Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্কুলের নাম পথচারী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প117 Mins Read0
    ⤷

    ০১. তোমরা মনে করতে পার

    স্কুলের নাম পথচারী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ০১.

    তোমরা মনে করতে পার এই গল্পটা বুঝি বানানো, কিন্তু আমি আগেই বলে দিই এটা বানানো গল্প না। যে-মানুষগুলিকে নিয়ে এই গল্প তাঁরা নিজেরা আমাকে এই গল্পটা বলেছেন-তারা তো খামোখা আমার কাছে গুলপট্টি মারবেন না! আমার অবিশ্যি নিজে থেকে তোমাদের এই কথাটা বলে দেয়ার কোনো দরকার ছিল, না কারণ তোমরা একটু শুনলেই বুঝতে পারবে এর মাঝে কোনো ফাঁকিঝুঁকি নেই।

    যেই মানুষগুলিকে নিয়ে এই গল্প তার প্রথমজনের নাম ফরাসত আলি। ফরাসত আলি মানুষটার মাঝে কোনো মারপ্যাঁচ নেই। তিনি বেশি মোটাও না আবার তিনি বেশি শুকনোও না। তিনি বেশি লম্বাও না আবার বেশি খাটোও না। তিনি বেশি বোকাও না আবার বেশি চালাকও না। তাকে যদি তোমরা কোনোদিন রাস্তায় দেখ হয়তো বুঝতেই পারবে না যে মানুষটা ফরাসত আলি। কিন্তু যারা তাকে চেনে তাদের বুঝতে কোনো অসুবিধে হয় না, তার এক নম্বর কারণ ফরাসত আলির একটা মজার অভ্যাস আছে। প্রত্যেক বছর যখন খুব গরম পড়ে ফরাসত আলি তখন চুল-দাড়ি কামিয়ে পুরোপুরি ন্যাড়া হয়ে যান, তখন তাকে দেখায় মুসোলিনির মতো। আবার যখন শীত পড়তে শুরু করে তখন তিনি দাড়িগোঁফ কামানো বন্ধ করে দেন আর তখন তাঁকে দেখায় কাল মার্ক্সের মতো।

    গত বছর শীতের শেষে যখন গরম পড়তে শুরু করেছে তখন একদিন ফরাসত আলির চুল-দাড়ি কুটকুট করতে শুরু করল, তিনি বুঝতে পারলেন তাঁর চুল-দাড়ি কাটার সময় হয়েছে। তখন-তখনই তিনি তার নাপিতের দোকানে রওনা দিলেন, গিয়ে দেখেন সেখানে লম্বা লাইন। কোনো কারণে সবাই সেদিন চুল কাটাতে এসেছে। কতক্ষণ আর ফরাসত আলি বসে থাকবেন তাই তিনি দোকানে গেলেন একটা রেজর কিনতে।

    বড় মনোহারী দোকান, খদ্দেরের খুব বেশি ভিড় নেই। ফরাসত আলি দোকানিকে বললেন, “ভাই, ভালো দেখে একটা রেজর দেন দেখি।”

    দোকানি মানুষটা অবাক হয়ে বলল, “সত্যি?”

    ফরাসত আলি ঠিক বুঝতে পারলেন না দোকানি এত অবাক হল কেন, তবুও মাথা নেড়ে বললেন, “সত্যি।”

    দোকানি তার বাক্স খুলে কী-একটা কাগজ বের করে সেখানে কীসব লেখালেখি করতে শুরু করল। ফরাসত আলি ঠিক বুঝতে পারলেন না কী হচ্ছে, তবু তিনি ধৈর্য ধরে দাঁড়িয়ে রইলেন। দোকানি অনেকক্ষণ লেখালেখি করে তাঁকে কয়েকটা কাগজ ধরিয়ে দিয়ে বলল, “এই যে নেন, একশোটা।”

    “একশোটা কী?”

    “লটারির টিকেট।” ফরাসত আলি অবাক হয়ে বললেন, লটারির টিকেট?”

    “হ্যাঁ। একটা পাঁচ টাকা করে একশোটার দাম পাঁচশো টাকা।”

    ফরাসত আলি ঠিক বুঝতে পারলেন না কী হচ্ছে, তিনি মাথা নেড়ে বললেন, “কিন্তু লটারির টিকেট কেন?”

    দোকানি অবাক হয়ে বলল, “এই যে আপনি চাইলেন!”

    “আমি চাইলাম?”

    “হ্যাঁ–”

    ”কখন?”

    “এই তো এক্ষুনি। বললেন একশোটা লটারির টিকেট।”

    “মোটেই না! আমি বলেছি রেজর। দাড়ি কামানোর রেজর।”

    দোকানি চোখ কপালে তুলে বলল, “রেজর? আপনি মোটেও রেজর বলেননি। বলেছেন একশোটা লটারির টিকেট।”

    ফরাসত আলি মুখ শক্ত করে বললেন, “আমি বলি নাই।”

    “বলেছেন।” দোকানি তখন আশেপাশে দাঁড়ানো লোকজনকে সাক্ষী মানতে শুরু করল, “ইনি বলেছেন না?”

    উপস্থিত লোকজন তিন ভাগে ভাগ হয়ে গেল। এক ভাগ বলল, বলেছেন, এক ভাগ বলল বলেন নাই, অন্য আরেক ভাগ বলল, তিনি হয়তো বলেছেন ‘রেজর’ কিন্তু তার মুখে এত দাড়ি-গোঁফ থাকায় সেটা শোনা গেছে লটারির টিকেট’। সেটা কীভাবে সম্ভব ফরাসত আলি ঠিক বুঝতে পারলেন না, কিন্তু তিনি সেটা নিয়ে মাথা-ঘামালেন না। খুব গম্ভীর হয়ে বললেন, “ঠিক আছে, আমি কী বলেছি আর আপনি কী শুনেছেন সেটা নিয়ে তর্ক করে লাভ নেই। আমি লটারি খেলি না, আমার লটারির টিকেটের দরকার নেই। আমাকে আমার রেজর দেন, আমি যাই।”

    দোকানি মুখ কালো করে বলল, “কিন্তু লটারির টিকেট সাইন হয়ে গেলে ফেরত নেওয়ার নিয়ম নেই। এখন এইগুলি আপনাকে নিতেই হবে।”

    “কিন্তু আমি লটারি খেলি না।”

    “একবার খেলে দেখেন। ভাগ্যের ব্যাপার, লেগে গেলে এক ধাক্কায় তিরিশ লাখ টাকা। তা ছাড়া টিকেট সাইন হয়ে গেছে, এখন তো নিতেই হবে।”

    ফরাসত আলি একবার ভাবলেন রেগে যাবেন, কিন্তু তিনি কখনোই বেশি রেগে যান না, তাই এবারেও বেশি রাগলেন না, মেঘস্বরে বললেন, “যদি না নিই?”

    দোকানি তখন খুব মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, “তা হলে সবগুলি আমার নিজের কিনতে হবে। আমি গরিব মানুষ, খামোখা এতগুলি লটারির টিকেট কিনে

    কী করব?”

    ফরাসত আলি কী ভেবে লটারির টিকেটগুলি নিলেন। মানিব্যাগে সেদিন পাঁচশো টাকা ছিল, দুদিন আগেই বেতন পেয়েছেন। পাঁচশো টাকা এভাবে বের হয়ে যাবার পর তার সারা মাসে টাকার টানাটানি হয়ে যাবে, কিন্তু এখন কিছু করার নেই। টাকা গুনে ফরাসত আলি যখন বের হয়ে আসছিলেন দোকানি জিজ্ঞেস করল, “রেজর নিবেন না?”

    ফরাসত আলি কোনো কথা না বলে মাথা নাড়লেন, তার এখন আর রেজর কেনার ইচ্ছা নেই। তা ছাড়া তাঁর ভয় হচ্ছিল তিনি যদি মুখ ফুটে কিছু-একটা বলেন দোকানি সেটাকে অন্যকিছু একটা শুনে ফেলে আবার তাঁকে কিছু-একটা গছিয়ে দেবে। তিনি যখন বের হয়ে আসছিলেন দোকানি নরম গলায় বলল, “স্যার, রাগ হবেন না আমার উপর। এই লটারির টাকায় ঘূর্ণিঝড়ের আশ্রয় কেন্দ্র বানানো হবে। যদি লটারি না জেতেন মনে করবেন সকাজে দান করলেন। তা ছাড়া লটারির টিকেট সবাই কিনতে চায়-আপনি যদি নিজে একশোটা রাখতে না চান বন্ধুবান্ধবের কাছে বিক্রি করতে পারেন, দেখবেন একেবারে ইলিশ মাছের মতো বিক্রি হয়ে যাবে।”

    ফরাসত আলি প্রথম কয়েকদিন তাঁর লটারির টিকেট বিক্রি করার চেষ্টা করলেন কিন্তু সেগুলি ইলিশ মাছের মতো বিক্রি হল না। রইসউদ্দিন নামে তাঁর একজন প্রফেসর-বন্ধু আছে, তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “ভুল করে আমি একশোটা লটারির টিকেট কিনে ফেলেছি। তুমি কি কয়টা কিনতে চাও?

    তাঁর প্রফেসর-বন্ধু জিজ্ঞেস করলেন, “নাম্বার কত?”

    “নাম্বার?”

    “হ্যাঁ।”

    “কিসের নাম্বার?”

    “লটারির টিকেটে সবসময় নাম্বার থাকে জান না?”

    ফরাসত আলি তখন টিকেটগুলি বের করে নাম্বার দেখলেন। প্রথমটার নাম্বার চ-১১১১১১১১। তার বন্ধু রইসউদ্দিন নাম্বারটা দেখে গম্ভীর হয়ে বললেন, “জাল টিকেট।”

    “জাল?”

    “হ্যাঁ।”

    “কেন?”

    “কখনো লটারির টিকেটের নাম্বার এরকম হয় না। চ-এর পরে আটটা এক এটা অসম্ভব ব্যাপার। আমি অঙ্কের প্রফেসর, আমি এসব জানি। পোভাবিলিটি বলে একটা কথা আছে তার নিয়ম অনুযায়ী এটা অসম্ভব।”

    ফরাসত আলি সেটা নিয়ে বেশি তর্ক করলেন না। তিনি অঙ্ক ভালো বোঝেন না। পরদিন তাঁর দেখা হল এমাজউদ্দিনের সাথে, এমাজউদ্দিন তার বেশ

    অনেকদিনের বন্ধু, কাস্টমসে চাকরি করে। ফরাসত আলি বললেন, “আমার কাছে কিছু লটারির টিকেট আছে, ভুল করে কিছু কিনে ফেলেছি। তুমি কি কয়েকটা কিনতে চাও?”

    “কত টাকার লটারি?”

    ফরাসত আলি মাথা চুলকে বললেন, “মনে হয় তিরিশ লাখ টাকার।”

    এমাজউদ্দিন তার বিদেশি সিগারেটে টান দিয়ে বললেন, “মাত্র তিরিশ লাখ? বেশি টাকা না হলে আমি লটারি খেলি না।”

    ফরাসত আলি ভয়ে ভয়ে বললেন, “তিরিশ লাখ টাকা বেশি হল না?”

    ধুর! তিরিশ লাখ একটা টাকা হল নাকি? এক দুই লাখ টাকা তো আমার হাতের ময়লা।”

    ফরাসত আলির কাস্টমসের বন্ধু এমাজউদ্দিন একটু পরে বললেন, “আর তুমি কেমন করে জান এটা তিরিশ লাখ টাকার লটারি? হয়তো আরও কম।”

    ফরাসত আলি মাথা চুলকে বললেন, “কম হওয়ার তো কথা না। একটা টিকেটের নাম্বার চ, তার পরে আটটা এক। এত বড় যদি নাম্বার হয় তার মানে অনেক বড় লটারি–”

    এমাজউদ্দিন সিগারেটের ধোঁয়া ছেড়ে বললেন, “এগুলি লোক-ঠকানোর বুদ্ধি-মনে হয় সস্তা লটারি। হাজার দুই হাজার টাকার! হা হা হা–”

    ফরাসত আলি তবু হাল ছাড়লেন না। তাঁর একজন ডাক্তার-বন্ধু আছেন, তাঁকেও একদিন জিজ্ঞেস করলেন, “আমার কাছে কিছু বাড়তি লটারির টিকেট আছে, তুমি কি কিনতে চাও?”

    তাঁর ডাক্তার-বন্ধুর নাম তালেব আলি, তিনি হেহে করে হেসে বললেন, “রইসউদ্দিন আমাকে বলেছে, তুমি নাকি অনেকগুলি জাল টিকেট নিয়ে ফেঁসে গেছ! টিকিটের নাম্বার নাকি চ, তার পরে আটটা এক! রইসউদ্দিন অঙ্কের প্রফেসর–আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছে জাল টিকেটে সবসময় এরকম নাম্বার হয়। সত্যিকার টিকেটে নাম্বারগুলি হয় সব সংখ্যা দিয়ে!”

    ফরাসত আলি শেষ চেষ্টা করলেন তাঁর অ্যাডভোকেট-বন্ধু আব্বুল করিমের কাছে। আব্বুল করিম মাথা নেড়ে বললেন, “আমার সাথে এমাজউদ্দিনের দেখা হয়েছিল। এমাজউদ্দিন বলেছে এটা নাকি কম পয়সার লটারি, এই টিকেট কেনা মানে মাছি মেরে হাত কালো করা।”

    ফরাসত আলি তখন হাল ছেড়ে দিলেন। একবার ভাবলেন রেগেমেগে টিকেটগুলি নর্দমায় ফেলে দেবেন, কিন্তু কী ভেবে শেষ পর্যন্ত ফেললেন না, তোশকের নিচে রেখে দিলেন। সেদিন রাতে তাঁর বন্ধু ফারুখ বখতের সাথে দেখা হল। ফারুখ বখত তার ছেলেবেলার বন্ধু, ভবিষ্যতে কী করবেন সেটা নিয়ে সবসময় চিন্তাভাবনা করেন বলে এমনিতে বিশেষ কাজকর্ম করার সময় পান না। তিনি অসম্ভব শুকনো, মাথার চুলগুলি ঝোড়োকাকের মতে, মুখে বেমানান অনেক বড় বড় গোঁফ। এমনিতে তাকে দেখলে মনে হয় বুঝি অনেক রাগী কিন্তু ফারুখ বখত খুব ঠাণ্ডা মেজাজের মানুষ। ফারুখ বখত আর ফরাসত আলি একেবারে ছেলেবেলার বন্ধু বলে একজন আরেকজনকে তুই তুই করে বলেন। ফরাসত আলিকে দেখে তিনি একগাল হেসে বললেন, “ফরাসত, তুই নাকি অনেকগুলি লটারির টিকে কিনে ফেঁসে গেছিস?”

    “তুই কেমন করে জানিস?”

    “সবাই জানে! রইসউদ্দিন বলেছে। এমাজউদ্দিন বলেছে। একটা টিকেটের নাম্বার নাকি চ ১১১১১১১১?”

    ফরাসত আলী মাথা নাড়লেন, বললেন, “হ্যাঁ!”

    “একশোটা টিকেট তুই কেন কিনলি?”

    ফরাসত আলি তখন তাঁকে সবকিছু খুলে বললেন-কেমন করে তাঁকে লটারির টিকেট কিনতে হল তার পুরো বৃত্তান্ত। সব শুনে ফারুখ বখত বললেন, “মন খারাপ করিস না। ধরে নে টাকাটা দান করেছিস। লটারির টাকা দিয়ে ঘূর্ণিঝড়ের আশ্রয় কেন্দ্র বানানো হবে, অনেক বড় সৎকাজ।”

    “তবুও এতগুলি টাকা খামোখা”

    “ঠিক আছে পঞ্চাশটা আমাকে দিস।”

    “পঞ্চাশটা?”

    “হ্যাঁ। বাকিতে। এখন পকেটে টাকা নেই, যখন হবে দিয়ে দেব।”

    .

    পরের শনিবার ব্যাপারটা ঘটল। অঙ্কের প্রফেসর রইসউদ্দিন সকালে খবরের কাগজ খুলে দেখলেন লটারির ফল বের হয়েছে। প্রথম পুরস্কার তিরিশ লাখ টাকা যে-টিকেটটা লটারী পেয়েছে তার নাম্বার চ ১১১১১১১১! চ-য়ের পর আটটা এক। অঙ্কের প্রফেসর দুইবার গুনে মাথা ঘুরে পড়ে গেলেন।

    তার স্ত্রী চোখে মুখে পানির ঝাঁপটা দিয়ে তার জ্ঞান ফিরিয়ে এনে জিজ্ঞেস করলেন, “কী হয়েছে গো? রাডপ্রেশারটা আবার বেড়েছে?”

    রইসউদ্দিন বুক চাপড়ে বললেন, “না গো ব্লাডপ্রেশার না! ত্রিশ লাখ টাকা এই হাতের ফাঁক দিয়ে বের হয়ে গেছে। ত্রিশ লাখ টাকা!”

    “কেমন করে?”

    রইসউদ্দিন তখন তাঁর স্ত্রীকে সবকিছু খুলে বললেন, শুনে তাঁর স্ত্রী মাথা ঘুরে পড়ে যেতে যেতে কোনোমতে একটা চেয়ার ধরে নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন, “এখনও সময় আছে–

    “কী সময়?”

    “ফরাসত আলি সাদাসিধে মানুষ, এখনও নিশ্চয়ই খোঁজ পায়নি। দৌড়ে তার বাসায় গিয়ে দ্যাখো টিকেটগুলি কিনে আনতে পার কি না–”

    “রইসউদ্দিন তখনই ইলেকট্রিক শক খাওয়ার মতো চমকে উঠে বললেন, ঠিক বলেছ। তুমি ঠিক বলেছ।”

    তিনি তখন লাফিয়ে উঠে কোনোমতে জামাকাপড় পরে ছুটলেন ফরাসত আলির বাড়িতে। তাঁর স্ত্রী পিছন থেকে চিৎকার করে বললেন, “খালিহাতে যেও

    খবরদার! দুই কেজি মিষ্টি কিনে নিয়ে যেও।”

    ফরাসত আলি অনেক দেরি করে ঘুম থেকে উঠে মাত্র এক কাপ চা তৈরি করে চুমুক দিয়েছেন ঠিক তখন দরজায় শব্দ হল। দরজা খুলে দেখেন তাঁর বন্ধু রইসউদ্দিন, হাতে মিষ্টির বাক্স। তিনি অবাক হয়ে বললেন, “আরে প্রফেসর সাহেব! কী মনে করে?”

    রইসউদ্দিন আমতা আমতা করে বললেন, “এই তো মানে ইয়ে ভাবলাম অনেকদিন দেখা হয় না।”

    “এই তো সেদিন দেখা হল, মনে নেই? লটারির টিকেট

    “ও! হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ, প্রফেসর রইসউদ্দিন অনেকবার মাথা নেড়ে বললেন, সেদিন তুমি বললে তাই ভাবলাম তোমার কাছ থেকে লটারির টিকেটগুলি কিনেই নিই।”

    ফরাসত আলি খুশি হলে বললেন, “কিনবে?”

    “হ্যাঁ হ্যাঁ, কিনব।”

    “কয়টা?”

    “তুমি যদি বল তাহলে সবগুলি।”

    “সবগুলি?” ফরাসত আলি একটু অবাক হলেন এবং তার হঠাৎ একটু সন্দেহও হল। জিজ্ঞেস করলেন, “সবগুলি কিনবে?”

    “হ্যাঁ। এত একটা ভালো কাজের জন্যে লটারি।”

    “কিন্তু সেদিন তুমি না বললে জাল?”

    “জাল হলে হবে! রইসউদ্দিন উদারভাবে হেসে বললেন, ভালো কাজে জাল জুয়াচুরির ভয় করতে হয় না।

    ফরাসত আলি বললেন, “ঠিক আছে তুমি যদি কিনতে চাও কেনো।” তিনি গিয়ে তার ভোশক তুলে দেখলেন টিকেটগুলি নেই। তখন মনে পড়ল দুদিন আগে তোশকগুলি রোদে দিয়েছিলেন, তখন লটারির টিকেটগুলি বের করে একটা বইয়ের মাঝে রেখেছিলেন। কোন বইয়ের মাঝে রেখেছিলেন সেটা এখন মনে করতে পারলেন না। ফরাসত আলি খানিকক্ষণ কয়েকটি বইয়ের মাঝে খুঁজে হাল ছেড়ে দিয়ে বললেন, “ধুর, এখন খোঁজাখুঁজি করতে ইচ্ছে করছে না। তুমি বিকেলবেলা এসো আমি খুঁজে বের করে রাখব।”

    রইসউদ্দিন ফরাসত আলির দুই হাত ধরে প্রায় কেঁদে ফেলে বললেন, “সত্যি? সত্যি?”

    ফরাসত আলি একটু অবাক হয়ে বললেন, “সত্যি।

    রইসউদ্দিন তখন তার পকেট থেকে পাঁচশো টাকা বের করে ফরাসত আলির হাতে দিয়ে বললেন, “এই যে, একটা টিকেট পাঁচ টাকা করে একশোটা টিকেটের জন্যে পাঁচশো টাকা।”

    ফরাসত আলি টাকাটা খানিকক্ষণ হাতে রেখে আবার কী মনে করে রইসউদ্দিনকে ফিরিয়ে দিয়ে বললেন, “এখন দিতে হবে না, বিকালে দিও?”

    রইসউদ্দিন খানিকক্ষণ ঝোলাঝুলি করে শেষ পর্যন্ত বিদায় নিলেন। ফরাসত আলি দরজা বন্ধ করে ফিরে আসছিলেন তখন আবার দরজায় শব্দ হল, দরজা খুলে দেখেন তার কাস্টমসের বন্ধু এমাজউদ্দিন। এমাজউদ্দনের হাতে একটা বিশাল রুইমাছ। ফরাসত আলি অবাক হয়ে বললেন, “আরে এমাজউদ্দিন, তুমি

    এত বড় রুইমাছ নিয়ে কোথায় যাও?”

    “তোমার কাছে এসেছি। ভাবলাম অনেকদিন দেখা নেই, একটু দেখা করে আসি।”

    “কে বলল দেখা নেই? এই তো সেদিন দেখা হল!”

    “তা বটে!” এমাজউদ্দিন একটু বোকার মতো হেসে হাতের মাছটা দেখিয়ে বললেন, “সস্তায় পেয়ে গেলাম মাছটা, তোমার জন্যে নিয়ে এলাম।”

    ফরাসত আলি বললেন, “কী আশ্চর্য! আজকে সবাই দেখি আমার জন্যে কিছু-না-কিছু নিয়ে আসছে!”

    এমাজউদ্দিন ইলেকট্রিক শক খাওয়ার মতো চমকে উঠে বললেন, “আর কে এসেছে?”

    “প্রফেসর রইসউদ্দিন।” এমাজউদ্দিন ছোট ছোট চোখ করে জিজ্ঞেস করলো, “কেন এসেছিল?”

    “লটারির টিকেট কিনতে।”

    “তু-তু-তুমি দিয়ে দিয়েছ?”

    “এখনও দিইনি।”

    এমাজউদ্দিন একবারে হাতজোড় করে বললেন, “রইসকে দিও না, প্লিজ আমাকে দাও। আমি সবগুলি কিনে নেব ডবল দাম দিয়ে। এই দ্যাখো নগদ দিয়ে দিচ্ছি”

    এমাজউদ্দিন পকেট থেকে টাকা বের করছিলেন ফরাসত আলি তাঁকে থামালেন, বললেন, “এখন দেয়ার দরকার নেই, বিকেলবেলা দিও। আমি আগে টিকেটগুলি খুঁজে বের করে রাখি।”

    এমাজউদ্দিন ফরাসত আলির দুই হাত ধরে প্রায় কেঁদে ফেলে বললেন, “দেবে তো আমাকে টিকিটগুলি? দেবে তো?”

    ফরাসত আলি চিন্তিত মুখে বললেন, “দেখি।”

    এমাজউদ্দিন চলে যাবার পর দরজা বন্ধ করার আগেই ফরাসত আলি দেখতে পেলেন ডাক্তার আবু তালেব আর অ্যাডভোকেট আব্বুল করিম হন্তদন্ত হয়ে আসছেন। আবু তালেবের পিছনে একটা ছোট ছেলে, তার মাথায় একঝাঁকা কমলা। আব্বুল করিমের হাতে একটা প্যাকেট, প্যাকেটের ভিতরে কি বোঝা যাচ্ছে না তবে দোকানের নাম দেখে বোঝা যাচ্ছে ভিতরে নিশ্চয়ই নতুন শার্ট। দুজনের মুখেই একধরনের বিগলিত হাসি এবং তারা কিছু বলার আগেই ফরাসত আলি টের পেয়ে গেলেন তারা কী বলবেন।

    হঠাৎ করে তার একটা বিচিত্র সন্দেহ হতে শুরু করল।

    .

    ফারুখ বখত সবসময় খবরের কাগজ খুব খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়েন, কিছুই ছেড়ে দেন না। হারানো বিজ্ঞপ্তি থেকে শুরু করে স্বপ্নপ্রদত্ত ঔষধ, মশাল মিছিল থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি সবকিছু তিনি খুব শখ করে পড়েন। তিনি কিছুই বাদ দেন না বলে লটারির টিকেট পর্যন্ত যেতে তার একটু দেরি হল কিন্তু যেই তিনি বিজয়ী টিকেটের নাম্বারটি পড়লেন তার চোখ ছানাবড়া হয়ে গেল। নাম্বারটি দ্বিতীয়বার পড়ে তিনি চিৎকার করে লাফিয়ে উঠলেন, তারপর খরের কাগজটা হাতে নিয়ে সেই অবস্থায় ফরাসত আলির বাসার দিকে ছুটতে শুরু করলেন। বড় রাস্তার মোড়ে এসে তার একটা স্যান্ডেল ছিঁড়ে গেল, তিনি বটা ফেলে এক পায়ে স্যান্ডেল পরে ছুটতে লাগলেন। খানিকক্ষণ পর অন্য স্যান্ডেলের ফিতা খুলে গেল, তিনি তখন সেটা ছুঁড়ে ফেলে খালিপায়ে ছুটতে লাগলেন। স্কুলের কাছে এলে তার শার্ট একটা দোকানের ঝাঁপিতে লেগে পটপট করে সবগুলি বোতাম ছিঁড়ে গেল, তিনি হৃক্ষেপ করলেন না। বাজারের কাছে আসতেই ঘেয়ো কুকুরগুলি ঘেউঘেউ করে তাঁকে খানিকক্ষণ তাড়া করল, তিনি সেটা টেরও পেলেন না। দৌড়ে ফারুখ বখত যখন ফরাসত আলির বাসার কাছে পৌঁছালেন তখন তার লুঙ্গি খুলে এল। তিনি দুই হাতে লুঙ্গি শক্ত করে ধরে ছুটতে ছুটতে কোনোরকমে তার বাসায় পৌঁছলেন। ফরাসত আলির দরজা খোলা ছিল, তিনি ভিতরে ঢুকে দড়াম করে মেঝেতে আছাড় খেয়ে পড়লেন।

    ফরাসত আলি শব্দ শুনে ছুটে এসে ফারুখ বখতকে এভাবে দেখে একেবারে আঁতকে উঠলেন। একটা হাতপাখা এনে বাতাস করতে করতে জিজ্ঞেস করলেন, “ফারুখ কী হয়েছে? কী হয়েছে তোর?”

    ফারুখ বখত বড় বড় নিঃশ্বাস নিতে নিতে বললেন, “ল-ল-ল-”

    “ল-ল-ল–কী?”

    ফারুখ বখত আরও খানিকক্ষণ নিঃশ্বাস নিয়ে কোনোমতে বললেন, “টা-টা টা–”

    ফরাসত আলি কিছু বুঝতে না পেরে অবাক হয়ে তার ছেলেবেলার বন্ধুর দিকে তাকিয়ে রইলেন। ফারুখ বখত সবসময়েই একটু পাগলাটে ছিলেন, ফরাসত আলির সন্দেহ হতে লাগল হয়তো এখন পুরোপুরি পাগল হয়ে গেছেন।

    মিনিট পাঁচেক পর ফারুখ বখত ধাতস্ত হয়ে বললেন, “লটারি-লটারি?”

    “লটারি?”

    “হ্যাঁ। তোর লটারির টিকেট–”

    ”কি হয়েছে আমার লটারির টিকেট?”

    ”তোর টিকেট তিরিশ লক্ষ টাকা জিতেছে।”

    শুনে ফরাসত আলি মাথা ঘুরে পড়ে যাচ্ছিলেন, কোনোমতে ফারুখ বখতকে ধরে সামলে নিলেন। বড় বড় কয়েকটা নিঃশ্বাস নিয়ে বললেন, “কী বললি? কী বললি?”

    “তুই তিরিশ লক্ষ টাকা জিতেছিস লটারিতে!”

    “সত্যি?”

    “সত্যি। এই দ্যাখ খবরের কাগজে উঠেছে! চ ১১১১১১১১।”

    ফরাসত আলি খবরের কাগজটা দেখে মাটিতে বসে পড়লেন। তাঁর হাত অল্প অল্প কাঁপতে লাগল, তাঁকে দেখে মনে হতে লাগল তার শরীর খারাপ হয়ে গেছে, এখনই বুঝি হড়হড় করে বমি করে দেবেন। দেখে ফারুখ বখত একটু ঘাবড়ে গেলেন, ফরাসত আলিকে আস্তে একটু ধাক্কা দিয়ে বললেন, “কী হল তোর?”

    ফরাসত আলি ফ্যালফ্যাল করে ফারুখ বখতের দিকে তাকিয়ে রইলেন। ফারুখ বখত তার ঘাড়ে একটা থাবা দিয়ে বললেন, “একটু আনন্দ কর! তুই এখন তিরিশ লক্ষ টাকার মালিক।

    “তি-তি-তিরিশ লক্ষ? এত টাকা দিয়ে আমি কী করব?”

    “ধুর গাধা! টাকা দিয়ে মানুষ আবার কী করে! তুই খরচ করবি।”

    “তিরিশ লক্ষ টাকা আমি খরচ করব? আমি একা?” ফরাসত আলি একেবারে কাঁদোকাঁদো হয়ে গেলেন, ফারুখ বখতের দিকে তাকিয়ে ভাঙা গলায় বললেন, “তুই অর্ধেক নিবি?”

    “আ-আ-আমি।”

    “হ্যাঁ।”

    “আমি কেন?”

    “তুই আমার বন্ধু সেজন্যে! তা ছাড়া তুই বলেছিলি তুই অর্ধেক লটারির টিকেট কিনবি, মনে নেই? তোর ন্যায্য পাওনা! নিবি তুই, অর্ধেক টাকা?”

    ফারুখ বখত বুঝলেন বেশি উত্তজনায় তাঁর বন্ধুর মাথার ঠিক নেই। তিনি তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বললেন, “ঠিক আছে তুই যদি দিতে চাস দিবি।”

    ফরাসত আলি তখন মনে হয় বুকে একটু জোর পেলেন। ফারুখ বখতের হাত ধরে বললেন, “তুই কথা দে।”

    এখানে আবার কথা দেওয়া না-দেওয়ার কী আছে? তিরিশ লক্ষ টাকা দিয়ে কত কী করা যায়, তুই এত ঘাবড়াচ্ছিস কেন? তুই কিছু চিন্তা করিস না, আমি সব ব্যবস্থা করে দেব। দরকার পড়লে আমি তোর সব টাকা খরচ করিয়ে দেব।”

    “সত্যি দিবি? বুক ছুঁয়ে বল।”

    “সত্যি দেব। এই দ্যাখ বুক ছুঁয়ে বলছি।”

    ফরাসত আলি তখন প্রথমবার একটু হেসে উঠে দাঁড়ালেন। ফারুক বখতও তখন উঠে দাঁড়াতে গিয়ে ঊরু চেপে ধরে বসে পড়লেন, দৌড়াদৌড়ি করে অভ্যাস নেই বহুদিন, হঠাৎ এতটুকু পথ দৌড়ে এসে তার পায়ের মাংসপেশিতে কোথায় জানি টান পড়েছে। একপায়ে খোঁড়াতে খোঁড়াতে একটা চেয়ারে বসে তিনি ঘরের চারিদিকে তাকালেন। চারপাশে মিষ্টির বাক্স, রুইমাছ, কমলার আঁকা আর উপহারের বাক্স। ফারুখ বখত জিজ্ঞেস করলেন, “এগুলি কী?”

    “উপহার।”

    “কার জন্যে উপহার?”

    “আমার জন্যে। ফরাসত আলি মিটিমিটি হাসতে হাসতে বললেন, “আগে বুঝতে পারিনি কেন, এখন বুঝেছি। সবাই উপহার নিয়ে এসেছে আমার লটারির টিকেট কিনতে।”

    ফারুখ বখত ভয়ে ভয়ে বললেন, “বিক্রি করে দিসনি তো?”

    “না, দিইনি! একটা বইয়ের মাঝে রেখেছিলাম, বইটা তখন খুঁজে পাইনি, কপাল ভালো!”

    “এখন পেয়েছিস?”

    “হ্যাঁ। এই দ্যাখ।”

    দুজন মিলে তারা তখন ছোট লটারির টিকেটটার দিকে তাকিয়ে রইলেন, এইটুকু একটা কাগজ, কিন্তু সেটার দাম এখন তিরিশ লক্ষ টাকা বিশ্বাস হতে চায় না।

    ফরাসত আলি খানিকক্ষণ পর একটা নিঃশ্বাস ফেলে বললেন, “বিকালবেলা সবাই আসবে টিকেট কিনতে। এখন কী করি?”

    ফারুক বখত দাঁত বের করে হেসে বললেন, “দাঁড়া, ব্যাটাদের দেখাই মজা! কত বড় জোচ্চোর–তোর কাছ থেকে ঠকিয়ে লটারির টিকেটটা কিনে নিতে চাইছিল!”

    “কী করবি?”

    “আগে চল টিকেটটা সেফ ডেপোজিট বক্সে জমা দিয়ে আসি। আর দরজায় একটা চিঠি লিখে রেখে যা যে তুই লটারির টিকেটগুলি একটা খামে ভরে টেবিলের উপর রেখে যাচ্ছিস সবাই মিলে যেন ভাগাভাগি করে নেয়।”

    .

    সেদিন বিকালবেলা একটা এ্যাম্বুলেন্স প্রফেসর রইসউদ্দিন, কাস্টমসের এমাজউদ্দিন, ডাক্তার তালেব আলি তার অ্যাডভোকেট আবদুল করিমকে ফরাসত আলি বাসা থেকে হাসপাতালে নিয়ে গেল। তারা একজন আরেকজনের সাথে মারপিট করে রক্তারক্তি অবস্থা করেছেন। যারা ব্যাপারটা দেখেছে তারা বলেছে নিজের চোখে না দেখলে এই দুর্ধর্ষ মারপিট নাকি বিশ্বাস করা শক্ত। একটা খাম নিয়ে একজন নাকি আরেকজনের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ছিলেন, কিল-ঘুষি-চড়-লাথি মেরে খামচি দিয়ে চুল টেনে এক বিতিকিচ্ছিরি অবস্থা। পাড়ার ছেলেরা এসে অনেক কষ্টে তাদের আলাদা করে হাসপাতালে এ্যাম্বুলেন্সের জন্য ফোন করেছে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহটলাইন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article আঁখি এবং আমরা ক’জন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }