Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সোমনাথ সুন্দরী – ১৭

    ১৭

    পরদিন বেশ বেলাতেই করাঘাতের মৃদু শব্দে ঘুম ভাঙল অঙ্গিরার। মন্দিরের দৈনন্দিন কাজ তখন অনেক আগেই শুরু হয়ে গেছে। দরজা খুলে অঙ্গিরা দেখতে পেল নাপিত শিরোমণি দাঁড়িয়ে আছে। অঙ্গিরা যেন ভুলেই গেছিল তার কথা। ভিতরে প্রবেশ করল খগেশ্বর। মলিনতা যেন গ্রাস করে আছে তার মুখকে। পোশাকের ভিতর থেকে সোমেশ্বর মুদ্রাটা বার করে খগেশ্বর বলল, ‘এই নিন। তিনদিন পর মুদ্রাটা আমার ফিরিয়ে দেবার কথা ছিল, ফিরিয়ে দিলাম।’

    অঙ্গিরা মুদ্রাটা হাতে নিয়ে বৃদ্ধ খগেশ্বরের মুখের মলিনতা লক্ষ করে জানতে চাইল ‘আপনার স্ত্রী কেমন আছেন?’

    প্রশ্নটা শুনে বৃদ্ধ মাটির দিকে কিছুক্ষণ চুপ করে তাকিয়ে থেকে মৃদু স্বরে বলল, ‘আমার স্ত্রী নেই। বহুকাল আগে সে প্রয়াত হয়েছে।’

    জবাব শুনে বিস্মিত অঙ্গিরা বলে উঠল, ‘তবে যে আপনি বলেছিলেন যে স্ত্রীকে দেখাবেন বলে মুদ্রাটা নিচ্ছেন?’

    খগেশ্বর বলল, ‘আমাকে মার্জনা করবে, পাছে তুমি মুদ্রাটা না দিতে চাও তাই মিথ্যা বলেছিলাম। মিথ্যা বলার জন্য আমার গ্লানিও হয়েছে। তুমি বিশ্বাস করে মুদ্রাটা আমার হাতে তুলে দিয়েছিলে। তোমাকে মিথ্যা বলা আমার উচিত হয়নি। তাই সত্যটা বললাম।’

    অঙ্গিরা বলল, ‘তবে এ মুদ্রা আপনি কেন নিয়েছিলেন?’

    খগেশ্বর মৃদু নিশ্চুপ থেকে বলল, ‘সে কারণ এই মুহূর্তে আমি তোমাকে ঠিক বোঝাতে পারব না। তবে কেন জানি, তোমাকে দেখে তোমার প্রতি আমার একটা ভালো লাগা জন্মেছে। হয়তো-বা আমার পুত্র অনেকটা তোমার মতোই দেখতে ছিল তাই। দ্বাদশ বৎসর পূর্বে তার মৃত্যু ঘটেছে। পুত্রবধূও তার চিতার সামনেই সহমৃতা হয়। তোমার দ্বারা আমার কোনও অনিষ্ট হবে না জানি, হয়তো বা অনিষ্ট হতে বাকিও কিছু নেই। শেষ অনিষ্টটা যাতে রোধ করা যায় তাই মুদ্রাটা তোমার থেকে নিয়েছিলাম। কিন্তু সোমেশ্বর মহাদেবের হয়তো বা সে ইচ্ছা নেই।’

    এ কথা বলার পর আবারও মৃদু চুপ করে থেকে খগেশ্বর বলল, ‘তোমাকে একটা ব্যাপার জানাতে চাই। মধ্যরাত্রে একবার বেরোতে পারবে আমার সঙ্গে? এ মন্দিরের ভিতর এক স্থানে তোমাকে নিয়ে যাব।’

    অঙ্গিরা বলল, ‘আপনি এখন মন্দিরেই রাত্রিবাস করেন নাকি?’

    খগেশ্বর বলল, ‘আমার পরিচিত একজনের কক্ষ আছে মন্দিরের ভিতর। যার কক্ষ সে বর্তমানে নগরীতে নিজের বাটিকাতে থাকে। তার অনুমতিক্রমে আমি কিছুদিন হল রাত্রিবাস করছি সে কক্ষে। আমি ক্ষৌরকার প্রধান, প্রধান পুরোহিতসহ অন্য পুরোহিতদেরও মস্তক মুণ্ডন করাই। তাই কেউ আপত্তি করেনি ব্যাপারটাতে।’

    অঙ্গিরা জানতে চাইল, ‘গভীর রাতে মন্দিরের ভিতর কোন স্থানে আপনি আমাকে নিয়ে যাবেন?’

    ক্ষৌরকার প্রধান বলল, ‘এখন বলব না, সেখানে গেলেই তুমি ব্যাপারটা জানতে পারবে। আজ রাত্রিকে আমি নিতে আসব তোমাকে?’

    বৃদ্ধ খগেশ্বর তাকে কি দেখাতে চায় তা জানার জন্য কৌতূহল সৃষ্টি হল অঙ্গিরার মনে। সে বলতে যাচ্ছিল, ‘আমি রাতে আপনার সঙ্গে যাবার জন্য প্রস্তুত হয়ে থাকব।’ কিন্তু তার তখনই মনে পড়ে গেল, রাজশ্রী—দেবদাসী সমর্পিতা তো তার জন্য প্রতীক্ষা করে থাকবে। সেখানে তো যেতেই হবে অঙ্গিরাকে। আজ কাল, দু-রাতের পর আবার ত্রিপুরারিদেবের নির্দেশ পালন করতে তিনদিন বদ্ধ ঘরে কাটাতে হবে তাকে। তিন দিনের জন্য বিচ্ছেদ ঘটবে রাজশ্রীর সঙ্গে। কাজেই এ দু-রাত কিছুতেই রাজশ্রীর সঙ্গ ত্যাগ থেকে সে নিজেকে বঞ্চিত করতে পারবে না। সব কিছু হিসাব করে নিয়ে অঙ্গিরা বলল, ‘আগামী পাঁচ রাত আপনার সঙ্গে যাবার উপায় নেই আমার। তারপর আমি আপনার সঙ্গে রাত্রি ভ্রমণের চেষ্টা করতে পারি।’

    অঙ্গিরার জবাব শুনে বৃদ্ধর মুখে একটা অদ্ভুত হাসি ফুটে উঠল। সে বলল, ‘ঠিক আছে পাঁচ রাত পরে আমাদের উভয় পক্ষের যদি সে সুযোগ থাকে তবে তোমাকে সেখানে নিয়ে যাব।’

    অঙ্গিরা এরপর জানতে চাইল, ‘সুলতানের আক্রমণের ব্যাপারে কোনও খবর জানেন?’

    খগেশ্বর বলল ‘সে দ্রুত এগিয়ে আসছে মাধেরার দিকে। হিন্দু সেনারাও উপস্থিত হয়েছে মাধেরা সূর্য মন্দিরের সামনে। আগামী পাঁচ-ছ’-দিনের মধ্যেই হয়তো যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে হানাদারদের সঙ্গে।’

    অঙ্গিরা জানতে চাইল, ‘নগরীর অবস্থা কেমন?’

    নরসুন্দর শ্রেষ্ঠ বলল, ‘গতকাল প্রত্যুষে আমি প্রাক্তন সেবায়েত প্রধান নীলকণ্ঠর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য নগরীতে প্রবেশ করেছিলাম। শুনলাম রাজা ভীম নাকি কচ্ছর কানিথকোট দুর্গে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মাধেরার যুদ্ধে যদি আহরিয়া, চালুক্য, রাজপুতবাহিনী পরাস্ত হয়, নারকী যদি তার সেনাদের নিয়ে প্রভাসপত্তনের দিকে এগিয়ে আসতে শুরু করে তবে রাজা ভীম সেনাদলের হাতে নগরী আর মন্দিরের দায়িত্ব দিয়ে পরিবার আর অমাত্যদের নিয়ে কানিথকোট দুর্গে চলে যাবেন।

    সে দুর্গ ছোট হলেও উপকূলবর্তী। গজনী সেনারা যদি সেদিকেও ধাওয়া করে তবে রাজা ময়ূরপঙ্খী নিয়ে ভেসে পড়বেন সমুদ্রর জলে। মামুদ আর তাকে অনুসরণ করতে পারবে না। স্বয়ং মহারাজ ভীম যেখানে আশঙ্কার মধ্যে রয়েছেন সেখানে নগরবাসীদের অবস্থা তো সহজেই অনুমেয়। ধনাঢ্যরাও অন্যত্র যাবার প্রস্তুতি শুরু করেছে। আর যাদের কোথাও যাবার জায়গা নেই তারা সোমেশ্বর মহাদেবের ওপর ভরসা করে নগরীতেই রয়ে যাবে।

    মন্দিরে দর্শনার্থীদের আসাও কমে গেছে। আতঙ্ক হয়তো বা বাইরের থেকে কিছুটা বেশি ছড়িয়েছে মন্দিরের ভিতর। কারণ, নগরবাসীরা অনেকেই প্রয়োজনবোধে অন্যত্র পলায়ন করতে সক্ষম হলেও এ মন্দিরের অনেকেই কোনও অবস্থাতেই মন্দির ত্যাগ করতে পারবে না। বিশেষত পুরোহিত কুল, কিছু সেবায়েত যাঁরা প্রত্যক্ষ ভাবে সোমেশ্বর মহাদেবের সেবায় নিয়োজিত থাকেন এবং দেবদাসীরা। বিপদ থেকে বাঁচবার জন্য তাদেরও একমাত্র ভরসা সোমেশ্বর মহাদেব।’—একটানা কথা বলে থামলেন বৃদ্ধ।

    খগেশ্বর, প্রাক্তন সেবায়েত প্রধান নীলকণ্ঠর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেছিল শুনে অঙ্গিরা তাকে জিগ্যেস করল ‘আমার পিতা-মাতার এ মন্দিরের সঙ্গে সম্পর্কের ব্যাপারে সেই অতিবৃদ্ধ কোনও কিছু বললেন আপনাকে?’

    কথাটা শুনে হঠাৎই যেন গম্ভীর হয়ে গেল বৃদ্ধর মুখ। সে বলে উঠল, ‘ও প্রসঙ্গে পরে কথা হবে। আমাকে এখনই বিশেষ প্রয়োজনে অন্যত্র যেতে হবে।’ এ কথা বলে আর কালক্ষেপ না করে, অঙ্গিরাকে কোনও কথা বলার সুযোগ না দিয়ে কক্ষ ত্যাগ করল খগেশ্বর। তার এ ভাবে হঠাৎ চলে যাওয়াটা বেশ একটু অদ্ভুত মনে হল অঙ্গিরার।

    পরামাণিক শ্রেষ্ঠ চলে যাবার কিছুক্ষণের মধ্যে অতিথিশালা ত্যাগ করে বাইরে বেরিয়ে এল অঙ্গিরা। মন্দিরে কিছু ভক্তকুল উপস্থিত হলেও তাদের সংখ্যা বেশ নগণ্য। কয়েক সহস্রর পরিবর্তে কয়েকশত মাত্র। ঘণ্টাধ্বনি বা সোমেশ্বর মহাদেবের নামে জয়ধ্বনি হচ্ছে ঠিকই কিন্তু তা অন্য দিনের মতো আকাশ-বাতাসকে বিদীর্ণ করছে না। সেবায়েতদের তেমন কাজের চাপ নেই। ইতস্তত বিক্ষিপ্ত ভাবে জটলা করছে তারা।

    মন্দির চত্বরে এদিক-ওদিক উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে হঠাৎই সেবায়েতদের একটা জটলার পাশ দিয়ে যাবার সময় তাদের নিজেদের মধ্যে আলোচনার একটা কথা কানে এল অঙ্গিরার। এক সেবায়েত তার সঙ্গীদের বলছে, ‘সোমেশ্বর মুদ্রা যাঁদের কাছে আছে তাঁরা সবাই সম্মানীয় ব্যক্তি। তাঁরা কেউ কি এ কাজ করবেন? রক্ষীরা নিশ্চয়ই মিথ্যা কথা বলছে।’

    তাদের মধ্যে কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে তা জানা নেই অঙ্গিরার। কিছুক্ষণ মন্দিরে ঘুরে বেড়াবার পর অতিথিশালাতে ফিরে স্নান-আহার ইত্যাদি কার্য সম্পন্ন করে রাজশ্রীর কথা ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়ল সে।

    সূর্যাস্তের কিছু আগে করাঘাতের শব্দে ঘুম ভাঙল অঙ্গিরার। দরজা খুলে সে দেখল রক্ষীপ্রধান জয়দ্রথ একজন রক্ষী নিয়ে হাজির হয়েছেন। তিনি অঙ্গিরাকে বললেন, ‘আপনাকে বিরক্ত করার কারণে দুঃখিত। কিন্তু প্রধান পুরোহিতের নির্দেশ পালনের জন্য এখানে এসেছি।’

    ‘কী নির্দেশ?’ জানতে চাইলে অঙ্গিরা।

    জয়দ্রথ প্রথমে অঙ্গিরার প্রশ্নর জবাব না দিয়ে বললেন, ‘আপনার কাছে সোমেশ্বর স্বর্ণমুদ্রাটা আছে তো? আমাকে একটু দেখাবেন?’

    অঙ্গিরা জবাব দিল, ‘হ্যাঁ, আছে। দাঁড়ান দেখাচ্ছি।’

    অঙ্গিরা কক্ষের ভিতর থেকে মুদ্রাটা এনে জয়দ্রথের হাতে দিল। তিনি মুদ্রাটা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখে সেটা আবার অঙ্গিরার হাতে তুলে দিয়ে বললেন, ‘আপনার কক্ষটা আমরা একটু পরীক্ষা করে দেখতে চাই। অনুগ্রহ করে আমার রক্ষীদের ভিতরে প্রবেশ করতে দিন।’

    ‘কীসের পরীক্ষা?’ বিস্মিত কণ্ঠে জানতে চাইল অঙ্গিরা।

    জয়দ্রথ বললেন, ‘আগে পরীক্ষা হোক, তারপর জানাচ্ছি।’

    রক্ষীদল প্রবেশ করল কক্ষে। অঙ্গিরার সঙ্গে আনা সামগ্রী বলতে সামান্য কিছু বস্ত্র। সেই বস্ত্রর পুঁটুলি খুলে দেখল তারা। তারপর তার শয্যার তলদেশে, ঘরের আনাচেকানাচে কীসের সন্ধানে যেন অনুসন্ধান চালাতে লাগল। এমনকী জল রাখার জন্য যে মাটির জালাটা রাখা ছিল তার মুখের আচ্ছাদন তুলে ভিতর উঁকি দিয়ে দেখল তারা। এক সময় অনুসন্ধান পর্ব তাদের শেষ হল। রক্ষীপ্রধানকে তারা জানাল, ‘না তেমন কিছু পাওয়া যায়নি।’

    রক্ষীপ্রধান জয়দ্রথ এরপর অঙ্গিরার উদ্দেশ্যে বললেন, ‘আসলে মন্দিরের এক কক্ষ থেকে বহুমূল্য কিছু রত্নরাজি স্বর্ণালঙ্কার খোয়া গেছে। তারই অনুসন্ধান করতে এসেছিলাম আমি।’

    কথাটা শুনে বেশ অপমানিত বোধ করে অঙ্গিরা উত্তেজিত ভাবে বলে উঠল, ‘আমাকে আপনারা তস্কর ভেবে সন্দেহ করলেন?’

    জয়দ্রথ বললেন, ‘উত্তেজিত হবেন না। শুধু আপনি নন, এ মন্দিরে যাদের কাছে সোমেশ্বর স্বর্ণমুদ্রা আছে এবং মন্দিরের বাইরেও যাদের কাছে এই মুদ্রা আছে, তাদের সবার গৃহতেই ত্রিপুরারিদেবের নির্দেশে ওই সম্পদের খোঁজে অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। এই তো আপনার কক্ষে আসার পূর্বেই আমি সেবায়েত প্রধান বিষধারীর কক্ষে তল্লাসি চালাতে গেছিলাম। তিনিও বাদ পড়েননি।’

    অঙ্গিরা জানতে চাইল, ‘সোমেশ্বর মুদ্রার অধিকারীদেরই সন্দেহের তালিকাতে রাখা হয়েছে কেন?’

    জয়দ্রথ বললেন, ‘তবে ঘটনাটা খুলে বলি আপনাকে। নগরীর এক ধনাঢ্য নারী কিছু দিবস আগে প্রয়াত হয়েছেন। মৃত্যুর আগে তিনি তার স্বর্ণালঙ্কার ও বহুমূল্য বেশ কিছু রত্নরাজি দান করে গেছেন সোমেশ্বর মহাদেবকে। একটা থলেতে সেই দানসামগ্রী নিয়ে তার পুত্ররা সন্ধ্যারতির পর মন্দিরে হাজির হয়। মন্দিরের কোষাগারের দরজা ততক্ষণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল দৈনন্দির মূল্যবান দানসামগ্রী তার ভিতরে ঢুকিয়ে রেখে। যে খাঁজশলাকা দিয়ে কোষাগারের লৌহকপাট উন্মোচন করা হয় তাও আমি জমা রেখে এসেছিলাম পুরোহিত মল্লিকার্জুনের কাছে।

    যারা রত্ন থলিটা দিতে এসেছিল, তাদের আমি প্রথমে পরদিন অর্থাৎ আজ সকালে আসতে বলি। কিন্তু তারা জানায় তা সম্ভব নয়। গতরাত্রিতেই প্রভাসপত্তন ত্যাগ করবে তারা। সম্ভবত মামুদের হানার আতঙ্কতেই নগরী ত্যাগ করছে তারা। কাজেই বাধ্য হয়ে সেই মূল্যবান দানসামগ্রী গ্রহণ করি আমি।

    অন্ধকার নেমে গেছে তখন। পুরোহিত মল্লিকার্জুনও তখন কক্ষের দ্বার বন্ধ করে দিয়েছেন। এসব ক্ষেত্রে অন্য যে কক্ষে সম্পদ রাখা হয় আমি সে কক্ষে সম্পদ রাখি এবং সেখানে দুজন প্রহরী মোতায়েন করি। আজ সকালে আমি মল্লিকার্জুনের থেকে খাঁজশলাকা নেবার পর সেই কক্ষ থেকে রত্ন থলিটা নিয়ে মন্দিরের সম্পদ কোষে স্থানান্তর করতে যাই। কিন্তু কক্ষে সেই রত্নথলি ছিল না। প্রহরীরা জানায়, মধ্যরাতে অবগুণ্ঠনে ঢাকা এক ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হয় এবং সোমেশ্বর মুদ্রা দেখিয়ে সে কক্ষে প্রবেশ করেছিল।

    রক্ষীরা অবশ্য প্রথম অবস্থাতে তাকে কিছু জিজ্ঞেসাবাদ করেছিল। কিন্তু ভাঙা কণ্ঠস্বরে মুখমণ্ডল আবৃত সেই ব্যক্তি জানায় সে প্রধান পুরোহিতের নির্দেশে কক্ষে প্রবেশ করতে এসেছে। তা ছাড়া সোমেশ্বর মুদ্রা যার কাছে আছে সে গর্ভগৃহ আর সম্পদকোষ ব্যতীত যে কোনও স্থানে প্রবেশ করতে পারে। তাকে বাধাদান করা অপরাধ। রক্ষীরা যদি তাকে কক্ষে প্রবেশ করতে না দেয় অথবা তার কাজের কোনও বিলম্ব ঘটায় তবে কঠিন শাস্তির মুখে পড়তে হবে তাদের। অল্পবয়সি অতি সাধারণ রক্ষী দুজন ভয় পেয়ে যায় তার কথা শুনে। লোকটাকে কক্ষে প্রবেশ করতে দেয় তারা। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে কক্ষ থেকে রত্নখনি নিয়ে উধাও হয় সেই প্রতারক তস্কর।’

    অঙ্গিরা আশ্চর্য হয়ে গেল তার কথা শুনে।

    জয়দ্রথ এরপর বললেন, ‘রক্ষী দুজনকে তাদের বুদ্ধিহীনতার কারণে বরখাস্ত ও নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে। যদিও তাদের তেমন কিছু করার ছিল না। গত রাতে প্রধান পুরোহিতের কক্ষে গিয়ে তাদের পক্ষে সত্যানুসন্ধান সম্ভব ছিল না, অন্য কারো পক্ষেও ছিল না। কারণ সন্ধ্যারতি সমাপ্ত হবার পর কারো মন্দিরের সর্বোচ্চ ধাপ, গর্ভগৃহ ও তার সংলগ্ন চত্বরে ওঠার অনুমতি নেই। এবার নিশ্চই পুরো ঘটনা পরিষ্কার হল। ত্রিপুরারিদেবের নির্দেশে কেন আমরা সোমেশ্বর মুদ্রা প্রাপকদের কক্ষে অনুসন্ধান চালাচ্ছি।’

    আপনিই শেষ ব্যক্তি যার কক্ষে সেই সম্পদের সন্ধান চালানো হল। কোথাও কিছু পাওয়া গেল না। যে কাজটা করেছে সে হয়তো সেই রত্ন-অলঙ্কার অন্যত্র সরিয়ে ফেলেছে। আপনার কাছে মুদ্রাটা দেখতে চাইলাম কারণ, এমনও হতে পারে যে মুদ্রার প্রকৃত মালিক মুদ্রাটা অন্য কারোকে হস্তান্তর করে তার মাধ্যমেই তস্কর কার্য সম্পাদন করেছে।

    কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হল, মুদ্রাটা তার প্রাপকরা সবাই দেখিয়েছে আমাকে। তবে কি চুরিটা তারা কেউ করেনি? রত্ন থলিও কারো কাছে পাওয়া গেল না আবার সবার কাছেই নিজ নিজ মুদ্রা আছে! যদি না এমন কিছু হয় যে ওই চৌর্য কার্যের জন্য মুদ্রাটা যাকে দেওয়া হয়েছিল সে কার্য সম্পন্ন করার পর রত্নথলি অন্যত্র লুকিয়ে মুদ্রাটা আবার তার আসল মালিকের কাছে ফেরত দিয়ে গেছে।’

    অঙ্গিরা, রক্ষীপ্রধানের এই শেষ কথাটা শুনে ভিতরে ভিতরে চমকে উঠল।

    কার্য সম্পাদন করে ফিরে গেলেন রক্ষী প্রধান। কিন্তু তার বলে যাওয়া শেষ কথাগুলো অন্য এক ভাবনা, আশঙ্কার জন্ম দিল অঙ্গিরার মনে। এমন হয়নি তো খগেশ্বর লোভের বশবর্তী হয়ে ওই রত্নালঙ্কার হরণ করেছে? হয়তো পুরো ব্যাপারটা আগাম জানা ছিল, অনুমান করা ছিল খগেশ্বরের। সে জানত যে অন্ধকার নামার পর সে সম্পদ দিতে আসা হবে, এবং তা রাখা হবে তোষাগৃহর পরিবর্তে অপেক্ষাকৃত কম নিরাপত্তাবলয়ে আবৃত কোনও কক্ষে? ভাবতে লাগল অঙ্গিরা।

    কিছু সময়ের মধ্যেই অন্ধকার নামল। সন্ধ্যারতির ঘণ্টাধ্বনিও শুরু হল। আর তার সঙ্গে-সঙ্গেই অঙ্গিরার মনে পড়তে লাগল রাজশ্রী—দেবদাসী সমর্পিতার কথা। তার ভাবনা আচ্ছন্ন করে ফেলল অঙ্গিরার মনকে। সে ভাবতে লাগল কখন মধ্যরাত্রি আসবে, সে সাক্ষাৎ করতে যাবে তার সঙ্গে, দেবদাসী সমর্পিতার ওষ্ঠে স্থাপন করবে তার ওষ্ঠ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article ভয় ভয়ঙ্কর – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }