Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সোমনাথ সুন্দরী – ১৫

    ১৫

    নাপিত শিরোমণি বৃদ্ধ খগেশ্বরের সঙ্গে অঙ্গিরার কিন্তু সাক্ষাৎ হয়ে গেল সকালবেলাতেই। ভোরের আলো ফোটার পর ত্রিপুরারিদেব তাকে সমুদ্রতীরে সেই স্তম্ভর কাছে উপস্থিত হবার নির্দেশ দিয়েছিলেন গত রাতে। অঙ্গিরা সেই নির্দেশ পালনের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে উপস্থিত হতেই দেখল খগেশ্বর তার ক্ষৌরকারের ক্ষুদ্র পেটিকা নিয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে। অঙ্গিরাকে দেখে সে বলল, ‘প্রধান পুরোহিত আমাকে এখানে উপস্থিত থাকতে বলেছেন, আপনার মস্তক মুণ্ডণের জন্য। কিছু সময়ের মধ্যেই তিনি এসে পড়বেন।’

    অঙ্গিরা বলল, ‘হ্যাঁ, তিনি আমাকে জানিয়েছেন যে গর্ভগৃহর দ্বার উন্মোচন করে সোমেশ্বর মহাদেবের স্নান ও দিনের প্রথম পূজা সাঙ্গ করেই তিনি উপস্থিত হবেন এখানে। সময় হয়ে এসেছে। ওই শুনুন, গর্ভগৃহ চত্বরের ঘণ্টাধ্বনি শোনা যাচ্ছে।’

    এ কথা বলার পর অঙ্গিরার মনে হল, মন্দিরের ভিতর সেই প্রাচীন ধ্বংসস্তূপের সামনে শেষ রাতে উপস্থিতির কারণটা একবার জিগ্যেস করে খগেশ্বরকে। কিন্তু সে ঠিক বুঝে উঠতে পারল না, নাপিত শিরোমণিকে প্রশ্নটা করা সমীচীন হবে কিনা। এমনও তো হতে পারে যে অঙ্গিরা কুয়াশাচ্ছন্ন অন্ধকারের মধ্যে যাকে তফাত থেকে দেখেছে সে খগেশ্বর নয়, অন্য কেউ! অঙ্গিরা, তাকে প্রশ্ন করবে কি করবে না ভাবছিল, কিন্তু তাদের আলোচনার বিষয় এরপর অন্যদিকে ধাবিত হল। খগেশ্বর প্রশ্ন করল ‘আপনি কিছু শুনেছেন?’

    ‘কী ব্যাপারে?’ জানতে চাইল অঙ্গিরা।’

    বৃদ্ধ খগেশ্বর বলল, ‘গজনীর মামুদের নাম শুনেছেন? সুলতান মামুদ আবার হানা দিয়েছে এ দেশে। সঙ্গে বিশাল বিধর্মী বাহিনী। রাজপুতদের আজমের নগরী ধ্বংস করার পর সে এদিকেই আসছে!’

    খগেশ্বরের কথা শুনে অঙ্গিরা বলল, ‘তাই নাকি? না আমি কিছু শুনিনি এ ব্যাপারে।’

    খগেশ্বর বলল ‘হ্যাঁ, সেই পাষণ্ডটা আসছে মাধেরার পথে। মহারাজ মাণ্ডলিক মাধেরাতে ওই বিধর্মী আক্রমণকারীকে প্রতিরোধ করার জন্য নাকি সৈন্য সমাবেশ ঘটাচ্ছেন। নগরীতে যাতে আতঙ্ক না ছড়ায় সে জন্য রাজপ্রাসাদের তরফে ঘটনাটা আপাতত গোপন রাখার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু কী ভাবে খবরটা যেন নগরীতে ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল গভীর রাতে সেনাবাহিনীকে মাধেরার পথে যাত্রা করতে দেখেছে কেউ কেউ। হয়তো-বা সেখান থেকেই খবরটা ছড়িয়েছে। ভোর হতেই শহরের নানা স্থানে আলোচনা শুরু হয়েছে।’

    অঙ্গিরা খবরটা শুনে বিস্মিত ভাবে বলল, ‘নগরবাসী বা মন্দিরের এ ব্যাপারে আশঙ্কার কারণ আছে?’

    বৃদ্ধ একটু চুপ করে থেকে বলল, ‘যদি, মাধরাতে হিন্দু সেনারা বিধর্মীদের প্রতিরোধ করতে সমর্থ হয়, অথবা রাজাধীরাজ পরমদেওর বাহিনী যদি নির্দিষ্ট সময় এখানে এসে উপস্থিত হয় তবে আশঙ্কার কারণ নেই, নচেৎ অবশ্যই আছে। মাধেরার যুদ্ধে গজনী বাহিনী যদি আমাদের সেনাদলকে পরাস্ত করে তবে নিশ্চয়ই তারা প্রভাসপত্তনের পথে ধেয়ে আসবে সোমনাথ মন্দির লুণ্ঠনের জন্য। এ মন্দিরের মতো ধনসম্পদ যে এ দেশের কোনও মন্দিরে বা রাজকোষে নেই সে খবর নিশ্চয়ই মামুদের জানা। মন্দির লুণ্ঠনের সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইবে না সে। গজনীর সুলতান হিন্দুদের মাটিতে প্রতি বৎসর হানা দেয়ই সম্পদ লুঠতরাজ, নারী আর ক্রীতদাস সংগ্রহর জন্য।’

    অঙ্গিরা বলল, ‘সংবাদটা তবে গুরুতর!’

    খগেশ্বর বলল, ‘তা তো বটেই। আরব জুয়ানেদের বাহিনী কী ভাবে সোমেশ্বর মন্দির ধ্বংস করেছিল, কী ভাবে প্রভাসপত্তন নগরীতে নারকীয় হত্যালীলা, ধর্ষণ চালিয়েছিল সে সব কাহিনী বংশ পরম্পরায় শুনে আসছে নগরবাসী। পুরোনো মন্দিরগুলো আজও মানুষের চোখের সামনে সেই ভয়ঙ্কর দিনের সাক্ষ বহন করছে।

    এই বালুতটেই মন্দিরের পুরোহিতদের সারবদ্ধ ভাবে দাঁড় করিয়ে মস্তক ছেদন করেছিল জুয়ানেদ বাহিনী। বহুদূর পর্যন্ত সমুদ্রের জল লাল হয়ে গেছিল নিরীহ পূজারিদের রক্তে। আজও এ বালুতট খুঁড়লে পাওয়া যায় তাদের শিলাভূত প্রাচীন অস্থি, ধাতব কর্ণকুণ্ডল ইত্যাদি। মাসুদের অভিযানের সংবাদে নগরবাসীদের আতঙ্কিত হওয়া স্বাভাবিক। সে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল বলে। গতকাল পুরোহিত মল্লিকার্জুন রাজপ্রাসাদে গেছিলেন। আমার ধারণা, মন্দির কর্তৃপক্ষকে মামুদের ঘটনাটা জানিয়ে রাখার জন্যই রাজা ভীম তাকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন।’

    অঙ্গিরা বলল ‘কিন্তু এ নগরী, মন্দিরের রক্ষাকর্তা তো স্বয়ং সোমেশ্বর মহাদেব। তিনি কি রক্ষা করবেন না তাঁর উপাসকদের? রক্ষা করবেন না নিজের আবাসস্থল? এ মন্দিরে তো তিনি জীবন্ত বিগ্রহ রূপে আবির্ভূত।’

    বহুদর্শী বৃদ্ধ একটু চুপ করে থেকে তার ডান হাত সোমেশ্বর মহাদেবের উদ্দেশ্যে কপালে ঠেকিয়ে প্রণাম জানিয়ে বলল, ‘হ্যাঁ, প্রভু সোমেশ্বরই রক্ষাকর্তা। পৃথিবীর সব কিছুই তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন।’

    অঙ্গিরা এরপর আরও কিছু বলতে গিয়েও থেমে গেল। সে এবং অঙ্গিরা দুজনেই দেখতে পেল, মন্দির ত্যাগ করে তাদের দিকে এগিয়ে আসছেন প্রধান পুরোহিত ত্রিপুরারিদেব। তার সঙ্গে দুজন সেবায়েতও আছে। বেশ কিছু সামগ্রী বহন করে আনছে তারা।

    অঙ্গিরা আর খগেশ্বর দুজনেই নত মস্তকে প্রণাম জানাল তাঁকে। প্রধান পুরোহিত তাদের উদ্দেশ্যে আশীর্বাদের ভঙ্গীতে তাঁর দক্ষিণ হস্ত কিছুটা তুললেন। তারপর খগেশ্বরকে বললেন, ‘তুমি ওর মস্তক মুণ্ডণ করো। তারপর ওর পিতা-মাতার পারলৌকিক কার্য সম্পাদন করা হবে।’

    বালুতটে একটা স্থান নির্বাচন করে সেখানে সেবায়েতদের নিয়ে সেই কার্য সম্পাদনের উপাচার সাজাতে বসলেন প্রধান পুরোহিত। তাদের কিছুটা তফাতে খগেশ্বরের সঙ্গে অঙ্গিরা বসল মস্তক মুণ্ডণ আর শ্মশ্রু-গুম্ফ মোচনের জন্য। পেটিকা থেকে বেশ বড় একটা ক্ষুর বার করে অঙ্গিরার মস্তক মুণ্ডণ শুরু করল।

    খগেশ্বরের কাজ কিছু সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হল। মুণ্ডিত মস্তক অঙ্গিরা গিয়ে দাঁড়াল ত্রিপুরারিদেবের সামনে। তিনি ও তার সঙ্গীরা তখন প্রয়োজনীয় নানা উপাচার সাজিয়ে ফেলেছেন বালুতটে। পুরোহিত, অঙ্গিরাকে বললেন, ‘ওই স্তম্ভের কাছে গিয়ে অবগাহন করে এসো। তারপর এই যে বস্ত্রখণ্ড রাখা আছে তা পরিধান করে মেটে হাড়িতে তণ্ডুল প্রস্তুত করতে হবে কাষ্ঠ আগুনে। ওই রন্ধন করা তণ্ডুল দিয়ে পিণ্ড তৈয়ার হবে। তবে ওই স্তম্ভ অতিক্রম কোরো না। ওর পর আর তল নেই।’ ত্রিপুরারিদেবের নির্দেশে অঙ্গিরা এগোল সমুদ্রস্নানের জন্য।

    জল ভেঙে অঙ্গিরা পৌঁছে গেল স্তম্ভর কাছে। কোমর সমান জল সেখানে। স্তম্ভর লম্বাটে একটা ছায়া পড়েছে জলে। ডুব দিল অঙ্গিরা। প্রথমে একটা ডুব। দ্বিতীয় ডুব দেবার সময় অঙ্গিরার মনে হল জলের ভিতর স্তম্ভর ছায়াটা যেন কেঁপে উঠল। তৃতীয় ডুব দিল অঙ্গিরা। এরপর সে ফেরার জন্য পিছু ফিরতে যাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় স্তম্ভর ছায়াটা জলতল থেকে লাফিয়ে উঠে আলিঙ্গন করতে শুরু করল অঙ্গিরাকে!

    ব্যাপারটা বুঝতে কয়েক মুহূর্ত সময় লাগল অঙ্গিরার। তারপর সে বুঝতে পারল এক সামুদ্রিক অজগর সর্প লেজ দিয়ে তার শরীরকে পেঁচিয়ে ধরতে শুরু করেছে! জলতলের ওপর অঙ্গিরার মুখের সামনে জেগে উঠেছে তার প্রকাণ্ড মাথাটা! কী হিংস্র ত্রু্ুর দৃষ্টি তার চোখে! হাঁ করল সেই মহাসর্প। কী বিশাল সেই মুখগহ্বর! হিংস্র দাঁত আর চেরা জিভ প্রস্তুত হয়ে আছে অঙ্গিরাকে গিলে খাবার জন্য। সেই ভয়ঙ্কর মুখগহ্বর এগিয়ে আসছিল অঙ্গিরার মাথাটা তার ভিতর পুরে নেবার জন্য। মাথার দিকে থেকেই শিকারকে গলাধঃকরণ করে অজগর সর্প। তবে সে ঘটনা ঘটার আগেই অঙ্গিরা তার বলিষ্ঠ দক্ষিণ হস্ত দিয়ে চেপে ধরল তার গলা। দুজনের মধ্যে প্রবল সংঘর্ষ শুরু হল। ছিটকে উঠতে লাগল সমুদ্রর জল। অঙ্গিরা সেই মহাসর্পর গলা চেপে ধরে চিৎকার করতে লাগল, ‘সাহায্য করো, সাহায্য করো আমাকে! রক্ষা করো সর্পর কবল থেকে!’

    তার আর্ত চিৎকার কানে যেতেই ত্রিপুরারিদেব-সহ সমুদ্রতটে যে সব মানুষ ছিল তাদের সকলের চোখে পড়ল সেই ভয়ঙ্কর দৃশ্য। ভয়ঙ্কর অজগর সর্প আলিঙ্গন করেছে অঙ্গিরাকে। তার থেকে মুক্ত হবার চেষ্টা চালাচ্ছে অঙ্গিরা, আর চিৎকার করে সাহায্য প্রার্থনা করছে!

    কিন্তু কে তাকে সাহায্য করবে? ওই যুবককে বাঁচাতে গেলে ওই সর্পরাজ যদি যুবককে ছেড়ে রক্ষাকারীকে আলিঙ্গন করে তবে তার মৃত্যু নিশ্চিত। কাজেই কেউ জলে না নেমে সমুদ্রতটে দাঁড়িয়ে উত্তেজিত ভাবে চিৎকার শুরু করল। কিন্তু সমুদ্রসর্প ব্যাঘ্র বা ভল্লুকের মতো ডাঙার প্রাণী নয় যে চিৎকার শুনে শিকারকে ছেড়ে দেবে। শিকার তার মুখের সামনে। কতক্ষণ সে লড়বে তার শরীরের নিষ্পেষণের সঙ্গে? পরাজয় অবশ্যম্ভাবী।

    অঙ্গিরার কোমর পর্যন্ত পেঁচিয়ে আছে লেজ। তার প্রচণ্ড পেষণে অঙ্গিরার শরীরে অস্থি যেন চুরমার হয়ে যাচ্ছে! অবসন্ন হয়ে আসতে লাগল অঙ্গিরার দেহ, শিথিল হয়ে আসতে লাগল তার মুষ্টি।

    তার শিকার যে দুর্বল হয়ে পড়ছে তা যেন বুঝতে পারল সেই মহাসর্প। সে এবার চেষ্টা শুরু করল শিকারকে স্তম্ভর ওপাশে টেনে নিয়ে যাবার। যাতে তাকে তার গলাধঃকরণে সুবিধা হয়।

    সেই অবস্থাতেই হঠাৎই কেন জানি অঙ্গিরার মনে যেন ভেসে উঠল সমর্পিতার মুখ! অঙ্গিরার জীবনের আর মাত্র কয়েকটা মুহূর্ত বাকি। ঠিক সেই সময় অঙ্গিরা খেয়াল করল তার আর এক পাশে কি যেন একটা আবির্ভূত হয়েছে! এই মহাসর্পর কোনও সঙ্গী বা সঙ্গিনী নাকি? কিন্তু অঙ্গিরা শুনতে পেল খগেশ্বরের কণ্ঠস্বর, ‘গলা চিরে ফেলো, কণ্ঠ ছিন্ন করে দাও ওর।’ জলের ভিতর থেকে উঠে দাঁড়িয়ে তার দিকে ক্ষুর বাড়িয়ে দিচ্ছে খগেশ্বর।

    বাঁচার জন্য শেষ চেষ্টা করতেই হবে। অঙ্গিরা কোনওক্রমে বাম হাত দিয়ে ক্ষুরটা নিল, তারপর তা দিয়ে আঘাত হানতে শুরু করল সর্পরাজের গলাতে, আর তার বীভৎস চোখ দুটোতে। ফোয়ারার মতো রক্ত বেরোতে লাগল সর্পরাজের ছিন্ন কণ্ঠদেশ থেকে, লাল হয়ে উঠল সমুদ্রের জল।

    ব্যাপারটা এবার উল্টো ঘটল, অবসন্ন হয়ে আসতে লাগল সেই মহাসর্পর দেহ। শিথিল হয়ে আসতে লাগল নাগপাশ। অঙ্গিরাও ব্যাপারটা বুঝতে পারল। আতঙ্ক মুছে গিয়ে শক্তি ফিরে এল তার মনে শরীরে। দ্বিগুণ উৎসাহ নিয়ে সে আঘাত হানতে লাগল সেই মহাসর্পর শরীরে।

    এক সময় সত্যিই নাগপাশ খসে গেল অঙ্গিরার দেহ থেকে। আর এরপরই কোথা থেকে যেন একটা প্রবল ঢেউ এসে অঙ্গিরা আর খগেশ্বরকে জল থেকে তুলে নিয়ে সমুদ্র তটের বালু রাশিতে ছুড়ে ফেলল।

    আসন্ন মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা অঙ্গিরার ধাতস্থ হতে মৃদু সময় লাগল। সে যখন উঠে দাঁড়াল তখন তার সামনে এসে দাঁড়িয়েছেন প্রধান পুরোহিত। আর অন্য কিছু মানুষও সেখানে উপস্থিত হয়েছে যারা এতক্ষণ জলে নেমে অঙ্গিরাকে বাঁচাবার চেষ্টা না করে সর্পদানবের সঙ্গে অঙ্গিরার মরণপণ সংগ্রাম দেখছিল।

    অঙ্গিরা উঠে দাঁড়িয়ে দেখল তারই পাশে সিক্ত বসনে দাঁড়িয়ে হাঁফাচ্ছে বৃদ্ধ নরসুন্দরপতি।

    সে কৃতজ্ঞতা পরবশ হয়ে খগেশ্বরকে বলল, ‘আপনি আমার জীবন রক্ষা করলেন। ক্ষুরটা আমার হাতে তুলে না দিলে কিছুতেই আমি নাগপাশ থেকে মুক্ত হতে পারতাম না। নিশ্চিত মৃত্যু ঘটত আমার।’

    কথাটা শুনে হাসি ফুটে উঠল বৃদ্ধর মুখে।

    কিন্তু পরমুহূর্তেই সে হাসি অন্তর্হিত হল প্রধান পুরোহিতের কথাতে। খগেশ্বরের উদ্দেশ্যে অঙ্গিরার কথা শুনে ত্রিপুরারিদেব বললেন, ‘একজন সামান্য শূদ্রের ক্ষমতা কি যে সে নিয়তিকে খণ্ডন করে? আমি ব্রাহ্মণ, সোমেশ্বর দেবতার প্রধান পুরোহিত। আমার সে ক্ষমতা নেই। তোমার নিয়তিকে কেউ যদি খণ্ডন করে থাকে, তোমার প্রাণ রক্ষা করে থাকেন তবে তিনি একমাত্র সোমেশ্বর মহাদেব। তাঁর কাছে তুমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো, প্রণাম জানাও সেই দেবতার উদ্দেশ্যে।’

    ত্রিপুরারিদেবের কথা শুনে সমবেত জনতা জয়ধ্বনি করে উঠল, ‘হর হর মহাদেব! জয় সোমেশ্বর মহাদেবের জয়!’

    উপস্থিত জনতাকে এরপর সে স্থান ত্যাগ করতে বললেন ত্রিপুরারিদেব। তারা অন্তর্হিত হবার পর অঙ্গিরাকে দিয়ে কার্যারম্ভ হল। নতুন বস্ত্র পরিধান করে মেটে হাড়িতে কাঠের আগুনে তণ্ডুল রন্ধন করে পুরোহিতের মুখোমুখি কুশাসনে বসল মুণ্ডিত মস্তক অঙ্গিরা। কদলী, তিল, ঘৃত, মধু, রন্ধন করা তণ্ডুলের সঙ্গে মিশ্রিত করে রচনা করা হলে পিণ্ডগোলক। অন্যান্য নানা উপচারও সেখানেই ছিল। সে সব সহযোগে শুরু হল মন্ত্রোচ্চারণ সহ নানাবিধ কাজ।

    বেশ অনেকক্ষণ ধরে সে সব চলার পর অন্তিম লগ্নে পিণ্ড উৎসর্গ করা হল অঙ্গিরার পিতা-মাতার উদ্দেশ্যে। পিণ্ড দান হবার পর পিণ্ড গোলকগুলি বায়সপক্ষীদের নিবেদন করাই প্রথা। বায়সপক্ষী বা কাকের রূপ ধরে আত্মারা নাকি পিণ্ডভক্ষণ করতে আসেন। অঙ্গিরা সমুদ্রতটে বেশ কয়েকদিন ঘুরে বেড়াবার ফলে এ ব্যাপারে কিছু নিয়ম সম্বন্ধে অবগত হয়েছে।

    বেশ বড় আকারের দুটো কাকও খাবারের প্রত্যাশাতে অঙ্গিরাদের কিছুটা তফাতে এসে বসেছে। পিণ্ডদান সম্পন্ন হবার পর অঙ্গিরা পুরোহিতকে প্রশ্ন করল, ‘আমি কি এই পিণ্ডগোলক সমূহ ওই বায়সপক্ষীদের নিবেদন করে আসব?’

    কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থেকে সোমনাথ মন্দিরের প্রধান পুরোহিত ত্রিপুরারিদেব গম্ভীর কণ্ঠে বললেন ‘না, এ পিণ্ডদান প্রক্রিয়া সাধারণ প্রক্রিয়া নয়। তুমি এই ধাতব কলসের মধ্যে পিণ্ডগুলি রাখো। এ কলস আমি আমার কাছে রাখব। তুমি যে কার্যে নিয়োজিত হতে চলেছ, যেদিন তুমি সেই কার্যের দায়িত্ব গ্রহণ করবে, তার পরদিন প্রত্যুষে এই পিণ্ড আমি বায়স পক্ষীদের নিবেদন করব। মনে রেখো, সেই নিবেদন কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তোমার পিতা-মাতার আত্মার মুক্তি ঘটবে না।’

    পুরোহিতের নির্দেশ পালন করে অঙ্গিরা কলসবন্দি করল পিণ্ড গোলকগুলি। সাঙ্গ হল কাজ। প্রধান পুরোহিত উঠে দাঁড়াবার পর অঙ্গিরা ভূমিষ্ঠ হয়ে প্রণাম জানাল তাকে। সেবায়েত সঙ্গী দুজনও পিণ্ড কলস নিয়ে মন্দিরে প্রস্থান করার আগে ত্রিপুরারিদেব বললেন, ‘তিন দিবস কক্ষ ত্যাগ করবে না তুমি। রুদ্ধ কক্ষে বসে পিতা-মাতাকে স্মরণ করবে। তাদের আত্মার মুক্তি প্রার্থনা করবে। আজ পূর্ণিমা, আগামী পূর্ণিমাতে কার্যভার গ্রহণ করা পর্যন্ত তিনদিন পরে পরে তিনদিনের জন্য রুদ্ধদ্বার অন্ধকার কক্ষে এ প্রার্থনা চালিয়ে যাবে তুমি। তাতে তাঁদের মুক্তির পথ প্রশস্ত হবে। অন্ধকার কক্ষে প্রথমবার তিন দিবস থাকতে হয়তো অস্থির লাগবে। কিন্তু পরবর্তীতে তা অভ্যাস হয়ে যাবে।’

    প্রধান পুরোহিতের কক্ষের সন্নিকটে সমুদ্র স্নানে আসার যে সোপানশ্রেণী আছে, সঙ্গীদের নিয়ে সে পথেই মন্দিরে ফিরে গেলেন প্রধান পুরোহিত। অঙ্গিরাকেও ফিরতে হবে এবার। সে দেখতে পেল কিছুটা তফাতে খগেশ্বর দাঁড়িয়ে আছে।

    অঙ্গিরা তার সামনে গিয়ে দাঁড়াল। কেমন যেন অদ্ভুত বিষণ্ণতা তার মুখমণ্ডলে। হয়তো বা প্রধান পুরোহিতের বলা কথার জন্যই। ব্যাপারটা ভেবে নিয়ে অঙ্গিরা তাকে বলল, ‘সোমেশ্বর মহাদেবের ইচ্ছাতেই এই পৃথিবীর সব কিছু পরিচালিত হয় জানি, কিন্তু তবুও আমি আপনার কাছে কৃতজ্ঞ।’

    নাপিত শিরোমণি খগেশ্বর বিষণ্ণ হেসে জবাব দিল, ‘সোমেশ্বর মহাদেবকে অস্বীকার করার ক্ষমতা আমার নেই। তাঁর কাছে আমিও কৃতজ্ঞ, আমার মতো শুদ্রকে দিয়ে তিনি তোমাকে সাহায্য করালেন বলে।’

    অঙ্গিরার মনে হল এই বৃদ্ধকে কৃতজ্ঞতা স্বরূপ কোনও উপহার প্রদান করা প্রয়োজন। ত্রিপুরারিদেবের দেওয়া স্বর্ণমুদ্রাগুলি তো তার কাছে রয়েইছে। সে কথা ভেবে অঙ্গিরা বলল, ‘আমি যদি আপনাকে কৃতজ্ঞতা পরবশত কিছু উপহার দিই তবে তা আপনি গ্রহণ করবেন?’

    বৃদ্ধ হেসে বললেন, ‘না, কোনও উপহারের প্রয়োজন নেই আমার। তা গ্রহণ করলে ভবিষ্যতে আমার নিজেরও মনে হতে পারে যে নিজের অবচেতনে কোনও পারিতোষক লাভের আকাঙ্ক্ষাতে তোমাকে সাহায্য করতে গেছিলাম।’ এরপর একটু থেমে সে বলল, ‘তুমি যদি সত্যিই আমার জন্য কিছু দিতে চাও তবে অন্য একটা জিনিস সাময়িক ভাবে চাইব তোমার কাছে। দিলে আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব।’

    ‘কী জিনিস?’ জানতে চাইল অঙ্গিরা।

    খগেশ্বর বলল, ‘চলো, তোমার সঙ্গে কক্ষের দ্বার পর্যন্ত যাই। তারপর বলছি।’

    মন্দিরে ফেরার জন্য হাঁটতে শুরু করলে তারা দুজন। কিছু সময়ের মধ্যেই সমুদ্রতট ত্যাগ করে তারা পৌঁছে গেল মন্দিরের প্রধান তোরণের কাছে। আজ পূর্ণিমা বলে দর্শনার্থীদের ভিড় অন্য দিনের তুলনাতে অনেক বেশি। ‘হর হর মহাদেব’, ‘জয় সোমেশ্বর মহাদেব’ ধ্বনিতে মুখরিত চারদিক। শোনা যাচ্ছে অবিরাম ঘণ্টাধ্বনি। তবু তারই মধ্যে মন্দিরে প্রবেশ করার পর সেবায়েত ও পুণ্যার্থীদের ছোট ছোট জটলা যেন মাঝে মাঝে চোখে পড়তে লাগল। নীচু স্বরে কথা বলছে তারা। সেবায়েতদের তেমনই একটা ছোট জটলার দিকে অঙ্গিরার দৃষ্টি আকর্ষণ করে খগেশ্বর বলল, ‘তোমাকে বললাম না, মামুদের আক্রমণের খবরটা ছড়িয়ে পড়েছে! তাই নিয়েই আলোচনা হচ্ছে। এ সংবাদ বড় সংক্রামক।’

    অঙ্গিরা খগেশ্বরকে নিয়ে অতিথিশালাতে তার কক্ষে পৌঁছে গেল। নাপিত শিরোমণিকে আমন্ত্রণ কক্ষে প্রবেশের আমন্ত্রণ জানাতে সে-ও কক্ষে প্রবেশ করল। অঙ্গিরা এরপর তাকে প্রশ্ন করল, ‘এবার বলুন আপনি কি চান আমার কাছে?’

    বৃদ্ধ একটু চুপ করে থেকে অঙ্গিরাকে চমকে দিয়ে বলল, ‘তোমার কাছে যে সোমেশ্বর মুদ্রাটা আছে সেটা দেবে আমাকে?’

    অঙ্গিরা বলল, ‘ওটা কী ভাবে দেব আপনাকে? ও মুদ্রা তো আমাকে ফিরিয়ে দিতে হবে প্রধান পুরোহিতকে।’

    খগেশ্বর বলল ‘হ্যাঁ, নিশ্চয়ই দেবে ফিরিয়ে। আমি শুধু তিনদিনের জন্য ও মুদ্রা ধার চাচ্ছি তোমার কাছে। বিশ্বাস রাখো, তিনদিন পর আমি তোমাকে ওই মুদ্রা ফিরিয়ে দেব।’

    খগেশ্বরের কথা শুনে তাকে কি জবাব দেবে তা বুঝতে না পেরে চুপ করে রইল অঙ্গিরা। তা দেখে খগেশ্বর বলল, ‘তুমি যদি তার বিনিময় আমার সারা জীবনের সম্পদও দাবি করো তাও দিতে আমি রাজি।’

    অঙ্গিরা বলল ‘না, না, সে সব গ্রহণ করার প্রশ্ন নেই।’

    নরসুন্দর শ্রেষ্ঠ এরপর বললেন, ‘আমার বৃদ্ধা স্ত্রী মৃত্যুশয্যায়। তার বহু দিনের আকাঙ্ক্ষা ছিল যে তাঁর স্বামী সোমেশ্বর মুদ্রার অধিকারী হোক। কিন্তু সেই অবলা নারীর পক্ষে বোঝা সম্ভব নয় যে, যেখানে ওই মুদ্রার দাবি নিয়ে ব্রাহ্মণদের মধ্যেই তীব্র প্রতিযোগিতা চলে, সেখানে একজন শূদ্রের পক্ষে এ সৌভাগ্য লাভ অসম্ভব। হয়তো-বা আর দু-দিন মাত্র তার আয়ু। তার মৃত্যুর আগে তার হাতে এ মুদ্রাটা তুলে দিয়ে আমি তাকে দেখাতে চাই যে আমি সোমেশ্বর মুদ্রার অধিকারী হয়েছি। হয়তো ব্যাপারটা মিথ্যা হবে, কিন্তু মৃত্যু পথযাত্রী শেষ আনন্দ-শান্তি পাবে তাতে। আবারও বলছি, আমি শূদ্র হতে পারি, কিন্তু প্রতারক নই। তোমার মুদ্রা তুমি নির্দিষ্ট সময় ফেরত পাবে।’

    খগেশ্বরের কথা শুনে অঙ্গিরা বলল, ‘কিন্তু এ খবর যদি প্রধান পুরোহিতের কর্ণগোচর হয় তবে আমি ভর্ৎসৃত হব। শাস্তিও হতে পারে।’

    খগেশ্বর জবাব দিল, ‘তুমি নিশ্চিন্তে থাকো, এ বিষয়ে কাকপক্ষীও জানবে না।’

    এরপর আর কিছু বলার থাকে না। অঙ্গিরা তার সামগ্রীর মধ্যে মুদ্রাটা যেখানে রাখা ছিল সেখান থেকে তা বার করে বৃদ্ধর হাতে তুলে দিল। সোমেশ্বর মুদ্রাটা হাতে নিয়ে চকচক করে উঠল খগেশ্বরের মুখ। সে বলে উঠল, তোমার কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ রইলাম। আর হ্যাঁ, তোমার পিতা-মাতার পরিচয়, দ্রুত সংগ্রহ করার চেষ্টা করছি আমি।’ কথাগুলো বলে কক্ষ ত্যাগ করল বৃদ্ধ নাপিত শিরোমণি।

    সে চলে যাবার পর প্রধান পুরোহিতের নির্দেশ মতো দ্বার বন্ধ করে অন্ধকার কক্ষে পিতা-মাতাকে স্মরণ করতে বসল অঙ্গিরা। পল-দণ্ড-প্রহর-সময় এগিয়ে চলল। বাইরে দিন কেটে গিয়ে সূর্যাস্ত হল একসময়। নিঃস্তব্ধতা, অন্ধকার নেমে এল সোমনাথ মন্দিরে। আর রাত্রি নামার সঙ্গে-সঙ্গেই মনসংযোগ ছিন্ন হতে শুরু করল অঙ্গিরার। তার বন্ধ চোখে ভেসে উঠতে লাগল রাজশ্রী-দেবদাসী সমর্পিতার মুখ! সে যেন ডাকছে তাকে! জ্যোৎস্না আলোকিত সেই প্রাঙ্গণ থেকে ভেসে আসছে তার আহ্বান! অঙ্গিরার জন্য অপেক্ষা করছে সে।

    রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে আহ্বান যেন তীব্র হতে লাগল। এক একসময় অঙ্গিরার মনে হতে লাগল, কক্ষ ত্যাগ করে সে রওনা হয় তার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য। অনেক কষ্টে নিজেকে সংযত রাখল অঙ্গিরা। তবে যে তার মন থেকে কিছুতেই সরাতে পারল না সেই দেবদাসীকে। অন্ধকার কক্ষে নিজেকে আবদ্ধ রাখলেও, তার চোখে শুধু ভেসে উঠতে লাগল দেবদাসী সমর্পিতার করুণ মুখ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article ভয় ভয়ঙ্কর – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }