Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সোমনাথ সুন্দরী – ১২

    ১২

    আর ক’দিন পরই পূর্ণিমা। প্রায় চন্দ্রালোকিত রাত্রি। তবে রাত্রি প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। চাঁদের ঔজ্জ্বল্য ফিকে হতে শুরু করবে এরপর। শেষ রাতে ক’দিন ধরে কুয়াশার স্তর গাঢ় হচ্ছে। ঠিক এই সময়তেই গভীর ঘুমে মগ্ন থাকে সবাই।

    অঙ্গিরার যতদূর চোখ যায়, তার চারপাশে ঘুমন্ত নিস্তব্ধ প্রাকার বেষ্টিত সোমনাথ মন্দির। দেবদাসীদের প্রাকারবেষ্টিত আবাসস্থলের বহিঃকাননে এদিক-ওদিক ঘুরে ঘুরে সারা রাত প্রহরা দিয়েছে অঙ্গিরা। যে স্থানে ভগ্নপ্রায় প্রাচীন মন্দিরগুলো মহাকালের সাক্ষী হয়ে আজও দণ্ডায়মান সেই চন্দ্রদেবতার মন্দিরের আশেপাশে পরিভ্রমণ করে এসেছে সে।

    কাননের এক পার্শ্বে দণ্ডায়মান বিশাল যে বৃক্ষদেবতারা আছেন তাদেরই একজনের গুড়ির গায়ে হেলান দিয়ে অঙ্গিরা বসেছিল বাকি রাতটুকু অতিক্রম করার অপেক্ষাতে। শুকতারা ফুটে উঠলেই সে উঠে পড়বে অতিথিশালাতে নিজের কক্ষে ফিরে যাবার জন্য।

    মৃদু তন্দ্রা যেন অঙ্গিরার চোখে নেমে আসতে শুরু করেছে। হঠাৎ তার মনে হল, যে প্রাকার দিয়ে দেবদাসীদের প্রাঙ্গণ সংলগ্ন বাসস্থান আবৃত সেই প্রাকারের এক স্থানে যেন একটা ছায়ামূর্তি এসে দাঁড়িয়েছে! চাঁদের আলো প্রাকারের সে স্থানে ভালো করে না পৌঁছলেও, একটা মানুষ যেন সে স্থানে প্রকারের গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে।

    অঙ্গিরা চোখ কচলে সেদিকে তাকাতেই বুঝতে পারল তার অনুমান মিথ্যা নয়। হ্যাঁ, কেউ একজন সেখানে আছে। মৃদু মৃদু নড়ছে সে। প্রাকারের গায়ে মানুষের আকারের কোনও বৃক্ষ নেই যে, সেই বৃক্ষ আন্দোলিত হয়ে অঙ্গিরার দৃষ্টিবিভ্রম ঘটাবে। তবে প্রাকারের গায়ে চন্দ্রালোক ভালো করে প্রবেশ না করাতে এবং চারদিক মৃদু কুয়াশাবৃত থাকাতে, সে মূর্তি নারী না পুরুষের তা ঠিক বুঝে উঠতে পারল না অঙ্গিরা।

    কোনও মানুষ নিশ্চিতভাবে সেখানে অবস্থান করছে বুঝতে পেরে গাছের নীচ ছেড়ে উঠে কাঁধে ধনুর্বাণ নিয়ে এগোল সেদিকে। কিন্তু কয়েক পা সেদিকে এগোতেই অঙ্গিরার মনে হল সেই মূর্তি যেন প্রাকারের গায়ে ঝুঁকে পড়ল। অঙ্গিরা যখন সেখানে উপস্থিত হল তখন সেখানে কেউ নেই।

    অঙ্গিরা এত ভুল দেখল! অঙ্গিরার চোখ তো তিরন্দাজের চোখ। আর এর পরই তার চোখে পড়ল জল নিষ্কাষণের সেই বৃত্তাকার ছিদ্রটা। হ্যাঁ, অনায়াসে একজন মানুষ সামান্য কসরত করলেই ও পথে ভিতর-বাহির করতে পারে। পিঠে তূণীর না থাকলে অঙ্গিরাও ওই পথে অবশ্যই প্রবেশ করতে পারবে ভিতরের প্রাঙ্গণে।

    অঙ্গিরা অনুমান করল তবে ওই পথেই অন্তর্হিত হয়েছে, যে এখানে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু সে কে? সেই প্রেত, নাকি অন্য কেউ? ব্যাপারটা অনুসন্ধানের প্রয়োজন, তাই অঙ্গিরা এগোল কিছুটা তফাতে প্রাকারের গায়ে প্রবেশতোরণের দিকে।

    নিঃশব্দে কপাট উন্মোচিত করে অঙ্গিরা প্রাঙ্গণে উঠে এল। স্তম্ভ সমৃদ্ধ প্রাঙ্গনে কোথাও খেলা করছে চাঁদের আলো, আবার কোথাও কুয়াশা মাখা অন্ধকার। প্রাঙ্গণ ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে দেবদাসীদের ঘুমন্ত কক্ষগুলো। কোথাও কোনও শব্দ নেই। বাইরে থেকে ভেসে আসা জলোচ্ছ্বাসের শব্দ ছাড়া। সে যদি ভিতরে প্রবেশ করে থাকে তবে সে কোথায় আত্মগোপন করল?

    মার্জার পায়ে অঙ্গিরা পরিভ্রমণ করতে শুরু করল চত্বরটা। এক সময় সে উপস্থিত হল সেই স্থানে যেখানে প্রকারের বাইরে আছড়ে পড়ছে সমুদ্রের জলরাশি। সেই স্থানে প্রাকার সংলগ্ন ছাতার নীচে বেদিতে একজনকে বসে থাকতে দেখল অঙ্গিরা। তবে তার পোশাক দেখে অঙ্গিরা বুঝতে পারল যে বসে আছে সে পুরুষ নয়, নারী। হাঁটু মুড়ে মাথা ঝুঁকিয়ে পাথরের মূর্তির মতো বসে আছে। নিশ্চিত কোনও দেবদাসী হবে। কিন্তু এত রাতে সে কক্ষের বাইরে কেন? অঙ্গিরা তার কাছে এগিয়ে গেল। তারপর একটু ইতস্তত করে প্রশ্ন করল, ‘কে তুমি?’

    অঙ্গিরার কণ্ঠ শুনে মৃদু চমকে উঠে মুখ তুলে সে বলল, ‘আমি রাজশ্রী।’

    শেষ রাতের চাঁদের আলো এসে পড়েছে মেয়েটির মুখে। কিন্তু অঙ্গিরা বিস্মিত ভাবে দেখল, এ নারী নিজেকে রাজশ্রী নামে পরিচয় দিলেও তাঁর সামনে চাঁদের আলোতে যে বসে আছে সে তো দেবদাসী সমর্পিতা!

    রাজশ্রী অবশ্য এর পরই নিজের ত্রুটি বুঝতে পারল। উঠে দাঁড়িয়ে সে জবাব দিল, ‘আমি দেবদাসী সমর্পিতা।’ জবাব দেবার পরমুহূর্তেই অঙ্গিরার দিকে তাকিয়ে মৃদু বিস্ময়ের ভাব ফুটে উঠল দেবদাসী সমর্পিতার চোখেও। সে চিনতে পারল অঙ্গিরাকে। হ্যাঁ, এ যুবকই তো তার প্রাণরক্ষা করেছিল!

    অঙ্গিরা তাকে প্রশ্ন করল, ‘এত রাতে কক্ষের বাইরে কেন?’

    সমর্পিতা জবাব দিল, ‘দেবদাসীদের বিনা অনুমতিতে প্রাকারের বাইরে যাওয়ার নিয়ম নেই জানি। কিন্তু প্রাকারের ভিতরে কক্ষত্যাগ করে এই প্রাঙ্গণে আসার ক্ষেত্রে কোনও নিষেধাজ্ঞা আছে জানি না তো? আমার নিদ্রা আসছে না তাই কক্ষ ত্যাগ করে প্রাঙ্গণে এসে বসেছি।’ কৈফিয়তের সঙ্গে যেন মৃদু ঝাঁঝের রেশ নির্গত হল দেবদাসীর কণ্ঠ থেকে।

    অঙ্গিরা তার জবাব শুনে মৃদু হেসে বলল, ‘না, আমি কৈফিয়ত তলব করিনি। কৌতূহলবশত প্রশ্ন করেছি। এত রাতে এই নির্জন প্রাঙ্গণে বসে থাকতে তোমার ভয় করছে না?’

    ‘ভয় করবে কেন?’ জানতে চাইল দেবদাসী।

    অঙ্গিরা উত্তর দিল, ‘এ প্রাঙ্গণে যে একজন দেবদাসীর প্রেত দর্শন হয়েছে তা নিশ্চয়ই শুনেছ? প্রেতে তোমার ভয় নেই?’

    সমর্পিতা কথাটা শুনে মৃদু হাসল। তার বিশ্বাস, জল নির্গমনের গহ্বর দিয়ে প্রাঙ্গণে প্রবেশ করা কোনও দেবদাসীর প্রেমিককে দেখেই প্রেত বলে ভ্রম হয়েছে উলুপী নামের সেই দেবদাসীর। রাত গভীর হলে দেবদাসীরাই যে শুধু ওই গহ্বর পথে বাইরে যায় তাই নয়, কখনও-কখনও কোনও সাহসী যুবকও তার প্রেয়সীর প্রেমের আকাঙ্ক্ষাতে, ধরা পড়লে কঠিন শাস্তি এমনকী মৃত্যুদণ্ডর মুখে পড়তে হবে জেনেও, প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে। উত্তরা তাকে একথা জানিয়েছে। উত্তরারও বিশ্বাস, উলুপী যাকে প্রেত ভেবেছে সে আসলে তেমনই কেউ। এই তো, এই যুবকের আগমনের কিছু আগেই একজন ওই ছিদ্রপথে প্রাঙ্গণে উঠে প্রবেশ করল একটা কক্ষে। যদিও সে পুরুষ নয়, অভিসার সাঙ্গ করে ফিরে আসা কোনও দেবদাসী হবে। সমর্পিতা বলল, ‘আমি আগেও শুনেছি এ স্থানে নাকি রাতের বেলা প্রেত ঘুরে বেড়ায়। প্রেতে আমার ভয় নেই। তবে প্রেতেরাও দেখছি দেবদাসীদের মতো মুক্তি চায়, তাই না?’

    ‘অর্থাৎ?’ জানতে চাইল অঙ্গিরা।

    সমর্পিতা জবাব দিল, ‘শুনলাম ওই প্রেত নাকি দেবদাসী উলুপীকে বলেছে যে, তার মুক্তির ব্যবস্থা করলে সে তাকে স্যমন্তক মণির সন্ধান দেবে!’

    সমর্পিতার বক্তব্য এবার বোধগম্য হল অঙ্গিরার। বাইরের প্রাকারে ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে। শেষ চাঁদের আলো এসে পড়েছে সমর্পিতার মুখে। অঙ্গিরা বুঝতে পারল এক অদ্ভুত বিষণ্ণতা ছড়িয়ে যাচ্ছে তার মুখমণ্ডলে।

    সোমনাথ সুন্দরী এরপর জানতে চাইল, ‘তোমার পরিচয় কী? রক্ষী বাহিনীর কেউ?’

    অঙ্গিরা এ প্রশ্নর কি জবাব দেবে বুঝতে না পেরে বলল, ‘আমার নাম অঙ্গিরা। না, আমি রক্ষীবাহিনীর কেউ নই। বল্লভী নগরী থেকে এখানে এসেছি প্রধান পুরোহিত ত্রিপুরারিদেবের কাছে। তিনি আমাকে এখানে প্রবেশানুমতি দিয়েছেন।’

    ‘কী কার্য সম্পাদনের জন্য তুমি এখানে এসেছ?’ জানতে চাইল দেবদাসী সমর্পিতা।

    ব্যাপারটা এড়িয়ে যাবার জন্য অঙ্গিরা বলল, ‘এখনও তিনি আমার ওপর তেমন কোনও বিশেষ কর্মভার দেননি। তবে ভবিষ্যতে দেবেন। এখানেই থাকতে হবে আমাকে।’

    এ কথা বলার পর আলোচনার প্রসঙ্গ অন্য খাতে প্রবাহিত করার জন্য অঙ্গিরা বলল, ‘তোমার নৃত্য প্রদর্শন আমি দেখেছি। অতীব মনোমুগ্ধকর। তবে একটু সাবধানতা অবলম্বনের প্রয়োজন। ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা ঘটতে পারত সেদিন।’ কথাটা শুনে দেবদাসী সমর্পিতা হাসল ঠিকই, কিন্তু অঙ্গিরা স্পষ্ট বুঝতে পারল, সে হাসির মধ্যে যেন একটা বিষণ্ণতার আভাস এখনও বর্তমান। অস্পষ্টভাবে সে বলল, ‘তোমাকে ধন্যবাদ প্রাণরক্ষাকারী।’

    অঙ্গিরা হেসে বলল ‘না, তেমন ধন্যবাদ দেবার কিছু নেই। দুর্ঘটনা ঘটতে চলেছে দেখে আমি ছুটে গিয়ে তোমাকে বলয় থেকে মুক্ত করলাম। আমি না করলে অন্য কেউ কাজটা করত।’

    সমর্পিতা বেশ দৃঢ়ভাবে বলল, ‘আমি জানি অন্য কেউ এ বিপদের ঝুঁকি নিত না। কাছাকাছি তো আরও অনেক পুরুষই ছিলেন। গর্ভগৃহ চত্বর দেবদাসীদের নৃত্যগীতে আলোকময় হয়ে থাকে ঠিকই, তবে তাদের জীবন প্রকৃত অর্থে মূল্যহীন। একজন নগণ্য দেবদাসীর মৃত্যু হলে তার স্থান নেবে আর একজন। সেই মৃতার শোকে একবারের জন্যও, একদিনের জন্যও বন্ধ হবে না গর্ভগৃহর সমুখে দেবদাসীদের নৃত্যগীত। দুর্ঘটনায় যদি আমার মৃত্যু হতো তবে এক দিবসের জন্যও কেউ মনে রাখত না আমাকে।’

    সমর্পিতার বলা কথাগুলো যে সত্যি, তা একদিনে দেবদাসীদের সম্পর্কে অঙ্গিরা যা জেনেছে তাতে সে বুঝতে পারল। প্রধান পুরোহিত ত্রিপুরারিদেবের মুখ থেকেও দেবদাসীদের সম্পর্কে একই ভাবনার কথা শুনেছে অঙ্গিরা। সমর্পিতাকে বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবন ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া উচিত হয়নি, কারণ মন্দিরে দেবদাসীর অভাব হবে না, কিন্তু অঙ্গিরার জীবন অমূল্য—এমনই কথা তাকে মৃদু ভর্ৎসনার স্বরে জানিয়েছিলেন ত্রিপুরারিদেব।

    অঙ্গিরা, সোমনাথ সুন্দরীর বিষণ্ণতা দূর করার জন্য বলল, ‘আবারও বলছি, তোমার নৃত্যশৈলী কিন্তু অতীব মনোমুগ্ধকর। অন্য দেবদাসী যারা নৃত্য প্রদর্শন করে তাদের তুলনায় অনেক উৎকৃষ্ট। শুধু আমি নই, অনেকেই তা মনে করেন। আমি এ কথাও লোককে বলতে শুনেছি যে ভবিষ্যতে দেবদাসী শ্রেষ্ঠা তিলোত্তমার স্থলাভিষিক্তা হবার সম্ভাবনা আছে তোমার। আমি তো তোমার নৃত্যশিল্প দেখার জন্যই প্রত্যহ গর্ভগৃহর সমুখে উপস্থিত হই। কী অপূর্ব তোমার নৃত্যশৈলী!’

    অঙ্গিরার কথা শুনে এবার মুহূর্তের জন্য যেন সত্যিই একটা লজ্জামিশ্রিত হাসি ফুটে উঠল দেবদাসী সমর্পিতার ঠোঁটে। মাথা ঝুঁকিয়ে মাটির দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করল সে।

    অঙ্গিরা এবার ভালো করে তাকাল তার শরীরের দিকে। সমর্পিতার শরীরে এখন দেবদাসীর প্রচলিত উজ্জ্বল নৃত্য পোশাক বা অলঙ্কার নেই। রাত্রির শয়নের জন্য যে শুভ্র মসৃণ দীর্ঘ বস্ত্রখণ্ডে সে নিজেকে আবৃত করেছিল সেই বস্ত্রখণ্ডই তার পরনে। অন্তর্বাসহীন বস্ত্রখণ্ডর ভিতর থেকে সোমনাথ সুন্দরীর স্তন যুগল যেন চেয়ে আছে বৈতরণীর পথে উপস্থিত হওয়া চাঁদের দিকে, শরীরে প্রতিটা বাঁক বিমূর্ত হয়ে আছে, তার দেহের প্রতিটা রেখা যেন ধরা দিচ্ছে অঙ্গিরার চোখে। বাতাসে উড়ছে, তিরতির করে কাঁপছে সোমনাথ সুন্দরীর কেশগুচ্ছ।

    অঙ্গিরা অবশ্য কয়েক মুহূর্ত তার শরীরের দিকে তাকিয়ে চোখ সরিয়ে নিয়ে জানতে চাইল, ‘তুমি সন্ধ্যারতিতে নৃত্য প্রদর্শন করছ না কেন?’

    অঙ্গিরার প্রশ্ন শুনে সমর্পিতা মুখ তুলে বলল, ‘সেদিন আমার নৃত্য প্রদর্শনের সময় আমার বস্ত্রে অগ্নিসংযোগ হবার ব্যাপারটা নাকি অমঙ্গলজনক। দেবদাসী প্রধানা তিলোত্তমা আমাকে জানিয়েছে, যতদিন না প্রধান পুরোহিত আমার ব্যাপারে কোনও নির্দেশ দেন, পাপ স্খলনের জন্য কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন, ততদিন পর্যন্ত সোমেশ্বর মহাদেবের সামনে আমি নৃত্য প্রদর্শন করতে পারব না।’

    অঙ্গিরা জানতে চাইল, ‘পাপ স্খলন মানে? কীসের পাপ?’

    সমর্পিতা জবাব দিল ‘হয়তো বা সোমেশ্বর মহাদেবের সামনে নৃত্য প্রদর্শনের সময় আমার বা অন্য কোনও দেবদাসীর চেতনে বা অবচেতনে কোনও ত্রুটি বা পাপ কার্য সম্পন্ন হয়ে থাকতে পারে। পুরোহিত নন্দিবাহন ও মল্লিকার্জুন সেই পাপের অনুসন্ধান করে তা প্রধান পুরোহিতকে জানাবেন। তারপর প্রধান পুরোহিত সেই ত্রুটি সংশোধন বা পাপ স্খলনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।’

    কথাগুলো বলার পর দেবদাসী সমর্পিতার মনে হল, সে পাপ কি তার ঘুঙুরদানা হারানোর ফল? ব্যাপারটা উপস্থিত কেউ বুঝতে না পারলেও জীবন্ত বিগ্রহ কি বুঝতে পেরেছেন ব্যাপারটা? ওই বিশেষ ঘুঙুরদানা পায়ে না থাকার কারণেই কি কূপিত হলেন মহাদেব?

    এ ব্যাপারটা নিয়ে দেবদাসী উত্তরাও বেশ আশঙ্কিত। একমাত্র সেই জানে সোমেশ্বর মহাদেব প্রদত্ত ঘুঙুরদানা হারাবার ব্যাপারটা। ঘটনা যদি প্রকাশ পায় তবে নাকি এ ব্যাপারটাকেই নিশ্চিতভাবে চিহ্নিত করা হবে সোমেশ্বর মহাদেবের কূপিত হবার কারণ হিসাবে। এবং এই অন্যায় কার্য অর্থাৎ ওই ঘুঙুর ছাড়া নৃত্য প্রদর্শনের জন্য নাকি কোনও ভয়ঙ্কর শাস্তির মুখেও পড়তে হতে পারে সমর্পিতাকে। দেবদাসীদের জীবনের অনুশাসন বড় কঠিন।

    সমর্পিতার বলা কথা শুনে অঙ্গিরা বেশ আশাহত হল। সমর্পিতা যখন আবার তাঁর নৃত্য প্রদর্শন করবে তখন তা দেখার সুযোগ হবে কিনা তা অঙ্গিরার জানা নেই।

    তবু সে বলল, ‘আমি প্রতীক্ষায় থাকব তোমার নৃত্যকলা দেখার জন্য।’

    অঙ্গিরার কথাতে বিষণ্ণ হাসল সমর্পিতা।

    চাঁদ এবার মুছে যেতে শুরু করেছে। কিছু সময়ের মধ্যেই শুকতারা ফুটে উঠবে। ফিরতে হবে অঙ্গিরাকে। কিন্তু তার আগে হঠাৎই একটা কথা মনে পড়ে গেল তার। সে বলল, ‘আমার কাছে একটা সোনার ঘুঙুরদানা আছে। হয়তো বা তোমাদের কারো হবে সেটা। দুর্ঘটনার আগের দিন তোমরা যখন নৃত্য প্রদর্শন করছিলে তখন কারও ঘুঙুরছড়া থেকে ছিটকে এসে আমার সামনে পড়েছিল। আমি নিজের কাছে রেখে দিয়েছি।’

    অঙ্গিরার কথা কানে যাবার সঙ্গে-সঙ্গেই সমর্পিতার মুখমণ্ডল থেকে একটা শঙ্কার ছায়া সরে গেল। সে বলে উঠল, ‘ও ঘুঙুরদানা তোমার কাছে! ও তো আমার ঘুঙুরদানা!’

    অঙ্গিরা হেসে জবাব দিল, ‘হ্যাঁ, আমার কাছেই আছে।’

    দেবদাসী সমর্পিতা বলল, ‘দয়া করে ওটা ফেরত দাও আমাকে। নইলে মহাবিপদের সম্মুখীন হব আমি।’

    অঙ্গিরা বলল, ‘নিশ্চই দেব। তবে সে দানা তো আমার সঙ্গে নেই। কক্ষে রাখা আছে।’

    ‘তবে আমি কীভাবে পাব সেই ঘুঙুরদানা?’ কাতর কণ্ঠে বলে উঠল সমর্পিতা।

    অঙ্গিরা তার মনের অনিশ্চয়তার ভাবনা পাঠ করে বলল, ‘তুমি নিশ্চিন্তে থাকো। আগামী কাল রাতে আমি এ স্থানে এসে ওই ঘুঙুরদানা ফিরিয়ে দেব তোমাকে।’

    সমর্পিতার মুখমণ্ডলের শঙ্কার ভাবটা অন্তর্হিত হল। সে বলল, ‘আমি তবে এ স্থানে প্রতীক্ষা করব তোমার জন্য।’

    আকাশের দিকে তাকিয়ে অঙ্গিরা বলল, ‘এবার আমাকে ফিরতে হবে। কাল আবার এই স্থানে মিলিত হব আমরা।’

    স্মিত হেসে মাথা ঝোঁকালো দেবদাসী সমর্পিতা। সেই প্রাঙ্গণ ত্যাগ করে ফেরার পথ ধরল অঙ্গিরা। সে যখন অতিথিশালার কাছে উপস্থিত হল তখনই আকাশে শুকতারা ফুটে উঠল। আর তার প্রায় সঙ্গে-সঙ্গেই ঝমঝম শব্দে বাজতে শুরু করল সেই সোনার শিকল।

    শিকলটা প্রথমে বাজান প্রধান পুরোহিত ত্রিপুরারিদেবই। তারপর সে কাজে যুক্ত হল তাঁর দুই প্রধান সহকারী মল্লিকার্জুন ও নন্দিবাহন। এদিনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দুই সহ প্রধান পুরোহিত ওপরের চত্বরে উঠে এসে ত্রিপুরারিদেবের হাত থেকে সোনার শিকলটা নিয়ে পর্যায়ক্রমে বাজাতে লাগলেন।

    ঘুম ভাঙতে শুরু করল মন্দিরের। ভোরের প্রথম আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই এবার সমুদ্র-স্নানে যেতে হবে ত্রিপুরারিদেবকে। সেজন্য তিনি পা বাড়াতে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ একটা অন্য শব্দ কানে আসাতে থমকে দাঁড়িয়ে পড়লেন তিনি। শব্দটা কানে যেতেই মৃদু বিস্মিত হয়ে শিকলের শব্দ থামিয়ে দিলেন তার সঙ্গীরা।

    অশ্বখুরের শব্দ! শিকলধ্বনির সঙ্গে-সঙ্গেই মন্দিরের প্রধান তোরণ সংলগ্ন যে ক্ষুদ্রাকৃতি তোরণ আছে তা দ্বাররক্ষীরা খুলে দেয় মন্দির চত্বর ধৌতকরণ ইত্যাদি কাজের জন্য। সে পথেই প্রবেশ করেছে কোনও অশ্বারোহী। মন্দির প্রাকারে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে তার অশ্বখুরধ্বনি।

    সে শব্দ এসে থামল মূল মন্দিরের সোপানশ্রেণীর ঠিক নীচে। অশ্বর পিঠ থেকে অবতরণ করে ওপরে দণ্ডায়মান তিন পুরোহিতের প্রতি মাথা ঝুঁকিয়ে প্রণাম জানাল সেই অশ্বারোহী। তাকে দেখে পুরোহিতরা অনুমান করল সে কোনও রাজকর্মচারী হবে। ত্রিপুরারিদেব তাকে হাত দিয়ে ইঙ্গিত করলেন ওপরে উঠে আসার জন্য।

    উঠে এল সে। তিনজন পুরোহিতই তাকে ওপরে উঠে আসার পর চিনতে পারল। আগন্তুকের নাম মীরধ্বজ। রাজা ভীমের ঘনিষ্ঠ পার্শ্বচর এই মীরধ্বজ। তাঁর মাধ্যমেই রাজা ভীম সোমেশ্বর মন্দিরের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করেন।

    তিন পুরোহিতের উদ্দেশ্যে আবারও মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শন করে মীরধ্বজ বললেন, ‘অত্যন্ত জরুরি প্রয়োজনে মহারাজ ভীম তাঁর প্রাসাদে প্রধান পুরোহিত অথবা তাঁর সহকারীদের সঙ্গে বাক্যালাপ করতে চান। তিনি তাঁর প্রাসাদে আপনাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।’

    আমন্ত্রণের বিষয়টা যে অত্যন্ত জরুরি তা বুঝতে অসুবিধা হল না ত্রিপুরারিদেবের। নইলে ভোরের আলো ভালো করে ফোটার পূর্বেই মহারাজের আমন্ত্রণ নিয়ে উপস্থিত হতেন না বার্তাবাহক মীরধ্বজ। তার মুখমণ্ডলেও কেমন যেন একটা চাপা উত্তেজনার ভাব জেগে আছে!

    ত্রিপুরারিদেব তাকে প্রশ্ন করলেন, ‘আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে আপনার কিছু জানা আছে? অগ্রিম সে বিষয় অবগত থাকলে আলোচনায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে যোগ দেওয়া যায়। তথ্য সংগ্রহ সংক্রান্ত যদি কোনও ব্যাপার থাকে তবে তার জন্যও প্রস্তুত হওয়া যাবে।’

    প্রশ্ন শুনে মীরধ্বজ মৃদু চুপ করে থেকে বললেন, ‘মন্দিরের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় জরুরি আলোচনা করতে চান প্রভাসপত্তন পতি। মার্জনা করবেন, মহারাজই আপনাদের কাছে সবকিছু অবগত করবেন।’

    মন্দিরের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়! কথাটা শুনে বেশ বিস্মিত হলেন তিন পুরোহিত। মুহূর্তের জন্য ত্রিপুরারিদেবের একবার মনে এল তবে কি অন্ধকারের প্রহরীর অন্তর্ধানের ব্যাপার কোনও ভাবে কানে গেছে রাজা ধীরাজের? কিন্তু তা কীভাবে সম্ভব? সে স্থানের অস্তিত্ব বা তার প্রহরীর ব্যাপারই তো রাজা ভীমের জানার কথা নয়।

    প্রধান পুরোহিত ত্রিপুরারিদেব মন্দির ত্যাগ করে নগরীতে প্রবেশ করেন না। একটু ভেবে নিয়ে তিনি বললেন, ‘আপনি মহারাজকে জানাবেন আমার ও এ মন্দিরের প্রতিনিধি রূপে সে সভায় উপস্থিত থাকবেন পুরোহিত মল্লিকার্জুন।’

    প্রধান পুরোহিতের বার্তা গ্রহণ করে মন্দির থেকে নেমে অশ্বপৃষ্ঠে আরোহণ করলেন মীরধ্বজ।

    অশ্বখুরের শব্দ মন্দির প্রাকারের বাইরে মিলিয়ে গেল। আলো ফুটে উঠতে শুরু করেছে, জেগে উঠছে মন্দির। সমুদ্রে অবগাহনের জন্য মন্দির ত্যাগের আগে ত্রিপুরারিদেব সহ প্রধান পুরোহিত মল্লিকার্জুনকে বললেন, ‘মহারাজের সঙ্গে সাক্ষতের সময় সোমেশ্বর মহাদেবের প্রসাদী ফুল ও পরমান্ন নিয়ে যাবেন তাঁর মঙ্গল কামনাতে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article ভয় ভয়ঙ্কর – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }