Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোনার তরী – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    উপন্যাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক পাতা গল্প96 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মানসসুন্দরী

    আজ কোনো কাজ নয়— সব ফেলে দিয়ে
    ছন্দ বন্ধ গ্রন্থ গীত— এসো তুমি প্রিয়ে,
    আজন্ম-সাধন-ধন সুন্দরী আমার
    কবিতা, কল্পনালতা। শুধু একবার
    কাছে বোসো। আজ শুধু কূজন গুঞ্জন
    তোমাতে আমাতে; শুধু নীরবে ভুঞ্জন
    এই সন্ধ্যা-কিরণের সুবর্ণ মদিরা—
    যতক্ষণ অন্তরের শিরা-উপশিরা
    লাবণ্যপ্রবাহভরে ভরি নাহি উঠে,
    যতক্ষণে মহানন্দে নাহি যায় টুটে
    চেতনাবেদনাবন্ধ, ভুলে যাই সব—
    কী আশা মেটে নি প্রাণে, কী সংগীতরব
    গিয়েছে নীরব হয়ে, কী আনন্দসুধা
    অধরের প্রান্তে এসে অন্তরের ক্ষুধা
    না মিটায়ে গিয়াছে শুকায়ে। এই শান্তি,
    এই মধুরতা, দিক সৌম্য ম্লান কান্তি
    জীবনের দুঃখ দৈন্য অতৃপ্তির ‘পর
    করুণকোমল আভা গভীর সুন্দর।
     
    বীণা ফেলে দিয়ে এসো, মানসসুন্দরী—
    দুটি রিক্ত হস্ত শুধু আলিঙ্গনে ভরি
    কণ্ঠে জড়াইয়া দাও— মৃণাল-পরশে
    রোমা’ অঙ্কুরি উঠে মর্মান্ত হরষে,
    কম্পিত চঞ্চল বক্ষ, চক্ষু ছলছল,
    মুগ্ধ তনু মরি যায়, অন্তর কেবল
    অঙ্গের সীমান্ত-প্রান্তে উদ্ভাসিয়া উঠে,
    এখনি ইন্দ্রিয়বন্ধ বুঝি টুটে টুটে।
    অর্ধেক অঞ্চল পাতি বসাও যতনে
    পার্শ্বে তব; সমধুর প্রিয়সম্বোধনে
    ডাকো মোরে, বলো, প্রিয়, বলো, ‘প্রিয়তম’— 
    কুন্তল-আকুল মুখ বক্ষে রাখি মম
    হৃদয়ের কানে কানে অতি মৃদু ভাষে
    সংগোপনে বলে যাও যাহা মুখে আসে
    অর্থহারা ভাবে-ভরা ভাষা। অয়ি প্রিয়া,
    চুম্বন মাগিব যবে, ঈষৎ হাসিয়া
    বাঁকায়ো না গ্রীবাখানি, ফিরায়ো না মুখ,
    উজ্জ্বল রক্তিমবর্ণ সুধাপূর্ণ সুখ
    রেখো ওষ্ঠাধরপুটে, ভক্ত ভৃঙ্গ তরে
    সম্পূর্ণ চুম্বন এক, হাসি স্তরে স্তরে
    সরস সুন্দর; নবষ্ফুট পুষ্প-সম
    হেলায়ে বঙ্কিম গ্রীবা বৃন্ত নিরুপম
    মুখখানি তুলে ধোরো; আনন্দ-আভায়
    বড়ো বড়ো দুটি চক্ষু পল্লবপ্রচ্ছায়
    রেখো মোর মুখপানে প্রশান্ত বিশ্বাসে,
    নিতান্ত নির্ভরে। যদি চোখে জল আসে
    কাঁদিব দুজনে; যদি ললিত কপোলে
    মৃদু হাসি ভাসি উঠে, বসি মোর কোলে,
    বক্ষ বাঁধি বাহুপাশে, স্কন্ধে মুখ রাখি
    হাসিয়ো নীরবে অর্ধ-নিমীলিত আঁখি।
    যদি কথা পড়ে মনে তবে কলস্বরে
    বলে যেয়ো কথা, তরল আনন্দভরে
    নির্ঝরের মতো, অর্ধেক রজনী ধরি
    কত-না কাহিনী স্মৃতি কল্পনালহরী—
    মধুমাখা কণ্ঠের কাকলি। যদি গান
    ভালো লাগে, গেয়ো গান। যদি মুগ্ধপ্রাণ
    নিঃশব্দ নিস্তব্ধ শান্ত সম্মুখে চাহিয়া
    বসিয়া থাকিতে চাও, তাই রব প্রিয়া।
    হেরিব অদূরে পদ্মা, উচ্চতটতলে
    শ্রান্ত রূপসীর মতো বিস্তীর্ণ অঞ্চলে
    প্রসারিয়া তনুখানি, সায়াহ্ন-আলোকে
    শুয়ে আছে; অন্ধকার নেমে আসে চোখে
    চোখের পাতার মতো; সন্ধ্যাতারা ধীরে 
    সন্তর্পণে করে পদার্পণ, নদীতীরে
    অরণ্যশিয়রে; যামিনী শয়ন তার
    দেয় বিছাইয়া, একখানি অন্ধকার
    অনন্ত ভুবনে। দোঁহে মোরা রব চাহি
    অপার তিমিরে; আর কোথা কিছু নাহি,
    শুধু মোর করে তব করতলখানি,
    শুধু অতি কাছাকাছি দুটি জনপ্রাণী,
    অসীম নির্জনে; বিষণ্ন বিচ্ছেদরাশি
    চরাচরে আর সব ফেলিয়াছে গ্রাসি—
    শুধু এক প্রান্তে তার প্রলয় মগন
    বাকি আছে একখানি শঙ্কিত মিলন,
    দুটি হাত, ত্রস্ত কপোতের মতো দুটি
    বক্ষ দুরুদুরু, দুই প্রাণে আছে ফুটি
    শুধু একখানি ভয়, একখানি আশা,
    একখানি অশ্রুভরে নম্র ভালোবাসা।
    আজিকে এমনি তবে কাটিবে যামিনী
    আলস্য-বিলাসে। অয়ি নিরভিমানিনী,
    অয়ি মোর জীবনের প্রথম প্রেয়সী,
    মোর ভাগ্য-গগনের সৌন্দর্যের শশী,
    মনে আছে কবে কোন্‌ ফুল্ল যূথীবনে,
    বহু বাল্যকালে, দেখা হত দুই জনে
    আধো-চেনাশোনা? তুমি এই পৃথিবীর
    প্রতিবেশিনীর মেয়ে, ধরার অস্থির
    এক বালকের সাথে কী খেলা খেলাতে
    সখী, আসিতে হাসিয়া, তরুণ প্রভাতে
    নবীন বালিকামূর্তি, শুভ্রবস্ত্র পরি
    উষার কিরণধারে সদ্য স্নান করি
    বিকচ কুসুম-সম ফুল্ল মুখখানি
    নিদ্রাভঙ্গে দেখা দিতে, নিয়ে যেতে টানি
    উপবনে কুড়াতে শেফালি। বারে বারে
    শৈশব-কর্তব্য হতে ভুলায়ে আমারে,
    ফেলে দিয়ে পুঁথিপত্র, কেড়ে নিয়ে খড়ি, 
    দেখায়ে গোপন পথ দিতে মুক্ত করি
    পাঠশালা-কারা হতে; কোথা গৃহকোণে
    নিয়ে যেতে নির্জনেতে রহস্যভবনে;
    জনশূন্য গৃহছাদে আকাশের তলে
    কী করিতে খেলা, কী বিচিত্র কথা বলে
    ভুলাতে আমারে, স্বপ্ন-সম চমৎকার
    অর্থহীন, সত্য মিথ্যা তুমি জান তার।
    দুটি কর্ণে দুলিত মুকুতা, দুটি করে
    সোনার বলয়, দুটি কপোলের ‘পরে
    খেলিত অলক, দুটি স্বচ্ছ নেত্র হতে
    কাঁপিত আলোক, নির্মল নির্ঝর-স্রোতে
    চূর্ণরশ্মি-সম। দোঁহে দোঁহা ভালো করে
    চিনিবার আগে নিশ্চিন্ত বিশ্বাসভরে
    খেলাধুলা ছুটাছুটি দুজনে সতত—
    কথাবার্তা বেশবাস বিথান বিতত।
    তার পরে একদিন— কী জানি সে কবে—
    জীবনের বনে যৌবনবসন্তে যবে
    প্রথম মলয়বায়ু ফেলেছে নিশ্বাস,
    মুকুলিয়া উঠিতেছে শত নব আশ,
    সহসা চকিত হয়ে আপন সংগীতে
    চমকিয়া হেরিলাম— খেলা-ক্ষেত্র হতে
    কখন অন্তরলক্ষ্মী এসেছ অন্তরে,
    আপনার অন্তঃপুরে গৌরবের ভরে
    বসি আছ মহিষীর মতো। কে তোমারে
    এনেছিল বরণ করিয়া। পুরদ্বারে
    কে দিয়াছে হুলুধ্বনি! ভরিয়া অঞ্চল
    কে করেছে বরিষন নবপুষ্পদল
    তোমার আনম্র শিরে আনন্দে আদরে!
    সুন্দর সাহানা-রাগে বংশীর সুস্বরে
    কী উৎসব হয়েছিল আমার জগতে,
    যেদিন প্রথম তুমি পুষ্পফুল্ল পথে
    লজ্জামুকুলিত মুখে রক্তিম অম্বরে 
    বধূ হয়ে প্রবেশিলে চিরদিনতরে
    আমার অন্তর-গৃহে— যে গুপ্ত আলয়ে
    অন্তর্যামী জেগে আছে সুখ দুঃখ লয়ে,
    যেখানে আমার যত লজ্জা আশা ভয়
    সদা কম্পমান, পরশ নাহিকো সয়
    এত সুকুমার! ছিলে খেলার সঙ্গিনী
    এখন হয়েছ মোর মর্মের গেহিনী,
    জীবনের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। কোথা সেই
    অমূলক হাসি-অশ্রু, সে চাঞ্চল্য নেই,
    সে বাহুল্য কথা। স্নিগ্ধ দৃষ্টি সুগম্ভীর
    স্বচ্ছ নীলাম্বর-সম; হাসিখানি স্থির
    অশ্রুশিশিরেতে ধৌত; পরিপূর্ণ দেহ
    মঞ্জরিত বল্লরীর মতো; প্রীতি স্নেহ
    গভীর সংগীততানে উঠিছে ধ্বনিয়া
    স্বর্ণবীণাতন্ত্রী হতে রনিয়া রনিয়া
    অনন্ত বেদনা বহি। সে অবধি প্রিয়ে,
    রয়েছি বিস্মিত হয়ে—তোমারে চাহিয়ে
    কোথাও না পাই অন্ত। কোন্‌ বিশ্বপার
    আছে তব জন্মভূমি। সংগীত তোমার
    কত দূরে নিয়ে যাবে, কোন্‌ কল্পলোকে
    আমারে করিবে বন্দী গানের পুলকে
    বিমুগ্ধ কুরঙ্গসম। এই যে বেদনা,
    এর কোনো ভাষা আছে? এই যে বাসনা,
    এর কোনো তৃপ্তি আছে? এই যে উদার
    সমুদ্রের মাঝখানে হয়ে কর্ণধার
    ভাসায়েছ সুন্দর তরণী, দশ দিশি
    অস্ফুট কল্লোলধ্বনি চির দিবানিশি
    কী কথা বলিছে কিছু নারি বুঝিবারে,
    এর কোনো কূল আছে? সৌন্দর্য পাথারে
    যে বেদনা-বায়ুভরে ছুটে মন-তরী
    সে বাতাসে, কত বার মনে শঙ্কা করি,
    ছিন্ন হয়ে গেল বুঝি হৃদয়ের পাল; 
    অভয় আশ্বাসভরা নয়ন বিশাল
    হেরিয়া ভরসা পাই বিশ্বাস বিপুল
    জাগে মনে— আছে এক মহা উপকূল
    এই সৌন্দর্যের তটে, বাসনার তীরে
    মোদের দোঁহের গৃহ।
     
                     হাসিতেছ ধীরে
    চাহি মোর মুখে, ওগো রহস্যমধুরা!
    কী বলিতে চাহ মোরে প্রণয়বিধুরা
    সীমান্তিনী মোর, কী কথা বুঝাতে চাও।
    কিছু বলে কাজ নাই— শুধু ঢেকে দাও
    আমার সর্বাঙ্গ মন তোমার অঞ্চলে,
    সম্পূর্ণ হরণ করি লহ গো সবলে
    আমার আমারে; নগ্ন বক্ষে বক্ষ দিয়া
    অন্তর রহস্য তব শুনে নিই প্রিয়া।
    তোমার হৃদয়কম্প অঙ্গুলির মতো
    আমার হৃদয়তন্ত্রী করিবে প্রহত,
    সংগীত-তরঙ্গধ্বনি উঠিবে গুঞ্জরি
    সমস্ত জীবন ব্যাপী থরথর করি।
    নাই বা বুঝিনু কিছু, নাই বা বলিনু,
    নাই বা গাঁথিনু গান, নাই বা চলিনু
    ছন্দোবদ্ধ পথে, সলজ্জ হৃদয়খানি
    টানিয়া বাহিরে। শুধু ভুলে গিয়ে বাণী
    কাঁপিব সংগীতভরে, নক্ষত্রের প্রায়
    শিহরি জ্বলিব শুধু কম্পিত শিখায়,
    শুধু তরঙ্গের মতো ভাঙিয়া পড়িব
    তোমার তরঙ্গ-পানে, বাঁচিব মরিব
    শুধু, আর কিছু করিব না। দাও সেই
    প্রকাণ্ড প্রবাহ, যাহে এক মুহূর্তেই
    জীবন করিয়া পূর্ণ, কথা না বলিয়া
    উন্মত্ত হইয়া যাই উদ্দাম চলিয়া।
    মানসীরূপিণী ওগো, বাসনাবাসিনী,
    আলোকবসনা ওগো, নীরবভাষিণী,
    পরজন্মে তুমি কে গো মূর্তিমতী হয়ে
    জন্মিবে মানব-গৃহে নারীরূপ লয়ে
    অনিন্দ্যসুন্দরী? এখন ভাসিছ তুমি
    অনন্তের মাঝে; স্বর্গ হতে মর্তভূমি
    করিছ বিহার; সন্ধ্যার কনকবর্ণে
    রাঙিছ অঞ্চল; উষার গলিত স্বর্ণে
    গড়িছ মেখলা; পূর্ণ তটিনীর জলে
    করিছ বিস্তার, তলতল ছলছলে
    ললিত যৌবনখানি, বসন্তবাতাসে,
    চঞ্চল বাসনাব্যথা সুগন্ধ নিশ্বাসে
    করিছ প্রকাশ; নিষুপ্ত পূর্ণিমা রাতে
    নির্জন গগনে, একাকিনী ক্লান্ত হাতে
    বিছাইছ দুগ্ধশুভ্র বিরহ-শয়ন;
    শরৎ-প্রত্যুষে উঠি করিছ চয়ন
    শেফালি, গাঁথিতে মালা, ভুলে গিয়ে শেষে,
    তরুতলে ফেলে দিয়ে, আলুলিত কেশে
    গভীর অরণ্য-ছায়ে উদাসিনী হয়ে
    বসে থাক; ঝিকিমিকি আলোছায়া লয়ে
    কম্পিত অঙ্গুলি দিয়ে বিকালবেলায়
    বসন বয়ন কর বকুলতলায়;
    অবসন্ন দিবালোকে কোথা হতে ধীরে
    ঘনপল্লবিত কুঞ্জে সরোবর-তীরে
    করুণ কপোতকণ্ঠে গাও মুলতান;
    কখন অজ্ঞাতে আসি ছুঁয়ে যাও প্রাণ
    সকৌতুকে; করি দাও হৃদয় বিকল,
    অঞ্চল ধরিতে গেলে পালাও চঞ্চল
    কলকণ্ঠে হাসি’, অসীম আকাঙ্ক্ষারাশি
    জাগাইয়া প্রাণে, দ্রুতপদে উপহাসি’
    মিলাইয়া যাও নভোনীলিমার মাঝে।
    কখনো মগন হয়ে আছি যবে কাজে 
    স্খলিতবসন তব শুভ্র রূপখানি
    নগ্ন বিদ্যুতের আলো নয়নেতে হানি
    চকিতে চমকি চলি যায়। জানালায়
    একেলা বসিয়া যবে আঁধার সন্ধ্যায়,
    মুখে হাত দিয়ে, মাতৃহীন বালকের
    মতো বহুক্ষণ কাঁদি স্নেহ-আলোকের
    তরে— ইচ্ছা করি, নিশার আঁধারস্রোতে
    মুছে ফেলে দিয়ে যায় সৃষ্টিপট হতে
    এই ক্ষীণ অর্থহীন অস্তিত্বের রেখা,
    তখন করুণাময়ী দাও তুমি দেখা
    তারকা-আলোক-জ্বালা স্তব্ধ রজনীর
    প্রান্ত হতে নিঃশব্দে আসিয়া; অশ্রুনীর
    অঞ্চলে মুছায়ে দাও; চাও মুখপানে
    স্নেহময় প্রশ্নভরা করুণ নয়ানে;
    নয়ন চুম্বন কর, স্নিগ্ধ হস্তখানি
    ললাটে বুলায়ে দাও; না কহিয়া বাণী,
    সান্ত্বনা ভরিয়া প্রাণে, কবিরে তোমার
    ঘুম পাড়াইয়া দিয়া কখন আবার
    চলে যাও নিঃশব্দ চরণে।
     
                       সেই তুমি
    মূর্তিতে দিবে কি ধরা? এই মর্তভূমি
    পরশ করিবে রাঙা চরণের তলে?
    অন্তরে বাহিরে বিশ্বে শূন্যে জলে স্থলে
    সর্ব ঠাঁই হতে সর্বময়ী আপনারে
    করিয়া হরণ, ধরণীর একধারে
    ধরিবে কি একখানি মধুর মুরতি?
    নদী হতে লতা হতে আনি তব গতি
    অঙ্গে অঙ্গে নানা ভঙ্গে দিবে হিল্লোলিয়া—
    বাহুতে বাঁকিয়া পড়ি, গ্রীবায় হেলিয়া
    ভাবের বিকাশভরে? কী নীল বসন
    পরিবে সুন্দরী তুমি? কেমন কঙ্কণ 
    ধরিবে দুখানি হাতে? কবরী কেমনে
    বাঁধিবে, নিপুণ বেণী বিনায়ে যতনে?
    কচি কেশগুলি পড়ি শুভ্র গ্রীবা-’পরে
    শিরীষকুসুম-সম সমীরণভরে
    কাঁপিবে কেমন? শ্রাবণে দিগন্তপারে
    যে গভীর স্নিগ্ধ দৃষ্টি ঘন মেঘভারে
    দেখা দেয় নব নীল অতি সুকুমার,
    সে দৃষ্টি না জানি ধরে কেমন আকার
    নারীচক্ষে! কী সঘন পল্লবের ছায়,
    কী সুদীর্ঘ কী নিবিড় তিমির-আভায়
    মুগ্ধ অন্তরের মাঝে ঘনাইয়া আনে
    সুখবিভাবরী! অধর কী সুধাদানে
    রহিবে উন্মুখ, পরিপূর্ণ বাণীভরে
    নিশ্চল নীরব! লাবণ্যের থরে থরে
    অঙ্গখানি কী করিয়া মুকুলি বিকশি
    অনিবার সৌন্দর্যেতে উঠিবে উচ্ছ্বসি
    নিঃসহ যৌবনে?
     
              জানি, আমি জানি সখী,
    যদি আমাদের দোঁহে হয় চোখোচোখি
    সেই পরজন্ম-পথে, দাঁড়াব থমকি;
    নিদ্রিত অতীত কাঁপি উঠিবে চমকি
    লভিয়া চেতনা। জানি মনে হবে মম,
    চিরজীবনের মোর ধ্রুবতারা-সম
    চিরপরিচয়ভরা ওই কালো চোখ।
    আমার নয়ন হতে লইয়া আলোক,
    আমার অন্তর হতে লইয়া বাসনা,
    আমার গোপন প্রেম করেছে রচনা
    এই মুখখানি। তুমিও কি মনে মনে
    চিনিবে আমারে? আমাদের দুই জনে
    হবে কি মিলন? দুটি বাহু দিয়ে, বালা,
    কখনো কি এই কণ্ঠে পরাইবে মালা 
    বসন্তের ফুলে? কখনো কি বক্ষ ভরি
    নিবিড় বন্ধনে, তোমারে হৃদয়েশ্বরী,
    পারিব বাঁধিতে? পরশে পরশে দোঁহে
    করি বিনিময় মরিব মধুর মোহে
    দেহের দুয়ারে? জীবনের প্রতিদিন
    তোমার আলোক পাবে বিচ্ছেদবিহীন,
    জীবনের প্রতি রাত্রি হবে সুমধুর
    মাধুর্যে তোমার, বাজিবে তোমার সুর
    সর্ব দেহে মনে? জীবনের প্রতি সুখে
    পড়িবে তোমার শুভ্র হাসি, প্রতি দুখে
    পড়িবে তোমার অশ্রুজল। প্রতি কাজে
    রবে তব শুভহস্ত দুটি, গৃহ-মাঝে
    জাগায়ে রাখিবে সদা সুমঙ্গল—জ্যোতি।
     
    এ কি শুধু বাসনার বিফল মিনতি,
    কল্পনার ছল? কার এত দিব্যজ্ঞান,
    কে বলিতে পারে মোরে নিশ্চয় প্রমাণ—
    পূর্বজন্মে নারীরূপে ছিলে কি না তুমি
    আমারি জীবন-বনে সৌন্দর্যে কুসুমি,
    প্রণয়ে বিকশি। মিলনে আছিলে বাঁধা
    শুধু এক ঠাঁই, বিরহে টুটিয়া বাধা
    আজি বিশ্বময় ব্যাপ্ত হয়ে গেছ প্রিয়ে,
    তোমারে দেখিতে পাই সর্বত্র চাহিয়ে।
    ধূপ দগ্ধ হয়ে গেছে, গন্ধবাষ্প তার
    পূর্ণ করি ফেলিয়াছে আজি চারি ধার।
    গৃহের বনিতা ছিলে, টুটিয়া আলয়
    বিশ্বের কবিতারূপে হয়েছ উদয়—
    তবু কোন্‌ মায়া-ডোরে চিরসোহাগিনী,
    হৃদয়ে দিয়েছ ধরা, বিচিত্র রাগিণী
    জাগায়ে তুলিছ প্রাণে চিরস্মৃতিময়।
    তাই তো এখনো মনে আশা জেগে রয়
    আবার তোমারে পাব পরশবন্ধনে। 
    এমনি সমস্ত বিশ্ব প্রলয়ে সৃজনে
    জ্বলিছে নিবিছে, যেন খদ্যোতের জ্যোতি,
    কখনো বা ভাবময়, কখনো মুরতি।
     
    রজনী গভীর হল, দীপ নিবে আসে;
    পদ্মার সুদূর পারে পশ্চিম আকাশে
    কখন যে সায়াহ্নের শেষ স্বর্ণরেখা
    মিলাইয়া গেছে; সপ্তর্ষি দিয়েছে দেখা
    তিমিরগগনে; শেষ ঘট পূর্ণ ক’রে
    কখন বালিকা-বধূ চলে গেছে ঘরে;
    হেরি কৃষ্ণপক্ষ রাত্রি, একাদশী তিথি,
    দীর্ঘ পথ, শূন্য ক্ষেত্র, হয়েছে অতিথি
    গ্রামে গৃহস্থের ঘরে পান্থ পরবাসী;
    কখন গিয়েছে থেমে কলরবরাশি
    মাঠপারে কৃষিপল্লী হতে; নদীতীরে
    বৃদ্ধ কৃষাণের জীর্ণ নিভৃত কুটিরে
    কখন জ্বলিয়াছিল সন্ধ্যাদীপখানি,
    কখন নিভিয়া গেছে— কিছুই না জানি।
     
    কী কথা বলিতেছিনু, কী জানি, প্রেয়সী,
    অর্ধ-অচেতনভাবে মনোমাঝে পশি
    স্বপ্নমুগ্ধ-মতো। কেহ শুনেছিলে সে কি,
    কিছু বুঝেছিলে প্রিয়ে, কোথাও আছে কি
    কোনো অর্থ তার? সব কথা গেছি ভুলে,
    শুধু এই নিদ্রাপূর্ণ নিশীথের কূলে
    অন্তরের অন্তহীন অশ্রু-পারাবার
    উদ্‌বেলিয়া উঠিয়াছে হৃদয়ে আমার
    গম্ভীর নিস্বনে।
    এসো সুপ্তি, এসো শান্তি,
    এসো প্রিয়ে, মুগ্ধ মৌন সকরুণ কান্তি,
    বক্ষে মোরে লহো টানি— শোয়াও যতনে
    মরণসুস্নিগ্ধ ও শুভ্র বিস্মৃতিশয়নে।
    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচিত্রা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    Next Article সন্ধ্যাসংগীত – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

    Related Articles

    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    নগ্ন নির্জন – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    কোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ

    May 23, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রবার্টসনের রুবি – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    বোম্বাইয়ের বোম্বেটে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রয়েল বেঙ্গল রহস্য – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    যত কাণ্ড কাঠমাণ্ডুতে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }