Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস

    মুরারিমোহন সেন এক পাতা গল্প81 Mins Read0
    ⤷

    স্বপ্নবাসবদত্তা – প্রথম অঙ্ক

    স্থাপনা

    (নান্দীপাঠের শেষে সূত্রধারের প্রবেশ)

    সূত্রধার—বলরামের দুই বাহু তোমাদের রক্ষা করুক; ওই দুই বাহু উদীয়মান নতুন চন্দ্রের ন্যায় বর্ণযুক্ত, মদ্যপানহেতু বিশেষ শক্তিমান এবং বসন্তের আবির্ভাবে অপরূপ শ্রীসম্পন্ন!

    সভ্যগণকে একটি কথা জানাই—কিন্তু কী আশ্চর্য! জানাবার আগেই যেন কোথাও শব্দ শুনতে পাচ্ছি! একটু দেখতে হচ্ছে—

    (নেপথ্যে চিৎকার শোনা গেল—‘সরে যান, সরে যান, ভদ্রমহোদয়গণ সরে যান!’)

    সূত্রধার—বুঝতে পেরেছি মগধ রাজকন্যা এসেছেন তপোবনে, তাই রাজভৃত্যেরা অশোভনভাবে আশ্রমের লোকদের সরিয়ে দিচ্ছে!

    (নিষ্ক্রান্ত)

    স্থাপনা সমাপ্ত

    .

    প্রথম অঙ্ক

    (প্রহরীদ্বয়ের প্রবেশ)

    প্রহরীদ্বয়—সরে যান, ভদ্রমহোদয়গণ, সরে যান।

    [মঞ্চে এসে দাঁড়ালেন পরিব্রাজকবেশী যৌগন্ধরায়ণ। সঙ্গে আছেন বাসবদত্তা—তাঁর সঙ্গে অবন্তীনারীর ছদ্মবেশ]

    যৌগন্ধরায়ণ—(কান পেতে শুনলেন) কী আশ্চর্য! এখানেও কেন লোকজন সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে? এরা বল্কলধারী, বনফলে তুষ্ট, শান্ত, আশ্রমবাসী। এরা সম্মানের যোগ্য, এদের মধ্যেও ত্রাস সৃষ্টি করা হচ্ছে কেন? চঞ্চলভাগ্যে গর্বিত কে এমন উদ্ধত অবিনয়ী পুরুষ যে আদেশ প্রচারে এই শান্ত তপোবনকে কোলাহলময় গ্রামে পরিণত করতে চায়?

    বাসবদত্তা—আর্য! এই লোকজন সরিয়ে দিচ্ছে কে?

    যৌগন্ধরায়ণ—যে ধর্মপথ থেকে নিজেকেই সরিয়ে নিচ্ছে!

    বাসবদত্তা—আমি তা বলিনি। আমি বলতে চেয়েছিলাম, আমাকেও কি সরে যেতে হবে?

    যৌগন্ধরায়ণ—ভদ্রে, দেবতারাও অজ্ঞাতসারে এইভাবেই অনাদৃত হয়ে থাকেন। বাসবদত্তা—আর্যা, পথশ্রমে আমার দুঃখ হয়নি কিন্তু এই অবজ্ঞা আমার অসহ্য!

    যৌগন্ধরায়ণ—একদিন আপনি সৌভাগ্য ভোগ করেছেন পরে স্বেচ্ছায় তা ত্যাগও করেছেন। এখন এসব কথা ভাববেন না। ভেবে দেখুন, আগে আপনিও তো জীবন ইচ্ছেমতোই ভোগ করেছেন, সেই গৌরবের পদ স্বামীর বিজয়লাভের পরেই আপনি ফিরে পাবেন। চক্রনেমির মতোই ভাগ্যেরও পরিবর্তন হয়ে থাকে।

    (দুইজন প্রহরীর প্রবেশ)

    প্রহরীদ্বয়—সরে যান, সরে যান! (কঞ্চুকীরঃ প্রবেশ)

    কঞ্চুকী—না না, সম্ভষক, সরিয়ে দিও না। রাজার যাতে নিন্দে হয় এমন কাজ কেন করবে? নগরের গ্লানি থেকে মুক্ত হবার জন্যই তো এইসব মনস্বী বনে এসে বাস করছেন।

    প্রহরীদ্বয়—বেশ, তাই হোক! (উভয়ের প্রস্থান)

    যৌগন্ধরায়ণ—একে দেখে মনে হয় ইনি জ্ঞানী—বৎসে, চলো কাছে যাই!

    বাসবদত্তা—তাই হোক! (দুইজনে কঞ্চুকীর কাছে এলেন)

    যৌগন্ধরায়ণ—এই লোকজন সরাবার কারণ কী?

    কঞ্চুকী—তপস্বিন্!

    যৌগন্ধরায়ণ—সম্বোধনটি গৌরবের কিন্তু পরিচয় নেই বলে মনে ঠিক লাগছে না।

    কঞ্চুকী—শুনুন! আমাদের মহারাজ সার্থকনামা দর্শকের ভগিনী পদ্মাবতী এসেছেন মহারাজ জননী আশ্রমবাসিনী মহাদেবীকে দেখতে। আজ তিনি তপোবনে বাস করবেন, এই তাঁর ইচ্ছে; পরে রাজমাতার অনুমতি নিয়ে রাজগৃহে ফিরে যাবেন। আপনারা তীর্থজন, যজ্ঞীয় কাষ্ঠ, পুষ্প, কুশ এইসব উপকরণ ইচ্ছেমতো সংগ্রহ করুন। তপস্বীদের পূতকর্মে কোনো বাধা সৃষ্টি হোক, তা ধর্মপ্রিয়া রাজকন্যার ইচ্ছে নয়।

    যৌগন্ধরায়ণ—(স্বগত) বটে, ইনিই সেই মগধরাজপুত্রী পদ্মাবতী! পুষ্পকভদ্ৰ প্ৰভৃতি দৈবজ্ঞগণ ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, ইনিই হবেন আমার প্রভু বৎসরাজ উদয়নের দ্বিতীয় মহিষী। তাই দেখছি, মনের ভাবনা অনুযায়ী বিদ্বেষ বা প্রীতি জন্মে থাকে; প্রভুপত্নীরূপে একে পেতে চাই বলেই একে আমার পরমাত্মীয় বলে মনে হচ্ছে।

    বাসবদত্তা—(স্বগত) ‘ইনিই রাজকন্যা” এই কথা শুনে এর প্রতি আমারও ভগিনী-স্নেহ জেগে উঠেছে।

    (পরিজনসহ পদ্মাবতী প্রবেশ করলেন, সঙ্গে চেটী)

    চেটী—ভদারিকে, আসুন! আসুন! এই তো আশ্রম; আপনি প্রবেশ করুন।

    (জনৈকা তাপসীর প্রবেশ)

    তাপসী—স্বাগত, রাজপুত্রী!

    বাসবদত্তা—(স্বগত) ইনিই সেই রাজকন্যা! এর রূপ বংশের যোগ্যই বটে।

    পদ্মাবতী—আর্যে! আপনাকে প্রণাম করি

    তাপসী—চিরজীবী হও! এস বৎসে এস; তপোবন অতিথিদেরই নিজের গৃহ।

    পদ্মাবতী—তাই হোক তাই হোক—! আমি আশ্বস্ত হলাম; এই সম্মান-বাক্যে আমি ধন্য হলাম!

    বাসবদত্তা—(স্বগত) কেবল রূপ নয়, এর কথাও মধুর!

    তাপসী—আচ্ছা, দর্শক রাজার এই ভগিনীকে কোনো রাজা কি বরণ করেননি?

    চেটী–উজ্জয়িনীর রাজা প্রদ্যোৎ তাঁর পুত্রের জন্য দূত পাঠাচ্ছেন।

    বাসবদত্তা–(আত্মগত) আহা, তাই হোক। তাহলে ইনি আমার আত্মীয়া হতে চলেছেন!

    তাপসী—এর রূপ এই সমাদরের যোগ্য। শুনেছি দুই রাজবংশই মহৎ!

    পদ্মাবতী—আর্য! আমাকে অনুগ্রহ করতে পারেন এমন কোনো মুনি আপনি দেখেছেন কি? কে কী পেতে ইচ্ছে করেন তা জানবার জন্য তপস্বীগণকে বলুন, আমি তাঁদের ঈপ্সিত বস্তু দান করব।

    কঞ্চুকী–আপনার যেমন ইচ্ছে। ‘হে আশ্রমবাসী তপস্বীগণ! আপনারা শুনুন—শুনুন! মাননীয়া মগধরাজপুত্রী দানের দ্বারা ধর্ম অর্জন করতে ইচ্ছুক হয়ে জানাচ্ছেন, কার কী প্রয়োজন তা বলুন। কার কলস চাই, কার বস্ত্র চাই? দীক্ষিত ব্যক্তিগণ গুরুকে কি দান করতে ইচ্ছুক? কাকে কী দিতে হবে, আপনারা বলুন!”

    যৌগন্ধরায়ণ—(স্বগত) এইবার পথ খুঁজে পেয়েছি! (প্রকাশ্যে) আর্য! আমি একজন প্রার্থী!

    পদ্মাবতী—ভাগ্যবশত আমার তপোবনে আসা তাহলে সার্থক হল!

    তাপসী—এই আশ্রমের তপস্বীগণ তো সকলেই সন্তুষ্ট! ইনি নিশ্চয়ই কোনো আগন্তুক হবেন!

    কঞ্চুকী—বলুন, আপনার জন্য কী করতে হবে?

    যৌগন্ধরায়ণ—(বাসবদত্তাকে লক্ষ্য করে) ইনি আমার ভগিনী; এর স্বামী এখন প্রবাসী। আমার প্রার্থনা, রাজকুমারী কিছুকাল এর প্রতিপালনের ভার গ্রহণ করুন। আমার অর্থে, ভোগে বা বস্ত্রে কোনো প্রয়োজন নেই, আমি জীবিকার জন্য এই কাষায় ধারণ করিনি। আমি মনে করি এই ধীরা ও ধর্মপ্রিয়া রাজপুত্রীই আমার ভগিনীর চরিত্র রক্ষা করতে পারবেন।

    বাসবদত্তা—(স্বগত) দেখছি, আর্য যৌগন্ধরায়ণ আমাকে এই রাজকন্যার হাতে তুলে দিতে চান। যাই হোক, বিচার না করে তিনি নিশ্চয়ই কিছু করবেন না।

    কঞ্চুকী—ভদ্রে, এঁর প্রার্থনা বেশ গুরুতর; কীভাবে কথা দেব? কেননা, অর্থ, প্রাণ বা তপস্যা অনায়াসে দান করা চলে। অন্য সবকিছু দানেই সুখ, কিন্তু গচ্ছিত বস্তুর রক্ষা অত্যন্ত দুঃখজনক!

    পদ্মাবতী—আর্য! প্রথমে ঘোষণা করলেন—কে কী চান! তারপর এখন এভাবে ভাবা অন্যায়। ইনি যা বলছেন তাই করুন।

    কঞ্চুকী—একথা আপনারই যোগ্য!

    চেটী—সত্যবাদিনী রাজপুত্রী চিরজীবী হোন!

    তাপসী—ভদ্রে, আপনার দীর্ঘ জীবন কামনা করি।

    কঞ্চুকী—ভদ্রে, তবে তাই হোক! (কাছে গিয়ে) মাননীয়া পদ্মাবতী আপনার ভগিনীর পরিপালনে সম্মত হয়েছেন!

    যৌগন্ধরায়ণ—আমি অনুগৃহীত হলাম। বৎসে, এর কাছে যাও।

    বাসবদত্তা—(স্বগত) তাছাড়া আর উপায়? আমি মন্দভাগিনী, তাই আমাকে যেতে হচ্ছে।

    পদ্মাবতী—আচ্ছা আচ্ছা, ভালোই তো হল; এখন থেকে ইনি আমাদের আত্মীয়া হলেন।

    তাপসী—এর যা রূপ, একেও রাজকন্যা বলেই মনে হচ্ছে।

    চেটী—আপনি ঠিকই বলেছেন; আমারও মনে হচ্ছে ইনি পূর্বে রাজসুখ ভোগ করেছিলেন।

    যৌগন্ধরায়ণ—(স্বগত) যাক, ভগবানের আশীর্বাদে অর্ধেক ভার নেমে গেল। মন্ত্রীদের সঙ্গে যেমন পরামর্শ করেছিলাম সেইভাবেই ঘটনা ঘটে যাচ্ছে! প্ৰভু রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত হবার পর যখন দেবীকে নিয়ে যাব তখন তাঁর চরিত্র সম্পর্কে সাক্ষী থাকবেন এই মগধরাজপুত্রী। মহারাজের বিপদ দেখে যাঁরা বলেছিলেন, পদ্মাবতী তাঁর মহিষী হবেন তাঁদের কথায় বিশ্বাস করেই এই কাজ করলাম। দৈব কখনো সুপরীক্ষিত সিদ্ধ বাক্যকে লঙ্ঘন করে না।

    (একজন ব্রহ্মচারীর প্রবেশ)

    ব্রহ্মচারী—(আকাশের দিকে তাকিয়ে) মধ্যাহ্ন উপস্থিত। আমি অত্যন্ত ক্লান্ত! কোথায় গিয়ে বিশ্রাম করব? (পরিক্রমণ করে) এই তো দেখতে পেয়েছি! চারদিক দেখে মনে হচ্ছে এটি একটি তপোবন, কেননা হরিণগুলো গভীর বিশ্বাসে অচকিতভাবে বিচরণ করছে। পুষ্পফলে সমৃদ্ধ, শাখায় শোভিত বৃক্ষগুলো এখানে সযত্নে রক্ষিত; কপিল বর্ণের বহু গাভী এখানে-ওখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে, চারদিকে চাষ না-করা জমি! বহুস্থানে বহ্নি থেকে ধূম নির্গত হচ্ছে। নিঃসন্দেহে এটি তপোবন। তাহলে এখন প্রবেশ করা যেতে পারে।

    (ব্রহ্মচারী অগ্রসর হলেন)

    এটি দেখে মনে হয় আশ্রম বিরুদ্ধ! (অন্যদিকে তাকিয়ে) তাইতো, এখানে যে তপস্বীও আছেন, তাহলে কাছে যাওয়া নিশ্চয়ই দোষের হবে না! বটে! স্ত্রীলোকও আছেন দেখতে পাচ্ছি!

    কঞ্চুকী—আপনি স্বচ্ছন্দভাবে আসুন, আশ্রম সর্বসাধারণের।

    (বাসবদত্তা অসম্মতিসূচক অভিনয় করলেন)

    পদ্মাবতী—আর্য পরপুরুষের দর্শন এড়িয়ে যাচ্ছেন। গচ্ছিত বস্তুর রক্ষণ সহজেই হবে বলে মনে হচ্ছে!

    কঞ্চুকী—আমরা এখানে আগে এসেছি। আমাদের আতিথ্য গ্রহণ করুন।

    ব্রহ্মচারী—বেশ বেশ তাই হোক্। (জলে আচমন করে) যাক, শ্রম অনেকটা দূর হল!

    যৌগন্ধরায়ণ—আপনি কোথা থেকে আসছেন, কোথায় যাবেন? আর আপনার বাসস্থানই-বা কোথায়?

    ব্রহ্মচারী—শুনুন, আমি আসছি রাজগৃহ থেকে! বেদপাঠের জন্য বৎসদেশে লাবাণক গ্রামে বাস করতাম।

    বাসবদত্তা—(স্বগত) লাবাণক! গ্রামের নামেই যেন আমার দুঃখ নতুন করে জেগে উঠল।

    যৌগন্ধরায়ণ—আপনার বিদ্যাগ্রহণ শেষ হয়েছে?

    ব্রহ্মচারী—আজ্ঞে না, এখনও হয়নি।

    যৌগন্ধরায়ণ—কিন্তু বিদ্যাগ্রহণ যদি না শেষ হয়ে থাকে তবে এখানে এলেন কেন, জানতে পারি কি?

    ব্রহ্মচারী—নিশ্চয়ই। সেখানে এখন ভীষণ এক বিপদ—

    যৌগন্ধরায়ণ—(উৎসুক কণ্ঠে) কীরকম?

    ব্রহ্মচারী—সেখানে উদয়ন নামে এক রাজা বাস করতেন-

    যৌগন্ধরায়ণ—হ্যাঁ, রাজা উদয়নের কথা শুনেছি বটে! তার কী হয়েছে?

    ব্রহ্মচারী—অবন্তীরাজপুত্রী বাসবদত্তা তাঁর প্রিয়তমা পত্নী-

    যৌগন্ধরায়ণ—তা হবে! কিন্তু তারপর?

    ব্রহ্মচারী—একদিন রাজা মৃগয়া উপলক্ষে বাইরে যাবার পর গ্রামের একটি অগ্নিকাণ্ডে বাসবদত্তা প্ৰাণত্যাগ করেন।

    বাসবদত্তা—(স্বগত) মিথ্যে, সব মিথ্যে! হতভাগিনী তো এখনও বেঁচে আছে! যৌগন্ধরায়ণ—তারপর কী হল বলুন—

    ব্রহ্মচারী—তারপর তাঁকে উদ্ধার করতে গিয়ে রাজমন্ত্রী যৌগন্ধরায়ণ সেই অগ্নিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন!

    যৌগন্ধরায়ণ—সত্যি? তারপর?

    ব্রহ্মচারী—তারপর রাজা ফিরে এলেন, সব কথা শুনে তিনি তাঁদের মৃত্যুশোকে অধীর হয়ে অগ্নিতে প্রাণ বিসর্জন দিতে উদ্যত হলেন, কিন্তু মন্ত্রীগণ তাঁকে বাধা দিলেন।

    বাসবদত্তা—(স্বগত) জানি, আমার প্রতি আমার স্বামীর অনুকম্পার কথা আমি জানি বই কি!

    যৌগন্ধরায়ণ—তারপর কী হল বলুন!

    ব্রহ্মচারী—তখন মহিষীর ব্যবহৃত সেই দগ্ধাবশিষ্ট অলঙ্কারগুলো আলিঙ্গন করে রাজা মূৰ্চ্ছিত হয়ে পড়লেন!

    সকলে—আহা! তারপর?

    বাসবদত্তা—(স্বগত) এখন তাহলে আর্য যৌগন্ধরায়ণের অভিলাষ পূর্ণ হোক!

    (বাসবদত্তার দুই চোখে দেখা দিল অশ্রুবিন্দু)

    চেটী—রাজপুত্রী! দেখুন, আর্যা কাঁদছেন!

    পদ্মাবতী—নিশ্চয়ই, পরের দুঃখে অনুকম্পাই এর কারণ!

    যৌগন্ধরায়ণ—হ্যাঁ, হ্যাঁ, আমার ভগিনী পরের দুঃখ একেবারেই সইতে পারেন না। কিন্তু তারপর?

    ব্রহ্মচারী—তারপর ধীরে ধীরে তাঁর জ্ঞান ফিরে এল—

    পদ্মাবতী—তিনি বেঁচে উঠেছেন, খুবই ভাগ্যের কথা! মূৰ্চ্ছার সংবাদে খুবই বিচলিত হয়ে পড়েছিলাম!

    যৌগন্ধরায়ণ—তারপর কী হল?

    ব্রহ্মচারী—জ্ঞান ফিরে আসার পর তিনি উঠে দাঁড়ালেন, ভূমিতে লুণ্ঠনের জন্য তাঁর দেহ ধূলায় ধূসরিত! হায় বাসবদত্তে, হায় অবন্তীরাজপুত্রী, হায় প্রিয়ে, হায় প্রিয়শিষ্যে তুমি কোথায়—এই বলে তিনি কতভাবে বিলাপ করতে লাগলেন। বেশি কী আর বলব? এখন চক্রবাকও তাঁর চেয়ে বেশি বিরহকাতর নয়। গুণবতী পত্নীর মৃত্যুতে আর কাকেও এমন শোক করতে দেখা যায় না! স্বামী যে পত্নীকে এই চোখে দেখবেন—সেই স্ত্রী তো ধন্য। পত্নীপ্রেমের গুণে ইনি দগ্ধ হয়েও দগ্ধ হলেন না।

    যৌগন্ধরায়ণ—তাঁকে প্রকৃতিস্থ করার জন্যে কোনো মন্ত্রীই কি চেষ্টা করেননি?

    ব্রহ্মচারী—হ্যাঁ—রুমন্থান্ নামে এক মন্ত্রী সুস্থ করে তুলতে খুবই চেষ্টা করেছিলেন। তিনি দিবারাত্র সযত্নে রাজার সেবা করছেন। রাজার মতোই তিনিও অনাহারী; সকল সময় অশ্রুপাতের ফলে তাঁর মুখ শীর্ণ, রাজার দুঃখে সহানুভূতির ফলে তিনিও দেহের সংস্কার করেন না। যদি রাজার মৃত্যু হয়—তাঁরও মৃত্যু হবে।

    বাসবদত্তা—আর্যপুত্র সুজনের হাতে পড়েছেন এটি ভাগ্যের কথা।

    যৌগন্ধরায়ণ—(স্বগত) রুমন্বান্ গুরুভার বহন করছেন। আমি যে বাসবদত্তার ভার নিয়েছি তাতে তো বিশ্রাম আছে। কিন্তু রুমন্নানের কাজে কোনো বিরাম নেই। রাজা যার অধীন, সকলেই তার অধীন, একথা মানতেই হয়। (প্রকাশ্যে) রাজা কি এখন প্রকৃতিস্থ?

    ব্রহ্মচারী—ঠিক বলতে পরব না। লাবাণকে তাঁর মুখে শুধু একটি বিলাপই শোনা যেত- ‘এখানে তাঁর সঙ্গে হেসেছিলাম, এখানে কথা বলেছিলাম, এখানে রাগ করেছিলাম, এখানেই একসঙ্গে বাস করেছিলাম, একসঙ্গে শুয়েছিলাম!’ যখন রাজার এই বিলাপ চলতে থাকল তখন মন্ত্রীগণ বহু চেষ্টায় তাঁকে গ্রাম থেকে নিয়ে গেছেন। রাজা চলে যাবার পর মনে হল লাবাণক নক্ষত্রহীন আকাশের মতোই শ্রীহীন—আমিও সেই গ্রাম ছেড়ে চলে এসেছি।

    তাপসী—এই আগন্তুক যাঁকে এত প্রশংসা করছে, নিশ্চয়ই সেই রাজা গুণবান!

    চেটী—রাজপুত্রী! আপনার কি মনে হয় রাজা অন্য এক স্ত্রী গ্রহণ করবেন?

    পদ্মাবতী—(স্বগত) ঠিক আমার মনের কথাই বলেছে!

    ব্রহ্মচারী—আমাকে বিদায় দিন! এখন আমি যাই!

    উভয়ে—আচ্ছা, আসুন; আপনার ইষ্টসিদ্ধি হোক।

    ব্রহ্মচারী—তাই হোক্! (প্রস্থান)

    যৌগন্ধরায়ণ—রাজপুত্রীর অনুমতি পেলে আমিও যেতে চাই।

    কঞ্চুকী—(পদ্মাবতীর প্রতি) ইনি যাবার অনুমতি চান।

    পদ্মাবতী—আপনি চলে গেলে আপনার ভগিনী যে উৎকণ্ঠিতা হবেন।

    যৌগন্ধরায়ণ—ওকে আপনার হাতে রেখে গেলাম, উৎকণ্ঠার কারণ নেই। (কঞ্চুকীর প্রতি) আমি যাই!

    কঞ্চুকী—আচ্ছা আসুন। আবার যেন দেখা হয়।

    যৌগন্ধরায়ণ—তাই হোক্! (প্রস্থান)

    কঞ্চুকী—এখন ভিতরে যাবার সময় হয়েছে!

    পদ্মাবতী—আর্যে আপনাকে প্রণাম করি।

    তাপসী—বৎসে, তুমি তোমার যোগ্য স্বামী লাভ কর।

    বাসবদত্তা—আর্যে! আমিও অভিবাদন জানাই।

    তাপসী—অচিরে পতির সঙ্গে মিলিত হও।

    বাসবদত্তা—আমি কৃতার্থ হলাম।

    কঞ্চুকী—তবে আসুন ভদ্রে, এইদিকে—এদিকে! পাখিরা কুলায় ফিরেছে, মুনিগণ স্নানে রত; উজ্জ্বল শিখায় জ্বলেছে অগ্নি, ধূমরাশি ছড়িয়ে পড়েছে তপোবনে; সূর্যদেবও মধ্যগগন থেকে সরে গিয়ে কিরণ সঙ্কুচিত করেছেন এবং রথ ফিরিয়ে অস্তাচল শিখরে অবতরণ করতে উদ্যত হয়েছেন।

    [প্রথম অঙ্ক সমাপ্ত]

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য লাস্ট ডন – মারিও পুজো
    Next Article বর্ন আইডেন্টিটি – রবার্ট লুডলাম
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }