Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোনার তরী – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    উপন্যাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক পাতা গল্প96 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বসুন্ধরা

    আমারে ফিরায়ে লহো অয়ি বসুন্ধরে,
    কোলের সন্তানে তব কোলের ভিতরে,
    বিপুল অঞ্চল-তলে। ওগো মা মৃন্ময়ী,
    তোমার মৃত্তিকা-মাঝে ব্যাপ্ত হয়ে রই;
    দিগ্বিদিকে আপনারে দিই বিস্তারিয়া
    বসন্তের আনন্দের মতো; বিদারিয়া
    এ বক্ষপঞ্জর, টুটিয়া পাষাণ-বন্ধ
    সংকীর্ণ প্রাচীর, আপনার নিরানন্দ
    অন্ধ কারাগার, হিল্লোলিয়া, মর্মরিয়া,
    কম্পিয়া, স্খলিয়া, বিকিরিয়া, বিচ্ছুরিয়া,
    শিহরিয়া, সচকিয়া আলোকে পুলকে
    প্রবাহিয়া চলে যাই সমস্ত ভূলোকে
    প্রান্ত হতে প্রান্তভাগে, উত্তরে দক্ষিণে,
    পুরবে পশ্চিমে— শৈবালে শাদ্বলে তৃণে
    শাখায় বল্কলে পত্রে উঠি সরসিয়া
    নিগূঢ় জীবনরসে; যাই পরশিয়া
    স্বর্ণশীর্ষে আনমিত শস্যক্ষেত্রতল
    অঙ্গুলির আন্দোলনে; নব পুষ্পদল
    করি পূর্ণ সংগোপনে সুবর্ণলেখায়
    সুধাগন্ধে মধুবিন্দুভারে; নীলিমায়
    পরিব্যাপ্ত করি দিয়া মহাসিন্ধুনীর
    তীরে তীরে করি নৃত্য স্তব্ধ ধরণীর,
    অনন্ত কল্লোলগীতে; উল্লসিত রঙ্গে
    ভাষা প্রসারিয়া দিই তরঙ্গে তরঙ্গে
    দিক-দিগন্তরে; শুভ্র-উত্তরীয়প্রায়
    শৈলশৃঙ্গে বিছাইয়া দিই আপনায়
    নিষ্কলঙ্ক নীহারের উত্তুঙ্গ নির্জনে,
    নিঃশব্দ নিভৃতে।
     
             যে ইচ্ছা গোপনে মনে 
    উৎসসম উঠিতেছে অজ্ঞাতে আমার
    বহুকাল ধ’রে, হৃদয়ের চারি ধার
    ক্রমে পরিপূর্ণ করি বাহিরিতে চাহে
    উদ্‌বেল উদ্দাম মুক্ত উদার প্রবাহে
    সিঞ্চিতে তোমায়— ব্যথিত সে বাসনারে
    বন্ধমুক্ত করি দিয়া শতলক্ষ ধারে
    দেশে দেশে দিকে দিকে পাঠাব কেমনে
    অন্তর ভেদিয়া! বসি শুধু গৃহকোণে
    লুব্ধ চিত্তে করিতেছি সদা অধ্যয়ন,
    দেশে দেশান্তরে কারা করেছে ভ্রমণ
    কৌতূহলবশে; আমি তাহাদের সনে
    করিতেছি তোমারে বেষ্টন মনে মনে
    কল্পনার জালে।
     
               সুদুর্গম দূরদেশ—
    পথশূন্য তরুশূন্য প্রান্তর অশেষ,
    মহাপিপাসার রঙ্গভূমি; রৌদ্রালোকে
    জ্বলন্ত বালুকারাশি সূচি বিঁধে চোখে;
    দিগন্তবিস্তৃত যেন ধুলিশয্যা-’পরে
    জ্বরাতুরা বসুন্ধরা লুটাইছে পড়ে
    তপ্তদেহ, উষ্ণশ্বাস বহ্নিজ্বালাময়,
    শুষ্ককণ্ঠ, সঙ্গহীন, নিঃশব্দ, নির্দয়।
    কতদিন গৃহপ্রান্তে বসি বাতায়নে
    দূরদূরান্তের দৃশ্য আঁকিয়াছি মনে
    চাহিয়া সম্মুখে; চারি দিকে শৈলমালা,
    মধ্যে নীল সরোবর নিস্তব্ধ নিরালা
    স্ফটিকনির্মল স্বচ্ছ; খণ্ড মেঘগণ
    মাতৃস্তনপানরত শিশুর মতন
    পড়ে আছে শিখর আঁকড়ি; হিমরেখা
    নীলগিরিশ্রেণী-’পরে দূরে যায় দেখা
    দৃষ্টিরোধ করি, যেন নিশ্চল নিষেধ
    উঠিয়াছে সারি সারি স্বর্গ করি ভেদ 
    যোগমগ্ন ধূর্জটির তপোবন-দ্বারে।
    মনে মনে ভ্রমিয়াছি দূর সিন্ধুপারে
    মহামেরুদেশে— যেখানে লয়েছে ধরা
    অনন্তকুমারীব্রত, হিমবস্ত্রপরা,
    নিঃসঙ্গ, নি:স্পৃহ, সর্ব-আভরণহীন;
    যেথা দীর্ঘরাত্রিশেষে ফিরে আসে দিন
    শব্দশূন্য সংগীতবিহীন; রাত্রি আসে,
    ঘুমাবার কেহ নাই, অনন্ত আকাশে
    অনিমেষ জেগে থাকে নিদ্রাতন্দ্রাহত
    শূন্যশয্যা মৃতপুত্রা জননীর মতো।
    নূতন দেশের নাম যত পাঠ করি,
    বিচিত্র বর্ণনা শুনি, চিত্ত অগ্রসরি
    সমস্ত স্পর্শিতে চাহে— সমুদ্রের তটে
    ছোটো ছোটো নীলবর্ণ পর্বতসংকটে
    একখানি গ্রাম, তীরে শুকাইছে জাল,
    জলে ভাসিতেছে তরী, উড়িতেছে পাল,
    জেলে ধরিতেছে মাছ, গিরিমধ্যপথে
    সংকীর্ণ নদীটি চলি আসে কোনোমতে
    আঁকিয়া বাঁকিয়া; ইচ্ছা করে, সে নিভৃত
    গিরিক্রোড়ে সুখাসীন ঊর্মিমুখরিত
    লোকনীড়খানি হৃদয়ে বেষ্টিয়া ধরি
    বাহুপাশে। ইচ্ছা করে, আপনার করি
    যেখানে যা-কিছু আছে; নদীস্রোতোনীরে
    আপনারে গলাইয়া দুই তীরে তীরে
    নব নব লোকালয়ে করে যাই দান
    পিপাসার জল, গেয়ে যাই কলগান
    দিবসে নিশীথে; পৃথিবীর মাঝখানে
    উদয়সমুদ্র হতে অস্তসিন্ধু-পানে
    প্রসারিয়া আপনারে, তুঙ্গ গিরিরাজি
    আপনার সুদুর্গম রহস্যে বিরাজি,
    কঠিন পাষাণক্রোড়ে তীব্র হিমবায়ে
    মানুষ করিয়া তুলি লুকায়ে লুকায়ে 
    নব নব জাতি। ইচ্ছা করে মনে মনে,
    স্বজাতি হইয়া থাকি সর্বলোকসনে
    দেশে দেশান্তরে; উষ্ট্রদুগ্ধ করি পান
    মরুতে মানুষ হই আরব-সন্তান
    দুর্দম স্বাধীন; তিব্বতের গিরিতটে
    নির্লিপ্ত প্রস্তরপুরী-মাঝে, বৌদ্ধমঠে
    করি বিচরণ। দ্রাক্ষাপায়ী পারসিক
    গোলাপকাননবাসী, তাতার নির্ভীক
    অশ্বারূঢ়, শিষ্টাচারী সতেজ জাপান,
    প্রবীণ প্রাচীন চীন নিশিদিনমান
    কর্ম-অনুরত— সকলের ঘরে ঘরে
    জন্মলাভ করে লই হেন ইচ্ছা করে।
    অরুগ্ন বলিষ্ঠ হিংস্র নগ্ন বর্বরতা—
    নাহি কোনো ধর্মাধর্ম, নাহি কোনো প্রথা,
    নাহি কোনো বাধাবন্ধ, নাই চিন্তাজ্বর,
    নাহি কিছু দ্বিধাদ্বন্দ্ব, নাই ঘর পর,
    উন্মুক্ত জীবনস্রোত বহে দিনরাত
    সম্মুখে আঘাত করি সহিয়া আঘাত
    অকাতরে; পরিতাপ-জর্জর পরানে
    বৃথা ক্ষোভে নাহি চায় অতীতের পানে,
    ভবিষ্যৎ নাহি হেরে মিথ্যা দুরাশায়—
    বর্তমান-তরঙ্গের চূড়ায় চূড়ায়
    নৃত্য করে চলে যায় আবেগে উল্লাসি—
    উচ্ছৃঙ্খল সে-জীবন সেও ভালোবাসি;
    কত বার ইচ্ছা করে সেই প্রাণঝড়ে
    ছুটিয়া চলিয়া যাই পূর্ণপালভরে
    লঘু তরী-সম।
     
             হিংস্র ব্যাঘ্র অটবীর
    আপন প্রচণ্ড বলে প্রকাণ্ড শরীর
    বহিতেছে অবহেলে; দেহ দীপ্তোজ্জ্বল
    অরণ্যমেঘের তলে প্রচ্ছন্ন-অনল 
    বজ্রের মতন, রুদ্র মেঘমন্দ্র স্বরে
    পড়ে আসি অতর্কিত শিকারের ‘পরে
    বিদ্যুতের বেগে; অনায়াস সে মহিমা,
    হিংসাতীব্র সে আনন্দ, সে দৃপ্ত গরিমা,
    ইচ্ছা করে একবার লভি তার স্বাদ।
    ইচ্ছা করে, বারবার মিটাইতে সাধ
    পান করি বিশ্বের সকল পাত্র হতে
    আনন্দমদিরাধারা নব নব স্রোতে।
    হে সুন্দরী বসুন্ধরে, তোমা পানে চেয়ে
    কত বার প্রাণ মোর উঠিয়াছে গেয়ে
    প্রকাণ্ড উল্লাসভরে; ইচ্ছা করিয়াছে—
    সবলে আঁকড়ি ধরি এ বক্ষের কাছে
    সমুদ্রমেখলাপরা তব কটিদেশ;
    প্রভাত-রৌদ্রের মতো অনন্ত অশেষ
    ব্যাপ্ত হয়ে দিকে দিকে, অরণ্যে ভূধরে
    কম্পমান পল্লবের হিল্লোলের ‘পরে
    করি নৃত্য সারাবেলা, করিয়া চুম্বন
    প্রত্যেক কুসুমকলি, করি’ আলিঙ্গন
    সঘন কোমল শ্যাম তৃণক্ষেত্রগুলি,
    প্রত্যেক তরঙ্গ-’পরে সারাদিন দুলি’
    আনন্দ-দোলায়। রজনীতে চূপে চূপে
    নিঃশব্দ চরণে, বিশ্বব্যাপী নিদ্রারূপে
    তোমার সমস্ত পশুপক্ষীর নয়নে
    অঙ্গুলি বুলায়ে দিই, শয়নে শয়নে
    নীড়ে নীড়ে গৃহে গৃহে গুহায় গুহায়
    করিয়া প্রবেশ, বৃহৎ অঞ্চলপ্রায়
    আপনারে বিস্তারিয়া ঢাকি বিশ্বভূমি
    সুস্নিগ্ধ আঁধারে।
     
             আমার পৃথিবী তুমি
    বহু বরষের, তোমার মৃত্তিকাসনে
    আমারে মিশায়ে লয়ে অনন্ত গগনে 
    অশ্রান্ত চরণে করিয়াছ প্রদক্ষিণ
    সবিতৃমণ্ডল, অসংখ্য রজনীদিন
    যুগযুগান্তর ধরি আমার মাঝারে
    উঠিয়াছে তৃণ তব, পুষ্প ভারে ভারে
    ফুটিয়াছে, বর্ষণ করেছে তরুরাজি
    পত্রফুলফল গন্ধরেণু। তাই আজি
     
    কোনো দিন আনমনে বসিয়া একাকী
    পদ্মাতীরে, সম্মুখে মেলিয়া মুগ্ধ আঁখি
    সর্ব অঙ্গে সর্ব মনে অনুভব করি—
    তোমার মৃত্তিকা-মাঝে কেমনে শিহরি
    উঠিতেছে তৃণাঙ্কুর, তোমার অন্তরে
    কী জীবনরসধারা অহর্নিশি ধরে
    করিতেছে সঞ্চরণ, কুসুমমুকুল
    কী অন্ধ আনন্দভরে ফুটিয়া আকুল
    সুন্দর বৃন্তের মুখে, নব রৌদ্রালোকে
    তরুলতাতৃণগুল্ম কী গূঢ় পুলকে
    কী মূঢ় প্রমোদরসে উঠে হরষিয়া—
    মাতৃস্তনপানশ্রান্ত পরিতৃপ্ত-হিয়া
    সুখস্বপ্নহাস্যমুখ শিশুর মতন।
    তাই আজি কোনো দিন— শরৎ-কিরণ
    পড়ে যবে পক্কশীর্ষ স্বর্ণক্ষেত্র-’পরে,
    নারিকেলদলগুলি কাঁপে বায়ুভরে
    আলোকে ঝিকিয়া, জাগে মহাব্যাকুলতা—
    মনে পড়ে বুঝি সেই দিবসের কথা
    মন যবে ছিল মোর সর্বব্যাপী হয়ে
    জলে স্থলে, অরণ্যের পল্লবনিলয়ে,
    আকাশের নীলিমায়। ডাকে যেন মোরে
    অব্যক্ত আহ্বানরবে শত বার করে
    সমস্ত ভুবন; সে বিচিত্র সে বৃহৎ
    খেলাঘর হতে, মিশ্রিত মর্মরবৎ
    শুনিবারে পাই যেন চিরদিনকার 
    সঙ্গীদের লক্ষবিধ আনন্দ-খেলার
    পরিচিত রব। সেথায় ফিরায়ে লহ
    মোরে আরবার; দূর করো সে বিরহ
    যে বিরহ থেকে থেকে জেগে ওঠে মনে
    হেরি যবে সম্মুখেতে সন্ধ্যার কিরণে
    বিশাল প্রান্তর, যবে ফিরে গাভীগুলি
    দূর গোষ্ঠে—মাঠপথে উড়াইয়া ধূলি,
    তরুঘেরা গ্রাম হতে উঠে ধূমলেখা
    সন্ধ্যাকাশে; যবে চন্দ্র দূরে দেয় দেখা
    শ্রান্ত পথিকের মতো অতি ধীরে ধীরে
    নদীপ্রান্তে জনশূন্য বালুকার তীরে,
    মনে হয় আপনারে একাকী প্রবাসী
    নির্বাসিত, বাহু বাড়াইয়া ধেয়ে আসি
    সমস্ত বাহিরখানি লইতে অন্তরে—
    এ আকাশ, এ ধরণী, এই নদী-’পরে
    শুভ্র শান্ত সুপ্ত জ্যোৎস্নারাশি। কিছু নাহি
    পারি পরশিতে, শুধু শূন্যে থাকি চাহি
    বিষাদব্যাকুল। আমারে ফিরায়ে লহ
    সেই সর্ব-মাঝে, যেথা হতে অহরহ
    অঙ্কুরিছে মুকুলিছে মুঞ্জরিছে প্রাণ
    শতেক সহস্ররূপে, গুঞ্জরিছে গান
    শতলক্ষ সুরে, উচ্ছ্বসি উঠিছে নৃত্য
    অসংখ্য ভঙ্গিতে, প্রবাহি যেতেছে চিত্ত
    ভাবস্রোতে, ছিদ্রে ছিদ্রে বাজিতেছে বেণু
    দাঁড়ায়ে রয়েছ তুমি শ্যাম কল্পধেনু,
    তোমারে সহস্র দিকে করিছে দোহন
    তরুলতা পশুপক্ষী কত অগণন
    তৃষিত পরানি যত, আনন্দের রস
    কত রূপে হতেছে বর্ষণ, দিক দশ
    ধ্বনিছে কল্লোলগীতে। নিখিলের সেই
    বিচিত্র আনন্দ যত এক মুহূর্তেই
    একত্রে করিব আস্বাদন, এক হয়ে 
    সকলের সনে। আমার আনন্দ লয়ে
    হবে না কি শ্যামতর অরণ্য তোমার,
    প্রভাত-আলোক-মাঝে হবে না সঞ্চার
    নবীন কিরণকম্প? মোর মুগ্ধ ভাবে
    আকাশ ধরণীতল আঁকা হয়ে যাবে
    হৃদয়ের রঙে— যা দেখে কবির মনে
    জাগিবে কবিতা, প্রেমিকের দু-নয়নে
    লাগিবে ভাবের ঘোর, বিহঙ্গের মুখে
    সহসা আসিবে গান। সহস্রের সুখে
    রঞ্জিত হইয়া আছে সর্বাঙ্গ তোমার
    হে বসুধে, জীবস্রোত কত বারম্বার
    তোমারে মণ্ডিত করি আপন জীবনে
    গিয়েছে ফিরেছে, তোমার মৃত্তিকাসনে
    মিশায়েছে অন্তরে প্রেম, গেছে লিখে
    কত লেখা, বিছায়েছে কত দিকে দিকে
    ব্যাকুল প্রাণের আলিঙ্গন; তারি সনে
    আমার সমস্ত প্রেম মিশায়ে যতনে
    তোমার অঞ্চলখানি দিব রাঙাইয়া
    সজীব বরনে; আমার সকল দিয়া
    সাজাব তোমারে। নদীজলে মোর গান
    পাবে না কি শুনিবারে কোনো মুগ্ধ কান
    নদীকূল হতে? উষালোকে মোর হাসি
    পাবে না কি দেখিবারে কোনো মর্তবাসী
    নিদ্রা হতে উঠি? আজ শতবর্ষ পরে
    এ সুন্দর অরণ্যের পল্লবের স্তরে
    কাঁপিবে না আমার পরান? ঘরে ঘরে
    কত শত নরনারী চিরকাল ধ’রে
    পাতিবে সংসারখেলা, তাহাদের প্রেমে
    কিছু কি রব না আমি? আসিব না নেমে
    তাদের মুখের ‘পরে হাসির মতন,
    তাদের সর্বাঙ্গ-মাঝে সরস যৌবন,
    তাদের বসন্তদিনে অকস্মাৎ সুখ, 
    তাদের মনের কোণে নবীন উন্মুখ
    প্রেমের অঙ্কুররূপে; ছেড়ে দিবে তুমি
    আমারে কি একেবারে ওগো মাতৃভূমি—
    যুগযুগান্তের মহা মৃত্তিকা-বন্ধন
    সহসা কি ছিঁড়ে যাবে? করিব গমন
    ছাড়ি লক্ষ বরষের স্নিগ্ধ ক্রোড়খানি?
    চতুর্দিক হতে মোরে লবে না কি টানি
    এই সব তরু লতা গিরি নদী বন,
    এই চিরদিবসের সুনীল গগন,
    এ জীবনপরিপূর্ণ উদার সমীর,
    জাগরণপূর্ণ আলো, সমস্ত প্রাণীর
    অন্তরে অন্তরে গাঁথা জীবন-সমাজ?
    ফিরিব তোমারে ঘিরি, করিব বিরাজ
    তোমার আত্মীয়-মাঝে; কীট পশু পাখি
    তরু গুল্ম লতা রূপে বারম্বার ডাকি
    আমারে লইবে তব প্রাণতপ্ত বুকে;
    যুগে যুগে জন্মে জন্মে স্তন দিয়ে মুখে
    মিটাইবে জীবনের শত লক্ষ ক্ষুধা
    শত লক্ষ আনন্দের স্তন্যরসসুধা
    নিঃশেষে নিবিড় স্নেহে করাইয়া পান।
    তার পরে ধরিত্রীর যুবক সন্তান
    বাহিরিব জগতের মহাদেশ-মাঝে
    অতি দূর দূরান্তরে জ্যোতিষ্কসমাজে
    সুদুর্গম পথে। এখনো মিটে নি আশা,
    এখনো তোমার স্তন-অমৃত-পিপাসা
    মুখেতে রয়েছে লাগি, তোমার আনন
    এখনো জাগায় চোখে সুন্দর স্বপন,
    এখনো কিছুই তব করি নাই শেষ,
    সকলি রহস্যপূর্ণ, নেত্র অনিমেষ
    বিস্ময়ের শেষতল খুঁজে নাহি পায়,
    এখনো তোমার বুকে আছি শিশুপ্রায়
    মুখপানে চেয়ে। জননী, লহ গো মোরে 
    সঘনবন্ধন তব বাহুযুগে ধ'রে—
    আমারে করিয়া লহ তোমার বুকের—
    তোমার বিপুল প্রাণ বিচিত্র সুখের
    উৎস উঠিতেছে যেথা সে গোপন পুরে
    আমারে লইয়া যাও— রাখিয়ো না দূরে।
    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচিত্রা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    Next Article সন্ধ্যাসংগীত – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    Related Articles

    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    নগ্ন নির্জন – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    কোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ

    May 23, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রবার্টসনের রুবি – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    বোম্বাইয়ের বোম্বেটে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রয়েল বেঙ্গল রহস্য – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    যত কাণ্ড কাঠমাণ্ডুতে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }