Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্তালিন : মিথ্যাচার এবং প্রাসঙ্গিকতা – মনজুরুল হক

    মনজুরুল হক এক পাতা গল্প262 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৮. কে অতীতকে নিয়ন্ত্রণ করে? কে ভবিষ্যৎকে নিয়ন্ত্রণ করে? পশ্চিম কেন স্তালিনকে ঘৃণা করে?

    আমরা বলি : আমাদের লক্ষ্য হলো সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা অর্জন করা, যা, শ্রেণিতে শ্রেণিতে মানবজাতির বিভক্তিকে বিলোপ করে, মানুষ কর্তৃক মানুষের উপর আর এক জাতি কর্তৃক অন্য জাতির উপর সমস্ত শোষণের অবসান ঘটিয়ে, অপরিহার্য রূপে যুদ্ধের খোদ সম্ভাবনাকেই বিলুপ্ত করে। — ভ. ই. লেনিন

    ৮. কে অতীতকে নিয়ন্ত্রণ করে? কে ভবিষ্যৎকে নিয়ন্ত্রণ করে? পশ্চিম কেন স্তালিনকে ঘৃণা করে?

    ইয়োরোপ ২৩ আগস্ট দিনটিকে তাদের তথাকথিত স্ট্যালিনিজম এবং নাজিইজমের ক্ষতিগ্রস্তদের স্মরণের দিন হিসেবে চিহ্নিত করে। কাকতালীয়ভাবে এই দিনটিতে মলোটভ-রিবেটুপ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। দিনটিকে স্মরণের দিন’ করবার অনেক কারণের মধ্যে অন্যতম কারণ হলো স্তালিন এবং হিটলারকে, এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন আর নাজি জার্মানিকে এক করে দেখাতে চায়। এই বিষয় নিয়ে অধ্যাপক গ্রোভার কার ফার স্পুটনিক এর সাথে কথা বলেছেন।

    বহুমুখী আক্রমণের মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়নের অতীত কলঙ্কজনক বলে আমেরিকা এবং তার মিত্র ন্যাটো জোট রাশিয়ার বর্তমান নেতৃত্বকে টার্গেট করেছে যেন তারা তাদের সামনে বিশেষ করে পশ্চিমের সামনে মাথা নত করে রাখে! যাই হোক সোভিয়েত ইউনিয়ন কখনোই বেশিরভাগ পশ্চিমা দেশ গত শতাব্দীতে যা করে এসেছে তা করেনি! যদিও আমেরিকা এবং ন্যাটোর হাতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পর প্রচণ্ড সামরিক শক্তি এবং তা ব্যবহারের হুমকি-ধামকিও ছিল। স্পুটনিককে কথাগুলো বলেন সোভিয়েত বিষয়ে আমেরিকার বিশেষজ্ঞ Montclair State University’1 9743797 Grover Carr Furr.

    অযৌক্তিক মনে হওয়া সত্ত্বেও ঘটনা হলো সোভিয়েত ইউনিয়ন এক যুগ আগেই সোভিয়েত ইউনিয়নকে কালিমালিপ্ত করার পশ্চিমা অপপ্রচারযন্ত্র অকেজো করে দিতে পেরেছিল। প্রথম ব্রিটিশ-আমেরিকান ইতিহাসবিদ Robert Conquest এবং পরে আমেরিকার বুদ্ধিজীবী Timothy Snyder সোভিয়েতবিরোধী অপপ্রচারের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখেছিলেন।

    অধ্যাপক Grover Carr Furr জোর দিয়ে বলেন :

    “কেন এত স্তালিন এবং কমিউনিজম-বিরোধিতা? কমিউনিজম বিরোধিতা? কারণ কমিউনিজম পুঁজিবাদের বিপরীত এবং স্তালিন বিরোধিতা, কারণ স্ক্যালিনের আমলে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্ব কমিউনিস্ট আন্দোলনের পক্ষে সুদৃঢ় ভূমিকা নিয়েছিল এবং বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছিল। অধিকন্তু স্তালিনবিরোধিতা এবং কমিউনিজমবিরোধিতা, কারণ পুঁজিবাদীরা এবং সাম্রাজ্যবাদীরা পুরো বিংশ শতাব্দীজুড়ে ভয়াবহ নৃশংসতা ঘটিয়েছিল, যা বর্তমানেও বলবৎ রয়েছে।”

    .

    ঠান্ডা লড়াই : পশ্চিমা ইতিহাসবিদদের গোয়েন্দাগিরি

    অধ্যাপক Grover Carr Furr নির্দিষ্ট করে দেখিয়ে দেন যে রবার্ট কনকোয়েস্ট (“The Great Terror: Stalin’s Purges of the 1930s” বইয়ের লেখক, ২০১৫ সালের ৩ আগস্টে যিনি মারা গেছেন।) কাজ করেছিল British Information Research Department বা IRDর হয়ে এটার জন্ম থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত । এই IRD কে আদতে বলা হয় কমিউনিস্ট ইনফরমেশন ব্যুরো, যার গোড়াপত্তন হয়েছিল ১৯৪৭ সালে যখন ঠান্ডা লড়াইয়ের যুগ শুরু হয়েছে।

    “IRD’র প্রধান কাজ ছিল বিশ্বজুড়ে রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক এবং অন্যান্য ব্যক্তির মধ্যে কমিউনিজমবিরোধী গল্প পয়দা করে ঢুকিয়ে দিয়ে কমিউনিজমের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জারি রাখা, অধ্যাপক ফার এভাবেই ব্যাখ্যা করেন। তথাকথিত সোভিয়েত ইউনিয়নের ব্যাক স্টোরি তৈরিতে কনকোয়েস্টের বড় অবদান ছিল।” তিনি আরও বলেন- “অন্য কথায় ভুয়া গল্পগুলো সত্যি ঘটনা হিসেবে সাংবাদিকসহ যারা সমাজে মতামত সৃষ্টি করতে পারেন তাদের মথ্যে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছিল।”

    অধ্যাপক ফার আরও দেখান যে “কনকোয়েস্টের The Great Terror বইটি মূলত কমিউনিজমবিরোধী বই, যার অন্যতম বিষয় ছিল ১৯৩৭ সালের সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্ষমতার দ্বন্দ এবং তিনি তা খুঁচিয়ে বার করার চেষ্টা করেছেন। সে সময় তিনি সিক্রেট সার্ভিসে কাজ করতেন। বইটি সম্পূর্ণ করা এবং প্রকাশ করার কাজে IRD সাহায্য করে। বইটির তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশ হয় Praeger Press-এর সাহায্যে, সাধারণত এই প্রতিষ্ঠানটি প্রকাশনার দিক দিয়ে CIA’র উৎপন্ন!”

    অধ্যাপক মন্তব্য করেন, বর্তমান সময়ে কনকোয়েস্ট সোভিয়েত ইউনিয়নে কমিউনিজমবিরোধী এবং সোভিয়েতবিদ্বেষী ইতিহাসবিদদের অন্যতম সোর্স বা মাধ্যম।

    অপপ্রচারকারীদের কর্মযজ্ঞ ছিল অনেকটা স্কলারশিপের মতো যা সোভিয়েত ইউনিয়নকে লক্ষ্য করে গড়ে তোলা হয়েছিল এবং সমন্বয় করেছিল আমেরিকান ব্রিটিশ ইন্টেলিজেন্স!

    অধ্যাপক দেখান যে কনকোয়েস্ট মাঝেমধ্যেই পশ্চিমা গুরুত্বপূর্ণ পণ্ডিতদের সমালোচনার সামনে পড়তেন। তারা তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নের তথ্য বিকৃতি বা উর্বর অনুমানের জন্য তিরস্কার করতেন। কনকোয়েস্ট সেই সব সোর্স ব্যবহার করতেন যারা যে কোনো কারণেই হোক স্তালিনবিরোধী এবং সোভিয়েত বিরোধী ছিলেন। সেই ‘একচোখা লোকগুলোই কনকোয়েস্টের সোর্স ছিল।

    .

    সোভিয়েতবিরোধী কথোপকথন পশ্চিমের দ্বিতীয় ধারা হিসেবে উদ্ভূত হলো

    একথা বলা বাহুল্য যে, ব্রিটিশ-আমেরিকান ইতিহাসবিদ রবার্ট কনকোয়েস্টের প্রচুর অনুসারী আছে, বিশেষ করে যখন পশ্চিম-রাশিয়ার সম্পর্ক ভীষণভাবে অবনতি ঘটেছে। এই নির্লজ্জ ইতিহাস বিকৃতিই দ্বিতীয় ধারা হিসেবে প্রচলিত ঠান্ডা লড়াইয়ের একটি উপাদান হয়ে উঠেছিল

    “কে অতীতকে নিয়ন্ত্রণ করে,
    কে ভবিষ্যৎকে নিয়ন্ত্রণ করে,
    পশ্চিম কেন স্তালিনকে ঘৃণা করে?”

    যদিও আশ্চর্যজনকভাবে পশ্চিমা ঐতিহাসিক কথোপকথন সমসাময়িক সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং স্তালিন সম্পর্কে রাজনৈতিক মিথ তৈরি করতে পেরেছিল।

    সোভিয়েত রাশিয়াকে কালিমালিপ্ত করাদের মধ্যে একজন টিমোথি সেডার, ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাসের অধ্যাপক এবং “Bloodlands” বইয়ের লেখক। যিনি কনকোয়েস্টের মতো পশ্চিমা প্রকাশকদের আগ্রহ আর সাহায্য অপপ্রচারের কাজে ব্যবহার করেছেন।

    স্তালিনকে আক্রমণের সময় স্নেডার পাঠককে এটা বোঝাতে চেষ্টা করেন যে হিটলার নৃশংস ছিলেন না, অধিকন্তু সোভিয়েত নেতার চেয়ে কম নৃশংস ছিলেন । স্নোডেন এমনকি এটা বোঝাতে চেয়েছেন হিটলার ইহুদি নির্মূলের জন্য স্তালিনের উপর এবং তার পদ্ধতির উপর নির্ভর করতেন! অধ্যাপক ডেভিড এ. বেল স্নেডারের “Black Earth” এর সাম্প্রতিক রিভিউতে এ মন্তব্য করেন :

    “আশ্চর্যজনকভাবে স্নেডার ব্যাপকভাবে কনকোয়েস্টের পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন। তার আখ্যান তৈরি হতো বিতর্কিত সোর্স, অপবাদ, অর্ধ সত্য সব সময়ই সোভিয়েতের প্রতি শতু ভাবাপন্ন। অধ্যাপক ফার তার বই “Blood Lies তে প্রকাশ করে দেন যে স্ক্যালিনের বিরুদ্ধে টিমোথি স্নেভারের প্রত্যেকটি প্রমাণ প্রত্যেকটি অভিযোগ এবং সেভারের “Bloodlands” নির্ভেজাল মিথ্যা।”

    .

    মলোটভ-রিবেনট্রপ আঁতাত : সত্য এবং মিথ্যা

    ১৯৩৯ সালের মলোটভ-রিবেট্রপ আঁতাতের যে বর্ণনা সেডার এবং অন্যান্য কমিউনিস্টবিরোধী ইতিহাসবিদরা দিয়েছিলেন সেসবও ছিল অনুমান মাত্র।

    “তারা লিখেছিলেন : সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং নাজি জার্মানি এই মর্মে একটি চুক্তি করতে ঐকমত্যে পৌঁছেছিল যে পূর্ব ইয়োরোপকে তারা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেবে, সেটাও ছিল সর্বৈব মিথ্যা। গোপন দফাসম্বলিত চুক্তিতে চিহ্নিত করা হয়েছিল পুরো পূর্ব পোল্যান্ড সোভিয়েত প্রভাব বলয়ে থাকবে। এর অর্থ হলো যখন জার্মান সেনাবাহিনী পোল্যান্ড সেনাবাহিনীকে পরাস্ত করল তখন দুটি শর্তের আওতায় তাদেরকে পোল্যান্ড ছাড়তে হলো। শর্ত দুটি ছিল (ক) জার্মান সেনাবাহিনী ১৯৩৯ এর সোভিয়েত সীমান্ত থেকে শত শত মাইল দূরের পূর্ব পোল্যান্ড থেকে নিজেদেরকে প্রত্যাহার করবে। (খ) পোল্যান্ড তার অস্তিত্ব বহাল রাখবে এবং স্বইচ্ছায় হিটলারবিরোধী সোভিয়েত জোটে অন্ত ভুক্ত থাকবে।” অধ্যাপক ফার বলেন।

    ফার দেখিয়ে দেন যে সোভিয়েত ইউনিয়ন পোল্যান্ডকে পেতে প্রবলভাবে চেষ্টা করেছিল, ব্রিটেন এবং ফ্রান্স ‘যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সম্মত, আর সেটাই একে অপরের প্রতি কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ হয় যে হিটলার পোল্যান্ড আক্রমণ করলে তারা জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করবে। হায়! ওয়ারশ এবং লন্ডন এধরনের কোনো চুক্তি করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বসল!

    .

    গ্রোভার ফার জোর দিয়ে বলেন : “অক্টোবর ১৯৩৮ এর ‘মিউনিখ চুক্তি’ যেখানে ইউকে এবং ফ্রান্স চেকশ্লোভাকিয়ার বৃহৎ অংশ হিটলারকে উপহার দিয়েছিল। আরও পরে তারা চেকশ্লোভাকিয়ার মওজুদ সোনাও হিটলারকে ‘ভেট’ দিয়েছিল। আর এটা প্রমাণ করে যে পুঁজিবাদীরা চেয়েছিল হিটলার সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ করুক। কমিউনিস্টবিরোধী এবং সেমেটিকবিরোধী পোলিশ সরকারও চেকশ্লোভাকিয়ার একাংশ ছিনিয়ে নিয়েছিল।”

    .

    অধ্যাপক ফার এর গুরুত্বারোপ

    ১৯৩৯ সালে সেপ্টেম্বরে জার্মান সেনাবাহিনী পোল্যান্ড দখল করে নিলে পোল্যান্ড সরকার রুমানিয়ায় পালিয়ে যায়। তখন সেখানে কোনো সরকারও ছিল না, সেটা কোনো রাষ্ট্রও ছিল না।

    হিটলারের লোকজন বলে সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রাক্তন পূর্ব পোল্যান্ডে একটি জার্মান নাজিপন্থী ও কমিউনিস্টবিরোধী ইউক্রেনিয়ান রাষ্ট্র গঠনে সম্মতি দিয়েছিল। সুতরাং পূর্ব পোল্যান্ড দখল করতে সোভিয়েতের কোনো সমস্যা ছিল না। যাই হোক পূর্ব পোল্যান্ড আসলে পোলিশ ছিল না, এটা ১৯২১ সালে সোভিয়েত ‘সাম্রাজ্যবাদী শক্তি দখল করে নিয়েছিল। তখন দেশটির অধিকাংশ অধিবাসী ছিল ইউক্রেনীয়, বেলারুশীয় এবং ইহুদি।

    অধ্যাপক ফার জোর দিয়ে বলেন- মলোটভ-রিবেটুপ চুক্তির তাৎপর্য ছিল অপরিসীম। এটা সোভিয়েত ইউনিয়নকে এবং কার্যত ইয়োরোপকে হিটলারের আধিপত্য থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করেছিল।

    তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন–

    “যদি জার্মানি সোভিয়েত সীমানার ৩০০ মাইলের মধ্যে আক্রমণ করতে সক্ষম হতো তাহলে দলে দলে নাজি বাহিনী মস্কো দখল করে নিত। আর যদি হিটলার সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করতে পারত তাহলে তার পদানত হতো ক্ষমতাবান এবং সম্পদসহ বিশাল একটি দেশ, যার মিলিত শক্তি ইয়োরোপ তথা বিশ্বকে শাসন করত। ইতোমধ্যেই হিটলার প্রায় পুরো ইয়োরোপই দখল করে নিয়েছিল।”

    সুতরাং কেন সেডার আর তার স্যাঙাত্রা এটা মেনে নিতে অস্বীকার করেন?

    সোভিয়েত ইউনিয়নকে আক্রমণ করে পশ্চিমারা বর্তমান রাশিয়াকে টার্গেট করতে চায় অধ্যাপক ফার আরও যোগ করেন, প্রথম সারির পশ্চিমা বিশেষজ্ঞরা সত্য অনুসন্ধানে আগ্রহী ছিলেন না। আগে ছিলেন কনকোয়েস্ট এখন আছেন স্নেডার নামক অপপ্রচারকারী।

    .

    তিনি স্পুটনিককে বলেন

    “আমি তাদের কাজকে বলি ‘পাদটীকাযুক্ত অপপ্রচার’। ওই পাদটীকা এবং পাণ্ডিত্যপূর্ণ যন্ত্রপাতি প্রচার মাধ্যমকে এবং যে বুদ্ধিজীবীরা স্তালিনবিরোধী এবং কমিউনিজমবিরোধী অপপ্রচারের ডালপালা বিস্তারে সাহায্য করেছিল তাদেরকে বোকা বানানোর জন্য দরকারী ছিল।”

    স্লেভারের লক্ষ্য… শুধু সেডার কেন, দীর্ঘ মেয়াদে এমন অনেকেই ছিলেন যারা স্তালিনকে হিটলারের সমতুল্য, নাজি জার্মানিকে সোভিয়েতের সমতুল্য এবং কমিউনিজমকে নাজিবাদের সমতুল্য জ্ঞান করতেন। সেটা এই কারণে আরও যে ২৩ আগস্ট “স্মরণ করার দিন যেটা পালন করত উগ্র ডান পোলিশ, ইউক্রেনীয় এবং হাঙ্গেরীয় সরকার।

    “আমি এই ‘রক্তাক্ত মিথ্যার শেষে বলতে চাই, টিমোথি সেডারের Bloodlands’ এ জোসেফ স্তালিন এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে প্রত্যেকটি অভিযোগ, প্রত্যেকটি প্রমাণ মিথ্যা। অধ্যাপক ডোমিনিকো লোসুরদো থেকে সাহায্য নিয়ে বরং এটা বলা যায় যে চার্চিল হিটলারের বা ডালাডিয়ের অথবা চেম্বারলিনের সমতুল্য, কোনোভাবেই স্তালিনের নয়। সোভিয়েত ইউনিয়ন নাজি জার্মানি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। আর হিটলার এবং নাজিরা যে পশ্চিমের রাজনীতিকদের প্রিয় সেটা তো সকলেই জানেন।
    .

    কিন্তু ওয়াশিংটন কেন রাশিয়াবিরোধী?

    The professor explained that unlike Gorbachev or Yeltsin, President Putin does not bow before Washington and NATO, adding that the US’ capitalist competition will inevitably lead to imperialist competition and war.

    অধ্যাপক ফার ব্যাখ্যা করে বলেন, প্রেসিডেন্ট পুতিন তার পূর্বসূরি গর্বাচেভ বা ইয়েলেৎসিনের মতো ওয়াশিংটন এবং ন্যাটোর সামনে মাথা নত করার মতো লোক নন। আমেরিকাকে এখন বিশ্বে মাতব্বরির জন্য অনেক বেশি চ্যালেঞ্জের সামনে পড়তে হচ্ছে।

    অধ্যাপক ফার স্পুতনিককে বলেন- “আমার অভিজ্ঞতায় আমি এটা স্বীকারে কুণ্ঠিত নই যে আমেরিকার বৈদেশিক নীতিতে অনেক সারল্য রয়েছে। আমেরিকা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে সব চেয়ে বেশি শক্তি আর ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করেছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে। সারা বিশ্বের অন্তত একশোটি দেশে তাদের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। এখন পর্যন্ত তাদের সেনাবাহিনী বিশ্বের বৃহত্তম…। আমরা তাদের মতো অমন ‘সরল’ নই। আমরা জানি কোনো দেশ কোনো স্বার্থ ছাড়া এই পরিমাণ ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করে না। সুতরাং তারা পরবর্তী যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে!”

    “My point is this: the USSR and world communist movement never did anything remotely comparable to what the capitalists and imperialists did in the last century. And this is unacceptable (for capitalists]. They must show communism and Stalin to be worse than, not better than, what the capitalists and imperialists were doing. Lying is the only way,” Professor Grover Furr concluded.

    “আমার পয়েন্টগুলো হচ্ছে, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং বিশ্ব কমিউনিস্ট আন্দোলন তুলনা করার মতো এমন কিছু করেনি যা পুঁজিবাদী এবং সাম্রাজ্যবাদীরা গত শতাব্দীজুড়ে করে এসেছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। তাদেরকে অবশ্যই দেখাতে হবে যে স্তালিন এবং কমিউনিজম পরিত্যক্ত, পুঁজিবাদীরা যেমনটি করছেন তেমনটি নয়। আর এটা প্রমাণের এক মাত্র উপায় মিথ্যা।”

    .

    গ্রন্থপঞ্জি

    ১। Who Controls the Past Controls the Future: Why Does West Hate Stalin? Ekaterina Blinova 25.08.2015

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকহলীল জিবরান রচনা সমগ্র (ভাষান্তর : মোস্তফা মীর)
    Next Article মাকিদ হায়দারের কবিতা
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }