Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সোমনাথ সুন্দরী – ১৬

    ১৬

    তিনটে দিন বদ্ধ কক্ষেই কাটাল অঙ্গিরা। কিন্তু এ তিনদিন নিদ্রায়-জাগরণে সে শুধু দেবদাসী সমর্পিতার কথাই ভেবেছে। অঙ্গিরা নিজেই বুঝে উঠতে পারছে না কেন এমন হচ্ছে। সামান্য কয়েকদিনের পরিচয় বই তো তাঁর সঙ্গে অন্য কোনও সম্পর্ক নেই রাজশ্রী-দেবদাসী সমর্পিতার। একেই কি তবে প্রেম বলে? সে কখন, কীভাবে এসে মানুষের মনে হানা দেয় তা কেউ বুঝতে পারে না। নইলে কেন তার প্রতি মুহূর্তে মনে পড়ছে সেই দেবদাসীর কথা?

    তৃতীয় দিন সূর্যাস্তের পর কক্ষ ত্যাগ করল অঙ্গিরা। যদি ত্রিপুরারিদেব এ তিনদিনের মধ্যে দেবদাসী সমর্পিতাকে নৃত্য প্রদর্শনের অনুমতি দিয়ে থাকেন, সে কথা ভেবে তাকে দর্শনের আশাতে অঙ্গিরা মন্দিরে উঠে হাজির হল গর্ভগৃহর সামনে। অন্য সন্ধ্যার মতো যারা যারা সেখানে উপস্থিত থাকেন, সেই নন্দিবাহন, জয়দ্রথ-সহ সবাই সেখানে উপস্থিত।

    প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের কাজও শুরু হয়েছে। জয়দ্রথের সঙ্গে অন্যদিন প্রথম দৃষ্টি বিনিময় হলে তিনি হাসেন অঙ্গিরাকে দেখে। এদিন কিন্তু তার মুখে হাসি ফুটল না। অঙ্গিরাকে দেখে ঘাড়টা মৃদু ঝোঁকালেন তিনি। পুরোহিত নন্দিবাহন-সহ সবারই মুখমণ্ডল কেমন যেন গম্ভীর বলে মনে হল। তিলোত্তমার নেতৃত্বে এরপর চত্বরে উঠে এল দেবদাসীরা।

    নন্দিবাহন প্রদীপদণ্ড দিয়ে সন্ধ্যা আরতি শুরু করলেন। অঙ্গিরার চোখ দেবদাসীদের ভিড়ের মধ্যে খুঁজল দেবদাসী সমর্পিতাকে। না, সে আজও আসেনি। আরতির পর প্রতি সন্ধ্যার মতো মহাদেবের উদ্দেশ্যে নৃত্যগীত শুরু হল এবং শেষও হল। পুরো ব্যাপারটাই কেমন যেন যান্ত্রিক বলে মনে হলো অঙ্গিরার। শুধু কি তা সমর্পিতার অনুপস্থিতির কারণে, নাকি অন্য কিছু কারণ আছে তার পিছনে। হ্যাঁ, কারণ যে একটা আছে তা কিছু সময়ের মধ্যেই বুঝতে পারল অঙ্গিরা।

    নৃত্যগীত সমাপ্ত হবার পর সেদিনের মতো গর্ভগৃহর দ্বার বন্ধ করলেন পুরোহিত নন্দিবাহন। দেবদাসীরা ফিরে গেল। অঙ্গিরাও ফেরার জন্য এগোল সোপানশ্রেণীর দিকে। অঙ্গিরার সঙ্গেই নীচে নামার পথ ধরেছেন রক্ষীপ্রধান জয়দ্রথ। তিনি বললেন, ‘খেয়াল করেছেন, আজ থেকে মন্দিরে দর্শনার্থীদের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। দ্বিপ্রহরেই মন্দির প্রায় ফাঁকা হয়ে গেল!’

    কথাটা শুনে অঙ্গিরা বলল, ‘তিনদিন আমি কক্ষত্যাগ করিনি। তাই কিছু দেখিনি। কিন্তু কেন বলুন তো?’

    জয়দ্রথ মৃদু বিস্মিত ভাবে বললেন, ‘গজনীর সুলতান মামুদ যে এ দেশের দিকে আসছে তা আপনি শোনেননি?’

    অঙ্গিরা বলল, ‘হ্যাঁ, তা আমি শুনেছি বটে।’

    জয়দ্রথ বলল, ‘হ্যাঁ, সে কারণেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আর কয়েকদিনের মধ্যেই মাধেরাতে যুদ্ধ শুরু হবে। রাজপুত বাহিনী যদি পরাজিত হয় তবে পাতকী মামুদ নিশ্চয়ই সোমনাথ মন্দির লুণ্ঠনের জন্য এখানেও আসবে। নগরীতে কোনও পুরুষকে পেলে হত্যা করবে, নারীদের ধর্ষণ করবে, ক্রীতদাসী হিসাবে ধরে নিয়ে যাবে। যে কারণেই আতঙ্কে পুণ্যার্থীদের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। আশেপাশের কয়েকটি রাজ্য নাকি ঢেঁড়া পিটিয়ে তাদের নগরবাসীদের সুরক্ষার কথা ভেবে একথাও জানিয়েছে যে পুণ্যার্থীরা যেন মাধেরা সূর্যমন্দির আর এই প্রভাসপত্তনের সোমনাথ মন্দিরের উদ্দেশ্যে তাদের যাত্রা আপাতত স্থগিত রাখে।’

    অঙ্গিরা বলল, ‘না, এতটা খবর আমার জানা ছিল না।’

    জয়দ্রথ বললেন, ‘দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কি হয়? এমনকী মন্দিরেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কারণ, নগরবাসীরা প্রয়োজনে প্রভাসপত্তন ত্যাগ করলেও কিছু মানুষ বিশেষত পুরোহিতকুল, দেবদাসীরা আর আমরা কয়েকজন তো কোনও অবস্থাতেই মন্দির ত্যাগ করতে পারব না। শুনলাম, আতঙ্ক নিরসনের জন্য প্রধান পুরোহিত ত্রিপুরারিদেব নাকি মন্দিরের বাসিন্দাদের নিয়ে সভা ডাকতে চলেছেন।’ এ কথা বলার পর রক্ষীপ্রধান নীচে নেমে অন্যত্র চলে গেলেন। আর অঙ্গিরাও অতিথিশালায় ফিরে এসে প্রতীক্ষা শুরু করল মধ্যরাতের জন্য।

    চাঁদ যখন ঠিক মাথার ওপর উঠল তখন প্রস্তুত হয়ে কক্ষ ত্যাগ করল অঙ্গিরা। চাঁদের আলোতে নিস্তব্ধ সোমনাথ মন্দির। রাজশ্রীর সঙ্গে কি তার দেখা হবে? এ কথা ভাবতে ভাবতে আশা-নিরাশার দোলাচলে দুলতে-দুলতে অঙ্গিরা রওনা হল নির্দিষ্ট স্থানের দিকে। মন্দিরের প্রাচীন ধ্বংস্তুপ অতিক্রম করে অঙ্গিরা প্রথমে উপস্থিত হল সেই নির্জন কাননে। তারপর সন্তর্পণে দেবদাসীদের আবাসস্থলের তোরণ উন্মুক্ত করে উঠে এল সেই স্তম্ভ সমন্বিত প্রাঙ্গণে। না, চারপাশে কেউ নেই। কক্ষগুলো সব ঘুমন্ত বলেই মনে হলো তার। স্তম্ভের গোলক ধাঁধা পেরিয়ে অঙ্গিরা এগোল সেই বেদির দিকে। কিছুটা এগিয়েই সে দেখতে পেল, হ্যাঁ, সেখানে চাঁদের আলোতে দাঁড়িয়ে আছে রাজশ্রী—দেবদাসী সমর্পিতা।

    স্তম্ভের আড়াল থেকে আত্মপ্রকাশ করে অঙ্গিরা তার সামনে আবির্ভূত হতেই প্রথমে মুণ্ডিত মস্তক অঙ্গিরাকে হঠাৎ চিনতে না পেরে আতঙ্কে চিৎকার করে উঠতে যাচ্ছিল রাজশ্রী। কিন্তু অঙ্গিরা তাড়াতাড়ি তার মুখ চাপা দিয়ে বলে উঠল, ‘আমি অঙ্গিরা।’

    কথাটা শুনেই মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক মুছে গিয়ে আনন্দে উজ্জ্বল হয়ে উঠল সোমনাথ সুন্দরীর চোখ। অঙ্গিরা তার মুখ থেকে হাত সরিয়ে নেবার পর দেবদাসী সমর্পিতা কয়েক মুহূর্ত বিস্ময় মিশ্রিত আনন্দ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকার পর প্রশ্ন করল, ‘তোমার গুম্ফ, শ্মশ্রু, অমন সুন্দর কুঞ্চিত কেশ কোথায় গেল?’

    অঙ্গিরা হেসে জবাব দিল ‘পূর্ণিমার দিন পিতা-মাতার পিণ্ডদান উপলক্ষে প্রধান পুরোহিতের নির্দেশে মস্তক মুণ্ডন করতে হয়েছে।’

    রাজশ্রী এরপর একটু অভিমানের স্বরে বলল, ‘তুমি এ তিনদিন আসনি কেন? আমি প্রতিরাতে তোমার জন্য এখানে প্রতীক্ষা করেছি। তারপর শুকতারা ফুটে উঠলে আশাহত হয়ে কক্ষে ফিরে গেছি। সারা দিন শুধু তোমার কথাই মনে পড়েছে আমার।’

    অঙ্গিরা জবাব দিল, ‘এ তিনদিন আমারও প্রতি মুহূর্তে মনে হয়েছে তোমার কথা। প্রতি রাতেই মনে হয়েছে এখানে চলে আসি। কিন্তু পারিনি। কারণ ত্রিপুরারিদেব তিনদিন কক্ষ ত্যাগ করতে নিষেধ করেছিল আমাকে। আগামী পূর্ণিমাতে তিনি আমার ওপর তার কাজের দায়িত্ব সমর্পণ না করা পর্যন্ত তিনদিন পরপর তিনদিন রুদ্ধ কক্ষে বসে আমাকে আমার পিতা-মাতার আত্মার মুক্তি লাভের জন্য প্রার্থনা করতে হবে। প্রধান পুরোহিত আমাকে সে নির্দেশই দিয়েছেন।’

    এ কথা বলার পর একটু চুপ করে থেকে অঙ্গিরা বলল, ‘হয়তো তোমার সঙ্গে আমার আর দেখাই হতো না।’

    দেখা হতো না কেন?’ জানতে চাইল দেবদাসী সমর্পিতা।

    অঙ্গিরা জবাব দিল, ‘তিনদিন আগে মস্তক মুণ্ডনের পর যখন আমি সমুদ্র স্নানে নেমেছিলাম তখন এক সামুদ্রিক অজগর সর্প আক্রমণ করেছিল আমাকে। কি বীভৎস ভয়ঙ্কর তার চেহারা!

    কথাটা শুনেই দেবদাসী আতঙ্কিত হয়ে অঙ্গিরার হাত জড়িয়ে ধরে বলল, ‘তারপর?’

    অঙ্গিরা বলল, ‘সে মহাসর্প, তো আমাকে গিলেই খাচ্ছিল। ঠিক সেই সময় বৃদ্ধ ক্ষৌরকার খগেশ্বর জলে নেমে তার খুর তুলে দিল আমার হাতে। সেই খুরের আঘাতে মহাসর্পর কণ্ঠদেশ ছিন্ন করে নাগপাশ থেকে মুক্ত হলাম আমি।’

    এ কথা বলার পর অঙ্গিরা হেসে বলল, ‘তুমি আমার কথা বিশ্বাস করবে কিনা জানি না, আমি যখন মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে লড়াই করছি সেই মহাসর্পর সঙ্গে, ঠিক সেই মুহূর্তে অদ্ভুত ভাবে তোমার মুখটাই আমার মনে ভেসে উঠেছিল!’

    কথাটা শুনে রাজশ্রী অঙ্গিরার চোখের দিকে তাকিয়ে তার হাতটা আরও শক্ত করে চেপে ধরে বলল, ‘আমি তোমার কথা বিশ্বাস করছি।’

    কিছুক্ষণ পরস্পরের মুখের দিকে নিস্তব্ধ ভাবে চেয়ে রইল তারা দুজন। রাজশ্রী এরপর বলল, ‘গত কয়েকদিন ধরেই আমার একটা কথা মনে হচ্ছে। হয়তো বা তোমার সঙ্গে দেখা হবে বলেই বিধাতা পুরুষ আমাকে রাজকন্যা রাজশ্রী থেকে দেবদাসী সমর্পিতা বানালেন।’

    অঙ্গিরা হেসে জবাব দিল, ‘আমারও এখন মনে হচ্ছে, শুধু পিতা-মাতার আত্মার মুক্তির জন্য নয়, তোমার সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে বলেই ভাগ্য আমাকে এখানে এনেছে। আমরা দুজনেই তো এক সঙ্গে থাকব এ মন্দিরে। প্রকাশ্যে না হলেও গোপনে তো মিলিত হতে পারব। সে পাওয়াও তো অনেক। আমার কার্যকলাপের মেয়াদ দ্বাদশ বৎসর। সে সময় অতিক্রান্ত হলেও আমি অন্য কোনও কাজে তোমার জন্য রয়ে যাব এ মন্দিরে।’

    ‘আমার জন্য তারপরও রয়ে যাবে তুমি!’ বলে উঠল দেবদাসী সমর্পিতা।

    অঙ্গিরা বলল, ‘হ্যাঁ, আমার তো অন্য কোথাও কেউ নেই। প্রকাশ্যে না হলেও এখানে কেউ তো থাকবে আমার জন্য।’

    এ কথা শোনার পর রাজশ্রী প্রসঙ্গ পরিবর্তন করে বলল, ‘শুনছি কোন এক সুলতান মামুদ নাকি এ মন্দিরে হানা দিতে পারে এখানে। সে নাকি খুব নিষ্ঠুর। তার সেনাবাহিনীও নারীলোলুপ। দেবদাসীরা একথা বলাবলি করছে। উত্তরাও কোথাও থেকে শুনেছে এ কথা। তুমি কিছু শুনেছ?’

    অঙ্গিরা বলল, ‘হ্যাঁ, শুনেছি। তবে সে নিশ্চিত ভাবে এখানে উপস্থিত হবে কিনা ঠিক নেই। হিন্দু রাজারা মাধেরার কাছে সম্মিলিত সৈন্য সমাবেশ ঘটাচ্ছেন সুলতানবাহিনীকে প্রতিরোধ করার জন্য।’

    রাজশ্রী বলল, কিন্তু সত্যিই যদি সে এখানে এসে পড়ে তবে কি হবে? তারা তো আমাদের ছেড়ে দেবে না? শুনেছি তারই মতো জুয়ানেদের সেনারা যখন এ মন্দিরে হানা দিয়েছিল তখন তাদের সম্মিলিত বীভৎস লালসার শিকার হয়েছিল দেবদাসীরা। সেই অত্যাচারে অধিকাংশ দেবদাসীরই মৃত্যু হয়েছিল। দেবদাসীদের রক্তে ভেসে গেছিল এ প্রাঙ্গণ। যে সব দেবদাসী প্রাণে বেঁচে ছিল, তাদের ক্রীতদাসী হিসাবে বন্দি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল আরও কোন ভয়ঙ্কর পরিণতির জন্য। তেমন যদি কিছু হয়?’ স্পষ্ট আতঙ্কের সুর ফুটে উঠল তার কণ্ঠে।

    তাকে আশ্বস্ত করার জন্য অঙ্গিরা বলল, ‘তেমন কোনও দুর্যোগ উপস্থিত হলে আমি যে ভাবেই হোক রক্ষা করব তোমাকে। ভয় পেও না। জানো, আমি অন্ধকারে শব্দভেদী বাণও চালাতে পারি।’ এই প্রথম ত্রিপুরারিদেব ছাড়া অন্য কারও কাছে প্রকাশ করল অঙ্গিরা।

    দেবদাসী সমর্পিতা এ কথা শুনে কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল। কিন্তু, হঠাৎই একটা দৃশ্য তার চোখে পড়াতে সে বেদির কাছ থেকে অঙ্গিরাকে হাত ধরে টেনে এনে একটা থামের আড়ালে অন্ধকারে আত্মগোপন করল। থামের আড়ালে দাঁড়িয়ে সে আঙুল তুলে চত্বরের নির্দিষ্ট দিকে তাকাবার জন্য ইশারা করল অঙ্গিরাকে।

    রাজশ্রীর দৃষ্টি অনুসরণ করে অঙ্গিরা দেখল চত্বরের এক অংশে কক্ষের দরজা খুলে বাইরে এসে দাঁড়িয়েছে একজন নারী। চাঁদের আলোতে অঙ্গিরা চিনতে পারল তাকে—দেবদাসী শ্রেষ্ঠা তিলোত্তমা! চারপাশে তাকিয়ে চত্বরটা দেখার চেষ্টা করছে। সে কি দেবদাসী সমর্পিতাকে খুঁজছে? সে কি দেখতে পেয়েছে তাকে?

    কয়েক পলের মধ্যে অবশ্য আসল ব্যাপারটা বুঝতে পারল তারা দুজন। চত্বরে কাউকে দেখতে না পেয়ে তিলোত্তমা তার কক্ষের ভিতর তাকিয়ে হাত নেড়ে কাকে যেন বাইরে বেরোবার জন্য ইশারা করল! সেই ইশারাতে অন্ধকার কক্ষের ভিতর থেকে বাইরে বেরিয়ে এল একজন পুরুষ! অঙ্গিরারা বুঝতে পারল শুধু সাধারণ দেবদাসীদের নয়, তাদের পরিচালিকারও গোপন প্রেম আছে!

    বাইরে বেরিয়েই লোকটা এগোল প্রাচীরের গায়ে যেদিকে ফোকর আছে সেদিকে। লোকটার মুখে একটা বস্ত্রখণ্ড থাকলেও সে কিছুটা এগোবার পর হঠাৎই সেটা কাকতালীয় ভাবে খসে গেল। অঙ্গিরা তাকে চিনতে পেরে চাপা স্বরে বলে উঠল ‘আরে এ যে স্বয়ং সেবায়েত প্রধান বিষধারী!’

    চত্বর থেকে অন্তর্হিত হয়ে গেল লোকটা। তিলোত্তমাও কক্ষে প্রবেশ করে দ্বার বন্ধ করল। অঙ্গিরারাও হয়তো থামের বাইরে বেরিয়ে আসতে যাচ্ছিল, কিন্তু অঙ্গিরা তার শরীরে এক অদ্ভুত স্পর্শ অনুভব করল। রাজশ্রী পাশ থেকে এমন ভাবে আলিঙ্গন করে আছে যে তার বস্ত্রখণ্ডর ভিতর থেকে তার সুডৌল স্তন যুগল স্পর্শ করে আছে অঙ্গিরার পাঁজর। নিবিড় স্পর্শ।

    রাজশ্রী মুখ তুলে চেয়ে আছে অঙ্গিরার দিকে। স্তম্ভের ফাঁক গলে ছুরির ফলার মতো এক ফালি চাঁদের আলো এসে পড়েছে তার মুখমণ্ডলে। গোলাপের পাপড়ির মতো ওষ্ঠাধর যেন উন্মুখ ভাবে চেয়ে আছে অঙ্গিরার দিকে। মুহূর্তর মধ্যে শরীরে এক অদ্ভুত শিহরন অনুভব করল অঙ্গিরা। যে অনুভূতি আগে কোনওদিন লাভ করেনি সে। নারীর আলিঙ্গনে দ্রুত সে শিহরন ছড়িয়ে পড়তে লাগল অঙ্গিরার ধমনীতে। পুরুষের স্পর্শে একই অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ল রাজশ্রী—দেবদাসী সমর্পিতার রক্তেও।

    যে অনুভূতি সৃষ্টির জন্মলগ্ন থেকে পরস্পরের প্রতি আকর্ষণের জন্ম দিয়েছে নারী-পুরুষকে। এগিয়ে নিয়ে চলেছে জীবনের প্রবাহমানতা। সমর্পিতা তার ওষ্ঠাধর যেন আরও একটু তুলে ধরল। নিজের অজান্তেই যেন অঙ্গিরার ঠোঁট নেমে এল সোমনাথ সুন্দরীর ঠোঁটের ওপর।

    এ যেন এক অদ্ভুত বিদ্যুৎস্পর্শের অনুভূতি। যে অনুভূতি মুহূর্তের মধ্যে গ্রাস করে নিল তাদের দুজনের শরীরকেই। নিবিড় আলিঙ্গনে, নিষ্পেষণে মিশে যেতে লাগল দুটো শরীর। খসে পড়ল অঙ্গিরার ধনুর্বাণ, রাজশ্রী অথবা দেবদাসী সমর্পিতার বসন, যেন তারা বনাচারী নিরাবরণ আদিম মানবমানবী।

    এ রাত যেন নিমেষে কেটে গেল। তাদের যখন হুঁশ ফিরল তখন চাঁদ ম্রিয়মান। শুকতারা ফুটে ওঠার সময় হয়ে গেছে। বসনে আবৃত হয়ে উঠে দাঁড়াল তারা। কয়েক মুহূর্ত নির্বাক দৃষ্টিতে পরস্পরের দিকে চেয়ে রইল তারা। আবেশঘন কণ্ঠে দেবদাসী সমর্পিতা বলল, ‘আমাকে কথা দাও, তুমি কোন দিন বিচ্ছিন্ন হবে না আমার কাছ থেকে। কোনও দিন ভুলবে না আমাকে?’

    অঙ্গিরা জবাব দিল, ‘হ্যাঁ, কথা দিলাম।’

    দেবদাসী সমর্পিতা বলল, ‘রাত্রির প্রত্যাশায় থাকব আমি।’

    অঙ্গিরা হেসে বলল, ‘আমি আসব।’ এ কথা বলে অঙ্গিরা পরম মমতায় সোমনাথ সুন্দরীর কপাল চুম্বন করে রওনা হল ফেরার জন্য। অঙ্গিরা যখন অতিথিশালাতে কক্ষে ফিরে দোর বন্ধ করল ঠিক সেই সময় বাইরে শিকলের শব্দ শুরু হল। ছন্দময় সেই শব্দ শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়ল অঙ্গিরা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article ভয় ভয়ঙ্কর – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }