Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্বপ্নবাসবদত্তা – ভাস

    মুরারিমোহন সেন এক পাতা গল্প81 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্বপ্নবাসবদত্তা – প্রসঙ্গকথা

    প্রথম অঙ্ক

    ভাসের স্বপ্ন নাটক ছয়টি অঙ্কে সমাপ্ত। প্রেক্ষাগারে দর্শকের আসনে বসে দর্শকের দৃষ্টি দিয়েই নাটকের কাহিনী উপভোগ করা ভালো। নাট্যকার সব কথা আগেই বলেন না, নাটকীয় উৎকণ্ঠা অক্ষুণ্ন রেখে ধীরে ধীরে কাহিনীর গ্রন্থি মোচন করতে থাকেন। সুতরাং অধীর হয়ে লাভ নেই। ভাস যে কত বড় নাট্যকার ছিলেন তা নাটকের কাহিনীবিন্যাসের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

    প্রথম অঙ্কের দৃশ্য—রাজগৃহের সমীপবর্তী একটি আশ্রমপথ। পথে কোলাহল, প্রহরীরা লোকজন সরিয়ে দিচ্ছে। মগধরাজ দর্শকের ভগিনী পদ্মাবতী এসেছেন আশ্রমবাসিনী তাঁর মাকে দেখতে। এক পরিব্রাজকও এসেছেন আশ্রমে। তাঁর সঙ্গে আছেন এক রমণী।

    পদ্মাবতী আশ্রমবাসীদের বিভিন্ন দ্রব্য দান করবেন, কার কী প্রার্থনা তা তিনি জানতে চাইলেন। পরিব্রাজক এগিয়ে এলেন, সঙ্গিনী রমণীকে নিয়ে বললেন, তিনিও প্রার্থী। তাঁর প্রার্থনা—তাঁর ভগিনীকে পদ্মাবতীর আশ্রয়ে কিছুকাল রাখতে হবে, কেননা ওর স্বামী এখন প্রবাসে আছেন। পদ্মাবতী সম্মত হলেন। এমন সময় এলেন এক ব্রহ্মচারী, তাঁর মুখে শোনা গেল, লাবাণক থেকে তিনি আসছেন। লাবাণক বৎসরাজের অন্তর্গত একটি গ্রাম। বৎসরাজ উদয়নের স্ত্রী বাসবদত্তাকে নিয়ে লাবাণকে বাস করছিলেন। উদয়ন মৃগয়া উপলক্ষে অন্যত্র ছিলেন। সেই সময়ে এক অগ্নিকাণ্ডে বাসবদত্তার মৃত্যু ঘটেছে, মন্ত্রী যৌগন্ধরায়ণও তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দিয়েছেন। উদয়ন পত্নীশোকে উন্মাদ।

    পরিব্রাজকদের সঙ্গিনীই যে বাসবদত্তা তা বুঝতে অসুবিধে হয় না। কারণ বাসবদত্তার ‘স্বগতোক্তি’গুলো অন্তত দর্শকদের শ্রুতিগোচর হবার কথা। পরিব্রাজক যে উদয়নের মন্ত্রীই যৌগন্ধরায়ণ সে কথাও না হয় বুঝে নেওয়া গেল! কিন্তু প্রশ্ন জাগে, ব্যাপার কী? উৎকণ্ঠা জাগে—ততঃ কিম্? প্রথম অঙ্কের এই দৃশ্যে পদ্মাবতীর কাছে বাসবদত্তাকে রেখে যৌগন্ধরায়ণ চলে গেলেন।

    ১. নান্দী

    সংস্কৃত নাটকের প্রযোজনায় ‘নান্দী’ একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। নাটকে লেখা থাকে—‘নান্দ্যন্তে সূত্রধারঃ’। নান্দীর পরে (নান্দ্যন্তে) মঞ্চে প্রবেশ করলেন সূত্রধার। সূত্রধার মঞ্চে প্রবেশ করে যে স্তুতিশ্লোক উচ্চারণ করবেন (দেবদ্বিজনৃপাদীনাং স্তুতিঃ) তারও নাম নান্দী; তবে সেই নান্দী অবশ্যকর্তব্য—উদ্দেশ্য নাট্যাভিনয়ে সকল প্রকার বিঘ্নের অবসান। বিঘ্নোপশমের জন্য অনুষ্ঠান বিচিত্র। প্রথমে পূরবঙ্গ, তারপর সভাপূজা, তারপর দেবতা ব্রাহ্মণ বা নৃপতির স্তুতিমূলক শ্লোকপাঠ। এইসব অনুষ্ঠান মঞ্চের নেপথ্যেই হয়ে থাকে, কারণ নাটকের পাত্র-পাত্রীগণ। অনুষ্ঠানগুলোর মিলিত নাম ‘নান্দী’। এদের মধ্যে দেবতাদির স্তুতিমূলক যে শ্লোকপাঠ তা অবশ্যই করতে হবে! অন্য অনুষ্ঠান (সভাপূজা, পূর্বরঙ্গ) বাদ দিলেও ক্ষতি নেই।

    ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলা’ নাটকের বিখ্যাত ভাষ্যকার রাঘব ভট্ট অলঙ্কার শাস্ত্র থেকে নান্দীর যে সংজ্ঞা উদ্ধৃত করেছেন তা হল—‘আশীনমন্ত্রিয়ারূপঃ শ্লোকঃ কাব্যার্থসূচকঃ’। এই সংজ্ঞা অনুযায়ী আলোচ্য নাটকে নান্দীর অন্তে সূত্রধার মঞ্চে প্রবেশ করে যে শ্লোকটি উচ্চারণ করলেন (উদয়নবেন্দুসবর্ণা ইত্যাদি) তাকে নান্দী বলতে হয়। আশীনমক্রিয়া ছাড়া কাব্যার্থের সূচনাও এতে আছে। প্রধান চারটি চরিত্রের উল্লেখ এখানে শ্লেষের সাহায্যে ব্যক্ত করা হয়েছে—উদয়ন, বাসবদত্তা, পদ্মাবতী ও বসন্তক।

    তবু মঞ্চনির্দেশ যখন দেওয়া আছে ‘নান্দ্যন্তে (অর্থাৎ নান্দীর অন্তে) ততঃ প্রবিশতি সূত্রধারঃ’, তখন এখানে সূত্রধার মঞ্চে এসে যে শ্লোকটি উচ্চারণ করলেন তাকে সূক্ষ্মবিচারে ‘নান্দী’ না বলাই ভালো! নান্দী নাটকের নেপথ্যে আগেই হয়ে গেছে। ভরতের নাট্যশাস্ত্রের নির্দেশ অনুযায়ী একে বলা যেতে পারে ‘রঙ্গদ্বার’।

    ২. স্থাপনা

    সংস্কৃত নাট্যাভিনয়ের এক প্রধান অংশ এই ‘স্থাপনা’। নান্দীপাঠের পর স্থাপনা অংশটি অভিনীত হবে। অলঙ্কার শাস্ত্রে এর আরও দুটি নাম হচ্ছে—‘আমুখ’ বা ‘প্রস্তাবনা’ (‘আমুখং তত্ত্ব বিজ্ঞেয়ং নাম্না প্রস্তাবনাপি সা’)। এই অংশে সূত্রধার অন্য কোনো নটের সঙ্গে কথাবার্তার মধ্য দিয়ে নাট্যকারের নাম ও অভিনেয় নাটকের উল্লেখ করেন; কেবল নামোল্লেখ নয়, অভিনেতব্য নাটকের বিষয়বস্তুরও একটু আভাস দেওয়াও এই প্রস্তাবনা বা স্থাপনার লক্ষ্য। এইসব নিয়ম হয়তো তখন অবশ্য পালনীয় ছিল না, কেননা ভাস-রচিত কোনো নাটকের স্থাপনা অংশে নাট্যকারের নাম নেই।

    ৩. পরিব্রাজকবেষঃ

    ‘বেষ’ শব্দটির অর্থ অঙ্গব্যাপক অর্থাৎ পরিচ্ছদ। পরিব্রাজকের তুল্য বেষ যাহার। সমার্থবাচক শব্দ ‘বেশ’ (সাজ)। উদয়নের মন্ত্রী যৌগন্ধরায়ণ পরিব্রাজক বা সন্ন্যাসীর বেশে মঞ্চে আবির্ভূত।

    ৪. কাঞ্চকীয়

    কঞ্চুকী আর কাঞ্চকীয় দুটি শব্দই সংস্কৃত নাটকে প্রয়োগ করা হয়েছে। সংস্কৃত নাটকের একটি চরিত্রের নাম কঞ্চুকী। রাজান্তঃপুরে এর অবাধ গতি, ইনি বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ সর্বগুণের আধার এবং সকল কার্যে কুশল। নাট্যশাস্ত্রে এঁর পরিচয়—‘অন্তঃপুরচরো বৃদ্ধঃ বিপ্রো গুণগণান্বিতঃ। সর্বকার্যার্থকুশলঃ কঞ্চুকীত্য ভিধীয়তে।’ মঞ্চে প্রথম এসেই ইনি সাধারণত বার্ধক্যের অক্ষমতাহেতু নৈরাশ্যসূচক কথা বলে থাকেন।

    ৫. দর্শকস্য

    অজাতশত্রু পুত্র দর্শক মগধের রাজা, বৎসরাজ উদয়নের সমসাময়িক। ইনি ছিলেন উদয়নের দ্বিতীয়া স্ত্রী পদ্মাবতীর ভ্রাতা।

    ৬. চেটী

    অর্থ দাসী। বাংলায় “চেড়ী’।

    ৭. প্রবিশতি উপবিষ্টা তাপসী

    এখানকার মঞ্চনির্দেশ একটু অদ্ভুত মনে হতে পারে। উপবিষ্ট অবস্থায় যদি তাপসীর প্রবেশ কল্পনা করতে হয় তাহলে এই সিদ্ধান্তও অনিবার্য হয়ে ওঠে যে সে যুগের নাট্যপ্রযোজনায় হয়তো Revolv।ng stage বা ঘূর্ণায়মান রঙ্গমঞ্চের অস্তিত্ব ছিল। প্রকৃতপক্ষে ‘উপবিষ্টা তাপসী প্রবিশতি’ কথাটির অর্থ ‘উপবিষ্টা তাপসী দর্শকানাং গতিপথং প্রবিশতি’ যবনিকার (curta।n ) ব্যবহার পূর্বে ছিল। যবনিকা তুললেই দর্শকেরা দেখবেন—তাপসী আসনে উপবিষ্ট আছেন।

    ৮. আত্মীয়া ইদানীং সংবৃত্তা (অত্তণীআ দাণিং সংবৃত্তা)

    রাজা প্রদ্যোত তাঁর পুত্রের সঙ্গে পদ্মাবতীর বিবাহপ্রস্তাব এনেছেন এই সংবাদে বাসবদত্তা খুশি হয়ে উঠেছেন; কেননা, সেই ক্ষেত্রে বাসবদত্তার সহোদর ভ্রাতার সঙ্গে পদ্মাবতীর বিবাহ।

    ৯. ব্যাপাশ্রয়না

    প্ৰাৰ্থনা

    ১০. বিশ্বাসস্থানম্

    পরিকল্পনা এইরকমই ছিল যে যৌগন্ধরায়ণ বাসবদত্তাকে যখন উদয়নের নিকট ফিরিয়ে দেবেন, তখন পদ্মাবতী নিজেই তার চরিত্র বিষয়ে সাক্ষী থাকবেন।

    ১১. ব্রহ্মচারী

    এই চরিত্রটির নাটকীয় গুরুত্ব রয়েছে। এর মুখে লাবাণকের যে কাহিনী শোনা গেল তাতে বাসবদত্তার প্রতি উদয়নের গভীর প্রেম ব্যক্ত হয়েছে। নায়ক-নায়িকার পরবর্তী মিলনের জন্য এটি প্রয়োজন।

    ১২. লাবাণক

    নাটকে আছে—‘বৎসভূমৌ লাবাণকং নাম গ্রামঃ’। লাবাণক বৎসরাজ্যের অন্তর্গত একটি গ্রামের নাম। এখানে উদয়ন বাসবদত্তার সঙ্গে কিছুদিন কাটিয়েছিলেন।

    ১৩. প্রিয়শিষ্যে

    রাজা প্রদ্যোত বা মহাসেন-কন্যা বাসবদত্তার সংগীত-শিক্ষকরূপে নিযুক্ত করেছিলেন উদয়নকে। বাসবদত্তা উদয়নের প্রেমাসক্ত হন, তারপর দুজনেই গোপনে রাজ্য ত্যাগ করে চলে আসেন।

    ১৪. রুমন্বান্

    রুমধান্ উদয়নের অমাত্য, যৌগন্ধরায়ণ মন্ত্রী; অমাত্যও একশ্রেণির মন্ত্রী—তবে মন্ত্রীর চেয়ে পদমর্যাদায় ছোট। পদগৌরবে প্রথম সচিব, তারপরে মন্ত্রী, সবশেষে অমাত্য।

    দ্বিতীয় অঙ্ক

    দৃশ্য—রাজগৃহে রাজপ্রাসাদের অন্তর্গত উদ্যান। একমাস পরবর্তী ঘটনা! পদ্মাবতীর আশ্রিতা বাসবদত্তা রাজগৃহের প্রাসাদে দিন কাটাচ্ছেন।

    বাসবদত্তার জীবনে দ্রুত কতকগুলো ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। এই দৃশ্যে বাসবদত্তা চেটীর মুখে জানতে পারলেন পদ্মাবতী উদয়নের গুণমুগ্ধা। এই দৃশ্যেই ধাত্রীর মুখে শুনলেন পদ্মাবতীর সঙ্গে উদয়নের ‘বিবাহ সম্পর্ক’ স্থির হয়ে গেছে; এমনকি অন্য এক দাসী এসে জানিয়ে গেল সেইদিনই শুভদিন! (অজ্জা এব্ব কিল সোভণং ণক্‌খত্তং—আজই শুভ নক্ষত্র)—

    পদ্মাবতীর বিয়ে হতে চলেছে তাঁরই স্বামীর সঙ্গে : বাসবদত্তার ব্যাকুলতা দর্শক নিশ্চয়ই বুঝতে পারবেন। দৃশ্যের শেষে তাঁর আর্তনাদ একটিমাত্র কথায় ফুটে উঠেছে—‘অন্ধীকরেদি মে হিঅঅং’! (অন্ধীকরোতি মে হৃদয়ম্)!

    প্রশ্ন জাগে এই সময়ে যৌগন্ধরায়ণ কোথায়? কী তার পরিকল্পনা?

    দর্শকের ভাববার সময় নেই, কেননা নাটকের ঘটনা অত্যন্ত দ্রুত ঘটে যাচ্ছে!

    ১৫. প্রবেশক

    রঙ্গমঞ্চে নাটকীয় বিষয়বস্তুর আনুপূর্বিক বিন্যাস সম্ভব হয়ে ওঠে না। যে অংশ দীর্ঘ বা নিষ্প্রয়োজন, শিল্পী সেইসব অংশ মঞ্চে উপস্থিত করেন না; না করলেও সেইসব অংশের আভাস তাঁকে দিয়ে যেতে হয়। সংস্কৃত নাটকে যে পাঁচটি পদ্ধতির সাহায্যে এই আভাস সৃষ্টি করতে হয় তাদের বলা হয়েছে ‘অর্থোপক্ষেপক’; ‘প্রবেশক’ এই পাঁচটির অন্যতম। প্ৰবেশক রচনায় কয়েকটি কথা মনে রাখতে হবে—

    ক. ‘প্রবেশক’ থাকবে দুটি অঙ্কের মধ্যে। দুটি অঙ্কের মধ্যে এর অবস্থান। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে প্রথম অঙ্কে ‘প্রবেশক’ রচনা নিষিদ্ধ।

    খ. ‘প্রবেশক’-এ সমাজের নিম্নস্তরের পাত্র-পাত্রীরা অংশগ্রহণ করবে। সংলাপের ভাষা হবে প্রাকৃত! আলোচ্য প্রবেশকের চরিত্র—চেটী; বলাবাহুল্য নিম্নস্তরের!

    ১৬. কন্দুকেন ক্রীড়তি

    এক ধরনের বলখেলা প্রাচীন ভারতে মেয়েদের মধ্যে বেশ প্রচলিত ছিল। বল আকারে ছোট আর খুব হালকা, এই বল উপরে ছুড়ে দিয়ে আবার তা ধরতে চেষ্টা করা বা অন্যের দিকে ছুড়ে দেওয়া, এইরকমই বোধহয় খেলার ধরন ছিল। ‘কুমারসম্ভব’ কাব্যে কালিদাস পার্বতীর ‘কন্দুকক্রীড়ার’ বর্ণনা দিয়েছেন; ‘রঘুবংশে’র ষোড়শ সর্গেও এই ক্রীড়ার উল্লেখ দেখা যায়। দণ্ডী-রচিত ‘দশকুমারচরিতে’ও ‘কন্দুকবতীর’ আখ্যান রয়েছে।

    ১৭. ভবিষ্যন্মহাসেনবধূ

    উজ্জয়িনীরাজ প্রদ্যোত বিশাল সেনাবাহিনীর অধিকারী ছিলেন বলে ‘মহাসেন’ নামেও পরিচিত ছিলেন : বাসবদত্তা ইচ্ছে করেই পদ্মাবতীকে ‘মহাসেনবধূ’ বলে সম্বোধন করেছেন, উদ্দেশ্য উদয়ন সম্পর্কে পদ্মাবতীর মনোভাব জেনে নেওয়া। প্রদ্যোত নিজের পুত্রের সঙ্গে পদ্মাবতীর সম্বন্ধ প্রস্তাব করে পাঠিয়েছিলেন কিন্তু পদ্মাবতীর তাতে সম্মতি ছিল না।

    ১৮. আগমপ্রধানানি

    আগম অর্থ শাস্ত্র! শাস্ত্র যাদের নিকটে প্রধান অর্থাৎ যারা সাংসারিক জীবনে শাস্ত্রের উপরে অধিক মূল্য দিয়ে থাকেন।

    ১৯. কৌতুকমঙ্গল

    কৌতুক অর্থ বিবাহসূত্র—বিবাহের পূর্বে বিবাহসূত্র হাতে বেঁধে নেওয়া নিয়ম; এই উপলক্ষে যে অনুষ্ঠান হয় তার নাম ‘কৌতুকমঙ্গল’!

    তৃতীয় অঙ্ক

    দৃশ্য সেই দ্বিতীয় অঙ্কের মতোই—প্রাসাদের অন্তর্গত উদ্যানে।

    আজ বাসবদত্তার বড় দুঃখের দিন। পদ্মাবতী ও উদয়নের বিবাহ সম্পন্ন হয়ে গেছে। উদ্যানের নির্জনতায় বসে বাসবদত্তা নিজের অদৃষ্টের কথাই ভাবছিলেন। এমন সময়ে দাসী এল—নববিবাহিত দম্পতির জন্য মিলন-মালা গেঁথে দিতে হবে বাসবদত্তাকেই! বাসবদত্তা হাসিমুখে গেঁথে দিলেন সেই মালা!

    ২০. প্রিয়ঙ্গুশিলাপট্টকে

    প্রিয়ঙ্গুলতার নিচে একটি শিলাসনে বাসবদত্তা উপবিষ্ট ছিলেন। কবিরা বলেন—নারীর পাদস্পর্শে প্রিয়ঙ্গুলতার কুসুমবিকাশ ঘটে!

    ২১. কঃ কালঃ!

    অর্থটা এই, কতক্ষণ তোমাকে খুঁজে বেড়াচ্ছি! এইজাতীয় বাগ্‌বিন্যাস ভাসের অত্যন্ত প্রিয়।

    ২২. কৌতুকমালিকাম্‌

    বিবাহের মালা : ‘কথাসরিৎসাগরে’ বর্ণিত ঘটনা অন্যরূপ। সেখানে বাসবদত্তার গাঁথা মালা ‘অমলিন’ দেখে পরে কাহিনীর শেষে উদয়নের মনে সন্দেহ জাগবে। তিনি পদ্মাবতীকে প্রশ্ন করবেন, এ মালা কে গেঁথেছে? নিশ্চয়ই এ মালা বাসবদত্তার গাঁথা। কৌতুকমালা বিয়ের কন্যাকেই গাঁথতে হয়। নাটকে বাসবদত্তাকে গাঁথতে হয়েছে। তিনি স্বেচ্ছায় গাঁথেননি। নাটকে তাঁর উক্তি—“ইদমপি ময়া কর্তব্যমাসীৎ—অহো অকরুণাঃ খলু ঈশ্বরাঃ’– “এও করতে হল, বিধাতা কী নিষ্ঠুর।’

    ২৩. মণিভূম্যাম্‌

    মণিময় ভূমিবিশিষ্ট চতুষ্কোণ শৌচাগার! চার কোণে চারটি স্তম্ভ থাকবে—সর্বত্র মণিখচিত।

    ২৪. গতা এষা

    দাসী মালা নিয়ে চলে গেছে। অথবা এই অর্থও হতে পারে—আমার গাঁথা মালা এখন গেছে পদ্মাবতীর হাতে।

    ২৫. অবিদা

    দুঃখসূচক অব্যয়।

    স্বপ্ন নাটকের তৃতীয় অঙ্ক বিষাদাচ্ছন্ন—দ্বিতীয় অঙ্কে যে দুঃখের সূচনা হয়েছিল তৃতীয় অঙ্কে তারই অত্যন্ত গভীরতর অভিব্যক্তি। এখানে বাসবদত্তার শুধু দুঃখের গভীরতাই নয়, তাঁর অন্তর্দ্বন্দ্বের দিকটিও সুন্দর ফুটে উঠেছে।

    চতুর্থ অঙ্ক

    দৃশ্য—প্রাসাদের একটি অংশ এবং প্রমোদউদ্যান। এই দৃশ্যে বিদূষকের মঞ্চে প্রথম আবির্ভাব। সংস্কৃত-নাটকের সাধারণ প্রথা এই যে কোনো ফুল বা ঋতুর নামে বিদূষকের নাম রাখতে হয়। স্বপ্ন নাটকের বিদূষকের নাম ‘বসন্তক’, অভিজ্ঞান শকুন্তলের বিদূষক ‘মাধব্য’ (মধু=Spr।ng) শ্রীহর্ষের রত্নাবলীতেও বিদূষকের নাম ‘বসন্তক’। স্বপ্ন নাটকে বিদূষক চরিত্র ঠিক প্রথানুগত নয়, তুলনায় অনেক সজীব। পদ্মাবতী ও উদয়নের বিবাহোৎসবে একটু অধিক ভোজনের ফলে তার পরিপাকশক্তি বিঘ্নিত।

    দৃশ্যটি এই—পদ্মাবতী বাসবদত্তার সঙ্গে এলেন উদ্যানে; ওঁরা উদয়নের কথাই বলছিলেন। এমন সময়ে বিদূষকের সঙ্গে সেখানে এলেন উদয়ন। উদয়নকে দেখে ওঁরা একটা মাধবীকুঞ্জে আত্মগোপন করলেন। ওখান থেকে ওঁরা উদয়ন ও বিদূষকের কথা শুনতে লাগলেন।

    অনেক কথাই ওঁরা শুনলেন। বাসবদত্তা শুনলেন—পদ্মাবতীর অনেক গুণ থাকা সত্ত্বেও বাসবদত্তার স্মৃতি তিনি ভুলতে পারেননি। বলতে বলতে উদয়নের চোখে এল জল, বসন্তক গেল জল আনতে। এদিকে পদ্মাবতী গেলেন উদয়নের কাছে, বাসবদত্তা চলে গেলেন স্বস্থানে। ওদিকে জল নিয়ে এল বসন্তক। পদ্মাবতীকে রাজার কাছে দেখে ওঁর এক বিহ্বল অবস্থা। সেই অবস্থায় রাজার চোখের জলের ইতিহাস সে যা বলল তা উপভোগ্য!

    উদয়ন এখনও জানেন না, যাকে মৃত ভেবে তিনি শোকাকুল, তিনি তাঁর কাছে কাছেই আছেন। খুবসম্ভব দর্শকগণ উভয়ের মিলনের জন্য উৎকণ্ঠিত—কিন্তু সে মিলন হবে কোন পথে?

    ২৬. অনপ্সর সংবাসঃ উত্তরকুরুবাসঃ

    উত্তরকুরুর ভৌগোলিক অবস্থান হিমালয়ের ওপারে যেখানেই হোক, এই স্থান সুখ ও শান্তিময়। রামায়ণে এই দেশ দেবতাদের ভূমি এবং অনন্তশান্তিধাম বলে বর্ণিত হয়েছে। বিদূষকের বক্তব্য এই—যথারীতি স্নান ও ভোজন করে এমন সুখে তার দিন কাটছে, মনে হচ্ছে সে যেন উত্তরকুরুর অধিবাসী, কেবলমাত্র অপ্সরার অভাব। এইটুকু যা পার্থক্য।

    ২৭. পরিণমতি

    পরি+নম্ হজম হওয়া অর্থে প্রযুক্ত। ভুক্তদ্রব্যের পরিপাক সম্পর্কিত অভিযোগ ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম্’-এর মাধব্যও বহুবার করেছে।

    ২৮. অকল্যবর্তম

    ‘কল্যবর্তম—প্রাতভোজনম্’ ন কল্যবর্তঃ—তদ্রহিতঃ অর্থাৎ বদহজমের ভয়ে সামান্য প্রাতভোজনও নিষিদ্ধ। আহারপরিণামভয়গ্রস্তম্—বিদূষকের বক্তব্য—রোগে অভিভূত এবং প্রাতভোজনবর্জিত হওয়াটা মোটেই সুখের নয়।

    ২৯. বর্জয়িত্বা ভোজন

    ঔদরিক বসন্তকের ভোজন সম্পর্কে এই বৈরাগ্য খুবই সাময়িক বলা বাহুল্য। বৈরাগ্যের কারণ উদরের শোচনীয় অবস্থা!

    ৩০. অক্ষিপরিবর্তঃ

    চেটীর প্রশ্ন ছিল—আপনি ভোজন বারণ করলেন কেন?

    বসন্তক একটি উপমা দিয়ে বোঝাবার চেষ্টা করছে—কোকিলের চোখ যেমন ঘন ঘন পরিবর্তিত হয়, তেমনি পরিবর্তন চলেছে তার উদরের মধ্যে। অর্থাৎ সেখানে ভয়ানক গোলযোগের ব্যাপার!

    বিদূষক এখানে ‘কাক’ বলতে ‘কোকিল’ বলে ফেলেছে। কাকেরই দুটি চোখের জন্য একটি তারা, তাই ঘন ঘন পরিবর্তন করতে হয়। অবশ্য, এ জাতীয় ভাষা বিপর্যয় বিদূষকের পক্ষে স্বাভাবিক এবং উপভোগ্য। উদরের গোলমালে ভাষার গোলমাল!

    ৩১. প্রবেশক

    সংস্কৃত নাটকে দুটি অঙ্কের মধ্যে প্রবেশক রচনার বিধি আছে। আলোচ্য ‘প্রবেশকে’র উদ্দেশ্য শুধু হাস্যরস সৃষ্টি নয়, দর্শকদেরও কয়েকটি সংবাদ দেওয়া। প্রথম সংবাদ—উদয়ন ও পদ্মাবতীর বিবাহ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে; দ্বিতীয় সংবাদ—উদয়ন ভালোই আছেন। আলোচ্য প্রবেশকের আর একটি উদ্দেশ্য, দর্শকবৃন্দকে উদয়নের আবির্ভাবের জন্য প্রস্তুত রাখা।

    ৩২. আর্যপুত্রেণ বিরহিতা উৎকণ্ঠিতা

    উদয়নের জন্য পদ্মাবতীর প্রেম এখানে অত্যন্ত গভীরভাবে এই সামান্য কথাতেই ব্যক্ত হয়েছে। পদ্মাবতীর উক্তি—কত গভীর সে ভালোবাসা বোঝাবার উপায় নেই, শুধু এইটুকুই বলতে পারি—‘তাঁকে না দেখলে উৎকণ্ঠিত হয়ে পড়ি।’

    ৩৩. আর্যপুত্রপক্ষপাতেন অতিক্রান্তঃ সমুদাচারঃ

    স্বামীর প্রতি গভীর প্রেমবশত বাসবদত্তা একটু সীমা লঙ্ঘন করে গেছেন। তিনি ভুলে গেছেন তাঁর এখনও অজ্ঞাতবাস চলছে, তিনি এখনও ছদ্মবেশে আছেন। পদ্মাবতীর সঙ্গে উদয়নের বিবাহ—পদ্মাবতী উদয়নকে দেখেননি! চেটী প্রশ্ন করেছে—যদি তিনি কুরূপ হন? বাসবদত্তা সঙ্গে সঙ্গে বলে ফেলেছেন—না, না, তিনি দেখতে খুবই সুন্দর! বলেই ভাবলেন, বলা ঠিক হয়নি! সঙ্গে সঙ্গে পদ্মাবতীর প্রশ্ন—আপনি কী করে জানলেন? বুদ্ধিমতী বাসবদত্তা ঘুরিয়ে বললেন—উজ্জয়িনীতে সবাই তো ওইরকম বলে থাকে।

    ৩৪. পঞ্চেষবঃ

    প্রেমদেবতার পঞ্চশরের (মদন) পাঁচটি শর—

    অরবিন্দ মশোকঞ্চ চূতঞ্চ নবমল্লিকা
    নীলোৎপলঞ্চ পঞ্চৈতে পঞ্চবাণস্য সায়কাঃ।

    উদয়নের বক্তব্য—আমি যখন অবন্তিরাজতনয়া বাসবদত্তার প্রেমে মত্ত তখনই তো কামদেব আমার প্রতি পঞ্চশর নিক্ষেপ করেছিলেন। আবার এখন পদ্মাবতীর সঙ্গে বিবাহের পরে আমি শরে বিদ্ধ। এই ষষ্ঠ শর কোথা থেকে এল? (তুলনীয়—‘পথিক-যুবতিলক্ষ্যঃ পঞ্চ্যভ্যামধিকঃ শরো ভব’—শকুন্তলা, ষষ্ঠ অঙ্ক)

    ৩৫. পাদন্যাসনিষণ্ণাঃ কান্তবিযুক্তাঃ

    দুইটি বিশেষণই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। উদয়ন বিদূষককে অনুরোধ করছেন—ভ্রমরগণকে ত্রস্ত কোরো না। এরা এখন প্রিয়ার দ্বারা আলিঙ্গিত। পাদক্ষেপে পীড়িত হলে এরা আমার মতোই কান্তাবিযুক্ত হয়ে পড়বে। বাসবদত্তার প্রতি উদয়নের গভীর প্রেম এখানে কারুণ্যের সুরে অভিব্যক্ত :

    ৩৬. কাশকুসুমরেণুনা

    আড়াল থেকে বাসবদত্তা দেখেছেন উদয়নকে। চোখে জল আসা স্বাভাবিক! চেটী বলছে—আপনার চোখে জল! বাসবদত্তা বললেন—না, না, ও কিছু নয়—কাশফুলের রেণু চোখে এসে লাগল, তাই

    ৩৭. অসন্নিহিতা

    বিদূষক উদয়নকে প্রশ্ন করেছে—কে আপনার প্রিয়? তখনকার বাসবদত্তা, না এখনকার পদ্মাবতী? রাজা বলতে অনিচ্ছুক। বিদূষক বলছে—স্বচ্ছন্দে বলুন, একজন তো মরেই গেছেন, আর একজন কাছে নেই।

    অদৃষ্টের পরিহাস! দুজনেই তখন আড়ালে বসে সব কথা শুনছেন!

    ৩৮. সত্যেন শপামি (সচ্চেন সবামি)

    বিদূষকের শপথ বাক্য—সত্যের নামে শপথ করছি, কাউকে বলব না! বিদূষক মুখ চরিত্র—রাজা জানতেন, আমরাও জানি এই শপথের কোনো মূল্য নেই। তবু এই শপথ উপভোগ্য, একদিকে উদয়নের মতো গভীর অনুভূতিশীল ব্যক্তি—অন্যদিকে বিদূষকের মতো চপল চরিত্র, উভয়ের সংলাপ এই কারণেই আকর্ষণীয়।

    ৩৯. অজ্ঞাতবাসোঽপি অত্র বহুগুণঃ

    বাসবদত্তার উক্তি! তিনি উদয়নের মুখে শুনেছেন—তাঁর প্রতি তাঁর গভীর নিষ্ঠা ও প্রেমের স্বীকারোক্তি। তাই তাঁর মনে হয়েছে—এই অজ্ঞাতবাসের দুঃখ ও ত্যাগের বিনিময়ে তিনি বহুগুণ পুরস্কার ফিরে পেয়েছেন।

    ৪০. বৈধেয়

    শব্দটির অর্থ—অজ্ঞ, মূঢ় বা মূর্খ। যে ‘বিধেয়’ অনুসারে চলে; বিধেয়ে অনভিজ্ঞ।

    ৪১. মহাব্রাহ্মণ

    হীন ব্রাহ্মণ! এখানে অবশ্য কৌতুকের ছলেই উদয়ন এই সম্বোধনটি প্রয়োগ করেছেন একটি সংস্কৃত কারিকা আছে—

    শঙ্খে তৈলে তথা মাংসে বৈদ্যে জ্যোতিষিকে দ্বিজে
    যাত্রায়াং পথি নিদ্রায়াং মহচ্ছব্দো ন দীয়তে।

    কারিকার উল্লিখিত শব্দগুলোর সঙ্গে মহৎ শব্দের সমাস হবে না। আলোচ্য ক্ষেত্রে দ্বিজ শব্দের সঙ্গে সমাস হয়নি, হয়েছে তার সমার্থক ব্রাহ্মণ শব্দের সঙ্গে। সুতরাং ‘মহাব্রাহ্মণ’ হীনার্থক হবে না, এরকম মত কেউ কেউ পোষণ করে থাকেন। অবশ্য উক্ত কারিকাটি পরবর্তীকালের—কালিদাস নিজেও প্রয়োগ করেছেন ‘সন্তানকাকীর্ণং মহাপথম্ (কুমারসম্ভব, সপ্তম সর্গ), ভট্টি প্রয়োগ করেছেন ‘পুণ্যো মহাব্রহ্মসমূহূ জুষ্টঃ (ভট্টিকাব্য, প্রথম সর্গ)—কোনো প্রয়োগই হীনার্থক নয়।

    ৪২. এতদিদম্। ইদমেতৎ (এদং ইদৎ। ইদং এদং)

    বাসবদত্তার স্মৃতিরোমন্থনে উদয়নের মুখ অশ্রুলিপ্ত; বিদূষক পদ্মপত্রে জল বহন করে এনেছেন, হঠাৎ পদ্মাবতীর সঙ্গে সাক্ষাৎ। হাতে জল, কী ব্যাখ্যা দেবেন? বিহ্বল বিদূষক কিছুই বলতে না পেরে বলে উঠলেন এই এই, এই, এই—

    পদ্মাবতী জেদ করতে থাকেন, বলুন, বলুন; তাতে কৌতুকরসটি আরো জমে ওঠে!

    ৪৩. অপবাৰ্য্য

    অন্য কেউ না শুনতে পায় এইভাবে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে আড়ালে কথা বলাকে সংস্কৃত- নাট্যশাস্ত্রে বলা হয়েছে ‘অপবারিত’। বাংলায় বলি—জনান্তিকে কথা বলা। চতুর্থ অঙ্ক নাটকের অন্য অঙ্কগুলোর মধ্যে দীর্ঘতম। কিন্তু দর্শকের কৌতূহল, আগ্রহ বা উৎসুক্য কোথাও ক্ষুণ্ণ হয় না। চরিত্রচিত্রণে বা ঘটনাবিন্যাসে নাট্যকার ভাস সর্বত্র তাঁর প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন! এই অঙ্কেই বিদূষকের প্রথম আবির্ভাব কিন্তু সে তার সরলতা ও রসবোধের সাহায্যে সহজেই দর্শকের মন জয় করে!

    পঞ্চম অঙ্ক

    পত্নী বিরহিত উদয়নের জাগ্রত অবস্থার ভাববৈচিত্র্য অঙ্কিত হয়েছে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ অঙ্কে। পঞ্চম অঙ্কের রূপ পৃথক। এখানে নিদ্রিত অবস্থায় উদয়নের স্বপ্নচারণার মধ্যে উদ্ঘাটিত হয়েছে সূক্ষ্মতর মনোবিশ্লেষণ। এ যেন সমুদ্রগৃহের রঙ্গমঞ্চে অভিনীত আর এক ভ্রান্তি বিলাস নাটক (A Comedy of Errors ) —আখ্যান-গঠনের কৌশলে সংস্কৃত সাহিত্যের তুলনাহীন।

    ৪৪. সমুদ্রগৃহ

    প্রাসাদ থেকে একটু দূরে সমুদ্রতীরে নির্মিত গ্রীষ্মাবাস। (Summer House) প্রতিমা নাটকে সমুদ্রগৃহের উল্লেখ আছে (দ্বিতীয় অঙ্ক); কালিদাসের মালবিকাগ্নিমিত্র নাটকেও সমুদ্রগৃহের উল্লেখ দেখতে পাওয়া যায়।

    ৪৫. কাকোদর

    কাকের ন্যায় উদর যার—কুৎসিতোদর, সৰ্প।

    ৪৬. অস্তি নগরং ব্ৰহ্মদত্তম্

    বিদূষক বিস্মৃতিনিপুণ—তাই নগরের নামে ও রাজার নামে এই ভ্রান্তি।

    ৪৭. সূচয়তি মামালিঙ্গেতি

    সমুদ্রগৃহের এই দৃশ্যটিই শৃঙ্গাররসের উদ্দীপন বিভাব। সুশীতল পরিবেশ; শয্যার অধিকারী ছাড়া গৃহে আর কেউ নেই। নিষ্প্রভ আলো, বাসবদত্তার সমস্ত হৃদয় স্বামীর প্রেমস্মৃতিতে পূর্ণ। এই অবস্থায় বাসবদত্তার হৃদয়ে শৃঙ্গাররসের উদ্বোধন ঘটবে এতে আর বিচিত্র কি? বাসবদত্তা জানতেন না—ঘরে আর কেউ থাকতে পারে। নাটকের নায়ক এবং নায়িকা এই প্রথম মুহূর্তের জন্য মিলিত হলেন, তারপরেই আবার ক্ষণিক বিচ্ছেদ ঘটবে।

    ৪৮. মহান্ প্রতিজ্ঞাভারঃ

    মন্ত্রী যৌগন্ধরায়ণের কাছে বাসবদত্তার এই শপথ, পরিকল্পনা পূর্ণ হওয়ার আগে আত্মপ্রকাশ করা চলবে না।

    ৪৯. নহি নহি দুঃখিতাস্মি

    অদ্ভুত ভাসের প্রকাশভঙ্গী! বাসবদত্তা বলছেন—না, না, আমি রাগ করিনি, আমি দুঃখিত। এই সংক্ষিপ্ত উক্তির মধ্যে বাসবদত্তার গভীর দুঃখ কেমন সুন্দরভাবে ব্যক্ত হয়েছে।

    ৫০. বিরচিকাং স্মরসি

    কথাসরিৎসাগরের কাহিনীতে আছে—বিরচিকা ছিল এক অন্তঃপুরচারিকা—উদয়ন এক সময়ে তার প্রেমাসক্ত ছিলেন।

    ৫১. আরুণি

    উদয়নের পরম শত্রু—আরুণি বৎসরাজ্যের অধিকাংশই গ্রাস করেছিলেন। অবশ্য কথাসরিৎসাগরে বা গুণাঢ্যের বৃহৎ কথায় আরুণির উল্লেখ নেই; হয়তো ভাসের সময়ে আরুণির কাহিনী প্রচলিত ছিল।

    ৫২. ত্ৰিপথগা

    তিন পথে যার গতি—গঙ্গা। স্বর্গে মন্দাকিনী, মর্ত্যে গঙ্গা—পাতালে ভোগবতী।

    আলোচ্য পঞ্চম অঙ্কের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করেই নাটকের নামকরণ করা হয়েছে। ভাসের কৃতিত্ব এইখানে যে তিনি স্বপ্নে নায়ক-নায়িকার মিলন ঘটিয়েছেন—কিন্তু বাস্তবতাকে ক্ষুণ্ণ করেননি। নিদ্রিত নায়ক স্বপ্নে কথা বলছেন জাগ্রত নায়িকার সঙ্গে; এই সূক্ষ্ম সংলাপ মনস্তত্ত্বের দিক দিয়ে অপূর্ব!

    মনে রাখা প্রয়োজন, যৌগন্ধরায়ণের আরুণি প্রকল্পই নাটকের প্রধান ব্যাপার নয়, নাট্যকারের প্রকৃত লক্ষ্য ছদ্মবেশিনী বাসবদত্তার সঙ্গে উদয়নের মিলন সংগঠন। সমস্ত দৃশ্যটিই করুণরসে সিক্ত। বাসবদত্তার সংক্ষিপ্ত সংলাপ সেই কারুণ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ সঙ্গতি রক্ষা করেছে!

    দৃশ্যটি শেষে একটি প্রশ্ন জাগতে পারে! সমুদ্রগৃহে পদ্মাবতী নেই কেন? না থাকার কারণ নাটকে কিছু নেই।

    ষষ্ঠ অঙ্ক

    এই দৃশ্যের স্থান—কৌশাম্বী, বৎসরাজ্যের রাজধানী

    আরুণির সঙ্গে যুদ্ধের আয়োজনের কথা বলা হয়েছে পঞ্চম দৃশ্যের শেষে! সেখানে আমরা জেনেছি, মন্ত্রী রুমন্বান এসেছেন বিশাল বাহিনী নিয়ে। আরুণির বিরুদ্ধে অভিযানের জন্য উদয়নও প্রস্তুত হয়েছেন।

    কিন্তু নাটকে যে সুর বেজে উঠেছে তার সঙ্গে যুদ্ধের সুর মেলে না। পঞ্চম দৃশ্যে সমুদ্রগৃহে যে দৃশ্যের সূচনা, সেখানে ভিন্নতর এক সংগ্রাম শুরু হয়েছে উদয়নের মনে, বাসবদত্তা নিশ্চয়ই জীবিত!

    নাট্যকার ভাস সার্থক শিল্পী। তিনি নাটকের করুণ সুরটি কখনও ক্ষুণ্ণ করতে চাননি, তাই যুদ্ধের ফলাফল জানিয়েই তিনি নিশ্চিত। তাঁর লক্ষ্য—নায়ক-নায়িকার মিলন।

    বহু দুঃখ ও বিড়ম্বনা ভোগের পর এই মিলন বর্ণিত হয়েছে ষষ্ঠ দৃশ্যে।

    ৫৩. প্রতিহারী

    প্রতিহার শব্দটির অর্থ দ্বাররক্ষক, দৌবারিক—স্ত্রীলিঙ্গে প্রতিহারী।

    ৫৪. সূর্যামুখপ্রাসাদ

    ‘সূর্যাঃ আমুখঃ যস্য স সূৰ্য্যামুখঃ,’ অর্থ—‘সূর্য্যাভিমুখঃ’ সূর্যকে সম্মুখবর্তী করে নির্মিত প্রাসাদ। শব্দটির একটি পাঠান্তর—শয্যামুখ। সে ক্ষেত্রে অর্থ হবে—শয্যাকক্ষ বা নিদ্ৰাকক্ষ—যে প্রাসাদের সম্মুখে বর্তমান। অন্য একটি পাঠ—সুযামুনপ্রাসাদ। ‘সুযামুনং যস্মাৎ’ যে প্রাসাদ থেকে যমুনার দৃশ্য সুন্দর দেখা যায়। বুদ্ধস্বামীর ‘বৃহৎকথাশ্লোকসংগ্রহে’ আছে—‘সুযামুনপ্রাসাদ’ নামে উদয়নের একটি প্রাসাদ ছিল। এই পাঠটিই সঙ্গত এবং গ্রহণযোগ্য।

    ৫৫. ঘোষবতী

    উদয়নের বীণার নাম। এই বীণা উদয়ন পেয়েছিলেন বাসুকির ভ্রাতা বসুনেমির কাছ থেকে! বসুনেমিকে শবরদের হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন উদয়ন—বীণা তারই পুরস্কার। ঘোষবতীর সুরে উদয়ন হাতিকেও পোষ মানাতে পারতেন। কথাসরিৎসাগরে আছে, বাসবদত্তা এই বীণা বাজাবার দক্ষতা অর্জন করেছিলেন।

    ৫৬. মিশ্রবিষ্কম্ভক

    প্রবেশক বা বিষ্কম্ভক—দুই-ই একজাতীয় অর্থাৎ দুইয়েরই উদ্দেশ্য যা ঘটে গেছে বা যা ঘটতে যাচ্ছে তারই সংক্ষিপ্ত আভাস দর্শকদের কাছে দিয়ে যাওয়া। তবে প্রবেশক আর বিষ্কম্ভকের মধ্যে সামান্য পার্থক্য আছে। প্রবেশক থাকবে দুই অঙ্কের মধ্যে, সুতরাং প্রথম অঙ্কের আদিতে ‘প্রবেশক’ থাকতে পারবে না। কিন্তু দুই-ই হবে বৃত্ত বর্তিষ্যমানানা কথাংশানাং নিদর্শকঃ।

    পাত্র-পাত্রীর দিক থেকেও পার্থক্য আছে। প্রবেশক—‘নীচপাত্র প্রযোজিতঃ’, বিষ্কম্ভক ‘মধ্যপাত্র প্রযোজিতঃ’। কিন্তু কোনো বিষ্কম্ভকে যদি নিচ এবং মধ্যশ্রেণির পাত্র-পাত্রীর মিশ্রণ ঘটে তাহলে তাকে বলা হবে মিশ্র বিষ্কম্ভক (অথবা সঙ্কীর্ণ বিষ্কম্ভক)। ষষ্ঠ অঙ্কের প্রথমে আছে মিশ্র বিষ্কম্ভক—এই অংশে কঞ্চুকী মধ্যম পাত্র, প্রতিহারী নিচ পাত্র। ‘সঙ্কীর্ণো নীচমধ্যমৈঃ’।

    ৫৭ রৈভ্য সগোত্র

    রৈভ্য—বাসবদত্তার পিতা মহাসেনের এক বৃদ্ধ কঞ্চুকীর নাম। রৈভ্য উদয়নের পরিচিত। সমান গোত্র যাহার—সগোত্র: রৈভ্যের সগোত্র।

    ৫৮. অঙ্গারবর্তী

    মহাসেনের মহিষী—ইহার দুই পুত্র গোপাল ও পালক, এক কন্যা—বাসবদত্তা।

    ৫৯. বসুন্ধরা

    বাসবদত্তার ধাত্রী

    ৬০. বৈদেহীপুত্রস্য

    নাটকে আছে ‘সদৃশমেতৎ বৈদেহীপুত্রস্য’ (উদয়নস্য) কিন্তু কথাসরিৎসাগরে আছে উদয়নের মাতা অযোধ্যার রাজকুমারী ছিলেন। অবশ্য মাতার অন্য নাম বৈদেহী’ হতে পারে।

    ৬১. ষোড়শান্তঃপুরজ্যেষ্ঠা

    মহাসেনের ষোড়শ মহিষীর মধ্যে যিনি প্রধানা। ‘অন্তঃপুর’ শব্দের লক্ষ্যার্থ ‘অন্তঃপুরস্থা স্ত্রী’।

    ৬২. সর্বগতং কুশলমিতি

    খুবই অল্প কথায় উদয়নের হৃদয়ভাবের সুন্দর প্রকাশ। ধাত্রী বলেছেন—‘ভর্ত্রী সর্বগতং কুশলং পৃচ্ছতি’। অর্থাৎ বাসবদত্তার মাতা আপনার সর্বাঙ্গীণ কুশল জানতে চেয়েছেন। উদয়ন উত্তর দিলেন, ‘সর্বগতং কুশলমিতি। অম্ব! ঈদৃশং কুশলম্!’ সর্বাঙ্গীণ কুশলই বটে! এই তো, কুশল—দেখতেই পাচ্ছেন।

    বাসবদত্তার স্মৃতিবিজড়িত হৃদয়ের সার্থক অভিব্যক্তি। এই কথাটুকুর মধ্যে উদয়নের করুণ নিশ্বাসের ধ্বনিও যেন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

    ৬৩. প্রবিশ ত্বমভ্যন্তরম্

    আবন্তিকারূপে পরিচিতা রমণী যে বাসবদত্তা—একথা শোনামাত্র উদয়ন উত্তেজিত হয়ে বলে উঠেছেন—কী! ইনি মহাসেনপুত্রী! দেবী, তবে পদ্মাবতীর সঙ্গে অন্তঃপুরে যাও। কিন্তু যৌগন্ধরায়ণ বাধা দিলেন—তিনি তাঁদের পরিচয় প্রতিষ্ঠিত করতে চান!

    ৬৪. কৌশাম্বী

    বৎসরাজ উদয়নের রাজধানী

    ৬৫. ভরত বাক্যম্

    নাটকের শেষে শুভেচ্ছা প্রকাশক শ্লোক। ভরত শব্দের অর্থ নট—এই শ্লোক কোনো এক প্রধান নাটকীয় চরিত্রের কণ্ঠে উচ্চারিত হতে পারে। তাছাড়া, ভরত ছিলেন নাট্যশাস্ত্রের আদি প্রবর্তক—সুতরাং নাটকের শেষে তাঁকে স্মরণ করাও এই শ্লোকের উদ্দেশ্য।

    ‘ভরতবাক্য’ একজন প্রধান চরিত্রের কণ্ঠে উচ্চারিত হতে পারে অথবা মঞ্চনির্দেশ এভাবেও দেওয়া চলে—নাটকের শেষ দৃশ্য অভিনীত হয়ে গেল—নাটকে অংশগ্রহণকারী নট-নটী সবাই এসে দাঁড়ালেন রঙ্গমঞ্চে, তাঁরা মিলিত কণ্ঠে আবৃত্তি করলেন এই ‘ভরতবাক্য’।

    শ্লোকে রাজসিংহের কথা আছে—খুব সম্ভব ‘রাজসিংহ’ কোনো বিশেষ রাজার নাম নয়। কেউ-কেউ অবশ্য বলেন, রাজসিংহ ভাসের সমসাময়িক এক রাজা। এখানে উল্লেখযোগ্য যে ভাস-রচিত তেরটি নাটকের মধ্যে ছয়টি নাটকের সমাপ্তি ঘটেছে এই একই ভরতবাক্যে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য লাস্ট ডন – মারিও পুজো
    Next Article বর্ন আইডেন্টিটি – রবার্ট লুডলাম
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }