Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সোমনাথ সুন্দরী – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত এক পাতা গল্প332 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সোমনাথ সুন্দরী – ৩

    ৩

    মধ্যাহ্নের ঠিক দু-দণ্ড পূর্বে নিজের কক্ষ ত্যাগ করে পূর্ব নির্ধারিত সিদ্ধান্ত মতো গর্ভগৃহের ঠিক সামনে এসে উপস্থিত হলেন পুরোহিতশ্রেষ্ঠ। তাঁর পূর্ব নির্দেশ মতোই গর্ভগৃহর সামনের চত্বর থেকে ততক্ষণে অপসারিত করা হয়েছে পুণ্যার্থী, দর্শনার্থীদের।

    প্রধান দেবদাসী তিলোত্তমা ও আরও কয়েকজন দেবদাসীর তত্ত্বাবধানে সেখানে হাজির করা হয়েছে সেই সব নারীদের, যাদের আজ সমর্পণ করা হবে সোমেশ্বরের চরণে। রঙিন পট্টবস্ত্র, স্বর্ণভূষণ আর ফুল মালায় সজ্জিত করা হয়েছে তাদের। ঠিক যেমন বিবাহকালে সজ্জিত করা হয় নারীদের, তেমনই। তাদের মুখমণ্ডলও চন্দন চর্চিত।

    গর্ভগৃহর একপাশে সমর্পণের উপাচার সামগ্রী নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে সেবায়েতরা। দুই প্রধান সহকারী পুরোহিত নন্দিবাহন, মল্লিকার্জুন উপস্থিত আছেন। আছেন সেবায়েত-প্রধান বিষধারীও। ত্রিপুরারিদেব সেখানে গিয়ে উপস্থিত হতেই সবাই নতমস্তকে অভিবাদন জানালো তাকে।

    প্রধান পুরোহিত প্রথমে তাকালেন দেবতার কাছে নিজেদের সমর্পণের উদ্দেশ্যে অপেক্ষারত কন্যাদের দিকে। দ্বাদশ থেকে অষ্টাদশ বর্ষীয়া কন্যা সব। বেশ কয়েক মাস যাবৎ এ মন্দিরের কানন সংলগ্ন এক সংরক্ষিত স্থানে এদের নৃত্যগীতের তালিম দিয়েছে দেবদাসী প্রধানা তিলোত্তমা। যদিও গর্ভগৃহর সামনে মন্দিরের প্রধান চত্বরে এই প্রথম পা রাখল তারা। আজকের পর থেকে অবশ্য তাদের নিয়মিত আসা-যাওয়া শুরু হবে এই চত্বরে। বারো জন নারী।

    প্রধান পুরোহিতের চোখ ঘুরতে লাগল এক এক করে তাদের মুখমণ্ডলের ওপর। অপরূপা সব। তাদের মুখমণ্ডলের সৌন্দর্য আর জৌলুশই জানিয়ে দিচ্ছে এই নারীরা সব সম্ভ্রান্তবংশীয়া দুহিতা। প্রধান পুরোহিতের দৃষ্টি এক সময় এসে থমকে গেল এক নারীর মুখের ওপরে। দেবদাসী প্রধানা তিলোত্তমার পাশেই দাঁড়িয়ে আছে সে।

    দেবদাসী তিলোত্তমা শুধু নর্তকী শ্রেষ্ঠাই নয়, এ মন্দিরের সুন্দরী শ্রেষ্ঠাও বটে। কিন্তু এ কন্যার অঙ্গ সৌষ্ঠব আর রূপের কাছে তিলোত্তমার সৌন্দর্যও যেন ম্লান হয়ে যাচ্ছে। প্রধান পুরোহিত ত্রিপুরারিদেব নারীসঙ্গ না করলেও সুন্দরী নারী তিনি কম দেখেননি। তিনি দীর্ঘকাল ধরে এ মন্দিরের সুন্দরী দেবদাসীদের তো দেখেছেনই, দেখেছেন এ মন্দিরে পূজা দিতে আসা বহু রাজদুহিতাকেও। কিন্তু, এমন সৌন্দর্য তিনি ইতিপূর্বে দেখেননি। ইন্দ্রসভার নর্তকীরাও হয়তো ম্লান হয়ে যাবে এ নারীর সমুখে দাঁড়ালে।

    সারবদ্ধ অন্য নারীরা বিস্মিতভাবে এদিক-ওদিক তাকাচ্ছে। কিন্তু এই কন্যা আনতভাবে চেয়ে আছে ভূমির দিকে। যেন স্বর্ণভূষণে সজ্জিত এক স্থির প্রস্তরমূর্তি। মেয়েটি প্রধান পুরোহিতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে বুঝতে পেরে মল্লিকার্জুন প্রধান পুরোহিতের পাশে এসে দাঁড়ালেন। তারপর চাপাস্বরে বললেন, ‘এই সেই চালুক্য কন্যা।’

    পুরোহিতশ্রেষ্ঠর এবার খেয়াল হল এই কন্যার নাম তারই স্থির করার কথা। কিন্তু সোমেশ্বর মুদ্রা নিয়ে বল্লভী নগরী থেকে সেই যুবক হঠাৎ এসে উপস্থিত হওয়াতে তাঁর চিন্তা অন্য খাতে প্রবাহিত হচ্ছিল। তাই নামকরণের ব্যাপারটা তিনি বিস্মৃত হয়েছিলেন।

    মুহূর্তের মধ্যে অবশ্য একটা নাম মাথায় এসে গেল তার। তিনি মল্লিকার্জুনকে বললেন, ‘এ নারীর নামকরণ করলাম, সমর্পিতা। সোমেশ্বর মহাদেবের কাছে যে নিজেকে সমর্পণ করেছে।’ প্রধান পুরোহিত তিলোত্তমাকে কাছে ডাকতে বললেন।

    নন্দিবাহনের ইশারাতে নর্তকীশ্রেষ্ঠা তিলোত্তমা এসে সামনে দাঁড়াতেই ত্রিপুরারিদেব তাকে প্রশ্ন কলেন, ‘তুমি নিশ্চিত তো যে এই কন্যারা সব অক্ষত যোনি?’

    তিলত্তমা জবাব দিল, ‘হ্যাঁ, প্রভু। আমি নিশ্চিত।’

    এরপর ত্রিপুরারিদেবের নির্দেশে এই নারীদের সোমনাথের কাছে সমর্পণের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল। মন্দিরের গর্ভগৃহর ঠিক সমুখভাগে সারবদ্ধ ভাবে দাঁড় করানো হল নারীদের। দুই প্রধান সহচরকে নিয়ে গর্ভগৃহতে প্রবেশ করলেন ত্রিপুরারিদেব। পূজার উপাচার আগেই সে কক্ষে সাজিয়ে রেখেছেন নন্দিবাহন। একটা স্বর্ণপাত্রে রাখা আছে নীলকণ্ঠ ফুলের বারোটি মালা। প্রধান পুরোহিত সেই মালাগুলি স্থাপন করলেন সোমেশ্বরের গলায় অর্থাৎ শিবলিঙ্গে। বিল্বফল, দুগ্ধ, ঘৃত উৎসর্গ করে শুরু হল মহাদেবের পুজো। প্রধান পুরোহিত মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে দেবতাকে এই নারীদের গ্রহণ করার অনুরোধ জানালেন।

    বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলল এই বন্দনা। তারপর নন্দিবাহন দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে এক-একজন নারীকে গর্ভগৃহে প্রবেশ করাতে লাগলেন। যারা দেবদাসী তারা জীবনে এই একবারই গর্ভগৃহতে পা রাখার সৌভাগ্য লাভ করে। এ সৌভাগ্য রাজা-মহারাজাদেরও হয় না।

    কন্যারা ঘিরে দাঁড়ালো ভগবানকে। চোখে-মুখে তাদের অপার বিস্ময়। তাদের চোখের সামনে শূন্যে ভাসমান সোমেশ্বর মহাদেব। তিনি যে সত্যিই আছেন এর চেয়ে বড় প্রমাণ আর কি হতে পারে?

    ত্রিপুরারিদেব খেয়াল করলেন সেই চালুক্য দুহিতা একবার দেবতার দিকে তাকিয়েই মাথাটা নামিয়ে স্থির অচঞ্চল ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে রইল। মল্লিকার্জুন অন্য একটি পাত্রে রাখা স্তুপীকৃত ফুলমালার থেকে একটি করে মালা তুলে দিলেন প্রত্যেক নারীর হাতে। প্রধান পুরোহিত সম্মিলিতভাবে সমর্পণের মন্ত্রপাঠ করাতে শুরু করালেন নারীদের। এ মন্ত্রোচ্চারণ আসলে সোমেশ্বর মহাদেবের কাছে নিজেদের তনু-মন, সর্বস্ব নিবেদনের অঙ্গীকার।

    এ কাজ সম্পন্ন হলে, মল্লিকার্জুন নতুন নামে আহ্বান করতে লাগলেন এক-একজন নারীকে। তারা এসে তাদের হাতের মালাটা তুলে দিতে লাগল মল্লিকার্জুনের হাতে। আর প্রধান পুরোহিত সোমেশ্বর মহাদেবের কণ্ঠ থেকে এক-একটা নীলকণ্ঠ ফুলের মালা তুলে দিতে লাগলেন নারীদের হাতে। সে মালা কণ্ঠে ধারণ করতে লাগল তারা। প্রত্যেক দেবদাসীকে একটা করে চন্দনকাঠের ক্ষুদ্র পেটিকা দেওয়া হয়। তাতে আজীবন ওই নীলকণ্ঠ ফুলের মালা তারা রেখে দেয়।

    ত্রিপুরারিদেব শেষ মালাটা তুলে দিলেন সমর্পিতার হাতে। নিশ্চুপ ভাবে মালাটা কণ্ঠে ধারণ করল সে। মল্লিকার্জুন এরপর নারীদের হাত থেকে মালাগুলি তুলে দিলেন প্রধান পুরোহিতের হাতে। নারীরা স্পর্শ করতে পারবে না দেবতাকে। তাই তাদের হয়ে প্রধান পুরোহিত এক-একজন নারীর নাম করে সেই মালাগুলি পরিয়ে দিলেন সোমেশ্বরের কণ্ঠে।

    প্রদীপের আলোতে, ধূপের ধোঁয়ায় এই মাল্যদান পর্ব সম্পন্ন হতেই এই কন্যারা দেবদাসীতে রূপান্তরিত হল। এরপর আরও একটা ক্ষুদ্র কাজ ছিল যেটা সম্পন্ন করলেন পুরোহিত নন্দবাহন। একটি স্বর্ণপাত্র থেকে একটি একটি করে স্বর্ণ ঘুঙুরদানা নিয়ে তুলে দিলেন প্রত্যেক নারীর হাতে। এই ঘুঙুরদানা তারা পায়ের ঘুঙুর ছড়াতে বেঁধে নিয়ে নৃত্য পরিবেশন করবে সোমেশ্বর মহাদবের সামনে। সব কার্য সম্পন্ন হল। নারীর দল বিগ্রহ আর পুরোহিতকুলকে প্রণামের পর তাদের নিয়ে বাইরে বেরিয়ে এলেন ত্রিপুরারিদেব। আর সেই গর্ভগৃহর চৌকাঠ অতিক্রম করে বাইরে এসে দাঁড়াবার সঙ্গে-সঙ্গেই এই নারীদের সব পূর্ব পরিচয় মুছে গেল। নাম, ধাম, কুল, পিতৃপরিচয় সবকিছু। তাদের আজ থেকে একমাত্র পরিচয় হল তারা দেবদাসী। জীবনে-মরণে তাদের একমাত্র নাথ হলেন সোমেশ্বর মহাদেব—সোমনাথ।

    বাইরে যারা এতক্ষণ ধরে তাদের নির্গমনের প্রতীক্ষাতে দাঁড়িয়েছিলো তারা প্রস্তুত হয়েই ছিলো। প্রধান পুরোহিতের সঙ্গে এই নবীনা দেবদাসীরা বাইরে বেরোতেই পুষ্পবৃষ্টি শুরু হলো। সারা মন্দির চত্বর জুড়ে শুরু হলো ঘণ্টাধ্বনি আর শঙ্খনাদ। সুবিশাল মন্দির চত্বর অতিক্রম করে সেই শব্দ ছড়িয়ে পড়তে লাগলো সারা প্রভাস পত্তনে। সারা নগরী জেনে গেল আরও একদল নারী নিজেদের উৎসর্গ করলো সোমেশ্বর মহাদেবের পাদপদ্মে।

    এই সব নারী আর তাদের পিতামাতাদের অক্ষয় স্বর্গ লাভ হবে সোমেশ্বরের আশীর্বাদে। নগরীর কোনও কোনও পিতা-মাতাও হয়তো এই ঘণ্টাধ্বনি শুনে মহাদেবের উদ্দেশ্যে কপালে হাত ঠেকিয়ে প্রণাম জানিয়ে স্বর্গলাভের বাসনাতে তাদের কন্যা সন্তানকে সোমেশ্বরের কাছে নিবেদনের সংকল্প করল।

    প্রধান পুরোহিতের কাজ সমাপ্ত। দেবদাসীদের ফিরিয়ে নিয়ে চলল তিলোত্তমা। একজন ছত্রধারী স্বর্ণছত্র এনে ধরল তাঁর মাথায়। সমর্পণ কার্য সম্পাদন করে প্রধান পুরোহিত নিজের কক্ষে ফিরে এলেন। দুপুর গড়িয়ে বিকাল হল এক সময়। আকাশ পরিক্রমণ করে সূর্যদেব সমুদ্রে অবগাহন শুরু করলেন। দিন শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হল সন্ধ্যারতির প্রস্তুতি। এ কাজটা অবশ্য প্রধান পুরোহিত ত্রিপুরারিদেবের দুই সহযোগী মল্লিকার্জুন আর নন্দিবাহনই সামলান।

    আরতির পর সোমেশ্বরের উদ্দেশ্যে নৃত্য গীত পরিবেশন করে দেবদাসীরা। তারপর সেদিনের মতো মন্দিরের গর্ভগৃহের কপাট বন্ধ করে সবাইকে নিয়ে গর্ভগৃহ চত্বর ত্যাগ করে নীচে নেমে আসেন দুই প্রধান সহকারী পুরোহিত। গর্ভগৃহ চত্বরে একমাত্র প্রধান পুরোহিত ব্যতীত অন্য কোনও ব্যক্তির থাকার অনুমতি নেই যদি না প্রধান পুরোহিত বিশেষ কোনও কারণ বশত রাত্রিকালে কাউকে সেখানে আহ্বান করেন।

    বিশেষ কিছুদিন ব্যতীত সন্ধ্যারতির সময় গর্ভগৃহর সামনে উপস্থিত থাকেন না প্রধান পুরোহিত। সমুদ্রের বুকে সূর্য ডুবে গেল এক সময়। দোর বন্ধ। কক্ষের ভিতর থেকেই ত্রিপুরারিদেব অন্য দিনের মতোই শুনতে পেলেন সন্ধ্যারতির ঘণ্টাধ্বনি, শঙ্খের শব্দ, দেবদাসীদের সঙ্গীত মুর্ছনা, নিক্কনের মৃদু শব্দ। তারপর এক সময় সে শব্দ আসতে আসতে একেবারে থেমে গেলো। নিস্তব্ধতা নেমে এল প্রধান পুরোহিতের কক্ষের বাইরে মন্দিরের গর্ভগৃহ সংলগ্ন প্রধান চত্বরে।

    প্রধান পুরোহিত বিশ্রাম ত্যাগ করে উঠে একটা ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালালেন। সামান্য কিছু ফলাহার গ্রহণ করে আবার ভূর্জপত্র আর খাগের কলম নিয়ে বসলেন। অন্ধকার নামার পর মন্দির নিস্তব্ধ হয়ে যাওয়াতে আবার জেগে উঠতে শুরু করেছে সমুদ্র গর্জন। চত্বরের একদম শেষ প্রান্তে প্রধান পুরোহিতের কক্ষ। আর তারপরই মন্দির প্রাকার। রাত্রিকালে তট অতিক্রম করে তার গায়েই আছড়ে পড়ে তরঙ্গমালা। ত্রিপুরারিদেবের কক্ষ সংলগ্ন একটা সংকীর্ণ সোপানশ্রেণী প্রাকার ভেদ করে নেমেছে তটরেখার বুকে। ও পথেই প্রত্যহ সমুদ্র স্নানে যান ত্রিপুরারিদেব।

    কক্ষত্যাগ করার জন্য মধ্যযাম পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হল ত্রিপুরারিদেবকে। তারপর তিনি প্রদীপ নিভিয়ে বাইরের চত্বরে বেরিয়ে এলেন। চাঁদ মাথার ওপর থেকে আলো ছড়াচ্ছে ঘুমন্ত মন্দিরের ওপর। সমুদ্র গর্জন ছাড়া কোথাও কোনও শব্দ নেই। মন্দির প্রাকারে মশালগুলো আলো ছড়াচ্ছে ঠিকই, কিন্তু তা যেন এই সুবিশাল মন্দির প্রাঙ্গণের বিশাল স্তম্ভ, প্রাকার, কক্ষগুলোর আনাচে কানাচে জমাটবাঁধা অন্ধকারকে আরও গাঢ় করে তুলেছে।

    লঘু পায়ে ত্রিপুরারিদেব এসে উপস্থিত হলেন গর্ভগৃহর বন্ধ তোরণের সামনে। গর্ভগৃহর সামনে মাথার ওপর ছাদ থাকায় চাঁদের আলো সরাসরি এখানে প্রবেশ করছে না। আলো আঁধারি খেলা করছে গর্ভগৃহর সমুখে। সেখানে কিয়ৎক্ষণ দাঁড়িয়ে প্রধান পুরোহিত নীচের চত্বরের দিকে তাকিয়ে দেখার চেষ্টা করলেন কোথাও কাউকে দেখা যাচ্ছে কিনা। যদিও নীচ থেকে গর্ভগৃহর সামনে অন্ধকার মেখে দাঁড়িয়ে থাকা প্রধান পুরোহিতকে দেখতে পাবার সম্ভাবনা নেই, তবুও তিনি যে কাজে যাচ্ছেন তাতে সতর্কতা অবলম্বন করা বিশেষ প্রয়োজন।

    এক সময় নিশ্চিন্ত হলেন প্রধান পুরোহিত।—না, কেউ কোথাও নেই। ত্রিপুরারিদেব তোরণ সংলগ্ন কুলুঙ্গি থেকে একটা ক্ষুদ্রাকৃতি স্বর্ণ প্রদীপ আর দু-খণ্ড অগ্নিপ্রস্তর তুলে নিয়ে সন্তর্পণে স্বর্ণ কপাট উন্মোচন করে প্রবেশ করলেন মন্দিরের অন্ধকার গর্ভগৃহে। ভিতরে প্রবেশ করে কপাটের অর্গল তুলে দিলেন তিনি। অগ্নিপ্রস্তর ঘর্ষণ করে প্রদীপ জ্বালালেন।

    মৃদু আলো ছড়িয়ে পড়ল গর্ভগৃহতে। প্রধান পুরোহিতের সামনে শূন্যে ভাসমান সোমেশ্বর মহাদেবের ঘুমন্ত বিগ্রহ। তার উদ্দেশ্যে প্রণাম জানিয়ে ত্রিপুরারিদেব মনে মনে বললেন, ‘আপনার নিদ্রার ব্যাঘাত ঘটলে আমাকে মার্জনা করবেন। আপনার কার্য সম্পাদনের জন্যই মধ্যযামে আমাকে এখানে উপস্থিত হতে হল।’ একথা বলার পর তিনি বিগ্রহ অতিক্রম করে উপস্থিত হলেন বিগ্রহর পশ্চাতভাগে দেওয়ালের সামনে। দেওয়ালের গায়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে তিনি দক্ষিণ হস্তের বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দিয়ে পেষণ করতেই দেয়ালের একটা অংশ দু-পাশে কিছুটা সরে গিয়ে উন্মুক্ত হল একটা সুড়ঙ্গ পথ। একজন মাত্র মানুষ প্রবেশ করতে পারে সেখানে।

    প্রদীপ হাতে ত্রিপুরারিদেব প্রবেশ করলেন সেই সুড়ঙ্গ পথে। দু-পাশে স্যাঁতস্যাতে নিরেট পাথুরে দেওয়াল। অন্ধকার এত গাঢ় যে কয়েক হস্ত দূরে কোনও বস্তু ঠাহর হয় না। নানা বাঁক নিয়ে সুড়ঙ্গ ক্রমশ নীচের দিকে নেমেছে। প্রধান সুড়ঙ্গের দু-পাশ থেকে নানা পথ এগিয়েছে নানা দিকে। ভুলক্রমে সে পথে পা বাড়ালে সুড়ঙ্গের গোলকধাঁধায় ঘুরে পথ হারিয়ে ক্ষুধা-তৃষ্ণায় কাতর হয়ে মৃত্যু নিশ্চিত। এই সুড়ঙ্গে অবাঞ্ছিতভাবে প্রবেশ করা ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাবার জন্যই এই ব্যবস্থা। ত্রিপুরারিদেবের অবশ্য এ পথ চেনা। প্রতি পক্ষকালে পানীয় জলের কলস আর খাদ্যদ্রব্য নিয়ে এ পথে আসতে হয় তাকে। মাত্র তিন দিবস আগেই তিনি এ পথে এসেছিলেন। সেই সর্পিল সুড়ঙ্গ অতিক্রম করে তিনি এক সময় উপস্থিত হলেন এক কক্ষে।

    কৃষ্ণবর্ণের পাথরের তৈরি কক্ষ। এ কক্ষের ঠিক মাথার উপরই গর্ভগৃহের অবস্থান। কক্ষে কোনও বিগ্রহ না থাকলেও একটা ক্ষুদ্রাকৃতি বেদি আছে। প্রধান পুরোহিত সেই বেদির সামনে উপবেশন করে প্রদীপটা মাটিতে নামিয়ে রাখলেন। তারপর দু-হাতে বেদিটা ঠেলতেই বেদিটা একপাশে সরে গেল। উন্মুক্ত হল একটা গহ্বর। এই গহ্বর দিয়েই প্রতি পক্ষকালে একবার পানীয় জলের কলস আর খাদ্যদ্রব্য রজ্জুবদ্ধ করে নামিয়ে দেন নীচের আরও একটি অন্ধকার কক্ষে।

    সে কক্ষের কথা মন্দিরের অধ্যক্ষ আর প্রধান পুরোহিত ব্যতীত কেউ কোনওদিন জানতে পারে না। প্রধান পুরোহিত বা অধ্যক্ষের মৃত্যু আসন্ন হলে তারা তাদের উত্তরসূরী অধ্যক্ষ বা প্রধান পুরোহিতকে সোমেশ্বরকে স্পর্শ করিয়ে, মন্ত্রগুপ্তির শপথ বাক্য পাঠ করিয়ে জানিয়ে দেন এ কক্ষের কথা। ত্রিপুরারিদেবও সে ভাবেই জেনেছেন।

    মন্দিরের অধ্যক্ষের মৃত্যু ঘটেছে। নতুন অধ্যক্ষ এখনও নির্বাচিত হননি। তাই ত্রিপুরারিদেবই এই মন্দিরের একমাত্র জীবিত ব্যক্তি যিনি এ কক্ষের কথা জানেন। মন্দিরের নতুন অধ্যক্ষ নির্বাচিত হলে অবশ্য ত্রিপুরারিদেবকেই তাকে অবগত করতে হবে এই গুপ্ত কথা। কারণ উত্তরসূরী নির্বাচিত হবার আগেই মৃত্যু ঘটেছিল পূর্বতন অধ্যক্ষের। গহ্বরের নীচে জমাটবাঁধা অন্ধকার। গহ্বরের মুখটাতে ঝুঁকে পড়ে ত্রিপুরারিদেব বললেন, ‘তুমি কোথায়? আমি এসেছি।’

    নীচ থেকে একটা অস্পষ্ট শব্দে ভেসে এল, ‘এইতো আমি। প্রভু আপনি এসেছেন!’

    ওপর থেকে সেই ভূগর্ভস্থ কক্ষের অন্ধকারে কিছু দৃষ্টিগোচর না হলেও মৃদু শব্দ শুনে ত্রিপুরারিদেব বুঝতে পারলেন গহ্বরের ঠিক নীচে এসে দাঁড়িয়েছে যে, তার ডাকে সাড়া দিল সেই মানুষ।

    প্রধান পুরোহিত প্রথমে তাকে প্রশ্ন করলেন, ‘তোমার কি খাদ্যপানীয়র অভাব ঘটেছে?’

    ‘না।’ জবাব এল নীচ থেকে।

    ‘তুমি কি রোগগ্রস্থ?’ আবার প্রশ্ন করলেন প্রধান পুরোহিত।

    আবারও জবাব এল, ‘না।’

    ত্রিপুরারিদব এবার মৃদু বিস্মিত ভাবে প্রশ্ন করলেন, ‘তবে তুমি ঘণ্টাধ্বনি করে আমাকে আহ্বান করলে কেন?’

    ত্রিপুরারিদেবের যে রজ্জুবদ্ধ ঘণ্টা আছে তার রজ্জুর প্রান্তভাগ লোকচক্ষুর আড়ালে এই গোপালকক্ষের ভিতর শেষ হয়েছে। নীচে যে আছে সে দড়ি ধরে টান দিলে মাথার ওপরে প্রধান পুরোহিতের কক্ষে ঘণ্টাটা বেজে ওঠে। এভাবেই নীচের লোকটা সংকেত পাঠায় প্রধান পুরোহিতকে। সে সংকেত ধ্বনি শুনে এখানে উপস্থিত হয়েছেন পুরোহিত শ্রেষ্ঠ।

    ত্রিপুরারিদেবের প্রশ্ন শুনে মৃদু চুপ করে থেকে নিচের লোকটা বলল, ‘আমি এই অন্ধকারের প্রহরী হয়ে আছি দ্বাদশ বৎসর ধরে। আর কতকাল আমাকে এখানে থাকতে হবে? আমার কি মুক্তি হবে না?’

    ত্রিপুরারিদেব প্রথমে তার উদ্দেশ্যে বললেন, ‘তুমি কিন্তু সোমেশ্বর মহাদেবের নামে শপথ নিয়ে স্বেচ্ছায় এ কার্যভার গ্রহণ করেছিলে। তুমি যে দায়িত্ব পালন করছ তার জন্য তোমার আর তোমার ঊর্ধ্বতন চতুর্দশ পুরুষের স্বর্গবাস নিশ্চিত। এ সৌভাগ্য রাজা-মহারাজাও লাভ করতে পারেন না। এমনকী, আমিও নই।’

    তাঁর বক্তব্য শুনে সেই অন্ধকারের প্রহরী কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, ‘এসব কথা আমি জানি প্রভু। কিন্তু আমি আর একলা থাকতে পারছি না। আপনাকে কথাটা জানাব ভেবেও এতদিন সংকোচে বলতে পারিনি। আজ বললাম। কদিন ধরে প্রচণ্ড একাকিত্ব আমাকে গ্রাস করছে। মাথায় আত্মহননের ভাবনা আসছে…।’

    এ কথা শোনার পরই তাকে থামিয়ে দিয়ে ত্রিপুরারিদেব বলে উঠলেন, ‘স্তব্ধ হও। এ কথা মনে স্থান দিও না। এ কক্ষে আত্মহনন করলে কোনও দিন তোমার মুক্তি হবে না। এ কক্ষকে অপবিত্র করার অপরাধে অনন্ত নরকবাস হবে তোমার।’

    ত্রিপুরারিদেবের কথা শুনে লোকটা যেন অস্পষ্ট ভাবে বলল, ‘নরক কি এ কক্ষের থেকেও বেশি ভয়ঙ্কর?’

    ত্রিপুরারিদেব বললেন, ‘কী বললে তুমি?’

    কিন্তু নীচ থেকে কোনও সাড়া এল না। তবে লোকটার কথা শঙ্কা জাগাল প্রধান পুরোহিতের মনে। এই অন্ধকারের প্রহরী যদি সত্যি আত্মহননের পথ বেছে নেয় তখন? যেমন কেউ কেউ বেছেছে ইতিপূর্বে। একটু ভেবে নিয়ে প্রধান পুরোহিত এরপর নরম স্বরে তার উদ্দেশ্যে বললেন, ‘তুমি সোমেশ্বরের প্রহরী, এ সব ভাবনা মনে স্থান দিও না। মহাদেবের আশীর্বাদে হয়তো-বা আর কিছুকালের মধ্যেই মুক্তি ঘটতে চলেছে তোমার। দ্বাদশ বৎসরকাল যাবৎ যে কঠিন দায়িত্ব সম্পাদন করেছ তুমি, তার থেকে মুক্তি ঘটবে তোমার।’

    কথাটা শুনে অন্ধকারের প্রহরী যেন মৃদু উৎফুল্ল হয়ে বলল, ‘আপনি সত্যি বলছেন প্রভু? মুক্তি ঘটবে আমার?’

    ত্রিপুরারিদেব বললেন, ‘হ্যাঁ। সোমেশ্বরদেব তেমনই ইচ্ছা প্রকাশ করছেন বলে আমার ধারণা। মহাদেবের কাছে তোমার মুক্তি প্রার্থনা করো। তিনি যেন তোমার মুক্তির পথ প্রশস্ত করেন। তোমার আর কিছু বলার আছে? এবার আমাকে প্রস্থান করতে হবে।’

    অন্ধকারের প্রহরী জবাব দিল, ‘না, প্রভু, আর কিছু নিবেদন নেই আমার। সোমেশ্বর মহাদেব যেন আমার ডাকে সাড়া দেন।’ এ কথা বলে থেমে গেল লোকটা।

    ত্রিপুরারিদেব বেদিটা পূর্ব স্থানে ঠেলে দিয়ে সেই গহ্বরটা আবার ঢেকে দিলেন। তারপর প্রদীপটা নিয়ে উঠে দাঁড়ালেন ফেরার জন্য। যেমন সবার অগোচরে তিনি মন্দিরের গর্ভগৃহতে প্রবেশ করেছিলেন, তেমনই সবার অগোচরে কিছু সময়ের মধ্যেই গর্ভগৃহর বাইরে বেরিয়ে কপাট টেনে দিলেন প্রধান পুরোহিত ত্রিপুরারিদেব। তারপর তিনি রওনা হলেন তাঁর কক্ষের দিকে। শুকতারা ফুটে ওঠার আগেই অবশ্য তাকে আবার ফিরে আসতে হবে এই স্থানে। সোনার শিকল বাজিয়ে মন্দিরবাসীদের নিদ্রাভঙ্গ করার জন্য।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরানি হাটশেপসুটের মমি – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    Next Article ভয় ভয়ঙ্কর – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    Related Articles

    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    বিষ্ণুলোকে সন্ধ্যা নামে – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    March 20, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    সাদা বিড়াল – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    January 31, 2026
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    নেকড়ে খামার – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ১ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 10, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র ২ – হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত

    জাদুকর সত্যচরণের জাদু কাহিনি – হিমাদ্রি কিশোর দাশগুপ্ত

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026
    Our Picks

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }