Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্পাই মেয়ে – মার্থা ম্যাককেনা

    ইন্দুভূষণ দাস এক পাতা গল্প134 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্পাই মেয়ে – ১০

    দশ

    ‘এ্যামুনিশন ডাম্প’ ধ্বংসের কিছুদিন পরে হাসপাতালে চার পাঁচজন নার্স আর একজন মেট্রন এসে কাজে লাগল। ওরা সবাই ছিল জার্মাণ মেয়ে। আমার সঙ্গে প্রথম থেকেই কেন যেন খারাপ ব্যবহার করতে আরম্ভ করলো ওরা। হয়তো হাসপাতালে আমার প্রতিপত্তি দেখে ওদের ঈর্ষা হয়ে থাকবে। ওদের প্রত্যেকেই ছিল আনাড়ী। সব সময়ই ওরা কাজে ভুল করতো আর নিজেদের দোষ ঢাকতে সব দোষ আমার উপরে চাপাতে চেষ্টা করতো!

    একদিন ওবার্তাঙ্গ আমাকে ডেকে বললেন—ওরা তোমার সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার আরম্ভ করেছে, না?

    আমি চুপ করে রইলাম।

    ওবার্তাজ বললেন—আমি সত্যই দুঃখিত যে আমার দেশের মেয়েদের কাছে খারাপ ব্যবহার পাচ্ছো তুমি। আমার কাছেও ওরা – তোমার নামে লাগাতে আরম্ভ করেছে এরই মধ্যে, কিন্তু আমি তো তোমাকে জানি। যাই হোক তুমি একটু সাবধান থেকো।

    ক্রমশঃ অবস্থা এমন অসহনীয় হয়ে উঠলো যে, আমি হাসপাতালের কাজ ছেড়ে দেবো ঠিক করলাম। ওবার্তাজের কাছে আমার সিদ্ধান্তের কথা বলতেই তিনি বললেন—যাও মা, ভগবান তোমার মঙ্গল করুন। তোমাকে আমি নিজের মেয়ের মতই দেখতাম কিন্তু এখানে আমার কিছু করবার নেই কারণ তুমি বেলজিয়ান। তোমার হয়ে কিছু বলতে গেলেই নানা কথা উঠবে।

    ওবার্তাজকে আর দেখতে পাবো না মনে হওয়ায় আমার চোখে জল এসে গেল। আমি বললাম—হাসপাতাল ছেড়ে চললাম বটে কিন্তু আপনার কথা কখনও ভুলবো না আমি। আপনি যখনই আমাকে ডাকবেন তখনই আমি ছুটে আসবো আপনার কাছে।

    নভেম্বরের মাঝামাঝি আমি হাসপাতাল ছেড়ে এলাম।

    নভেম্বরের শেষদিকে একদিন বিকেলে আমি কি একটা কাজে ‘টাউন কমাণ্ডান্ট’ এর অফিসের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ বাইরের দেয়ালে টাঙিয়ে রাখা একটা বিজ্ঞাপনের উপরে নজর পড়লো আমার। বিজ্ঞাপনটি ছিল এ রকম :

    “হারানো জিনিষের বিজ্ঞাপন!”

    নিম্নলিখিত চোরাই মালগুলো পাওয়া গেছে। মালিক উপযুক্ত প্রমাণ দিয়ে যে কোন দিন বেলা ১০টা থেকে ১২টার মধ্যে এসে তার জিনিস নিয়ে যেতে পারে।” তালিকার ৪নং দফায় লেখা ছিল—”একটা সোনার হাতঘড়ি। কেস’এর তলা এম, সি, অক্ষর দুটো খোদাই করা আছে।”

    কি আশ্চর্য! এটা যে আমার সেই ঘড়ি। সেই সুড়ঙ্গ পথে ঢোকবার পর থেকেই খুঁজে পাচ্ছিলাম না! ‘ব্যাণ্ডটা’ একটু ঢিলে হয়ে গিয়েছিল তাই হয়তো কোথাও পড়ে গিয়ে থাকবে। তাছাড়া চুরিও যেতে পারে।

    ঘড়িটা ফিরে পাবার জন্য ব্যস্ত হয়ে উঠলাম আমি।

    লাসেলের উপদেশের কথা ভুলে গেলাম।

    তার সেই কথা—”যদি কখনও ধরা পড়, জানবে তোমার নিজের দোষেই পড়েছো!”

    পরদিন বেলা দশটায় আমি টাউন কমাণ্ডান্ট-এর সঙ্গে দেখা করলাম। কমাণ্ডান্ট আমাকে দেখে সুপ্রভাত জানিয়ে বললেন—কি ব্যাপার ফ্রাউলিন, এখানে কোন কাজ আছে কি?

    আমি তখন আমার ঘড়িটার কথা বললাম তাঁকে।

    আমার কথা শুনে তিনি যেন প্রথমে একটু অবাক হয়ে গেলেন। পরে বললেন—ওহো! তাই হবে—এম, সি, মানে মার্থা নোকার্ট (Martha Cnockart) ঠিক তো!

    এই বলেই তিনি তাঁর টেবিলের টানা খুলে ঘড়িটা বের করে আমার হাতে দিয়ে বললেন দেখুন তো! এইটা আপনার কিনা?

    ঘড়ি ফিরে পাবার আনন্দে আমি তখন এমনই আত্মহারা যে চোরাই মাল অন্য সব জিনিষের সঙ্গে না থেকে কমাণ্ডাণ্টের টানার ভেতরে থাকবার অর্থ কি, এই সহজ ব্যাপারটাও বুঝতে পারলাম না।

    ঘড়িটা হাতে নিয়ে বললাম—হ্যাঁ, এটা আমারই ঘড়ি। ঘড়িটা আবার ফিরে পেলাম এজন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

    এই বলে ঘড়িটাকে হাতব্যাগের মধ্যে ঢুকিয়ে নিয়ে বেশ একটু উৎফুল্ল হয়েই বাড়ী ফিরলাম আমি।

    বাড়ীতে আসতেই মা বললেন—জার্মাণ মিলিটারী পুলিশ এসেছিল তোমার খোঁজে।

    আমি বললাম—ও কিছু না।

    সেদিনই বেলা প্রায় তিনটের সময় আমার এক বান্ধবী ছুটতে ছুটতে আমার কাছে এসে বললো—এই মাত্ৰ জাৰ্মাণ ডিটেকটিভরা এসে তোমার সম্বন্ধে অনেক কথা জিজ্ঞাসা করছিল আমাকে।

    ব্যাপারটা ক্রমশঃই যেন রহস্যজনক হয়ে উঠেছিল। আমার ধারণা হ’ল যে হয়তো হাসপাতালের সেই নার্সরা আমার নামে যা তা বানিয়ে বলেছে, তাই ওরা একটু খোঁজ-খবর নিচ্ছে আমার সম্বন্ধে।

    বেলা প্রায় চারটের সময় দরজার বাইরে রাইফেলের কুঁদো ঠুকবার আওয়াজ পেয়ে ঘাবড়ে গেলাম। দরজা খুলতেই একদল মিলিটারী পুলিশ বাড়ীর ভেতরে ঢুকে পড়লো। ওদের মধ্যে একজন অফিসারও ছিল।

    আমি জিজ্ঞাসা করলাম—আজ আপনারা দুবার এলেন! কি ব্যাপার?

    অফিসারটি বললো—আমি বাড়ী সার্চ করবো। আপনাদের চাবিগুলো সব এনে আমাকে দিন।

    আমি বললাম—সার্চ করে কিছুই পাবেন না এখানে, আমাদের এখানে আপত্তিকর কিছু থাকে না।

    অফিসারটি বললো–আমিও তাই আশা করি ফ্রাউলিন

    নীচের তলার সার্চ শেষ করে ওরা যখন আমার দোতালার শোবার ঘরে গেল সেই সময় হঠাৎ আমার মনে পড়ে গেল যে রাত্রে পাঠাবার জন্য একটি খবর লেখা রয়েছে আমার ঘরে।

    সর্বনাশ! কথাটা যদি আর কিছুক্ষণ আগেও মনে হতো!

    ভয়ে বুক কেঁপে উঠলো আমার।

    একটু পরেই পুলিশ অফিসারটিকে সিঁড়ি দিয়ে দুমদাম করে নেমে আসতে দেখলাম। আমার সামনে এসে পকেট থেকে সেই মারাত্মক কাগজখানা বের করে সে জিজ্ঞাসা করলো-—এটা কি?

    চেয়ে দেখি ওটা আমার মৃত্যুর পরোয়ানা।

    আমি চুপ করে আছি দেখে অফিসারটি গর্জন করে উঠলো— তোমাকে এখনই টাউন কমাণ্ডাণ্টের অফিসে যেতে হবে।

    ওরা আমাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে চললো।

    টাউন কমাণ্ডান্ট গম্ভীর হয়ে গেলেন আমাকে দেখে!

    তিনি শুধু বললেন—জার্মাণ আইরণক্রসধারিণী নার্স মার্থা নোকার্ট তাহলে স্পাই।

    ওঁর অফিসেই আমাকে আইনগত ভাবে চার্জ করা হল স্পাই বলে। আমাকে বিচারাধীন বন্দী হিসাবে রুলার্স মিলিটারী জেলখানায় বন্দী করে রাখবার পরোয়ানা সই করে দিলেন তিনি।

    মিলিটারী জেলে গিয়ে দেখতে পেলাম যে রুজবেক এরোড্রোমের সেই ফিল্ড-ওয়েবল সোয়েজার ওখানকার জেলার। আমায় দেখে সোয়েজার বললো—বন্ধু ফ্রাউলিন নোকার্ট তাহলে একজন ‘স্পাই’?

    লোকটা হয়তো বা একটু, দুঃখিতই হলো আমার জন্য।

    এক অপরিসর সেলের মধ্যে থাকতে দেওয়া হলো আমাকে। সেল’এর ভেতরে ঢুকে আমার মনে হতে লাগল “এইবারই আমার স্পাই জীবনের শেষ। কাল ভোরেই হয়তো আমাকে গুলী করে মেরে ফেলা হবে।”

    প্রাণের মায়ায় ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলাম আমি।

    কয়েকদিন পরেই আমাকে ‘ঘেণ্ট লিটারী জেল’এ বদলি করা হলো। ওখানে আমার উপরে চললো নানাভাবে নির্যাতন। এক নাছোড়বান্দা ডিটেকটিভ আমাকে দিনরাত বিরক্ত আরম্ভ করলো স্বীকারোক্তি আদায় করতে। কখনও ভয় দেখিয়ে, কখনও অনুকম্পা লাভের প্রলোভন দেখিয়ে আবার কখনও বা সারা দিনরাত ধরে ঠায় বসিয়ে রেখে প্রশ্নের পর প্রশ্ন করে জ্বালিয়ে মারলো আমাকে।

    এই ভাবে একটানা প্রশ্ন করবার জন্য ভাড়াটে লোক ছিল ওদের।

    এই উৎপাত সহ্য করতে না পেরে খাওয়া বন্ধ করে দিলাম আমি। ওয়ার্ডাররা দিনের শেষে যখন খাবারগুলো ফেরৎ নিয়ে যেতো আমার সেল থেকে, তখন ওরা দুঃখিত হতো বলেই মনে হ’তো আমার!

    এত দুঃখের মধ্যেও একটা কথা ভেবে শান্তি পেতাম আমি যে, আমার বন্ধুরা কেউ ধরা পড়ে নাই। কারণ, ওরা ধরা পড়লে গোয়েন্দা-প্রবর এভাবে আমার পেছনে লাগতো না স্বীকারোক্তি আদায় করতে।

    ডিটেকটিভ মশাই যখন বিশেষ সুবিধা করতে পারলেন না, তখন তিনি এক নূতন কায়দা শুরু করলেন। একদিন একটি বেলজিয়ান মেয়ে এসে আমার সঙ্গে দেখা করে বললো যে সে নাকি আমাকে দেখাশুনা করতে মিলিটারী থেকে নিযুক্ত হয়েছে। কথায় কথায় মেয়েটি জানালো যে ঐ ডিটেকটিভটি একটি সাংঘাতিক লোক তাই ওকে যেন কোন কথা না বলি আমি। ওর মুখ বন্ধ করা যায় এইভাবে দু’একটি খবর মেয়েটিকে বললে সেই তা থেকে গুছিয়ে নিয়ে ডিটেকটিভকে একটা গল্প বানিয়ে বলবে।

    মেয়েটি জানতো না যে ওকে আমি আগে থেকে চিনতাম। ঐ ভ্ৰষ্টা দেশদ্রোহিণী মেয়েটা ছিল ঐ ডিটেকটিভেরই শয্যাশায়িনী।

    আমি বললাম—আমাকে তুমি বিরক্ত করো না, আমি কোন কথা বলবো না!

    মেয়েটি বললো—তুমি বুঝতে পারছ না, সব কথা খুলে বললে ওরা তোমাকে ছেড়ে দিবে।

    আমি বললাম—এখানে বক্ বক্ করে কোন লাভ হবে না তোমার, তার চেয়ে বরং তোমার ডিটেকটিভ উপপতির কাছে যাও যাতে কাজ দেবে।

    মেয়েটি হঠাৎ ক্ষেপে উঠে বললো—কি আমাকে অপমান? এর কি ফল তা তুমি কালই টের পাবে।

    আমি বললাম—তোমার মত দেশদ্রোহিণী কুলটার সঙ্গে কথা বলতেও আমি ঘৃণা বোধ করি। তুমি এক্ষুনি চলে যাও আমার সামনে থেকে।

    ও তখন আমাকে শাসিয়ে গেল যে এর জন্য আমাকে ভুগতে হবে।

    আমার অবস্থা ক্রমশঃই খারাপ হয়ে পড়তে লাগলো। এমন কি সব সময় আমার জ্ঞানও থাকতো না ঠিকমত।

    এই সময় একদিন জেলখানার ডাক্তার এসে আমাকে বললো যে আমি ‘হাঙ্গার ষ্ট্রাইক’ বন্ধ না করলে আমাকে নাকি জোর করে খাওয়ানো হবে।

    ডাক্তার আরও বললো যে, না খেয়ে খেকে শুধু শরীরকে কষ্ট দেওয়া ছাড়া আর কোন সুবিধে হবে না। বিচারে যা হবার তাতো হবেই।

    আমিও ভেবে দেখলাম যে কথাটা সত্যিই। আমি না খেয়ে থাকলেও তো বিচার বন্ধ হবে না। তাই আমি সেইদিনই লেবুর রস পান করে উপবাস ভঙ্গ করলাম।

    উপবাস ভঙ্গ করলেও আমার অবস্থা কিন্তু খারাপের দিকেই যেতে লাগলো। জামা কাপড় পরিষ্কার করতে না পারায় বিশ্ৰী আর দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে পড়েছিল বলে একখানা সাবান চেয়ে নিয়ে আমি ওগুলো সাফ করতে চেষ্টা করতেই মাথা ঘুরে পড়ে গেলাম সেদিন।

    অবস্থা দেখে ওরা আমাকে বাইরের অসামরিক হাসপাতালে স্থানান্তরিত করলো! ওখানকার নার্সরাও কিন্তু আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার শুরু করে দিল ভর্তির দিন থেকেই। ওরা হয়তো ভেবেছিল যে আমি একজন চরিত্রহীনা অপরাধিনী মেয়ে

    এই সময় মা আমার সঙ্গে দেখা করতে এলেন একদিন। ওঁর মুখে শুনলাম যে দেখা করবার হুকুম জোগাড় করতে নাকি অনেক কাঠ খড় পোড়াতে হয়েছিল।

    মা আমাকে দেখেই কেঁদে ফেললেন।

    আমার চোখও অবশ্য শুকনো থাকলো না।

    কাঁদতে কাঁদতেই মা বললেন—ভগবানের কাছে কি এমন অন্যায় আমি করেছি যে আমার প্রত্যেকটি ছেলে-মেয়েকে আমার কোল থেকে টেনে নিচ্ছেন তিনি!

    মায়ের চোখের জল মুছিয়ে দিয়ে বললাম—কেঁদো না মা, আমার মৃত্যু তো গৌরবের মৃত্যু! মরতে তো একদিন না একদিন হ’তোই—এ কেবল দুদিন আগে যেতে হচ্ছে।

    শোকে প্রথম বেগটা সামলে নিয়ে মা বললেন—তোমার শরীরে যে আর কিছু নেই মার্থা?

    -অসুখ করছিল যে মা! তবে এখন ভালই আছি।

    ‘হাঙ্গার ষ্ট্রাইক’ এর কথাটা ইচ্ছা করেই বললাম না মাকে।

    —ওরা সব কেমন আছে মা?

    কাদের কথা জিজ্ঞেস করছি মা বুঝতে পারলেন।

    গলা খাটো করে মা বললেন—কালই এলফন্স আর ষ্টিফেন এসেছিল। ওদের উপরে এখনও কেউ সন্দেহ করেনি। ওরা তোমার জন্য খুবই দুঃখিত—কিন্তু করবার তো কিছু নেই।

    —ওবার্তাজ কিছু বলেছেন কি?

    —হ্যাঁ, তিনিও তোমার জন্য খুবই দুঃখিত হয়েছেন বললো এলফন্স।

    “সময় হয়ে গেছে, আর থাকতে দিতে পারি না”—যে অফিসার ‘ইন্টারভিউ কণ্ডাক্ট’ করছিল সে হঠাৎ বলে উঠলো এই সময়।

    —এই যে হয়ে গেছে—বলে আমাকে বুকে টেনে নিয়ে ছোট্ট শিশুর মত মুখে, মাথায়, গালে চুমো দিতে দিতে মা বললেন—তাহলে যাই মা, এই বোধ হয়…

    গলা দিয়ে আর কোন কথা বের হলো না তাঁর। ঝর ঝর্ করে দুই চোখ দিয়ে জল পড়লো মার!

    কি মর্মান্তিক! কি করুণ সেদিনের সেই বিদায়!

    মা চলে যেতেই হাসপাতালের নার্সরা এলো আমার কাছে। বললাম—কি? আরও কিছু গালাগাল দেবার ইচ্ছে আছে নাকি? দিয়ে যাও—যে ক’টা দিন বেঁচে আছি, সবার গালাগাল খেয়েই যাই।

    এবারে কিন্তু ওরা গালাগাল দিল না।

    তার পরিবর্তে মেট্রন আমার পাশে বসে আমার একখানা হাত ধরে বললো—আমাকে আপনি ক্ষমা করুন। সারা বেলজিয়াম আজ যাকে পূজা করছে, সেই মার্থা নোকার্ট আপনি! চিতে না পেরে আপনার সঙ্গে যে ব্যবহার করেছি সেজন্য আমরা অনুতপ্ত। আমরা সবাই আপনার কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছি।

    আমি বললাম—এতে ক্ষমা চাইবার কি আছে বোন! আমাকে দেখে সবাই যা ভাবে, তোমরাও তাই ভেবেছিলে। এতে তোমাদের কোনই দোষ নেই।

    এর পর থেকে নার্সরা আমার সঙ্গে একেবারে আত্মীয়ের মত ব্যবহার করতে লাগলো। সময় পেলেই ওরা কেউ না কেউ এসে আমার কাছে বসে গল্প করতো। আমার জামা কাপড় ময়লা দেখে ওরা নিজেরাই একদিন পরিষ্কার করে দিল সেগুলো। ওরা এতই ভালবেসে ফেলেছিল আমাকে যে, হাসপাতাল থেকে চলে যাবার দিন ওদের সে কি কান্না!

    শরীর একট, সেরে উঠতেই আমাকে আবার জেলখানায় পাঠিয়ে দেওয়া হলো। আবার সেই নির্জন সেল! সেই কারারক্ষীদের আনাগোনা। বসে বসে ভাবি আমি। কত কথাই মনে হয়। বাইরের কথা, মা বাবার কথা, ওবার্তাজ’এর কথা, এলফন্স, ষ্টিফেন, ক্যান্টিন’ মা, তেষট্টি নম্বর……আরও কত এলোমেলো চিন্তা।

    ‘কোর্ট মার্শাল’ এর কথাও মনে হয়।

    “কি ভাবে মারবে আমাকে?”

    “নিশ্চয়ই গুলী করে!”

    “হাত বেঁধে দাঁড় করিয়ে দেবে আমাকে—”

    “সামনে একসার সৈন্য—হাতে তাদের উদ্যত রাইফেল—

    “ফায়ার”—

    “আর ভাবতে পারি না।”

    দিন যায়। দিনের পর রাত আসে। রাত শেষে আবার ফুটে ওঠে দিনের আলো। এমনি করেই কাটতে থাকে আমার কারাগার-এর দিনগুলি।

    সেদিন দুপুরে খটখট্ শব্দে চমকে উঠে বসলাম। এ সময় তো কারো আসবার কথা নয়!

    -তবে কি?

    একজন ‘লেফট্‌ন্যান্ট’ আমার ‘সেল’ এর দরজার সামনে এসে দাড়ালো। পকেট থেকে একখানা কাগজ বের করে পড়ে শোনাতে লাগলো “জার্মাণ দখলি এলাকার অফিসার কমান্ডিংএর নির্দেশ অনুযায়ী তোমাকে জানানো হচ্ছে যে আগামী সপ্তাহের কোন এক তারিখে জার্মাণ ‘কোর্ট মার্শাল’ এ তোমার বিচার হবে।”

    হুকুম শুনিয়ে দেবার পর কাগজখানা ভাঁজ করে পকেটে রেখে আমার দিকে তাকিয়ে সে আবার বললো—আপনার যদি ‘ডিফেন্স’ করবার ইচ্ছা থাকে তাহলে আপনার যা বলবার আমাকে বলতে পারেন।

    “আমি আত্মপক্ষ সমর্থন করবো না” সংক্ষিপ্ত উত্তর দিলাম আমি।

    লেফট্‌ন্যাণ্ট বললো—আপনি হয়তো আমাকে বিশ্বাস করতে পারছেন না। যাই হোক—আপনি যদি চান তাহলে ‘সিভিল এ্যাডভোকেট’ এর সহায়তাও পেতে পারেন।

    আমি বললাম— ধন্যবাদ! আমার কোন উকিল দরকার হবে না। যাবার সময় লেফটন্যান্ট বললো—মিলিটারী আইনে যাই থাক, ব্যক্তিগত ভাবে আমি প্ৰণতি জানিয়ে জানিয়ে যাচ্ছি আপনাকে, আপনার দেশপ্রেমের জন্য।

    মানুষ সবার মধ্যেই আছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেপিয়েন্স: এ ব্রিফ হিস্টোরি অফ হিউম্যানকাইন্ড – ইউভাল নোয়া হারারি
    Next Article মধুরেণ – ইন্দ্রনীল সান্যাল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }