Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্বামীজীকে যেরূপ দেখিয়াছি – ভগিনী নিবেদিতা

    ভগিনী নিবেদিতা এক পাতা গল্প379 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
    অর্ধ পৃথিবী অতিক্রম

    ১৮৯৯ খ্রীস্টাব্দের ২০ জুন স্বামীজী ও তাহার গুরুভ্রাতা স্বামী তুরীয়ানন্দের সহিত এক জাহাজে আমি কলিকাতা ত্যাগ করিয়া লণ্ডনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করি, এবং ৩১ জুলাই প্রাতঃকালে লণ্ডনে উপনীত হই। কয়েক সপ্তাহ পরে স্বামীজী ইংলণ্ড পরিত্যাগ করিয়া আমেরিকা যাত্রা করেন এবং সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে আমি সেখানে আর একবার তাহার সাক্ষাৎলাভ করি। তাহার সহিত একই ভবনে অতিথিরূপে যে পাচ-ছয় সপ্তাহ এবং পর বৎসর (১৯০০ খ্রীস্টাব্দে) ব্রিটানিতে যে একপক্ষ কাল অতিবাহিত করি, তাহার পর আর দীর্ঘকাল ধরিয়া তাহার সহিত একত্র বাসের সুযোগ আমার ভাগ্যে ঘটে নাই। ১৯০০ খ্রীস্টাব্দের শেষভাগে তিনি ভারতে প্রত্যাবর্তন করেন, কিন্তু আমি ১৯০২ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত পাশ্চাত্যেই অবস্থান করি। অতঃপর যখন ভারতবর্ষে আসিয়া পৌঁছিলাম, তখন যেন তাহার জীবননাট্যের শেষ দৃশ্যের অভিনয়ে উপস্থিত থাকিবার জন্য, তাহার শেষ আশীর্বাদ গ্রহণ করিবার জন্যই। এই দেড়মাসব্যাপী সমুদ্রযাত্রা আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা বলিয়া মনে করি। এই কালে স্বামীজীর সহিত মিশিবার যে-কোন সুযোগ উপস্থিত হইলে গ্রহণ করিতাম। অপর কাহারও সহিত একপ্রকার মিশিতাম না বলিলেই চলে। অবশিষ্ট সময় লেখা ও সূচীকর্মে কাটিত। এইরূপে দীর্ঘকাল অবিচ্ছিন্নভাবে তাহার অপূর্ব চরিত্র ও মনের সংস্পর্শ লাভে ধন্য হইয়াছিলাম। এ সম্পদের কি তুলনা হয়?

    .

    এই সমুদ্রযাত্রার প্রথম হইতে শেষ পর্যন্ত ভাব ও গল্পের একটা অবিরাম স্রোত চলিয়াছিল। কেহই জানিত না, কখন সহসা স্বামীজীর উপলব্ধির দ্বার উদঘাটিত হইবে, এবং তাহার ফলে আমরা জ্বলন্ত ভাষায় নূতন নূতন সত্যের বর্ণনা শুনিতে পাইব। প্রথম দিন অপরাছে আমরা ভাগীরথীবক্ষে জাহাজে বসিয়া কথাবার্তা বলিতেছি, এমন সময়ে সহসা তিনি বলিয়া উঠিলেন, “যত দিন যাচ্ছে, তত আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি যে, পৌরুষই (manliness) জীবনের সার বস্তু। এই আমার নূতন বার্তা। পাপ করবে, তাও যথার্থ মানুষের মতো কর। যদি দুষ্টই হতে হয়, তবে বড় রকমের দুষ্ট হও।” এই কথাগুলির সঙ্গে সঙ্গে আর একদিনের কথা মনে পড়িতেছে। আমি তাহাকে মনে করাইয়া দিই যে, ভারতে অপরাধীর সংখ্যা খুব অল্প। আমার দিকে ফিরিয়া দুঃখিত অন্তঃকরণে তিনি উত্তর দিলেন, “ঈশ্বরের ইচ্ছায় আমার দেশে যদি এর বিপরীত হতো! কারণ প্রকৃতপক্ষে এ ধর্মভীরুতা মৃত্যুর লক্ষণ!” শিবরাত্রির গল্প, পৃথ্বীরাজ, বিক্রমাদিত্যের বত্রিশ সিংহাসন, বুদ্ধ ও যশোধরার গল্প এবং অনুরূপ শত শত গল্প তিনি অবিরত বলিয়া যাইতেন। লক্ষ্য করিবার বিষয় এই যে, একই কাহিনী কদাপি দুইবার কেহ শোনে নাই। জাতিবিভাগ সম্পর্কে আলোচনা তো সর্বদাই ছিল; ইহা ব্যতীত ছিল অবিরত নানা চিন্তার বিশ্লেষণ ও পুনর্বিন্যাস; অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কর্মপ্রণালী সম্পর্কে নানা কথা এবং সর্বোপরি দৃঢ়ভাবে আপামর জনসাধারণের পক্ষ সমর্থন; কদাপি এই প্রসঙ্গে তিনি বিরত হইতেন না। যাহাদের সমর্থন করিবার কেহ নাই, সেই দুর্বল ব্যক্তি অথবা জাতিকে রক্ষা করিবার জন্য সর্বদা অগ্রসর হইতেন, তাহাদের দোষ উদঘাটন করিয়া অধিকতর দুর্বল করিয়া ফেলিতেন না, শতমুখে তাহাদের গুণ বর্ণনা করিতেন।

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা উপন্যাস
    ই-বুক রিডার
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    PDF
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    সেবা প্রকাশনীর বই

    আমাদের গুরুর আর্বিভাব এবং তিরোভাব উভয়ই আজ অতীতের ঘটনা, কিন্তু যে অমূল্য স্মৃতিসম্ভার তিনি অন্তরঙ্গগণের হৃদয়ে রাখিয়া গিয়াছেন, তাহার মধ্যে তাঁহার এই বিশ্বমানবপ্রেম অপেক্ষা মহত্ত্বর আর কিছুই নাই।

    একদিন কোন ইউরোপীয় নরমাংসভোজন কোন কোন জাতির মধ্যে নিত্যকার ব্যাপার, এই উক্তি করিলে, তিনি যে ক্রোধ প্রকাশ করেন, তাহা কখনও ভুলিবার নয়। ঐ ব্যক্তির সমস্ত বক্তব্য শুনিবার পর তিনি বলেন, “এটা সত্য নয়। ধর্মভাবের প্রেরণায় পূজা উপলক্ষে বলিদান অথবা যুদ্ধে প্রতিহিংসা গ্রহণ, এই উভয় স্থল ব্যতীত কোন জাতি কোথাও নরমাংস আহার করে না। বুঝতে পারছনা, ওটা দলবদ্ধ বা সমাজবদ্ধ জীবদের রীতি নয়?

    “ঐ প্রকার কার্যের দ্বারা সামাজিক জীবনের মূলোচ্ছেদ করা হবে যে!” এই কথাগুলি যখন বলা হয়, তখন পর্যন্ত ক্রপটকিনের “পারস্পরিক সাহায্য (Mutual Aid)” সম্পর্কে মূল্যবান পুস্তকখানি বাহির হয় নাই। বিশ্বমানবের প্রতি প্রেম এবং প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার দেশকাল-অবস্থা অনুযায়ী বিচার করিবার স্বাভাবিক প্রেরণা স্বামীজীকে এই প্রকার গভীর অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ভাষা
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    ই-বই ডাউনলোড
    বিনামূল্যে বই
    Library
    PDF
    বাংলা ই-বই
    অনলাইন বুক
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

    তিনি লোকের ধর্মপ্রবণতার বিষয় আলোচনা করিতেছিলেন। সহসা বলিয়া ওঠেন, “অধিকাংশ ধর্মের মূলে স্ত্রী-পুরুষের পরস্পরের প্রতি আকর্ষণ এবং বংশবৃদ্ধির আকাঙক্ষা বিদ্যমান। ভারতবর্ষে এই মত বৈষ্ণবধর্ম এবং পাশ্চাত্যে খ্রীস্টধর্ম রূপে অভিহিত। মৃত্যুকে, অথবা মা কালীকে উপাসনা করতে অতি অল্প লোকেই সাহসী হয়েছে। এস, আমরা মৃত্যুর উপাসনা করি। এস, আমরা ভয়ঙ্করকে ভয়ঙ্কর বলেই আলিঙ্গন করি, তাকে কোমল হবার জন্য প্রার্থনা করে নয়। এস, আমরা দুঃখের জন্যই দুঃখকে বরণ করি।”

    সাগরসঙ্গমে উপস্থিত হইবার পর আমরা বুঝিতে পারিলাম, সমুদ্রকে কেন ‘কালাপানি’ (কালোজল) এবং নদীকে সাদাপানি বলা হয়। স্বামীজী বুঝাইয়া দিলেন, সমুদ্রের প্রতি হিন্দুদের প্রগাঢ় ভক্তিই তাহাদের উহাকে লঙ্ঘন করিয়া অপবিত্র করিতে বাধা দিয়াছে এবং তাহার ফলেই বহু শতাব্দী ধরিয়া সমুদ্রযাত্রাকে জাতিচ্যুত হইবার অপরাধ বলিয়া গণ্য করা হইয়া থাকে। জাহাজ নদীর সীমা অতিক্রম করিয়া প্রথম সাগর স্পর্শ করিবামাত্র স্বামীজী বলিলেন, “নমঃ শিবায়! নমঃ শিবায়! ত্যাগবৈরাগ্যভূমি পরিত্যাগ করে ভোগৈশ্বর্যভূমিতে পদার্পণ করতে চললাম!”

    বড় হইতে গেলে বহু দুঃখভোগ সহ্য করিতে হয়, এবং কাহারও কাহারও অদৃষ্ট এইরূপ যে, ইহজগতের সকল সুখই জ্বলিয়া পুড়িয়া ভস্মে পরিণত হয়–এই প্রসঙ্গ উত্থাপন করিয়া স্বামীজী বলিলেন, “সারা জীবনটাই দুঃখের বিনিময়ে অল্প সুখভোগ! এই কথাগুলি কখনও ভুলো না—মর্মান্তিক আঘাত পেলেই সিংহ ভীষণভাবে গর্জন করে ওঠে; মাথায় আঘাত পেলেই সাপ তার ফণা তুলে দাঁড়িয়ে ওঠে; তেমনি মানুষ নিদারুণ মর্মবেদনা পেলেই আত্মার বিপুল মহিমা প্রকাশ পায়।”

    আরও দেখুন
    বাংলা গল্প
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    PDF
    বাংলা কবিতা
    বাংলা লাইব্রেরী
    নতুন উপন্যাস
    বইয়ের
    অনলাইন গ্রন্থাগার

    কখনও তিনি অসীম ধৈর্যসহকারে কোন প্রশ্নের উত্তর দিতেছেন, পরক্ষণেই ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক কল্পনা-জল্পনায় মাতিয়া উঠিতেছেন। আবার বার বার তাঁহার মন বৌদ্ধযুগের প্রতি আকৃষ্ট হইত, কারণ ভারতীয় ইতিহাসের সম্যক জ্ঞানলাভের জন্য প্রয়োজন বৌদ্ধযুগের সবিশেষ অধ্যয়ন।

    একদিন তিনি বলেন, “বৌদ্ধধর্মের তিনটি যুগ-বিভাগ আছে—পিচশ বছর তন্ত্রপ্রাধান্য। মনে করো না যে, ভারতে কোনকালে বৌদ্ধধর্ম নামে কোন পৃথক ধর্ম ছিল, এবং তার নিজস্ব মন্দির ও পুরোহিত প্রভৃতি ছিল। মোটেই তা নয়! বৌদ্ধধর্ম চিরকাল হিন্দুধর্মেরই অন্তর্ভুক্ত! কেবল এক সময়ে বুদ্ধের প্রভাব একাধিপত্য লাভ করার ফলে সমগ্র জাতি সন্ন্যাসমার্গ অবলম্বন করেছিল।” বৌদ্ধধর্মের অভ্যুদয়ে কাশ্মীরের নাগগণ (যে সকল মহাসৰ্প কুণ্ডের অভ্যন্তরে বাস করে বলিয়া লোকের বিশ্বাস ছিল) বলপূর্বক দেবত্বপদবী হইতে বিচ্যুত হয়। পরবর্তী শীতকালে অত্যধিক শীত পড়ায় তাহারাই আবার বৌদ্ধসম্প্রদায়ের সিদ্ধপুরুষ হিসাবে বৌদ্ধধর্মের অঙ্গীভূত হইয়া যায় কি না—এই বিষয় লইয়া স্বামীজী আলোচনা করিতেছিলেন।

    প্রসঙ্গতঃ সোমলতার কথা আসিয়া পড়ে। স্বামীজী বর্ণনা করিতে লাগিলেন কিভাবে ‘হিমালয়’-যুগের সহস্র বৎসর পর্যন্ত ঐ লতা ভারতের প্রতি গ্রামে প্রতি বৎসর রাজার ন্যায় অভ্যর্থনা লাভ করিত, এক নির্দিষ্ট দিনে গ্রামবাসিগণ সমবেতভাবে মহাসমারোহে উহাকে গ্রামের ভিতর লইয়া আসিত। আর এখন লোকে উহাকে চিনিতেও পারে না।

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা কমিকস
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    Library
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

    আবার তিনি শের শা সম্পর্কে বলিতে লাগিলেন—যিনি হুমায়ুনের রাজত্বকালে ত্রিশবৎসর ধরিয়া এক বিচ্ছেদ ঘটাইয়া দেন। “বাল্যকালে তিনি বাংলার পথে পথে দৌড়াদৌড়ি করিতেন”—এই কথা বলিবার সময় তিনি কিরূপ আনন্দে উৎফুল্ল হইয়া উঠিয়াছিলেন তাহা এখনও আমার মনে আছে। তিনি এই বলিয়া প্রসঙ্গ শেষ করেন যে, চট্টগ্রাম হইতে পেশোয়র পর্যন্ত বিস্তৃত এ্যাণ্ড-ট্রাঙ্ক নামক রাজপথ, ডাক বিভাগের বন্দোবস্ত এবং সরকারী ব্যাঙ্কস্থাপন—প্রভৃতি শের শার কীর্তি। তারপর কয়েক মিনিট নীরব থাকিয়া তিনি গুরু গীতা হইতে আবৃত্তি আরম্ভ করিলেন

    “গুরুব্রহ্মা গুরুবিষ্ণুগুরুদেবো মহেশ্বরঃ।
    গুরুরেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ ॥”
    ***
    “গুরুরাদিরনাদি গুরুঃ পরমদৈবত।
    গুরোঃ পরতরং নাস্তি তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ ॥”

    মনে মনে তিনি কোন একটি বিষয় লইয়া চিন্তা করিতেছিলেন, যাহার সহিত শ্লোকের এই অংশগুলি সংশ্লিষ্ট ছিল। ক্ষণকাল পরে সহসা তাহার গভীর চিন্তাভঙ্গ হইল এবং তিনি বলিলেন, “হাঁ, বুদ্ধ ঠিকই বলেছেন। কার্যকারণসম্পর্কই সর্বপ্রকার কর্মের মূল। পৃথক ব্যক্তিগত সত্তা বলে যা আমরা দেখছি তা নিশ্চয়ই ভ্রমাত্মক।” পরদিন প্রাতঃকালে তিনি চেয়ারে হেলান দিয়া বসিয়াছিলেন, আমার মনে হইতেছিল তিনি তন্দ্রাচ্ছন্ন, এমন সময়ে সহসা তিনি বলিয়া উঠিলেন, “দেখ তো, এক জীবনের স্মৃতিই যেন মনে হয়, লক্ষ লক্ষ বছরের কারাবাস; আবার লোকে পূর্ব পূর্ব জন্মের স্মৃতি জাগিয়ে তুলতে চায়! এই জন্মেরই ধাক্কা কে সামলায় তার ঠিক নেই, আবার অন্য জন্ম!”

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা কুইজ গেম
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা উপন্যাস
    Library
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা ই-বই

    একদিন সকালে চা খাইবার পূর্বে আমাকে ডেকের উপর দেখিতে পাইয়া তিনি বলিলেন, “এইমাত্র আমি তুরীয়ানন্দের সঙ্গে রক্ষণশীল ও উদারনীতিক ভাবসম্পর্কে কথা বলছিলাম।” তারপরই তিনি গভীর ভাবে ঐ বিষয়ে আলোচনা আরম্ভ করিলেন।

    “রক্ষণশীল ব্যক্তির একমাত্র আদর্শ বশ্যতাস্বকার। তোমাদের আদর্শ সংগ্রাম। সুতরাং আমরাই জীবনকে উপভোগ করে থাকি, তোমরা কখনো তা পার না। তোমরা সর্বদা চেষ্টা করছ, আদর্শটা বদলে একটা নূতন কিছু করবার, আর ঐ পরিবর্তনের লক্ষভাগের একভাগ ঘটবার পূর্বেই তোমরা ইহলোক পরিত্যাগ কর। পাশ্চাত্যবাসীর আদর্শ—উন্নতির জন্য একটা কিছু কর; প্রাচ্যবাসীর আদর্শ–নির্বিবাদে সহ্য করে যাও। কিছু করা এবং সহ্য করে যাওয়া—এই উভয়ের মধ্যে অপূর্ব সামঞ্জস্য-বিধান থাকলেই তা হবে সর্বাঙ্গসুন্দর জীবন। কিন্তু তা হওয়া অসম্ভব।

    “আমাদের ধর্ম মেনেই নেয় যে, মানুষের সব বাসনা পূর্ণ হতে পারে না। জীবনে অনেক অপ্রীতিকর জিনিসকে সংযত করতে হবে। এটা অপ্রীতিকর সন্দেহ নেই, কিন্তু এর দ্বারাই শক্তি ও আলো পাওয়া যায়। উদারনীতিক ব্যক্তিগণ এর মন্দ দিকটাই দেখেন, এবং ভেঙেচুরে ফেলতে চান। কিন্তু পরিবর্তে তারা যা প্রবর্তন করেন, তাও তেমনি মন্দ এবং ঠিক ভাল ফল পেতে গেলে পুরানো প্রথায় আমাদের যতদিন লেগেছিল, নূতন রীতিনীতির সাহায্যে অগ্রসর হলে ঠিক ততদিন সময় লাগবে।

    আরও দেখুন
    PDF
    বাংলা কবিতা
    বিনামূল্যে বই
    নতুন উপন্যাস
    অনলাইন বুক
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ই-বই
    পিডিএফ
    Library
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

    “পরিবর্তনের দ্বারা ইচ্ছাশক্তির বল বৃদ্ধি পায় না, বরং আরও দুর্বল ও পরনির্ভর হয়ে পড়ে। কিন্তু আমাদের সর্বদা সব জিনিস আত্মসাৎ করতে হবে—অর্থাৎ নিজের করে নিতে হবে। এর দ্বারা ইচ্ছাশক্তি প্রবলতর হয়ে ওঠে। আর জ্ঞাতসারে অথবা অজ্ঞাতসারে হোক, জগতে ইচ্ছাশক্তিই একমাত্র জিনিস, আমরা যার আদর করে থাকি। সমগ্র জগতের দৃষ্টিতে সহারণপ্রথা এত মহৎ কেন? তার কারণ ওর দ্বারা। ইচ্ছাশক্তির বিকাশ ঘটে।

    “আমাদের স্বার্থপরতা বিসর্জন দিতে শিখতে হবে। আমি দেখতে পাই, যখনই জীবনে আমি কোন ভুল করেছি, তার একমাত্র কারণ—তাতে স্বার্থগন্ধ মিশ্রিত ছিল। যেখানে স্বার্থের কোন সংস্রব নেই, সেখানে আমার বিচারবুদ্ধি ঠিক লক্ষ্যস্থলে পৌঁচেছে।

    “এই স্বার্থ না থাকলে জগতে কোন ধর্মমতই থাকত না। মানুষ নিজের জন্য যদি কিছু না চাইত, তাহলে তুমি কি মনে কর, সে প্রার্থনা, পূজা, আরাধনা প্রভৃতি কখননা করত? কখনো না। ঈশ্বর সম্বন্ধে সে চিন্তাই করত না বললে হয়। হয়তো কদাচ কখনো কোন সুন্দর স্বাভাবিক দৃশ্য অথবা অন্য কিছু দেখে একটু আধটু স্তুতিবাদ মাত্র করত। ঈশ্বর সম্পর্কে আমাদের ঐ রকম দৃষ্টিভঙ্গিই থাকা উচিত—কেবল গুণগান ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন। আমরা নিঃস্বার্থ হতে পারলেই তা সম্ভব, নচেৎ নয়।”

    আরও দেখুন
    বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা ই-বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    PDF
    বাংলা কুইজ গেম
    Library
    বাংলা ই-বুক রিডার

    তিনি আবার বলিলেন, “তোমরা মনে কর, লড়াই করাটা শ্রীবৃদ্ধির লক্ষণ। এটা সম্পূর্ণ ভুল। অপরকে নিজের করে নেওয়াই প্রকৃত উন্নতির লক্ষণ। এ ব্যাপারে হিন্দুধর্ম সিদ্ধহস্ত। আমরা কোনকালে যুদ্ধবিগ্রহের ধার ধারিনি। অবশ্য গৃহপরিজন রক্ষার জন্য কখনো কখনো উত্তম মধ্যম দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের ছিল। কিন্তু যুদ্ধের জন্য যুদ্ধ করার পক্ষপাতী আমরা কদাচ ছিলাম না। প্রত্যেককেই তা শিক্ষা করতে হতো। সুতরাং এই সব আগন্তুক জাতির দল আসুক! নিজের নিজের পথে চলুক! কালচক্রের আবর্তনে সকলেই শেষে হিন্দুধর্মের অঙ্গীভূত হয়ে যাবে।”

    তাহার মাতৃভূমি অথবা মাতৃরূপা হিন্দুধর্মকে মহাপ্রভাবশালী ব্যতীত অন্য কোনরূপ চিন্তা করিতে পারিতেন না। কোন নির্দিষ্ট পরিকল্পনা সম্পর্কে চিন্তা করিতে গিয়া বার বার তিনি স্বভাবগত খেয়ালী ভাষায় বলিয়া উঠিলেন, “হাঁ, একথা সত্য। ভারতে কোন ইউরোপীয় পুরুষ অথবা নারীকে কিছু করতে গেলে, তাঁকে কালা ভারতবাসীর অধীনেই তা করতে হবে।”

    সমগ্র জাতি হিসাবে ভারত কি মহাকাৰ্য সাধন করিয়াছে, সে বিষয়ে তিনি যথেষ্ট চিন্তা করিতেন। মধ্যে মধ্যে বলিতেন, “দেখ, আমরা একটা জিনিস করেছি, যা অন্য কোন জাতি কখনো পারেনি। একটা সমগ্র জাতিকে আমরা দু-একটা ধারণার বশবর্তী করতে পেরেছি—যেমন গোমাংস বর্জন। কোন হিন্দু গোমাংস আহার করবে না।, এটা ইউরোপীয়দের বিড়ালের মাংস আহার না করার মতো নয়, কারণ গোমাংস প্রাচীনকালে এদেশের খাদ্য ছিল।”

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    PDF
    বাংলা বই
    বাংলা ই-বই
    অনলাইন বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

    একদিন তাহার জনৈক প্রতিপক্ষের সম্পর্কে আমরা আলোচনা করিতেছিলাম, এবং আমি বলি যে, তিনি তাহার সম্প্রদায়কে তাঁহার দেশের উর্ধ্বে স্থাপন করিয়া অন্যায় করিতেছেন। স্বামীজী সানন্দে উত্তর দিলেন, “এটা এশিয়ার লক্ষণ, এবং চমৎকার জিনিস। কেবল ব্যাপারটা যথার্থভাবে ধারণা করবার মতো তার মাথা নেই, এবং অপেক্ষা করবার ধৈর্যও নেই।” তারপরেই তিনি আপন মনে মা কালীর চিন্তায় ডুবিয়া গেলেন।

    তিনি আবৃত্তি করিলেন–

    “মুণ্ডমালা পরায়ে তোমায়, ভয়ে ফিরে চায়,
    নাম দেয় দয়াময়ী।
    ***
    চূর্ণ হোক স্বার্থ সাধ মান, হৃদয় শ্মশান,
    নাচুক তাহাতে শ্যামা।”

    আরও দেখুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ই-বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বই পড়ুন
    বইয়ের
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

    তিনি বলিতে লাগিলেন, “আমি ভয়ঙ্করকে ভয়ঙ্কর বলেই ভালবাসি, নৈরাশ্যকে নৈরাশ্য বলেই ভালবাসি। দুঃখদারিদ্রকে দুঃখস্বরূপ বলেই ভালবাসি। ক্রমাগত সংগ্রাম করে যাও; প্রতিপদেই পরাজয়, ক্ষতি নেই। তবু সংগ্রাম কর। ঐটেই আদর্শ–ঐটেই আদর্শ।”

    একবার তিনি বলিয়াছিলেন, “শুধু মানবাত্মার নয়, সকল প্রাণীর আত্মার সমষ্টিই সগুণ ঈশ্বর। এই সমষ্টীভূত বিরাটের ইচ্ছাশক্তিকে কোন শক্তি প্রতিরোধ করতে পারে না। একেই আমরা নিয়ম বলে জানি। শিব, কালী ইত্যাদির অর্থও তাই।”

    জগতের কতকগুলি শ্রেষ্ঠ সৌন্দর্যময় দৃশ্য আমার নিকট অধিকতর সুন্দররূপে প্রতিভাত হইয়াছে; কারণ, ঐ সকল স্থানে স্বামীজীর নিকট দীর্ঘকাল ধরিয়া এইরূপ ধরনের কথাবার্তা শ্রবণ করিবার সুযোগ আমি পাইয়াছি।

    আমরা যখন সিসিলি দ্বীপের নিকটবর্তী হইলাম, তখন সূর্য সবে অস্ত গিয়াছে, পশ্চিম গগনে অস্তমান সূর্যের শেষ রক্তচ্ছটা, এবং তাহারই সম্মুখে এটনা আগ্নেয়গিরি হইতে অল্প অল্প ধূম নির্গত হইতেছে। মেসিনা প্রণালীতে প্রবেশ করিবামাত্র চন্দ্রোদয় হইল। ডেকের উপর স্বামীজীর সহিত পায়চারি করিয়া বেড়াইতেছি তিনি বুঝাইতে লাগিলেন যে, সৌন্দর্য বাহিরের বস্তু নহে, উহা পূর্ব হইতেই আমাদের মনের মধ্যে থাকে। একদিকে ইটালীর উপকূলের ধূসরবর্ণের বন্ধুর পাহাড়গুলি যেন ভূকুটি করিতেছিল, অপরদিকে রজতকৌমুদীধারায় স্নাত সিসিলি উপদ্বীপ। স্বামীজী বলিলেন,”মেসিনা আমাকে ধন্যবাদ দেবেই, কারণ আমিই তাকে ঐ অতুল সৌন্দর্য দান করেছি।”

    আরও দেখুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা সাহিত্য
    বইয়ের
    বাংলা ভাষা
    পিডিএফ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

    অতঃপর বাল্যকালেই তাহার মনে ভগবানলাভের জন্য যে তীব্র আকাঙ্ক্ষা জন্মিয়াছিল, সেই সম্পর্কে বলিতে লাগিলেন, কেমন করিয়া তিনি একাসনে বসিয়া কোন একটি মন্ত্র উদয়াস্ত জপ করিতেন। আমার প্রশ্নের উত্তরে তিনি তপস্যার অর্থ কি, তাহা বুঝাইবার চেষ্টা করিতেছিলেন। প্রাচীন প্রথানুযায়ী পঞ্চতপার কথা বলিলেন, চারিপাশে চারিটি অগ্নি প্রজ্বলিত করিয়া তাহার মধ্যে সাধক উপবিষ্ট থাকেন, মাথার উপর অনলবর্ষী সূর্য—এই অবস্থায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা মন স্থির করিয়া বসিয়া থাকিতে হয়। অবশেষে তিনি এই বলিয়া শেষ করিলেন, “ভীষণের পূজা কর, মৃত্যুর উপাসনা কর। আর সব মিথ্যা। সব চেষ্টা, সব সংগ্রাম বৃথা! এই হলো শেষ শিক্ষা। কিন্তু এ কাপুরুষের মৃত্যুকে ভালবাসা নয়, এ ভালবাসা দুর্বলের বা আত্মঘাতীর নয়। এ হলো শক্তিমান ব্যক্তির মৃত্যুকে সাদর সম্ভাষণ—যে অতলান্ত পর্যন্ত সব কিছু পরীক্ষা করে দেখেছে, এবং জানে যে, এ ছাড়া গত্যন্তর নেই!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসারদামঙ্গল – বিহারীলাল চক্রবর্তী
    Next Article বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }