Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্বামীজীকে যেরূপ দেখিয়াছি – ভগিনী নিবেদিতা

    ভগিনী নিবেদিতা এক পাতা গল্প379 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১১. শক্তিপূজা ও স্বামীজী

    একাদশ পরিচ্ছেদ
    শক্তিপূজা ও স্বামীজী

    স্বামীজীর জীবনের এই অংশের যে পরিচয় আমি কিছুটা লাভ করিয়াছি, তাহার শক্তিপূজার উল্লেখ ব্যতীত উহার বিবরণ নিতান্তই অসম্পূর্ণ থাকিয়া যাইবে। আমি সর্বদা অনুভব করিয়াছি, তাহার আধ্যাত্মিক চেতনার মধ্যে দ্বিবিধ উপাদান ছিল। নিঃসন্দেহ, তিনি ছিলেন আজন্ম ব্ৰহ্মজ্ঞানী; শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস বারবার উহার উল্লেখ করিয়া গিয়াছেন। যখন তিনি আট বৎসরের বালক মাত্র, খেলা করিতে বসিয়াই তাহার মধ্যে সমাধিতে মগ্ন হইবার অন্তর্নিহিত শক্তির বিকাশ দেখা যায়। ধর্ম সম্বন্ধে তাহার মনের স্বাভাবিক গতি ছিল অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও দার্শনিক ভাবাপন্ন; সাধারণতঃ ‘পৌত্তলিক’ বলিয়া অভিহিত ভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত। যৌবনে, এবং খুব সম্ভবতঃ শ্রীরামকৃষ্ণের জীবনাদর্শ দ্বারা প্রভাবিত হইবার কিছুকাল পরে, তিনি সাধারণ ব্রাহ্মসমাজের যথারীতি সদস্য হন। ইংলণ্ড ও আমেরিকায় তিনি এমন কিছু প্রচার করিয়াছেন বলিয়া জানা যায় না, যাহা কোন বিশেষ মূর্তি বা সাকার ভাবের উপর প্রতিষ্ঠিত। তাহার নিকট ব্ৰহ্ম সাক্ষাৎকারই ছিল একমাত্র লক্ষ্য, অদ্বৈতদর্শন সর্বোত্তম মতবাদ, এবং বেদ ও উপনিষদ্ একমাত্র প্রামাণ্য গ্রন্থ।

    .

    কিন্তু ইহাও সত্য, সঙ্গে সঙ্গে ভারতবর্ষে জগন্মাতাবো।ধক ‘মা’ শব্দ সর্বদা তাহার মুখে লাগিয়া থাকিত। আমরা যেমন পারিবারিক জীবনে অত্যন্ত পরিচিত কাহারও সম্পর্কে কথা বলিয়া থাকি, জগন্মাতাকে তিনি ঠিক সেইভাবে উল্লেখ করিতেন। সর্বদা তিনি জগন্মাতার চিন্তায় তন্ময় থাকিতেন। জগন্মাতার অপর সন্তানগণের ন্যায় তিনি সব সময়ে শান্তশিষ্ট ছিলেন না। কখন কখনও দুষ্ট ও বিদ্রোহী হইয়া উঠিতেন, কিন্তু সকল সময়ে তাহারই অনুগত। শুভ অশুভ যাহাই ঘটুক সকলই জগন্মাতার ইচ্ছায়, অপর কাহাকেও তিনি দায়ী করিতেন না। কোন এক ভাব-গাম্ভীর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানে তিনি তাহার এক শিষ্যকে একটি মাতৃ-প্রার্থনা শিখাইয়া দেন, ঐ প্রার্থনা তাঁহার নিজের জীবনে মন্ত্রশক্তির ন্যায় কার্য করিয়াছিল। তারপরে সহসা অত্যন্ত উত্তেজিতভাবে শিষ্যের দিকে ফিরিয়া তিনি বলিয়া উঠিলেন, “আর দেখ, শুধু প্রার্থনা করা নয়, তাঁকে জোর করে ওটা পূরণ করাতে হবে। মায়ের কাছে ও-সব দীন-হীন ভাব চলবে না।” মধ্যে মধ্যে প্রায়ই তিনি হঠাৎ কোন নূতন বর্ণনার আংশিক অবতারণা করিতেন। মায়ের দক্ষিণ হস্ত বরাভয় প্রদানের জন্য উত্তোলিত, বামহস্তে ধৃত খড়গ। তন্ময়ভাবে দীর্ঘকাল চিন্তা করিতে করিতে সহসা তিনি বলিয়া উঠিতেন, “তার শাপই বর।” অথবা ভাবাবেগে কখনও কবির ভাষায় বলিতেন, “অন্তরঙ্গ ভক্তগণের নিভৃত হৃদয়কন্দরে মায়ের রুধিররঞ্জিত অসি ঝম করে। এঁরা আজন্ম মায়ের অসি-মুণ্ড বরাভয়করা মূর্তির উপাসক!” এই সময়ে আমি ‘জগন্মাতার বাণী (Voice of the Mother’) নাম দিয়া যে ক্ষুদ্র স্তোত্রটি রচনা ও প্রকাশ করি, তাহার প্রায় প্রত্যেকটি ছত্র ও বর্ণ তাহারই শ্রীমুখ হইতে এই সব মুহূর্তগুলিতে সংগৃহীত। তিনি সর্বদা বলিতেন, “আমি ভয়ঙ্কর রূপের উপাসক!” একবার বলিয়াছিলেন, “এ কথা মনে করা ভুল যে, সকলেই সুখের আশায় কর্মে প্রবৃত্ত হয়। বহুলোক আছে যারা জন্মাবধি দুঃখকে খুঁজে বেড়ায়। এস, আমরা ভয়ঙ্করা মায়ের জন্যই তার ভয়ঙ্করা মূর্তির উপাসনা করি।”

    কোন কিছু লইয়া খুঁতখুঁত করার প্রতি তাঁহার আন্তরিক ঘৃণা ছিল। মন্দিরে পশুবলি সম্পর্কে অভিযোগ লইয়া একবার তাহার নিকট উপস্থিত হই। তিনি অনায়াসে বলিতে পারিতেন, আমাদের অনেকেই বলিদানের বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠে প্রতিবাদ জানাইলেও নিজেদের রসনার পরিতৃপ্তির জন্য পশুহত্যায় বিন্দুমাত্র ইতস্ততঃ করি না। কিন্তু তিনি তাহার উল্লেখ করিলেন না। আধুনিক প্রথায় কসাই ও কসাইখানার যে দুর্গতি ঘটিয়াছে, যুক্তি দ্বারা তিনি তাহা প্রতিপন্ন করিতে পারিতেন, কিন্তু তাহারও উল্লেখ করিলেন না। আমার বিরুদ্ধ যুক্তিগুলির উত্তবে তিনি শুধু স্পষ্টভাবে বলিলেন, “চিত্রটি নিখুঁত করবার জন্য হলোই বা একটু রক্তপাত!” পরে তাহার এবং নিকটে উপবিষ্ট আর একজনশ্রীরামকৃষ্ণ-শিষ্যের নিকট হইতে উচ্চাঙ্গের কালীপূজার প্রকৃত তথ্যগুলি সংগ্রহ করিতে আমাকে বিলক্ষণ বেগ পাইতে হয়। প্রকৃত কালীপূজা বহু কৃচ্ছসাধ্য এবং সেখানে জীবহিংসার স্থান নাই। যাহা হউক, তিনি বলেন, মা কালীর অনুচর ভূতপ্রেতগণের উদ্দেশ্যে বলিদান বা রক্তপাত তাহার সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত। তাঁহার মতে উহা ভূতেপাসনা এবং ঐ বিষয়ে তাহার আদৌ সমর্থন নাই। তাহার নিরন্তর প্রচেষ্টা ছিল, অন্তর হইতে ভয় ও দুর্বলতা দূর করিয়া দিয়া যেমন মাধুর্য ও আনন্দের মধ্যে আপনা হইতেই জগজ্জননীর প্রকাশ দেখা যায়, সেইরূপ অশুভ, ভয়ঙ্কর, দুঃখ ও বিনাশের মধ্যেও তাহার প্রকাশ পাবণা করিতে শেখা। সুতরাং সেই মহান আদর্শকে ছোট করিয়া দেওয়া তিনি কোনক্রমেই সই। করিতে পারিতেন না। একদিন ভয়ঙ্করা মূর্তির পূজা এবং উহার সহিত একাত্বতালাভেব প্রসঙ্গে শান্তভাবে কথা বলিতে বলিতে তিনি সহসা উত্তেজিতভাবে বলিয়া উঠেন, “মুণ্ডমালা পরায়ে তোমায়, ভয়ে ফিরে চায়, নাম দেয় দয়াময়ী’। মুখ তারা!” এই কথা বলিবার সঙ্গে সঙ্গে শ্রোতার হৃদয়ঙ্গম হইল যে, ভূমিকম্প বা অগ্ন্যুৎপাতরূপে প্রকাশিত যে ঈশ্বর, তাঁহাকে ভাল না বাসিয়া যে ঈশ্বর দয়াময়, যিনি পালনকর্তা, শোকে-দুঃখে যাহার নিকট সান্ত্বনালাভ করা যায়, তাহার উদ্দেশে নিবেদিত যে পূজা, তাহার মূলে অহংজ্ঞানই বিদ্যমাণ বৃঝিতে পারিলেন, এই ধরনের পূজা হিন্দুরা যাহাকে প্রকৃতপক্ষে ’দোকানদারি’ বলিয়া অভিহিত করেন, তাহা ব্যতীত আর কিছুই নহে। উপলব্ধি করিলেন, মঙ্গলের মধ্যে তাহার যেরূপ প্রকাশ, অমঙ্গলের মধ্যেও সেইরূপ, এবং এই শিক্ষা পূর্বোক্ত শিক্ষা অপেক্ষা বহুগুণ নির্ভীক ও সত্য। দেখিলাম, কাঁচা আমির গণ্ডি অতিক্রম করিতে হইলে যে মনোভাব ও ইচ্ছাশক্তির প্রয়োজন, তাহা বস্তুতঃ দৃঢ়সঙ্কল্প, স্বামীজী কঠোর ভাষায় যাহা প্রকাশ করিয়াছেন,  ‘জীবন না চাহিয়া মৃত্যুকে অনুসন্ধান করিতে হইবে, নিজেকে তরবারিমুখে নিক্ষেপ করিতে হইবে, চিরকালের জন্য ভয়ঙ্করা মূর্তির সহিত একাত্ম হইতে হইবে।’

    আরও দেখুন
    বাংলা গল্প
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা লাইব্রেরী
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বইয়ের
    বাংলা উপন্যাস

    নিজের ধারণাগুলি স্বামীজী কখনও শিষ্যদের উপর জোর করিয়া চাপাইবার চেষ্টা করিতেন না, কারণ উহা দ্বারা স্বাধীনতা বলিতে তাহার যে আদর্শ বা ভাব তাহার সম্পূর্ণ বিপরীত আচরণ করা হইত। কিন্তু শিক্ষকরূপে আমার অতীত জীবনের অভিজ্ঞতার ফলে আমি স্পষ্টরূপে বুঝিয়াছিলাম যে, আমাকে ভারতীয়ভাবে চিন্তা করিবার অভ্যাস করিতে হইবে। ঐ ভাবধারায় ভারতের বিভিন্ন উপাসনা প্রণালীর বিশিষ্ট স্থান লক্ষ্য করিয়া আমি কতখানি বিস্ময়বিমূঢ় বোধ করিয়াছিলাম, তখ, অমরনাথ যাত্রার সহিত অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত থাকিয়া উহার সাক্ষ্য বহন করিতেছে। উহা কদাপি ভুলিবার নহে। সুতরাং যে ভাবে কোন ব্যক্তি কোন নূতন ভাষা শিক্ষা করিতে আরম্ভ করে, অথবা সম্ভবপর হইলে ইচ্ছাপূর্বক কোন নূতন জাতির মধ্যে জন্মগ্রহণ করিতে চেষ্টা করে, সেইভাবে আমি কালীপূজার রহস্য অনুধাবনের চেষ্টা করিতে লাগিলাম। এই চেষ্টার ফলেই আমি স্বামীজীর জীবন ও চিন্তাধারা কতকটা বুঝিতে সক্ষম হই। ধীরে ধীরে একটু একটু করিয়া আমি বুঝিতে পারিলাম। বলা বাহুল্য,ধর্মসংক্রান্ত ব্যাপারে স্বামীজী নিজে ছিলেন আজন্ম শিক্ষক, যদিও তিনি নিজে এ বিষয়ে সচেতন ছিলেন না। যে চিন্তা নির্দিষ্ট রূপ লইবার চেষ্টা করিতেছে, তাহাকে তিনি কখনও বাধা দিতেন না। একদিন তাহার নিকট বসিয়া আছি, এমন সময়ে ঐ স্থানে একখানি কালী প্রতিমা আনীত হয়। প্রতিমার মধ্যে কোন একটি ভাব চকিতের মতো লক্ষ্য করিয়া আমি সহসা বলিয়া উঠিলাম, “স্বামীজী, হয়তো মা কালী সদাশিবেরই ধ্যানযোগে উপলব্ধ মূর্তিবিশেষ। তাই কি?” তিনি মুহূর্তের জন্য আমার দিকে চাহিলেন। পরে সস্নেহে বলিলেন, “বেশ, তাই হোক, তোমার নিজের ভাবেই ওটি প্রকাশ কর!”

    .

    আর একদিন আমাকে সঙ্গে লইয়া তিনি প্রবীণ মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরকে তাহার জোড়াসাঁকোর নির্জন বাড়িতে দর্শন করিতে যাইতেছিলেন। পূর্বরাত্রে একজনের জীবনের অন্তিমকালের দৃশ্য আমি প্রত্যক্ষ করি। যাত্রার পূর্বে স্বামীজী আমাকে ঐ বিষয়ে প্রশ্ন করেন। উত্তরে আমি সাগ্রহে বলি, “আমার হঠাৎ উপলব্ধি হইয়াছে, বিভিন্ন ধর্ম যেন বিভিন্ন ভাষা, আর আমাদের প্রত্যেক ব্যক্তির সহিত তাহার নিজের ভাষাতেই কথা বলা উচিত।” তাহার সমগ্র মুখ আনন্দে উদ্ভাসিত হইয়া উঠিল। তিনি বলিয়া উঠিলেন, “হাঁ, একমাত্র শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসই এ কথা শিক্ষা দিয়ে গেছেন। একমাত্র তিনিই সাহস করে বলে গেছেন যে, আমাদের সকল লোকের সঙ্গে তাদের নিজ নিজ ভাষায় কথা বলা উচিত।”

    তথাপি এমন একদিন আসিল, যখন তিনি শক্তিপূজা সম্বন্ধে তাহার নিজের মত সুস্পষ্টরূপে জানাইয়া দিবার প্রয়োজন অনুভব করিলেন। আমার কালীঘাটে বক্তৃতা দিবার কথা ছিল। তিনি আমাকে জানাইলেন, আমার বিদেশীয় বন্ধুগণ যোগদান করিতে ইচ্ছা করিলে অন্য শ্রোতাদের মতো তাহাদিগকেও জুতা খুলিয়া যাইতে হইবে এবং মেঝের উপর বসিতে হইবে। সেই মহাপীঠে কাহারও জন্য যেন সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম না ঘটে। আমার উপরেই এই বিষয়টি দেখিবার ভার রহিল।(১)

    আরও দেখুন
    বাংলা কবিতা
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য

    এই কথা বলিয়া চলিয়া যাইবার পূর্বে তিনি আরও কিছুক্ষণ রহিয়া গেলেন। তারপর যেন একটু অনিচ্ছুকভাবে কর্ণেল হের রক্ষাকারী দেবগণ (Guardian Angels) নামক কবিতার উল্লেখপূর্বক বলিলেন, “ব্ৰহ্ম ও দেবদেবীগণ সম্পর্কে আমারও ঠিক ঐ মত। ব্ৰহ্ম ও দেবদেবীগণেই আমি বিশ্বাস করি। অন্য কিছুতে আমার বিশ্বাস নেই।”

    স্পষ্টই বুঝা গেল, তাহার আশঙ্কা তাঁহার নিজের যেরূপ অসুবিধা হইয়াছিল, আমারও যুক্তির দ্বারা বুঝিতে গেলে সেইরূপ অসুবিধা ঘটিবার সম্ভাবনা—কোন এক বিশেষ অঙ্গের পূজাকে সর্বোচ্চ জানিয়া তাহার গুণগান, এবং বেদান্তের চরম ব্রহ্মবাদ এই উভয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান এক সমস্যা, এবং যুক্তি সহায়ে উহার সমাধান কঠিন। স্বামীজী জানিতেন না, অন্তরঙ্গ ভক্তগণের নিকট তিনি স্বয়ং ছিলেন এইসকল বিপরীতলক্ষণ বিশিষ্ট ধর্মের সমন্বয়স্থল, এবং তাহাদের প্রত্যেকটি যে সত্য তাহার সাক্ষিস্বরূপ। সুতরাং ঐ বিষয়টি চিন্তা করিতে করিতে তিনি যেন কিছুক্ষণ আপন মনেই কথা বলিতে লাগিলেন; কতকটা অসংলগ্ন, যেন কতকগুলি প্রশ্নের উত্তর দিতেছেন, নিজের মতটি সহজবোধ্য করিবার চেষ্টা করিতেছেন, তথাপি যেন নিজের অন্তরে কিছু দেখিয়া তাহাতেই অধমগ্ন, চেষ্টা করিয়াও উহার প্রভাব হইতে নিজেকে মুক্ত করিতে পারিতেছেন না।

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বুক শেল্ফ
    গ্রন্থাগার সেবা
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    সেবা প্রকাশনী বই
    বইয়ের

    অবশেষে বলিলেন, “ওঃ! মা কালী ও তার লীলাকে আমি কি ঘৃণাই করেছি! ছবছর ধরে ঐ নিয়ে সংগ্রাম করেছি, কিছুতেই তাকে মানবনা। শেষে কিন্তু আমাকে মানতেই হলো! শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব আমাকে তার কাছে উৎসর্গ করেছিলেন, আর এখন আমি বিশ্বাস করি, অতি সামান্য কাজেও সেই মা আমাকে পরিচালনা করছেন, আমাকে নিয়ে যা খুশি তাই করছেন!…বহুদিন তাকে মানব না বলে আমি জেদ করেছিলাম। ঠাকুরকে ভালবাসতুম কি না, তাই ছাড়তে পারিনি। তার অদ্ভুত পবিত্রতা আমি প্রত্যক্ষ করেছি। তার অসাধারণ ভালবাসা প্রাণে প্রাণে অনুভব করেছি। তিনি কত বড় ছিলেন, তখন তা আমার ধারণা হয়নি।…সে সব পরে হয়–যখন আমি বশ্যতা স্বীকার করি। সে সময়ে আমি তাকে এক উদ্ভ্রান্ত-মস্তিস্ক শিশু বলে মনে করতাম—সব সময়ে বাজে খেয়াল দেখছেন! ও-সব আমি ঘৃণা করতাম। কিন্তু শেষে আমাকেও মা কালীকে মানতে হলো!

    “কেন আমাকে মানতে হলো, তা অত্যন্ত গুহ্য ব্যাপার, জীবনে কাউকে তা আমি বলব না। তখন আমার অতি দুঃসময়।…মা সুবিধা পেলেন, আমাকে গোলাম করে ফেললেন। ঠাকুরের নিজের মুখের কথা, “তুই মায়ের গোলাম হবি।’ রামকৃষ্ণ পরমহংস আমাকে মায়ের হাতে সমর্পণ করলেন। …আশ্চর্য! ঐ ঘটনার পর তিনি মাত্র দুই বছর জীবিত ছিলেন, অধিকাংশ সময় আবার অসুখে ভুগছিলেন। ছ-মাস যেতে না যেতেই তার স্বাস্থ্যভঙ্গ হলো, সে প্রফুল্লতা কোথায় চলে গেল!

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    নতুন উপন্যাস
    অনলাইন বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা গল্প
    বইয়ের
    পিডিএফ
    বাংলা ইসলামিক বই

    “জান, গুরু নানকেরও ঐ রকম হয়েছিল। তিনি অনুসন্ধান করেছিলেন, কে তার সেই শিষ্য, যার মধ্যে তিনি নিজের শক্তির সঞ্চার করবেন। নিজের পরিবারবর্গকে তিনি উপেক্ষা করে গেলেন তার সন্তানগণ যেন তার কাছে কিছুই নয়! অবশেষে সেই বালকের সন্ধান পেলেন, যাকে তিনি ঐ শক্তি গ্রহণের অধিকারী মনে করলেন। তাকে ঐ শক্তি দান করে তবে তিনি নিশ্চিন্ত হয়ে মরতে পেরেছিলেন।

    “তুমি মনেকরছ, ভাবীযুগ শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসকে মা কালীরই অবতার বলবে?, আমারও মনে হয়, এ বিষয়ে সন্দেহ নেই যে, মা তার নিজ প্রয়োজন সিদ্ধির উদ্দেশ্যে শ্রীরামকৃষ্ণশরীরে আবির্ভূত হয়েছিলেন।

    “দেখ, আমার দৃঢ় বিশ্বাস, কোথাও এমন এক মহাশক্তি আছেন, যিনি নিজেকে প্রকৃতি-সত্তা বলে মনে করেন। তারই নাম কালী, তারই নাম মা!…আবার আমি ব্রহ্মেও বিশ্বাস করি।…কিন্তু এই রকমই সর্বদা হয় না কি? শরীর মধ্যস্থিত অসংখ্য কোষ (cells) মিলিত হয়েই এক ব্যক্তি সৃষ্টি করে না কি? এক নয়, বহু মস্তিষ্ককেন্দ্রই কি মনের অভিব্যক্তি ঘটায় না? বহু বৈচিত্র্যের মধ্যেই একত্ব—এই আর কি! তবে ব্রহ্মের বেলায় অন্যরূপ হবে কেন? ব্রহ্মই একমাত্র সৎ পদার্থ, তিনি অদ্বিতীয়, কিন্তু তিনিই আবার দেবদেবীতে পরিণত!”

    অনুরূপভাবে কাশ্মীর-তীর্থযাত্রা হইতে প্রত্যাবর্তনান্তে তিনি বলিয়াছিলেন, “এই-সব দেবদেবী কেবল মনগড়া জিনিস নয়! ভক্তেরা যে-সকল ঈশ্বরীয় রূপ প্রত্যক্ষ করেছেন, সেই সব রূপই দেবদেবীর মূর্তি বলে গৃহীত হয়েছে।” শ্রীরামকৃষ্ণ সম্পর্কেও শোনা যায় যে, সমাধি হইতে উখিত হইবার পর কখন কখনও তাহার শরীর মন অবলম্বন করিয়া যিনি অবস্থান করিতেছেন, তাঁহার সম্পর্কে বলিতেন, “বাম ও কৃষ্ণরূপে যিনি অবতীর্ণ হয়েছিলেন, তিনিই এখন (নিজ শরীর দেখাইয়া) এই শরীরে আবির্ভূত।” তারপর প্রধান শিষ্যের দিকে চাহিয়া হাসিতে হাসিতে বলিতেন, “কিন্তু, নরেন, তা বলে তোর বেদান্তের দিক দিয়ে নয়।”

    বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে উপলব্ধ সত্যসমূহের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক এবং সমন্বয়সাধন লইয়া মহাপুরুষগণের মনে যে দ্বন্দ্ব চলিতে থাকে, পূর্বোক্ত ঘটনাগুলি সেই সম্পর্কে আমাদের কিছু কিছু আভাস দেয়। একদিকে জগন্মাতা, অন্যদিকে ব্রহ্ম। বহুদিন পূর্বে স্বামীজীর নিকট শোনা তাহার কথাগুলি মনে পড়ে, “ইন্দ্রিয় জ্ঞানের অস্পষ্ট কুহেলিকার মধ্যে দিয়ে দেখলে নির্গুণ ব্রহ্মই সগুণরূপে প্রতিভাত ইন। প্রকৃতপক্ষে এই উভয় ভাবের মধ্যে সমন্বয়সাধন করা যায় কি না সন্দেহ। একই সময়ে দুইটি ধারণা সমভাবে সত্য হইতে পারে না। এ-কথা সহজেই বোঝা যায় যে, অনুভূতির ক্ষেত্রে অবশেষে হয় শক্তিকে ব্ৰহ্ম হইতে হইবে, নতুবা ব্ৰহ্মই শক্তিতে পরিণত হইবে। উভয়ের মধ্যে একটিতে. অপরের মধ্যে বিলীন হইতে হইবে। কোনটি কাহার মধ্যে লয় প্রাপ্ত হইবে, তাহা বিশেষ ক্ষেত্রে সাধকের অদৃষ্ট ও পূর্বজন্মের সংস্কারের উপর নির্ভর করে।

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ইসলামিক বই
    Books
    বাংলা সাহিত্য
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা কবিতা
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা উপন্যাস

    আমার নিজের কথা বলিতে গেলে, পূর্বোক্ত কথাবার্তা আমার জীবনে এক নূতন যুগের সূচনা করিয়াছে। সেইদিন হইতে স্বামীজীর সকল আচরণে আমি লক্ষ্য করিয়া দেখিয়াছি, তিনি যেন অপর কাহারও নিকট দায়স্বরূপ প্রাপ্ত কোন বিশেষ কার্যভার বহন করিয়া আসিতেছেন। কালীমূর্তির ব্যাখ্যা করিতে অনুরোধ করিলে তিনি বলিতেন—মা যেন একখানি মহাগ্রন্থ; যাহা পাঠ করিয়া মানব অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে; পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা উল্টাইয়া অবশেষে দেখে, উহাতে কিছুই নাই। আমার মনে হয় ইহাই চরম ব্যাখ্যা। ভারতের ভাবীযুগের বংশধরের একমাত্র উপাস্য হইবেন মা কালী। তাহার নাম লইয়াই মাতৃভক্ত সন্তানগণ নানা অভিজ্ঞতার শেষ সীমায় উপনীত হইতে সমর্থ হইবেন। তথাপি সর্বশেষে তাহাদের হৃদয়ে সেই সনাতন জ্ঞানের বিকাশ ঘটিবে, এবং প্রত্যেক মানব নিজ নিজ শুভ মুহূর্ত উদয় হইলে জানিতে পারিবে যে, সমগ্র জীবন ছিল এক স্বপ্নমাত্র।

    গীতার সেই বেদতুল্য বাক্য কাহার স্মৃতিপথে না উদিত হয়?

    “ন কর্মণামনারম্ভান্নৈষ্ক্ররম্যং পুরুষোহশ্নুতে।
    ন চ সংন্যসনাদেব সিদ্ধিং সমধিগচ্ছতি ॥”

    অর্থাৎ, কর্মের আরম্ভমাত্র না করিয়া কোন ব্যক্তিই নৈষ্কর্ম লাভ করিতে পারে না। শুধু কর্মত্যাগ করিলেই সিদ্ধি করতলগত হয় না। সেইরূপ আমরাও কি নিশ্চিতভাবে জানি না যে, এই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়া না যাইলে অন্তিমে সত্যের সাক্ষাৎকার ঘটে না? শক্তির মাধ্যমে ব্রহ্মে উপনীত হইতে হইবেনূতন জীবন, নব নব জ্ঞান, বহু পরিবর্তনের মধ্য দিয়া, অদূর ভবিষ্যতের দ্বন্দ্ব-সংঘাত, জয়-পরাজয়ের মধ্য দিয়া অবশেষে আমরা সেই আত্মারূপী চিরধামে উপনীত হইব, যেখানে সব এক অখণ্ড সত্তারূপে বিরাজমান এবং শান্তিতে পরিপূর্ণ। যে আচার্যশ্রেষ্ঠকে আমি অনুসরণ করিয়া আসিয়াছি, তাহার জীবনের প্রতি যতই গভীরভাবে দৃষ্টিপাত করি, ততই প্রতিদিন আমি অধিকতর স্পষ্টরূপে দেখিতে পাই যে, তিনি স্বয়ং অভিজ্ঞতারূপ মহাগ্রন্থের পৃষ্ঠাগুলি উল্টাইয়া যাইতেছিলেন, এবং অবশেষে শেষ শব্দটি পড়া হইয়া যাইবামাত্র শ্রান্ত শিশুর ন্যায় মাতৃক্রোড়ে শয়ন করিয়া মহাসমাধিতে মগ্ন হইলেন। আর তখনই তাঁহার জ্ঞান হইল, এই অনন্ত বৈচিত্র্যময় জীবন স্বপ্নমাত্র।

    ———

    (১) কোথাও কোন দেবস্থানেই সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম হইতে দেওয়া উচিত নহে। যে ব্যক্তি নিজের দেবস্থানের পবিত্রতা ও মাহাত্ম্যরক্ষার জন্য বদ্ধপরিকর না হয়, সে সকলের অশ্রদ্ধার পাত্র।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসারদামঙ্গল – বিহারীলাল চক্রবর্তী
    Next Article বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }