবনে তো কখনো দেখলাম না।

    তা আমিও তো বলিনি। তোদের বিয়ে টিয়ের সময় বললে আসতেন কিনা কে জানে।

    বাঃ শুনেছি তো তোমার বিয়ের সময় কে যেন নেমন্তন্ন করতে গিয়েছিল, ওনার বাবা না ঠাকুর্দা তাকে বাইরে থেকেই ভাগিয়ে দিয়েছিলো।

    হ্যাঁ, ওই রকমই একটা ঘটেছিল বটে।

    তবে আবার কী? ওসব কর্তব্যের আর দরকার নেই।

    রাজবালাও বলেছিলেন, খাল কেটে কুমীর আনা বুদ্ধিমানের কাজ নয়, বুদ্ধিহীনের কাজ।

    অতএব বুদ্ধিমানই হয়ে বসে ছিলেন রমেশ মাষ্টার।

    খবরটা শুনে কিছুক্ষণ নিথর হয়ে থেকেই হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এলেন রমেশ মাষ্টার।

    রাজবালা দরজাতেই দাঁড়িয়ে ছিলেন।

    রমেশ ইসারায় জিজ্ঞেস করলেন, কোথায়?

    চান করে এসে লক্ষ্মীর ঘরে ঢুকেছেন।

    এটাও প্রায় ইসারাতেই বললেন রাজবালা।

    রমেশ এদিক ওদিক তাকিয়ে আস্তে বললেন, তা কি রকম দেখলে?

    কি করে বোঝাবো?

    না, মানে আগের মতই আছেন কি না?

    আগে তো আমি দেখিনি।

    তা বটে।

    রমেশ নিজের ঘরের মধ্যে ঢুকে এসে জানলা দিয়ে বরাবর লক্ষ্মীর ঘরের দরজার দিকে চোরা চাহনি নিক্ষেপ করেন। আর মনে মনে চোটপাট করবার শক্তি—সংগ্রহ করতে চেষ্টা করেন।

    রাজবালা কাছাকাছি বসে বলেন, আমার তো মনে হলো একখানি জাঁহাবাজ মেয়ে মানুষ!

    তাই নাকি?

    রমেশ মাষ্টারের মুখটা শুকিয়ে যায়। বলেন, কি করে বুঝলে?

    কথাবার্তা ধরনধারণ দেখলাম তো সবই। যেন মনিব গিন্নী এসেছেন প্রজার বাড়ি, এমনি ভাব!

    রমেশ বলে, কেন? কেন? তেমন ভাব হবার কারণ?

    কারণ তুমিই বুঝো। আমি যা দেখলাম তাই বলছি।

    কি বললেন টললেন?

    অতো কথা বলবার এখন সময় নেই। তবে যা বললেন, তাতে মনে হলো আমাকে মশা মাছির মতন জ্ঞান করছেন।

    রমেশ থতমত খেয়ে বলেন, তার মানে?

    ওই তো বলছি—মানে, কারণ, সে সব তুমি বোঝ এবার।

    বাঃ যত দোষ, নন্দ ঘোষ! আমি কি চোর দায়ে ধরা পড়েছি। আমি নেমতন্ন করে নিয়ে এসেছি?

    কে এনেছে কে জানে। বিছানা বালিশ বাক্স বাসন গুছিয়ে এসে তো বসলেন।

    রমেশ মাষ্টার হাতপাখা নিয়ে নাড়ছিলেন, সেটা হাত থেকে ফেলে দিয়ে ভীত গলায় বলেন, হঠাৎ কি ভেবে, তাই ভাবছি।

    কি ভেবে সেটা আর বুঝতে পারছো না?

    রাজবালা মুখ বাঁকান, মা গেছেন শুনে টনক নড়েছে। নাও এখন বিষয়ের চুল চেরো, সমান হিস্যের ভাগীদার তো!

    রমেশ দুর্বল গলায় বলেন, বাঃ ওঁর তো ছেলেপুলে নেই।

    নেই বলে যে ভাগ ছাড়বেন তা মনে হয় না।

    রমেশ ভীতভাবে বলেন, বললেন না কি সে কথা?

    বলবেন। আসল লোকের কাছে বলবেন। কেঁচো কেন্নোর সঙ্গে বলবেন না। বলে মুখ ঘুরিয়ে চলে যান ছোটগিন্নি।

    এবার তাঁর ছুটি।

    এখন বুঝুক দ্যাওর ভাজে।

    লক্ষ্মীর ঘর থেকে বেরিয়েই মুখোমুখি! কারণ রমেশ ততক্ষণে ছটফটিয়ে ওই দরজা পর্যন্তই গিয়ে পড়েছেন।

    দুজনেই চমকে বললেন, কে?

    রমেশ আস্তে একটা প্রণাম করে বললেন, আমি বড়বৌ!

    শশীতারা আশীর্বাদ করে বললেন, ঠাকুরপো!

    তারপরই প্রথম কথা বললেন, তোমার সেই রংটা কোথায় গেল ঠাকুরপো?

    রমেশ চমকে বলেন, কোন রংটা?

    শশীতারা হেসে উঠে বলেন, ওমা অমন চমকে উঠলে কেন? বলছি সেই যে বৌ হয়ে এসে দেখেছিলাম ছোট্ট ফুটফুটে চাঁদের মতো একটি ছেলে—সে তো শুনছি তুমিই। আর যখন ভাই নেই। তাই বলছি সেই রংটা কোথায় গেল?

    এবার রমেশ হেসে ওঠেন। হা হা করে হাসি।

    পাশের ঘর থেকে ছোট গিন্নীও চমকে ওঠেন।

    এরকম হাসি রমেশ কতোকাল আগে হাসতেন।

    হাসি থামিয়ে রমেশ বললেন, সেই ফুটফুটে ছেলেটাকে এখন খুঁজছো বড় বৌ? তাহলে আমিও বলি—সেই রূপকথার রাজকন্যের মতো রূপসী বৌটিকে কোথায় ফেলে রেখে এলে বড়বৌ? আমরা ছোটরা চুপি চুপি যার নাম দিয়েছিলাম পরীবৌ।

    শশীতারা হঠাৎ কেমন অবসন্নতা বোধ করেন।

    একাদশী বলেই কী? কিন্তু উপোস আবার কবে শশীতারাকে কাবু করতে পেরেছে?

    শশীতারা তবু জোর দিয়ে বলার চেষ্টা করেন, আহা! আর কিছু না?

    রমেশ কেমন অন্যমনস্কের মতো খোলা দরজা দিয়ে উঠোনের মাঝখানটায় তাকিয়ে বলেন, সত্যিই বড়বৌ! সেদিন সকাল থেকে ওই উঠোনে আলপনা আঁকা হয়েছে, কনে বৌ এসে দাঁড়াবে। আমরা ছোট ছেলেরা কী দারুণ উত্তেজনা নিয়েই ঘুরছি, হঠাৎ এক সময় শাঁখ বেজে উঠলো। ছুটে চলে এলাম। আর দেখে সত্যি বলছি যেন হাঁ হয়ে গেলাম।

    যেন সত্যিই রূপকথার গল্পের কুঁচবরণ কন্যে মেঘবরণ চুল! মাথায় শোলার মুকুট, তবু তাতেই কী শোভা! যেন মহারাণী!

    বীরনগর হাই স্কুলের ঝুলে পড়া হেড পণ্ডিত রমেশ বাঁডুয্যে হঠাৎ যেন স্বপ্নাচ্ছন্নের গলায় বলেন, আর মাথা ছাড়া আগাগোড়াই তো সোনা দিয়ে মোড়া।…পরে তোমার কাছ ঘেসে আমি আর আমার ছোট বোন পুনি দুজনে চুপিচুপি গহণাগুলোর নাম জিগ্যেস করেছিলাম। মনে আছে তোমার?

    শশীতারা হেসে ফেলে বলেন, তা অবিশ্যি মনে নেই, তবে ছেলেটাকে মনে পড়ছে। কাঁচের মতন চকচকে চোখ, পশমের মতন চুল।

    রমেশ তেমনি স্বপ্নাচ্ছন্নের মত বলেন, আমার একটা নাম মনে আছে। একটাকে বলেছিলে বাজুবন্ধ। আর একটা বোধহয় সাতনরী।

    পাশের ঘরের বন্ধ দরজায় কান পেতে দাঁড়িয়ে রাজবালা মুখ কোঁচকায়, দ্যাওর ভাজে খুব যে রসের কথা হচ্ছে। গোড়াতেই অমন আদিখ্যেতা করতে বসলে আর তুমি শক্ত হতে পারবে? হঠাৎ বৌদিকে দেখে ভাব উথলে উঠলো দেখছি। পেটের মেয়েটা দুঃখী হয়ে এসে পড়ে আছে, তার সঙ্গে তো একবার ভাল মুখে কথা কইতে শুনি না। কেবল শাসন, কোথায় গিয়েছিলি? এতো এতো পাড়া বেড়াস কেন? তাসের আড্ডায় বসার দরকার কি? ভগবান যেমন কপাল করে দিয়েছে তেমনি থাকো—

    এই সব!

    আর এখন ভাজ দেখে মিষ্টি কথা ফুটছে! বাবাঃ উনি যে কী ঘুঘু তা আমি বুঝে নিয়েছি। মনে কোরো না মিষ্টি কথায় তুষ্ট করে ফেলবে ওঁকে। কানটা আবার চেপে ধরেন রাজবালা।

    শুনতে পান রমেশ মাষ্টার বিহ্বল গলায় বলছেন, বৌ এসে দুধে আলতার পাথরে দাঁড়ালো। আমরা ছোটরা বলাবলি করে ঠিক করে নিলাম আমরা ওঁকে পরীবৌ বলে ডাকবো।…মানুষের কতোবারই জন্মান্তর ঘটে বড়বৌ। আজ কে বলবে তুমিই সেই মানুষ। সেই পরীবৌ!

    রাজবালা জানলার গোড়ায় চলে আসেন, দেখেন বড় গিন্নী এসে দাওয়ার সিঁড়িতে বসলেন, তাঁর দ্যাওরও। টানা টানা বেশ কয়েকটা সিঁড়ি নেমে তবে উঠোনে নামতে হয়। শশীতারাও বিহ্বলের মতো দাওয়ায় সিঁড়িতে বসে পড়ে তাকিয়ে দেখেন সেই উঠোন। যেন আলপনার রেশগুলো খোঁজেন। খোঁজেন তার উপর বসানো দুধে আলতার পাথরটা।

    যার উপরে টোপর পরা বরের পিছু পিছু এসে দাঁড়াবে এক রূপকথার রাজকন্যে।

    যার গলায় সাতনরী হার, কপালে ঝাঁপটা, হাতে বাউটি বালা বাজুবন্ধ তাবিজ। আঙুলে আঙুলে আংটি বসানো রতনচুড়, পায়ে চরণ পদ্ম।

    এইখানে এই উঠোনের ইতিহাসে সেই অলৌকিক লাবণ্যের টুকরোটুকু সংরক্ষিত। আর সংরক্ষিত আছে ওই ফাটা ভাঙা মানুষটার মধ্যে।

    * * *

    শশীতারা বহুদিনের ভুলে যাওয়া হারানো একটা সম্পত্তির সন্ধানে এসেছিলেন, সেটাই পেয়ে গেলেন নাকি?

    তা নইলে শশীতারার মুখের চেহারায় অমন উজ্জ্বল গভীর প্রশান্তি কিসের?

    শশীতারা রমেশ মাষ্টারের পেশীবহুল শীর্ণ মুখটার দিকে তাকিয়ে বলেন, সে জন্মের কথা এখন আর কেউ মনে রাখেনি, কি বল?

    রমেশ মাষ্টার বললেন, নাঃ। সবাই জানে রমেশ মাষ্টারও এমনি আটফাটা। যেমন তার বাড়ির ছিরি তেমনি তার নিজের ছিরি।

    শশীতারার মনে হলো, রমেশ যেন শশীতারার বলবার কথাটাই বলে নিলো।

    শশীতারা অন্যমনস্ক গলায় বলেন, সত্যি, বাড়িখানারও আমাদেরই মতন অবস্থা হয়েছে। বলে চুপ করে যান।

    কথার জাহাজ শশীতারার এই মৌনতা বিস্ময়কর। আর শশীতারা নিজেই নিজের মনোভাবে বিস্মিত হন।

    বাড়িখানার এই অবস্থার জন্যে তিনি যেন বেশ একটু বেদনা অনুভব করছেন, আর যেন অপরাধ বোধও।

    কিন্তু কেন?

    তাঁর কিসের অপরাধ?

    তাঁর কেন বেদনাবোধ?

    শশীতারা এ বাড়ীর কে?

    ওই আটফাটা চেহারা ইস্কুল মাষ্টারটার সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে ‘আমাদের’ বললেন কী করে?

    * * *

    তাসের আসর থেকে হাতের তাস ফেলে উঠে এলো অন্ন।

    পিছন দরজা দিয়ে আস্তে ঢুকে মার সন্ধানে উঁকি ঝুঁকি দিয়ে দেখলো মা চৌকিতে শুয়ে আছে চুপ করে। কাছে গিয়ে বললো, মা কী ব্যাপার? কি ঘটনা শুনছি?

    রাজবালা পাশ ফিরে বললেন, ভালই ব্যাপার, ভালই ঘটনা। এ বাড়ির বড় গিন্নী। এক রাজা গেলেন আর এক রাজা এলেন! দাসী বাঁদী দাসী বাঁদীই রয়ে গেল।

    অন্ন মুখ বাঁকিয়ে বললো, ইল্লি! অমনি তিনি এসে রাজা হবেন? তাঁর কি রাইট শুনি?

    রাইট তো সমান সমান।

    তা বেশ—মামলা মোকদ্দমা করে আদায় করতে পারেন তখন বোঝা যাবে। তা তুমি এখন শুয়ে?

    রাজবালা এই আসন্ন সন্ধ্যায় বিছানায় পড়ে থাকারূপ গর্হিত কর্ম করেও অনুতপ্ত না হয়ে বলেন, মাথায় বাড়ি পড়লেই মানুষ শুয়ে পড়ে। মামলা মোকদ্দমার আর ফাঁক নেই অনি! তোর বাপ একেবারে এক মিনিটেই বড় বৌয়ের পাদপদ্মে ফুল চন্দন দিয়ে বসে আছেন।

    তার মানে?

    তার মানে সেই কোন জন্মের পুরনো কাহিনী, একজনের বয়েস যখন সাত আর অন্য জনের নয় কি আট। তখনকার গল্পে মসগুল একেবারে।

    তাতে কি?

    কি তা বুঝবি ক্রমশঃ। ও লোক আর মামলার দিকে গেছে! অথচ তিনি উকিল ভাইপো সঙ্গে করে এসেছেন।

    উকিল!

    তবে আর বলছি কি। দেখলেই বুঝবে কি বস্তু।

    আমার দায় পড়ছে দেখতে যেতে।

    তোমার পড়েনি, তোমার বাপের পড়েছে। তিনবার খবর নিয়ে যাওয়া হয়েছে অন্ন ফিরেছে কিনা।

    তা তিনি কি থাকবেন নাকি?

    থাকবেন বলেই তো এসেছেন। একেবারে বাক্স বিছানা নিয়ে।

    অন্নর ভারী বিরক্তি লাগে।

    এ কী গেরো রে বাবা।

    একে তো আজন্ম পাহাড়ে মেয়ে মানুষ ঠাকুমার জ্বালায় মাথা তোলবার উপায় ছিল না বেচারী মার। আবার হঠাৎ একী উৎপাত!

    অন্ন বলে, ওসব মতলব ফলবে না। এই বেলা উৎখাত করে বিদেয় করো।

    তুই পারিস কর। তোদের বাপ যদি ওঁর দলে হয়ে বসেন?

    ধ্যেৎ! কী যে বাজে কথা বল। তাই কখনো হয়? যতোই হোক বাবার চিরকাল একটু চক্ষুলজ্জা বেশী জানো তো? তা দাদা ছোড়দাকে খবর দিলে হয় না?

    দেখা যাক। রাজবালা বিরক্ত গলায় বলেন, তাঁরাই বা আমায় কী ছাতা দিয়ে মাথা রক্ষে করছেন। এখানের জমি জমাকে তো তাঁরা জিনিস বলে গণ্যই করেন না।

    অন্ন বিজ্ঞের গলায় বলে বসে, ঠাকুমার দুর্বুদ্ধিতে। যে বলতো, এক ছটাক জমিও বেচা চলবে না। না বেচলে আর ওই ইষ্টিশানের ধারের গরু চরার মাঠটার কী মূল্য বলো। এইবার ঠাকুমা গেছে, আর ভয়টা কাকে? বেচলে—

    ভয় এনাকে।

    রাজবালা বলেন, ইনি যদি এখন ভাগ ভেন্নর ধুয়ো তোলেন, বলেন বেচাকেনা চলবে না? তার মানে আমার জীবদ্দশা শেষ।

    তোর বাপের থেকে বোধহয় দু বছরের বড়ো। অবিশ্যি দেখলে তা বোঝায় না। তাঁকেই ছোট দেখায়, এঁকেই বুড়ো! বড়লোকের মেয়ে, যত্ন আত্মির শরীর।

    তা এখন তাহলে এই গরীব শ্বশুর বাড়িতে আসা কেন বাবা? অন্ন বেজার মুখে বলে, গরীবের অন্নে ভাগ বসাতে?

    তা বললে কী হবে? উকিল ভাইপো বোধহয় বুঝিয়েছে হকের ধন মদনমোহন।

    অন্নর ছেলে মেয়ে দুটো খিদে পেয়েছে, খিদে পেয়েছে করে ঘুরছিলো। সেই সময় রমেশ মাষ্টার ঢুকলেন হাতে এক হাঁড়ি ছানার জিলিপি নিয়ে।

    উৎসাহিত গলায় বললেন, তোদের বড় দিদিমা আনালেন তোদের জন্যে। খা।

    রাজবালা উঠে বসলেন। বললেন, এসেই হাত করার ফন্দীটি বার করেছেন ভাল। খা ভাই খা, বড় মানুষ বড়দিদিমার দয়ার দান বড় বড় মিষ্টি খা। গরীব দিদিমার কাছে তো বোঁদে রসমুণ্ডির ওপর ওঠে না।

    রমেশ মাষ্টার বললেন, ছোট ছেলেপুলের সামনে মনের বিষ ওগরাচ্ছো কেন? দেখইনা মানুষটা কেমন?

    অন্ন মা’র হয়ে বলে, কেমন, তা তো ওঁর আসার ব্যবস্থা দেখেই বোঝা গেছে বাবা! একটা চিঠিতে জানান না দিয়ে একেবারে থাকবো বলে চলে আসা—

    রমেশ অপ্রতিভ ভাবে বলেন, হয়তো হঠাৎ মন হয়েছে।

    এতোকালে মন হলো না, এখন যেই ঠাকুমা মারা গেলেন অমনি মন হলো।

    অন্নর যুক্তি অকাট্য।

    তবু রমেশের যেন মনে হয়, বাড়িতে একটা মানুষের মত মানুষ এসে দাঁড়িয়েছে। যেন রমেশ তার কাছে একটা আশ্রয় পাবে। এই বুড়ো বয়েস পর্যন্ত মায়ের আওতায় থেকে অভ্যস্ত রমেশ মাষ্টার কি মাথা তুলে মুক্তির নিশ্বাস না ফেলে আর একটা আওতার আশ্বাস পেয়ে নিশ্চিন্ত হয়ে বসতে চায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতিন ভুবনের কাহিনী – আশাপূর্ণা দেবী
    Next Article শিকলি কাটা পাখি – আশাপূর্ণা দেবী

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }