Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোনার কৌটো – আশাপূর্ণা দেবী

    লেখক এক পাতা গল্প143 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সোনার কৌটো – ৯

    ৯

    তুলসী বিড়িটা ধরিয়ে নিয়ে একটা টানের পর হাতে রেখে বলে, ‘তাহলে ওই কথাই রইল। ভাব বসে বসে। তিন শেয়ালের যুক্তির শেষে কী হয় দেখি।’ তুলসী চলে যায়।

    আর ওরা তিনজন নিজেদের বিষয়ে কথাটি না কয়ে বলে ওঠে, ‘আচ্ছা ওই ডাক্তার শালা কে বল দেখি? কোন শয়তানটা?’

    ননীর দোকানে লোহার শিকে হারিকেন লণ্ঠন ঝুলছিল, চৌকিতে মাদুর পাতা ছিল, এবং ননী একা বসে তাসটা ভাঁজছিল।

    আশ্চর্য! পরপর দুটো দিন চলে গেছে, আজ তিনদিন, ননীর দোকান নিঃঝুম। ননীর দোকানে তাসের আড্ডা নেই। তিনটে ছেলের একটাও এই তিনদিনে এল না, এর মানে কী?

    অথচ ননী দোকান থেকে নড়তে পারছে না। সকালবেলা হিমসিম খেয়ে যাচ্ছে ননী।

    একফোঁটা ছেলেটাকেই ডেকে ডেকে একটু সাহায্য চেয়েছে।

    এ রকম কখনো হয় না।

    এদিকে দিদিও তো জবাব দিয়েছে।

    তিনজনের একসঙ্গে অসুখ করবে, এটাও তো সম্ভব কথা নয়।

    ননী ভাবতে থাকে সেই শেষ দিন কী ঘটেছিল। খেলার সময় তুলসী এসে পড়ে খেলাটা ভেস্তে গিয়েছিল বটে, কিন্তু এরকম তো হয়ই। তুলসী মুখপুড়ী এসে উদয় হলেই খেলার জমাটিটা ভেঙে যায়।

    এসেই হয় কারুর হাত থেকে খপ করে হাততাসটা টেনে নিয়ে ‘সরে বোস, আমি একটু খেলি’, বলে খেলতে বসে যায়, এক জনকে বেকার বসে থাকতে হয়, নয়তো গাল—গল্প করে বিড়ি—সিগারেট উড়িয়ে খেলার বাঁধুনীটা নষ্ট করে দেয়।

    সেদিনও তাই করেছিল, তার বেশী কিছু নয়। ননী তো কাউকেই কিছু বলেনি।

    ভারি চিন্তায় পড়ে যায় ননী।

    ওই বাচাল মেয়েটা যেন মায়াবিনী জাদুকরী! তিনটে ছোঁড়াই ওর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ে আছে চিরটা কাল। বিয়ে—থা ঘরকন্না পর্যন্ত করছে না। এক একটা বিয়ে করে ফেললেই বৌ ওই জাদুমন্তর ফর্সা করে দিতো। ননী এবার ওদের জোর করবে। ননীকে ওরা বড়ভাইয়ের মতই ভাবে, ননীর একটা দায়িত্ব আছে।

    ননী তাস নিয়ে পেসেন্স খেলে চলে।

    হঠাৎ ননীর সামনে একটা ছায়া পড়লো।

    চমকে তাকালো ননী।

    ছায়ামূর্তি বলে উঠলো, ‘কী ননীদা, আজ এমন দুরবস্থা যে তোমার? এক্ষুনি রাজ্যপাট গুটিয়ে গেছে?’

    ননী গম্ভীর ভাবে বলে, ‘আয় বোস। রাজ্যপাট আজ তিনদিন বন্ধ।’

    ‘তাই নাকি? কেন?’

    ‘কেন সেটা তো তোকেই জিজ্ঞেস করবো ভাবছি।’

    ‘আমি কী বলবো? কেন? ওরা আর আসছে না?’

    ‘না?’

    ‘তার মানে তাসের আড্ডা বন্ধ?’

    ‘হুঁ।’

    ‘না আর হুঁ! তোমার আজ কী হল?’

    ‘কী আর হবে। ভাল লাগছে না—বসে আছি। ওদের সঙ্গে দেখা—টেখা হয়েছে এর মধ্যে?’

    তুলসী একটু কেঁপে ওঠে।

    ডাহা মিছেকথাটা বলবে কী করে?

    কী করে বলবে, রোজই দেখা হয়েছে, হচ্ছে। সকালে সন্ধ্যেয়। আমি চেয়েছিলাম ওদের মধ্যে কোনো একটাকে বিয়ে করে একটু নিশ্চিন্ত হয়ে বসি, আর সত্যি বলতে কি, মনে ঠিকই করা ছিল। সুখেনটাই ঝাঁপিয়ে পড়বে। ওটাই চিরকাল যেন আমার গার্জেনের পোস্ট নিয়ে আছে। যেন আমার ওপর ওর কিসের এক দাবি দাওয়া। কিন্তু এখন দেখছি তিনটেতেই আমার জন্যে—

    ননী বললো, ‘ভাবছিস কী? ওদের সঙ্গে দেখা হয়েছিল কিনা জিজ্ঞেস করলাম, শুনে যেন দারুণ চিন্তায় পড়ে গেলি। অসুখ বিসুখ হয়নি তো কারুর?’

    ‘অসুখ—বিসুখ শত্রুর হোক। ভাবছি এই তো কখন যেন দেখা হলো—’

    ‘তুই যেন কী চাপছিস মনে হচ্ছে তুলসী!’

    তুলসী চৌকীর একটা কোণে বসে পড়ে তাসগুলো টেনে নিয়ে ভাঁজতে ভাঁজতে বলে, ‘তোমার চোখে কিছু এড়ানোর জো নেই। তা হলে খুলেই বলি। একটা সিগ্রেট ধরাবো ননীদা?’

    ননী বেজার গলায় বলে, ‘কেন, দু’দণ্ড আর ওই ধোঁয়া না গিললে চলে না? এমন ছোটলোকের মতন অভ্যেসটা কী করে করে ফেললি?’

    ‘ছোটলোকের মত?’

    তুলসী হেসে ওঠে, ‘কী বল গো ননীদা? ভালো ভালো ভদ্দরলোকের মেয়েছেলেরা খাচ্ছে না?’ বলে, ‘ওটাই হলো মডার্ন ফ্যাশান। আমাদের বড় সার্জেনের শালী এসেছিলেন, তিনি নাকি কোন মস্ত অফিসারের বৌ, হাসপাতাল দেখতে এসেছিলেন, তার মধ্যে বোধ হয় এক প্যাকেট সিগ্রেট ধ্বংসালেন।’

    ‘বেশ করলেন। অফিসারের পরিবারের যা শোভা পায়, তা দীন—দুঃখীদের পায় না তুলসী! ওরা যেটাই করুক, সেটা হচ্ছে ফ্যাশান, আর গরীবগুরবোরা করলেই ছোটলোকমি।’

    ‘বাবা বাবা! সামান্য নিয়েও এতো লেকচার ঝাড়তে পারো তুমি ননীদা! তাহলে আর কী হবে, বিনি মৌতাতেই বলি—নানান জ্বালায় জ্বলে ঠিক করে ফেলেছি, আর এমন বেওয়ারিশ হয়ে থাকব না। একটা ওয়ারিশান জোগাড় করে ফেলে একটু নিশ্বাস ফেলে ঘুমিয়ে বাঁচি।

    ননী তীক্ষ্ন গলায় বলে, ‘অত’ কায়দা করে বলার কী আছে? এতোদিনে তাহলে বিয়ের মন হয়েছে? তা নানান জ্বালাটা কী?’

    তুলসী ননীর দিকে একবার চোখ তুলে তাকায়। তারপর মাথা নীচু করে ছেঁড়া মাদুরের ভাঙা কাঠি ভেঙে নিয়ে টুকরো করতে করতে বলে, ‘সে আর তোমায় কী বলব ননীদা! দাদা বলি, গুরুজন বলে মনে করি। পৃথিবীতে জন্তু—জানোয়ারের উপদ্রব তো কম নয়।’

    ‘হুঁ, তা বিয়েটা কি ঠিক হয়ে গেছে। পাত্তর কোথাকার? সরকারী হাসপাতালের দাইকে বিয়ে করতে রাজী তো?’

    তুলসীর চোখের তারায় ফস করে যেন আগুন জ্বলে ওঠে।

    তুলসী আত্মস্থ গলায় ঠোঁটের কোণে একটু বাঁকা হাসি হেসে বলে, ‘রাজী কি গো? শুনে অবধি পায়ে পড়ছে।’

    ‘পায়ে পড়ছে!’

    ননীও ব্যঙ্গের গলায় বলে, ‘এমন একটা হতভাগাকে জোটালি কোথা থেকে?’

    তুলসী হেসে উঠে ছুরিকাটা গলায় বলে, ‘একটা কী গো ননীদা, একসঙ্গে তিনটে জুটেছে। তিনটেই ওই শুনে অবধি আমার বাড়ির মাটি নিয়েছে। তা আমি ওদের বলছি, হ্যাঁরে আমি কী দ্রৌপদী হব?’

    ‘হুঁ’।

    ননী হঠাৎ তুলসীর হাতের কাছ থেকে তাস কটা সরিয়ে প্যাকেটে পুরে ফেলতে ফেলতে গম্ভীর গলায় বলে, ‘তা হতে বাধাই বা কী? তিনটেকেই যখন নাচিয়েছিস—’

    তুলসীও গম্ভীর হয়ে বলে, ‘আমি মোটেই কাউকে নাচাতে যাইনি ননীদা, শুধু বলেছিলাম, এ ভাবে আর রাক্ষসের ভয়ে কাঁটা হয়ে রাতে না ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে পেরে উঠছি না। সেই এতটুকুন বয়েস থেকে যুদ্ধ করে যেন ফুরিয়ে যাচ্ছি। তাই তোদের শরণ নিচ্ছি, যে পারিস আমায় একটু আশ্রয় দে। কী করে জানবো তিনজনেই দরজা খুলে বসেছিল!’

    ‘ওঃ!’

    ননী তুলসীর মুখের দিকে তাকায়!

    অহঙ্কারে ধরাকে সরা দেখছেন বোধহয় শ্রীমতী তুলসী মঞ্জরী। ওই হ্যাংলা হতভাগা তিনটে হামড়ে গিয়ে পড়ে মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছে আর কী!

    কিন্তু তাই কি?

    তুলসীর মুখে দর্প—অহঙ্কারের উগ্রতা কোথায়?

    যেন বেশ বিপন্ন বিপন্ন মুখ।

    যেন সত্যিই বেচারী কিংকর্তব্যবিমূঢ়!

    দেখল, তা বলে ননী নরম হল না।

    ননী বেশ বিদ্রূপের গলায় বলে, ‘ওঃ তাহলে একেবারে রাজকন্যার স্বয়ংবর—সভা বসে গেছে বল? তা’ ভাবনার কী আছে? যে দরজাটা সবচেয়ে বড় সেটাতেই ঢুকে পড়। তারপর শুম্ভ নিশুম্ভর পালা চলুক।

    তুলসী উঠে দাঁড়ায়। আহত গলায় বলে, ‘তুমি আমায় চিরকাল ঠাট্টা—ব্যঙ্গই করলে ননীদা, আমার দুঃখু জ্বালাটা কখনো দেখলে না। ছোটবেলায় যখন এর দোরে ওর দোরে ঘুরে বেড়িয়েছি, তখন যদি একটু দয়া—ঘেন্না করে আশ্রয় দিতে, তাহলে হয়তো আজ সরকারি হাসপাতালে দাই হতে হত না’।

    ‘আমি?’

    ননী আকাশ থেকে পড়ে বলে, ‘আমি তোকে কী সুবাদে আশ্রয় দিতাম?’

    ‘সুবাদ কি শুধু সম্বন্ধ দিয়েই হয় ননীদা? তুমি একটা মানুষ, আর আমিও একটা মানুষ—এই সুবাদে!’

    ‘এই সুবাদে?’

    ননী প্রায় খিঁচিয়ে ওঠে, ‘আহা! তুলসী, তুই যেন এইমাত্তর সগগো থেকে খসে পড়লি, নরলোকের কিছু জানিস না। মানুষের ওপর ‘মানুষে’র ব্যবহার করাটি যত সহজ মেয়েমানুষের ওপর তা নয়, বুঝলি?’

    ‘বুঝলাম।’ বলে একটু হাসে তুলসী, ‘এই যে একটু সুখ—দুঃখের কথা কইছি, তাতেই বুক ছমছম করছে, এক্ষুনি দরজার আড়ালে পদ্মদির ছায়া পড়বে।’

    পদ্মদি!

    ননী উদাস গলায় বলে, ‘দিদি নেই।’

    ‘নেই! নেই মানে?’

    ‘মানে চলে গেছে?’

    ‘কোথায় গেছে?’

    ননী হঠাৎ দাঁড়িয়ে উঠে তিক্ত গলায় বলে, ‘শ্বশুরবাড়ি।

    ‘ও বাবা! বল কি? পদ্মদির আবার যাবার মতন একটা শ্বশুরবাড়ি ছিল নাকি ননীদা?’

    ‘ছিল না! গজালো। ভাসুর না অসুর কে যে ছিল, সে বুঝি মরেছে, তাই ইনি তার সদ্যবিধবা পরিবারের সঙ্গে মামলা লড়ে বিষয়ের ভাগ আদায় করতে গেলেন।’

    তুলসী ননীর ওই তিক্ত মুখের দিকে তাকায়।

    তুলসী অবাক হয়ে বলে, ‘এ—সব কখন হল? এই তো সেদিনও—’

    ‘হয়েছে কাল। খবর পাওয়া মাত্তর দড়ি—ছেঁড়া হয়ে চলে গেল। দুটো বাচ্ছা যে ওর মুখোপেক্ষী হয়ে পড়ে আছে তাও ভাবল না একবার। বলল কি জানিস? জীব দিয়েছেন যিনি, আহার দেবেন তিনি। পিসি বিহনে কি আর ওদের খাওয়া আটকে থাকবে? মেয়েমানুষ জাতটা ভারী লুভিষ্টে, বুঝলি তুলসী! কী ছাইয়ের বিষয় সম্পত্তি আছে ভগবান জানে, তবু লোভে পড়ে লড়ালড়ি করতে ছুটল। এখানে তোর অভাবটা কী ছিল? খেতে পাচ্ছিলি না? পরতে পাচ্ছিলি না? গিন্নিত্বর অভাব ছিল? রাতদিন তো ভাইটা আর ভাইপো—ভাইঝি দুটোর মাথা হাতে কাটত। তবু ওই বললাম তো, মেয়েমানুষ জাতটা লোভেই মরে—’

    তুলসী তীক্ষ্ন গলায় বলে, ‘জাতটাকে তো ভালই চিনে ফেলেছ দেখছি ননীদা! তবে কনক বৌদিও মেয়েমানুষ জাতেরই ছিল।’

    ননী চমকে উঠল যেন।

    ননী বোধহয় এ কথাটার জন্যে প্রস্তুত ছিল না।

    ননী গুম হয়ে গেল।

    তারপর নিশ্বাস ফেলে আস্তে বলল, ‘এক—আধজন দেবী অংশে জন্মায় তুলসী!’

    ‘তা বটে!’

    তুলসী মনে মনে বলে, সময়কালে মরতে পারলেই দেবী হওয়া যায়। যার মরণ নেই তার দেবী হওয়ার উপায় নেই।

    যাক, তুলসী তো আর দেবী অংশে জন্মায় নি। তুলসী কীটপতঙ্গের সামিল। তুলসী অতএব ওই সব বড় বড় কথা ছেড়ে ফট করে একটা কীটস্য কীটের মত কথা বলে। বলে, ‘সরকারী হাসপাতালের দাইয়ের হাতে খেলে তোমার না হয় জাত যেতে পারে, শিশু দুটোর কী সে ভয় আছে?’

    ননী হঠাৎ প্রায় ধমকে উঠে বলে, ‘জাত যাওয়ার কথা বলেছি তোকে আমি? একবার একটা কথা বলে ফেলেছি বলে খালি খালি সেই খোঁটা দেওয়া হচ্ছে। জাত যাবে! বলেছি আমি জাত যাবে?’

    কোনদিন কারুর ধমকেই ভয় খায় না তুলসী।

    তাই বেশ সতেজেই বলে, ‘বলনি তা সত্যি! তবে এ কথাও বলনি, তুলসী ওদের পিসি চলে গেছে, দুটো ভাত সেদ্ধ করে দিয়ে যাস।’

    ‘দিদি সবে কাল গেছে।’

    ‘কাল গেছে, তারপর তিন চারটে বেলাও গেছে।’

    ‘তোর বড্ড সময় তাই তাকে বলতে যাবো!’

    ‘সময় আছে কি নেই সেকথা আমি বুঝতাম।’

    ‘বেশ বাবা ঠিক আছে। এই গলায় বস্তর দিয়ে বলছি—তুলসী—মঞ্জরী, তুমি এসে দুটি রান্না করে দিয়ে যেও। তবে এও বলব তুলসী, এটা চালালে লোকনিন্দে হতে ছাড়বে না।’

    ‘উঃ ননীদা!’

    তুলসী কপালে হাত থাবড়ে বলে, ‘চিরটাকাল ওই ভাবনাতেই মলে ননীদা! যাকগে তুমি না হয় আমায় কিছু মাইনেই ধরে দিও তার বদলে। তাতে তো আর দোষ নেই? ঝি—চাকরানীর হাতে খেতে তো আর নিন্দে নেই, আর কে না খাচ্ছে এখন?’

    তুলসী দোকান থেকে নামে।

    ননী একটু এগিয়ে আসে।

    বলে, ‘আচ্ছা তুলসী, এত কটু কথা শিখলি কোথায় বল তো? এই করণপুর শহরে বোধহয় তোর মতন মুখরা আর দুর্বাক্য বলিয়ে মেয়ে দুটো নেই।’

    তুলসী চলে যাচ্ছিল, ফিরে দাঁড়ায়।

    তুলসীর মুখে ওই ঝুলন্ত লণ্ঠনের আলোটা যেন একটা আলোছায়ার নক্সা কাটে।

    তুলসী একটু গভীর রহস্যময় হাসি হেসে বলে, ‘কোথা থেকে এত কটুকথা শিখলাম তাই জিগ্যেস করছ ননীদা? যদি বলি ভাগ্যের কাছে।’

    ‘ভাগ্যের কাছে মানে?’

    ‘মানে বুঝিয়ে বলতে বসি, এত সময় আর এখন নেই ননীদা, আজ আবার ডিউটি। তবে এইটুকুই বলে যাই, এই মুখই আমার অস্তর! এরই জোরেই এযাবৎ শত্রু তাড়িয়ে আসছি। তুলসীর এই মুখটা না থাকলে আজ তুলসীর অস্তিত্ব বলে কিছু থাকত না, কোথায় তলিয়ে যেত। যাকগে ওসব কথা, বলি ভোরের বেলা রাঁধব তেমন রসদ আছে ভাঁড়ারে? নাকি এসে দেখব ভাঁড়ার ঢনঢন।’

    ‘জানি না! দেখিনি।’

    ‘ওঃ জানো না, দেখোনি! তা আজ বাপ—বেটা—বেটিতে কী খাওয়া হয়েছিল? হরিমটর?’

    ‘আজ হোটেলে খেয়ে এসেছি সবাই মিলে।’

    ‘বাঃ চমৎকার! এই তো চাই। ঠিক আছে, আসছি।’

    তুলসী এবার দ্রুতপায়ে এগিয়ে যায়।

    কিন্তু ননী যে কেন চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকে সেইদিকে তাকিয়ে?

    তুলসীই বা মোড়ে বাঁক নেবার সময় ঘুরে তাকিয়ে দেখে কেন?

    তুলসী এখন ননীকে আলোর আড়ালে দেখতে পায়। ননীর কপালে আলোছায়ার নক্সা নেই, ননীর সবটাই অন্ধকার, শুধু মাথার পিছনে একটা আলোর আভাস।

    সামান্য রেখায়।

    ওই চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকা ননীকে যেন কেমন বেচারী বেচারী দেখতে লাগে। যেন খোলা মাঠের মাঝখানে একলা একটা গাছ দাঁড়িয়ে আছে।

    পথের মাঝখানে পিছু ধরল একজন। তাড়াতাড়ি হেঁটে কাছাকাছি পৌঁছে আস্তে ডাকল, ‘তুলসী!’

    তুলসী চমকালো না, কারণ ওই সঙ্গ নেওয়াটা তুলসীর চোখ এড়ায়নি।

    তুলসী গম্ভীরভাবে বলে, ‘রাস্তায় সঙ্গে সঙ্গে যাওয়া ভাল দেখায় না জগাই!’ জগাইও গম্ভীর হতে জানে।

    বলে, ‘তা বাড়িতেও তো যেতে দিস না তুলসী!’

    ‘তা রাত—বিয়েতে বাড়িতেই বা যেতে দেব কেন?’

    ‘আমায় তুই অবিশ্বাস করিস তুলসী?’

    জগাইয়ের গলায় আহত অভিমান।

    তুলসী চলতে চলতে বলে, ‘অবিশ্বাসের কথা হচ্ছে না, লোকনিন্দের কথা হচ্ছে।’

    ‘দুদিন বাদে তো তোর সঙ্গে আমার বিয়েই হবে।’

    ‘একেবারে হবেই ধরে নিয়েছিস?’

    জগাই কাতরভাবে বলে, ‘ধরে নেব না? তুই আমায় সে আশ্বাস দিসনি? বলিসনি, তা তোকে বিয়ে করা বরং ভালো। একটু বোকা—সোকা ভালো—মানুষ আছিস, আমাকে এঁটে উঠতে পারবি না—বলিসনি?’

    তুলসী হেসে ফেলে বলে, ‘হ্যাঁ হ্যাঁ বলেছিলাম বটে। তুই যে সেটা একেবারে বেদবাক্য বলে ধরে নিবি তা বাবা বুঝতে পারিনি।’

    ‘বুঝতে পারিসনি? তা পারবি কেন? কোনোদিনই তো জগাই হতভাগার দিকে ভাল করে তাকিয়েও দেখিসনি। অথচ আমি চিরকাল তোকে—’

    তুলসী হতাশভাবে বলে, ‘আমার কী অবস্থা হয়েছে জানিস জগাই, তেষ্টা পেয়ে একঘটি জল চাইলাম, ভগবান ডুবিয়ে মারতে এক—পুকুর জল দিল। মনে করেছিলাম ছেলেবেলা থেকে চেনা জানা, আড্ডা—ইয়ার্কি দিই, এই পর্যন্ত। সত্যি কি আর তোদের কারুর এই হাসপাতালের দাইটাকে বৌ করে ঘরে নিয়ে যাবার হিম্মত হবে? প্রথমটা যদিও বা আগ্রহ দেখাস, শেষটা সাত পাঁচ ভেবে পিছিয়ে যাবি। তা আমার সে হিসেব তো ভুলই হয়েছে দেখছি… কে? কে ওখানে?…ওঃ রাজেন? এই দেখ জগাই, আমার আর এক খদ্দের।…রাজেন, তোদের বলেছিলাম মন স্থির করতে দুটো দিন সময় নে, এখন দেখছি উল্টো হচ্ছে। আমারই এখন মনঃস্থির করতে সময়ের দরকার।’

    রাজেন ক্ষুব্ধ গলায় বলে, ‘তা জানি, এখন ভাবছিস, একটা বড়গাছে নৌকো বাঁধলেই হত।’

    ‘বড়গাছে মানে? কী বলতে চাস তুই?’ তুলসী পলকে ফিরে দাঁড়ায়।

    রাজেন বলে, ‘বলতে কিছুই চাই না তুলসী! আক্ষেপের মাথায় কথার কথা বলেছি। তবে এই যদি তোর মনে ছিল, তবে সেদিন অকারণ একটা সুখের ছবি দেখালি কেন? এখন গাছে তুলে দিয়ে মই কেড়ে নিচ্ছিস? আমি ইত্যবসরে জগাকে নোটিস দিয়েছি ঘর খুঁজে নিগে যা।’

    ‘নোটিস দিয়ে দিয়েছিস?’

    তুলসী রুক্ষ গলায় বলে, ‘নোটিস দেওয়ার কী ছিল?’

    ‘বাঃ আমার বাসায় তো মোটে দেড়খানা ঘর। ওর চালচুলো নেই বলে একসঙ্গে থাকি। এরপর কী করে চলবে?’

    ‘কেন, ওই আধখানা ঘরেই থাকত ও।’

    তুলসী ঘাড় ফিরিয়ে বলে, ‘কী রে জগাই, পারতিস না?’

    কেউ সাড়া দেয় না।

    কখন নিঃশব্দে চলে গেছে সে।

    তুলসী ক্ষুব্ধ গলায় বলে, ‘চিরকালের বন্ধুকে বিতাড়িত করে বৌ এনে প্রতিষ্ঠে করবি রাজেন? ভেবে লজ্জা হল না?’

    রাজেন অম্লান মুখে বলে, ‘কিছু না। ভাইবন্ধু আত্মকুটুম্বু সব্বাইকে বিতাড়িত করে বৌকে প্রতিষ্ঠে করা যায়। তাতে লজ্জার কিছু নেই, জগৎ সংসার তাই করছে। বৌয়ের তুল্য বস্তু পৃথিবীতে আর আছে নাকি তুলসী?’

    ‘উচ্ছন্ন যাও তুমি!’

    বলে তুলসী হনহনিয়ে পা চালায়।

    কিন্তু রাজেন কি আর হতাশ হয়ে দাঁড়িয়ে পড়বে?

    রাজেনও এগিয়ে গিয়ে ধরে।

    বলে, ‘খুব তো মহত্ত্ব দেখাচ্ছিস! বলি ওর চোখের সামনে তোকে নিয়ে সংসার করব, এটা ও ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে দেখবে, সেটাই বুঝি খুব আহ্লাদের হবে জগাইয়ের? যা বলেছি ‘ভালর জন্যেই বলেছি রে তুলসী!’

    তুলসী ক্লান্ত একটা নিশ্বাস ফেলে।

    তুলসী অনেকটা পথ জোরে জোরে এসেছে। আর ননীর দোকান থেকে তার নিজের বাসা তো কম দূর নয়। হাসপাতালের কোয়ার্টারগুলোর কাছাকাছিই বাসা নিয়েছিল ও। শুধু মাঝখানে একটা মাঠের ব্যবধান।

    নিশ্বাসটা ফেলে তুলসী বলে, ‘তুই আমায় নিয়ে সুখে সংসার করছিস এ কথাটা কী পাকা হয়ে গেছে?’

    ‘পাকা কাঁচা তোর হাতে’, রাজেন তীব্র উত্তর দেয়, ‘তবে আমাকে না করলে রইল ওই হাবা জগাই। সুখেনকে তুমি পাচ্ছ না। সুখেনের পিসি বলেছে খ্যাংরা নিয়ে বৌ বরণ করতে আসবে।’

    তুলসী বলে, ‘সুখেন বলেছে, ওসব ভয় দেখানোকে ও কেয়ার করে না।’

    ‘এখন তাই বলছে, কার্যক্ষেত্রে দেখিস, পিসি ঠিকই থাকবে আর দুবেলা খ্যাংরা মেরে তবে কথা কইবে। আমার বাবা নাঙ্গার নেই বাটপাড়ের ভয়। কেউ কোথাও নেই।’

    ‘তেমনি বৌ যত্ন করতেও কেউ নেই।’

    রাজেন পরিতৃপ্তির হাসি হেসে বলে, ‘কেউ—য়ের দরকার কী? আমিই করব, দেখিয়ে দেব যত্ন কাকে বলে! আমি সেই কবে থেকে—বলতে গেলে জ্ঞানাবধিই—’

    ‘রাজেন একটু চুপ কর। আমার মাথাটা যেন ঝিম ঝিম করছে।’

    অগত্যাই চুপ করে যেতে হয় রাজেনকে।

    তুলসীর মাথা ঝিম ঝিম?

    সে তো সোজা কথা নয়।

    কে জানে এক একজন কোন লগ্নে জন্মায় তাদের অকারণ সবাই সমীহ করে, ভয় করে।

    ভিখিরীর ঘরের মেয়েও রাজেন্দ্রাণীর ভূমিকা নেয়।

    ‘যাচ্ছিস তো চল আমার সঙ্গে,’ তুলসী বলে, ‘দেখিগে আবার কোন শয়তান এসে বাড়ি পাহারা দিচ্ছে কি না।’

    অনুমান ভুল নয় তুলসীর। বেড়ার দরজা থেকেই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে দাওয়ার ওপর একটা দীর্ঘাকৃতি কালো ছায়া।

    ‘রাজেন, চলে যাসনে।’

    তুলসী হুকুমের স্বরেই বলে, ‘এখন যাসনে। ওই ইঁটখানা দে।’

    কিন্তু ছায়ামূর্তি ততক্ষণে বলে ওঠে, ‘এই, এই, আমি আমি।’

    ‘তুই! তুই এত রাত্তিরে যে?’

    ‘কেন আর? তোর কাছে পাকা কথা নিতে।’

    তুলসী সেই দাওয়ার সিঁড়ির ওপরই বসে পড়ে বলে, ‘তোরা কী চাস বলত? ‘আমি দ্রৌপদী হই?’

    আটটার সময় গিয়ে পৌঁছনোর কথা, প্রায় রোজই সাড়ে আটটা বেজে যাবেই।

    নার্স মনোরমা মণ্ডল ভুরু কুঁচকে বলে, ‘এভাবে প্রতিদিন দেরী করলে তো চলবে না তুলসী! কী হচ্ছে আজকাল? ঘুম কী তোমার এত বেড়েছে?’

    তুলসী দ্রুত ভঙ্গীতে ওষুধের জলে হাত ধুতে ধুতে বলে, ‘ঘুম বাড়তে যাবে কেন? ঘুম শত্রুর বাড়ুক। আপনাকে তো বলেই ছিলাম একটা পার্ট টাইমের চাকরী নিয়েছি।’

    মনোরমা মণ্ডল বড় গলায় বলে, ‘তোমার পার্ট টাইমের কাজ বজায় রেখে ডিউটি দিতে এলে তো আর ওপরওয়ালারা শুনবে না।’

    তুলসী হেসে বলে, ‘আমার ওপরওলা তো আপনি। আপনি শুনলেই হল।’

    ডাক্তার ঘোষের একদার অনুগৃহীতা, এবং এখন পরিত্যক্তা নার্স মনোরমা মণ্ডল স্বভাবতই তুলসীর উপর দারুণ ক্ষিপ্ত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতিন ভুবনের কাহিনী – আশাপূর্ণা দেবী
    Next Article শিকলি কাটা পাখি – আশাপূর্ণা দেবী

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }