Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্বামীজীকে যেরূপ দেখিয়াছি – ভগিনী নিবেদিতা

    ভগিনী নিবেদিতা এক পাতা গল্প379 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২২. সন্ন্যাস ও গার্হস্থ্য

    দ্বাবিংশ পরিচ্ছেদ
    সন্ন্যাস ও গার্হস্থ্য

    স্বামীজীর দৃষ্টিতে তাহার সন্ন্যাসের ব্ৰতগুলি ছিল অতিশয় মূল্যবান। যে-কোন অকপট সন্ন্যাসীর ন্যায় তাহার নিজের পক্ষে বিবাহ অথবা তৎসংশ্লিষ্ট কোন ব্যাপার মহাপাপ বলিয়া গণ্য হইত। ঐ-বিষয়ক প্রবৃত্তির স্মৃতি পর্যন্ত মনে স্থান পাইবে না, ইহাই ছিল তাঁহার আদর্শ এবং কায়মনোবাক্যে নিজেকে এবং নিজের শিষ্যগণকে উহার লেশমাত্র সম্ভাবনা হইতেও তিনি দূরে রাখিবার চেষ্টা করিতেন। অবিবাহিত থাকাটাই তাহার নিকট এক আধ্যাত্মিক সম্পদ বলিয়া পরিগণিত হইত। এইসকল পর্যালোচনা করিলে বুঝা যায়, তিনি যে শুধু সন্ন্যাস-জীবনে চরম উৎকর্ষলাভের জন্যই সর্বদা উৎসুক থাকিতেন তা নয়, ব্রতভঙ্গের আশঙ্কাতেও সর্বদা ভীত থাকিতেন। এই ভয় তাহার নিজের আদর্শ-উপলব্ধির পক্ষে যতই সহায়ক ও আবশ্যক বলিয়া বোধ হউক, নিঃসন্দেহে উহা বহু বৎসর ধরিয়া এই অতি প্রয়োজনীয় বিষয়ে একটা চরম সিদ্ধান্তে উপনীত হইতে দেয় নাই।

    কিন্তু একথা যেন সকলে উপলব্ধি করেন যে, তিনি স্ত্রীলোক হইতে ভয় পাইতেন না, তাহার ভয় ছিল প্রলোভনকে। পৃথিবীর সর্বত্র তাহাকে মেয়েদের সহিত যথেষ্ট মিশিতে হইয়াছিল। তাহারা ছিলেন তাহার শিষ্য, কার্যের সহায়ক, এমনকি, বন্ধু এবং খেলার সাথীও। তাহার পরিব্রাজক-জীবনের এই সকল বন্ধুর সহিত ব্যবহারে তিনি প্রায় সর্বদাই ভারতের পত্নীগ্রামের প্রথা অবলম্বন করিতেন, এবং তাহাদের সহিত কোন একটা পারিবারিক সম্পর্ক পাতাইয়া লইতেন। কোন স্থানের মেয়েরা তাহার ভগিনী হইল, কোথাও বা মাতা, কোথাও কন্যা, এইরূপ সর্বত্র। ইহাদের মহত্ত্ব এবং মিথ্যা বা তুচ্ছ ভাবরাহিত্য সম্বন্ধে তিনি কখন কখনও গর্ব প্রকাশ করিতেন; কারণ, তাঁহার নিজের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ও মার্জিত ব্যক্তিগণের যে বৈশিষ্ট্য তাহা অত্যন্ত অধিক পরিমাণে ছিল, সেজন্য নারীগণের মধ্যে তিনি ক্ষুদ্রতা ও দুর্বলতার পরিবর্তে মহত্ত্ব ও চারিত্রিক শক্তিরই অন্বেষণ করিতেন। আমেরিকায় তিনি মেয়েদের নৌকা চালানো, সন্তরণ ও নানাপ্রকার ক্রীড়া দেখিয়া বিশেষ আনন্দলাভ করেন। তাহার নিজের ভাষায় “এইসব মেয়েদের একবারও মনে হয় না যে, তারা ছেলে নয়।” ঐরূপে তাহারা যে পবিত্রতার আদর্শের মূর্ত বিগ্রহ বলিয়া তাহার বোধ হইয়াছিল, সেই আদর্শ তিনি পূজা করিতেন।

    সন্ন্যাসীদের শিক্ষা সম্বন্ধে তিনি সর্বদা বিশেষ জোর দিয়া বলিতেন যে, সন্ন্যাসী নিজেকে পুরুষ বা নারী কিছুই ভাবিবেন না, কারণ তিনি ঐ উভয়ের পারে গিয়াছেন। যাহা কিছু—এমনকি শিষ্টাচারও–লিঙ্গভেদের কথা মনে পড়াইয়া দেয়, তাহাই তাঁহার নিকট ঘৃণার্থ বলিয়া মনে হইত। পাশ্চাত্যে যাহা ‘শিভালরি’ (অর্থাৎ নারীর প্রতি অতি মাত্রায় সৌজন্য প্রকাশ) বলিয়া অভিহিত, তাহার নিকট উহা নারীজাতির প্রতি অপমানসূচক বলিয়া বোধ হইত। মেয়েদের সাধারণ জ্ঞান যথেষ্ট, এবং পুরুষদের জ্ঞানে যেন সহানুভূতির আধিক্য না থাকে—কোন কোন লেখকের এই মত স্বামীজীর নিকট অতি নীচ এবং উপেক্ষার বিষয় বলিয়া গণ্য হইত। মানবের অন্তরাত্মা চায় স্বাধীনতা; আমাদের দৈহিক গঠন তাহার উপরে জোর করিয়া যে-সব বন্ধন আনিয়া দিয়াছে, স্ত্রী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলেরই উহা অতিক্রম করিতে সচেষ্ট হওয়া উচিত।

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বিনামূল্যে বই
    বই পড়ুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    সাহিত্য পত্রিকা
    বইয়ের
    বাংলা বই
    বাংলা কবিতা

    নির্জনবাস, সংযম এবং চিত্তের গভীর একাগ্রতা—এই সকলের সংযোগে গঠিত ছাত্রজীবনের আদর্শই ভারতবর্ষে ‘ব্রহ্মচর্য নামে অভিহিত। স্বামীজী বলিতেন, “ব্রহ্মচর্য শিরায় শিরায় জ্বলন্ত আগুনের মতো প্রবাহিত থাকা চাই।” ছাত্রজীবনের আনুষঙ্গিক পাঠ্যবিষয়ে মনঃসংযোগ তাহার নিকট অনন্তের মধ্যে সান্তকে বিলীন করিয়া দিবার অন্যতম পন্থামাত্র; এবং এই অনন্তের মধ্যে সান্তের বিলোপসাধন তাহার নিকট সকল মহৎ জীবনের অপরিহার্য অঙ্গ বলিয়া বোধ হইত, যাহার জন্য যে রোবল্পীয়র গোড়ামি দ্বারা বিভীষিকার রাজত্ব সৃষ্টি করিয়াছিলেন, তাঁহাকে পর্যন্ত তিনি প্রশংসা করিতে প্রলুব্ধ হইয়াছিলেন। তিনি সর্বান্তঃকরণে বিশ্বাস করিতেন, যে-কোন কার্য—যাহাতে হৃদয়, মন ও শরীরের সর্বোত্তম বিকাশসাধনের প্রয়োজন, তাহার প্রস্তুতির জন্য সরস্বতীপূজা একান্ত আবশ্যক; অবশ্য সরস্বতীপূজা বলিতে তিনি বুঝিতেন ভাবরাজ্যে গভীর তন্ময়তা এবং পূর্ণ সংযম।

    কুস্তিগিরদের উপযুক্ত শিক্ষার অন্যতম অঙ্গ হিসাবে এরূপ পূজা ভারতবর্ষে যুগযুগান্তর হইতে সমাদর লাভ করিয়া আসিয়াছে; ইহার তাৎপর্য এই যে, যদি কেহ মধ্যে মধ্যে সেই অতিচেতনার অন্তর্দৃষ্টির উচ্চতম শিখরে আরোহণ করিতে চান, যাহা অপরের নিকট দিব্যজ্ঞান, ঐশীপ্রেরণা অথবা অনন্যসাধারণ দক্ষতা বলিয়া প্রতীত হয়, তাহা হইলে তাহাকে সমগ্র শক্তি নিয়োজিত করিতে হইবে। ধর্মের ন্যায় সুকুমার শিল্প ও বিজ্ঞানের শ্রেষ্ঠ কীর্তির জন্যও ঐরূপ দিব্যজ্ঞান বিশেষ প্রয়োজন। যে ব্যক্তি ঐরূপ দিব্যজ্ঞানলাভের পরিবর্তে স্বার্থপর অথবা হীন উপায়ে নিজের শক্তিক্ষয় করিতেছে, সে কদাপি রাফেলের ন্যায় অপূর্ব মাতৃমূর্তি অঙ্কনে অথবা মাধ্যাকর্ষণ-নিয়ম আবিষ্কারে সমর্থ হয় না। আধ্যাত্মিক আদর্শের ন্যায় নাগরিক বা রাষ্ট্রীয় আদর্শসিদ্ধির জন্যও একান্ত প্রয়োজন সন্ন্যাসিসুলভ নিষ্ঠাভক্তি। কৌমারব্রত গ্রহণের অর্থই দশের কল্যাণের জন্য ব্যক্তিসুখ বিসর্জন দেওযা। এইরূপে স্বামীজী উপলব্ধি করেন যে, সংযম ব্যতীত প্রকৃত মনুষ্যত্বের বিকাশ হইতে পারে না; হৃদয়ঙ্গম করেন, যে পথ দিয়া হউক, প্রকৃত মহত্ত্ব অর্জনের জন্য প্রয়োজন দেহের প্রবৃত্তির উপর আত্মার জয়লাভ এবং পরিশেষে ইহাও তিনি বুঝিয়াছিলেন যে, একজন শ্রেষ্ঠ সাধুর মধ্যে মহৎ কর্মী অথবা রাজ্যের শ্রেষ্ঠ নাগরিক হইবার সামর্থ্যও প্রচ্ছন্নভাবে নিহিত থাকে। ইহার বিপরীত পক্ষ—অর্থাৎ যেখানে ব্রহ্মচারিণী বা সন্ন্যাসিনীগণের উদ্ভব হওয়া সম্ভব সেখানেই কেবল যথার্থ উন্নতচরিত্রা পত্নী অথবা শ্রেষ্ঠ নাগরিক জন্মিতে পারে, এ বিষয়ে তাঁহার ঐরূপ স্পষ্ট ধারণা ছিল কিনা বলিতে পারি না। আমার মনে হয়, সম্ভবতঃ তিনি নিজে সন্ন্যাসী এবং সন্ন্যাসপ্রার্থীদের গুরু ছিলেন বলিয়া, কিঞ্চিৎ আভাস ব্যতীত এই মহাসত্যটি তাহার নিকট প্রচ্ছন্ন রহিয়া গিয়াছিল; অবশেষে মহাপ্রয়াণের পূর্বে তিনি ঐ বিষয়ে চরম সিদ্ধান্তে উপনীত হইতে পারেন। একবার তিনি বলেন, “একথা সত্য যে, এমন সব নারী আছেন, যাদের উপস্থিতিই মানুষকে ঈশ্বরের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়; আবার এমন নারীও আছে, যারা তাকে নরকের দিকে ঠেলে দেয়।”

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য
    উপন্যাস সংগ্রহ
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বইয়ের
    অনলাইন বই
    ই-বুক রিডার

    তাঁহার নিকট অবস্থানকালে, যে-ভালবাসা প্রেমাস্পদের দ্বারা কোন উদ্দেশ্য সিদ্ধ করিয়া লইতে চায়, তাহাকে সর্বতোভাবে আপনার বশীভূত করিয়া রাখিতে চায়, অথবা নিজের সুখ বা কল্যাণসাধনের উপায় করিয়া তোলে, সে-ভালবাসাকে শ্রদ্ধার চক্ষে দেখা কাহারও পক্ষে অসম্ভব ছিল। তাহার পরিবর্তে প্রেমপদবাচ্য হইবার জন্য প্রেমকে চিরন্তন কল্যাণের প্রস্রবণস্বরূপ হইতে হইবে। প্রেম নিজেকে বিনামূল্যে বিলাইয়া দেয়; প্রেম অহেতুক, এবং প্রতিদানের আকাঙক্ষারহিত। তিনি যে সর্বদা  ‘অনাসক্তভাবে ভালবাসার কথা বলিতেন ইহাই তাহার অর্থ। বস্তুতঃ একবার কোন ভ্রমণান্তে প্রত্যাবর্তন করিয়া তিনি আমাদের বলেন, এইবার তিনি বুঝিতে পারিয়াছেন যে, কোন বিষয় হইতে মন উঠাইয়া লইবার শক্তির ন্যায় কোন বিষয়ে মন লাগাইবার শক্তিও অনুরূপভাবে প্রয়োজনীয়। উভয়ই তৎক্ষণাৎ পূর্ণমাত্রায় এবং সর্বান্তঃকরণে নিষ্পন্ন হওয়া চাই; এবং এই উভয়ের একটি আর একটির পরিপূরক। ইংলণ্ডে তিনি বলেন, “প্রেম সব সময়ে আনন্দেরই বিকাশমাত্র; তার উপর লেশমাত্র দুঃখের ছায়া পড়ার অর্থ দেহসুখ কামনা ও স্বার্থপরতা।”

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুক
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    অনলাইন বই
    বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    নতুন উপন্যাস
    ই-বুক রিডার

    যে অল্পপ্রাণ সাহিত্য ও আদর্শবিচ্যুত ললিতকলা মানবকে মুখ্যতঃ শরীর বলিয়া মনে করিয়া নিজ অধিকারে রাখিতে চায়, এবং সংযম ও স্বাধীনতার নিত্য লীলাভূমি মন ও আত্মাকে গৌণস্থান প্রদান করে তাহাদের স্বামীজী ভুলিয়াও প্রশংসা করিতেন না। সবটা না হইলেও আমাদের পাশ্চাত্য বিজ্ঞানের আদর্শবাদের (Idealism) অনেকটাই তাহার নিকট এই ভাব দ্বারা গভীরভাবে কলুষিত বলিয়া বোধ হইত, এবং উহার সম্পর্কে তিনি সর্বদা “ফুল দিয়ে মৃতদেহ ঢেকে রাখা” বলিয়া উল্লেখ করিতেন। প্রাচ্য ভাবানুযায়ী তিনি মনে করিতেন, আদর্শ পত্নীত্ব বলিতে বোঝায় এক স্বামীর প্রতি অবিচল জ্বলন্ত নিষ্ঠা। পাশ্চাত্যের প্রথাগুলিকে তিনি সম্ভবতঃ বহুপতিক পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত করিয়া থাকিবেন, নতুবা বহুপতিক জাতির ভিতরও তাহার স্বদেশের ন্যায় মহানুভবা এবং পবিত্রস্বভাবা বহু নারী দেখিয়াছেন, তাহার এই উক্তির কোন কারণ খুঁজিয়া পাওয়া যায় না। তিনি মালাবারে ভ্রমণ করিয়াছেন, কিন্তু তিব্বতে নহে; এবং অনুসন্ধান দ্বারা জানিতে পারা যায় যে, মালাবারে তথাকথিত বহুপতিক প্রথা প্রকৃতপক্ষে মাতৃশাসিত সমাজের বিবাহমাত্র। স্বামী পত্নীর পিত্রালয়ে গিয়া তাহার সহিত দেখা সাক্ষাৎ করেন, এবং ভারতের অন্যান্য স্থানের ন্যায় বিবাহ আজীবন স্থায়ী হইবেই, তাহার কোন নিশ্চয়তা নাই; কিন্তু দুইজন পুরুষ এককালে স্বামী-রূপে গৃহীত হয় না। যাহা হউক, তিনি বলেন যে, তাহার এই শিক্ষা হইয়াছে যে, দেশাচার কিছুই নহে’—আচার ব্যবহার কখনও মানবের বিকাশসাধনে সম্পূর্ণরূপে বাধা দিতে বা সঙ্কুচিত করিতে পারে না। তিনি জানিতেন, যে-কোন দেশে, যে-কোন জাতির মধ্যে আদর্শটি বিশেষ বিশেষ ব্যক্তির মধ্য দিয়াই পূর্ণভাবে প্রকাশ পাইতে পারে।

    আরও দেখুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    পিডিএফ
    অনলাইন বই
    বইয়ের
    PDF
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ই-বুক রিডার

    কোন সামাজিক আদর্শকে তিনি কখনও আক্রমণ করিতেন না। ১৮৯৯ খ্রীস্টাব্দে ইংলণ্ড প্রত্যাগমনকালে, সেখানে নামিবার দুই-একদিন পূর্বে তিনি আমাকে বলেন, পাশ্চাত্যদেশে অবস্থানকালে আমি যেন এমনভাবে ইউরোপের সামাজিক আদর্শগুলি পুনরায় গ্রহণ করি—যেন উহাদের কখনই পরিত্যাগ করি নাই। ইউরোপ বা আমেরিকায়, বিবাহিত নারীগণ তাহার নিকট অবিবাহিতা নারী অপেক্ষা কম সম্মান লাভ করিতেন না। ঐ সমুদ্রযাত্রাকালে জাহাজে কয়জন পাদরী কয়েকগাছা বিবাহকালীন রূপার বালা সকলকে দেখাইতেছিল; ঐগুলি দুর্ভিক্ষের দারুণ সঙ্কটকালে তামিল রমণীগণের নিকট তাহারা ক্রয় করে। কথাপ্রসঙ্গে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সকল দেশের স্ত্রীলোকেই কুসংস্কারবশতঃ অঙ্গুলি বা মণিবন্ধ হইতে বিবাহ-অঙ্গুরীয় বা বলয় খুলিয়া দিতে আপত্তি করিয়া থাকে, এই কথা উঠিল। শুনিয়াই স্বামীজী সবিস্ময়ে বেদনাপূর্ণ অনুচ্চকণ্ঠে বলিয়া উঠিলেন, “তোমরা একে কুসংস্কার বলছ? এর পেছনে যে উঁচুদরের সতীত্বের আদর্শ রয়েছে, তা তোমরা দেখতে পাচ্ছ না?” (১)

    কিন্তু বিবাহ দ্বারা আদর্শ আধ্যাত্মিক স্বাধীনতালাভের যতটা সহায়তা হয় তাহা দেখিয়াই তিনি উক্ত প্রথার গুণাগুণ বিচার করিতেন। এখানে স্বাধীনতা’ শব্দটি প্রাচ্যদেশীয় অর্থে বুঝিতে হইবে, অর্থাৎ স্বাধীনতা বলিতে কোন কিছু করিবার অধিকার বুঝায় না, পরন্তু কোন কিছু করিবার ইচ্ছাকে দমন করিয়া নিশ্চেষ্ট থাকিবার অধিকার বুঝায়—উহার লক্ষ্য হইল নৈষ্কর্ম সকল কর্মের পারের অবস্থা। একদিন তর্কস্থলে তিনি স্বীকার করেন, “বিবাহের পারে যাবার জন্যই বিবাহ করা, এর বিরুদ্ধে আমার কিছুই বলবার নাই।” তাঁহার গুরুদেবের, তাঁহার গুরুভ্রাতা যোগানন্দের এবং তাহার শিষ্য স্বরূপানন্দের যে প্রকার বিবাহ হয়, তাহার বিবেচনায় উহাই আদর্শ বিবাহ। এইরূপ বিবাহ অন্যদেশে নামমাত্র বিবাহ বলিয়া পরিগণিত হইত। ঐ বিষয় আলোচনাপ্রসঙ্গে তিনি একবার বলেন, “দেখছ, এ বিষয়ে ভারত ও পাশ্চাত্যের দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে একটা পার্থক্য রয়েছে। পাশ্চাত্যের বিবাহ বলতে বোঝায়, আইনবন্ধনের বাইরে যাকিছু, কিন্তু ভারতবর্ষে বিবাহ বলতে বোঝায় যে, সমাজ দুটি প্রাণীকে অনন্তকালের জন্য একটা বন্ধনে আবদ্ধ করে দিল। এই দুটি প্রাণীকে তাদের ইচ্ছা থাকুক, বা না থাকুক, জন্মে জন্মে পরস্পরকে বিবাহ করতেই হবে। এই উভয়ের প্রত্যেকেই অপরের কৃত ভালমন্দের অর্ধেকের ভাগী হয়। আর যদি একজন এ জীবনে অত্যন্ত পিছিয়ে পড়ে বলে বোধ হয়, তাহলে অপরকে অপেক্ষা করতে হবে, যতদিন না সে আবার তার নাগাল পায়।”

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বইয়ের
    বাংলা গল্প
    বুক শেল্ফ
    Library
    বিনামূল্যে বই
    ই-বুক রিডার
    বাংলা লাইব্রেরী
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

    শুনা যায়, শ্রীরামকৃষ্ণ বিবাহকে মাত্র কয়েকজনের সেবা এবং সন্ন্যাসকে জগতের সেবা বলিয়া উল্লেখ করিতেন। এরূপস্থলে মনে হয়, তিনি সর্বোচ্চস্তরের বিবাহের কথাই বলিতেন। স্বামীজীর নিজের মনেও যে ইহাই ব্রহ্মচর্যের মূল ধারণা ছিল, একথা স্পষ্ট বুঝা যায়। যেন সর্বশ্রেষ্ঠ যশলাভের জন্য যুদ্ধার্থে আহ্বান করিতেছেন, এইভাবে তিনি লোকদের ঐ ব্ৰতগ্রহণে আহ্বান করিতেন। সন্ন্যাসিসঘকে তিনি যেন আচার্যের পশ্চাতে অবস্থিত একদল সৈন্য’ বলিয়া জ্ঞান করিতেন, এবং তাহার মতে যে আচার্যের শিষ্যগণ সকলেই নাগরিক ও গৃহস্থ, তাহার কোন সৈন্যই নাই। যাহার এই সহায় বর্তমান এবং যাহার এই সহায়ের অভাব এই উভয়পক্ষের শক্তি সম্বন্ধে কোন তুলনাই করা চলে না, ইহাই ছিল তাহার ধারণা।

    তথাপি কাহারও পক্ষে বিবাহ যে একটি পথ, ইহা তিনি একেবারে বুঝিতেন না, তাহা নহে। এক বৃদ্ধদম্পতির যে গল্প তিনি বলিয়াছেন, তাহা আমি কখনও ভুলিব না। পঞ্চাশ বৎসর একত্র বাসের পর তাহারা দরিদ্র-নিবাসের (Work house) দরজায় পরস্পরের নিকট হইতে বিচ্ছিন্ন হয়। প্রথম দিনের অবসানে বৃদ্ধ বলিয়া উঠিল, “কি! মেরী, ঘুমোত যাবার আগে আমি তাকে একবার দেখতে পাব না, চুমু খেতে পাব না? আমি যে পঞ্চাশ বছর ধরে প্রতি রাত্রে ঐরকম করে এসেছি।” ঐ মহৎ কার্যের কথা ভাবিয়া আগ্রহের সহিত স্বামীজী বলিলেন, “একবার ভেবে দেখ! এরূপ সংযম ও নিষ্ঠার নামই মুক্তি! ঐ দু-জনের পক্ষে বিবাহই ছিল প্রশস্ত পথ।”

    তিনি অবিচলিত দৃঢ়তার সহিত বলিতেন, ইচ্ছা না থাকিলে বিবাহ না করার স্বাধীনতা প্রত্যেক নারীর স্বাভাবিক অধিকার বলিয়া গণ্য হওয়া উচিত। এক বালিকার দ্বাদশবর্ষ বয়সের পূর্বেই ধর্মজীবনের প্রতি প্রবল অনুরাগ পরিলক্ষিত হয়। বাড়ির লোকদের বিবাহ-প্রস্তাবের হাত হইতে রক্ষা পাইবার জন্য বালিকাটি তাহার সাহায্য প্রার্থনা করে। তিনিও বালিকার পিতার উপর নিজের প্রভাব থাকায় এবং ঐরূপ করিলে কনিষ্ঠ কন্যাদের জন্য অধিক যৌতুকের ব্যবস্থা করিতে পারিবেন একথা বুঝাইয়া বালিকাকে সাহায্য করিতে সমর্থ হন। বহু বত্সর অতীত হইয়াছে, কিন্তু বালিকা যে জীবন গ্রহণ করিয়াছিল তাহার প্রতি এখনও তেমন নিষ্ঠা রহিয়াছে—প্রত্যহ দীর্ঘকাল ধরিয়া নির্জনে ধ্যান-চিন্তা তাহার ঐ জীবনের অঙ্গস্বরূপ। তাহার কনিষ্ঠা ভগিনীগণ সকলেই বর্তমানে বিবাহিতা। এইরূপ উচ্চভাবসম্পন্ন কোন বালিকার জোর করিয়া বিবাহ দেওয়া তাহার দৃষ্টিতে অত্যন্ত গর্হিত আচরণ বলিয়া বোধ হইত। বালবিধবা, কুলীন ব্রাহ্মণ-পত্নী, যাহাদের বিবাহকালে পিতামাতা কোনরূপ যৌতুক প্রদানে সমর্থ হন নাই, এমন দুই-চারিজনকে স্বামীজী গর্বের সহিত হিন্দুসমাজের অবিবাহিতা নারী অথবা কুমারীস্থানীয় বলিয়া গণনা করিতেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    Books
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    নতুন উপন্যাস
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ইসলামিক বই
    পিডিএফ

    তিনি এই অভিমত পোষণ করিতেন যে, বিধবাদের সতীত্বরূপ স্তম্ভের উপরেই সামাজিক অনুষ্ঠানগুলি দণ্ডায়মান। কেবল তিনি ঘোষণা করিতে চাহিতেন যে, এই বিষয়ে নারীর ন্যায় পুরুষের জন্যও সমান উচ্চাদর্শ থাকা উচিত। বিবাহ সম্পর্কে প্রাচীন আর্যপ্রথায় দেখা যায় যে, বিবাহকালে প্রজ্বলিত অগ্নি স্বামী ও স্ত্রী উভয়ে একত্র প্রত্যহ সকালে ও সন্ধ্যায় পূজা করিতেন। এই অনুষ্ঠান দ্বারা বুঝা যায় যে, স্বামী, স্ত্রী উভয়েরই আদর্শ ও দায়িত্ব সমান। মহর্ষি বাল্মীকির মহাকাব্যে সীতার যেমন রামের প্রতি অবিচলিত নিষ্ঠার বর্ণনা আছে, রামেরও সীতার প্রতি তদ্রুপ।

    পৃথিবীর সর্বত্র বিবাহ-সংক্রান্ত সামাজিক সমস্যাগুলি স্বামীজীর অজ্ঞাত ছিল না। পাশ্চাত্যে এক বক্তৃতায় তিনি বিস্ময়ের সহিত বলেন, “এই সব মহিলা দুর্দমনীয়, যাদের মন থেকে সহ্য কর, ক্ষমা কর’ প্রভৃতি শব্দ চিরদিনের মতো চলে গেছে।” তিনি ইহাও স্বীকার করিতেন, যেখানে বিবাহসম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখার অর্থ মানবজাতির ভবিষ্যতের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা, সেক্ষেত্রে পরস্পরের সহিত সম্বন্ধ বিচ্ছিন্ন করা স্বামী, স্ত্রী উভয়ের পক্ষেই সর্বাপেক্ষা মহত্ত্ব ও সাহসের কার্য। তিনি সর্বদাই বলিতেন যে, ভারতবর্ষে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য আদর্শসমূহের মধ্যে আদান-প্রদান দ্বারা উভয়কেই সতেজ করিয়া লওয়া আবশ্যক। অগ্র-পশ্চাৎ চিন্তা না করিয়া তিনি কোন সামাজিক অনুষ্ঠানের উপর দোষারোপ করিতেন না, এবং সর্বদা বলিতেন, ঐসকল অনুষ্ঠান এমন কোন অনাচার দূর করিবার প্রচেষ্টা হইতেই ক্রমশঃ উদ্ভূত হইয়াছে, যাহা সমালোচক মহাশয় খুব সম্ভবতঃ নিজের একগুয়েমিবশতঃ বুঝিতে অক্ষম। কিন্তু ঘড়ির দোলক কোন একদিকে অধিক ঝুঁকিয়া পড়িলে, তিনি তৎক্ষণাৎ তাহা ধরিতে পারিতেন।

    ভারতবর্ষে একদিন, পাত্রপাত্রীর নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী বিবাহের পরিবর্তে অভিভাবকগণের ব্যবস্থানুযায়ী হইয়া থাকে—এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ওঃ! এদেশে কি কষ্ট, কি যন্ত্রণাই রয়েছে। তার কতকটা অবশ্য সব সময়ে ছিল। কিন্তু এখন ইউরোপীয় ও তাদের বিভিন্ন রীতিনীতি দেখে যন্ত্রণা আরো বেড়ে গেছে। সমাজ জানতে পেরেছে যে, অন্য পথও একটা আছে।”

    জনৈক ইউরোপবাসীকে তিনি আবার বলেন, “আমরা মাতৃভাবকে বাড়িয়ে তুলেছি, তোমরা জায়া ভাবকে; এবং আমার মনে হয়, একটু আদানপ্রদান উভয় পক্ষেই লাভকর।”

    তারপর সেই স্বপ্নের কথা, যাহা তিনি জাহাজে আমাদের নিকট এইরূপে বর্ণনা করেন—’স্বপ্নে আমি দুজনের কণ্ঠস্বর শুনতে পেলাম; তারা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের বিবাহের আদর্শ সম্পর্কে আলোচনা করছে, এবং শেষে এই সিদ্ধান্ত হয় যে, উভয়ের মধ্যেই এমন কিছু অংশ আছে, যা এখনও জগতের পক্ষে হিতকর, অতএব বর্জন করা উচিত নয়। এই দৃঢ় বিশ্বাসহেতু প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য আদর্শগুলির মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করিবার জন্য তিনি অত সময় অতিবাহিত করিতেন।

    তিনি বলেন, “ভারতবর্ষে পত্নী স্বামীকে যেরূপ ভালবাসে, পুত্রকে পর্যন্ত স্বপ্নেও সেরূপ ভালবাসতে পারে না। তাকে সতী হতে হবে। কিন্তু স্বামী মাতাকে যত ভালবাসে, স্ত্রীকে তত ভালবাসতে পারবে না। সুতরাং ভারতবর্ষে পরম্পর আদান-প্রদানরূপ ভালবাসা প্রতিদানশূন্য ভালবাসার মতো উচ্চস্তরের বলে গণ্য হয় না। ওটা যেন দোকানদারি’। স্বামী-স্ত্রীর সব সময় পরস্পরের সান্নিধ্যলাভের আনন্দ ভারতবর্ষে উচিত বলে গ্রাহ্য হয় না। পাশ্চাত্যের কাছে এটা আমাদের নিতে হবে। আমাদের আদর্শকে তোমাদের আদর্শ দ্বারা একটু তাজা করে নিতে হবে। আর তোমাদের আমাদের মাতৃভক্তির খানিকটা নেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু তাহার উপস্থিতিমাত্রেই লোকের মনে অপর সকল চিন্তা অভিভূত করিয়া এই ধারণা বলবতী হইত যে-যাহার উদ্দেশ্য কেবল আত্মার মুক্তি ও জগতের সেবা, গৃহসুখ ও স্বাচ্ছন্দ্যপ্রয়াসী গার্হস্থ্যজীবন অপেক্ষা সেই সন্ন্যাসজীবন অনন্তগুণে শ্রেষ্ঠ। তিনি বিলক্ষণ জানিতেন যে, মহান শ্রেষ্ঠ কর্মিগণ মধ্যে মধ্যে পোষ্যবর্গের দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকিবার প্রয়োজন অনুভব করেন। একবার জনৈক শিষ্যকে লক্ষ্য করিয়া তিনি অতি সস্নেহে ও সহৃদয়তার সহিত বলেন, “যদি এই সব গার্হস্থ্য ও দাম্পত্য জীবনের আকাঙক্ষা কখনো তোমার মনে ছায়া ফেলে, তার জন্য বিচলিত হয়ো না। আমার মনেও কখনো কখনো ঐ ধরনের চিন্তা আসে।” আর একবার জনৈক বন্ধুর মুখে, তিনি অত্যন্ত একাকী বোধ করিতেছেন শুনিয়া বলিয়া ওঠেন, “প্রত্যেক কর্মী সময়ে সময়ে ঐরূপ বোধ করে থাকে।”

    আরও দেখুন
    অনলাইন বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    অনলাইন বুক
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা বই
    বাংলা কুইজ গেম
    গ্রন্থাগার সেবা
    ই-বই ডাউনলোড
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

    কিন্তু তাহার মতে কোন সামাজিক আদর্শকে অনর্থক বাড়াইয়া তোলার মধ্যে সমাজের গণ্ডির বাহিরে অবস্থিত যে মহান আদর্শ, তাহার চিরন্তন মাহাত্ম্যকে লাঘব করারূপ অশেষ বিপদের সম্ভাবনা আছে। জনৈক শিষ্যকে একবার তিনি গম্ভীরকণ্ঠে বলেন, “তুমি যাদের শিক্ষা দেবে, তাদের প্রত্যেককে একথা বলতে কখনো ভুলো না–

    ‘মেরুসষপয়োর্য যৎ সূর্যখদ্যোতয়োরিব।
    সরিৎসাগরয়োযৎ তথা ভিক্ষুগৃহস্থয়োঃ ॥
    —মেরু ও সর্ষপে, সূর্য ও খদ্যোতে, সমুদ্র ও গোষ্পদে যে প্রভেদ, সন্ন্যাসী এবং গৃহীর মধ্যেও সেইরূপ প্রভেদ।”

    তিনি জানিতেন যে, ইহার মধ্যে আধ্যাত্মিক গর্বরূপ বিপদের আশঙ্কা রহিয়াছে। তাহার নিজের পক্ষে এই বিপদ অতিক্রম করার উপায় ছিল এই যে, তিনি স্বয়ং তাহার গুরুদেব শ্রীরামকৃষ্ণের শিষ্য ও ভক্তমাত্রের নিকটেই তিনি গৃহী বা সন্ন্যাসী হউন—মস্তক নত করিতেন। কিন্তু উক্ত অনুশাসনবাক্যের মর্যাদা হ্রাস করার অর্থ তাহার দৃষ্টিতে আদর্শ খর্ব করা; উহা তিনি কোনমতেই করিতে পারিতেন না। বরং তিনি অনুভব করিতেন, বর্তমান যুগে সন্ন্যাসিসঙ্ঘের উপর ন্যস্ত অন্যতম মহান গুরুতর দায়িত্ব হইল, বিবাহিত জীবনেও সন্ন্যাসের আদর্শ প্রচার করা; উদ্দেশ্য, যাহাতে কঠিনতর পথটি অপেক্ষাকৃত সহজ পথের উপর সর্বদা স্বীয় সংযমশক্তির প্রভাব প্রয়োগ করিতে পারে; এবং প্রণয়ের আপাতমধুর যে মোহজাল যাহা হৃদয়-মনের একান্ত প্রীতিকর জীবনসঙ্গী অথবা সঙ্গিনীলাভের দোহাই দিয়া মানবজীবনের চরম লক্ষ্য আত্মার অদ্বিতীয় মহিমা ও স্বাধীনতা ঢাকিয়া ফেলিতে চায়—তাহা একেবারে ছিন্ন ও বিনষ্ট হইয়া যায়।

    শ্রীরামকৃষ্ণের সকল শিষ্যই বিশ্বাস করেন যে, বিবাহের চরম পরিণতি নিজ পত্নীতে মাতৃবুদ্ধি; ইহার অর্থ স্বামী-স্ত্রী উভয় কর্তৃক ব্রহ্মচর্য জীবন গ্রহণ।সেই মুহূর্ত হইতে মানব দেবত্বে লীন হয়, যার ফলে সমগ্র জীবনের আমূল পরিবর্তন ঘটে। পণ্ডিতেরা বলেন, মনস্তত্ত্বের দিক দিয়া দেখিলে এই আদর্শের যথার্থতা এইরূপে প্রমাণিত হয় যে, ঐ চরম অবস্থায় উপনীত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত বিবাহসম্বন্ধের মধ্যে ভালবাসার বৃদ্ধি এবং হ্রস—ক্রমাগত প্রবৃত্তির জোয়ার-ভাটা চলিতে থাকে। বাহ্যসম্বন্ধ পরিত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে কিন্তু প্রকৃতির হাত হইতে নিষ্কৃতি পাওয়া যায়, এবং তখন আর প্রেমের হ্রাসবৃদ্ধি ঘটে না। এখন হইতে পূর্ণ নিষ্ঠার সহিত মন প্রেমাস্পদকে পূজা করিয়া থাকে।

    তথাপি এই বিষয়ে তাঁহার দৃষ্টিভঙ্গি আলোচনা করিতে গিয়া হিন্দুধর্ম ও বৌদ্ধধর্মের মধ্যে পার্থক্য সম্বন্ধে কাশ্মীরে একদিন তিনি যাহা বলিয়াছিলেন, তাহা মনে না করিয়া পারিতেছি না। সেদিন রবিবার, প্রাতঃকাল; উভয় পার্শ্বে সারি সারি পপলার বৃক্ষের মধ্য দিয়া চওড়া রাস্তা চলিয়া গিয়াছে; বেড়াইতে বেড়াইতে তিনি নারীজাতি ও জাতিভেদ সম্পর্কে কথা বলিতে লাগিলেন, আমরাও মন দিয়া শুনিতেছি। প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলিলেন, “হিন্দুধর্মের মহিমা এই যে, এর মধ্যে বিভিন্ন আদর্শের নির্দেশ রয়েছে, কিন্তু হিন্দুধর্ম কখনই একথা বলতে সাহস করেনি যে,ঐসব আদর্শের কোন একটিই একমাত্র সত্য পথ। এখানেই বৌদ্ধধর্মের সঙ্গে তার প্রভেদ। বৌদ্ধধর্ম অন্য সকল আদর্শের ওপর স্থান দিয়েছে সন্ন্যাসকে, এবং তার মতে সন্ন্যাস হলো সকল মুমুক্ষুর সিদ্ধিলাভের একমাত্র পথ। মহাভারতে এক যুবক সাধুর গল্প আছে; জ্ঞানলাভের জন্য তিনি প্রথমে এক বিবাহিতা নারী এবং পরে এক মাংসবিক্রেতার কাছে যেতে উপদেশ পান। এই গল্পটিই পূর্বের কথার সত্যতার যথেষ্ট প্রমাণ। জিজ্ঞাসার উত্তরে পতিব্রতা এবং ব্যাধ দুজনেই বলেছিলেন, বর্ণাশ্রমধর্ম পালন করেই আমরা এই জ্ঞানলাভ করেছি।” উপসংহারে স্বামীজী বলেন, “দেখছ, এমন কোন জীবিকা নেই, যার দ্বারা ভগবানের কাছে যাওয়া না যায়, তাকে লাভ করা শেষ পর্যন্ত কেবল প্রাণের ব্যাকুলতার উপর নির্ভর করে।”

    আরও দেখুন
    বাংলা কবিতা
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    Library
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    পিডিএফ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

    জীবনে আদর্শ পবিত্রতার প্রকাশ অনুযায়ী সকল জীবনের মহত্ত্ব নির্ধারণ করিতে হয়, এই বিষয়টি মতবাদ হিসাবে স্বামীজী সত্য বলিয়াই গ্রহণ করিতেন। কিন্তু উহার কদৰ্থ করিয়া যে মিথ্যা দাবি করা হইয়া থাকে যে, বিবাহ শুধু ধর্মলাভের উদ্দেশ্যেই অনুষ্ঠিত হইয়াছে, সাধু হিসাবে স্বামীজী এই সকল উক্তি বিষবৎ জ্ঞান করিতেন। তিনি বেশ জানিতেন, আত্মগরিমাবশতঃ আমরা সর্বদাই নিজ নিজ কার্য ও উদ্দেশ্য ঐরূপ অজ্ঞাতসারে বাড়াইয়া তুলি। তিনি আমাদের বলিয়াছিলেন যে, পাশ্চাত্যদেশে প্রায়ই এমন ব্যক্তির সহিত তাহার সাক্ষাৎ হইত, যাহারা বিলাসের মধ্যে অলসভাবে জীবনযাপন করিলেও বুঝাইতে চেষ্টা করিত যে, তাহাদের মধ্যে বিন্দুমাত্র স্বার্থপরতা নাই, কেবল কর্তব্যের খাতিরেই তাহারা সংসারে রহিয়াছে; এবং নানাপ্রকার ভালবাসার মধ্য দিয়া বিনা প্রচেষ্টায় আপনা হইতে ত্যাগ অভ্যাসে সমর্থ হইয়াছে। অত্যন্ত ঘৃণার সহিত তিনি এই সকল অলীক কল্পনার প্রতিবাদ করিতেন। তিনি বলেন, “আমার কেবল এই উত্তর ছিল যে, এই ধরনের মহাপুরুষ তত ভারতবর্ষে জন্মান না! মহাত্মা জনক রাজাই ছিলেন এরকম আদর্শ পুরুষ, এবং সমগ্র ইতিহাসে জনক রাজা মাত্র একবারই জন্মেছেন!” এই বিশেষ ভ্রম সম্পর্কে তিনি দেখাইয়া দিতেন যে, দুই প্রকার আদর্শবাদ (Idealism) আছে, একটি–যথার্থ আদর্শকেই পূজা ও উচ্চাসন প্রদান করা; অপরটি—আমরা নিজে যে অবস্থা লাভ করিয়াছি, তাহাকেই বাড়াইয়া স্বর্গে তোলা। শেষোক্ত ক্ষেত্রে আদর্শকে প্রকৃতপক্ষে আমাদের ‘অহং’-জ্ঞানেরই নিম্নে আসন দেওয়া হয়।

    কিন্তু তাহার এই কঠোর সমালোচনা কোন শুষ্ক দোষদর্শীর মত ছিল না। যাহারা আমাদের গুরুদেবের ‘ভক্তিযোগ পাঠ করিয়াছেন, তাহাদের এই বিশেষ উক্তিটি মনে পড়িবে, “প্রেমিক প্রেমাস্পদের মধ্যে আদর্শকেই দেখে।” এক বালিকার একজনের প্রতি অনুরাগের কথা তখন সবেমাত্র জানা গিয়াছে। স্বামীজী তাহাকে বলেন, “যতদিন তোমরা দুজনে পরস্পরের মধ্যে আদর্শকেই দেখতে পাবে, ততদিন তোমাদের পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সুখ না কমে বেড়েই যাবে।”

    আমাদের গুরুদেবের বিশেষ পরিচিত ব্যক্তিগণের মধ্যে এক প্রৌঢ়া মহিলার কিন্তু এই বিশ্বাস ছিল যে, সন্ন্যাসধর্মের প্রতি প্রগাঢ় নিষ্ঠাবশতঃ বিবাহিতজীবনের পবিত্রতা ও উপকারিতা স্বামীজী যথার্থ বিচার করিতে পারেন নাই। উক্ত মহিলা বিবাহিত জীবনে অসাধারণ সুখভোগের পর দীর্ঘকাল বৈধব্যজীবন যাপন করিতেছিলেন। সুতরাং ইহা নিতান্ত স্বাভাবিক যে, দেহাবসানের কয়েক সপ্তাহ পূর্বে স্বামীজী এই বিষয়ে যে চূড়ান্ত মীমাংসায় উপনীত হন, তাহা এই মহিলাকে জ্ঞাপন করিতে চাহিবেন। যে পত্রবাহক তাহার পত্রখানি মহিলার বহুদূরে অবস্থিত গৃহে পৌঁছাইয়া দিল, সে-ই স্বামীজীর দেহত্যাগের সংবাদসহ প্রেরিত তারও ঐসঙ্গে তাঁহার হাতে দেয়। কে জানিত, পত্রখানি এরূপ দারুণ শোকের সময় যাইয়া উপস্থিত হইবে? ঐ পত্রে, স্বামীজী লেখেন, “আমার মতে কোন জাতিকে ব্রহ্মচর্যের আদর্শে উপনীত হইবার পূর্বে বিবাহবন্ধনকে পবিত্র ও অচ্ছেদ্য জ্ঞান করিয়া তাহার মাধ্যমে মাতৃভাবের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধাভাবের অনুশীলন করিতে হইবে। রোমান ক্যাথলিক ও হিন্দুগণ বিবাহবন্ধনকে পবিত্র ও অচ্ছেদ্য জ্ঞান করিয়া প্রভূত শক্তিশালী মহাশুদ্ধসত্ত্ব পুরুষ ও নারী সৃষ্টি করিয়াছে। আরবদিগের নিকট বিবাহ একটা চুক্তিবদ্ধ অঙ্গীকার মাত্র, অথবা বলপূর্বক অধিকার, যাহা ইচ্ছামাত্র বিচ্ছিন্ন করা যায়। ফলে আমরা সেখানে চিরকুমারী অথবা ব্রহ্মচারীর আদর্শের বিকাশ দেখিতে পাই না। যে-সকল জাতি এখনও বিবাহবন্ধনের মাহাত্ম্য বুঝিয়া উঠিতে পারে নাই, তাদের হাতে পড়িয়া আধুনিক বৌদ্ধধর্ম সন্ন্যাসকে অতি বিকৃত কদাচারপূর্ণ করিয়া তুলিয়াছে। সুতরাং জাপানে যতদিন বিবাহ-সম্বন্ধে পরস্পরের মধ্যে আকর্ষণ ও প্রণয় ব্যতীত একটা মহান ও পবিত্র আদর্শের বিকাশ না ঘটে, ততদিন কিরূপে উচ্চস্তরের সন্ন্যাসী ও সন্ন্যাসিনীর সৃষ্টি হইবে, তাহা আমি বুঝিতে পারিতেছি না। আপনি যেমন ক্রমশঃ বুঝিতে পারিয়াছেন যে, স্বামী-স্ত্রীর সম্বন্ধটি পবিত্র ও অক্ষুণ্ণ রাখাই জীবনের গৌরব, সেইরূপ আমিও ক্রমশঃ এই জ্ঞান লাভ করিয়াছি যে, জগতের অধিকাংশ লোকের পক্ষেই এই মহাপবিত্র বন্ধনের বিশেষ প্রয়োজন; তাহা হইলেই কয়েকজন শক্তিশালী, আজীবন ব্রহ্মচর্যব্রতী পুরুষ ও নারীর উদ্ভব হইতে পারে।”

    আমাদের মধ্যে কেহ কেহ মনে করেন, এই পত্রখানিতে স্বামীজী স্বয়ং যতটা অর্থপ্রকাশ করিয়াছেন বলিয়া মনে করিতে পারিতেন, তাহা অপেক্ষা ব্যাপকতর অর্থ নিহিত আছে। ইহাই সেই মহান দর্শনের শেষ কথা, “বহু এবং একের মধ্যে সেই একই সত্য বিরাজমান।” যদি দাম্পত্যবন্ধনকে পবিত্র ও অচ্ছেদ্য জ্ঞান করাই বস্তুতঃ সমাজকে এরূপভাবে গঠিত করার সোপানস্বরূপ হয়, যাহাতে নির্জনবাস ও সংযমপূর্ণ সন্ন্যাসজীবনের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা দেখা যায়, তাহা হইলে যথোচিত শ্রদ্ধার সহিত সাংসারিক কর্তব্যগুলির অনুষ্ঠান, পূজা এবং প্রার্থনাদির ন্যায় আত্মসাক্ষাৎকারের অন্যতম উপায়স্বরূপ বলিয়াই গৃহীত হইবে। সুতরাং এখানে আমরা একটি সাধারণ নিয়মের পরিচয় পাই যাহাতে আমরা বুঝিতে পারি, কেন শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস ভাবসমাধি প্রভৃতি ধর্মজীবনের উচ্ছাসকে প্রশংসা না করিয়া বরং তাঁহার শিষ্যগণের মধ্যে চরিত্রের দৃঢ়তা বিকাশের সমধিক পক্ষপাতী ছিলেন। আবার স্বামী বিবেকানন্দ নিজেও যে কেন সর্বদা সকলকে বীর্যবান হইবার জন্য উৎসাহিত করিতেন, তার অন্তর্নিহিত অর্থও আমরা বুঝিতে পারি। উহার কারণ নির্ণয় অতি সহজ। যদি “বহু ও এক, একই মন কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অবস্থায় দৃষ্ট একমাত্র সত্তা” হয়, তাহা হইলে এক কথায় বলা যায়, চরিত্রই ধর্ম। জনৈক গভীর চিন্তাশীল ব্যক্তি যেমন বলিয়াছেন, “প্রকৃতপক্ষে জগতের সাধারণ জিনিসগুলি গ্রহণ করিয়া ঠিক ঠিক ভাবে তাহাদের মধ্যে চলাফেবা করাই মহত্ত্ব, এবং গভীর প্রেম ও প্রভূত সেবাই সাধুতা।” এই সহজ কথাগুলিই হয়তো অবশেষে এযুগের নব ধর্মবাণীর প্রাণস্বরূপ হইয়া দাঁড়াইবে। ইহা যে সম্ভবপর, আমাদের গুরুদেবের নিজ কথাগুলিই তাহার নিদর্শন, “সর্বোচ্চ সত্য সকল সময়েই অতি সহজ।”

    ———–
    ১ সতীত্ব বলিতে হিন্দুগণের ধারণা এই যে, স্বামীর প্রতি পত্নীর কেবল অবিচলিত নিষ্ঠা নহে, ঐ নিষ্ঠার কদাপি লেশমাত্র ইতরবিশেষ ঘটিবেনা। এই আদর্শ আমার ভাল লাগে না বলিয়া ঐ নিষ্ঠার কোনরূপ বিচ্যুতি ঘটিবার উপায় নাই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসারদামঙ্গল – বিহারীলাল চক্রবর্তী
    Next Article বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }