Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্বামীজীকে যেরূপ দেখিয়াছি – ভগিনী নিবেদিতা

    ভগিনী নিবেদিতা এক পাতা গল্প379 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৬. পাশ্চাত্যদেশে স্বামীজীর সহিত কয়েকদিন

    যোড়শ পরিচ্ছেদ
    পাশ্চাত্যদেশে স্বামীজীর সহি
    ত কয়েকদিন

    ৩১ জুলাই আমরা লণ্ডনে পৌঁছাই, এবং যে সমুদ্রযাত্রা আমার নিকট এত স্মরণীয় হইয়াছিল, তাহারও অবসান ঘটে। স্বামীজী উইম্বল্ডনে কয়েক সপ্তাহ অতিবাহিত করেন, কিন্তু বৎসরের এই সময়ে তাহার বন্ধুবর্গের অধিকাংশই লণ্ডনে ছিলেন না। এদিকে আমেরিকা হইতে ক্রমাগত আমন্ত্রণ আসিতেছিল। সুতরাং অল্পদিন পরেই তিনি ঐ আমন্ত্রণ গ্রহণপূর্বক আমেরিকা যাত্রা করেন। উদ্দেশ্য ছিল—সেখানে হাডসন নদীর তীরে এক রমণীয় পল্লীনিবাসে অবস্থানপূর্বক অতঃপর তাহার পরবর্তী কর্মক্ষেত্র বিষয়ে ভগবানের ইঙ্গিতের প্রতীক্ষা করিবেন। তাহার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, ঐ ইঙ্গিত আসিবেই। একমাস পরে আমি ঐ ভবনেই অতিথিরূপে বাস করি, এবং ৫ নভেম্বর পর্যন্ত, অর্থাৎ ছয়-সাত সপ্তাহ ধরিয়া প্রত্যহ তাহার দর্শনলাভের সুযোগ পাই। ঐ তারিখে আমরা পরস্পরের নিকট বিদায় গ্রহণ করিবার পর স্বামীজী নিউ ইয়র্ক এবং উহার কাছাকাছি কয়েকটি স্থান দর্শন করেন। ঐ মাসের শেষের দিকে কালিফোর্নিয়া যাইবার পথে তিনি শিকাগো হইয়া যান। আমিও তখন শিকাগোতে ছিলাম। পরবর্তী জুন মাসে (১৯০০ খ্রীঃ) আমি পুনরায় নিউ ইয়র্কে তাহার সাক্ষাৎলাভ করি। সেখানে কয়েক সপ্তাহ এবং পরে প্যারিসেও অনুরূপ সময় তাহার ঘন ঘন সাক্ষাৎ পাইতাম; অবশেষে সেপ্টেম্বর মাসে, ব্রিটানিতে তাহার সহিত আমেরিকাবাসী বন্ধুগণের অতিথিরূপে একই ভবনে একপক্ষ কাল অতিবাহিত করি। কয়েক বৎসর ধরিয়া তাহার নিকট শিক্ষালাভের যে অমূল্য স্মৃতি আমার মনে বর্তমান রহিয়াছে—এখানেই তাহার পরিসমাপ্তি। কারণ, ইহার পর ভারতবর্ষে ১৯০২ খ্রীস্টাব্দের প্রথমার্ধে যখন আমি স্বামীজীর সাক্ষাৎ লাভ করি, সে কেবল তাঁহার শেষ আশীর্বাদ গ্রহণ করিবার এবং শেষ বিদায় লইবার জন্য।

    গুরুর সমীপে অবস্থানকালে শিষ্যের কর্তব্য শান্ত সংযতভাবে গুরুর আদেশ-পালন; কিন্তু গুরু অন্যত্র গমন করিলে তৎক্ষণাৎ শিষ্যের যথাশক্তি উদ্যম ও তৎপরতা দেখানো প্রয়োজন। এই শেষোক্ত আচরণই স্বামীজী তাহার শিষ্যগণের নিকট সর্বদা প্রত্যাশা করিতেন। একবার তিনি বলেন, যখনই কোন তরুণ সন্ন্যাসী কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাস মঠবাসের পর ‘কিছুই শিখিলাম না’ বলিয়া অভিযোগ করিত, তিনি তখনই তাহাকে কিছুদিনের জন্য পূর্বাশ্রমে পাঠাইয়া দিতেন; এবং সেখানে যাইবার পর সে বুঝিতে পারিত, ইতিমধ্যে অজ্ঞাতসারে সে কতটা আয়ত্ত করিয়া ফেলিয়াছে। প্রতিবার তাহার নিকট বিদায় লওয়ার অর্থ ছিল, সেই শিষ্যের হস্তে যুদ্ধপতাকার ভার অর্পিত হইল। একবার এক বালিকা তাহার বাদত্ত স্বামীকে বিদায় দিবার সময় ভাবের আবেগে কাদিয়া ফেলিবার উপক্রম করে, এমন সময়ে স্বামীজী তাহাকে অনুচ্চকণ্ঠে বলিয়া ওঠেন, ‘রাজপুত রমণীর ন্যায় বীরপত্নী হও, তারা হাসিমুখে পতিকে বিদায় দিতেন।’ কথাগুলি যেন মন্ত্রের ন্যায় কাজ করিল। শিকাগো নগরে অল্পক্ষণ সাক্ষাতের পর যখন আমি তাহার নিকট বিদায় গ্রহণ করি, তখন তাহার শেষকথা ছিল, “মনে রেখো, ভারত চিরকালই ঘোষণা করছে, আত্মা প্রকৃতির জন্য নয়, প্রকৃতিই আত্মার জন্য।”

    আরও দেখুন
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা কবিতা
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    অনলাইন বই
    সেবা প্রকাশনী বই
    পিডিএফ
    Library
    বই

    ১৯০০ খ্রীস্টাব্দে সেপ্টেম্বর মাসে আমি ব্রিট্যানিতে তাহার নিকট বিদায় গ্রহণ করি, তখন আমি একাকী ইংলণ্ডে প্রত্যাবর্তনের উদ্যোগ করিতেছিলাম, উদ্দেশ্য, ভারতীয় কার্যের জন্য সহায়তা লাভ ও অর্থসংগ্রহের প্রচেষ্টা। কতদিন আমাকে সেখানে থাকিতে হইবে, তাহার স্থিরতা ছিল না। কোন কার্যপ্রণালীও নির্দিষ্ট ছিল না। সম্ভবতঃ স্বামীজীর মনে এই চিন্তার উদয় হইয়া থাকিবে যে, পুরানো সম্পর্কগুলি বহুসময়ে বিদেশে নূতন সম্পর্কস্থাপনের প্রবল অন্তরায় হয়। বহুলোককে তিনি কথা দিয়া কার্যের সময় পশ্চাৎপদ হইতে দেখিয়াছেন। মনে হইত, অন্য যে কেহ ঐরূপ করিতে পারে, এজন্য তিনি সর্বদা প্রস্তুত থাকিতেন। যেভাবেই হউক, তাঁহার শিষ্যের পক্ষে ঐ সময়টি ছিল সঙ্কটকাল, এবং উহা তিনি অবহিত ছিলেন। ব্রিটানিতে অবস্থানের শেষদিন সন্ধ্যার পর আমার লতাপাদপমণ্ডিত ক্ষুদ্র পাঠাগারের দ্বারপ্রান্তে আমি সহসা স্বামীজীর কণ্ঠস্বর শুনিতে পাইলাম। তখন রাত্রির আহার সমাপ্ত হইয়াছে, চারিদিক অন্ধকারাচ্ছন্ন। স্বামীজী আমাকে উদ্যানে যাইবার জন্য ডাকিতেছেন। আমি বাহিরে আসিলাম, দেখিলাম, তিনি জনৈক বন্ধুর সহিত নির্দিষ্ট কুটিরে যাইবার পথে আমাকে আশীর্বাদ জানাইবার জন্য দাঁড়াইয়া আছেন।

    আমাকে দেখিয়া তিনি বলিলেন, “এক অদ্ভুত রকমের মুসলমান সম্প্রদায় আছে; শোনা যায়, তারা এত গোড়া যে, প্রত্যেক নবজাত শিশুকে ঘরের বাইরে ফেলে রেখে বলে, “যদি আল্লা তোমাকে সৃষ্টি করে থাকেন, তবে তোমার মৃত্যু হোক, আর যদি আলি তোমাকে সৃষ্টি করে থাকেন, তবে বেঁচে থাক। শিশুকে তারা যা বলে থাকে, আজ রাত্রে আমিও তোমাকে তাই বলছি, কিন্তু কথাটাকে উল্টে দিয়ে যাও কর্মক্ষেত্রে ঝাপ দাও। যদি আমি তোমাকে সৃষ্টি করে থাকি, বিনষ্ট হও। আর যদি মহামায়া তোমাকে সৃষ্টি করে থাকেন, সার্থক হও।”

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    বাংলা উপন্যাস
    বইয়ের
    অনলাইন বুক
    উপন্যাস সংগ্রহ
    ই-বই ডাউনলোড
    অনলাইন বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

    তথাপি পরদিন সকালে, সূর্যোদয়ের একটু পরেই তিনি পুনরায় আসিলেন আমাকে বিদায় দিতে। ইউরোপের ভূখণ্ডে তাঁহার সহিত এই আমার শেষ সাক্ষাৎ। আর একবার কৃষকের পণ্যবাহী শকট হইতে এই শেষ দিনটির প্রতি দৃষ্টিপাত করিয়া দেখিতে পাই, স্বামীজী আমাদের ল্যানিয়র কুটিরের বাহিরে রাস্তার উপর দাঁড়াইয়া আছেন এবং উর্ধ্বে হাত তুলিয়া অভিনন্দন জানাইতেছেন। তাঁহার পশ্চাতে প্রভাতের আলোকে সমুজ্জ্বল আকাশ, প্রাচ্যদেশের অধিবাসিগণের নিকট ইহা কেবল অভিনন্দন নহে, আশীর্বাদও।

    ইউরোপ ও আমেরিকায় এই কয়মাস অবস্থানকালে স্বামীজীর জীবনযাপন দেখিয়া বিশেষভাবে এই ধারণা জন্মিয়াছিল যে, পারিপার্শ্বিক অবস্থা সম্পর্কে তিনি সম্পূর্ণ উদাসীন। প্রচলিত জিনিসের মূল্যবোধের প্রতি তাহার বিন্দুমাত্র আগ্রহ ছিল না। কর্মক্ষেত্রে সাফল্যলাভ তাহাকে কদাপি চমকিত অথবা সন্দিহান করিত না। বিস্মিত না হইবার কারণ, যে মহাশক্তি তাঁহার মধ্য দিয়া কার্য করিতেছিল, তাহার মাহাত্ম্য তিনি গভীরভাবে হৃদয়ঙ্গম করিয়াছিলেন। কিন্তু কোন কর্মে ব্যর্থতাও তাহাকে হতাশ করিত না। জয়-পরাজয় উভয়ই আসিবে এবং চলিয়া যাইবে; তিনি উহাদের সাক্ষিস্বরূপ। একবার তিনি বলিয়াছিলেন, “যদি জগৎটাই অদৃশ্য হয়ে যায়, তাতেই বা আমার কি? আমার দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী তা হবে অতি চমৎকার।” পরক্ষণেই সহসা গম্ভীর হইয়া বলিলেন, “কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, বর্তমানে যা কিছু আমার প্রতিকূলে, তা সবই শেষে স্বপক্ষে আসবে। আমি কি মহামায়ার সৈনিক নই!”

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    PDF
    বাংলা ভাষা
    অনলাইন বুক
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বইয়ের
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

    পাশ্চাত্যের বিলাসপূর্ণ জীবনে তিনি নির্ভীকভাবে এবং বিন্দুমাত্র ইতস্ততঃ না করিয়া বিচরণ করিতেন। যেমন তাহাকে ভারতে অবিচলিতভাবে সাধারণ লোকের মতো বস্ত্র ও উত্তরীয়মাত্রে সজ্জিত এবং মেঝের উপর বসিয়া হাত দিয়া আহার করিতে দেখিয়াছি, ঠিক অনুরূপভাবে তিনি কিছুমাত্র সন্দেহ বা সঙ্কোচ না করিয়া আমেরিকা ও ফ্রান্সের জটিল ভোগবহুল জীবনকে গ্রহণ করিয়াছিলেন। তিনি বলিতেন, “সাধু ও রাজা একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। জগতের সকল শ্রেষ্ঠ বস্তুর ভোগ ও ত্যাগ—এই উভয়ের মধ্যে ব্যবধান অতি অল্প। ভারত অতীতে দারিদ্র্যকেই সকল গৌরব প্রদান করেছিল। ভবিষ্যতে সম্পদকেও কিছুটা গৌরব দান করতে হবে।”

    কিন্তু, বিদেশে যাহারা দ্বারে দ্বারে আতিথ্য গ্রহণপূর্বক বিচরণ করেন, তাহাদের অদৃষ্টে দ্রুত পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। এই অবস্থা-বিপর্যয় তিনি গ্রাহ্য করিতেন না। কোন সম্প্রদায়ের গণ্ডি অথবা পারিপার্শ্বিক অবস্থা তাহাকে সহৃদয় ব্যক্তির সহানুভূতি হইতে বঞ্চিত করিতে পারিত না। প্রত্যেক মানুষের মধ্যে যে অন্তর্নিহিত ঈশ্বরীয় সত্তা বিদ্যমান—যাহার সম্পর্কে তিনি প্রায়ই উল্লেখ করিতেন—সেই সত্তার প্রতি তার এরূপ পূর্ণ বিশ্বাস ছিল যে, সাম্রাজ্যবাদী, প্রভুত্বপরায়ণ অভিজাত ব্যক্তি, কিংবা আমেরিকার কোটিপতি ঐশ্বর্যশালী, অথবা যাহারা নিপীড়িত, অত্যাচারিত তাহাদের সকলের সহিত আলাপকালে সর্বক্ষেত্রে সমভাবে তাহার প্রত্যক্ষ আবেদন ছিল মানবের ঐ সত্তার প্রতি। কিন্তু তাহার প্রেম ও সৌজন্য বিশেষ করিয়া প্রবাহিত হইত সাধারণ দীন-দরিদ্রের উপর।

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুক
    বাংলা কুইজ গেম
    ই-বুক রিডার
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ

    |||||||||| আমেরিকায় ভ্রমণকালে যখন দক্ষিণ অঞ্চলের কোন কোন শহরে নিগ্রো মনে করিয়া তাহাকে হোটেলে প্রবেশ করিতে দেওয়া হয় নাই, তখন একথা তিনি কদাপি বলেন নাই যে, তিনি আফ্রিকাবাসী নিগ্রো নহেন। স্থানীয় সম্রান্ত ব্যক্তিগণ যখন এইরূপ আচরণের দ্বারা তাহাকে অপমান করা হইয়াছে বিবেচনা করিয়া দুঃখিত অন্তঃকরণে ক্ষমাপ্রার্থনা করিবার জন্য তাহার নিকট ছুটিয়া আসেন, তখন যেমনভাবে তিনি তাঁহাদের আতিথ্য গ্রহণ করেন, তেমন কৃষ্ণকায় নিগ্রো সমাজের আতিথ্যও অনুরূপভাবে নীরবে ও কৃতজ্ঞতাপূর্ণ হৃদয়ে গ্রহণ করিয়াছিলেন। বহুদিন পরে এক ব্যক্তি বিস্ময়ের সহিত জাতি সম্পর্কে তাহার এই নীরবতার উল্লেখ করিলে তাহাকে এইরূপ স্বগতোক্তি করিতে শোনা গিয়াছিল, “কী! একজনকে ছোট করে বড় হতে হবে! সেজন্য আমি এই পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করিনি।” সন্ন্যাসীর কোন জিনিস চাই বলিয়া জোর করিবার অধিকার নাই; তাহাকে সকল অবস্থাই মানিয়া লইতে হয়। এই সময়ে বহু কৃষ্ণকায় ব্যক্তি তাহার নিকট বিশ্বস্তচিত্তে গোপনে শ্বেতকায় জাতি কর্তৃক তাহাদের অধিকার বঞ্চনার যে করুণ কাহিনী নিবেদন করিত, পরবর্তী কালে স্বামীজী প্রায়ই তাহার উল্লেখ করিতেন। একবার কোন কারণে স্বামীজী স্টেশনে অপেক্ষা করিতেছিলেন, এমন সময়ে রেলের এক নিগ্রো ভৃত্য তাহার নিকট আসিয়া বলে যে, সে শুনিয়াছে, তাহার স্বজাতির মধ্যে একজন বিশেষ খ্যাতি অর্জন করিয়াছে এবং সে ব্যক্তি তিনি, সুতরাং সে তাহার সহিত করমর্দন করিতে চাহে। ঐ ঘটনার ন্যায় আনন্দ তিনি অল্প ঘটনাতেই পাইয়াছিলেন। তাহার সামনে কোন শ্বেতকায় ব্যক্তি সামাজিক পদমর্যাদা হেতু ইতরজননাচিত উল্লাস প্রদর্শন করিলে তিরস্কৃত হইত না, ইহা কখনও সম্ভব ছিল না। এ বিষয়ে এতটুকু আভাস পাইবামাত্র তিনি কি কঠোরভাব ধারণ করিতেন! কী তীব্র ছিল তাহার তিরস্কার! সর্বোপরি, এই জাতির সন্তানগণই হয়তো ভবিষ্যতে কখনও অপর সকলকে অতিক্রম করিয়া সমগ্র মানবজাতির নেতৃত্ব গ্রহণ করিবে, এই সম্পর্কে তাহার অঙ্কিত চিত্র কতই না উজ্জ্বল ছিল! অধিকারপ্রাপ্ত জাতিসমূহ কর্তৃক নিজেদের উৎপত্তির অসত্য বিবরণের প্রতি তাহার প্রতিবাদ ছিল ঘৃণাপূর্ণ। বলিতেন, “যদি আমি আমার শ্বেতকায় আর্য পূর্বপুরুষদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকি, তবে আমার পীতকায় মোঙ্গল পূর্বপুরুষদের কাছে অনেক বেশি কৃতজ্ঞ, আর সবচেয়ে বেশি কৃতজ্ঞ কৃষ্ণকায় নিগ্রোজাতির কাছে।”

    আরও দেখুন
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বইয়ের
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    অনলাইন বুক

    নিজের শারীরিক গঠনের মধ্যে, তাঁহার মোঙ্গলীয়সদৃশ চোয়ালের জন্য তিনি বিশেষ গর্ববোধ করিতেন। উহাকে তিনি বুলডগের লক্ষণ অর্থাৎ কিছুতেই লক্ষ্যভ্রষ্ট না হওয়ার চিহ্ন বলিয়া গণ্য করিতেন। তিনি বিশ্বাস করিতেন, মোঙ্গলদের এই বিশেষ গুণটি আর্য জাতির সকল শাখা-প্রশাখার মধ্যে অনুস্যত হইয়া আছে, এবং সেজন্য একদিন উহার উল্লেখপূর্বক বলিয়া ওঠেন, “দেখছ না ? তাতার জাতিই আর্যজাতির মদিরাস্বরূপ। তাতার জাতিই সকলের রক্তে শক্তি ও বল সঞ্চার করেছে।”

    পারিপার্শ্বিক অবস্থার প্রতি তাহার উদাসীনতার গৃঢ় কারণ অনুসন্ধান করিতে হইলে স্মরণ রাখিতে হইবে যে, সর্বদাই তাঁহার প্রচেষ্টা ছিল চিন্তার সহায়ক আদর্শ স্থান খুঁজিয়া বাহির করা। প্রত্যেকটি পরিবার, গৃহস্থালীর প্রত্যেকটি মুখ্য উপকরণ তাঁহার নিকট সেই পরিমাণে সমাদর লাভ করিত, যে পরিমাণে তাহারা উচ্চতম চিন্তাশীল জীবনগঠনের পক্ষে আবশ্যক চিত্ত ও ভাবের স্থৈর্য প্রদান করিতে পারিত। ১৯০০ খ্রীস্টাব্দের মাইকেলমাস(১) দিবসে কয়েকজন ব্যক্তি স্বামীজীর সহিত সঁ্যা মিশেল পর্বত (Mont Saint Michel) দর্শনে গমন করেন। ঘটনাক্রমে তাহাদের মধ্যে একজন স্বামীজীর পাশেই দাড়াইয়া ছিলেন। স্বামীজী তখন মধ্যযুগে কয়েদীদের জন্য নির্দিষ্ট অন্ধকার খাচার মতাে ঘরগুলি দেখিতেছিলেন। সহসা ঐ ব্যক্তি চমকিত হইয়া শুনিলেন, স্বামীজী অনুচ্চস্বরে বলিতেছেন, “আহা, কি চমৎকার ধ্যানের জায়গা !” যাহারা তাহাকে ১৮৯৩ খ্রীস্টাব্দে আতিথ্যদানে আপ্যায়িত করেন, তাহাদের মধ্যে কেহ কেহ এখনও বর্তমান। তাহারা বর্ণনা করেন, পাশ্চাত্যদেশে প্রথম পদার্পণের পর সর্বদা গভীর চিন্তায় মগ্ন হইয়া যাওয়ার অভ্যাস দূর করিবার জন্য স্বামীজীকে কিরূপ বেগ পাইতে হইত। ট্রামে উঠিয়া তিনি এমন গভীরভাবে চিন্তায় তন্ময় হইয়া যাইতেন যে, গন্তব্যস্থলে কখন পৌঁছিয়াছেন সে বিষয়ে হুঁশ থাকিত না; ফলে কোন এক জায়গায় যাইবার জন্য হয়তো তাঁহাকে দুই-তিনবার সমস্ত পথের ভাড়া দিতে হইত। যেমন বৎসরের পর বৎসর অতিবাহিত হইতে লাগিল এবং এই বন্ধুগণ মধ্যে মধ্যে তাহার সহিত সাক্ষাৎ করিতে লাগিলেন, তাহারা দেখিতে পাইলেন, ক্রমশঃ বাহিরের তৎপরতা ও লৌকিক ব্যবহার সম্পর্কে তাঁহার দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হইতেছে। কিন্তু স্বভাবের এই পরিবর্তন ছিল নিতান্তই বাহ্য। ভিতরে পূর্বের ন্যায় সেই জ্বলন্ত ইচ্ছাশক্তি বিরাজ করিত, এবং মন সর্বদা ভাবমুখে অবস্থান করিত! তাঁহার নিজের অলঙ্কারপূর্ণ ভাষায় বলা যায়, নে হইত, যেন কোন প্রতিকূল শক্তির দ্বারা তিনি বলের মতো একস্থান হইতে অপর স্থানে নিক্ষিপ্ত হইতেছেন এবং ঐরূপে ধীরে ধীরে শান্ত হইয়া যাইতেছেন’। একবার আবেগের সহিত তিনি বলিয়া ওঠেন, “আমি জানি, সারা পৃথিবী আমি ঘুরে বেড়িয়েছি, কিন্তু ভারতে আমি কেবল ধ্যান করবার জন্য গুহাই খুঁজে বেড়িয়েছি, আর কিছু নয়!”

    আরও দেখুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা বই
    বাংলা ভাষা
    অনলাইন বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    Library
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

    আবার এ-সব সত্ত্বেও সর্বদাই তিনি ছিলেন তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষক। ছাত্রের আগ্রহ লইয়া তিনি যাদুঘর, বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় ইতিহাস প্রভৃতির খোঁজ লইতেন। তবে কোন স্থানেরই রীতি-নীতি, আচার ব্যবহার প্রভৃতি তাঁহাকে কদাপি প্রভাবিত করিতে পারিত না। প্রাচ্য ও প্রতীচ্যের মধ্যে যে বিপুল পার্থক্য, তাহা অনুভব করিয়া তাহাদের আবেদনে যথোচিত সাড়া দিবার মানসিক শক্তি তাঁহার ছিল! প্রত্যেক বস্তু যে ভাবরাশি অভিব্যক্ত করিতে প্রয়াস পায়, সেই ভাবের মাধ্যমেই তিনি সব কিছু বুঝিবার চেষ্টা করিতেন। ইংলণ্ড-যাত্রাকালে একদিন তিনি গভীর নিদ্রার পর জাহাজের ডেকে আসিয়া আমাকে বলেন যে, স্বপ্নে তিনি প্রাচ্য ও প্রতীচ্য দেশের বিবাহসম্পর্কিত কতকগুলি আদর্শের বিচার করিতেছিলেন, এবং অবশেষে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হইয়াছেন যে, উভয়ের মধ্যেই কিছু কিছু জিনিস আছে যাহা জগতের কল্যাণের পক্ষে অপরিহার্য। শেষবার আমেরিকা হইতে প্রত্যাগমনের পর তিনি আমাকে বলেন, “পাশ্চাত্য সভ্যতার প্রথম পরিচয়ে আমি তার প্রতি বিশেষ আকর্ষণ বোধ করেছিলাম; কিন্তু এখন প্রধানতঃ তারঅর্থলিপ্সা ও ক্ষমতাই দেখতে পাচ্ছি। অপর সকলের মতো আমিও.চিন্তা না করে ধরে নিয়েছিলাম যে, যন্ত্রপাতির দ্বারা কৃষিকার্যের বিশেষ উন্নতি হবে; কিন্তু এখন দেখছি যে, যন্ত্রের দ্বারা আমেরিকার কৃষকের সুবিধা হতে পারে, কারণ তাকে বহু বর্গমাইল চাষ করতে হয়, কিন্তু ভারতীয় চাষীদের ছোট ছোট জমির পক্ষে এতে লাভের চেয়ে ক্ষতি হবার সম্ভাবনাই বেশি। ভারত ও আমেরিকার সমস্যা সম্পূর্ণ পৃথক, অন্ততঃ এ বিষয়ে আমার অণুমাত্র সন্দেহ নেই।” ধনের সমবণ্টন সমস্যা সম্বন্ধেও—যাহা দুর্বল বা দরিদ্ৰশ্রেণীর সমূল উচ্ছেদসাধন চাহে, এমন সব তর্কের প্রতি তিনি সন্দিগ্ধচিত্তে কর্ণপাত করিতেন। অপরাপর বিষয়ের ন্যায় এই বিষয়েও যেন অজ্ঞাতসারেই তিনি ছিলেন প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতার প্রতিমূর্তিস্বরূপ। কোন জাতির মধ্যে দলবদ্ধ হইবার প্রবল অভ্যাস দেখিলে তিনি উহার প্রশংসা করিতে জানিতেন, কিন্তু হিংস্রপ্রকৃতির বৃকযুথের দলবদ্ধ হওয়ার মধ্যে সৌন্দর্য কোথায়?

    আরও দেখুন
    ই-বুক রিডার
    বাংলা উপন্যাস
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

    বিদেশে ভারতের অভাব অথবা সমস্যা সম্পর্কে আলোচনায় তাহার ঘোর আপত্তি ছিল, এবং তাহার উপস্থিতিতে ঐ প্রকার আলোচনায় তিনি নিজেকে অপমানিত বোধ করিতেন। পক্ষান্তরে, সমগ্র জগৎ বিপক্ষে থাকিলেও কোন স্বদেশবাসীকে সাহায্য করিতে তিনি কখনও পশ্চাৎপদ হইতেন না। যদি কোন ভারতীয় কোন বিষয়ে অনুসন্ধান দ্বারা এমন এক সিদ্ধান্তে উপনীত হইয়া থাকেন, যাহা ইউরোপীয়দের সিদ্ধান্তের বিপরীত, তাহা হইলে ঐ বিষয়ে তাহাদের শত যুক্তি তর্কও তাহার নিকট আসিয়া যাইত। বালকের সরলতার সহিত তিনি স্পষ্ট উত্তর দিতেন, “আশা করি, আপনি আরও সূক্ষ্মতর যন্ত্রপাতি আবিষ্কার করবেন, আপনার মাপজোখ আরও নিখুঁত হবে, যাতে আপনার প্রতিপাদ্য বিষয়টি প্রমাণিত হতে পারে।”

    এইরূপে, যদিও অপর সকলে তাহাকে লইয়া গর্ব অনুভব করিতেন যে, তিনি সমগ্র বিশ্বেরই অধিবাসী ও তত্ত্বজিজ্ঞাসু ছাত্র, তিনি স্বয়ং কিন্তু ভারতে জন্মগ্রহণ করিয়াছেন বলিয়াই সর্বদা গৌরব বোধ করিতেন। আর রাজোচিত পারিপার্শ্বিক আবেষ্টনী ও নানা সুযোগ-সুবিধার মধ্যে অবস্থান করিলেও তিনি যে সন্ন্যাসী, ইহাই লোকের নিকট দিন দিন স্পষ্টতর ভাবে প্রকাশ পাইত।

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা গল্প
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    Library
    PDF
    বই পড়ুন
    বইয়ের
    পিডিএফ
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ

    ———-
    (১) ২৯ সেপ্টেম্বর।—অনুঃ

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসারদামঙ্গল – বিহারীলাল চক্রবর্তী
    Next Article বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }