Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্বামীজীকে যেরূপ দেখিয়াছি – ভগিনী নিবেদিতা

    ভগিনী নিবেদিতা এক পাতা গল্প379 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৩. তথাকথিত অলৌকিক দর্শনাদির সহিত আচার্যদেবের সম্বন্ধ

    এয়োবিংশ পরিচ্ছেদ
    তথাকথিত অলৌকিক দর্শনাদির সহিত 
    আচার্যদেবের সম্বন্ধ

    ভারতবর্ষই নিঃসন্দেহে মনস্তত্ত্ব-চর্চার প্রকৃষ্ট স্থান। একথা বলা চলে যে, জগতের অন্য যে কোন জাতি অপেক্ষা হিন্দুদিগের নিকটই মানুষ অধিক পরিমাণে মন-রূপে প্রতিভাত হয়। চিত্তের একাগ্রতা তাদের নিকট জীবনের আদর্শ বলিয়া পরিগণিত। ধীশক্তি ও প্রতিভা, সাধারণ সততা ও সর্বোচ্চ সাধুজীবন, নৈতিক দুর্বলতা ও শক্তিমত্তা—এই সকলের মধ্যে যে পার্থক্য বিদ্যমান তাহা একাগ্রতার সামান্য তারতম্য হইতেই উদ্ভূত বলিয়া তাহারা মনে করে। অতি প্রাচীনকাল হইতেই ভারতে মনস্তত্ত্ব-চর্চা একটি স্বতন্ত্র বিজ্ঞানের মতো যথোচিতভাবে অধীত হইয়া আসিয়াছে; বস্তুতঃ উহাই কতকাংশে হিন্দুজাতির এই তন্ময়তার কারণ, আবার কতকাংশে তাহার ফলও বটে। জ্ঞানকে লিপিবদ্ধ করিয়া রাখিবার জন্য লিখন-প্রণালীর উপকারিতা কিছুমাত্র অনুমান করিবার বহুপূর্বে, হিন্দুসমাজে সমষ্টি মানবমনের যাবতীয় ব্যাপার পরস্পরের মধ্যে চিন্তা ও পর্যবেক্ষণের আদান-প্রদান দ্বারা নিঃশব্দে সংগৃহীত হইতে আরম্ভ হইয়াছিল। বৈজ্ঞানিক গবেষণার সহিত সাধারণভাবে যন্ত্রপাতি ও রসায়নাগারের আদৌ কোন সম্পর্ক থাকিতে পারে, এই চিন্তা উদিত হইবার বহু যুগ পূর্বে, ভারতবাসীর মধ্যে তাহাদের প্রকৃতির সর্বাপেক্ষা অনুকূল এই বিজ্ঞান সম্পর্কে পরীক্ষার যুগ পূর্ণভাবে বিকশিত হয়।

    ভারতবর্ষে এইরূপে সঞ্চিত ও অদ্ভুতভাবে প্রসার লাভ করিয়াছে যে জ্ঞানরাজ্য, তাহার মধ্যে মনোরাজ্যের এমন অনেক ঘটনার যথোচিত সমাবেশ ও শ্রেণীবিন্যাস যে থাকিবে, তাহা অপেক্ষাকৃত অল্প-অভিজ্ঞ পাশ্চাত্যবাসীর নিকট অস্বাভাবিক বা অলৌকিক বলিয়া বোধ হয়—ইহা কিছু বিচিত্র নয়। সুতরাং সম্মোহনী বিদ্যা এবং দুর্বোধ্য বহুপ্রকারের অসাধারণ অনুভব বা শক্তি–যেমন রোগ আরোগ্য করা, মনের কথা বলিয়া দেওয়া, দূরদর্শন এবং দুরশ্রবণ ইত্যাদি যাহা সাধারণের মধ্যে সর্বাপেক্ষা পরিচিত—যাহারা ভারতের প্রাচীন মনস্তত্ত্ব বা রাজযোগের আলোচনা করিয়াছেন, তাহাদের নিকট একটা মস্ত কঠিন ব্যাপার বলিয়া বোধ হয় না।

    আমরা সকলেই অবগত আছি যে, বিজ্ঞানসম্মত চিন্তার প্রধান মূল্য এই যে, উহা আমাদের নানা ঘটনা বুঝিতে ও লিপিবদ্ধ করিতে সাহায্য করে। কোন একটি ব্যাধি বিরল হইলে কিছু ক্ষতি নাই—যদি সমগ্র চিকিৎসাশাস্ত্রের মধ্যে কোথাও একবার মাত্র উহার উল্লেখ থাকে। তাহা হইলেই মানবমনে উত্মার স্থান রহিয়া গেল। উহা আর অলৌকিক ব্যাপার নহে, কারণ শীঘ্র অথবা বিলম্বে উহার শ্রেণীনির্দেশ হইবেই। উহার একটি নাম আছে; রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা এখন শুধু সময়সাপেক্ষ।

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    ই-বই ডাউনলোড
    Books
    বাংলা কবিতা
    বাংলা গল্প
    অনলাইন বুক
    PDF
    বুক শেল্ফ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বই

    সচরাচর যাহাকে ‘অলৌকিক’ দর্শনাদি বলিয়া অভিহিত করা হয়, সেই সকল ঘটনার যে অংশ বিশ্বাসযোগ্য, তাহার সম্পর্কে পূর্বোক্ত কথা কিছুটা প্রয়োগ করা চলে। এই পর্যায়ভুক্ত ঘটনাবলী সত্য হইলে স্পষ্টতই উহা বায়ুর তরলীকরণ বা রেডিয়ম পৃথককরণ অপেক্ষা বেশি অলৌকিক থাকে না। বাস্তবিক, ‘অলৌকিক’ বা ‘অতিপ্রাকৃত’ কথাটি আদৌ সঙ্গত কিনা তাহা বিতর্কমূলক। কারণ, যদি কোন জিনিসের অস্তিত্ব একবার প্রমাণ করা যায়, তাহা হইলে স্পষ্টই বুঝা যায় যে, উহা প্রকৃতির অন্তর্গত, এবং সেজন্য উহাকে “অতিপ্রাকৃত’ বলা নিতান্ত অযৌক্তিক। ভারতবর্ষে আলোচ্য ঘটনাসমূহ মনোবৃত্তির সমধিক বিকাশের ফল বলিয়া গণ্য হইয়া থাকে; এবং ঘটনার মধ্যে উহাদের ব্যাখ্যা আবিষ্কার করিবার চেষ্টা না করিয়া, যে ব্যক্তি ঐ-সকল উপলব্ধি করিয়াছে তাহার মনের অবস্থার অনুসন্ধান করা হইয়া থাকে; কারণ, ইহা সহজেই অনুমেয় যে, ঐ মন বিশেষ বিশেষ অবস্থায় সাধারণ অনুভব হইতে পৃথক এক এক রূপ অনুভূতি লাভ করিতে পারে।

    চিত্তের চরম একাগ্রতার যে-সকল লক্ষণ শাস্ত্রে বর্ণিত আছে, শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসের দক্ষিণেশ্বরে বাসকালে বহু বৎসর ধরিয়া তাহার শিষ্যগণ তাহার মধ্যে ঐ সকল মানসিক বিকাশের বহু ঘটনার পরিচয় পান। বাহ্যজগতের ঘটনাসমূহ তিনি এমন জানিতে পারিতেন যে, তাহারা দ্বারদেশে উপনীত হইবামাত্র তিনি স্বয়ং অগ্রসর হইয়া তাহাদের সহিত সাক্ষাৎকরিতেন, এবং বালকেরা যে-সব লিখিত প্রশ্ন পকেটে করিয়া আনিতেন, জিজ্ঞাসা করিবার পূর্বেই তিনি তৎক্ষণাৎ তাহাদের উত্তর দিতে প্রবৃত্ত হইতেন। তাহার অনুভূতি এত সূক্ষ্ম ছিল যে, তিনি স্পর্শমাত্র বলিয়া দিতে পারিতেন, কিরূপ চরিত্রের লোক তাহার খাদ্যসামগ্রী, কাপড়-জামা অথবা বিছানা স্পর্শ করিয়াছে। একবার ঐরূপ স্পর্শ করিবার সঙ্গে সঙ্গে তাহার অঙ্গ যন্ত্রণায় সঙ্কুচিত হইয়া সরিয়া আসে এবং তিনি বলিয়া ওঠেন যে, তিনি দাহ যন্ত্রণা অনুভব করিতেছেন। আর এক ঘটনায় হয়তো বলিলেন, “এই দেখ! এটা আমি খেতে পারি; যে পাঠিয়েছে, সে নিশ্চয়ই ভাল লোক।” আবার তাহার স্নায়ুমণ্ডলীতে কতকগুলি বিশেষ বিশেষ ভাবের এরূপ দৃঢ় সংস্কার জন্মিয়াছিল যে, নিদ্রিত অবস্থাতেও তিনি ধাতুদ্রব্য স্পর্শ করিতে পারিতেন না, এবং কোন পুস্তক বা ফল উহার মালিকের নিকট প্রত্যর্পণ করিতে ভুলিয়া গেলে তাঁহার হাত যেন আপনা হইতেই উহা যথাস্থানে ফিরাইয়া দিয়া আসিত।

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বইয়ের
    বাংলা কমিকস
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা গল্প
    বাংলা ইসলামিক বই
    বিনামূল্যে বই
    পিডিএফ

    কোন ভারতীয় মনস্তত্ত্ববিদ জগতের ক্রান্তদর্শী মহাপুরুষগণের কাহারও সম্বন্ধে একথা বলিবেন না যে, উক্ত মহাপুরুষ দেবতাদের সহিত কথাবার্তা বলিয়াছেন; তাহারা শুধু বলিবেন যে, তিনি এমন একটি মানসিক ভাবাবস্থায় উপনীত হইতে পারেন, যেখানে তাঁহার দৃঢ় বিশ্বাস হইতে পারে, তিনি দেবতাদের সহিত কথা কহিয়াছেন, অর্থাৎ ভারতীয় দার্শনিকের মতে উহা ‘স্বসংবেদ্য ব্যাপার। এই অবস্থার ভূরি ভূরি দৃষ্টান্ত শ্রীরামকৃষ্ণের শিষ্যগণ দেখিয়াছেন। তাঁহারা এখনও গল্প করিয়া থাকেন, কিরূপ বিস্ময়ের সহিত তাহারা কখনও ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরিয়া দুইজন অথবা বহুজনের মধ্যে কথাবার্তা হইতেছে শুনিতেন—তাহার মধ্যে এক পক্ষের কথাগুলিই শুধু তাহাদের কানে আসিতেছে; এদিকে তাহাদের গুরুদেব শান্তভাবে বিশ্রাম করিতে করিতে নিশ্চয়ই বিশ্বাস করিতেন যে, শিষ্যগণের অদৃশ্য দেবদেবীর সহিত ধ্যানযোগে তিনি কথাবার্তা বলিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণের এই সকল অজস্র দর্শনের পশ্চাতে সর্বদাই ছিল মানবসেবার দৃঢ় সঙ্কল্প। উহাই এই সকলকে এক মহাজীবনরূপে গ্রথিত করিয়াছিল। বহুকাল পরে স্বামী বিবেকানন্দ তাহার গুরুদেব সম্বন্ধে বলিতেন, রাত্রির অন্ধকারে মাটিতে পড়িয়া যন্ত্রণায় ছটফট করিতে করিতে তিনি প্রার্থনা করিতেন, আবার যেন তিনি পৃথিবীতে এমন কি, কুকুরযোনিতেও জন্মগ্রহণ করেন, যদি তাহা দ্বারা একটি জীবেরও সহায়তা হয়। অন্যান্য সময়ে যখন মনের কথা অপরের নিকট ব্যক্ত করিতে পারিতেন, তখন তিনি বলিতেন, উচ্চতর দর্শন তাহাকে সেবার ভাব হইতে টানিয়া লইবার জন্য প্রলোভিত করিতেছে। গভীর সমাধিভঙ্গের পর তিনি যে দুই-চারিটি কথা, আপন মনে বলিতেন, তাহার শিষ্যগণ তাহা ঐ বিষয়ক বলিয়াই মনে করিতেন। তিনি যেন শিশুর ন্যায় মাতার নিকট হইতে দৌড়িয়া গিয়া খেলিবার জন্য জগন্মাতার নিকট আব্দার করিতেন। এরূপ ক্ষেত্রে সাধারণ জ্ঞানভূমিতে নামিয়া আসিবার জন্য তিনি, “আর একটি মাত্র সেবাকাজ’, অথবা ‘আর একটি ছোটখাট জিনিস’ ভোগ করিব, এই বলিয়া বায়না ধরিতেন। কিন্তু সমাধি হইতে ঐ বুত্থানকালে ঈশ্বরে একান্ত তন্ময়তাপ্রাপ্ত ব্যক্তির ন্যায় তাহাতে সর্বদা অনন্ত প্রেম ও গভীর অন্তদৃষ্টি পরিলক্ষিত হইত। হার্ভার্ড বক্তৃতা উপলক্ষে স্বামী বিবেকানন্দ যখন ঐ দুইটিকেই সমাধিজনিত বাহ্যজ্ঞানশূন্যতা ও মৃগীরোগহেতু বাহ্যজ্ঞানশূনতা, এই উভয়ের মধ্যে লক্ষণের পার্থক্য বলিয়া নির্দেশ করেন, তখন আমরা বুঝিতে পারি তাহার গুরুদেবের জীবনে সমাধি অবস্থা লাভ ও পুনরায় ঐ অবস্থা হইতে সাধারণ অবস্থায় প্রত্যাবর্তন—এই উভয় অবস্থা তিনি সর্বদা প্রত্যক্ষ করিয়াছিলেন বলিয়াই তাহার প্রত্যেক কথার মধ্যে দৃঢ় প্রত্যয় বিরাজ করিত।

    আরও দেখুন
    বাংলা কবিতা
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ই-বুক রিডার
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা বই
    বাংলা ভাষা
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

    শ্রীরামকৃষ্ণের আরও অনেক বিশেষত্ব ছিল। স্নায়ুমণ্ডলীর ক্রিয়ার উপর তাহার কিরূপ সম্পূর্ণ আধিপত্য ছিল, তাহার দৃষ্টান্তস্বরূপ বলা যায় যে, শেষ অসুখের সময় তিনি গলদেশ হইতে মনকে একেবারে তুলিয়া লইতে পারিতেন, ঔষধ প্রয়োগের দ্বারা ক্ষতস্থান অসাড় করিয়া ফেলিলে অস্ত্রোপচারের পর যেরূপ হয়, সেইরূপ কোন বেদনা অনুভূত হইত না। সকল জিনিস তন্নতন্নভাবে লক্ষ্য করিবার শক্তিও ছিল তাহার অসাধারণ। শারীরিক গঠনের খুঁটিনাটিও তাহার নিকট অর্থপূর্ণ বলিয়া বোধ হইত, এবং উহার মধ্যে তিনি ব্যক্তির চরিত্র সম্বন্ধে কিছু না কিছু পরিচয় পাইতেন। নবাগত শিষ্যকে তিনি একরূপ যোগনিদ্রায় অভিভূত করিয়া তাহার মগ্নচৈতন্য হইতে, কয়েক মিনিটের মধ্যে বহু অতীতের যে-সকল সংস্কার নিহিত আছে, তাহা জানিয়া লইতেন, অপরের নিকট তুচ্ছ বলিয়া প্রতীত হয় এরূপ প্রত্যেক সামান্য কথা ও কার্য তাহার নিকট চরিত্ররূপ মহাপ্রবাহে নীত তৃণখণ্ডের ন্যায় ঐ স্রোতের গতি নির্দেশ করিয়া দিত। তিনি বলিতেন,”কখন কখনও এমন একটা অবস্থা হয়, যখন নবনারীকে কাচের জিনিসের মতো বোধ হয়, এবং তাদের ভেতর-বার সব দেখতে পাই।”

    সর্বোপরি, স্পর্শমাত্র তিনি লোকের জ্ঞানচক্ষু উন্মীলন করিয়া দিতে পারিতেন, এবং তাহাদের সমগ্র জীবন এক নূতন শক্তিপ্রভাবে গঠিত ও পরিচালিত হইত; সমাধিবিষয়ে একথা সকলেই জ্ঞাত আছেন, বিশেষতঃ যে-সকল স্ত্রীলোক দক্ষিণেশ্বর দর্শন করিতে যাইতেন, তাহাদের সম্পর্কে। কিন্তু ইহা ব্যতীত একজন অতি সাদাসিধা প্রকৃতির লোক আমাকে শ্রীরামকৃষ্ণের জীবনের শেষ কয়মাসের একদিনের এক ঘটনার কথা বলেন। ঐদিন কাশীপুর উদ্যানে বেড়াইতে বেড়াইতে তিনি সমবেত ভক্তদের মাথায় হাত দিয়া কাহাকেও বলেন, “চৈতন্য হোক, আর কাহাকেও বলেন, “আজ থাক’; এইভাবে সকলকে কিছু না কিছু বলেন। ইহার পরেই কৃপাপ্রাপ্ত ভক্তদের প্রত্যেকের বিভিন্ন প্রকারের অনুভূতি হয়। একজনের মনে অত্যন্ত বেদনা জাগিয়া ওঠে; অপর একজনের নিকট চারিপাশের সকল জিনিস ছায়ার ন্যায় অবাস্তব ও কোন একটি ভাবের ব্যঞ্জকমাত্র হইয়া ওঠে। তৃতীয় ব্যক্তি ঐ কৃপা অপার আনন্দরূপে অনুভব করেন। আর একজনের মহান জ্যোতি দর্শন হয়, যাহা তাহাকে কদাপি পরিত্যাগ করে নাই; কোন মন্দিরে অথবা পথিপাশ্বস্থ দেবালয়ের নিকট দিয়া যাইবার সময় তিনি সর্বদা ঐ জ্যোতি দেখিতে পাইতেন, এবং বোধ হইত ঐ জ্যোতির মধ্যে তিনি একটি মূর্তি দেখিতে পাইতেছেন; সেই মুহূর্তে তিনি যেরূপ দর্শনের উপযুক্ত হইতেন সেই অনুসারে, ঐ মূর্তি কখনও হাস্যময়, কখনও বিষণ্ণ। ‘বিগ্রহের অধিষ্ঠাতা চৈতন্য’ বলিয়াই তিনি ঐ মূর্তিকে জানিতেন এবং সেইরূপভাবে তাহার সম্বন্ধে বলিতেন।

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    গ্রন্থাগার সেবা
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    ই-বুক রিডার
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা গল্প
    বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

    এইরূপে প্রত্যেক ব্যক্তির মধ্যে তাহার অন্তর্নিহিত শ্রেষ্ঠ ও সার বস্তুর উদ্বোধন করিয়া দিয়া, অথবা যিনি যে পরিমাণে গ্রহণের উপযুক্ত হইতেন, সেই অনুসারে নিজের অনুভূতি তাহাদের মধ্যে সঞ্চারিত করিয়া দিয়া, শ্রীরামকৃষ্ণ সেই কঠোর সত্যপরায়ণতা এবং প্রবল বিচারবুদ্ধির সূত্রপাত ও সংরক্ষণ করিয়া যান, যাহা তাহার হাতে গড়া সকল শিষ্যের মধ্যেই আমরা দেখিতে পাই। তাঁহাদের মধ্যে স্বামী রামকৃষ্ণানন্দ নামে একজন বলেন, “কোন কিছু পরীক্ষা না করে আমরা বিশ্বাস করি না, ঠাকুর আমাদের ঐরকমভাবে শিক্ষা দিয়েছেন।” আর একজনের নিকট ঐ শিক্ষা কিরূপ বিশেষ আকার ধারণ করিয়াছিল এই সম্পর্কে অনুসন্ধান করায় গভীর চিন্তার পর তিনি উত্তর দেন যে, শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁহাদের সেই চরম সত্তার কিছু না কিছু অনুভূতি করাইয়া দিতেন; তাহা হইতে প্রত্যেকে এমন একটি জ্ঞান লাভ করিতেন, যাহা কখনও প্রতারণা করিবে না। স্বামী বিবেকানন্দ তাঁহার প্রথম বয়সের বক্তৃতাগুলির একটিতে বলিয়াছেন, “আমাদের নিজের চেষ্টায় অথবা কোন সিদ্ধ মহাপুরুষের কৃপায় আমরা সেই চরম বস্তু লাভ করি।”

    গুরুর জীবনই শিষ্যের করতলগত সম্পদ, এবং এ বিষয়ে অণুমাত্র সন্দেহ নাই যে, মানবের মানসিক বৃত্তিসমূহের কতদূর সম্প্রসারণ ঘটিতে পারে, সে সম্পর্কে স্বামীজী নিজ দৃষ্ট ও অনুভূত সকল ঘটনা তৎক্ষণাৎ বিশ্লেষণ করিয়াছিলেন বলিয়াই, পাশ্চাত্যদেশের মনোরাজ্যবিষয়ক গবেষণার সংস্পর্শে আসিবামাত্র তিনি সমগ্র জ্ঞানকে অবচেতন (sub-conscious), সাধারণ বা চেতন (conscious) এবং অতিচেতন বা অতীন্দ্রিয় (superconscious)—এই তিন শ্রেণীতে বিভক্ত করিতে পারেন। প্রথম শব্দ দুইটি ইউরোপ এবং আমেরিকায় যথেষ্ট প্রচলিত ছিল, তৃতীয়টি তিনি নিপুণ সূক্ষ্মদৃষ্টি এবং নিজ জীবনের ব্যক্তিগত অনুভূতির বলে মনস্তত্ত্ববিষয়ক শব্দসমষ্টির অন্তর্ভুক্ত করিয়া দিলেন। একবার তিনি বলেন, “সাধারণ জ্ঞান অবচেতন ও অতিচেতন (অথবা অতীন্দ্রিয়) জ্ঞানরূপ দুই মহাসমুদ্রের মধ্যে অবস্থিত একটা সামান্য পাতলা পর্দামাত্র।” তিনি সবিস্ময়ে আরও বলেন, “যখন আমি পাশ্চাত্য জাতিদের সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কে এত বড়াই করতে শুনলাম, তখন আমি নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারিনি। সাধারণ জ্ঞান? সাধারণ জ্ঞানে কি আসে যায়? তার নিচে অতলস্পর্শ সাগরের মতো যে মগ্নচৈতন্য এবং উপরে যে পর্বততুল্য উচ্চ অতীন্দ্রিয় জ্ঞান রয়েছে, তাদের তুলনায় সাধারণ জ্ঞান কিছুই নয়! এ সম্পর্কে আমার ভুল হবার কোন সম্ভাবনা নেই। কারণ, আমি কি শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসকে দশ মিনিটের মধ্যে লোকের মগ্নচৈতন্য থেকে তার সমগ্র অতীত জেনে নিতে এবং তা থেকে তার ভবিষ্যৎ এবং অন্তরের শক্তি নিরূপণ করতে দেখিনি?”

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    অনলাইন বুক
    বাংলা উপন্যাস
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা কুইজ গেম
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ই-বুক রিডার

    প্রকৃত অতীন্দ্রিয় জ্ঞানের সহিত বিচারবুদ্ধির কখনও বিরোধ থাকিতে পারে না—’রাজযোগে লিপিবদ্ধ এই উক্তির সত্যতাও নিঃসন্দেহে তাহার উপলব্ধির বিস্তৃত জ্ঞানরাজ্যের অভিজ্ঞতা-প্রসূত। দক্ষিণেশ্বরের ঐ সাধুর নানা অসাধারণ উপায়ে অতীন্দ্রিয় জ্ঞানলাভ করিবার ক্ষমতা ছিল সন্দেহ নাই, কিন্তু সেজন্য বৃথা অভিমানে আত্মহারা হইয়া সাধারণ উপায়ে যাহা নিশ্চিত জানা যায়, তাহা জানিবার জন্য তিনি কখনও অসাধারণ উপায় অবলম্বন করিবার প্রয়াস পাইতেন না। একবার এক অদ্ভুত সাধুবেশধারী ব্যক্তি দক্ষিণেশ্বর উদ্যানে আসিয়া বলে যে, সে আহার ব্যতীত জীবনধারণ করিতে পারে। তাহাকে পরীক্ষা করার জন্য শ্রীরামকৃষ্ণ কোন অলৌকিক দর্শনের সাহায্য লইবার চেষ্টা করিলেন না, কেবল কয়েকজন চতুর প্রকৃতির লোক পাঠাইয়া দিলেন, তাহার উপর নজর রাখিবার জন্য, এবং বলিয়া দিলেন, ঐ ব্যক্তি কি আহার করে এবং কোথায় আহার করে তাহা যেন তাহাকে জানায়।

    পরীক্ষা না করিয়া কোন জিনিস গ্রহণ করা চলিবে না, এবং স্বপ্ন, পূর্ব হইতে ভাবী ঘটনা দর্শন করা ও তৎসম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করা ইত্যাদি যে-সব উপায়ে সাধারণ লোক পরস্পরের উপর প্রভাব বিস্তার করিবার জন্য এত চেষ্টা করিয়া থাকে, দেহত্যাগের দিন পর্যন্ত স্বামী বিবেকানন্দের নিকট ঐ সকল আতঙ্কের বস্তু ছিল। আবার লোকে ঐ সকল তাহার নিকট প্রভূত পরিমাণে উপস্থিত করিত। অবশ্য উহা কবিবারই কথা, স্বামীজী কিন্তু এসব সর্বদা অগ্রাহ্য করিয়া উঠাইয়া দিতেন, এবং বলিতেন, যদি উহারা সত্য হয়, তবে তাহার না মানা সত্ত্বেও নিজ নিজ ফল প্রকাশ করিয়া দেখাক। তিনি বলিতেন, কোন ভবিষ্যদ্বাণী কার্যক্ষেত্রে সত্য হইবে কি-না, সে কথা জানা তাহার পক্ষে অসম্ভব; কেবল এই বিষয়ে তিনি নিশ্চিত ছিলেন যে, একবার উহা মানিয়া লইলে আর কখনও তিনি উহার হাত হইতে নিষ্কৃতিলাভ করিতে পারিবেন না।

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    অনলাইন বই
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ইসলামিক বই

    শ্রীরামকৃষ্ণের ক্ষেত্রে দেখা যাইত, অলৌকিক দর্শনাদি কেবল পারমার্থিক বিষয়েই প্রযুক্ত হইত; কদাপি উহার ব্যতিক্রম ঘটিত না। বেদিয়াদের মতো গণনা দ্বারা ঐহিক বিষয় সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী তিনি কখনও করিতেন না, এবং তাহার শিষ্যগণের মতে ভবিষ্যগণনা শক্তির অল্পবিস্তর অপব্যবহারের সূচনা করে। স্বামীজী বলিতেন, “এসব অবান্তর ব্যাপার, প্রকৃত যোগ নয়। অপরোক্ষভাবে আমাদের কথার সত্যতা প্রমাণ করে বলে এদের কতটা প্রয়োজনীয়তা থাকতে পারে। একটু সামান্য আভাসেও মানুষের বিশ্বাস হয় যে স্থূল জড় জগতের বাইরে একটা কিছু আছে। কিন্তু যারা এসব জিনিস নিয়ে সময় কাটায়, তাদের গুরুতর বিপদের আশঙ্কা আছে।” আর একবার অসহিষ্ণুভাবে তিনি বলিয়া ওঠেন, “এসব ‘সীমান্ত-সমস্যার ব্যাপার’ (frontier questions), এগুলোর সাহায্যে কোন নিশ্চিত বা দৃঢ় জ্ঞানলাভ করা যায় না। আমি কি বলিনি, ও-সব ‘সীমান্ত-সমস্যার ব্যাপার? সত্য ও মিথ্যার সীমারেখা সব সময়েই বদলে যাচ্ছে।”

    আমাদের সামনে যাহা কিছু আসুক, বিচারপূর্বক উহা বুঝিবার প্রচেষ্টা সর্বদা থাকা চাই। কাহারও অলৌকিক দর্শনাদির কথা শুনিলে বলিতেই হইবে, নিজে ব্যক্তিগতভাবে অনুভব করলে তবেই আমি ওটা সত্য বলে গ্রহণ করব। কিন্তু আমাদের নিজেদের অনুভূতিকেও সম্পূর্ণভাবে বিশ্লেষণ করিয়া দেখিতে হইবে। কোন অলৌকিক ঘটনার যে ব্যাখ্যা প্রথমেই মনে আসিল, তাহাকেই সার জ্ঞান করিয়া নিশ্চিন্ত থাকিলে চলিবে না। চট করিয়া কোন সিদ্ধান্ত মানিয়া লইবার অনিচ্ছাসত্ত্বেও স্বামীজী শেষের দিকে পরলোকগত আত্মার পুনরাগমন সম্পর্কে বিশ্বাস করিতে বাধ্য হইয়াছিলেন। একবার ইচ্ছাপূর্বক তিনি বলেন, “আমি জীবনে অনেকবার ভূত দেখেছি এবং একবার শ্রীরামকৃষ্ণের দেহত্যাগের পরসপ্তাহে এক জ্যোতির্ময় অশরীরী আত্মা দেখেছি।” কিন্তু ইহা দ্বারা একথা বুঝায় না যে, ভূতুড়ে কর্তৃক ভূত নামাইবার যে-সকল চেষ্টা ও পরীক্ষা, তাহার অধিকাংশের প্রতি তাহার বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধা ছিল। এইরূপ একদিনের ঘটনায় জনৈক প্রসিদ্ধ ব্যক্তিকে উক্ত দলভুক্ত দেখিয়া তিনি বলেন, জাগতিক সকল বিষয়ে অসাধারণ বুদ্ধিমান এক ব্যক্তি যে তথাকথিত এক মিডিয়ামের (ভূতাবিষ্ট ব্যক্তির সামনে আসিয়াই সমস্ত বলবুদ্ধি খোয়াইয়া বসে, ইহা বড়ই পরিতাপের বিষয়। আমেরিকায় কয়েকটি ভূতনামানো ব্যাপারে তিনি দর্শকরূপে উপস্থিত ছিলেন, এবং ঐ সময়ে প্রদর্শিত অলৌকিক ব্যাপারের অধিকাংশই তিনি মনে করিতেন সম্পূর্ণ জুয়াচুরি। সব দেখিয়া শুনিয়া তিনি সার মন্তব্য প্রকাশ করেন যে, “সর্বত্রই অতি সহজ উপায়ে অতি বড় জুয়াচুরি চলে থাকে। আবার তিনি মনে করিতেন যে, এই সকল ঘটনার একটা বড় অংশকে বহির্জগতের সত্য না বলিয়া অন্তর্জগতের ব্যাপার হিসাবে ব্যাখ্যা করিলেই ভাল।(১) যদি এই সকল বাদ দিবার পরেও উহাদের কিছু অবশিষ্ট থাকে, তাহা হইলে সেটুকু বাস্তবিক যথার্থ হওয়া সম্ভব।

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বইয়ের
    অনলাইন বই
    PDF
    বাংলা লাইব্রেরী
    Books
    বাংলা ভাষা
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    ই-বই ডাউনলোড
    বই পড়ুন

    কিন্তু যদি এইরূপই হয়, তথাপি এই মায়িক জগতের জ্ঞানলাভ আমাদের চরম লক্ষ্য হইতে পারে না। দুই-চারিজন ভ্রাম্যমাণ জীবের কোন সূক্ষ্ম জগৎ হইতে স্থূল জগতে প্রত্যাবর্তনের দ্বারা অমৃতত্বের প্রকৃত ধারণা সম্বন্ধে অতি অল্প জ্ঞানই লাভ করা যায়। একমাত্র ত্যাগের দ্বারাই এই অমৃতত্ব লাভ করা যায়।

    স্বামীজীর মতে ভূতপ্রেতাদি লইয়া বেশি নাড়াচাড়া করার ফলে বাসনা ও অহঙ্কারের বৃদ্ধি হয়, এবং অসত্যে পতন অনিবার্য হইয়া পড়ে। যদি আত্মার জন্য জীবনের সাধারণ ভোগ-বাসনাই পরিত্যাগ করিতে হয়, তাহা হইলে এইসকল অলৌকিক ক্ষমতা আরও কতক অধিক পরিমাণে ত্যাজ্য! এমনকি, খ্রীস্টধর্মে সিদ্ধাই-এর ব্যাপার যদি না থাকিত, তাহা হইলে তিনি উহাকে উচ্চতর ধর্ম বলিয়া মনে করিতে পারিতেন। সিদ্ধাই-এর প্রতি ভগবান বুদ্ধের দারুণ ঘৃণা বৌদ্ধধর্মের চিরন্তন গৌরব। উহাদের মূল্য সম্পর্কে বড় জোর এই কথা বলা যায় যে, উহারা বিশ্বাস-উৎপাদনে কিঞ্চিৎ সাহায্য করে, তাহাও আবার ধর্মশিক্ষার প্রথম স্তরে। বাইবেলের ভাষায়, “সিদ্ধাই প্রভৃতি যাহা কিছু সব লোপ পাইবে। একমাত্র প্রেমই চিরকাল থাকিবে।” যে দৃঢ়চেতা ব্যক্তি এইসব প্রলোভন দূর করিতে পারেন, তাহার নিকটেই সত্যের দ্বার উদঘাটিত হয়। মহর্ষি পতঞ্জলির কথায়, “প্রসংখ্যানেহপ্যকুসীদস্য সর্বথা বিবেকখ্যাতেধর্মমেঘঃ সমাধিঃ”—যিনি সিদ্ধিসমূহ সমূলে পরিহার করিতে সমর্থ হন, তাহারই ধর্মমেঘ নামক সমাধিলাভ হয়; তিনিই ব্ৰহ্ম উপলব্ধি করেন।

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা কবিতা
    অনলাইন বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা বই
    গ্রন্থাগার
    বইয়ের

    ———–
    ১ যেমন, দাক্ষিণাত্যে একব্যক্তি মনের কথা বলিয়া দিবার ক্ষমতার জন্য বিশেষ খ্যাতিলাভ করে। সে বলিত, এক অদৃশ্য স্ত্রীমূর্তি তাহার নিকট দাঁড়াইয়া থাকিয়া বলিয়া দিত, তাহাকে কি বলিতে হইবে। স্বামীজী বলিতেন, “এই ব্যাখ্যা আমার পছন্দ না হওয়ায় আমি অপর ব্যাখ্যার অনুসন্ধান করিতে লাগিলাম। তিনি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, সে নিজের ভিতর হইতেই ঐসকল তথ্য লাভ করিত

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসারদামঙ্গল – বিহারীলাল চক্রবর্তী
    Next Article বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }