Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোনার তরী – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    উপন্যাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক পাতা গল্প96 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পুরস্কার

    সেদিন বরষা ঝরঝর ঝরে
       কহিল কবির স্ত্রী
    `রাশি রাশি মিল করিয়াছ জড়ো,
    রচিতেছ বসি পুঁথি বড়ো বড়ো,
    মাথার উপরে বাড়ি পড়ো-পড়ো,
       তার খোঁজ রাখ কি!
    গাঁথিছ ছন্দ দীর্ঘ হ্রস্ব---
    মাথা ও মুণ্ড, ছাই ও ভস্ম,
    মিলিবে কি তাহে হস্তী অশ্ব,
       না মিলে শস্যকণা।
    অন্ন জোটে না, কথা জোটে মেলা,
    নিশিদিন ধ'রে এ কি ছেলেখেলা!
    ভারতীরে ছাড়ি ধরো এইবেলা
       লক্ষ্মীর উপাসনা।
    ওগো, ফেলে দাও পুঁথি ও লেখনী,
    যা করিতে হয় করহ এখনি।
    এত শিখিয়াছ এটুকু শেখ নি
       কিসে কড়ি আসে দুটো!'
    দেখি সে মুরতি সর্বনাশিয়া
    কবির পরান উঠিল ত্রাসিয়া,
    পরিহাসছলে ঈষত্‍‌ হাসিয়া
       কহে জুড়ি করপুট,
    `ভয় নাহি করি ও মুখ-নাড়ারে,
    লক্ষ্মী সদয় লক্ষ্মীছাড়ারে,
    ঘরেতে আছেন নাইকো ভাঁড়ারে
       এ কথা শুনিবে কেবা!
    আমার কপালে বিপরীত ফল---
    চপলা লক্ষ্মী মোর অচপল,
    ভারতী না থাকে থির এক পল
       এতো করি তাঁর সেবা।
    তাই তো কপাটে লাগাইয়া খিল
    স্বর্গে মর্তে খুঁজিতেছি মিল,
    আনমনা যদি হই এক-তিল
       অমনি সর্বনাশ!'
    মনে মনে হাসি মুখ করি ভার
    কহে কবিজায়া, `পারি নেকো আর,
    ঘরসংসার গেল ছারেখার,
       সব তাতে পরিহাস!'
    এতেক বলিয়া বাঁকায়ে মুখানি
    শিঞ্জিত করি কাঁকন-দুখানি
    চঞ্চল করে অঞ্চল টানি
       রোষছলে যায় চলি।
    হেরি সে ভুবন-গরব-দমন
    অভিমানবেগে অধীর গমন
    উচাটন কবি কহিল, `অমন
       যেয়ো না হৃদয় দলি।
    ধরা নাহি দিলে ধরিব দু পায়,
    কী করিতে হবে বলো সে উপায়,
    ঘর ভরি দিব সোনায় রুপায়---
       বুদ্ধি জোগাও তুমি।
    একটুকু ফাঁকা যেখানে যা পাই
    তোমার মুরতি সেখানে চাপাই,
    বুদ্ধির চাষ কোনোখানে নাই---
       সমস্ত মরুভূমি।'
    `হয়েছে, হয়েছে, এত ভালো নয়'
    হাসিয়া রুষিয়া গৃহিণী ভনয়,
    `যেমন বিনয় তেমনি প্রণয়
       আমার কপালগুণে।
    কথার কখনো ঘটে নি অভাব,
    যখনি বলেছি পেয়েছি জবাব,
    একবার ওগো বাক্য-নবাব
       চলো দেখি কথা শুনে।
    শুভ দিন ক্ষন দেখো পাঁজি খুলি,
    সঙ্গে করিয়া লহো পুঁথিগুলি,
    ক্ষনিকের তরে আলস্য ভুলি
       চলো রাজসভা-মাঝে।
    আমাদের রাজা গুণীর পালক,
    মানুষ হইয়া গেল কত লোক,
    ঘরে তুমি জমা করিলে শোলোক
       লাগিবে কিসের কাজে!'
    কবির মাথায় ভাঙি পড়ে বাজ,
    ভাবিল--- বিপদ দেখিতেছি আজ,
    কখনো জানি নে রাজা মহারাজ,
       কপালে কী জানি আছে!
    মুখে হেসে বলে, `এই বৈ নয়!
    আমি বলি, আরো কী করিতে হয়!
    প্রাণ দিতে পারি, শুধু জাগে ভয়
       বিধবা হইবে পাছে।
    যেতে যদি হয় দেরিতে কী কাজ,
    ত্বরা করে তবে নিয়ে এসো সাজ---
    হেমকুণ্ডল, মণিময় তাজ,
       কেয়ূর, কনকহার।
    বলে দাও মোর সারথিরে ডেকে
    ঘোড়া বেছে নেয় ভালো ভালো দেখে,
    কিঙ্করগণ সাথে যাবে কে কে
       আয়োজন করো তার।'
    ব্রাহ্মণী কহে, `মুখাগ্রে যার
    বাধে না কিছুই, কী চাহে সে আর
    মুখ ছুটাইলে রথাশ্বে তার
       না দেখি আবশ্যক।
    নানা বেশভূষা হীরা রুপা সোনা
    এনেছি পাড়ার করি উপাসনা,
    সাজ করে লও পুরায়ে বাসনা,
       রসনা ক্ষান্ত হোক।'
    এতেক বলিয়া ত্বরিতচরণ
    আনে বেশবাস নানান-ধরন,
    কবি ভাবে মুখ করি বিবরন---
       আজিকে গতিক মন্দ।
    গৃহিণী স্বয়ং নিকটে বসিয়া
    তুলিল তাহারে মাজিয়া ঘষিয়া,
    আপনার হাতে যতনে কষিয়া
       পরাইল কটিবন্ধ।
    উষ্ণীষ আনি মাথায় চড়ায়,
    কণ্ঠী আনিয়া কণ্ঠে জড়ায়,
    অঙ্গদ দুটি বাহুতে পরায়,
       কুণ্ডল দেয় কানে।
    অঙ্গে যতই চাপায় রতন
    কবি বসি থাকে ছবির মতন,
    প্রেয়সীর নিজ হাতের যতন
       সেও আজি হার মানে।
    এইমতে দুই প্রহর ধরিয়া
    বেশভূষা সব সমাধা করিয়া
    গৃহিণী নিরখে ঈষত সরিয়া
       বাঁকায়ে মধুর গ্রীবা।
    হেরিয়া কবির গম্ভীর মুখ
    হৃদয়ে উপজে মহা কৌতুক;
    হাসি উঠি কহে ধরিয়া চিবূক,
       `আ মরি, সেজেছ কিবা!'
    ধরিল সমুখে আরশি আনিয়া;
    কহিল বচন অমিয় ছানিয়া,
    `পুরনারীদের পরান হানিয়া
       ফিরিয়া আসিবে আজি।
    তখন দাসীরে ভুলো না গরবে,
    এই উপকার মনে রেখো তবে,
    মোরেও এমন পরাইতে হবে
       রতনভূষণরাজি।'
    কোলের উপরে বসি বাহুপাশে
    বাঁধিয়া কবিরে সোহাগে সহাসে
    কপোল রাখিয়া কপোলের পাশে
       কানে কানে কথা কয়।
    দেখিতে দেখিতে কবির অধরে
    হাসিরাশি আর কিছুতে না ধরে,
    মুগ্ধ হৃদয় গলিয়া আদরে
       ফাটিয়া বাহির হয়।
    কহে উচ্ছ্বসি, `কিছু না মানিব,
    এমনি মধুর শ্লোক বাখানিব
    রাজভাণ্ডার টানিয়া আনিব
       ও রাঙা চরণতলে!'
    বলিতে বলিতে বুক উঠে ফুলি,
    উষ্ণীষ-পরা মস্তক তুলি
    পথে বাহিরায় গৃহদ্বার খুলি,
       দ্রুত রাজগৃহে চলে।
    কবির রমণী কুতুহলে ভাসে,
    তাড়তাড়ি উঠি বাতায়নপাশে
    উঁকি মারি চায়, মনে মনে হাসে---
       কালো চোখে আলো নাচে।
    কহে মনে মনে বিপুলপুলকে---
    রাজপথ দিয়ে চলে এত লোকে,
    এমনটি আর পড়িল না চোখে
       আমার যেমন আছে॥
    এ দিকে কবির উত্‍‌সাহ ক্রমে
    নিমেষে নিমেষে আসিতেছে কমে,
    যখন পশিল নৃপ-আশ্রমে
       মরিতে পাইলে বাঁচে।
    রাজসভাসদ্ সৈন্য পাহারা
    গৃহিণীর মতো নহে তো তাহারা,
    সারি সারি দাড়ি করে দিশাহারা---
       হেথা কী আসিতে আছে!
    হেসে ভালোবেসে দুটো কথা কয়
    রাজসভাগৃহ হেন ঠাঁই নয়,
    মন্ত্রী হইতে দ্বারীমহাশয়
       সবে গম্ভীরমুখ।
    মানুষে কেন যে মানুষের প্রতি
    ধরি আছে হেন যমের মুরতি
    তাই ভাবি কবি না পায় ফুরতি---
       দমি যায় তার বুক।
    বসি মহারাজ মহেন্দ্ররায়
    মহোচ্চ গিরিশিখরের প্রায়,
    জন-অরণ্য হেরিছে হেলায়
       অচল-অটল ছবি।
    কৃপানির্ঝর পড়িছে ঝরিয়া
    শত শত দেশ সরস করিয়া,
    সে মহামহিমা নয়ন ভরিয়া
       চাহিয়া দেখিল কবি।
    বিচার সমাধা হল যবে, শেষে
    ইঙ্গিত পেয়ে মন্ত্রী-আদেশে
    জোড়করপুটে দাঁড়াইল এসে
       দেশের প্রধান চর।
    অতি সাধুমত আকার প্রকার,
    এক-তিল নাহি মুখের বিকার,
    ব্যবসা যে তাঁর মানুষ-শিকার
       নাহি জানে কোনো নর।
    ব্রত নানামত সতত পালয়ে,
    এক কানাকড়ি মুল্য না লয়ে
    ধর্মোপদেশ আলয়ে আলয়ে
       বিতরিছে যাকে তাকে।
    চোরা কটাক্ষ চক্ষে ঠিকরে---
    কী ঘটিছে কার, কে কোথা কী করে
    পাতায় পাতায় শিকড়ে শিকড়ে
       সন্ধান তার রাখে।
    নামাবলি গায়ে বৈষ্ণবরূপে
    যখন সে আসি প্রণমিল ভূপে,
    মন্ত্রী রাজারে অতি চুপে চুপে
       কী করিল নিবেদন।
    অমনি আদেশ হইল রাজার,
    `দেহো এঁরে টাকা পঞ্চ হজার।'
    `সাধু সাধু' কহে সভার মাঝার
       যত সভাসদ্‌জন।
    পুলক প্রকাশে সবার গাত্রে---
    `এ যে দান ইহা যোগ্যপাত্রে,
    দেশের আবাল-বনিতা-মাত্রে
       ইথে না মানিবে দ্বেষ।'
    সাধু নুয়ে পড়ে নম্রতাভরে,
    দেখি সভাজন `আহা আহা' করে,
    মন্ত্রীর শুধু জাগিল অধরে
       ঈষত্‍‌ হাস্যলেশ।
    আসে গুটি গুটি বৈয়াকরণ
    ধুলিভরা দুটি লইয়া চরণ
    চিহ্নিত করি রাজাস্তরণ
       পবিত্র পদপঙ্কে।
    ললাটে বিন্দু বিন্দু ঘর্ম,
    বলি-অঙ্কিত শিথিল চর্ম,
    প্রখরমুর্তি অগ্নিশর্ম---
       ছাত্র মরে আতঙ্কে।
    কোনো দিকে কোনো লক্ষ না ক'রে
    পড়ি গেল শ্লোক বিকট হাঁ ক'রে,
    মটর কড়াই মিশায়ে কাঁকরে
       চিবাইল যেন দাঁতে।
    কেহ তার নাহি বুঝে আগুপিছু,
    সবে বসি থাকে মাথা করি নিচু;
    রাজা বলে, `এঁরে দক্ষিণা কিছু
       দাও দক্ষিণ হাতে।'
    তার পরে এল গনত্‍‌কার,
    গণনায় রাজা চমত্‍‌কার,
    টাকা ঝন্ ঝন্ ঝনত্‍‌কার
       বাজায়ে সে গেল চলি।
    আসে এক বুড়ো গণ্যমান্য
    করপুটে লয়ে দুর্বাধান্য,
    রাজা তাঁর প্রতি অতি বদান্য
       ভরিয়া দিলেন থলি।
    আসে নট ভাট রাজপুরোহিত---
    কেহ একা কেহ শিষ্য-সহিত,
    কারো বা মাথায় পাগড়ি লোহিত
       কারো বা হরিত্‍‌বর্ণ।
    আসে দ্বিজগণ পরমারাধ্য---
    কন্যার দায়, পিতার শ্রাদ্ধ---
    যার যথামত পায় বরাদ্দ;
       রাজা আজি দাতাকর্ণ।
    যে যাহার সবে যায় স্বভবনে,
    কবি কী করিবে ভাবে মনে মনে,
    রাজা দেখে তারে সভাগৃহকোণে
       বিপন্নমুখছবি।
    কহে ভূপ, `হোথা বসিয়া কে ওই,
    এস তো, মন্ত্রী, সন্ধান লই।'
    কবি কহি উঠে, `আমি কেহ নই,
       আমি শুধু এক কবি।'
    রাজা কহে, `বটে! এসো এসো তবে,
    আজিকে কাব্য-আলোচনা হবে।'
    বসাইলা কাছে মহাগৌরবে
       ধরি তার কর দুটি।
    মন্ত্রী ভাবিল, যাই এই বেলা,
    এখন তো শুরু  হবে ছেলেখেলা---
    কহে, `মহারাজ, কাজ আছে মেলা,
       আদেশ পাইলে উঠি।'
    রাজা শুধু মৃদু নাড়িলা হস্ত,
    নৃপ-ইঙ্গিতে মহা তটস্থ
    বাহির হইয়া গেল সমস্ত
       সভাস্থ দলবল---
    পাত্র মিত্র অমাত্য আদি,
    অর্থী প্রার্থী বাদী প্রতিবাদী,
    উচ্চ তুচ্ছ বিবিধ-উপাধি
       বন্যার যেন জল॥
    চলি গেল যবে সভ্যসুজন 
    মুখোমুখি করি বসিলা দুজন;
    রাজা বলে, `এবে কাব্যকূজন 
       আরম্ভ করো কবি।'
    কবি তবে দুই কর জুড়ি বুকে 
    বাণীবন্দনা করে নত মুখে,
    `প্রকাশো জননী নয়নসমুখে
       প্রসন্ন মুখছবি।
    বিমল মানসসরস-বাসিনী 
    শুক্লবসনা শুভ্রহাসিনী
    বীণাগঞ্জিতমঞ্জুভাষিণী
       কমলকুঞ্জাসনা,
    তোমারে হৃদয়ে করিয়া আসীন
    সুখে গৃহকোণে ধনমানহীন 
    খ্যাপার মতন আছি চিরদিন 
       উদাসীন আনমনা।
    চারি দিকে সবে বাঁটিয়া দুনিয়া 
    আপন অংশ নিতেছে গুনিয়া,
    আমি তব স্নেহবচন শুনিয়া
       পেয়েছি স্বরগসুধা।
    সেই মোর ভালো, সেই বহু মানি, 
    তবু মাঝে মাঝে কেঁদে ওঠে প্রাণী---
    সুরের খাদ্যে জানো তো মা, বাণী,
       নরের মিটে না ক্ষুধা।
    যা হবার হবে সে কথা ভাবি না,
    মা গো, একবার ঝংকারো বীণা,
    ধরহ রাগিণী বিশ্বপ্লাবিনী
       অমৃত-উত্‍‌স-ধারা।
    যে রাগিণী শুনি নিশিদিনমান
    বিপুল হর্ষে দ্রব ভগবান
    মলিনমর্ত-মাঝে বহমান
       নিয়ত আত্মহারা।
    যে রাগিণী সদা গগন ছাপিয়া 
    হোমশিখাসম উঠিছে কাঁপিয়া,
    অনাদি অসীমে পড়িছে ঝাঁপিয়া
       বিশ্বতন্ত্রী হতে।
    যে রাগিণী চিরজন্ম ধরিয়া
    চিত্তকুহরে উঠে কুহরিয়া---
    অশ্রুহাসিতে জীবন ভরিয়া
       ছুটে সহস্র স্রোতে।
    কে আছে কোথায়, কে আসে কে যায়,
    নিমেষে প্রকাশে, নিমেষে মিলায়---
    বালুকার'পরে কালের বেলায়
       ছায়া-আলোকের খেলা।
    জগতের যত রাজা মহারাজ
    কাল ছিল যারা কোথা তারা আজ,
    সকালে ফুটিছে সুখদুখলাজ---
       টুটিছে সন্ধ্যাবেলা।
    শুধু তার মাঝে ধ্বনিতেছে সুর
    বিপুল বৃহত্‍‌ গভীর মধুর,
    চিরদিন তাহে আছে ভরপুর
       মগন গগনতল।
    যে জন শুনেছে সে অনাদি ধ্বনি
    ভাসায়ে দিয়েছে হৃদয়তরণী---
    জানে না আপনা, জানে না ধরণী,
       সংসারকোলাহল।
    সে জন পাগল, পরান বিকল---
    ভবকূল হতে ছিঁড়িয়া শিকল
    কেমনে এসেছে ছাড়িয়া সকল,
       ঠেকেছে চরণে তব।
    তোমার অমল কমলগন্ধ
    হৃদয়ে ঢালিছে মহা-আনন্দ---
    অপূর্ব গীত, আলোক ছন্দ
       শুনিছ নিত্য নব।
    বাজুক সে বীণা, মজুক ধরণী---
    বারেকের তরে ভুলাও, জননী,
    কে বড়ো কে ছোটো, কে দীন কে ধনী,
       কেবা আগে কেবা পিছে---
    কার জয় হল কার পরাজয়,
    কাহার বৃদ্ধি কার হল ক্ষয়,
    কেবা ভালো আর কেবা ভালো নয়,
       কে উপরে কেবা নীচে।
    গাঁথা হয়ে যাক এক গীতরবে
    ছোটো জগতের ছোটোবড়ো সবে,
    সুখে প'ড়ে রবে পদপল্লবে
       যেন মালা একখানি।
    তুমি মানসের মাঝখানে আসি
    দাঁড়াও মধুর মুরতি বিকাশি,
    কুন্দবরণ-সুন্দর-হাসি
       বীণা হাতে বীণাপাণি।
    ভাসিয়া চলিবে রবি শশী তারা 
    সারি সারি যত মানবের ধারা
    অনাদিকালের পান্থ যাহারা
       তব সংগীতস্রোতে।
    দেখিতে পাইব ব্যোমে মহাকাল
    ছন্দে ছন্দে বাজাইছে তাল,
    দশ দিক্‌বধূ খুলি কেশজাল
       নাচে দশ দিক হতে।'
    এতেক বলিয়া ক্ষণপরে কবি
    করুণ কথায় প্রকাশিল ছবি
    পূণ্যকাহিনী রঘুকুলরবি
       রাঘবের ইতিহাস।
    অসহ দুঃখ সহি নিরবধি
    কেমনে জনম গিয়েছে দগধি,
    জীবনের শেষ দিবস অবধি
       অসীম নিরাশ্বাস।
    কহিল, `বারেক ভাবি দেখো মনে
    সেই একদিন কেটেছে কেমনে
    যেদিন মলিন বাকলবসনে
       চলিলা বনের পথে---
    ভাই লক্ষ্মণ বয়স নবীন,
    ম্লানছায়াসম বিষাদবিলীন
    নববধূ সীতা আভরণহীন
       উঠিলা বিদায়রথে।
    রাজপুরী-মাঝে উঠে হাহাকার,
    প্রজা কাঁদিতেছে পথে সারে-সার,
    এমন বজ্র কখনো কি আর
       পড়েছে এমন ঘরে!
    অভিষেক হবে, উত্‍‌সবে তার
    আনন্দময় ছিল চারি ধার---
    মঙ্গলদীপ নিবিয়া আঁধার
       শুধু নিমেষের ঝড়ে।
    আর-একদিন, ভেবে দেখো মনে,
    যেদিন শ্রীরাম লয়ে লক্ষ্মণে
    ফিরিয়া নিভৃত কুটিরভবনে
       দেখিলা জানকী নাহি---
    `জানকী' `জানকী' আর্ত রোদনে
    ডাকিয়া ফিরিলা কাননে কাননে,
    মহা-অরণ্য আঁধার-আননে
       রহিল নীরবে চাহি।
    তার পরে দেখো শেষ কোথা এর,
    ভেবে দেখো কথা সেই দিবসের---
    এত বিষাদের এত বিরহের
       এত সাধনার ধন,
    সেই সীতাদেবী রাজসভা-মাঝে
    বিদায়বিনয়ে নমি রঘুরাজে
    দ্বিধা ধরাতলে অভিমানে লাজে
       হইলা অদর্শন।
    সে-সকল দিন সেও চলে যায়,
    সে অসহ শোক--- চিহ্ন কোথায়---
    যায় নি তো এঁকে ধরণীর গায় 
       অসীম দগ্ধরেখা।
    দ্বিধা ধরাভুমি জুড়েছে আবার,
    দণ্ডকবনে ফুটে ফুলভার,
    সরযূর কূলে দুলে তৃণসার
       প্রফুল্লশ্যামলেখা।
    শুধু সে দিনের একখানি সুর
    চিরদিন ধ'রে বহু বহু দূর
    কাঁদিয়া হৃদয় করিছে বিধুর
       মধুর করুণ তানে।
    সে মহাপ্রাণের মাঝখানটিতে
    যে মহারাগিণী আছিল ধ্বনিতে
    আজিও সে গীত মহাসংগীতে
       বাজে মানবের কানে।'
    তার পরে কবি কহিল সে কথা,
    কুরুপাণ্ডবসমরবারতা---
    গৃহবিবাদের ঘোর মত্ততা
       ব্যাপিল সর্ব দেশ;
    দুইটি যমজ তরু পাশাপাশি,
    ঘর্ষণে জ্বলে হুতাশনরাশি,
    মহাদাবানল ফেলে শেষে গ্রাসি
       অরণ্যপরিবেশ।
    এক গিরি হতে দুই-স্রোত-পারা
    দুইটি শীর্ণ বিদ্বেষধারা
    সরীসৃপগতি মিলিল তাহারা
       নিষ্ঠুর অভিমানে,
    দেখিতে দেখিতে হল উপনীত
    ভারতের যত ক্ষত্রশোণিত---
    ত্রাসিত ধরণী করিল ধ্বনিত
       প্রলয়বন্যাগানে।
    দেখিতে দেখিতে ডুবে গেল কূল,
    আত্ম ও পর হয়ে গেল ভুল,
    গৃহবন্ধন করি নির্মূল 
       ছুটিল রক্তধারা---
    ফেনায়ে উঠিল মরণাম্বুধি,
    বিশ্ব রহিল নিশ্বাস রুধি
    কাঁপিল গগন শত আঁখি মুদি
       নিবায়ে সূর্যতারা।
    সমরবন্যা যবে অবসান
    সোনার ভারত বিপুল শ্মশান,
    রাজগৃহ যত ভূতলশয়ান
       পড়ে আছে ঠাঁই ঠাঁই।
    ভীষণা শান্তি রক্তনয়নে
    বসিয়া শোণিতপঙ্কশয়নে,
    চাহি ধরা-পানে আনতবয়নে
       মুখেতে বচন নাই।
    বহু দিন পরে ঘুচিয়াছে খেদ,
    মরণে মিটেছে সব বিচ্ছেদ,
    সমাধা যজ্ঞ মহা-নরমেধ
       বিদ্বেষহুতাশনে।
    সকল কামনা করিয়া পূর্ণ
    সকল দম্ভ করিয়া চূর্ণ
    পাঁচ ভাই গিয়া বসিলা শূন্য
       স্বর্ণসিংহাসনে।
    স্তব্ধ প্রাসাদ বিষাদ-আঁধার,
    শ্মশান হইতে আসে হাহাকার
    রাজপুরবধূ যত অনাথার
       মর্মবিদার রব।
    `জয় জয় জয় পাণ্ডুতনয়'
    সারি সারি দ্বারী দাঁড়াইয়া কয়---
    পরিহাস বলে আজ মনে হয়,
       মিছে মনে হয় সব।
    কালি যে ভারত সারা দিন ধরি
    অট্ট গরজে অম্বর ভরি
    রাজার রক্তে খেলেছিল হোরি
       ছাড়ি কুলভয়লাজে,
    পরদিনে চিতাভস্ম মাখিয়া
    সন্ন্যাসীবেশে অঙ্গ ঢাকিয়া
    বসি একাকিনী শোকার্তহিয়া
       শূন্যশ্মশানমাঝে।
    কুরুপাণ্ডব মুছে গেছে সব,
    সে রণরঙ্গ হয়েছে নীরব,
    সে চিতাবহ্নি অতি ভৈরব
       ভস্মও নাহি তার।
    যে ভূমি লইয়া এত হানাহানি
    সে আজি কাহার তাহাও না জানি,
    কোথা ছিল রাজা কোথা রাজধানী
       চিহ্ন নাহিকো আর।
    তবু কোথা হতে আসিছে সে স্বর---
    যেন সে অমর সমরসাগর
    গ্রহণ করেছে নব কলেবর
       একটি বিরাট গানে।
    বিজয়ের শেষে সে মহাপ্রয়াণ,
    সফল আশার বিষাদ মহান্,
    উদাস শান্তি করিতেছে দান
       চিরমানবের প্রাণে।
    হায়, এ ধরায় কত অনন্ত
    বরষে বরষে শীত বসন্ত
    সুখে দুখে ভরি দিক্-দিগন্ত
       হাসিয়া গিয়াছে ভাসি।
    এমনি বরষা আজিকার মতো
    কতদিন কত হয়ে গেছে গত,
    নবমেঘভারে গগন আনত
       ফেলেছে অশ্রুরাশি।
    যুগে যুগে লোক গিয়েছে এসেছে,
    দুখিরা কেঁদেছে, সুখীরা হেসেছে,
    প্রেমিক যেজন ভালো সে বেসেছে
       আজি আমাদেরই মতো;
    তারা গেছে, শুধু তাহাদের গান
    দু হাতে ছড়ায়ে করে গেছে দান---
    দেশে দেশে তার নাহি পরিমাণ,
       ভেসে ভেসে যায় কত।
    শ্যামলা বিপুলা এ ধরার পানে
    চেয়ে দেখি আমি মুগ্ধ নয়ানে,
    সমস্ত প্রাণে কেন-যে কে জানে
       ভরে আসে আঁখিজল---
    বহু মানবের প্রেম দিয়ে ঢাকা,
    বহু দিবসের সুখে দুখে আঁকা,
    লক্ষ যুগের সংগীতে মাখা
       সুন্দর ধরাতল!
    এ ধরার মাঝে তুলিয়া নিনাদ
    চাহি নে করিতে বাদ প্রতিবাদ,
    যে ক' দিন আছি মানসের সাধ
       মিটাব আপন-মনে---
    যার যাহা আছে তার থাক্ তাই,
    কারো অধিকারে যেতে নাহি চাই
    শান্তিতে যদি থাকিবারে পাই
       একটি নিভৃত কোণে।
    শুধু বাঁশিখানি হাতে দাও তুলি,
    বাজাই বসিয়া প্রাণমন খুলি,
    পুষ্পের মত সংগীতগুলি
       ফুটাই আকাশভালে।
    অন্তর হতে আহরি বচন
    আনন্দলোক করি বিরচন,
    গীতরসধারা করি সিঞ্চন
       সংসারধুলিজালে।
    অতিদুর্গম সৃষ্টিশিখরে 
    অসীম কালের মহাকন্দরে
    সতত বিশ্বনির্ঝর ঝরে
       ঝর্ঝরসংগীতে,
    স্বরতরঙ্গ যত গ্রহতারা
    ছুটিছে শূন্যে উদ্দেশহারা---
    সেথা হতে টানি লব গীতধারা
       ছোটো এই বাঁশরিতে।
    ধরণীর শ্যাম করপুটখানি
    ভরি দিব আমি সেই গীত আনি,
    বাতাসে মিশায়ে দিব এক বাণী
       মধুর-অর্থ-ভরা।
    নবীন আষাঢ়ে রচি নব মায়া
    এঁকে দিয়ে যাব ঘনতর ছায়া,
    করে দিয়ে যাব বসন্তকায়া
       বাসন্তীবাস-পরা।
    ধরণীর তলে গগনের গায়
    সাগরের জলে অরণ্যছায়
    আরেকটুখানি নবীন আভায়
       রঙিন করিয়া দিব।
    সংসার-মাঝে কয়েকটি সুর
    রেখে দিয়ে যাব করিয়া মধুর,
    দু-একটি কাঁটা করি দিব দূর---
       তার পরে ছুটি নিব।
    সুখহাসি আরো হবে উজ্জ্বল,
    সুন্দর হবে নয়নের জল,
    স্নেহসুধামাখা বাসগৃহতল
       আরো আপনার হবে।
    প্রেয়সী নারীর নয়নে অধরে
    আরেকটু মধু দিয়ে যাব ভরে,
    আরেকটু স্নেহ শিশুমুখ-'পরে
       শিশিরের মত রবে।
    না পারে বুঝাতে, আপনি না বুঝে
    মানুষ ফিরিছে কথা খুঁজে খুঁজে---
    কোকিল যেমন পঞ্চমে কূজে
       মাগিছে তেমনি সুর।
    কিছু ঘুচাইব সেই ব্যাকুলতা,
    কিছু মিটাইব প্রকাশের ব্যথা,
    বিদায়ের আগে দু-চারিটা কথা
       রেখে যাব সুমধুর।
    থাকো হৃদাসনে জননী ভারতী---
    তোমারি চরণে প্রাণের আরতি,
    চাহি না চাহিতে আর কারো প্রতি,
       রাখি না কাহারো আশা।
    কত সুখ ছিল হয়ে গেছে দুখ,
    কত বান্ধব হয়েছে বিমুখ,
    ম্লান হয়ে গেছে কত উত্‍‌সুক
       উন্মুখ ভালোবাসা।
    শুধু ও চরণ হৃদয়ে বিরাজে,
    শুধু ওই বীণা চিরদিন বাজে,
    স্নেহসুরে ডাকে অন্তর-মাঝে---
       আয় রে বত্‍‌স, আয়,
    ফেলে রেখে আয় হাসি ক্রন্দন,
    ছিঁড়ে আয় যত মিছে বন্ধন,
    হেথা ছায়া আছে চিরনন্দন
       চিরবসন্ত-বায়।
    সেই ভালো মা গো, যাক যাহা যায়,
    জন্মের মত বরিনু তোমায়---
    কমলগন্ধ কোমল দু পায়
       বার বার নমোনম।'
    এত বলি কবি থামাইল গান,
    বসিয়া রহিল মুগ্ধনয়ান,
    বাজিতে লাগিল হৃদয় পরান
       বীণাঝংকার-সম।
    পুলকিত রাজা, আঁখি ছলছল্,
    আসন ছাড়িয়া নামিলা ভূতল---
    দু বাহু বাড়ায়ে, পরান উতল,
       কবিরে লইলা বুকে।
    কহিলা `ধন্য, কবি গো, ধন্য,
    আনন্দে মন সমাচ্ছন্ন,
    তোমারে কী আমি কহিব অন্য---
       চিরদিন থাকো সুখে।
    ভাবিয়া না পাই কী দিব তোমারে,
    করি পরিতোষ কোন্ উপহারে,
    যাহা-কিছু আছে রাজভাণ্ডারে
       সব দিতে পারি আনি।'
    প্রেমোচ্ছ্বসিত আনন্দজলে
    ভরি দু নয়ন কবি তাঁরে বলে,
    `কণ্ঠ হইতে দেহো মোর গলে
       ওই ফুলমালাখানি।'
    মালা বাঁধি কেশে কবি যায় পথে,
    কেহ শিবিকায় কেহ ধায় রথে,
    নানা দিকে লোক যায় নানামতে
       কাজের অন্বেষণে।
    কবি নিজমনে ফিরিছে লুব্ধ,
    যেন সে তাহার নয়ন মুগ্ধ
    কল্পধেনুর অমৃতদুগ্ধ
       দোহন করিছে মনে।
    কবির রমণী বাঁধি কেশপাশ
    সন্ধ্যার মতো পরি রাঙা বাস
    বসি একাকিনী বাতায়ন-পাশ---
       সুখহাস মুখে ফুটে।
    কপোতের দল চারি দিকে ঘিরে
    নাচিয়া ডাকিয়া বেড়াইছে ফিরে---
    যবের কণিকা তুলিয়া সে ধীরে
       দিতেছে চঞ্চুপুটে।
    অঙ্গুলি তার চলিছে যেমন
    কত কী-যে কথা ভাবিতেছে মন,
    হেনকালে পথে ফেলিয়া নয়ন
       সহসা কবিরে হেরি
    বাহুখানি নাড়ি মৃদু ঝিনিঝিনি
    বাজাইয়া দিল করকিঙ্কিণী,
    হাসিজালখানি অতুলহাসিনী
       ফেলিলা কবিরে ঘেরি।
    কবির চিত্ত উঠে উল্লাসি;
    অতি সত্বর সম্মুখে আসি
    কহে কৌতুকে মৃদু মৃদু হাসি,
       `দেখো কী এনেছি বালা!
    নানা লোকে নানা পেয়েছে রতন,
    আমি আনিয়াছি করিয়া যতন
    তোমার কণ্ঠে দেবার মতন
       রাজকণ্ঠের মালা।'
    এত বলি মালা শির হতে খুলি
    প্রিয়ার গলায় দিতে গেল তুলি,
    কবিনারী রোষে কর দিল ঠেলি
       ফিরায়ে রহিল মুখ।
    মিছে ছল করি মুখে করে রাগ,
    মনে মনে তার জাগিছে সোহাগ,
    গরবে ভরিয়া উঠে অনুরাগ,
       হৃদয়ে উথলে সুখ।
    কবি ভাবে বিধি অপ্রসন্ন,
    বিপদ আজিকে হেরি আসন্ন
    বসি থাকে মুখ করি বিষণ্ণ 
       শূন্যে নয়ন মেলি।
    কবির ললনা আধখানি বেঁকে
    চোরা কটাক্ষে চাহে থেকে থেকে,
    পতির মুখের ভাবখানা দেখে
       মুখের বসন ফেলি
    উচ্চকণ্ঠে উঠিল হাসিয়া,
    তুচ্ছ ছলনা গেল সে ভাসিয়া,
    চকিতে সরিয়া নিকটে আসিয়া
       পড়িল তাহার বুকে।
    সেথায় লুকায়ে হাসিয়া কাঁদিয়া
    কবির কণ্ঠ বাহুতে বাঁধিয়া
    শতবার করি আপনি সাধিয়া
       চুম্বিল তার মুখে।
    বিস্মিত কবি বিহ্বলপ্রায়
    আনন্দে কথা খুঁজিয়া না পায়,
    মালাখানি লয়ে আপন গলায়
       আদরে পরিলা সতী।
    ভক্তি-আবেগে কবি ভাবে মনে
    চেয়ে সেই প্রেমপূর্ণ বদনে---
    বাঁধা প'ল এক মাল্যবাঁধনে
       লক্ষ্মীসরস্বতী॥
    
    -------------
    শাহাজাদপুর
    ১৩ শ্রাবণ ১৩০০
    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচিত্রা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    Next Article সন্ধ্যাসংগীত – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    Related Articles

    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    নগ্ন নির্জন – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    কোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ

    May 23, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রবার্টসনের রুবি – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    বোম্বাইয়ের বোম্বেটে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রয়েল বেঙ্গল রহস্য – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    যত কাণ্ড কাঠমাণ্ডুতে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }