Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্বামীজীকে যেরূপ দেখিয়াছি – ভগিনী নিবেদিতা

    ভগিনী নিবেদিতা এক পাতা গল্প379 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. ক্ষীরভবানী

    নবম পরিচ্ছেদ
    ক্ষীরভবানী

    অমরনাথ যাত্রার পূর্ব পর্যন্ত আমাদের জীবনের প্রত্যেকটি ঘটনা ছিল শিববিষয়ক চিন্তার সহিত জড়িত; প্রতি পদক্ষেপে মনে হইত, আমরা সেই চিরতুষারমণ্ডিত মহান পর্বতমালার সমীপবর্তী হইতেছি, যাহা একাধারে তাহার প্রতিরূপ এবং আবাসভূমি। সায়াহ্নে তুষারময় গিরিসঙ্কট ও আন্দোলিতসরলবৃক্ষগুলির উপর দিয়া দৃশ্যমান নবীন চন্দ্রমা যেন আমাদের জোর করিয়া মহাদেবের কথা স্মরণ করাইয়া দিত। সর্বোপরি, যে ধ্যানরাজ্যের পরিমণ্ডলে আমরা অবস্থান করিতেছিলাম, তাহার অন্তরতম প্রদেশে ও কেন্দ্রস্থলে সেই মহাদেবই বিরাজ করিয়া থাকেন ধ্যানমগ্ন, নির্বাক—যিনি সর্বগুণের অতীত, মনোবুদ্ধির অগোচর। একদা নিঃসন্দেহ যে, প্রজ্ঞাসহায়ে মানুষ ঈশ্বরকে যতদূর ধারণা করিতে সমর্থ হইয়াছে, হিন্দুর এই শিববিষয়ক ধারণা তাহার সর্বোচ্চ সীমা। তিনিই সর্বোপাধিবর্জিত ঈশ্বর, আবার তাহাকেই অন্তরের অন্তরতম প্রদেশে লাভ করা যায়।

    সম্ভবতঃ চরম জ্ঞানের অন্বেষণে, অব্যক্ত সত্তাকে এইরূপ ব্যক্তি জ্ঞানে চিন্তা করার পর ঈশ্বর সম্বন্ধে বিপরীত ধারণা—অর্থাৎ ঈশ্বরকে এই পরিদৃশ্যমান জগতের অন্তরালে অবস্থিত শক্তিরূপে চিন্তা করা অনিবার্য হইয়া পড়ে। সহজেই বুঝা যায়, যিনি এই উভয় ভাবের গভীরতম তত্ত্ব হৃদয়ঙ্গম করিয়াছেন, তাঁহার পক্ষে প্রতীক সহায়ে ঈশ্বরকে ধারণা করিবার জন্য মানব মনের যে চেষ্টা তাহার প্রত্যেকটির অর্থবোধ করা সম্ভব, কারণ, সকল প্রতীকই শিব বা অনন্ত সত্তা ও শক্তি এই দুই প্রতীকের একটির অন্তর্ভুক্ত হইবেই। মানুষ যদি পরব্রহ্মকে আদৌ চিন্তা করে, তবে অনাদি-অনন্ত সত্তারূপে, অথবা অনাদি-অনন্ত শক্তিরূপে তাঁহার চিন্তা করিতে হইবে। এই তথ্যের অন্তরালে কোন প্রাকৃতিক নিয়ম বিদ্যমান কিনা, সে বিষয়ে চিরকাল অনুমান বা কল্পনার অবকাশ থাকিয়া যাইবে। যাহা হউক, কোন অজ্ঞাত কারণে, ক্ষীরভবানী। আগস্ট মাস হইতে স্বামীজীর চিত্ত শিব হইতে শক্তির প্রতি আকৃষ্ট হয়। সর্বদাই তিনি রামপ্রসাদের গানগুলি গাহিতেন, যেন নিজেকে শিশুরূপে কল্পনা করিয়া সেইভাবে মগ্ন হইতে চাহিতেন। একবার তিনি আমাদের কয়েকজনকে বলেন, যে দিকেই দৃষ্টিপাত করিতেছেন, জগন্মাতার উপস্থিতি অনুভব করিতেছেন—যেন তিনি সাকার রূপ ধারণ করিয়া কমধ্যে বিরাজ করিতেছেন। সর্বদা জগন্মাতা সম্বন্ধে অত্যন্ত সরল ও স্বাভাবিকভাবে কথা বলা তাঁহার অভ্যাস হইয়া গিয়াছিল। আমাদের দলের মধ্যে যাহারা প্রবীণ ছিলেন, তাঁহারাও এই ধরনে কথাবার্তা বলিতে আরম্ভ করিয়াছিলেন। সুতরাং কোন সযত্নপোষিত উদ্দেশ্য ত্যাগ করিবার প্রয়োজন হইলে তাহারা এই বলিয়া মনকে প্রবোধ দিতেন, “মার যা ইচ্ছা, মা সব জানেন।”

    কিন্তু ক্রমে স্বামীজীর তন্ময়ভাব গাঢ়তর হইল। ক্ষোভের সহিত তিনি অভিযোগ করিলেন, চিন্তারূপ ব্যাধির দ্বারা তিনি পীড়িত—যে চিন্তা মানুষকে দগ্ধ করে, নিদ্রা বা বিশ্রামের অবসর দেয় না, এবং বহু সময় ঠিক যেন মানুষের কণ্ঠস্বরের ন্যায় প্রবোচিত করিতে থাকে। তিনি সর্বদা আমাদের নিকট সুখ-দুঃখ, ভাল-মন্দ প্রভৃতি সর্বপ্রকার দ্বন্দ্বের অতীত হইবার আদর্শটি বোধগম্য করিবার চেষ্টা করিতেন—যে ধারণায় হিন্দুর পাপবোধ সমস্যার সমাধান নিহিত। কিন্তু বর্তমানে মনে হইল, তিনি যেন জগতের মধ্যে যাহা কিছু ঘোররূপ, যন্ত্রণাদায়ক ও দুর্বোধ্য, তাহারই উপর সমগ্র মন অৰ্পণ করিয়াছেন। ঐ পথ অবলম্বনে এই জগৎপ্রপঞ্চের পশ্চাতে অবস্থিত অদ্বয় ব্রহ্মকে লাভ করিবার জন্য তাহার দৃঢ় সঙ্কল্প দেখা গেল। কাশ্মীর যাত্রার উদ্দেশ্য ব্যর্থ হওয়ায় ভীষণের পূজাই এখন তাঁহার মূলমন্ত্র হইয়া উঠিল। রোগ ও যন্ত্রণা তাহাকে মনে করাইয়া দিত, “যেখানে বেদনা অনুভূত হইতেছে, সে স্থান তিনি, তিনিই যন্ত্রণা এবং যন্ত্রণাদাতা। কালী! কালী! কালী!”

    আরও দেখুন
    অনলাইন বই
    Library
    বই
    বইয়ের
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    পিডিএফ
    বুক শেল্ফ
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা লাইব্রেরী

    একদিন তিনি বলেন, তাহার মাথায় কতকগুলি চিন্তা প্রবল হইয়া উঠিয়াছে এবং উহাকে লেখনী সাহায্যে প্রকাশ না করা পর্যন্ত তাহার অব্যাহতি নাই। সেই সন্ধ্যায় কোন স্থানে ভ্রমণের পরে বজরায় প্রত্যাবর্তন করিয়া দেখিলাম, স্বামীজী আসিয়াছিলেন এবং আমাদের জন্য স্বহস্তে লিখিত Kali the Mother

    (মৃত্যুরূপা মাতা’) কবিতাটি রাখিয়া গিয়াছেন। পরে শুনিলাম, দিব্যভাবের তীব্র উন্মাদনায় কবিতাটি লেখা শেষ হইবামাত্র তিনি মেঝের উপর পড়িয়া গিয়াছিলেন।

    কবিতাটি এই :

    মৃত্যুরূপা মাতা

    নিঃশেষেনিভেছে তারাদল, মেঘ এসে আবরিছে মেঘ,
    স্পন্দিত, ধ্বনিত অন্ধকার, গরজিছে ঘূর্ণ বায়ুবেগে!
    লক্ষ লক্ষ উন্মাদ পরাণ বহির্গত বন্দিশালা হতে,
    মহাবৃক্ষ সমূলে উপাড়ি, ফুৎকারে উড়ায়ে চলে পথে!
    সমুদ্র সংগ্রামে দিল হানা, উঠে ঢেউ গিরিচূড়া জিনি,
    নভস্তল রশিতে চায়! ঘোররূপা হাসিছে দামিনী।
    প্রকাশিছে দিকে দিকে তার, মৃত্যুর কালিমা মাখা গায়,
    লক্ষ লক্ষ ছায়ার শরীর! দুঃখরাশি জগতে ছড়ায়,
    নাচে তারা উন্মাদ তাণ্ডবে; মৃত্যুরূপা মা আমার আয়!
    করালি। করাল তোর নাম, মৃত্যু তোর নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে;
    তোর ভীম চরণ-নিক্ষেপ প্রতিপদে ব্রহ্মাণ্ড বিনাশে!
    কালী, তুই প্রলয়রূপিণী, আয় মাগো, আয় মোর পাশে।
    সাহসে যে দুঃখ দৈন্য চায়, মুত্যুরে যে বাধে বাহুপাশে
    কাল-নৃত্য করে উপভোগ, মাতৃরূপা তারি কাছে আসে।(২)

    আরও দেখুন
    Library
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    পিডিএফ
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা কবিতা
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন

    এই সময়ের কিছুদিন পূর্ব হইতে স্বামীজী তাহার নৌকা আমাদের নিকট হইতে দূরে সরাইয়া লন। একজন তরুণ ব্রাহ্ম ডাক্তাব ঐ গ্রীষ্মকালে কাশ্মীরে অবস্থান করিতেছিলেন। তিনিই কেবল জানিতেন, স্বামীজী কোথায় আছেন এবং তাহার দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সম্বন্ধেও খোঁজ-খবর লইতে পারিতেন। স্বামীজীর প্রতি তাহার সহৃদয়তা ও ভক্তিপূর্ণ ব্যবহার প্রশংসার অতীত। পরদিন প্রতিদিনের মতো ডাক্তারবাবু স্বামীজীর নিকট গেলেন, কিন্তু তাহাকে ধ্যানমগ্ন দেখিয়া কোন কথা না বলিয়া ফিরিয়া আসেন। পরদিন ৩০ সেপ্টেম্বর স্বামীজী ক্ষীরভবানী নামক কুণ্ডদর্শনে যাত্রা করেন, বলিয়া যান, কেহ যেন তাহার অনুসরণ না করে। সেইদিন হইতে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অনুপস্থিত ছিলেন।

    ঐ দিন অপরাহ্নে দেখিলাম, তিনি নৌকায় ফিরিয়া আসিতেছেন। নৌকা স্রোতের উজানে চলিতেছে। তিনি এক হাতে নৌকার ছাদের বাঁশের খুঁটি ধরিয়া সামনে দাঁড়াইয়া আছেন। তাহার অপর হাতে একছড়া গাঁদাফুলের মালা। তাঁহার আকৃতি যেন পরিবর্তিত হইয়া গিয়াছে। বজরায় প্রবেশ করিয়া তিনি নীরবে মালাছড়াটি এক এক করিয়া সকলের মস্তকে স্পর্শ করাইয়া আশীর্বাদ করিলেন। অবশেষে মালাটি একজনের হাতে দিয়া বলিলেন, “এটি আমি মাকে নিবেদন করেছিলাম।” তারপর তিনি উপবেশন করিলেন, এবং হাসিতে হাসিতে বলিলেন, “আর ‘হরিঃ ও’ নয়, এবার ‘মা’, ‘মা’!”

    আরও দেখুন
    ই-বুক রিডার
    অনলাইন বই
    বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    PDF
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ভাষা
    বাংলা লাইব্রেরী
    পিডিএফ
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

    আমরা নিস্তব্ধ বসিয়া রহিলাম। কথা বলিবার চেষ্টা করিলেও পারিতাম না। এমন কিছুতে স্থানটি এরূপ ভরপুর হইয়া গিয়াছে যে, চিন্তাস্রোতও যেন থামিয়া গিয়াছে। তিনি আবার বলিলেন, “আমার সব স্বদেশপ্রেম ভেসে গেছে। আমার সব গেছে। এখন কেবল ‘মা’, ‘মা’!”

    ক্ষণকাল নীরবতার পর তিনি কেবল বলিলেন, “আমার খুব অন্যায় হয়েছে। মা আমাকে বললেন, “যদিই বা ম্লেচ্ছরা আমার মন্দিরে প্রবেশ করে, আমার প্রতিমা অপবিত্র করে, তোর তাতে কী? তুই আমাকে রক্ষা করিস, না আমি তোকে রক্ষা করি? সুতরাং আমার আর স্বদেশপ্রেম বলে কিছুই নেই। আমি তো ক্ষুদ্র শিশু মাত্র!”

    তারপর তিনি নানা বিষয়ে এবং অবিলম্বে কলিকাতা যাত্রার কথা বলিলেন। গত সপ্তাহের নানারূপ মানসিক দুশ্চিন্তার ফলে তাঁহার যে শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয়, তাহারও উল্লেখ করিলেন। সস্নেহে বলিলেন, “এখন আমি এর চেয়ে বেশি বলতে পারব না; নিষেধ আছে।” বিদায় লইবার পূর্বে আবার বলিলেন, “কিন্তু আধ্যাত্মিকতার দিক থেকে আমি কোনরূপ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হইনি।”

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বই পড়ুন
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    PDF
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ভাষা
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বইয়ের

    পরবর্তী কয়দিনে আমরা স্বামীজীকে অতি অল্পই দেখিয়াছিলাম। তবে পরদিন প্রাতরাশের পূর্বে আমাদের মধ্যে দুইজন অতি অল্পক্ষণের জন্য তাহার সঙ্গে নদীতীরে উপস্থিত ছিলেন, এমন সময় নাপিতকে আসিতে দেখিয়া তিনি বলিলেন, “এ সব আর থাকবে না।” তিনি চলিয়া গেলেন এবং আধ ঘণ্টা পরে ফিরিয়া আসিলেন একেবারে মুণ্ডিত মস্তকে। গত সপ্তাহে কঠোর তপস্যা ও সাধনার দ্বারা তিনি যে দিব্যদর্শন লাভ করিয়াছিলেন, তাহার বিশেষ বিবরণ আমরা মধ্যে মধ্যে তাহার কথা বা আচরণের মাধ্যমে অনুমান করিয়া লইতাম—এখন ঐ সকল স্মরণ করিয়া বর্ণনা করা অসম্ভব বলিয়াই মনে হয়। তাহার উপবাস, কুণ্ডে প্রত্যহ পায়স ও বাদাম ভোগ নিবেদন এবং প্রতিদিন প্রাতে এক ব্রাহ্মণপণ্ডিতের শিশুকন্যাকে কুমারী উমারূপে পূজা করা—এসকল আমরা কল্পনানেত্রে দেখিতে পাইতাম। আবার এই সকল অনুষ্ঠান এরূপ পূর্ণ অহংশূন্যতায় সম্পন্ন হইয়াছিল যে, উহার ফলে তাহার বিশেষ শারীরিক অনিষ্ট হইলেও সেজন্য কখনও তাঁহার মনে বিন্দুমাত্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায় নাই।

    একদিন এক ব্যক্তি একটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিতে আসেন। স্বামীজী সন্ন্যাসীর পরিচ্ছদে ও মুণ্ডিতমস্তকে ঠিক সেই সময়ে আসিয়া পড়েন। “ন্যায়ের সমর্থন করিতে গিয়া মৃত্যুও শ্রেয়ঃ অথবা গীতার উপদেশ(৩) গ্রহণ করা উচিত, যাহাতে কোন কিছুর প্রতিকার না করিতে হয়?”–তাহার নিকট এই সমস্যাটি উপস্থাপিত করা হয়। বহুক্ষণ নিস্তব্ধ থাকিয়া স্বামীজী ধীরে ধীরে বলিলেন, “আমি কোন প্রতিকারের পক্ষপাতী নই।” তারপর আবার বলিলেন, “এটি সন্ন্যাসীর জন্য। গৃহীর পক্ষে আত্মরক্ষাই বিহিত।”

    আরও দেখুন
    বিনামূল্যে বই
    PDF
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা কবিতা
    পিডিএফ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ই-বই
    বাংলা কমিকস
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

    স্বামীজীর অন্তর্মুখ ভাব ক্রমশঃ গভীর ও গাঢ় হইতে লাগিল। এই সময়টিকে ‘তাহার জীবনের সঙ্কট-মুহূর্ত বলিয়া তিনি একবার উল্লেখ করেন। আবার জগন্মাতার ক্রোড়স্থিত শিশু বলিয়া নিজেকে তিনি অভিহিত করেন, মা তাহাকে আদর করিতেছেন। আর আমাদেরও স্বতই মনে হইল, হয়তো জগন্মাতার এই আদর মানবের স্নায়ু ও মনে দুঃসহ যন্ত্রণারূপে প্রকাশ পায়; তথাপি তাহারই স্নেহপ্রসূত বলিয়া পরমানন্দে স্বীকৃতি লাভ করে। তিনি কি বলেন নাই, “তীব্র যন্ত্রণার মধ্যেও পরম আনন্দ থাকতে পারে?”

    সকল ব্যবস্থা হইয়া যাইবামাত্র আমরা বারামুল্লা যাত্রা করিয়া ১১ অক্টোবর, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পৌঁছিলাম। পূর্বেই স্থির হয় যে, তিনি পরদিন অপরাহ্নে লাহোর যাত্রা করিবেন এবং আমরা আরও কিছুদিন বারামুল্লায় অবস্থান করিব। নদীপথে আসিবার সময় আমরা তাঁহাকে অতি অল্পই দেখিতে পাইয়াছিলাম। তিনি প্রায় সর্বদাই মৌনাবলম্বী থাকিতেন এবং একাকী নদীতীরে দীর্ঘকাল ধরিয়া ভ্রমণ করিতেন-কদাচিৎ আমাদের বজরায় তাহার পদার্পণ ঘটিত। ভারত-প্রত্যাবর্তনের পর দীর্ঘকালব্যাপী পরিশ্রমে তাঁহার স্বাস্থ্য একেবারে ভাঙিয়া যায়। আবার সাম্প্রতিক মহান উপলব্ধির ফলে তাঁহার শারীরিক অবনতি তাহাকে এতদূর অবসন্ন করিয়া তোলে যে, তিনি নিজে উহা তেমন বুঝিতে পারেন নাই! নির্দিষ্ট মাত্রা অতিক্রম করিলে যন্ত্রণার যেমন আর উপলব্ধি হয় না, তেমন শরীরও অনির্দিষ্ট কাল ধরিয়া মাত্রাতিরিক্ত আধ্যাত্মিক ভাবাবেগ ধারণে অসমর্থ হয়। বোধ হয়, এই সকল কারণে আমাদের মনে হইতেছিল, কে জানে কত দিনের জন্য আমরা তাহার নিকট বিদায় লইতেছি। আর সম্ভবতঃ এই চিন্তা করিয়াই তিনি বুধবার প্রাতে জলযোগ শেষ হইয়া যাইবার পর আমাদের নিকট আগমন করেন এবং কথাবার্তা বলিবার জন্য থাকিয়া যান।

    আরও দেখুন
    বাংলা গল্প
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা কমিকস
    বই পড়ুন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বুক শেল্ফ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    গ্রন্থাগার সেবা
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা ই-বই

    সেদিন সকালে ঘন্টার পর ঘণ্টা কথাবার্তায় কাটিয়া গেল। এখানে তাহার বিশদ বিবরণ দেওয়া অপেক্ষা, আমাদের মনে উহা কিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করিয়াছিল, তাহার একটা সাধারণ আভাস দেওয়া সহজ। কথা শুনিতে শুনিতে আমরা যেন এক অন্তরতম পবিত্র রাজ্যে প্রবেশ করিলাম। মধ্যে মধ্যে তিনি কোন ভক্তিমূলক সঙ্গীতের একাংশ গাহিয়া তাহার অনুবাদ করিতেছিলেন—গানগুলি সবই জগন্মাতার উদ্দেশ্যে।

    “শ্যামা মা উড়াচ্ছ ঘুড়ি (ভব সংসার বাজার মাঝে)…
    ঘুড়ি লক্ষের দুটো-একটা কাটে, হেসে দাও মা হাত চাপড়ি,”

    এই গানটি তিনি বহুক্ষণ ধরিয়া বার বার গাহিলেন। গানের সঙ্গে সঙ্গে সেই ভক্তজন চিত্তহারিণী শ্যামা মায়ের মূর্তি আমাদের মনে উজ্জ্বল হইয়া উঠিতে লাগিল।

    নিজের কবিতা হইতে তিনি আবৃত্তি করিলেন–

    “দুঃখরাশি জগতে ছড়ায়,
    নাচে তারা উন্মাদ তাণ্ডবে; মৃত্যুরূপা মা আমার আয়!
    করালি! করাল তোর নাম, মৃত্যু তোর নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে;
    তোর ভীম চরণ-নিক্ষেপ প্রতিপদে ব্রহ্মাণ্ড বিনাশে।”

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বইয়ের
    অনলাইন বুক
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বিনামূল্যে বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

    মাঝখানে তিনি থামিয়া বলিলেন, “দেখেছি, সব বর্ণে বর্ণে সত্য!”–

    “সাহসে যে দুঃখ দৈন্য চায়, মৃত্যুরে যে বাধে বাহুপাশে,
    কাল-নৃত্য করে উপভোগ, মাতৃরূপা তারি কাছে আসে।”

    “মা সত্যসত্যই তার কাছে আসেন। আমি নিজ জীবনে এটি প্রত্যক্ষ করেছি। কারণ, আমি মৃত্যুকে সাক্ষাত্তাবে আলিঙ্গন করেছি!”

    ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে তিনি কথা বলিলেন। বলিলেন, “গঙ্গাতীরে মৌনী কৌপীনমাত্রধারী পরিব্রাজকজীবন যাপন ছাড়া আর কোন কামনা নেই। আব কিছুরই আমার প্রয়োজন নেই। স্বামীজী চিরদিনের মতো মরে গেছে। আমি কে যে জগৎকে শিক্ষা দেবার দায়িত্ব আমার বলে মনে করছি? এ কেবল বৃথা আস্ফালন ও অহঙ্কার। জগন্মাতার আমাকে কোন প্রয়োজন নেই আমারই জগন্মাতাকে প্রয়োজন। এই অবস্থা যিনি উপলব্ধি করেছেন, তার কাছে নিষ্কাম কর্মও মায়া ব্যতীত আর কিছু নয়।

    আরও দেখুন
    Books
    PDF
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বইয়ের
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা ইসলামিক বই
    বইয়ের
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    সেবা প্রকাশনীর বই

    “প্রেমই একমাত্র পথ। লোকে যদি আমাদের প্রতি অন্যায় করে থাকে, তাহলেও আমাদের তাদের ভালবেসে যেতে হবে, অবশেষে তারা এই ভালবাসায় বশ না হয়ে থাকতে পারবে না। এই আর কি।”

    .

    তথাপি এই কথাগুলি লিপিবদ্ধ করিতে গিয়া আমি বেশ বুঝিতেছি, ইহারা যে বিশাল হৃদয়ের ভাষা, তাহার বিন্দুমাত্র আভাস আমি দিতে পারিব না। জগতের যে-কোন ব্যক্তির সামান্য আঘাতও যেন আমাদের গুরুদেবের হৃদয়কে স্পর্শ না করিয়া যাইত না; কোন যন্ত্রণাই, এমনকি মৃত্যু-যন্ত্রণাও যেন তাহার নিকট হইতে প্রেম ও আশীর্বাদ ব্যতীত আর কিছু বাহির করিতে পারিত না।

    তিনি আমাদের বশিষ্ঠ ও বিশ্বামিত্রের কাহিনী বলিলেন; বশিষ্ঠের শতপুত্র বিশ্বামিত্র কর্তৃক নিহত, পুত্ৰশোকভারাক্রান্ত ঋষিকে কিরূপ জীবন যাপন করিতে হইয়াছিল তাহাও বলিলেন। অতঃপর স্বামীজী চন্দ্রালোকে বৃক্ষরাজির মধ্যে অবস্থিত কুটিরের বর্ণনা করিলেন কুটিরের মধ্যে বশিষ্ঠ এবং তাহার স্ত্রী অরুন্ধতী। ঋষি তাহার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিরচিত অমূল্য গ্রন্থপাঠে নিবিষ্টচিত্ত, এমন সময়ে অরুন্ধতী নিকটে আসিয়া মুহূর্তের জন্য নত হইয়া দেখিলেন তিনি কি করিতেছেন, তারপর বলিয়া উঠিলেন, “দেব, আজ চন্দ্রের কি উজ্জ্বল শোভা!” ঋষি না তাকাইয়া বলিলেন, “প্রিয়ে, বিশ্বামিত্রের প্রতিভা তার চেয়ে দশ হাজার গুণ উজ্জ্বল!”

    আরও দেখুন
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    পিডিএফ
    ই-বুক রিডার

    সব ভুলিয়া গিয়াছেন! শতপুত্রের নিধন, নিজের অপমান, ক্লেশ-সমস্ত বিস্মৃত হইয়া তিনি তাহার শত্রুর প্রতিভার প্রশংসায় তন্ময়!

    “আমাদের প্রেমও ঐরূপ হওয়া চাই, বিশ্বামিত্রের প্রতি বশিষ্ঠের যেরূপ ছিল—তাতে ব্যক্তিগত ভালমন্দের স্মৃতির লেশমাত্র থাকবে না” –স্বামীজী বলিলেন।

    এই সময়ে একজন কৃষক কতকগুলি পল্লবসমেত নাশপাতি ফুল আনিয়া আমরা যে টেবিলে বসিয়াছিলাম, তাহার উপর রাখিয়া দিল। আমাদের মধ্যে একজন সেগুলি তুলিয়া লইয়া বলিলেন, “স্বামীজী, পূজার জন্যই এ ফুলগুলির সৃষ্টি, কারণ এদের ফল হবে না।” কিন্তু তিনি তাঁহার দিকে স্মিত হাস্যের সহিত দৃষ্টিপাত মাত্র করিলেন, আর তিনিও স্বামীজীর প্রগাঢ় তন্ময়ভাব ভঙ্গ করিতে না পারায় ইচ্ছা সত্ত্বেও ফুলগুলি তাহাকে নিবেদন করিতে পারিলেন না।

    স্বামীজী সত্যই চলিয়া গেলেন। ভৃত্য, মাঝি, বন্ধু, শিষ্য, পিতামাতা ও সন্তানসকলে মিলিয়া আমরা তাহার নিকট বিদায় লইবার জন্য বড় রাস্তার উপর টাঙ্গা পর্যন্ত গেলাম। স্বামীজীর প্রতি যাহার অনুরাগ আমরা বহুদিন লক্ষ্য করিয়াছি, তাহার সর্দার মাঝির সেই চার বৎসরের ছোট শক্তসমর্থকালো মেয়েটি যাত্রাপথে ব্যবহার করিবার জন্য এক বারকোশ ফল মাথায় করিয়া দৃঢ়চিত্তে ছোট ছোট পা ফেলিয়া স্বামীজীর পাশে পাশে চলিল এবং হাসিমুখে তাহাকে বিদায় দিয়া দাঁড়াইয়া তাঁহার গাড়ি চলিয়া যাওয়া দেখিতে লাগিল। এই ক্ষুদ্র শিশু অপেক্ষা আমরা কম অভিভূত না হইলেও চিন্তা ও অনুভূতি বাড়িলে যে জটিলতার সৃষ্টি হয়, তাহার ফলে তাহার ও আমাদের মধ্যে নিঃস্বার্থতায় অত্যন্ত ব্যবধান ছিল। পুনরায় কখন তাহার দর্শনলাভ করিব তাহা কেহই জানিতাম না, কিন্তু একথা বুঝিতে পারিয়াছিলাম, সেদিন তাহার সঙ্গে আমরা যে কয়েক ঘণ্টা কাটাইয়াছি, তাহার উজ্জ্বল আলোকচ্ছটায় আমাদের সমগ্র ভবিষ্যৎ অতিবাহিত হইবে।

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার সেবা
    অনলাইন বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা কবিতা
    বাংলা কুইজ গেম
    উপন্যাস সংগ্রহ

    ———–
    (১) স্বামীজী একটি মঠ ও সংস্কৃত কলেজ স্থাপনের উপযোগী একখণ্ড জমি মনোনীত করিবার জন্য কাশ্মীব-মহারাজের বিশেষ আমন্ত্রণে আগমন করেন। তাঁহাকে উক্ত জমি মনোনীত করিবার প্রস্তাবটি দুইবার উত্থাপন করা হয়, কিন্তু তদানীন্তন রেসিডেন্ট স্যার অ্যালবার্ট ট্য:লবট দুইবারই উহা কাউন্সিলের কার্যতালিকা হইতে বাদ দেন। সুতরাং ঐ সম্বন্ধে আলোচনা পর্যন্ত হইতে পারে নাই।

    (২) শ্ৰীযুক্ত সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকৃত অনুবাদ।–অনুঃ

    (৩) এখানে ইহা বলা অপ্রাসঙ্গিক হইবে না যে, আমার নিজের কথা বলিতে গেলে, আমি কোনক্রমে বুঝিতে পারি নাই, কিরূপে এই ব্যক্তি গীতা হইতে এই বিশেষ উপদেশটি সংগ্রহ কবেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসারদামঙ্গল – বিহারীলাল চক্রবর্তী
    Next Article বাণী চিরন্তন – সম্পাদনা : ভবেশ রায় / মিলন নাথ
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }