Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্বামীজীকে যেরূপ দেখিয়াছি – ভগিনী নিবেদিতা

    ভগিনী নিবেদিতা এক পাতা গল্প379 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. উত্তরভারত-ভ্রমণ

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ
    উত্তরভারত-ভ্রমণ

    ১৮৯৮ খ্রীস্টাব্দের গ্রীষ্মকালটি আমার স্মৃতিপটে কতকগুলি চিত্রের ন্যায় বিরাজ করিতেছে। ঐ চিত্রগুলি যেন প্রাচীনকালের বেদীর পশ্চাতে অবস্থিত পর্দার উপর ধর্মানুরাগ ও সরলতারূপ সোনালী জমির উপর অঙ্কিত। আর প্রত্যেকটি চিত্রই একজনের উপস্থিতির দ্বারা মহিমান্বিত; তিনি আমাদের অন্তরঙ্গ ভক্তমণ্ডলীর মধ্যবিন্দু। আমরা ছিলাম চারজন পাশ্চাত্য নারী; একজন ম্যাসাচুসেটসের অন্তর্গত কেমব্রিজ-নিবাসী মিসেস ওলিবুল, এবং অপর একজন কলিকাতার উচ্চপদস্থ এ্যাংলো-ইণ্ডিয়ান কর্মচারিবৃন্দের অন্যতম। গুরুভ্রাতা ও শিষ্যগণ-পরিবৃত স্বামীজী আমাদেরই পাশাপাশি ভ্রমণ করিতেছিলেন। আলমোড়ায় পৌঁছিয়া তিনি দলবলসহ সেভিয়ার-দম্পতির আতিথ্য গ্রহণ করেন। তাহারা ঐ সময়ে আলমোডায় অবস্থান করিতেছিলেন। আমরা কিছু দূরে একটি বাংলোয় স্থান গ্রহণ করিলাম। এইরূপে সকলেই অন্তরঙ্গ বলিয়া বেশ অবাধ স্বাধীনতার সহিত মেলামেশা করিবার সুবিধা হইয়াছিল। কিন্তু মাসখানেক পরে আমরা যখন আলমোড়া হইতে কাশ্মীর যাত্রা করিলাম, তখন সঙ্গিগণকে রাখিয়া স্বামীজী মিসেস বুলের অতিথিরূপে আমাদের সহিত যোগদান করেন।

    মে মাসের প্রথম হইতে অক্টোবরের শেষ পর্যন্ত আমরা কি অপরূপ দৃশ্যাবলীর মধ্য দিয়াই না ভ্রমণ করিয়াছি! আর প্রত্যেক নূতন স্থানে আসিবামাত্র কি অনুরাগ ও উৎসাহের সহিত স্বামীজী সেখানকার প্রত্যেক জ্ঞাতব্য বস্তুর সহিত আমাদের পরিচয় করাইয়া দিতেন! শিক্ষিত পাশ্চাত্যগণের ভারত সম্বন্ধে অজ্ঞতা এত অধিক যে, উহাকে প্রায় মূখতা বলা চলে; অবশ্য যাহারা চেষ্টা করিয়া এ বিষয়ে কতকটা জ্ঞান। আহরণ করিয়াছেন, তাঁহাদের কথা স্বতন্ত্র। সন্দেহ নাই, এ বিষয়ে আমাদের হাতে-কলমে শিক্ষার আরম্ভ হইল পাটনা বা প্রাচীন পাটলিপুত্র হইতে। রেলপথে পূর্বদিক হইতে প্রবেশ করিবার মুখে কাশীর ঘাটগুলির যে দৃশ্য চোখে পড়ে, তাহা জগতের দর্শনীয় দৃশ্যগুলির অন্যতম। স্বামীজী সাগ্রহে উহার প্রশংসা করিতে ভুলিলেন না। লক্ষ্ণৌ শহরে প্রস্তুত শিল্প ও বিলাস দ্রব্যগুলির নাম ও গুণবর্ণনা বহুক্ষণ ধরিয়া চলিল। যে-সকল মহানগরী সৌন্দর্যে স্বীকৃতি ও ইতিহাসে প্রসিদ্ধি লাভ করিয়াছে, শুধু তাহাদের বিষয় যে স্বামীজী আগ্রহের সহিত আমাদের মনে দৃঢ়ভাবে অঙ্কিত করিয়া দিতে প্রয়াস পাইতেন, তাহা নহে। আর্যাবর্তের সুবিস্তৃত খেত-খামার ও গ্রামবহুল সমতল প্রদেশ অতিক্রম করিবার সময় তাহার প্রেম যেরূপ উথলিয়া উঠিত, অথবা তাহার তন্ময়ভাব যেরূপ প্রগাঢ় হইত, এমন আর বোধহয় কোথাও হয় নাই। এইখানে তিনি অবাধে সমগ্র দেশকে অখণ্ডভাবে চিন্তা করিতে পারিতেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা তিনি বুঝাইবার চেষ্টা করিতেন, কিরূপে ভাগে জমি চাষ করা হয়; অথবা প্রত্যেক খুঁটিনাটি সহ কৃষক-গৃহিণীর দৈনন্দিন জীবন বর্ণনা করিতেন; যেমন, সকালের জলখাবারের জন্য যে খিচুড়ি রাত্রি হইতে উনানে চাপানো থাকিত, তাহার কথাও উল্লেখ করিতেন। এ বিষয়ে সন্দেহ নাই যে, এইসব কথা আমাদের নিকট বর্ণনাকালে তাহার নয়ন যে প্রদীপ্ত হইয়া উঠিত, অথবা কণ্ঠ যে আবেগ ভরে কম্পিত হইত, তাহা নিশ্চিত তাহার পরিব্রাজক জীবনের স্মৃতিবশতঃ। কারণ, সাধুদের নিকট শুনিয়াছি, ভারতের আর কোথাও দরিদ্র কৃষক কুটিরের ন্যায় অতিথি সৎকার হয় না। সত্য বটে, তৃণশয্যা অপেক্ষা কোন উৎকৃষ্টতর শয্যা, এবং মাটির চালাঘর ব্যতীত কোন ভাল আশ্রয় গৃহস্বামিনী অতিথিকে দিতে পারেন না; কিন্তু তিনিই আবার বাটীর অপর সকলে যখন নিদ্রিত, নিজে শেষ মুহূর্তে শয়ন করিতে যাইবার পূর্বে একটি দাঁতন ও একবাটি দুধ এমন জায়গায় রাখিয়া দেন, যাহাতে অতিথি নিদ্রাভঙ্গে সকাল বেলা উহা দেখিতে পান, এবংঅন্যত্র যাত্রাকরিবার পুর্বে যথাযথ ঐগুলির সদ্ব্যবহার করিতে পারেন।

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনী বই
    বই
    বাংলা কবিতা
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বইয়ের
    বাংলা উপন্যাস
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ই-বই

    সময়ে সময়ে এরূপ বোধ হইত, যেন স্বদেশের অতীত গৌরবই স্বামীজীর মনঃপ্রাণ সম্পূর্ণভাবে অধিকার করিয়া রহিয়াছে। তাহার ঐতিহাসিক চেতনা অতিমাত্রায় বিকাশলাভ করিয়াছিল। এইরূপে, বর্ষার প্রারম্ভে একদিন যখন আমরা উত্তপ্ত অপরাহ্নে তরাই অঞ্চল অতিক্রম করিতেছি, তখন স্বামীজী যেন আমাদের প্রত্যক্ষ করাইয়া দিলেন যে, এই সেই স্থান, যেখানে ভগবান বুদ্ধের কৈশোরকাল অতিবাহিত হয় এবং বৈরাগ্য দেখা দেয়। বন্য ময়ূরগণ মনে করাইয়া দিল রাজপুতনা ও তাহার চারণদের পল্লীগাথা। কদাচিৎ কোথাও একটি হস্তী স্বামীজীর প্রাচীনকালে যুদ্ধকাহিনী বর্ণনা করিবার উপলক্ষ হইয়া উঠিল। সেই প্রাচীন যুগের ভারত যতনি বিদেশী-আক্রমণের বিরুদ্ধে এই জীবন্ত কামানরূপ সামরিক প্রকার খাড়া করিতে পারিয়াছিল, ততদিন পরাজিত হয় নাই।

    বঙ্গদেশের সীমা অতিক্রম করিয়া আমরা যখন যুক্তপ্রদেশে প্রবেশ করিতেছি, তখন স্বামীজী আমাদের কাছে সেই সময়ে যে মহানুভব ইংরেজ তদানীন্তন শাসনকর্তৃপদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, তাঁহার বিচক্ষণতা ও কার্যপ্রণালীর কথা বলেন। মর্মস্পর্শী ভাষায় তিনি বলেন, “অন্যান্য শাসনকর্তা থেকে তার পার্থক্য এই যে, তিনি বোঝেন, প্রাচ্য দেশগুলিতে জনমত এখনও তেমন প্রবল হয়ে না ওঠায় শাসনভার ব্যক্তিবিশেষের ওপর থাকা আবশ্যক। সেজন্য কোন হাসপাতাল, কলেজ বা অফিসের লোক জানে না, কোন্ দিন তিনি পরিদর্শনের জন্য উপস্থিত হবেন। এবং অতি দরিদ্র ব্যক্তিও বিশ্বাস করে যে, একবার তার সঙ্গে দেখা করতে পারলেই তার কাছে সুবিচার পাবে।” প্রাচ্য দেশসমূহের শাসনব্যাপারে ব্যক্তিগত প্রভাবের গুরুত্ব অধিক, এই ভাবটি স্বামীজীর কথাবার্তায় বিশেষভাবে প্রকাশ পাইত। তিনি সর্বদা বলিতেন যে, বিচারের দৃষ্টিতে দেখিতে গেলে সমগ্র দেশশাসনের পক্ষে গণতন্ত্র বা ডিমক্রেসি সর্বাপেক্ষা অপকৃষ্ট শাসনপ্রণালী। তাহার অন্যতম প্রিয় ধারণা ছিল, এই সত্যটি উপলব্ধি করার ফলেই জুলিয়াস সীজার স্বয়ং সম্রাট-পদবী আকাঙক্ষা করেন। যাহার নিকট সর্বদা সহজে নিজ অভাব জানানো যায়, যাহার হৃদয়ে সহজে দয়ার উদ্রেক হয়, এবং যিনি অপরের মতামত উপেক্ষা করিয়া নিজের বিবেচনা মতো ন্যায়বিচারে সমর্থ-এরূপ কোন শাসনকর্তা বা সম্রাটরূপ ব্যক্তিবিশেষের পরিবর্তে রাজ্যে ক্রমিক বিভাগীয় ও উদাসীন আমলাতান্ত্রিক শাসনতন্ত্রের প্রবর্তন যে ভারতের দরিদ্র অধিবাসীর পক্ষে কত কষ্টকর হইয়া দাঁড়ায়, স্বামীজীর নিকট অনবরত শুনিয়া আমরা মধ্যে মধ্যে তাহা হৃদয়ঙ্গম করিতাম। কারণ, তাহার নিকট আমরা শুনিতে পাইলাম, ব্রিটিশ শাসনের প্রথমভাগে কত সরলচিত্ত ব্যক্তি যে লণ্ডনে উইগুসর প্রাসাদে ভারতেশ্বরী মহারানীর নিকট গিয়া সাক্ষাতে সমস্ত নিবেদন করিবার উদ্দেশ্যে নিজেদের যথাসর্বস্ব ক্ষয় করিয়াছে, তাহার ইয়ত্তা নাই। অধিকাংশ যাত্রীই এই নিষ্ফল যাত্রায় আশাভঙ্গ ও অভাবের মধ্যে নিজ নিজ গ্রাম ও বাড়িঘর হইতে বহুদূরে প্রাণ বিসর্জন করিয়াছে। জন্মভূমির দর্শনলাভ পুনরায় তাহাদের ভাগ্যে ঘটিয়া ওঠেনাই।

    আরও দেখুন
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    অনলাইন বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    সেবা প্রকাশনীর বই
    ই-বুক রিডার
    বাংলা গল্প
    অনলাইন বুক
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার

    কিন্তু, পাঞ্জাবে প্রবেশ করিয়াই আমরা স্বামীজীর গভীরতম স্বদেশ প্রেমের পরিচয় পাইলাম। সে সময়ে কেহ তাহাকে দেখিলে ধারণা করিয়া বসিতেন যে, স্বামীজী এই প্রদেশেই জন্মগ্রহণ করিয়াছেন! কত গভীরভাবে তিনি নিজেকে উহার সহিত একাত্ম করিয়াছিলেন। মনে হইত, ঐ প্রদেশের অধিবাসিগণের সহিত তিনি অনেক ভালবাসা ও ভক্তিব বন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন। যেন তাহাদের নিকট তিনি পাইয়াছেন অনেক, দিয়াছেনও অনেক। কারণ, তাহাদের মধ্যে কয়েকজন ছিলেন যাহারা জোর করিয়া বলিতেন, তাহাদের প্রথম ও শেষ গুরু-গুরু নানক ও গুরু গোবিন্দের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ স্বামীজীর চরিত্রে তাহারা লক্ষ্য করিয়াছেন। এমনকি, তাহাদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা সন্দেহপ্রবণ ব্যক্তিগণও তাহাকে বিশ্বাস করিতেন। আর যদি তাহার মতামত তাঁহারা মানিয়া লইতে না পারিতেন, অথবা যে ইউরোপীয়গণকে তিনি আপনার করিয়া লইয়াছিলেন–তাহাদের সম্পর্কে তাহার উচ্ছ্বসিত সহানুভূতি অনুমোদন না করিতেন, তাহা হইলে এই উদ্দামহৃদয় ব্যক্তিগণকে তাহাদের অপরিবর্তনীয় মনোভাব ও অটুট কঠোরতার জন্য যেন তিনি অধিকতর ভালবাসিতেন। যে পাঞ্জাবী বালিকা চরকা কাটিবার সঙ্গে সঙ্গে ‘শিবোহম’, ‘শিবোহম’, উচ্চারণ করিত তাহার কথা বর্ণনাকালে তাহার মুখমণ্ডল আনন্দে উদ্ভাসিত হইয়া উঠিত। ঐ বালিকার সম্পর্কে আমেরিকাবাসী শিষ্যগণ পূর্বেই অবহিত হইয়াছিলেন। আবার এ কথা বলিতে ভুলিয়া গেলে চলিবে না যে, এই পাঞ্জাব প্রদেশে প্রবেশ করিয়াই তিনি এক মুসলমান মেঠাইওয়ালাকে ডাকিয়া তাহার নিকট মুসলমানী খাবার কিনিয়া খান। জীবনের অপরাহ্নে কাশীতে অবস্থানকালে তিনি পুনরায় ঐরূপ আচরণ করেন বলিয়া জানা যায়।

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার সেবা
    উপন্যাস সংগ্রহ
    PDF
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা কমিকস
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    অনলাইন বুক
    বই পড়ুন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

    কোন গ্রামের ভিতর দিয়া যাইবার সময় তিনি আমাদের দরজার মাথায় ঝোলানো গাঁদাফুলের মালাগুলি দেখাইয়া দিতেন। উহা দ্বারা গৃহগুলি হিন্দু পরিবারের বলিয়া বোঝা যাইত। আবার ভারতবাসীরা ‘সুন্দর’ বলিয়া যাহার আদর করেন, গায়ের সেই ‘কাঁচা সোনার বর্ণ’ তিনি দেখাইয়া দিতেন। ইউরোপীয়দের আদর্শ যে ঈষৎ রক্তাভ শ্বেত গাত্রবর্ণ, তাহা হইতে ইহা কত বিভিন্ন। অথবা আমাদের সঙ্গে লইয়া টাঙ্গাযোগে যাইবার সময় সব ভুলিয়া যে শিব-মাহাত্ম্য বর্ণনায় তিনি কদাপি ক্লান্তিবোধ করিতেন না, তাহাতেই মগ্ন হইয়া যাইতেন। লোক সমাগম হইতে বহুদূরে পর্বতশিখরে মহাদেবের অবস্থিতি–মানবের নিকট যাহার প্রার্থনা কেবল নিঃসঙ্গতা—যিনি এক অনন্তধ্যানে সমাহিত।

    রাওয়ালপিণ্ডি হইতে গাড়ি করিয়া আমরা মারী যাই, এবং কয়েকদিন সেখানে অতিবাহিত করি। অতঃপর কতক টাঙ্গায়, কতক নৌকাযোগে কাশ্মীরের শ্রীনগর অভিমুখে গমন করি। পরবর্তী কয়েকমাস ভ্রমণকালে কাশ্মীর ছিল আমাদের প্রধান কেন্দ্র।

    এই যাত্রাপথের সৌন্দর্যবর্ণনায় সহজেই আত্মহারা হইয়া যাইতে হয়। পার্বত্য অরণ্যানী, গীর্জার আকারে শোভমান বিতস্তা গিরিসঙ্কটের পাহাড়গুলি ও শস্যক্ষেত্ৰমধ্যে অদৃশ্যপ্রায় গ্রামগুলি ঐ পথের অন্তর্গত। ঐ সময়ের কথা স্মরণ করিলে এক সৌন্দর্যময় দৃশ্যপরম্পরা মানসপটে উদিত হয়। ঐ সকল চিত্রের মধ্যে কাশ্মীরের কৃষক রমণীর উপযুক্ত রক্তবর্ণের মুকুট পরিহিতা ও শ্বেত অবগুণ্ঠনযুক্তা সেই প্রাচীন রমণীর স্মৃতিও কম মধুর নয়। ঐ পথ দিয়া যাইবার সময় হার সহিত সাক্ষাৎ করিতে গিয়া দেখিলাম, তিনি এক খামারের মধ্যে অবস্থিত বিশাল চেনার বৃক্ষতলে পুত্রবধূগণ পরিবৃত হইয়া চরকায় সূতা কাটিতেছেন। তাহার সহিত স্বামীজীর এই দ্বিতীয় সাক্ষাৎ। পূর্ব বৎসব স্বামীজী তাহার নিকট কোন ছোটখাট উপহার লাভ করেন। তাহার সম্বন্ধে এই গল্প করিতে স্বামীজী কখনও ক্লান্তিবোধ করিতেন না যে, বিদায় গ্রহণের পূর্বে তিনি তাহাকে জিজ্ঞাসা করেন, “মা, আপনি কোন ধর্মাবলম্বী?” ঐ প্রশ্ন-শ্রবণে বৃদ্ধার মুখ আনন্দ ও গর্বে উদ্ভাসিত হইয়া ওঠে, এবং আনন্দোৎফুল্ল উচ্চকণ্ঠে স্পষ্টভাবে বলেন, “ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, প্রভুর কৃপায় আমি মুসলমানী।”

    আরও দেখুন
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ইসলামিক বই
    গ্রন্থাগার
    সেবা প্রকাশনী বই
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বই
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা উপন্যাস

    অথবা শ্রীনগরের বহির্ভাগে অবস্থিত সমুন্নত লম্বার্ডিদেশসুলভ পারবীথির কথা এখানে উল্লেখ করিতে পারি। যেন হবিমা (Hobbema)-রচিত বিখ্যাত চিত্রখানির অবিকল অনুরূপ ‘ ভারত ও সনাতন-ধর্ম সম্পর্কে কত প্রসঙ্গই না আমরা এখানে শ্রবণ করিয়াছি!

    অথবা ফসল কাটা শেষ হইবার পর শূন্য ক্ষেতগুলিতে গ্রামবাসিগণ যে প্রমোদানুষ্ঠান করিয়া থাকে, তাহার কথা বহুক্ষণ ধরিয়া বর্ণনা করিতে পারি। অথবা ইসলামাবাদের সেই উন্নত পপলার-তরুশ্রেণীতলে যে তাম্রাভ ‘অ্যামারাস্থ শস্য কিংবা সদ্যোজাত হরিদ্বর্ণ ধানগাছগুলি—তাহাদের কথাও বলিতে পারি। বনফুলের মধ্যে উজ্জ্বল নীলবর্ণের একজাতীয় ‘ফরগেট-মিনট’ গ্রীষ্মকালে কাশ্মীরের ক্ষেতগুলিতে অতি সাধারণ দৃশ্য। কিন্তু শরৎ ও বসন্তকালে ক্ষেত ও নদীতীর ছোট ছোট বেগুনী ‘আইরিস’ ফুলে একেবারে ভরিয়া যায়। ঐ ফুলগুলির বর্শার মতো সুচাল পাতাগুলির মধ্যে বেড়াইতে বেড়াইতে উহাদের ঘাস বলিয়াই ভ্রম হয়। কোথাও পথেব পার্শ্বে ছোট ঘোট পাহাড় দৃষ্টি অবরোধ করিয়া দণ্ডায়মান। বোঝ যায়, ঐগুলি মুসলমানদের গোরস্থান। আইরিস কুসুমে আবৃত ঐ স্থানগুলি কি অসীম করুণ ভাবেরই না ইঙ্গিত করে।

    আরও দেখুন
    বাংলা কবিতা
    ই-বই ডাউনলোড
    পিডিএফ
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    গ্রন্থাগার সেবা
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বই
    বাংলা বই

    আবার এখানে সেখানে ঘাস ও আইরিস পুষ্পের মধ্যে দুই-চারটি গ্রন্থিবহুল আপেল, বা নাসপাতি কিংবা আলুবোখরার গাছ দেখিতে পাওয়া যায়। এক সময়ে প্রত্যেক গ্রামের প্রজাগণ রাজ-সরকার হইতে বিনা ব্যয়ে একটি করিয়া ফলবাগানের উপস্বত্ব ভোগ করিত। বৃক্ষগুলি তাহাদেরই ধ্বংসাবশেষ। একদিন গোধূলি সময়ে উচ্চ নদীতীরে ভ্রমণ করিতে করিতে দেখিতে পাইলাম, একদল মুসলমান রাখাল মাথা কানো লম্বা ছড়ি হাতে কতকগুলি রামছাগল তাড়াইয়া লইয়া গ্রামের দিকে যাইতেছে। কয়েকটি আপেল গাছের নিকট পৌঁছিয়া তাহারা একটু থামিল, এবং প্রার্থনাকালে ব্যবহৃত গালিচার পরিবর্তে কম্বল বিছাইয়া সেই ঘনায়মান গোধূলি-আলোকে সান্ধ্য উপাসনা আরম্ভ করিল। হৃদয় বলিয়া উঠে, এ সৌন্দর্যের অন্ত নাই বাস্তবিক অন্ত নাই।

    কিন্তু সত্যসত্যই বর্তমান গ্রন্থে এইসকল বিষয়ের কথা বলাই আমার উদ্দেশ্য নয়। আমার বর্ণনার বিষয় ভূগোল বা রাজনীতি নহে, এমনকি, কৌতূহলোদ্দীপক অধিবাসিবৃন্দ বা অপরিচিত জাতিসমূহের আচার ব্যবহারও নহে। সৌভাগ্যবশতঃ আধুনিক পরিবর্তনের যুগে শত বিরোধ ও জটিলতার মধ্যে, আমি সেই প্রাচীন যুগের যে বিশাল ধর্মজীবনের উন্মেষ দেখিতে পাইয়াছিলাম, এখানে তাহারই কিঞ্চিৎ আভাস দেওয়া আমার উদ্দেশ্য। আবার এই সকল বিরোধের বিষয় সম্যকরূপে অবগত ছিলেন বলিয়া যে মহাপুরুষ সমধিক মমর্যাতনা ভোগ করিতেন, তাহার সম্বন্ধে বলিবার ইচ্ছা থাকিলেও আমার অক্ষমতাবশতঃ ঐ বর্ণনা অসংলগ্ন ও অস্পষ্টই থাকিয়া যাইবে। স্বামীজী নিজে একবার বলিয়াছিলেন, শ্রীরামকৃষ্ণ ছিলেন, “একটি ফুলেরমতো”। মন্দির সংলগ্ন উদ্যানে স্বতন্ত্রভাবে জীবনযাপন করিতেন; সরল, অর্ধনগ্ন, আচারনিষ্ঠ, প্রাচীন-ভারতের আদর্শস্বরূপ; সহসা তিনি এমন এক জগতে পূর্ণ বিকশিত হইয়া ওঠেন, যে জগৎ তাহার প্রাচীনকালের স্মৃতি পর্যন্ত মুছিয়া ফেলিতে চাহিয়াছিল। আমার গুরুদেবের জীবনে একাধারে মহত্ত্ব ও বেদনার বিষয় এই যে, তিনি নিজে ঠিক ঐ ঘঁচের লোক ছিলেন না। তাহার মনের গঠন ছিল সম্পূর্ণভাবে আধুনিক। মনের যে অবস্থায় মানুষ ঈশ্বরকে প্রত্যক্ষ করে–সেই শাশ্বত-প্রজ্ঞালোকে তাহার চিত্তও উদ্ভাসিত থাকিত, কিন্তু সেই সঙ্গে বর্তমান যুগের মনীষী ও কর্মিবৃন্দের সম্মুখে উপস্থিত সকল প্রশ্ন ও সমস্যার উপরেও তাহার আলোক আসিয়া পড়িত। তাঁহার আশা বিংশ শতাব্দীর জনগণের আশাকে আপনার অন্তর্ভুক্ত করিয়া লইতে অথবা বর্জন করিয়া চলিতে পারিত, কিন্তু কদাচ উপেক্ষা করিতে পারিত না। সমুদয় জ্ঞানভাণ্ডার সুসংবদ্ধ হওয়ার ফলে সমগ্র মানবজাতির দুর্দশা ও তাহার প্রতিকূলে সংগ্রামের যে দৃশ্য উজ্জ্বল আলোকছটার ন্যায় সহসা লোকের দৃষ্টিপথে পড়িয়াছিল, তাহা ইউরোপীযগণের ন্যায় তাহাকেও সচেতন করিয়া তোলে। ইউরোপ এ বিষয়ে কি অভিমত প্রকাশ করিয়াছে, তাহা আমরা জানি। গত ষাট বৎসর বা ততোধিক কাল ধরিয়া ইউরোপীয় কলা, বিজ্ঞান ও কাব্য হতাশার ক্রন্দনে পূর্ণ। একদিকে অধিকার প্রাপ্ত জাতিগুলির ক্রমবর্ধমান আত্মতুষ্টি ও ইতরজনোচিত প্রবৃত্তি, অন্যদিকে অধিকারচ্যুত জাতিগুলির ক্রমবর্ধমান বিষাদ ও যন্ত্রণা; আর মানবের অতি উদার প্রকৃতি উহাকে ক্ষতিকর পাপ বলিয়া জানিলেও প্রতিকার বা দমনে অসমর্থ—ইউরোপের শ্রেষ্ঠ মনীষিগণের চক্ষে এই দৃশ্যই পড়ে। অনিচ্ছাসত্ত্বেও মর্মযাতনা ভোগ করিলেও, ইহা সত্য যে, উপায়ান্তর না দেখিয়া পাশ্চাত্য শিক্ষাদীক্ষা নিশ্চল অবস্থায় উচ্চৈঃস্বরে কেবল ইহাই বলিতে পারে, “যাহার আছে, তাহাকে আরও দেওয়া হইবে, আর যাহার নাই, তাহার নিকট হইতে সামান্যতম সম্বলটুকুও কাড়িয়া লওয়া হইবে। সাবধান, যে পরাজিত হইবে, তাহারই সর্বনাশ।”

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বিনামূল্যে বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা ভাষা
    পিডিএফ
    সেবা প্রকাশনীর বই

    প্রাচ্য জ্ঞানিমণ্ডলীরও কি এই অভিমত? তাহা হইলে মানবজাতির আর আশা কি? আমার গুরুদেবের জীবনে আমি এই প্রশ্নের উত্তর পাই। তাহার মধ্যে একাধারে ভারত ও সমগ্র জগতের অতীতকালের অসংখ্য আচার্য ও ঋষির যে আধ্যাত্মিক আবিষ্কার ও ধর্মলাভের জন্য সংগ্রাম—তাহারই উত্তরাধিকারী এবং এক নূতন ধরনের ভবিষ্যৎ উন্নতির প্রবর্তক ও ঋষির সমাবেশ ঘটিয়াছে দেখিতে পাই। কোন একটি সমস্যাকে তিনি যেভাবে মনের মধ্যে গ্রহণ করিতেন, তাহাতেই আমি উহার সমাধানের ইঙ্গিত পাইতাম; এবং প্রথম হইতেই আমি উহার ঠিক বিপরীত মত দৃঢ়ভাবে পোষণ না করিয়া থাকিলে (সেক্ষেত্রে স্বামীজীই উহা প্রথম আমাকে ধরাইয়া দিতেন) তাহার সমাধান আমার নিকট বিশেষ মূল্যবান বলিয়া বোধ হইত। এইভাবে চিন্তা করিয়াছি বলিয়া আমার বিশ্বাস, যে উন্নততর অসাধারণ চিন্তাধারা ও জ্ঞানরাজ্যে তিনি স্বচ্ছন্দে বিচরণ করিতেন, আধুনিক যুগে তাহার প্রত্যেকটির কোন-না-কোন সার্থকতা আছে। আমার বিশ্বাসবহু জিনিস, যাহা বুঝিতে পাবি নাই বলিয়া আমার দৃষ্টি অতিক্রম করিয়াছে, তাহা অন্য কাহারও জীবনে উপযুক্ত ক্ষেত্ৰ লাভ করিবে। আর প্রার্থনা করি, নিজের মনগড়া কোন কিছু জুড়িয়া না দিয়া, অথবা সত্যের অপলাপ ঘটে এমন রঙ না লাগাইয়া, আমি যেন সর্বদা সত্য সাক্ষ্য প্রদান করিতে পারি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসারদামঙ্গল – বিহারীলাল চক্রবর্তী
    Next Article বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }