Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সোমনাথ সুন্দরী – ১১

    ১১

    বেশ বেলা করেই অঙ্গিরার ঘুম ভাঙল। ত্রিপুরারিদেবের নির্দেশ মতো গত কয়েক রাত ধরে সে টহল দিচ্ছে দেবদাসীদের আবাস সংলগ্ন চত্বরের বাইরের সেই বাগিচাতে ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে। এক রাতে সে দেবদাসীদের কক্ষ ঘেরা সেই অঙ্গণেও প্রবেশ করেছিল। কিন্তু তেমন কিছু চোখে পড়েনি।

    শীতের আগমন বার্তা হিসাবে সূর্যাস্তের সময় এগিয়ে এসেছে, সূর্যোদয়ও কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। রাত্রিতে কুয়াশার চাদর নেমে আসছে মন্দিরের মাথায়। রোজ যখন শুকতারা ফুটে ওঠে, শিকলধ্বনি বেজে ওঠে, জেগে উঠতে শুরু করে মন্দির, ঠিক সে সময় কক্ষে ফিরে শয্যা গ্রহণ করে অঙ্গিরা। ঘুম ভাঙতে প্রায় মধ্যাহ্ন হয়ে যায়।

    এদিনও তার ব্যতিক্রম হল না। অঙ্গিরা যখন নিদ্রাভঙ্গ করে, শরীর পরিচ্ছন্ন ও ফলাহারের পর কক্ষ ত্যাগ করল তখন সূর্যদেব ঠিক মাথার ওপর। জনপ্লাবিত মন্দির চত্বর, সোমেশ্বর মহাদেবের নামে জয়ধ্বনিতে আকাশবাতাস মুখরিত। অবশ্য আর কিছু সময়ের মধ্যেই বিগ্রহের ভোজনের জন্য গর্ভগৃহর দ্বার বন্ধ হয়ে যাবে।

    অতিথিশালা থেকে মন্দির প্রাঙ্গণে নামার মুখেও একটি ছোট অঙ্গণ আছে। মাথায় তালপাতার ছাউনি দেওয়া বেশ কিছু পাথরের বেদিও আছে সেখানে বসার জন্য। সেখানেই একটা বেদিতে বসল অঙ্গিরা। বাইরের প্রাঙ্গণের একটা অংশ দেখা যাচ্ছে সেখান থেকে।

    একদল নারী পূজা দিয়ে ফিরছে। স্বর্ণালঙ্কারে ভূষিত বেশ বড় একটা দল। হয়তো দূর দেশ থেকে আসা পুণ্যার্থী তারা। দলের আগে একজন পতাকাবাহী আছে। নারীদের সবার পরনেই নীল রঙের কাপড়। আর তা দেখে সমর্পিতার কথা মনে পড়ে গেল অঙ্গিরার।

    সেদিনের সেই দুর্ঘটনার পর প্রতিদিনই সন্ধ্যারতির সময় গর্ভগৃহর সামনে হাজির হয়েছে অঙ্গিরা। গতকালও ছিল। কিন্তু সন্ধ্যারতিতে আর নৃত্য প্রদর্শন করতে আসছে না সমর্পিতা। অঙ্গিরা রোজই তাকে দেখতে না পেয়ে হতাশ হয়। এখন সে নিজে বুঝতে পারছে ওই সমর্পিতার টানেই সে রোজ হাজির হত গর্ভগৃহর সামনে।

    সে কি অসুস্থ, নাকি ঋতুমতি নাকি অন্য কোনও কারণ আছে তার অনুপস্থিতির পিছনে? ব্যাপারটা ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না অঙ্গিরা। আবার কাউকে সে ব্যাপারে প্রশ্ন করতেও সংকোচ বোধ করছে।

    অঙ্গিরা হঠাৎ দেখতে পেল খগেশ্বরকে। সামনের পথ দিয়ে যাচ্ছিল সে। অঙ্গিরাকে দেখতে পেয়ে প্রথমে থমকে দাঁড়াল। তারপর অঙ্গণে উঠে কিছুটা কৈফিয়তের সুরে বলল, ‘পুরোহিত নন্দিবাহনের কাছে গেছিলাম তার মস্তকে ক্ষুর লেপনের জন্য। প্রধান পুরোহিত আর সহ প্রধান পুরোহিতদের মাথায় এ কাজটা আমাকেই করতে হয়।’ এ কথা বলার পর একটু চাপাস্বরে বলল, ‘তার দেখা পেলেন?’

    অঙ্গিরা জানতে চাইল, ‘কার দেখা?’

    অঙ্গিরার পাশে বসল খগেশ্বর। তারপর তার হাতে রাখা কাষ্ঠ নির্মিত যে ক্ষুদ্র পেটিকাটা ধরা ছিল সেটা মাটিতে নামিয়ে রেখে বলল, ‘ওই যে সেই প্রেত, যে হানা দিয়েছিল দেবদাসীদের আবাস স্থলে। যাকে ধরার জন্য রাত পাহারাতে আপনাকে নিয়োজিত করেছেন প্রধান পুরোহিত।’

    অঙ্গিরা কথাটা শুনে চমকে উঠল। ব্যাপারটা খেয়াল করে খগেশ্বর বলল, ‘আপনাকে বলেছি না, এখানে একটা পাতা নড়লেও সে খবর আমি পাই। যেদিন রাতে সেই প্রেতাত্মাকে দেখা গিয়েছিল সেদিন রাতে তো আপনি প্রধান পুরোহিতের সঙ্গে দেবদাসীদের আবাসস্থলে গেছিলেন, আর তারপর থেকে তো আপনি প্রতি রাতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন ওখানে।’

    খগেশ্বরের কথা শুনে ব্যাপারটা চাপা দেবার জন্য অঙ্গিরা বলল, ‘হ্যাঁ, আমি রাতে ওদিকে যাই বটে, তবে তার সঙ্গে সেই প্রেতাত্মাকে সন্ধান করার সম্পর্ক নেই। দেবদাসীদের বাসস্থানের গায়ে এই কাননটা উন্মুক্ত ও জনমানবহীন বলে রাত্রিতে আমি মন্দিরের ওই অংশে তিরন্দাজি অনুশীলন করতে যাই। প্রধান পুরোহিত আমাকে ওই স্থান নির্বাচন করে দিয়েছেন এটা অবশ্য সত্য কথা।’

    নরসুন্দর অধিপতি কথাটা শুনে মৃদু হাসল। তার মুখ দেখে অঙ্গিরার মনে হল, ব্যাপারটা সে বিশ্বাস করেনি। খগেশ্বর এরপর স্বগোতক্তির স্বরে বলল, ‘আমি শুধু ভাবছি ওই প্রেত কে হতে পারে? হাঁ, একথা ঠিকই যে মানুষের মৃত্যুর পর প্রেতাত্মারা এসে প্রভাক্ষেত্রে সমবেত হয়। কিন্তু তারা তো সোমেশ্বর মহাদেবের কাছে নিজেদের মুক্তি প্রার্থনা করে প্রেতযোনি থেকে মুক্তি লাভ করে। একজন সামান্য দেবদাসীর কাছ থেকে সে মুক্তিলাভের প্রার্থনা করবে কেন? আর তার বিনিময়ে তাকে স্যমন্তক মণির প্রলোভনই বা দেখাবে কেন? তবে সে কি প্রেত নয়, মানুষ?’

    খগেশ্বরের কানে যে-কোনও কথা যেতে বাকি থাকেনি তা বুঝতে অসুবিধা হল না অঙ্গিরার। এবং নাপিত শিরোমণির প্রশ্নও অবশ্যই যুক্তিযুক্ত।

    খগেশ্বর এরপর তার সাদা সনের মতো চুলে হাত বুলিয়ে বলল, ‘তবে হ্যাঁ, ওই একটা ব্যাপারে এই খগেশ্বরেরও সঠিক কিছু জানা নেই!’

    ‘কী ব্যাপারে?’ জানতে চাইল অঙ্গিরা।

    খগেশ্বর বলল, ‘ওই স্যমন্তক মণির ব্যাপারে। কেউ কেউ বলে সে মণি নাকি এ মন্দিরে রক্ষিত আছে। কিন্তু মন্দিরের তোষাগৃহতে যেখানে হিরা-জহরত, দুর্মূল্য দান সামগ্রী সঞ্চিত থাকে সেখানে যে তা নেই সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। তবে রক্ষীপ্রধান বা সেবায়েত প্রধানদের থেকে আমি ব্যাপারটা নিশ্চিত জানতাম। একবার শ্রাবণী পূর্ণিমাতে নগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তিদের দর্শনের জন্য তোষাগৃহর দরজা উন্মুক্ত করা হয়েছিল। আমারও সেদিনে সেখানে প্রবেশের সুযোগ ঘটেছিল। নীলকান্ত মণি-সহ বহু হিরা-জহরত দেখলেও স্যমন্তক মণি সেখানে দেখিনি। হয়তো বা ওই মণি অন্য কোথাও থাকতে পারে। হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসা মানুষের কথাকেও অস্বীকার করা যায় না আবার!’

    অঙ্গিরা জানতে চাইল ‘সেই তোষাগৃহ কোথায়?’

    খগেশ্বর বলল, ‘সোপানশ্রেণী যেখানে নীচে নেমে শেষ হয়েছে তার দক্ষিণ পার্শ্বে সেই কক্ষে যাবার পথ। সাধারণ মানুষের সেদিকে প্রবেশ নিষেধ। সেখানে প্রবেশ পথের সমুখে এবং তোষাগৃহর লৌহ নির্মিত ভারী কপাটের সামনে সর্ব সময় অস্ত্রধারী রক্ষীরা প্রহরাতে থাকে। ওই সম্পদ-কক্ষর মেঝে, ছাদ, দেওয়াল সবই লৌহ চাদরে আবৃত, যাতে কেউ সুড়ঙ্গ খনন করে ভিতরে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য।’

    এ ব্যাপারটা জানা ছিল না অঙ্গিরার। বেশ কিছুদিন হয়ে গেলেও বিশাল এ মন্দিরের এখনও সবকিছু দর্শন করা হয়নি তার। অঙ্গিরা এরপর প্রশ্ন করল, ‘ওই স্যমন্তক মণি নিশ্চিত কোনও দামি মণি। ও মণির বিশেষত্ব কী?’

    প্রশ্নটা শুনে নরসুন্দর অধিপতি বললেন, ‘ও মণি যে স্বয়ং দ্বারকাধীশ কৃষ্ণর মণি। তাঁর মানবলীলার সঙ্গে যে উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো জড়িয়ে আছে তার মধ্যে ওই স্যমন্তক মণির ঘটনা অন্যতম। এমনকী ভগবান কৃষ্ণকে ওই মণির জন্য চৌর্যবৃত্তির দায়েও অভিযুক্ত হতে হয়েছিল! সে কাহিনি আপনি জানেন না!’

    অঙ্গিরা বলল, ‘ ”সামন্তক মণি” নামটা যেন পরিচিত হলেও সে কাহিনি আমার জানা নেই।’

    খগেশ্বর একবার আকাশের সূর্যের দিকে তাকিয়ে সময়ের হিসাব পরিমাপ করে নিয়ে বলল, ‘ওঠার আগে সে কাহিনি সংক্ষেপে তবে বলি আপনাকে।’

    ‘সত্রাজিৎ নামে দ্বারকাতে এক যাদব বাস করতেন। যাঁর কাছে স্যমন্তক নামে অতি উজ্জ্বল এক বৃহৎ মণি ছিল। যার সমকক্ষ মণি স্বর্গ-মর্ত কোথাও ছিল না। সত্রাজিতের মনে সন্দেহ জাগে যে দ্বারকাধীশ কৃষ্ণ সেই মণি তার কাছ থেকে হরণ করতে পারেন। এই ভয়ে তিনি সেই মণি তার ভ্রাতা প্রসেনকে দান করেন। প্রসেন সেই মণি ধারণ করেন, এবং একদিন একলা মৃগয়াতে গিয়ে এক সিংহর দ্বারা নিহত হন। সিংহ সে মণি মুখে করে নিয়ে চলে যায়। কিন্তু প্রসেনের মৃত্যু ও সেই মণি অন্তর্হিত হওয়াতে সত্রাজিৎ ও দ্বারকাবাসীর মনে হয় ওই স্যমন্তক মণি কৃষ্ণই, প্রসেনকে হত্যা করে হরণ করেছেন!

    দ্বারকাবাসীর এই মিথ্যা অপবাদ থেকে মুক্তি পেতে ভগবান কৃষ্ণ নিজে ওই মণির অনুসন্ধানে অবতীর্ণ হন। জঙ্গলে উপস্থিত হয়ে তিনি প্রসেনের মৃতদেহ যেখানে পতিত ছিল সেখান থেকে সেই সিংহের পদচিহ্ন অনুসরণ করলেন। কিছু দূর গিয়ে তিনি দেখলেন সেই সিংহ মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। তাকে পেট চিরে হত্যা করেছে কোন বিশালাকৃতির ভল্লুক। এবং সেই ভল্লুকের পদচিহ্ন এগিয়েছে এক গুহার দিকে।

    সেই গুহাতে বাস করতেন ভল্লুকশ্রেষ্ঠ প্রাচীন জাম্বুবান, যিনি ত্রেতা যুগে শ্রীরামচন্দ্রর বানর সেনার সঙ্গে সম্মিলিত হয়ে রাবণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। সিংহকে হত্যা করে জাম্বুবানই স্যমন্তক মণি হস্তগত করেছিলেন। জাম্বুবান সেই মণি কৃষ্ণর হাতে তুলে দিতে না চাওয়াতে যুদ্ধ শুরু হল কৃষ্ণ ও জাম্বুবানের মধ্যে।

    অবশেষে যুদ্ধে পরাজিত হলেন জাম্বুবান। তিনি শুধু সেই স্যমন্তক মণি কৃষ্ণর হাতে দিলেনই না, তার সঙ্গে-সঙ্গে নিজ কন্যা জাম্ববতীকেও সমর্পণ করলেন তাঁর কাছে।

    জাম্ববতীকে বিবাহ করে কৃষ্ণ দ্বারকাতে ফিরে এলেন এবং স্যমন্তক মণি ফিরিয়ে দিলেন সত্রাজিৎকে। মণি ফিরে পেলেও কৃষ্ণ যদি তাঁকে মিথ্যা কলঙ্ক লেপনের জন্য কোনও শাস্তি দেন সেই ভয়ে সত্রাজিৎ তাঁর কন্যা সত্যভামাকে তুলে দিলেন কৃষ্ণের হাতে। কৃষ্ণ হলেন সত্রাজিতের জামাতা। এই হল স্যমন্তক মণি আখ্যানের প্রথমাংশ।’ এই বলে কিছুটা থেমে খগেশ্বর আবার শুরু করলেন।

    ‘সেই কালে যাদবদের আরও তিনজন গোষ্ঠীপতি ছিলেন—শতধন্বা, মহাবীর কৃতবর্মা ও কৃষ্ণর পরম সেবক ও ভক্ত অত্রু্ুর। তাঁরা তিনজনই সত্রাজিতের পরম সুন্দরী কন্যা সত্যভামাকে কামনা করতেন। কিন্তু সত্রাজিৎ তাঁর কন্যাকে কৃষ্ণর নিকট সম্প্রদান করাতে ভীষণ অপমানিত বোধ করলেন তাঁরা তিনজন।

    কৃতবর্মা ও অত্রু্ুর, শতধন্বাকে পরামর্শ দিলেন সত্রাজিৎকে বধ করে স্যমন্তক মণি হরণ করতে। তাঁরা দুজন শতধন্বাকে প্রতিশ্রুতি দিলেন যে কৃষ্ণ যদি সত্রাজিৎ বধের বিরোধিতা করেন তবে কৃষ্ণর বিপক্ষে শতধন্বার হয়ে অস্ত্র ধরবেন।

    কৃষ্ণ বারণাবতে গমন করলে শতধন্বা মহাবীর কৃতবর্মা ও অত্রু্ুরের কথায় প্ররোচিত হয়ে সত্রাজিৎকে নিদ্রিত অবস্থায় হত্যা করলেন। পিতার মৃত্যুতে শোকাতুরা সত্যভামা সংবাদ প্রেরণ করলেন কৃষ্ণকে। তিনি দ্বারকাতে প্রত্যাগমনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন শতধন্বাকে বধের উদ্দেশে। কিন্তু অত্রু্ুর ও কৃতবর্মা কৃষ্ণর সংহার মূর্তির কথা স্মরণ করে তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষাতে অপারগ বলে জানিয়ে দিলেন শতধন্বাকে।

    বিপদ দেখে শতধন্বা অশ্বপৃষ্ঠে জঙ্গলে পলায়ন করলেন। এ সংবাদ কর্ণগোচর হতেই কৃষ্ণ, ভ্রাতা বলরামকে রথের সারথী করে শতধন্বার পশ্চাদ্ধাবন করলেন। কিন্তু রথের চেয়ে অশ্ব দ্রুতগামী। তাই শতধন্বাকে প্রাথমিক অবস্থাতে ধরতে পারলেন না কৃষ্ণ। কিন্তু এক সময় শতধন্বার অশ্ব পরিশ্রমক্লিষ্ট হয়ে মৃত্যু বরণ করল। অগত্যা শতধন্বা পদব্রজে পলায়ন শুরু করলেন।

    কৃষ্ণ যখন শতধন্বার মৃত অশ্বকে দেখতে পেলেন তখন তিনি রথ থেকে নেমে পড়লেন যুদ্ধরীতি মেনে। যে শত্রু পদব্রজে যাচ্ছে সে শত্রুকে পদব্রজে অনুসরণ করা উচিত, পদব্রজেই তার সঙ্গে-সঙ্গে যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়া উচিত। শাস্ত্র সেকথাই বলে।

    বলরামকে একলা রথে রেখে তিনি পদব্রজে জঙ্গলে অনুসরণ করলেন শতধন্বাকে। দুই ক্রোশ যাবার পর কৃষ্ণ সাক্ষাৎ পেলেন শতধন্বার। ন্যায় যুদ্ধে তিনি শতধন্বার মস্তকছেদন করলেন ঠিকই, কিন্তু শতধন্বার মৃতদেহ থেকে স্যমন্তক মণি মিলল না। তিনি ফিরে এসে একথা ভ্রাতা বলরামকে জানাতেই তিনি কৃষ্ণর প্রতি অবিশ্বাস প্রকাশ করে বললেন, ‘তুমি নিশ্চয়ই সে মণি পেয়ে জঙ্গলে কোথাও তা লুকিয়ে রেখেছ পাছে আমাকে সে মণির ন্যায্য ভাগ দিতে হয় বলে। সে কারণে তুমি আমাকে রথে রেখে একলা শতধন্বা নিধনে গেছিলে। তোমার মতো লোভীর সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করলাম আমি। আমি আর দ্বারকাতে ফিরব না।’ একথা বলে তিনি রথ নিয়ে অন্যত্র যাত্রা করলেন।

    ব্যাপারটাতে কৃষ্ণ সংকটে পড়লেন। স্যমন্তক মণি হরণের মিথ্যা অপবাদ দ্বিতীয়বার কলঙ্কিত করছে তাঁকে। অত্রু্ুর আর কৃতবর্মা, সত্রাজিৎ হত্যার ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকলেও তারা কিন্তু কখনও এ ব্যাপারে প্রকাশ্যে আসেননি বা সত্রাজিতের হত্যালীলাতে সামিল হননি। কিন্তু কৃষ্ণ দ্বারকাতে ফিরে জানতে পারলেন তাঁর পরম ভক্ত অত্রু্ুর তাঁকে না জানিয়েই দ্বারকা ত্যাগ করে অন্যত্র চলে গেছেন। এ ব্যাপারটা তাঁর প্রতি সন্দেহের জন্ম দিল কৃষ্ণর মনে। তবে কি অত্রু্ুরের কাছেই ওই স্যমন্তক মণি আছে? সত্রাজিৎ নিধনের পর শতধন্বা তাঁর কাছেই গচ্ছিত রেখেছিল স্যমন্তক মণি? যদিও এটা কৃষ্ণর অনুমান মাত্র। তাঁর কাছে এ ব্যাপারে কোনও প্রমাণ নেই। তিনি যাদবদের চতুর্দিকে পাঠালেন অত্রু্ুরের খোঁজে, তাঁকে বুঝিয়ে দ্বারকাতে ফিরিয়ে আনার জন্য।

    সময় এগিয়ে চলল। দেখতে দেখতে তিন বৎসর অতিক্রান্ত হল। এই তিন বৎসর ভাইয়ের প্রতি অভিমানী বলরাম আর দ্বারকায় ফিরলেন না। তিনি বিদেহ নগরে বাস করতে লাগলেন। আর এই তিন বৎসর কৃষ্ণকেও কাটাতে হল ভ্রাতা বলরামের অপবাদ মাথায় নিয়ে। মানব জন্মে ভগবান বিষ্ণুও শোক-তাপ-অপমান থেকে মুক্ত হতে পারেন না।

    অবশেষে তিন বৎসর অতিক্রান্ত হলে যাদবরা অত্রু্ুরের সন্ধান পেয়ে তাকে বুঝিয়ে দ্বারকাতে ফিরেয়ে আনলেন। অতঃপর কৃষ্ণ গিয়ে হাজির হলেন তার ভক্ত অত্রু্ুরের কাছে। তিনি তাকে বললেন, ‘তুমি যদি সত্যিই আমার ভক্ত হয়ে থাকো, আর স্যমন্তক মণি যদি শতধন্বা তোমার কাছে গচ্ছিত রেখে থাকে তবে তুমি সেই স্যমন্তক মণি যাদবকুলের কাছে প্রদর্শন করে আমাকে কলঙ্ক মুক্ত করো। আমি তোমাকে কথা দিচ্ছি সে মণির অধিকারী তুমিই হবে।’

    সত্যভামার ঘটনাতে কৃষ্ণর ওপর অত্রু্ুর সাময়িক ভাবে ক্ষুব্ধ হলেও তিনি কৃষ্ণর পরম ভক্ত ছিলেন। ভগবানের আবেদন আর প্রত্যাখ্যান করতে পারলেন না ভক্ত। কৃষ্ণর অনুমান সত্যি ছিল। অত্রু্ুর সেই স্যমন্তক মণি দ্বারকাবাসীদের প্রদর্শন করে কৃষ্ণর কলঙ্কমোচন করলেন।

    স্যমন্তক মণি উদ্ধার হয়েছে জেনে বলরাম দ্বারকাতে ফিরে এলেন এবং ওই মণি দাবি করে বসলেন। একই ভাবে সত্যভামাও ওই মণি দাবি করলেন। কিন্তু কৃষ্ণ তাঁদের বললেন স্যমন্তক মণির অধিকারী অত্রু্ুর। তিনি তাঁকে কথা দিয়েছেন মণি তাঁর কাছে থাকবে। অত্রু্ুরের থেকে কেউ মণি হরণ করলে তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরবেন কৃষ্ণ।

    এ কথা শুনে সেই মণির দাবি ত্যাগ করলেন বলরাম ও সত্যভামা। কিন্তু ভক্তের প্রতি ভগবানের এই ন্যায়পরায়ণতা মুগ্ধ করল শিষ্য অত্রু্ুরকে। তিনি কৃষ্ণর কাছে সেই স্যমন্তক মণি নিয়ে হাজির হয়ে বললেন, ‘প্রভু, আপনি ভক্তর মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করুন। যাদব কুলপতি হিসাবে এ মণি আপনি আপনার মস্তকে ধারন করুন। আমি সামান্য মানুষ, এ মণি আমার ধারণ করা শোভা পাবে না। আর আপনি এ মণি ধারণ করলে ভবিষ্যতে এ মণির অধিকার নিয়ে যাদবকুলে পূর্বের ন্যায় কোনও অনর্থ ঘটবে না।’

    ভক্তর বারংবার অনুরোধে কৃষ্ণ শেষ পর্যন্ত তাঁর উষ্ণীষে ধারণ করলেন স্যমন্তক মণি। সে মণি হয়ে উঠল কৃষ্ণর মাথার মণি। কিন্তু তাঁর মানবলীলা সাঙ্গ হবার পূর্বে তিনি নাকি ওই স্যমন্তক মণি দান করেন সোমেশ্বর মহাদেবের এই মন্দিরে। দীর্ঘদিনের প্রবাদ ওই মণি নাকি এই মন্দিরের কোন গোপন স্থানে রক্ষিত আছে। কেউ কেউ তো এমনও বলেন যে সোমেশ্বরের শরীরের মধ্যেই ও মণির অবস্থান। এর বিনিময়ে শুধু কুশবর্ত নয়, সম্পূর্ণ আর্যাবর্ত ক্রয় করা যায়।’

    অঙ্গিরা জানতে চাইল, ‘ ”কুশবর্ত” কোন স্থান?’

    তার ক্ষৌরকার্যের কাষ্ঠ পেটিকাটা তুলে নিয়ে খগেশ্বর বলল, ‘প্রভাসপত্তনের মতো ছোট ছোট করদ রাজ্য নিয়ে গঠিত এদেশের প্রাচীন নাম ছিল ”কুশবর্ত”। যেমন, দ্বারকা নগরীর প্রাচীন নাম ছিল ”কুশস্থলি”।’

    অঙ্গিরা, বৃদ্ধ খগেশ্বরকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলল, ‘আপনার স্যমন্তক মণির কাহিনি শুনে বড় চমৎকৃত হলাম।’ তার কথা শুনে স্মিত হেসে কয়েক-পা এগিয়েও আবার থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল খগেশ্বর। তারপর অঙ্গিরার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘তোমার পিতা-মাতার পরিচয় কিন্তু এখনও স্মরণ করতে পারছি না। নীলকণ্ঠর সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে একবার জিগ্যেস করব তাঁর কিছু খেয়াল পড়ে কিনা?’

    অঙ্গিরা জানতে চাইল, ‘তিনি কে?’

    ‘এ নগরীর সবথেকে প্রাচীন মানুষ। এক সময় মন্দিরের সেবায়েত প্রধান ছিলেন।’ জবাব দিয়ে নিজের কাজে পা বাড়ালেন নরসুন্দর প্রধান।

    অঙ্গিরা এদিন আর সে সময় অতিথিশালার অঙ্গণ ত্যাগ করল না। নিজ কক্ষে ফিরে গিয়ে নিদ্রাদানের পর সায়াহ্নে কক্ষ ত্যাগ করে সোজা গিয়ে উপস্থিত হল গর্ভগৃহর সামনে। সন্ধ্যা প্রদীপ জ্বলে ওঠার সঙ্গে-সঙ্গেই তিলোত্তমা হাজির হল দেবদাসীদের নিয়ে। কিন্তু তাদের মধ্যে সমর্পিতা নেই।

    তিলোত্তমা নিজেও অত্যন্ত রূপসী ও নৃত্যগীতে পারঙ্গম। একক নৃত্য পরিবেশন করল সে। কিন্তু তবুও অঙ্গিরার মনে হল সমর্পিতার অনুপস্থিতিতে এই নৃত্য-গীত কেমন যেন ম্লান, অনুজ্জ্বল। ব্যর্থ মনোরথে আবার অতিথিশালাতে ফিরে এল সে।

    ঠিক মধ্যরাতে অঙ্গিরা প্রতিদিনের মতো অতিথিশালা ত্যাগ করে তার ধনুর্বাণ নিয়ে রওনা হল তাকে ত্রিপুরারিদেব প্রহরার যে দায়িত্ব দিয়েছেন তা সম্পাদনের উদ্দেশ্যে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article ভয় ভয়ঙ্কর – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Our Picks

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }