Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস

    মুরারিমোহন সেন এক পাতা গল্প81 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্বপ্নবাসবদত্তা – ষষ্ঠ অঙ্ক

    (কঞ্চুকীর প্রবেশ)

    কঞ্চুকী—এই কাঞ্চন তোরণদ্বারে কে আছে?

    (প্রতিহারীর প্রবেশ)

    প্রতিহারী—আমি বিজয়া! কী করতে বলুন।

    কঞ্চুকী—আর্যে, বৎসরাজ্য ফিরে পাওয়ায় রাজা এখন সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী! ওঁকে গিয়ে বল, মহাসেনের প্রেরিত কঞ্চুকী আর মহিষী অঙ্গারবর্তীর প্রেরিত বসুন্ধরা দ্বারদেশে উপস্থিত, বসুন্ধরা বাসবদত্তার ধাত্রী!

    প্রতিহারী—কিন্তু সামান্য দ্বারপালিকার পক্ষে এই স্থান বা সময় যোগ্য নয়।

    কঞ্চুকী—কেন?

    প্রতিহারী—শুনুন, আজ সূর্যামুখ প্রাসাদে কোনো এক ব্যক্তি বীণা বাজিয়েছিল। শুনে প্রভু বলেছিলেন—যেন ঘোষবতীর সুর শুনতে পাচ্ছি!

    কঞ্চুকী—তারপর?

    প্রতিহারী—তারপর সেখানে গিয়ে সেই ব্যক্তিকে প্রশ্ন করা হল—এ বীণা তুমি কোথায় পেলে? সে বলল – এই বীণা আমি নর্মদা তীরে এক কুর্চ্চলতার ঝোপে কুড়িয়ে পেয়েছি, যদি দরকার থাকে তো আপনি নিন। বীণা আনা হলে পর তাকে কোলে নিয়ে প্রভু মূর্ছিত হয়ে পড়লেন। মূর্ছা ভাবার পরে অশ্রু কণ্ঠে তিনি বললেন—‘ঘোষবতী! তোমাকে আমি পেলাম কিন্তু তাকে তো দেখতে পেলাম না!’ আর্য! এই কারণেই বলছিলাম, এটা এসব কথা জানাবার সময় নয়, কেমন করে জানাব?

    কঞ্চুকী—তুমি সব জানাও, এই ব্যাপার নিয়েই ওদের আসা।

    প্রতিহারী—আচ্ছা, আমি বলছি। এই যে প্রভু সূর্যামুখ প্রাসাদ থেকে নেমে আসছেন, আমিও এইখানেই আমার কথা নিবেদন করি।

    কঞ্চুকী—আর্যে, তাই হোক।

    (উভয়ের প্রস্থান)

    মিশ্র বিষ্কম্ভক

    (তারপর রাজা ও বিদূষকের প্রবেশ)

    রাজা—হে বীণে! তোমার ধ্বনি কত শ্রুতিমধুর! আগে তুমি দেবীর স্তনে ও জঘনে লীন হয়ে থাকতে, পরে তুমি বিহগগণের ধূলিতে ধূসরিত হয়ে কেমন করে নির্জন অরণ্যে বাস করেছিলে? তুমি নিশ্চয়ই হৃদয়হীনা ঘোষবতী! সেই প্রিয়ার শ্রোণিদেশের সমুদ্বহন, পার্শ্বদেশের নিপীড়ন, বক্ষের সুখকর আলিঙ্গন—এই বিরহে আমার উদ্দেশ্যে তার বিলাপ, বাদনের মধ্যে মধ্যে তার হাস্যমধুর উক্তিগুলো কিছু তুমি স্মরণ করছ না!

    বিদূষক—আপনি আর এখন এভাবে শোক প্রকাশ করবেন না।

    রাজা—না, না সখে, ও কথা বোলো না! আমার চিরসুপ্ত কামনা আবার এই বীণার সুরে জেগে উঠেছে। ঘোষবর্তী যার প্রিয়তমা সেই দেবীকে যে কোথাও খুঁজে পাচ্ছি না। বসন্তক! শিল্পীর কাছ থেকে তুমি ঘোষবতীকে নতুন তার দিয়ে বাঁধিয়ে নিয়ে এস—দেরি না হয়।

    বিদূষক—আপনার যেমন আদেশ। (বীণা নিয়ে প্রস্থান)

    (প্রতিহারীর প্রবেশ)

    প্রতিহারী—প্রভুর জয় হোক। মহাসেনের কাছ থেকে রৈভ্যগোত্রীয় কঞ্চুকী আর মহিষী অঙ্গারবতীর কাছ থেকে বাসবদত্তার ধাত্রী বসুন্ধরা এসেছেন।

    রাজা—তাহলে পদ্মাবতীকে সংবাদ দাও।

    প্রতিহারী—যে আজ্ঞে। (প্রস্থান)

    (পদ্মাবতী ও প্রতিহারীর প্রবেশ)

    প্রতিহারী—আসুন, এইদিকে আসুন!

    রাজা—পদ্মাবতী। মহাসেনের কাছ থেকে কঞ্চুকী আর মহিষী অঙ্গারবর্তীর কাছ থেকে বাসবদত্তার ধাত্রী বসুন্ধরা এসেছেন এ সংবাদ তুমি শুনেছ কি?

    পদ্মাবতী—আর্যপুত্র, আত্মীয়দের কুশলসংবাদ আমিও শুনতে ইচ্ছুক!

    রাজা—তুমি ঠিকই বলেছ, ‘বাসবদত্তার স্বজন আমারও স্বজন!’ এখানে বস তুমি! একি, বসছ না কেন?

    পদ্মাবতী—আমার সঙ্গে বসেই কি আপনি এঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন? রাজা—কেন, তাতে দোষ কী?

    পদ্মাবতী—আপনি আবার বিবাহ করেছেন, তাতে উদাসীনতা প্রকাশ পাবে না কি?

    রাজা—যারা স্ত্রী-দর্শন করবার যোগ্য তাদের তা থেকে বঞ্চিত রাখলে অনেক দোষের কথা হবে। তুমি বস।

    পদ্মাবতী—আপনার যেমন আদেশ! (আসনে উপবেশন করলেন) আর্যপুত্র, পিতামাতা কী বলবেন তা ভেবেই আমি ব্যাকুল হয়ে পড়েছি।

    রাজা—সে কথা সত্য পদ্মাবতী! ওঁরা কী বলবেন তা ভেবে আমিও শঙ্কিত; আমি তাদের কন্যাকে অপহরণ করে এনেছিলাম, কিন্তু তাকে রক্ষা করতে পারিনি ভাগ্যের বিড়ম্বনায় আমি গুরুজনের মর্যাদা লঙ্ঘন করেছি। আমি পিতার নিকট অপরাধী পুত্রের মতোই শঙ্কিত।

    পদ্মাবতী—সময় এলে কিছুই রক্ষা করা যায় না।

    প্রতিহারী—কঞ্চুকী আর ধাত্রী দ্বারদেশে অপেক্ষা করছেন।

    (প্রতিহারীর প্রবেশ)

    রাজা—যাও, প্রবেশ করতে বল।

    প্রতিহারী—প্রভুর যেমন আদেশ। (প্রস্থান)

    (কঞ্চুকী, ধাত্রী বসুন্ধরা ও প্রতিহারীর প্রবেশ

    কঞ্চুকী—কুটুম্বের রাজ্যে এসে আনন্দ হচ্ছে আবার রাজকন্যার মৃত্যুর কথা ভেবে বিষাদে মন আচ্ছন্ন হচ্ছে। হায়, দেবী যদি বেঁচে থাকতেন, না হয় বৎসরাজের রাজ্য শত্রুর অধিকারেই থাকত!

    প্রতিহারী—এই আমাদের প্রভু। আর্য! আপনি এগিয়ে আসুন।

    কঞ্চুকী―(এগিয়ে এসে) আর্যপুত্রের জয় হোক্।

    ধাত্রী—প্রভুর জয় হে ক্!

    রাজা—(সসম্মানে) পৃথিবীর রাজগণের উত্থান ও পতনের যিনি প্রভু, আমার আকাঙ্ক্ষিত আত্মীয়, সেই রাজার কুশল তো?

    কঞ্চুকী—হ্যাঁ, মহাসেনের কুশল। তিনিও এখানকার সর্বাঙ্গীণ কুশল প্রশ্ন করেছেন। রাজা—(আসন থেকে ওঠে) মহাসেনের কী আদেশ?

    কঞ্চুকী—বৈদেহী পুত্রের যোগ্য আচরণই বটে! তবে আপনাকে আসনে বসেই মহাসেনের কথা শুনতে হবে।

    রাজা—মহাসেনের যেমন আদেশ। (আসনে বসলেন )

    কঞ্চুকী—খুবই ভাগ্যের কথা, শত্রু যে রাজ্য জয় করেছিল আপনি আবার তা অধিকার করেছেন। কারণ যারা অবসন্ন বা শক্তিহীন তাদের কখনো উৎসাহ থাকে না। যারা উৎসাহী তারাই রাজ্যলক্ষ্মী ভোগ করে থাকেন।

    রাজা—আর্য! সবই মহাসেনের প্রভাবে সম্ভব হয়েছে! আগে শত্রুর হাতে পরাজিত হয়ে আমি তাঁর পুত্রদের সঙ্গে সমভাবে লালিত হয়েছি। তাঁর কন্যাকে বলপূর্বক হরণ করেছি, কিন্তু রক্ষা করতে পারিনি। কন্যার নিধনসংবাদ শুনেও তিনি আমার প্রতি স্নেহশীল। আমি যে রাজ্য ফিরে পেয়েছি তার কারণও তিনিই।

    কঞ্চুকী—মহাসেনের সংবাদ বলেছি। মহিষীর সংবাদ ইনি বলবেন।

    রাজা—হায় মাতঃ যিনি ষোড়শ পত্নীগণের২২ মধ্যে জ্যেষ্ঠা, পবিত্রা ও নগরদেবতা স্বরূপিণী, আমার প্রবাসদুঃখে কাতর সেই মাতৃদেবীর কুশল তো?

    ধাত্রী—মহিষী কুশলেই আছেন, তিনি আপনার সর্বাঙ্গীণ কুশল জিজ্ঞাসা করেছেন। রাজা—সর্বাঙ্গীণ কুশল? হায় মাতঃ, এই তো কুশলের নমুনা।

    ধাত্রী—প্রভু, আপনি অধিক সন্তপ্ত হবেন না।

    কঞ্চুকী—আর্যপুত্র, আপনি ধৈর্য ধারণ করুন! আপনার এত অনুকম্পা! মনে হয়, মহাসেনের কন্যা মরেও মরেননি। কিন্তু মৃত্যুকালে কে কাকে রক্ষা করতে পারে? রজ্জু ছিন্ন হলে কে আর ঘট ধরে রাখতে পারে? সংসার ও বন এই দুইয়ের এই তো সমান ধর্ম, যে কালে তাদের ছেদনও চলতে থাকে, আবার উদ্ভবও হতে থাকে।

    রাজা—আর্য! ও কথা বলবেন না! মহাসেনের কন্যা আমার শিষ্যা, আমার প্রিয়তমা মহিষী জন্মান্তরেও কি আমি তাকে ভুলে থাকতে পারব?

    ধাত্রী—মহিষী বলেছেন, বাসবদত্তা আর নেই। আমার বা মহাসেনের কাছে যেমন গোপালক ও পালক তুমিও তেমনি প্রথম থেকেই আমাদের অভিপ্রেত জামাতা! তাই তোমাকে উজ্জয়িনীতে নিয়ে এসেছিলাম এবং অগ্নিসাক্ষী না করেই বীণাশিক্ষার ছলে বাসবদত্তাকে দিয়েছিলাম—নিজের চঞ্চলতাহেতু বিবাহমঙ্গল শেষ না করেই তুমি এসেছিলে। আমরা কিন্তু চিত্রফলকে তোমার ও বাসবদত্তার প্রতিকৃতি অঙ্কিত করে বিবাহকর্ম সম্পন্ন করেছিলাম। সেই চিত্রকফলক তোমার কাছে পাঠাচ্ছি, তা দেখে শান্ত হতে চেষ্টা করো। রাজা—এসব কথা অত্যন্ত স্নেহপূর্ণ, মহিষীরই যোগ্য কথা! শত রাজ্যলাভের চেয়ে এই কথা আমার কাছে অধিক প্রিয়। কেননা, আমি অপরাধী হলেও তিনি তাঁর স্নেহ থেকে আমাকে বঞ্চিত করেননি।

    পদ্মাবতী—আর্য! চিত্রাঙ্কিত গুরুজনকে অভিবাদন জানাব!

    ধাত্রী—এই যে দেখুন।

    (ফলকের আবরণ খুলে দিলেন)

    পদ্মাবতী—(দেখে স্বগত) এ কী। এ চিত্র যে আর্যা আবন্তিকার মতোই। (প্রকাশ্যে) আর্যপুত্র এই চিত্র কি আবন্তিকার বলে মনে হয়?

    রাজা–এত সাদৃশ্য যে মনে হয় তিনিই। হায় কি কষ্ট। এই স্নিগ্ধ বর্ণের এই দারুণ বিপর্যয় কেমন করে ঘটল, অগ্নিদেব কেমন করে এই রূপমাধুরী কলঙ্কিত করলেন।

    পদ্মাবতী—আর্যপুত্রের প্রতিকৃতি দেখলে সব বুঝতে পারব।

    ধাত্রী—এই দেখুন।

    পদ্মাবতী—(দেখে) হ্যাঁ, আর্যপুত্রের চিত্র সন্দেহ নেই, আর এটিই আবন্তিকার তুল্য!

    রাজা—দেবী! চিত্রদর্শনের পর থেকেই তোমাকে উৎফুল্ল এবং উৎকণ্ঠিত দেখছি। ব্যাপার কী?

    পদ্মাবতী—এই প্রতিকৃতির আদর্শ এইখানেই আছেন।

    রাজা—কী? বাসবদত্তার?

    পদ্মাবতী—হ্যাঁ।

    রাজা—তাহলে তাকে নিয়ে এস।

    পদ্মাবতী—আর্যপুত্র, আমি যখন কুমারী ছিলাম, তখন এক ব্রাহ্মণ একে আমার কাছে গচ্ছিত রেখে গিয়েছিলেন, বলেছিলেন ‘আমার ভগিনী’। এঁর স্বামী প্রবাসে আছেন, ইনি পরপুরুষ দর্শন করেন না। তাই, আমার সঙ্গে এলেই বুঝে নেবেন তাকেই নিয়ে এসেছি।—তিনি যদি ব্রাহ্মণের ভগিনী হন, তাহলে নিশ্চয়ই অন্য কেউ হবেন। সংসারে রূপের সাদৃশ্য তো আছেই।

    (প্রতিহারীর প্রবেশ)

    প্রতিহারী—প্রভুর জয় হোক। উজ্জয়িনীর এক ব্রাহ্মণ এসে বলছেন—আমি মহিষীর হস্তে আমার ভগিনীকে গচ্ছিত রেখেছি। তিনি তাকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে এসেছেন।

    রাজা—পদ্মাবতী, ইনিই কি সেই ব্রাহ্মণ?

    পদ্মাবতী—হয়তো তাই!

    রাজা—অন্তঃপুরের শিষ্টাচারের সঙ্গে সেই ব্রাহ্মণকে নিয়ে এস।

    (প্রস্থান)

    প্রতিহারী—যে আজ্ঞে!

    রাজা—পদ্মাবতী! তুমি যাও, তাকে নিয়ে এস।

    পদ্মাবতী—আর্যপুত্রের আদেশ নিশ্চয়ই পালন করব।

    (প্রস্থান)

    (যৌগন্ধরায়ণ ও প্রতিহারীর প্রবেশ)

    যৌগন্ধরায়ণ—(স্বগত) রাজার কল্যাণের জন্য রাজমহিষীকে লুকিয়ে রেখে হিতকর জেনেই আমি সব কাজ করেছি। এখন আমার কাজ শেষ হয়েছে কিন্তু রাজা কী বলবেন তাই ভেবে আমার মন শঙ্কিত হয়ে উঠেছে।

    প্রতিহারী—এই যে প্রভু! এগিয়ে চলুন।

    (যৌগন্ধরায়ণ এগিয়ে এলেন)

    যৌগন্ধরায়ণ—আপনার জয় হোক!

    রাজা—(স্বগত) এ স্বর যে আগে কোথায় শুনেছি বলে মনে হচ্ছে! (প্রকাশ্যে) ব্রাহ্মণ! আপনি কি আপনার ভগিনীকে পদ্মাবতীর হস্তে গচ্ছিত রেখেছিলেন? যৌগন্ধরায়ণ—হ্যাঁ।

    রাজা—তাহলে অবিলম্বে এঁর ভগিনীকে নিয়ে এস।

    প্রতিহারী—প্রভুর যেমন আদেশ।

    (প্রস্থান)

    (পদ্মাবতী, আবন্তিকা ও প্রতিহারীর প্রবেশ)

    পদ্মাবতী—আসুন আর্যে, একটি প্রিয় সংবাদ আপনাকে দিচ্ছি।

    আবন্তিকা–কী?

    পদ্মাবতী—আপনার ভ্রাতা এসেছেন।

    আবন্তিকা—এখনও মনে রেখেছেন, আমার সৌভাগ্য!

    পদ্মাবতী—(এগিয়ে এসে) আর্যপুত্রের জয় হোক! এই সেই গচ্ছিতা!

    রাজা—পদ্মাবতী! গচ্ছিত বস্তু ফিরিয়ে দাও; হ্যাঁ, সাক্ষী রেখেই ফিরিয়ে দিতে হবে। এ বিষয়ে আর্য রৈভ্য এবং মাননীয়া বসুন্ধরা রইলেন, বিচারালয়ের কাজ ওদের দিয়েই চলবে।

    পদ্মাবতী—আর্যা, একে গ্রহণ করুন!

    (ধাত্রী আবন্তিকাকে লক্ষ করলেন—তারপর বলে উঠলেন)

    ধাত্রী—এ কী! এ যে প্রভুপত্নী বাসবদত্তা!

    রাজা—কী! মহাসেনের পুত্রী? দেবী, পদ্মাবতীর সঙ্গে অন্তঃপুরে যাও!

    যৌগন্ধরায়ণ—না, না, অন্তঃপুরে প্রবেশ করা চলবে না। ইনি যে আমার ভগিনী।

    রাজা—আপনি কী বলছেন? ইনি যে মহাসেনের কন্যা!

    যৌগন্ধরায়ণ—রাজন্, আপনি ভরতবংশে জন্মগ্রহণ করেছেন! আপনি বিনীত জ্ঞানবান্, শুচি ও রাজধর্মের গুরু! বলপূর্বক হরণ আপনার অনুচিত।

    রাজা—বেশ, আমি রূপের সাদৃশ্য পরীক্ষা করে দেখব! মুখের আবরণ খুলে দাও।

    (আবরণ উন্মোচিত হল )

    যৌগন্ধরায়ণ—প্রভুর জয় হোক্!

    বাসবদত্তা—আর্যপুত্রের জয় হোক!

    রাজা—কী আশ্চর্য! এ যে যৌগন্ধরায়ণ—আর ইনি মহাসেনপুত্রী! একি সত্য না স্বপ্ন? আবার তাকে আমি দেখতে পাচ্ছি! সেই স্বপ্নকালে একে দেখেও আমি বঞ্চিত হয়েছিলাম।

    যৌগন্ধরায়ণ—প্রভু, দেবীকে সরিয়ে নিয়েছিলাম, আপনার কাছে আমি অপরাধী। আমাকে ক্ষমা করুন। (চরণে প্রণত হলেন : রাজা তাকে উঠিয়ে বললেন)

    রাজা—মিথ্যা উন্মাদের অভিনয়ে, যুদ্ধ বলে, শাস্ত্রীর মন্ত্রণা কৌশলে তুমি যে নৈপুণ্য দেখিয়েছ, বিপদসাগরে মজ্জমান হয়ে আমরা তার ফলেই তো বেঁচে গিয়েছি! যৌগন্ধরায়ণ—আমরা স্বামীভাগ্যের অনুগামী মাত্র।

    পদ্মাবতী—ইনিই তবে আর্যা! সখীজনের মতো ব্যবহার করে আচার অতিক্রম করেছি। তাই নতমস্তকে প্রসন্ন করছি। (চরণে প্রণত হলেন)

    বাসবদত্তা—(পদ্মাবতীকে উঠিয়ে) ওঠো, অবিধবে ওঠো। আমি তোমার কাছে যৌগন্ধরায়ণের ভগিনীরূপে নির্দিষ্ট হয়েছিলাম, এই দেহটাই অপরাধী।

    পদ্মাবতী— আমি অনুগৃহীতা।

    রাজা—বয়স্য যৌগন্ধরায়ণ! কোন বুদ্ধিতে দেবীকে আমার কাছ থেকে সরিয়ে নিয়েছিলে?

    যৌগন্ধরায়ণ—উদ্দেশ্য—কৌশাম্বী রাজ্যের রক্ষা।

    রাজা—আর পদ্মাবতীর হস্তে তাকে গচ্ছিত রাখার কারণ?

    যৌগন্ধরায়ণ—পুষ্পকভদ্র প্রভৃতি দৈবজ্ঞগণ ভবিষ্যদ্বাণী২৫ করেছিলেন। ইনি মহারাজের মহিষী হবেন!

    রাজা—রুমন্বান্ এসব কথা জানত?

    যৌগন্ধরায়ণ—সবাই একথা জানত।

    রাজা—ওহ্! রুমন্বান্ কী শঠ!

    যৌগন্ধরায়ণ—মহাসেনপুত্রীর কুশল সংবাদ জানাবার জন্য আর্য রৈভ্য এবং বসুন্ধরা আজই ফিরে যান।

    রাজা—না, না—আমরা সবাই পদ্মাবতীকে নিয়ে সেখানে যাব।

    যৌগন্ধরায়ণ—আপনার যেমন ইচ্ছে।

    (ভরত বাক্য)

    আমাদের রাজসিংহ সাগর পর্যন্ত বিস্তৃতা হিমালয়-বিন্ধ্যাকুণ্ডলা একচ্ছত্রা এই মহী শাসন করিতে থাকুন।

    (ষষ্ঠ অঙ্ক সমাপ্ত )

    ‘স্বপ্নবাসবদত্তম্ নাটক সমাপ্ত’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য লাস্ট ডন – মারিও পুজো
    Next Article বর্ন আইডেন্টিটি – রবার্ট লুডলাম
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }