Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সোমনাথ সুন্দরী – ২৫

    ২৫

    সূর্যোদয় হল সোমনাথ নগরীতে। উষ্ট্রপৃষ্ঠে বসে থাকা গজনীর সুলতান মামুদ নগরীতে প্রবেশ করার আগেই দূর থেকে দেখতে পেলেন সোমনাথ মন্দিরের স্বর্ণধ্বজ। সুলতান হিসাব করে দেখলেন গজনী মুলুক থেকে সোমনাথ নগরীতে পৌঁছতে তাঁর বিয়াল্লিশ দিন সময় লেগেছে। নগরীতে প্রবেশ করার আগে তার বাহিনীকে কিছু সময়ের জন্য থামিয়ে তার পার্শ্বচরদের ডেকে নিলেন তিনি। জিহাদি স্বেচ্ছাসেবকদের পাঁচটি ভাগ পাঁচ জন অভিজ্ঞ সেনাপতিদের অধীনে রাখার ব্যবস্থা করলেন। তাদের একটি দল নগরীকে বাইরে থেকে বেষ্টন করে থাকবে যাতে কেউ নগরী ত্যাগ করে বাইরে পলায়ন করতে না পারে। অথবা বাইরে থেকে কোনও সেনাদল যদি সোমনাথ নগরীকে রক্ষা করতে আসে তাদেরকে প্রতিহত করার জন্য। বাকি চারটি দলকে নিয়ে মামুদ নগরীতে প্রবেশ করবেন। চারদিক থেকে ঘিরে ফেলবেন সোমনাথ মন্দির।

    তিনি তাঁর সেনাপতিদের নির্দেশ দিলেন, ‘সোজা এগোতে হবে ওই অপবিত্র ধর্মস্থানের দিকে। ধ্বংস করতে হবে, লুণ্ঠন করতে হবে সব কিছু। আর একজন কাফেরও যদি ওই স্থানে জীবিত থাকে তবে এ জিহাদ সম্পন্ন হবে না এ কথাটা তোমরা মনে রেখো। শিশু হোক, বৃদ্ধ হোক বা যুবক তোমাদের প্রত্যেকের তরবারি যেন এক-একজন কাফেরকে নিক্ষেপ করে নরকের আগুনে।’

    গজনীবিদের নির্দেশ দান শেষ হতেই পথপ্রদর্শক বিষধারীর উটটা এগিয়ে এল সুলতানের কাছে। সোমনাথ মন্দিরের সেবায়েত প্রধান বিষধারী সুলতানের উদ্দেশ্যে বলল, ‘ওটাই সোমনাথ মন্দির। ওই তার চূড়া দেখা যাচ্ছে। এবার আপনি আমাদের মুক্তির নির্দেশ দিন সুলতান।’

    তার কথা শুনে সুলতান বললেন, ‘হ্যাঁ, মন্দির দেখা গেলে তো মুক্তি দিতেই হয়। কিন্তু কোথায় তোদের পুতুলের সেই মন্দির? আমি তো কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।’

    সুলতানের কথা শুনে তাকে মন্দির শীর্ষ দর্শন করাবার জন্য আকাশের দিকে গলা তুলে তাকিয়ে বলল, ‘ওই যে, ওই। ওই দেখুন আকাশের বুকে সোমনাথ মন্দিরের স্বর্ণধ্বজ দেখা যাচ্ছে!’

    সুলতান তার কথার জবাব না দিয়ে ইশারাতে তাঁর নির্দেশ জানালেন বিষধারীর পিছনে বসে থাকা উট চালককে। লোকটা মূহূর্তের মধ্যে মালিকের নির্দেশ পালন করে কোমর থেকে ধারালো ছুরিকা বার করে পিছন থেকে এক হাতে আলিঙ্গন করে অন্য হাতে সেই ছুরি চালিয়ে দিল বিষধারীর গলায়। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে সোমনাথ মন্দিরের সেবায়েত প্রধানের ধড়-মুণ্ড আলাদা হয়ে গেল। তারপর সেই ধড় আর মুণ্ড উটের পিঠ থেকে খসে পড়ল সুলতানের যাত্রা পথের সামনে। বিষধারীর ধড়হীন মুণ্ড তখনও যেন তাকিয়ে আছে আকাশের বুকে জেগে থাকা সোমনাথ মন্দিরের স্বর্ণ শিখরের দিকে!

    পথপ্রদর্শক বিষধারীকে এমন নির্মমভাবে হত্যার নির্দেশ দিয়ে সুলতান মামুদ যেন নগরীতে প্রবেশ করার মুখে তার অনুচরদের, জিহাদি স্বেচ্ছাসেবকদের বুঝিয়ে দিলেন তিনি কাফেরদের প্রতি কতটা নির্মম। কোনও কারণে, কোনও অবস্থাতেই, কোনও কাফেরকে ক্ষমা করা চলে না!

    সুলতানের এক সহচর তাঁকে প্রশ্ন করল, ‘মালিক, সুন্দরী জেনেনাটাকেও এখনই নরকে পাঠাব?’

    গজনীবিদ সুলতান বললেন, ‘না, এখন থাক। ওই পাপিষ্ঠাটাকে বরং উটের গলা থেকে খুলে পিঠে চাপাও। যাতে ও মন্দির দখল পর্যন্ত বেঁচে থাকে। স্বেচ্ছাসেবী জিহাদি বাহিনীর যে যুবক প্রথম কাফেরদের মন্দিরে প্রবেশ করবে তাকে আমি ওই সুন্দরী জেনেনা উপহার দেব।’

    সুলতানের কথায় চাপা উল্লাসধ্বনি শোনা গেল জিহাদি যুবকদের মধ্যে। গজনীবিদ মামুদ এরপর খলিফার পতাকাবাহককে নির্দেশ দিলেন সামনে এগোবার জন্য।

    সুলতান মামুদের নেতৃত্বে বন্যার স্রোতের মতো নগরীতে প্রবেশ করল যবন বাহিনী। নগরী প্রায় জনশূন্য। কেউ প্রতিরোধ করতে এগিয়ে এল না। সুলতান তার বাহিনী নিয়ে এগিয়ে চললেন তার এবারের হিন্দ মুলুক অভিযানের অন্তিম লক্ষ সোমনাথ মন্দিরের দিকে।

    গর্ভগৃহ চত্বরে সে সময় দাঁড়িয়ে ছিলেন দুই পুরোহিত নন্দিবাহন ও মল্লিকার্জুন। তারা কিছু সময়ের মধ্যেই দেখতে পেলেন দিকচক্রবাল থেকে একটা প্রবল ধূলিঝড় যেন নগরীর মধ্যে দিয়ে এগিয়ে আসছে মন্দিরের দিকে! তা দেখে নন্দিবাহন বললেন, ‘মল্লিকার্জুন আপনি আমার থেকে বয়জ্যেষ্ঠ, তাই ত্রিপুরারিদেবের যখন সন্ধান মিলছে না তখন তাঁর অনুপস্থিতিতে আপনি মন্দিরের দায়িত্ব ভার গ্রহণ করুন।’

    এই বিপর্যয়ের মুহূর্তে প্রধান পুরোহিতের অনুপস্থিতিতে সহ প্রধান পুরোহিত মল্লিকার্জুনের ওপরই দায়িত্বভার বর্তায়। তাই তিনি বললেন, ‘ঠিক আছে, আমি গর্ভগৃহ রক্ষার দায়িত্ব গ্রহণ করছি। আর আপনি নীচের চত্বর আর প্রবেশ তোরণ রক্ষার ভার নিন। আমাদের মাধ্যমে সোমেশ্বর মহাদেব নিশ্চয়ই রক্ষা করবেন তাঁর আবাসস্থল সোমনাথ মন্দিরকে।’

    দেবদাসীরা ব্যতীত সারা মন্দিরবাসী এখন সমবেত হয়েছে সোপানশ্রেণীর ঠিক নীচে উন্মুক্ত স্থানে। সেই জনতার ভিড়ে অঙ্গিরাও ছিল। একদিকে তার দেবদাসী সমর্পিতার জন্য প্রবল দুশ্চিন্তা, অন্যদিকে এ পরিস্থিতিতে তার কী করা উচিত তা সে ঠিক বুঝে উঠতে পারছিল না। চারদিকে ভয়ার্ত, অসহায় নর-নারীদের ভিড়ে মিশে সে-ও অসহায় ভাবে দাঁড়িয়েছিল।

    সহ-প্রধান পুরোহিত নন্দিবাহন গর্ভগৃহ চত্বর ত্যাগ করে নীচে নামার সময় সোপানশ্রেণীর মধ্যবর্তী একস্থানে এসে দাঁড়ালেন। নীচ থেকে মন্দিরবাসীরা তাকিয়ে আছে তার দিকে। দু-হাত মাথার ওপর তুলে তিনি প্রথমে শান্ত হতে বললেন জনতাকে। স্তব্ধ হল সবাই।

    পুরোহিত নন্দিবাহন সকলের উদ্দেশ্যে বললেন, ‘যবনরা এসে উপস্থিত হয়েছে ঠিকই। কিন্তু তাদের দণ্ড দেবার জন্য, নিশ্চিহ্ন করার জন্য তাদের নিয়তি তাদের এখানে টেনে এনেছে। আর সেই দণ্ড সোমেশ্বর মহাদেব তাঁর সন্তানদের অর্থাৎ আমাদের মাধ্যমেই নারকী মামুদকে দিতে চলেছেন। তাই শঙ্কার কোনও কারণ নেই। আমরাই প্রতিরোধ করব, ধ্বংস করব তাদেরকে। তা সে যত বিশাল বাহিনীই হোক না কেন। আর এ কার্য সম্পাদন করতে গিয়ে যদি কারো মৃত্যু ঘটে, তবে যেন তার অক্ষয় স্বর্গ লাভ হবে। তার পুণ্যে তার সন্তান- সন্ততিরাও পুণ্যবান হবে। আমরা সবাই ভরসা রাখি আমাদের রক্ষাকর্তা সোমেশ্বর মহাদেবের ওপর। সবাই বলো, ‘ ”জয় সোমনাথ, জয় সোমেশ্বর মহাদেবের জয়”!’ পুরোহিতের বক্তব্যে কিছুটা ভরসা পেয়ে উপস্থিত জনতা সম্মিলিত ভাবে বলে উঠল, ‘জয় সোমনাথ, জয় সোমেশ্বর মহাদেবের জয়! হর হর মহাদেব!’

    ঠিক এই সময় পুরোহিত মল্লিকার্জুন গর্ভগৃহ চত্বরের প্রধান ঘণ্টাটা বাজাতে শুরু করলেন। তার সঙ্গে বাজতে শুরু করল উপমন্দিরের ঘণ্টা গুলোও। মন্দিরবাসীরা, সৈনিকরা সবাই প্রস্তত হল যে যার মতো মামুদ বাহিনীকে প্রতিহত করার জন্য।

    সোমনাথ নগরীর মধ্যে দিয়ে এগোবার সময় কোনও রকম মৃদু প্রতিরোধের সম্মুখীন না হওয়াতে মৃদু বিস্মিত হলেন মামুদ। তাঁর মনে এ আশঙ্কাও তৈরি হল যে নগরবাসীদের মতো মন্দিরবাসীরাও তাদের রত্নখচিত পুতুল-বিগ্রহ আর সম্পদ নিয়ে মন্দির ত্যাগ করেনি তো? তবে দূর থেকে ঘণ্টাধ্বনি কানে যেতে কিছুটা আশ্বস্ত হলেন সুলতান। তিনি এগোতে লাগলেন মন্দিরের দিকে। ক্রমশ প্রাকার সমৃদ্ধ বিশাল সোমনাথ মন্দিরের অবয়ব স্পষ্ট হয়ে উঠতে লাগল তাঁর চোখের সামনে। ওই সেই কাফেরদের ধর্মস্থান! যা ধ্বংস করার জন্য উষর মরুপ্রদেশ অতিক্রম করে কাফেরদের রক্তে তলোয়ার ভিজিয়ে ছুটে এসেছেন গজনীবিদ।

    সূর্য দিকচক্রবাল আর মধ্যাকাশের মধ্যবর্তী স্থানে পৌঁছতেই বীভৎস চিৎকার আর ‘দীন দীন’ ধ্বনি তুলে মামুদ বাহিনী উপস্থিত হয়ে গেল সোমনাথ মন্দিরের কাছে। মন্দিরের ভিতরে উন্মাদের মতো বেজে চলেছে ঘণ্টাধ্বনি। যবন সেনাদের চিৎকারের প্রত্যুত্তরে মন্দিরের ভিতর থেকে শোনা যাচ্ছে ‘জয় সোমনাথ, হর হর মহাদেব ধ্বনি’!

    মন্দিরের নিকট উপস্থিত হয়েই চারদিকে বিভক্ত হয়ে মন্দিরকে বেষ্টন করে ফেলল অভিজ্ঞ সেনাপতিদের নেতৃত্বে জিহাদি স্বেচ্ছাসেবকরা। তবে যুদ্ধবাজ সুলতান একটা ব্যাপার বুঝতে পারলেন। মাধেরা সূর্য মন্দিরের প্রাকারের তুলনায় এ মন্দিরের প্রাকার অনেক উঁচু, বহির্গাত্রও মসৃণ। উটের পিঠ থেকে লাফিয়ে প্রাকারে ওঠা যাবে না বা দেওয়াল বেয়ে ওঠা যাবে না। তোরণ ভেঙেই মন্দিরে প্রবেশ করতে হবে। যে তোরণের সামনে দাঁড়িয়ে আছে বেতের বর্ম, লৌহ শিরস্ত্রাণ পরা সেনা আর মন্দির রক্ষীরা।

    সুলতান তাঁর স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর তরুণদের নির্দেশ দিলেন উটের পিঠ থেকে মাটিতে নেমে মন্দির তোরণের দিকে এগোবার জন্য। যে প্রথম তোরণ অতিক্রম করতে পারবে সেই তো লাভ করবে সঙ্গে আনা সেই সুন্দরী নারীর শরীর।

    যুবক জিহাদিরা তাই বীভৎস চিৎকার করতে করতে এগোল সোমনাথ মন্দিরের তোরণ ভেঙে ফেলার জন্য। রাজা ভীম যে সেনাদল মন্দির রক্ষার জন্য রেখে গেছিলেন, সেই সেনাদল মামুদ বাহিনীর তুলনায় ক্ষুদ্র হলেও তিরন্দাজিতে দক্ষ। তারাও প্রস্তুত হয়েই ছিল। জিহাদি যবনরা কাছে এগিয়ে আসতেই তির নিক্ষেপ করতে শুরু করল তারা। মন্দিরের ভিতর থেকে আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে ধ্বনি উঠল, ‘জয় সোমনাথ! হর হর মহাদেব!’ যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল!

    যবন বাহিনী তলোয়ার চালনাতে দক্ষ হলেও তিরন্দাজি বা লক্ষ্যভেদে তেমন পারদর্শী নয়। রাজা ভীমের তিরন্দাজদের তিরের মুখে অনেকে ছিটকে পড়তে লাগলেও তাদের সাহসের অভাব নেই। সংখ্যাতেও তারা অনেক। সেই তির বৃষ্টির মধ্যেও তারা এগোতে লাগল তোরণের দিকে।

    সুলতান নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে প্রত্যক্ষ করতে লাগলেন তার তরুণ জিহাদিদের সাহস। যুদ্ধের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় হওয়া প্রয়োজন এই সব যুবকদের। কারণ, খলিফার পতাকা তো এই তরুণরাই ছড়িয়ে দেবে এই হিন্দ মুলুকে। ধ্বংস করবে, উৎপাটিত করবে কাফেরদের ধর্ম ভাবনা।

    সূর্য মধ্য গগনে পৌঁছতেই তির বৃষ্টির মধ্যেই যবন তরুণরা পৌঁছে গেল তোরণের সামনে। রাজা ভীমের সেনাদের সঙ্গে শুরু হলো তলোয়ারের লড়াই। মামুদ বাহিনীর বাঁকানো তলোয়ারের আঘাতে দ্বিখণ্ডিত হতে লাগল রাজা ভীমের সেনাদের দেহ, উপবিতধারী মন্দির রক্ষীদের বস্ত্র। যে রক্ষীদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন রক্ষীপ্রধান জয়দ্রথ। তার রক্ষীদের ভল্লর আঘাতেও উড়তে লাগল সবুজ পাগড়ি সমেত হানাদারদের ছিন্ন মুণ্ড। তবে তলোয়ার যুদ্ধে সুলতানা বাহিনী অনেক বেশি পারদর্শী কাফের বাহিনীর থেকে। মামুদ বুঝতে পারলেন, কাফেররা যত বিক্রমে যুদ্ধ করুক না কেন তারা বেশি সময় যুদ্ধ চালাতে পারবে না। স্বেচ্ছাসেবক তরুণরা একজন কাফেরকে হত্যা করলেই সুলতান উল্লসিত ভাবে বলে উঠতে লাগলেন ‘শাবাশ! শাবাশ!’

    অভিজ্ঞ সুলতানের অনুমানই সঠিক হল। সূর্য পশ্চিমে ঢলে পড়ার কিছু সময় পরই শেষ হয়ে এল কাফের বাহিনী। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে অবশেষে যবনবাহিনীর সম্মিলিত আঘাতে মৃত্যু হল সোমনাথ মন্দিরের রক্ষী প্রধান জয়দ্রথের। তার ছিন্ন মুণ্ড নিয়ে ছুটে এসে সুলতানের পায়ের সামনে নামিয়ে রাখল এক তরুণ। সুলতান খুশি হয়ে তার আঙরখার ভিতর থেকে এক মুঠো স্বর্ণমুদ্রা বার করে ইনাম হিসাবে সেই স্বেচ্ছাসেবককে বলল, ‘তোরণ ভেঙে ফেলো।’

    সুলতানের নির্দেশ পালনের জন্য সচেষ্ট হল তরুণ স্বেচ্ছাসেবকরা। সম্মিলিত ভাবে তারা ভারী প্রস্তরখণ্ড নিক্ষেপ করতে লাগল, অস্ত্রাঘাত করতে লাগল বিশাল তোরণের কপাটের ওপর। কেঁপে উঠতে লাগল তোরণ। তার গা থেকে খসে পড়তে লাগল ধাতুর অলঙ্করণগুলো।

    সমুদ্রের বুকে সূর্য ঢলে পড়ার কিছু সময় আগে মামুদবাহিনী তোরণের একটা কাঠের পাটাতন খসিয়ে ফেলল। একজন জিহাদি তরুণ সে ফোঁকর গলে ভিতরে প্রবেশ করতে যাচ্ছিল। যে প্রথম কাফেরদের ধর্মস্থানে পা রাখবে, সেই তো সুন্দরী জেনেনাকে পাবে! কিন্তু সেই তরুণের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হল না। শূলের আঘাতে বিদীর্ণ হয়ে গেল তার দেহ। আর তারপরই সেই ফাটল দিয়ে ভয়ঙ্কর চিৎকার করতে করতে বাইরে বেরোতে শুরু করল একদল মানুষ। আর তাদের দেখে বিস্মিত হয়ে গেল মামুদ বাহিনী, এমনকী স্বয়ং সুলতান মামুদও।

    এ জীবনে বারংবার হিন্দ মুলুক অভিযানে বহু ধরনের যোদ্ধা দেখেছেন গজনীবিদ, কিন্তু এমন যোদ্ধা দেখেননি তিনি কোনওদিন। যারা মন্দির থেকে বাইরে বেরিয়ে আসছে তারা সম্পূর্ণ উলঙ্গ! জটাজুটধারী হিংস্র মুখমণ্ডল, ভস্ম মাখা শরীর। তাদের কারো হাতে ধরা ভীষণ শূল অথবা ত্রিশূল।

    যে স্বচ্ছাসেবী জিহাদি যুবকরা তোরণ ভাঙছিল তারা একবার কাসেমের মুখ থেকে অথবা অন্য কারো থেকে শুনেছিল যে এই মন্দিরের কাফের দেবতার অনুচররা নাকি প্রেত-দৈত্যদানো। তেমনই বিশ্বাস কাফেরদের। এই লোকগুলো তেমন কেউ নয়তো? এরা মানুষতো? কেমন যেন আতঙ্ক সৃষ্টি হল জিহাদি যুবকদের মনে।

    একলিঙ্গদেবের উপাসকরা ঝাঁপিয়ে পড়ল যবনদের উপর। বীভৎস তাদের ক্রোধ, দেহে আসুরিক শক্তি! সত্যি তারা যেন মহাদেবের সাক্ষাৎ অনুচর! তাদের শূলের, ত্রিশূলের প্রচণ্ড আঘাতে রক্তের বন্যা বইতে লাগল তোরণের সামনে।

    ভয়ার্ত আর্তনাদ করতে করতে ছত্রভঙ্গ হতে লাগল সুলতানের স্বেচ্ছাসেবকরা। মন্দিরের ভিতর থেকে কাফেরদের উল্লাসধ্বনি ভেসে আসতে শুরু হল, ‘জয় সোমনাথ! জয় একলিঙ্গদেবের জয়! হর হর মহাদেব!’

    সুলতানও হতবাক! এমন ভয়ঙ্কর প্রতিরোধের মধ্যে তাঁর বাহিনীকে কোনও দিন পড়তে হয়নি। পরিস্থিতি এক সময় এমন হল যে সুলতান দেখতে পেলেন স্বেচ্ছাসেবকদের ছিন্ন ভিন্ন করতে করতে সুলতান যেখানে অবস্থান করছেন সেদিকেই এগোচ্ছে কাফেরদের অদ্ভুত দর্শন দানব বাহিনী। বাধ্য হয়ে কিছুটা পিছু হটে গেলেন স্বয়ং সুলতানও। ভারত ভূখণ্ডের মাটিতে এই প্রথম তাঁর কয়েক কদম হলেও পশ্চাদাপসরণ! কিন্তু শেষ পর্যন্ত একলিঙ্গদেবের অনুচররা আর সুলতানের কাছে পৌঁছতে পারল না। সমুদ্রর বুকে সূর্য ডুবে গেল। নাগা সন্ন্যাসীদের দল প্রচণ্ড বিক্রম প্রদর্শন করে সেদিনের শেষ যুদ্ধ জয় করে মন্দিরে প্রস্থান করল।

    মামুদ তাঁর শিবির স্থাপন করলেন সে স্থানেই। সৈন্যাধ্যক্ষ আর জিহাদি স্বেচ্ছাসেবকদের সমবেত করে তাঁদের উৎসাহ প্রদানের জন্য তিনি বললেন, ‘আমি নিশ্চিত আমার যোদ্ধারা, আমার স্বেচ্ছসেবক বাহিনীর তরুণরা অবশ্যই কাল মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবে। আমি কাল নিজে তোরণের সামনে দাঁড়িয়ে তোমাদের নেতৃত্ব দেব। যাদের দেখে তোমরা আতঙ্কিত হোচ্ছো, তারা দানো বা জিন নয়, তারা মানুষ। আর মানুষের শরীর হলে সে শরীর অস্ত্রের আঘাত প্রতিহত করতে পারে না। মনে সাহস এনে আঘাত হানো ওই নগ্ন কাফেরদের ওপর। সব সময় মনে রাখবে খলিফার দোয়া তোমাদের সঙ্গে আছে। ওই নগ্ন কাফেরদের দিকে প্রতি কাফেরকে লক্ষ করে দশ জন জিহাদি তরুণ এগিয়ে যাবে। তলোয়ারের সঙ্গে বর্শা নাও। যাতে তা দূর থেকে শত্রুর শরীরে নিক্ষেপ করা যায়। এক একজন উলঙ্গ কাফেরকে বধ করার বিনিময়ে তোমরা কুড়ি দিনার আরব মুদ্রা পাবে।’

    ঠিক এই সময়তেই সোমনাথ মন্দির চত্বরেও মন্দিরবাসীদের সামনে বক্তব্য রাখছিলেন পুরোহিত মল্লিকার্জুন। সোপানশ্রেণীর পাদদেশে সমবেত হয়েছে মন্দিরবাসীরা। তাদের মধ্যে অঙ্গিরাও আছে। সে বুঝতে পারছে বর্তমান যা অবস্থা তাতে সে যদি কোনও ভাবে মন্দির ত্যাগও করে তবে নিশ্চিত ভাবে যবন বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে যাবে।

    মল্লিকার্জুন বললেন ‘আজ একলিঙ্গদেবের উপসাকরা যুদ্ধের অন্তিম লগ্নে যে বীরত্ব প্রদর্শন করলেন তা শুভ সূচনার ইঙ্গিতবাহী। তোরণ ত্যাগ করে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে যবন বাহিনী। সোমেশ্বর মহাদেবের আশীর্বাদ আমাদের সঙ্গে আছে। কাল সবাই অস্ত্র ধরবেন আপনারা। অস্ত্র না থাকলে প্রস্তর খণ্ড, যষ্ঠি ইত্যাদি ব্যবহার করবেন অস্ত্র হিসাবে। জয় আমাদের নিশ্চিত। আগামী কালই হয়তো নগরীতে এসে উপস্থিত হবে ভোজরাজ পরমদেওর বিশাল সমুদ্র সমান বাহিনী। ধ্বংস হবে যবনরা।’

    এরপর আরও কিছু কথা বলে বক্তব্য শেষ করলেন তিনি। সভা সাঙ্গ হল। মন্দিরবাসীরা প্রস্তুত হতে লাগল বিনিদ্র রজনী যাপনের জন্য। রাত্রি শেষে যবন বাহিনীর সঙ্গে সংগ্রামে অবতীর্ণ হবার জন্য।

    রাত গভীর হতে শুরু করল। অঙ্গিরা ভাবতে লাগল সে কী করবে? মন্দিরবাসীদের সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করবে মামুদ সেনার বিরুদ্ধে? কিন্তু অঙ্গিরার মনে হল, যুদ্ধে অবতীর্ণ হলে তারও তো মৃত্যুর সম্ভাবনা থাকে। অঙ্গিরা মৃত্যু ভয়ে ভীত নয়, কিন্তু সে যে দেবদাসী সমর্পিতাকে কথা দিয়েছে তার কাছে যাবে, মিলিত হবে তার সঙ্গে। সে যে প্রতীক্ষা করছে অঙ্গিরার জন্য। যেভাবেই হোক কথা রাখতে হবে অঙ্গিরাকে। পৃথিবীর যে স্থানেই সে থাকুক তাকে খুঁজে বার করতে হবে—তার ভালোবাসা রাজকন্যা রাজশ্রীকে।

    অঙ্গিরা সিদ্ধান্ত নিল, সে যুদ্ধ করবে না। আত্মগোপন করে থাকবে কোথাও। আর তার জন্য উপযুক্ত স্থান হল সেই চন্দ্রমন্দির। সুলতান বাহিনী যদি সোমনাথ মন্দিরে প্রবেশ করেও তবুও তারা নিশ্চয়ই সেই জীর্ণ, ভগ্ন, পরিত্যক্ত মন্দিরের প্রতি আকর্ষিত হবে না। কারণ, বাইরে থেকে সেই জীর্ণ মন্দির দেখেই তারা বুঝবে সেখানে কোনও সম্পদ নেই। এ কথা ভেবে নিয়ে সে এগোল চন্দ্রমন্দিরের দিকে। সেই মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করার আগে অঙ্গিরা একবার আকাশের চাঁদের দিকে তাকিয়ে ভাবল, ‘রাজকন্যা রাজশ্রী এখন কোথায়? সে যেখানে আছে সেখানেও কি আকাশে চাঁদ উঠেছে? রাজশ্রীও কি চাঁদের দিকে তাকিয়ে তার কথাই ভাবছে?’

    হ্যাঁ, সে বনাঞ্চলের মাথাতেও একই রকম চাঁদ উঠেছিল। পরিত্যক্ত মন্দিরের সেই কক্ষের ভগ্ন গবাক্ষ দিয়ে রাত আরও গভীর হবার প্রত্যাশাতে চাঁদের দিকে তাকিয়ে এ ক’দিন, দিনরাত তো শুধু তার কথাই ভেবে চলেছে রাজশ্রী। মহামন্ত্রী চন্দ্রদেব আর প্রতীক্ষা করতে রাজি নন। তবে রাজশ্রী সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে, অঙ্গিরাকে ফেলে রেখে সে চালুক্য নগরীতে ফিরবে না। রাজমুকুট, সাম্রাজ্ঞীর পদ তার ভালোবাসার থেকে দামি নয় রাজশ্রীর কাছে। অঙ্গিরাকে খুঁজে বার করতেই হবে তাকে। অঙ্গিরাও নিশ্চয়ই তার সন্ধান করছে।

    নিজের সংকল্পে অটল রাজশ্রী প্রতীক্ষা করতে লাগল রাত্রি আরও গভীর হবার জন্য। এক সময় চাঁদ ঠিক মাঝ আকাশে পৌঁছল। রাজশ্রী কক্ষের উন্মুক্ত দ্বারের দিকে তাকিয়ে দেখল ক্লান্তিতে, চিন্তাতে অবসন্ন হয়ে দ্বারের একপাশে ঘুমিয়ে পড়েছেন চালুক্য মহামন্ত্রী। তিনি নিদ্রামগ্ন এ ব্যাপারে নিশ্চিত হবার পর উঠে দাঁড়াল রাজশ্রী। সন্তর্পণে সে ঘুমন্ত চন্দ্রদেবের পাশ কাটিয়ে বাইরে বেরিয়ে এল। কিছুটা তফাতে চন্দ্রালোকে গাছের গায়ে বাধা আছে মহামন্ত্রীর ঘোড়াটা। রাজশ্রী নিঃশব্দে এগিয়ে গিয়ে গাছের দড়িতে বাধা লাগামটা খুলে নিয়ে চড়ে বসল ঘোড়ার পিঠে। যাত্রাপথের দিকে ঘোড়ার মুখ ফেরাতেই অশ্বক্ষুরের শব্দে কেঁপে উঠে মহামন্ত্রী চন্দ্রদেব দেখতে পেলেন ঘোড়ার পিঠে রাজশ্রীকে। ব্যাপারটা অনুমান করে আতঙ্কিত চন্দ্রদেব বললেন, ‘কোথায় যাচ্ছ রাজকন্যা? ফিরে এসো, ফিরে এসো…।’

    রাজকন্যা রাজশ্রী তাঁর কথায় কর্ণপাত করল না। সে ঘোড়া ছুটিয়ে দিল সোমনাথ নগরীর উদ্দেশ্যে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article ভয় ভয়ঙ্কর – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    আঁধার রাতের বন্ধু – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }