Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সোমনাথ সুন্দরী – ২২

    ২২

    ভোর হল অন্য এক স্থানেও। যে পথ বেয়ে সোমনাথ মন্দিরের সন্ধানে দ্রুত এগোচ্ছে সুলতান মামুদের কাফেলা। সঙ্গে তাদের পথ প্রদর্শক কাসেম নেই। তাই কিছুটা অনুমানের ভিত্তিতেই পথ চলছে সেই বিশাল বাহিনী। মাধেরা মন্দিরের কুণ্ড থেকে তারা পর্যাপ্ত জল খাইয়ে নিয়েছে উষ্ট্র বাহিনীকে। তাই প্রাণীগুলো দিন রাত ক্লান্তিহীন ভাবে ছুটে চলেছে। শুধু সওয়ারীদের বিশ্রামের প্রয়োজনে মাঝেমধ্যে থামানো হচ্ছে সেই জিহাদি বাহিনীকে। তবে কোথাও শিবির স্থাপন করা হচ্ছে না। কোনওক্রমে রন্ধন আহারকার্য সমাপ্ত করেই এগোচ্ছে তারা।

    সুলতানের অনুমান হয়তো বা মাঝরাতে কাফেরদের পরাজয়ের সংবাদ তাদের আগেই পৌঁছে যাবে ওই সোমনাথ মন্দিরে। সে সংবাদ পেয়ে কাফেরগুলো যাতে মন্দিরের ধনসম্পদ নিয়ে পালাতে না পারে তাই যত দ্রুত সম্ভব সেখানে পৌঁছোনো দরকার। তাই ছোটার বিরাম নেই। এদিন সূর্যোদয়ের পর মামুদ হিসাব করে দেখলেন গজনী থেকে যাত্রা শুরু করার পর এটা আটত্রিশতম দিন!

    আলো ফোটার বেশ কিছু সময় পর চলয়মান বাহিনী তাদের যাত্রা পথের পাশে একটা বনভূমি দেখতে পেল। সারারাত ধরে উটের পিঠে চলেছে জিহাদি স্বেচ্ছাসেবকরা। মামুদ নির্দেশ দিলেন সেই বনভূমির পাশে কিছু সময় যাত্রা স্থগিত করার জন্য। সেই মতো থামল বাহিনী। নিজের উটের পিঠ থেকে অবতরণ করলেন সুলতান। তাঁর বিশ্রামের জন্য একটা শামিয়ানা টাঙিয়ে গালিচা বিছিয়ে দিল তার অনুচররা। সুলতান সেখানে উপবেশন করলেন। বাহিনীর লোকজন খাদ্য প্রস্তুত ইত্যাদি নানা কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ল।

    হঠাৎ কাফেলার অগ্রবর্তী বাহিনীর লোকরা দেখতে পেল কিছুটা দূরে অরণ্যের একপাশ থেকে আত্মপ্রকাশ করে অন্যদিকে পালাবার চেষ্টা করছে এক অশ্বারোহী! এমন দৃশ্য মাঝে মাঝেই তাদের চোখে পড়ে। তাদের দেখে আতঙ্কে ছুটে পালাচ্ছে কেউ। এ দৃশ্য তাদের মধ্যে বেশ কৌতুক প্রদান করে। কিন্তু হঠাৎ তারা খেয়াল করল অশ্বারোহীর সঙ্গে ঘোটকপৃষ্ঠে একজন নারীও আছে। আর এ ব্যাপারটাই বিশেষ ভাবে প্রলুব্ধ করল স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর যুবকদের। তাদের কয়েকজন ঘোড়া ছুটিয়ে দিল পলায়মান ঘোড়সওয়ারকে লক্ষ করে। দ্রুতগামী তুর্কী ঘোড়াগুলো ধরে ফেলল তাদেরকে।

    চাঁদোয়ার নীচে বসে গজনীর সুলতান তখন শুকনো খেজুর আর দ্রাক্ষা ফল দিয়ে আহার সাঙ্গ করছিলেন। এমন সময় এক প্রবীণ যোদ্ধা ও কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক তার সামনে হাজির করল দুজনকে। তাদের দুজনের একজন মুণ্ডিত মস্তক পুরুষ, অন্যজন এক অপরূপ সুন্দরী নারী। দুজনেই আতঙ্কে কাঁপছে।’

    মামুদ তাদের দিকে একবার দৃষ্টি নিক্ষেপ করে জানতে চাইল, ‘এরা কারা?’

    যোদ্ধা জবাব দিল, ‘এরা জঙ্গলে আত্মগোপন করেছিল। এগুলো এই কাফেরদের কাছে পাওয়া গেছে।’—এই বলে লোকটা একটা থলে উপুড় করে দিল সুলতানের পায়ের কাছে। সূর্যের আলোতে ঝলমল করে উঠল বেশ কয়েকটা হীরকখণ্ড। তা দেখে মৃদু বিস্মিত হলেন সুলতান। তবে সেই হীরখণ্ডের সঙ্গে তার পদতলে পড়ে থাকা অন্য একটা জিনিস দৃষ্টি আকর্ষণ করল সুলতানের। জিনিসটা ঘুরিয়ে দেখলেন তিনি। বেশ বড় একটা স্বর্ণমুদ্রা। তার একপাশে খোদিত একটা মন্দিরের ছবি, আর অন্য পাশে খোদিত আছে স্বাক্ষর।

    সুলতান শুভ্রবসন মুণ্ডিত মস্তক কাফেরের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করলেন, ‘এ কার মুদ্রা?’

    নিশ্চুপ রইল লোকটা।

    সুলতান জবাব না পেয়ে ক্ষুব্ধ ভাবে বললেন, ‘জবাব দে কাফের?’ এই বলে তিনি হাত রাখলেন তার পাশে শোয়ানো তলোয়ারের ওপর। আর তা দেখেই সেই কাফেরের সঙ্গিনী আতঙ্কে বলে উঠল, ‘সোমনাথ মন্দিরের।’

    ‘সোমনাথ মন্দির!’ কথাটা শুনে মুহূর্তের মধ্যে সোজা হয়ে বসলেন সুলতান। মুদ্রায় খোদিত মন্দিরের ছবিটা আর একবার দেখে নিয়ে তিনি জানতে চাইলেন, ‘এ মুদ্রা তোরা কোথায় পেলি? কোথা থেকে আসছিস তোরা?’

    কাফেরটা এবার নতজানু হয়ে বসে হাতজোড় করে বলল, ‘এই হীরকখণ্ড, মুদ্রা সবই আপনি নিয়ে নিন সেনাপতি। আমরা সোমনাথ মন্দিরের বাসিন্দা। মন্দির থেকে পালাচ্ছিলাম। আমাদের যেতে দিন।’

    এই যবন নারী-পুরুষ সোমনাথ মন্দিরের বাসিন্দা! মৃদু বিস্মিত ভাবে সুলতান জানতে চাইলেন, ‘চুরি করে পালাচ্ছিলি? পালাচ্ছিলি কেন?’

    কাফের জবাব দিল, ‘হ্যাঁ, সুলতান মামুদের আতঙ্কে।’

    গজনীবিদ এবার অট্টহাস্য করে বলে উঠল, ‘আমি কে জানিস? আমি গজনীর মালিক সুলতান মামুদ।’

    কথাটা শুনেই যেন প্রবল বিস্ময় আর আতঙ্কে বাকরুদ্ধ হয়ে গেল সোমনাথ মন্দিরের সেবায়েত প্রধান বিষধারী। দেবদাসী-প্রধান তিলোত্তমাও কাঁপতে কাঁপতে নতজানু হয়ে বসে পড়ল তার পাশে।

    আবার গম্ভীর হয়ে গেলেন গজনীবিদ। তারপর হীরকখণ্ডগুলোর দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘এমন হিরে, সোনা সেখানে প্রচুর আছে তাই না?’

    বিষধারী বলল, ‘হ্যাঁ, প্রচুর। এ শুধু কণামাত্র। আমাদের আপনি মুক্তি দিন।’

    মামুদ জানতে চাইলেন ‘সেখানে কত সৈন্য আছে?’

    বিষধারী জবাব দিল, ‘সৈন্য নেই। মন্দির রক্ষী আর দ্বার রক্ষীর মিলিত সংখ্যা একশত মতো। আর এক সহস্র মতো নারী-পুরুষ মন্দিরবাসী আছে। দোহাই আমাদের মুক্তি দিন।’

    সুলতান কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, ‘তোকে আমি এক শর্তে মুক্তি দেব। তুই আমাকে পথ দেখিয়ে সোমনাথ মন্দিরে নিয়ে যাবি?’

    সুলতানের কথা শুনে নিশ্চুপ হয়ে গেল বিষধারী। মন্দিরের রত্ন আর দেবদাসীকে হরণ করে সে পালিয়েছে ঠিকই, কিন্তু এই ভয়ঙ্কর যবন সুলতানকে পথ দেখিয়ে সেখানে নিয়ে গেলে কি পরিণাম হবে তা তাঁর অনুমান করতে বাকি নেই। হাজার হোক মন্দিরের প্রধান সেবায়েত রূপে এতদিন সে কাজ করেছে। সোমনাথের সেবা করেছে।

    তাকে স্তব্ধ থাকতে দেখে সুলতান ত্রু্ুদ্ধ ভাবে বলে উঠলেন, ‘জবাব দে। সময় নষ্ট করিস না। নইলে এখনই তোকে বধ করব। আর তোর সুন্দরী জেনেনাটাকে তুলে দেব যারা দাঁড়িয়ে আছে তাদের হাতে। এমন সুন্দরী জেনেনা ওরা অনেকদিন পায়নি।’

    দেবদাসী তিলোত্তমা দেখতে পেল আশেপাশে দাঁড়িয়ে থাকা যবন যুবকরা তাদের হলদেটে দাঁত বার করে নিঃশব্দে হাসছে তার দিকে তাকিয়ে। শ্বাপদের হাসি! সুলতান নির্দেশ দিলেই তারা ঝাঁপিয়ে পড়বে তার ওপর! এ দৃশ্য আর সহ্য করতে না পেরে মূর্ছিত হয়ে ঢলে পড়ল দেবদাসী তিলোত্তমা। আর প্রেয়সীর সেই দৃশ্য দেখে তার ভয়ঙ্কর পরিণতির কথা ভেবে প্রবল আতঙ্কিত সেবায়েত প্রধান সুলতানের উদ্দেশ্যে বলে উঠল, ‘আমি আপনাকে সোমনাথ মন্দিরে নিয়ে যাব। দয়া করে এই নারীকে হত্যা করবেন না।’

    বিষধারীর কথা শুনে হাসি ফুটে উঠল সুলতানের ঠোঁটের কোণে। তিনি বললেন, ‘এই জেনেনাকে হাত-পা বেঁধে উটের গলা থেকে ঝুলিয়ে দেওয়া হবে। খাদ্য-পানীয় পাবে না। ওর জীবন-মৃত্যু নির্ভর করছে কত দ্রুত তুই আমাকে সে মন্দিরে পৌঁছে দিতে পারিস তার ওপর।’

    কথাটা শুনে তাঁর এ সিদ্ধান্ত রদ করার জন্য তাঁর পা জড়িয়ে ধরতে যাচ্ছিল বিষধারী। কিন্তু একজন তার শিখাগুচ্ছ ধরে টান দিয়ে সুলতানের পাদস্পর্শ করতে দিল না।

    হুকুম দিয়ে উঠে দাঁড়ালেন সুলতান। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর নির্দেশ পালিত হল। মূর্ছিত হতভাগ্য দেবদাসী তিলোত্তমাকে দড়ি বেঁধে ঝুলিয়ে দেওয়া হল একটা উটের গলাতে। বিষধারীকেও তুলে দেওয়া হল সওয়ারী সমেত আর এক উটের পিঠে। যাত্রা করার মুহূর্তে সোমনাথ মন্দিরের সেবায়েত প্রধান মনে মনে বলল, ‘হে সোমেশ্বর মহাদেব। আমার এ মহাপাপ ক্ষমা করো তুমি। আমি নিরুপায়।’

    বিষধারীর দেখানো পথ বেয়ে সোমনাথ নগরীর দিকে ছুটে চলল সুলতান মামুদের যবন বাহিনী।

    ছুটছিল আরও একজন তার ঘোড়ার পিঠে। সে কাসেম। তিরটা কোনওক্রমে পিঠ থেকে খসিয়ে ফেলেছে সে। পথে একটা জনশূন্য গ্রাম পড়েছিল দুদিন আগে। সুলতান হানার ভয়ে সে গ্রামের বাসিন্দারা পালিয়েছে অন্যত্র। সৌভাগ্যক্রমে সেখানে তাদের ফেলে রাখা ঘোড়া পেয়েছিল কাসেম। ঘোড়া বদল করে আবারও ছুটেছে সে। কিন্তু ক্রমে ক্লান্তিতে অবসন্ন হয়ে আসছে তার শরীর। ঘোড়াটাও যেন অবসন্ন হয়ে পড়েছে। তাছাড়া আরও এক সন্দেহ ক্রমশ প্রবল হয়ে উঠছে তার মনে। অন্ধকারের মধ্যে তিনদিন ঘোড়া ছোটাবার সময় রাত্রির অন্ধকারে দিক ভুল করেছে সে। নইলে গত কালই ভোরে তো তার সোমনাথ নগরীতে পৌঁছে যাবার কথা ছিল। কিন্তু গতকাল সারাটা দিন, তারপর রাত পেরিয়ে আজ এত বেলা হয়ে গেল তবু সোমনাথ মন্দিরের স্বর্ণচূড়া চোখে পড়ল না।

    বহু যোজন দূর থেকে আকাশের গায়ে দিনের আলোতেও উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো তাকে চোখে পড়ে। আর এ ব্যাপারটাই আরও অবসন্ন করে তুলেছে কাসেমকে। সে মনে মনে বলছে, ‘হে দেবতা পথের দিশা দেখাও, কিন্তু সে দিশা মিলছে না। কোনওক্রমে এগোতে থাকল কাসেম। দ্বিপ্রহর অতিক্রান্ত হল। তারপর ঘোড়াটাও ধুঁকতে শুরু করল।

    বিকাল নাগাদ হঠাৎই পথের পাশে অন্য একটি মন্দিরের ধ্বজা দেখতে পেয়ে সেদিকে ঘোড়া নিয়ে এগোল সে। সেই মন্দিরের সামনে পৌঁছেই মুখ থুবড়ে পড়ে গেল ঘোড়া। কাসেমও ছিটকে পড়ল মাটিতে। কোনওক্রমে উঠে বসে মন্দিরটার দিকে তাকাল সে। জনশূন্য মন্দির। সুলতানের ভয়ে মন্দিরবাসীরাও পালিয়েছে সম্ভবত। কিন্তু মন্দিরটা দেখে চিনতে পারল কাসেম। এ মন্দিরে ইতিপূর্বে সে একবার এসেছিল মুক্তমালা বিক্রির জন্য। বিষ্ণুদেবতার মন্দির। আর তার সঙ্গে সঙ্গে কাসেম এটাও বুঝতে পারল সে পথ ভুল করেছে। প্রথম দু-দিন ঠিক পথেই এগিয়ে ছিল সে। তারপর পথ ভুল করে পশ্চিমের বদলে পূর্ব দিকে চলে এসেছে। ঘোড়ার পিঠে আবার সোমনাথ নগরীতে পৌঁছতে অন্তত তিনদিন লাগবে আর পদব্রজে সাত দিন। কিন্তু কাসেমের ঘোড়াটা মৃত। তবে কি শেষ রক্ষা হল না?

    কাসেম বলে উঠল, ‘হে দেবতা, তুমি কি আমার পাপ ক্ষমা করবে না!’ তার পরই হঠাৎ একদল সশস্ত্র অশ্বারোহী মন্দিরের ভিতর থেকে ছুটে বেরিয়ে এসে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরল ভূপতিত কাসেমকে। কাসেমের পরনে যবনদের পোশাক দেখে তারা সুলতান বাহিনীর গুপ্তচর ভেবে তার দিকে বর্শা উদ্যত করল সৈনিকরা। তারা ভোজরাজের সৈনিক। মহারাজ ভোজ কিছু অশ্বারোহী সৈনিককে আগে পাঠিয়েছেন তার বিশাল হস্তিবাহিনীর পথ নির্ণয়ের জন্য। তিনদিনের দূরত্বে তিনি তার বিশাল হস্তিবাহিনী সমৃদ্ধ সেনাদল নিয়ে আসছেন সুলতান বাহিনীকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য। হস্তিবাহিনীকে কর্দমাক্ত জমি, ফসলের খেত এসব এড়িয়ে চলতে হয়। সে জন্য উপযুক্ত পথের খোঁজে অগ্রবর্তী অশ্বারোহী দলের প্রয়োজন হয়। সৈনিকরা তার দিকে বর্শা নিক্ষেপ করতে উদ্যত হয়েছে দেখে কাসেম কাতর কণ্ঠে বলল, ‘তোমারা আমাকে বধ করার আগে আমার কথা শোনো। তোমরা কারা?’

    একজন সৈনিক বলল, ‘তুই কে? আমরা ভোজরাজ পরমদেওর সৈনিক।’

    কাসেম বলল, ‘আমি কাসেম। পূর্বনাম ছিল কৃষ্ণ। সুলতান মামুদ আমাকে ক্রীতদাস করে গজনীতে নিয়ে গেছিলেন। তার সঙ্গেই আমি আবার এদেশে এসেছি। কিন্তু আমি তার শিবির থেকে পালিয়েছি। মাধেরা সূর্য মন্দির ধ্বংস করেছেন সুলতান। এবার তিনি সোমনাথ মন্দির ধ্বংস করতে আসছেন। সে খবর আমি তাদের দিতে যাচ্ছিলাম।’

    একজন কথাগুলো শুনে প্রশ্ন করল, ‘তুমি যে সত্যি বলছ তার প্রমাণ কি?’

    কাসেম বলল, ‘দেখো আমার পিঠে তিরের ক্ষতচিহ্ন। সোমেশ্বর মহাদেব জানেন আমি মিথ্যা বলছি না।’ এরপর আর কোনও কথা বলতে পারল না সে। প্রবল ক্লান্তিতে মূর্ছিত হয়ে পড়ল কাসেম। সৈনিকরা নেমে পরীক্ষা করল তার ক্ষতচিহ্নটা। লোকটা মিথ্যা বলছে না। তারা শুশ্রুষা শুরু করল কাসেমের। কিছুক্ষণের মধ্যে চোখ মেলল কাসেম। কিছুটা সুস্থ হবার পর সে বলল, ‘আমাকে তোমরা সোমনাথ মন্দিরে নিয়ে চলো।’

    অশ্বারোহী বাহিনীর প্রধান বলল, ‘মহারাজ এখানে না উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত আমরা সেদিকে এগোবনা। আমি তোমাকে মহারাজের কাছে পাঠাচ্ছি।’

    কাসেম বলল, ‘তবে তাই করো।’ সময় নষ্ট কোরো না। তাকে অনেক সংবাদ জানাবার আছে সুলতান বাহিনীর সম্বন্ধে।

    অশ্বারোহী প্রধানের নির্দেশে কয়েকজন ঘোড়সওয়ার কাসেমকে একটা ঘোড়ার পিঠে চাপিয়ে রওনা হয়ে গেল হিন্দু সম্রাট রাজাভোজ পরমদেও যে পথে আসছেন সেদিকে। সূর্য ডুবে গেল।

    সূর্য ডুবল সোমনাথ নগরীর বুকেও। অন্ধকার নামল সোমনাথ মন্দিরে। সারাদিন নিজের কক্ষেই কাটিয়েছে অঙ্গিরা। সোমেশ্বর মুদ্রাটা তার কাছে না থাকায় মন্দিরের বাইরে বেরিয়ে সমুদ্রতটে গিয়ে খগেশ্বরের সঙ্গে তার সাক্ষাতের উপায় ছিল না। কিন্তু অঙ্গিরা যে সেই মুদ্রা দেবদাসী সমর্পিতাকে দিয়ে এসেছে এবং সমগ্র পরিকল্পনা তাকে জানিয়েছে, সে ব্যাপারটা সম্বন্ধে ক্ষৌরকার শিরোমণিকে অবগত করা প্রয়োজন।

    অঙ্গিরা ভেবে রেখেছিল অন্ধকার নামার পরই এদিন সে বেরিয়ে পড়বে। প্রথমে সে যাবে সেই চন্দ্রমন্দিরে। সেখানে খগেশ্বরের সঙ্গে কথা বলে, সেই মৃত্যুপথযাত্রীর বর্তমান অবস্থা জানার পর রাত একটু গভীর হলে রওনা হবে দেবদাসী সমর্পিতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য। অঙ্গিরা তার সেই পরিকল্পনা মতো মন্দিরের শেষ আরতি ঘণ্টার শব্দ বেজে ওঠার কিছু সময়ের মধ্যেই অতিথিশালা ত্যাগ করল।

    সন্ধ্যারতি শেষ করে দেবদাসীরা ফিরে যাবার পরই অঙ্গিরা দেখতে পেল মন্দিরের প্রবেশচত্বর শূন্য হয়ে গেছে। অন্ধকারের সঙ্গে-সঙ্গে গাঢ় কুয়াশাও নামতে শুরু করেছে। তার মধ্যে নিজেকে লুকিয়ে অঙ্গিরা এগিয়ে চলল।

    সেই প্রাচীন চন্দ্রমন্দিরের সামনে পৌঁছেই অঙ্গিরা দেখতে পেল মন্দিরের প্রবেশ পথে বৃদ্ধ খগেশ্বর দাঁড়িয়ে আছে। তার হাতে ধরা আছে একটা থলে। তার মুখমণ্ডলের বিষণ্ণতা যেন একটু গাঢ়।

    অঙ্গিরা তার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করল, ‘তিনি কেমন আছেন?’

    বৃদ্ধ তার কথার জবাবে ইশারাতে মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করতে বলল তাকে। এদিন আর খগেশ্বর প্রদীপ জ্বালাল না। অন্ধকারে তার পিছনে হাঁটতে হাঁটতে দেবদাসী সমর্পিতার সঙ্গে তার সাক্ষাতের কথা বলল অঙ্গিরা। ক্ষৌরকার শিরোমণি চুপচাপ শুনে গেল তার কথা। নির্দিষ্ট সেই কক্ষের সামনে উপস্থিত হতেই একটা অদ্ভুত গন্ধ নাকে এসে লাগল অঙ্গিরার।

    বৃদ্ধ তাকে নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করল। প্রদীপ জ্বলছে কক্ষে। সেই আলোতে অঙ্গিরা দেখতে পেল মাটিতে শুয়ে আছে অন্ধকারের প্রহরীর নিথর দেহ। তার মুখের মধ্যে পোড়া আছে একটা জ্বলন্ত কাঠকয়লা। মাংস পোড়ার গন্ধ ছড়াচ্ছে তার থেকে! এক বীভৎস করুণ দৃশ্য! বৃদ্ধ খগেশ্বর অঙ্গিরার উদ্দেশ্যে প্রথমে বলল ‘কিছু সময় আগেই সব শেষ হয়ে গেছে! একজন শূদ্র যে তার অন্তেষ্টির জন্য জ্বলন্ত কাঠ কয়লার টুকরোটা পেল এটাই তার পক্ষে যথেষ্ট।’

    এ কথা বলার পর বৃদ্ধ প্রচণ্ড ক্ষোভের সঙ্গে বলল, ‘এসব কিছুর জন্য দায়ী ত্রিপুরারিদেব। আমি তাঁকে এমন আঘাত দেব যা সুলতান মামুদও দিতে পারবে না। তার পাপেই নিঃস্ব হতে চলেছে এ মন্দির।’

    অঙ্গিরা নিশ্চুপ ভাবে দাঁড়িয়ে রইল তার কথা শুনে। অঙ্গিরারও মনে হল এসব কিছুর মূলেই রয়েছেন ত্রিপুরারিদেব। তাঁর নির্দেশেই তো পরিচালিত হয় সোমেশ্বর মহাদেব মন্দির।

    বৃদ্ধ হয়তো এরপর বুঝতে পারল জ্বলন্ত কাঠ কয়লা মুখে পোরা মৃতদেহটা অঙ্গিরার কাছে অসহ্য মনে হচ্ছে। তাই সে তাকে বলল, ‘সত্যিই আমি মুক্ত করব সেই দেবদাসীকে। তুমি চিন্তা কোরো না। আমার এই পুঁটুলিতে পুরুষের পোশাক আছে। তোমার সামনে যে দেহটা পুড়ছে তাকে বাইরে বের করে নিয়ে যাবার জন্যই ক’দিন আগে এ পোশাক এনেছিলাম। সে কাজ তো আর হল না। আমার আর কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে এখানে। যতক্ষণ না ওই অঙ্গারের আগুন নিভে যায়। তারপর পাথর খণ্ড সাজিয়ে কক্ষের প্রবেশ মুখটাও বন্ধ করতে হবে যাতে কোনও প্রাণী মৃতদেহর সন্ধান না পায় সেজন্য। ততক্ষণ তুমি বাইরে প্রতীক্ষা করো।’

    অঙ্গিরা বাইরে এসে প্রতীক্ষা করতে লাগল। বেশ অনেকটা সময় পর কক্ষত্যাগ করল খগেশ্বর। বৃদ্ধের ক্লেশ লাঘবের জন্য অঙ্গিরা নিজেই আশেপাশে পড়ে থাকা পাথরখণ্ড তুলে এনে কক্ষের প্রবেশ মুখ বন্ধ করতে লাগল। একসময় সাঙ্গ হল তার কাজ। কক্ষর দিকে শেষ একবার দৃষ্টিপাত করে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে হতভাগ্য বৃদ্ধ বলল ‘এ মন্দির আর ওকে মুক্তি দিল না। সোমেশ্বর মহাদেব যেন তোমাদের অন্তত মুক্তি দেন।’

    মন্দিরের বাইরে বেরিয়ে এল তারা দুজন। নিশ্চুপ ভাবে কুয়াশার মধ্যে দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে একসময় দুজনে পৌঁছে গেল দেবদাসীদের আবাসস্থলের কাছে। খগেশ্বর অঙ্গিরাকে বলল, ‘এক সঙ্গে দুজনের ভিতরে প্রবেশ করা উচিত হবে না। তুমি বরং বাইরে দাঁড়িয়ে চারদিকে দৃষ্টি রাখো। কেউ উপস্থিত হলেই চত্বরের ভিতর একটা প্রস্তরখণ্ড নিক্ষেপ করে আমাকে সংকেত করবে।

    অঙ্গিরা বলল, ‘বেশ তাই হোক।’

    বৃদ্ধ খগেশ্বর প্রবেশ করল দেবদাসীদের আবাসস্থলে। বাইরে অন্ধকারের মধ্যে প্রতীক্ষা করতে লাগল অঙ্গিরা। প্রচণ্ড উত্তেজনা বোধ হতে লাগল তার। শেষ পর্যন্ত দ্বার রক্ষীদের কাছে দেবদাসী সমর্পিতা ধরা পড়ে যাবে না তো। রাত বেড়ে চলল। আর তার সঙ্গে উত্তেজনাও বেড়ে চলল অঙ্গিরার মনে।

    মধ্যরাত্রিরও পরে দেবদাসী সমর্পিতাকে নিয়ে বাইরে বেরিয়ে এল খগেশ্বর। চর্ম পাদুকা আর পুরুষের সাজে সজ্জিতা সমর্পিতার মুখমণ্ডলও কৃষ্ণবর্ণের বস্ত্রখণ্ডে আচ্ছাদিত। সেখানে দাঁড়িয়ে কোনও কথোপকথন সমীচিন হবে না বলে খগেশ্বর ইশারাতে অনুসরণ করতে বলল তাকে।

    দেবদাসী সমর্পিতাকে নিয়ে এগিয়ে খগেশ্বর থামল সেই প্রাচীন চন্দ্রদেবতার মন্দিরের সামনে। অঙ্গিরা তাদের সঙ্গে মিলিত হল। অবগুণ্ঠন সরাল দেবদাসী সমর্পিতা। অঙ্গিরা দেখল শুধু পুরুষের পোশাকই নয়, পাটের সুতো আর প্রদীপের কাজল দিয়ে দেবদাসীর শশ্রু-গুম্ফও রচনা করে দিয়েছে খগেশ্বর!

    নরসুন্দর শিরোমণি খগেশ্বর বলল, ‘এ মন্দির থেকে বাইরে বেরিয়ে প্রথমে কোথায় আত্মগোপন করতে হবে তা আমি রাজকুমারীকে বলে দিয়েছি। সোনার শিকল বেজে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে মন্দিরে যারা বাইরে থেকে কার্য সম্পাদনের জন্য প্রতিদিন প্রবেশ করে, তাদের জন্য তোরণ উন্মুক্ত করা হয়। তখন আমি বাইরে বেরোব। তাতে রক্ষীদের সন্দেহ কম হবে। বাইরে বেরিয়ে আমি রাজকুমারীর সঙ্গে মিলিত হয়ে মন্ত্রী চন্দ্রদেবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সোমনাথ নগরী ত্যাগ করে দূরবর্তী স্থানে তাদের ছেড়ে আসব। আমি মন্দিরে ফিরব একদিন বাদে। সোমেশ্বর মুদ্রা নিয়ে তারপর তুমি মন্দির ত্যাগ করবে।’

    একথা বলার পর ক্ষৌরকার প্রধান বলল, ‘আমার সামান্য একটা কাজ বাকি আছে। আপনাদের দুজনের কোনও কথা যদি থাকে তবে তা সেরে নিন। আমি আমার কাজ সেরে এখনই আসছি।’ এ কথা বলে সে অন্তর্হিত হল ভগ্ন মন্দিরের অন্ধকারে।

    কিছুক্ষণ তারা পরস্পরের দিকে তাকিয়ে থাকার পর অঙ্গিরা বলল, ‘আর কিছু সময়ের মধ্যেই হয়তো তোমার দেবদাসী সমর্পিতার পরিচয় মুছে যেতে চলেছে। তুমি তখন চালুক্য রাজকন্যা রাজশ্রী। ভবিষ্যতের চালুক্য সাম্রাজ্ঞী রাজশ্রী।’

    অঙ্গিরার কথা শুনে সোমনাথ মন্দিরের দেবদাসী সমর্পিতা বলল, ‘আমি দেবদাসী হই বা সাম্রাজ্ঞী, আমি তোমার ভালোবাসা। সত্যি কথা বলতে কি, এই বিদায় বেলাতে আমার যেন মনে হচ্ছে যে, মন্দির থেকে আমি মুক্তি লাভ করতে চেয়েছি প্রতি মুহূর্তে, তাকেও যেন আমি নিজের অজান্তেই ভালোবেসে ফেলেছি। এ মন্দিরের স্মৃতিচিহ্ন হিসাবে ঘুঙুর ছড়াগুলোকে আমি পোশাকের মধ্যে লুকিয়ে নিয়েছি। আমি অপেক্ষা করে থাকব তোমার জন্য। খগেশ্বর ফিরে এসে তোমার হাতে সোমনাথ মুদ্রাটা দিলেই তুমি মন্দির ত্যাগ করে আমার সঙ্গে মিলিত হবে।’

    অঙ্গিরা বলল, ‘ধরো আমি মন্দির ত্যাগ করতে পারলাম না। তোমার সঙ্গে এটাই যদি আমার শেষ দেখা হয়?’

    কথাটা শুনেই দেবদাসী সমর্পিতা অঙ্গিরার মুখে হাত চাপা দিয়ে বলল, ‘এমন অশুভ কথা বোলো না তুমি। তুমি নিশ্চয়ই আমার সঙ্গে মিলিত হবে। তোমার প্রতীক্ষায় থাকব আমি। তোমাকে না নিয়ে আমি চালুক্য নগরীতে ফিরব না।’

    কথাগুলো বলে সজল চোখে সে তাকিয়ে রইল অঙ্গিরার দিকে। সে মুখের দিকে তাকিয়ে অঙ্গিরার মনে হল এ মুখ কোনও দেবদাসীর নয়, এ মুখ কোনও রাজকন্যার নয়, এ মুখ সেই আদি অকৃত্রিম নারীর মুখ! যে মুখ সৃষ্টির জন্মলগ্ন থেকে পরিচয়হীন ভাবে নিজের সর্বস্ব উজাড় করে ভালোবেসে এসেছে তার পুরুষকে। সে মুখের দিকে চেয়ে রইল অঙ্গিরা।

    সামান্য কিছু সময়ের মধ্যেই মন্দির থেকে বেরিয়ে এল খগেশ্বর। সে বলল, ‘এবার রাজকুমারীকে তোরণের দিকে যেতে হবে।’ অঙ্গিরা আর দেবদাসী সমর্পিতা শেষবারের মতো ওষ্ঠ চুম্বন করল গভীর ভালোবাসার আবেশে। যার সাক্ষী হয়ে রইল প্রাচীন বৃদ্ধ খগেশ্বর আর সোমনাথ মন্দির।

    বস্তুার ভিতর থেকে সোমেশ্বর মুদ্রাটা বার করে প্রবেশ তোরণের দিকে রওনা হল দেবদাসী সমর্পিতা। অন্ধকারে কিছুটা তফাতে তাকে অনুসরণ করল অঙ্গিরা আর বৃদ্ধ খগেশ্বর।

    দেবদাসী সমর্পিতা তোরণের কাছে পৌঁছে যেতেই থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল তারা দুজন। কয়েকটা মশাল জ্বলছে তোরণে। অঙ্গিরারা দূর থেকে দেখতে পেল পুরুষবেশি দেবদাসী সমর্পিতাকে রক্ষীরা ঘিরে দাঁড়িয়েছে তার পরিচয় অনুসন্ধানের জন্য। তা দেখে অঙ্গিরা মনে মনে বলল, ‘হে সোমেশ্বর মহাদেব তুমি রক্ষা করো আমার ভালোবাসাকে।’

    সোমেশ্বর মহাদেব হয়তো শুনলেন অঙ্গিরার প্রার্থনা। তোরণ উন্মোচনের অস্পষ্ট শব্দ শোনা গেল। অঙ্গিরা দেখতে পেল তোরণের ফাঁক গলে ত্রিপুরারিদেবকে ফাঁকি দিয়ে সোমনাথ মন্দির ত্যাগ করে অদৃশ্য হয়ে গেল দেবদাসী সমর্পিতা।

    বৃদ্ধ খগেশ্বর এরপর অঙ্গিরাকে বলল, ‘তোমার দুশ্চিন্তার আর কোনও কারণ নেই। নগরীর বাইরে নিরাপদ স্থানে রাজকন্যা রাজশ্রী আর চালুক্য মহামন্ত্রীকে রেখে একদিন বাদেই মন্দিরে ফিরে আসব। তুমি এবার অতিথিশালাতে ফিরে যাও।’

    অঙ্গিরা বৃদ্ধর হাত দুটো ধরে বলল, ‘আপনার কথা, আজকের এই রাত্রির কথা আমি কোনওদিন ভুলব না।’

    অঙ্গিরা রওনা হল অতিথিশালার দিকে। আর বৃদ্ধ খগেশ্বর রয়ে গেলেন কাছেই এক স্থানে। স্বর্ণশৃঙ্খল বেজে উঠলেই তাকে বেরিয়ে পড়তে হবে এ মন্দির ত্যাগ করে।

    নিজের কক্ষে ফিরে গেলেও ঘুম এল না অঙ্গিরার। বাইরে রাত শেষ হয়ে শুকতারা ফুটল এক সময়। অঙ্গিরা শুনতে পেল মন্দিরবাসীর নিদ্রাভঙ্গ করার জন্য ঝমঝম শব্দে স্বর্ণ শৃঙ্খল বাজাচ্ছেন প্রধান পুরোহিত ত্রিপুরারিদেব। খগেশ্বর নিশ্চয়ই মন্দির ত্যাগ করে রওনা হবে এখন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article ভয় ভয়ঙ্কর – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }