Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্বামী বিবেকানন্দ রচনাবলী ১০ম খণ্ড

    স্বামী বিবেকানন্দ এক পাতা গল্প409 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪০. শ্রেয়োলাভের পথ

    আজ সন্ধ্যায় বেদের একটি কাহিনী তোমাদিগকে বলিব। বেদ হিন্দুদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ ও বিশাল সাহিত্য, ইহার শেষাংশ অর্থাৎ বেদের শ্রেষ্ঠভাগ নামে অভিহিত। ইহাতে নানাবিধ তত্ত্ব ও দর্শন প্রতিপাদিত হইয়াছে। ইহা প্রাচীন সংস্কৃতে রচিত, এবং স্মরণ রাখিবে বহু সহস্র বৎসর পূর্বে লিপিবদ্ধ হইয়াছে। এক ব্যক্তি একমহাযজ্ঞের অনুষ্ঠান করিবার সঙ্কল্প করেন। হিন্দুধর্মে যজ্ঞের স্থান গুরুত্বপূর্ণ। যজ্ঞ নানাপ্রকার। যজ্ঞে বেদী নির্মিত হয়, যজ্ঞাগ্নিতে ঘৃতাহুতি দেওয়া হয় এবং নানাবিধ মন্ত্র উচ্চারিত হয়। যজ্ঞশেষে ব্রাহ্মণ ও দরিদ্রগণকে দান করা হয়। প্রত্যেক যজ্ঞে বিশেষ বস্তু দান করা হয়। একপ্রকার যজ্ঞ ছিল, যাহাতে অনুষ্ঠাতাকে সর্বস্ব দান করিতে হইত। যে ব্যক্তির কথা আমরা বলিতেছি, তিনি ধনী হইলেও কৃপণ স্বভাব ছিলেন এবং এই অতি কঠিন যজ্ঞ অনুষ্ঠান করিয়া সুনাম অর্জন করিতে ইচ্ছুক হইলেন। যজ্ঞে সর্বস্ব দান না করিয়া তিনি শুধু অন্ধ, খঞ্জ, বৃদ্ধ ও দুগ্ধ দেওয়া শেষ হইয়াছে এমন সব গাভী দান করিলেন। কিন্তু নচিকেতা নামে তাঁহার গুণী যুবা-পুত্র লক্ষ্য করিল যে, পিতা শুধু জরাজীর্ণ গাভীগুলি দান করিতেছেন এবং ভাবিল ইহা দ্বারা যজ্ঞে কোন সুফল লাভ হইবে না। অতএব সে নিজেকে দান করিয়া ক্ষতিপূরণ করিতে কৃতসঙ্কল্প হইল। পিতার নিকট গিয়া বালক বলিল, পিতা আমাকে তুমি কাহার হাতে অর্পণ করিবে?পিতা কোন উত্তর দিলেন না। বালক দ্বিতীয় ও তৃতীয় বার একই কথা জিজ্ঞাসা করিল। ইহাতে পিতা বিরক্ত হয়ে বলিলেন, ‘তোকে যমের হাতে দিলাম—মৃত্যুর কাছে অর্পণ করিলাম।’ বালক সরাসরি যমের বাড়ীতে গেল। যম তখন বাড়ীতে ছিলেন না, অতএব বালক যমের জন্য অপেক্ষা করিল। তিনদিন পর যম বাড়ীতে ফিরিয়া বালককে দেখিয়া বললেন, ‘ব্রাহ্মণ তুমি আমার অতিথি: তুমি আমার বাড়ীতে তিনদিন অনাহারে আছ। নমস্কার, তোমার এই কষ্টের ক্ষতিপূরণস্বরূপ তোমাকে তিনটি বর দিব।’

    তারপর বালক প্রথম বর চাইল, ‘আমার প্রতি বাবার ক্রোধ যেন শান্ত হয়।’ দ্বিতীয় বরে বালক একটি যজ্ঞের বিষয়ে জানিতে চাহিল। তৃতীয় বরে বালক জানিতে চাহিল—‘মানুষ মরিলে কোথায় যায়? কেহ কেহ বলে তাহার অস্তিত্ব থাকে না। আবার কেহ কেহ বলে তাহার অস্তিত্ব থাকে। দয়া করিয়া ইহার উত্তর দিন। ইহাই আমার তৃতীয় বর’।তারপর যম উত্তর করিলেন, ‘প্রাচীনকালে দেবতারা এই রহস্য উদ্ঘাটন করিতে চেষ্টা করিয়াছিলেন; এই রহস্য এত সূক্ষ্ম যে ইহা জানা কঠিন। অন্য কোন বর চাও; এই বরটি চাহিও না। শতায়ু জীবন চাও, গোধন অশ্ব ও বৃহৎ রাজ্য চাও। এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য আমাকে পীড়াপীড়ি করিও না। মানুষের যাহা কিছু ভোগ্যবস্তু আছে, সে-সব চাও, তোমার ইচ্ছা পূর্ণ করিব, কিন্তু এই রহস্য জানিবার ইচ্ছা করিও না। বালক বলিল, ‘না, মহাভাগ, মানুষ বিত্ত দ্বারা সন্তুষ্ট হয় না; আপনার দর্শন পাইয়া বিত্ত চাহিলে আমরা বিত্ত পাইয়া থাকি। আপনার ইচ্ছায় আমরা দীর্ঘজীবীও হইতে পারি। সঙ্গীত ও নৃত্য দ্বারা যে আনন্দ পাওয়া যায়, তাহার প্রকৃতি জানিয়া পৃথিবীর কোন মরণশীল বুদ্ধিমান্‌ ব্যক্তি অজর ও অমর দেবগণের সমীপে উপস্থিত হইয়া দীর্ঘায়ুলাভে তৃপ্ত হইবে? অতএব পরলোকের এই মহান্‌ রহস্যটি আমাকে বলুন, আমি অন্য কিছুই চাহি না।’ নচিকেতা এই মৃত্যু-রহস্যই জানিতে চাহিতেছে। যম ইহাতে প্রসন্ন হইলেন।

    পূর্বের দুই-তিনটি বক্তৃতায় বলিয়াছি যে, এই জ্ঞান মনকে প্রস্তুত করে। অতএব তোমরা দেখিতেছ, প্রথম প্রস্তুতি এই—মানুষ সত্য ছাড়া আর কিছুই চাহিবে না, এবং সত্যের জন্যই সত্য চাহিবে। যম নচিকেতাকে যে-সকল বস্তু দিতে চাহিয়াছিলেন, বালক সে-সবই প্রত্যাখ্যান করিল। শুধু এই জ্ঞানের—এই সত্যের জন্য বালক ধন-সম্পদ দীর্ঘায়ু সব-কিছুই ত্যাগ করিতে প্রস্তুত ছিল। এইভাবেই সত্যলাভ হয়। যম প্রসন্ন হইলেন। তিনি বলিলেন, ‘দুইটি পথ আছে—প্রেয় ও শ্রেয়। এই দুইটি নানাভাবে মানুষকে আবদ্ধ করে। এই দুইটির মধ্যে যিনি শ্রেয়ের (নিবৃত্তির) পথ গ্রহণ করেন, তাঁহার মঙ্গল হয় আর যে প্রেয়ের পথ অবলম্বন করে সে অধোগামী হয়। নচিকেতা, আমি তোমার প্রশংসা করি। তুমি ভোগ্যবস্তু চাও নাই। তোমাকে ভোগের দিকে নানাভাবে প্রলুব্ধ করিতে চেষ্টা করিয়াছি। তুমি সবই প্রত্যখ্যান করিয়াছ—তুমি জানিয়াছ যে, ভোগ অপেক্ষা জ্ঞান বহুল পরিমাণে মহত্তর।

    ‘তুমি বুঝিতে পারিয়াছ—যে ব্যক্তি অজ্ঞানান্ধকারে আছে এবং ভোগের জীবনযাপন করে সে পশুর সমান। তথাপি অনেকে অবিদ্যায় আচ্ছন্ন থাকিয়াও গর্ববশতঃ নিজেদের ধীর ও পণ্ডিত মনে করে, তাহারা অন্ধ কর্তৃক পরিচালিত অন্ধের ন্যায় কুটিল পথে পুনঃপুনঃ ঘুরিয়া বেড়ায়। হে নচিকেতা, যাহারা অজ্ঞ শিশুদের মত কয়েক টুকরা মাটির ঢেলায় বিভ্রান্ত হয়, তাহাদের হৃদয়ে এই সত্য কখনও প্রতিভাত হয় না। তাহারা ইহকাল ও পরকাল দুই-ই প্রত্যাখ্যান করে এবং পুনঃপুনঃ আমার শাসনাধীন হয়। এই পরলোক-তত্ত্ব শুনিবার সুযোগ অনেকেরই হয় না; অনেকে শুনিয়াও জানিতে পারে না, কারণ বক্তা ও জ্ঞাতা হইবেন আশ্চর্য পুরুষ আর শিষ্য ও শ্রোতা হইবে কুশল বা নিপুণ। বক্তা বা আচার্য যদি জ্ঞানে সমুন্নত না হন, তাহা হইলে শ্রোতা বা শিষ্যা শতবার শুনিলেও এবং শতবার উপদিষ্ট হইলেও সত্যের আলো তাহার হৃদয়কে কখনও উদ্ভাসিত করে না। নচিকেতা, বৃথা তর্কে তোমার মনকে উদভ্রান্ত করিও না; শুদ্ধচিত্তেই এই সত্য প্রতিভাত হয়। যাঁহাকে অতি কষ্টে অনুভব করিতে পারা যায়, যিনি প্রাকৃত বিষয়বুদ্ধি দ্বারা প্রচ্ছন্ন, যিনি হৃদয়গুহাভ্যন্তরে অনুপ্রবিষ্ট, সেই পুরাতন আত্মাকে বাহিরের চক্ষু দ্বারা দর্শন করা যায় না। তাঁহাকে অন্তশ্চক্ষু দ্বারা দর্শন করিয়া সুখ-দুঃখের অতীত হওয়া যায়। যিনি এই রহস্য অবগত আছেন, তিনি সব বৃথা বাসনা ত্যাগ করেন, এই অতীন্দ্রিয় অনুভূতি লাভ করেন এবং সর্বদা ধন্য হন। নচিকেতা, ইহাই শ্রেয়োলাভের পথ। তিনি গুণাতীত, নিরঞ্জন, কর্তব্যাকর্তব্যের অতীত, ভূত ভবিষ্যৎ ও বর্তমান হইতে ভিন্ন; যিনি ইহা জানেন, তিনিই জ্ঞাতা।

    যাঁহাকে সকল বেদ অনুসন্ধান করে, যাঁহাকে দেখিবার জন্য মানুষ সর্বপ্রকার তপস্যা ও কৃচ্ছসাধন করে—আমি তোমাকে তাঁহার নাম বলিব। তিনি ‘ওম্’। এই সনাতন ওম্-ই ব্রহ্ম-তিনি অমৃত; যিনি ইঁহার রহস্য অবগত আছেন তিনি যাহাই চান, তাহাই পান। নচিকেতা, এই আত্মা—যাঁহার সম্বন্ধে তুমি জানিতে চাও, কখনও জন্মানও না, কখনও মরেনও না। দেহনাশে এই অনাদি অনন্ত সনাতন আত্মা নষ্ট হন না। হত্যাকারী যদি মনে করে যে, সে হত্যা করে এবং হতব্যক্তি যদি মনে করে যে, সে হত হইয়াছে, তবে তাহারা উভয়েই অজ্ঞ, কারণ আত্মা হত্যা করিতেও পারেন না, হতও হন না। অণু অপেক্ষাও অণীয়ান, মহৎ অপেক্ষাও মহীয়ান সর্বেশ্বর আত্মা সকলের হৃদয়-গুহায় বাস করেন। নিষ্পাপ ব্যক্তি আত্মার কৃপায় তাঁহাকে সর্বমহিমময় দর্শন করে। (আমরা দেখিতেছি, পরমেশ্বরের কৃপা তাঁহাকে উপলব্ধি করার অন্যতম কারণ।) আত্মা উপবিষ্ট থাকিয়াও দূরে গমন করেন, শয়ান থাকিয়াও সর্বত্র বিচরণ করেন। পরস্পর-বিরুদ্ধ গুণাবলীর মিলনভূমি ঈশ্বরকে শুদ্ধ ও সূক্ষ্ম-বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তিগণ ব্যতীত আর কে জানিতে সমর্থ? বিভিন্ন দেহে অশরীরীরূপে বর্তমান এবং অনিত্য বস্তুর মধ্যে নিত্যরূপে বিদ্যমান সেই মহান্‌ ও সর্বব্যাপী আত্মাকে জানিয়া ধীমান ব্যক্তি শোক করেন না। এই আত্মাকে প্রবচন অর্থাৎ বেদাধ্যয়ন অথবা মেধা বা বহুশাস্ত্র-শ্রবণের দ্বারাও জানা যায় না। আত্মা যাঁহাকে বরণ করেন বা অনুগ্রহ করেন, তিনিই তাঁহাকে লাভ করেন, তাঁহার নিকটেই আত্মা নিজস্বরূপ প্রকাশ করেন। যে অবিরত দুষ্কৃতিপরায়ণ, যাহার মন শান্ত ও সমাহিত নয়, যে সতত চঞ্চল ও অস্থির, সে হৃদয়-গুহায় প্রবিষ্ট এই আত্মাকে ধারণা ও উপলব্ধি করিতে পারে না। নচিকেতা, এই দেহ রথ, ইন্দ্রিয়বর্গ অশ্ব, মন লাগাম বা প্রগ্রহ, বুদ্ধি সারথি, আত্মা রথের স্বামী। যখন আত্মা বুদ্ধিরূপ সারথি এবং বুদ্ধির সাহায্যে মনরূপ লাগামের সহিত, আবার মনের মাধ্যমে ইন্দ্রিয়বর্গরূপ অশ্বের সহিত যুক্ত হয়। তখনই জীবাত্মাকে ভোক্তা বলা হয়; সে অনুভব করে, কাজ করে, ক্রিয়াশীল হয়। যাহার মন সংযত নয় এবং যাহার বিবেকবুদ্ধি নাই, তাহার ইন্দ্রিয়গুলি সারথির হস্তে দুষ্ট অশ্বের মত অসংযত। কিন্তু যাঁহার বিবেকবুদ্ধি আছে, যাঁহার মন সংযত, তাঁহার ইন্দ্রিয়গুলি রথচালকের হস্তে উত্তম অশ্বের মত সর্বদা সংযত। যাঁহার নিত্যানিত্য-বিচারবুদ্ধি আছে, যাঁহার মন সত্য অবধারণ করিতে সতত প্রস্তুত, যিনি শুদ্ধচিত্ত—তিনি সেই সত্যকে গ্রহণ করেন, যাহা লাভ করিয়া পুনর্জন্ম হয় না, নচিকেতা ইহা অতি দুষ্কর, পথ দীর্ঘ, ইহা দুর্লভ।যাঁহাদের সূক্ষ্মানুভূতি লাভ হইয়াছে, তাঁহারাই এই সত্যদর্শন করিতে পারেন, অবধারণ করিতে পারেন। তথাপি ভয় পাইও না। উঠ, জাগ, সক্রিয় হও, উদ্দেশ্যলাভ না করা পর্যন্ত থামিও না, কারণ ঋষিগণ বলেন এই পথ অতি দুর্গম—ক্ষুরের ধারের মত শাণিত ও দুরতিক্রমণীয়। যিনি শব্দ-স্পর্শ-রূপ-রস-গন্ধ-বিহীন শাশ্বত, অনন্ত, নির্বিকার বুদ্ধির অগম্য, অক্ষয়—তাঁহাকে জানিয়াই আমরা অমৃতত্ব লাভ করি বা মুক্ত হই।’

    এ-পর্যন্ত আমরা দেখিলাম, যম আমাদের অভীষ্ট উদ্দেশ্য বর্ণনা করিয়াছেন। প্রথম ভাব এই—নিত্যবস্তুকে জানিয়াই আমরা জন্ম, মৃত্যু, দুঃখ এবং সংসারের বিবিধ বিপর্যয়কে অতিক্রম করিতে পারি। নিত্যবস্তু কি?—বিকারহীন অপরিবর্তনীয় মানবাত্মা, বিশ্বাত্মা। আবার ইহাও বলা হয়, নিত্যবস্তুকে জানা অতি কঠিন। ‘জানা’ শব্দের অর্থ শুধু বুদ্ধির স্বীকৃতি নয়, ইহার অর্থ উপলব্ধি। আমরা পুনঃপুনঃ পড়িয়াছি যে, এই আত্মাকে দর্শন করিতে হইবে, অনুভব করিতে হইবে। আমরা ইহাকে চক্ষু দ্বারা দেখিতে পারি না, ইহাকে জানিতে হইলে সূক্ষ্মানুভূতির প্রয়োজন। স্থূল অনুভূতি দ্বারা দেওয়াল ও বইগুলির ধারণা হয়, কিন্তু সত্যকে জানিতে হইলে সূক্ষ্মানুভূতি চাই। ইহাই এই জ্ঞানের সমগ্র রহস্য। যম বলেন, মানুষকে শুদ্ধ হইতে হইবে। ইহাই সূক্ষ্মানুভূতি লাভ করিবার উপায়। তারপর যম অন্যান্য উপায়ের কথা বলিতে থাকেন। সেই স্বয়ম্ভূ আত্মা ইন্দ্রিয়াতীত। ইন্দ্রিয়গুলি বহির্মুখ, কিন্তু স্বয়ম্ভূ আত্মা অন্তর্মুখ। চক্ষুরাদি ইন্দ্রিয়কে বিষয় হইতে নিবৃত্ত করিয়া আত্মাকে জানিবার ইচ্ছাই বিশেষ প্রয়োজন। বাহ্য প্রকৃতিতে আমরা এই যে-সকল সুন্দর জিনিষ দেখি, সেগুলি সবই ভাল, কিন্তু ঈশ্বরকে জানিবার পথ ইহা নয়। আবৃতচক্ষু বা অন্তর্মুখ হইবার শিক্ষালাভ করিতে হইবে। বাহ্যবস্তু দেখিবার আগ্রহকে সংযত করিতে হইবে। যখন তুমি কর্মব্যস্ত রাস্তায় কাহারও সঙ্গে হাঁটিতে থাক, তখন চলমান গাড়ীর শব্দের জন্য কথা শুনিতে পাওয়া খুব শক্ত—অত্যধিক গোলমালের দরুন সে তোমার কথা শুনিতে পায় না। মন বহির্মুখ এবং তোমার পার্শ্ববর্তী জনের কথা শুনিতে পাও না। তেমনি এই বাহ্য জগৎ এত অধিক গোলমাল করে যে, ইহাতে মন বহির্মুখ হয়। আত্মাকে কিরূপে দেখিতে পারি? এই বহির্মুখিতাকে নিবৃত্ত করিতে হইবে। ইহাই চক্ষুকে অন্তর্মুখ করা। যখন এরূপ হইবে, তখনই অন্তরাত্মা মহিমা দেখিতে পাইবে।

    এই আত্মা কি? আমরা দেখিয়াছি যে, ইহা বুদ্ধিরও অতীত। কঠোপনিষদ্ হইতে আমরা জানি যে, এই আত্মা অনাদি অপরিবর্তনীয় সর্বগ; তুমি আমি এবং আমরা সকলেই সর্বত্র বিদ্যমান। এই সর্বগ আত্মা এক ও অদ্বিতীয়। দুইটি সত্তা সমভাবে সর্বগ হইতে পারে না—ইহা কিরূপে হইতে পারে? দুইটি সত্তা অনন্ত হইতে পারে না, এবং ফলে প্রকৃতপক্ষে একটি মাত্র আত্মাই আছেন, এবং তুমি আমি ও সমগ্র বিশ্ব এক, শুধু বহু বলিয়া প্রতীয়মান হইতেছি। ‘যেমন একই অগ্নি বিশ্বে প্রবেশ করিয়া নানাভাবে প্রকাশ পাইতেছে, তেমনি অদ্বিতীয় সর্বান্তরবর্তী আত্মা প্রতি জীবদেহে প্রতিভাত হইতেছেন।’ কিন্তু প্রশ্ন এইঃ যদি এই আত্মা পূর্ণ ও শুদ্ধ, এবং বিশ্বের একমাত্র সত্তা হন, তাহা হইলে অশুদ্ধ শরীরে, পাপীর দেহে, পুণ্যবানের দেহে এবং অন্যত্র প্রবেশ করিলে ইঁহার কি গতি হয়? কিরূপে ইহা পূর্ণ থাকিতে পারেন। একই সূর্য প্রতি চক্ষুতে দৃষ্টির হেতু, তথাপি কাহারও চক্ষুর দোষ সূর্যকে স্পর্শ করে না। কাহারও ‘ন্যাবা’ হইলে সে সব জিনিষই হরিদ্রাভ দেখে। তাহার দৃষ্টির হেতু সূর্য, কিন্তু তাহার সব জিনিষকে পীতাভ দেখার রোগ সূর্যকে স্পর্শ করে না। ঠিক তেমনি এই একমেবাদ্বিতীয়ম্ যদিও প্রত্যেকের আত্মা, তথাপি বাহিরের শুচি-অশুচি ইঁহাকে স্পর্শ করিতে পারে না। এই অনিত্য বিনাশশীল পৃথিবীতে যিনি নিত্য আত্মাকে জানেন, এই জড়জগতে যিনি চৈতন্যস্বরূপকে জানেন, এই বিচিত্র জগতে যিনি অখণ্ড আত্মাকে জানেন এবং নিজের মধ্যে দেখেন, তাঁহারই শাশ্বত সুখ, অন্য কাহারও নহে। সেই পরমাত্মা ব্রহ্মকে সূর্য প্রকাশ করে না, চন্দ্র ও তারকা প্রকাশ করে না, বিদ্যুৎও প্রকাশ করে না, অগ্নি আবার কিরূপে প্রকাশ করিবে? তিনি দীপ্তিমান বলিয়া সবই দীপ্তিমান, তাঁহার জ্যোতিতে এই সবই জ্যোতির্ময়। যখন হৃদয়ের সকল বাসনা দূরীভূত হয়, তখনই মানুষ অমর হয় এবং এই দেহেই ব্রহ্মানন্দ লাভ করে। যখন হৃদয়ের সকল গ্রন্থি ছিন্ন হয়, হৃদয়ের সকল বক্রতা দূরীভূত হয়, সকল সন্দেহের নিরসন হয়, তখনই মানুষ অমৃতত্ব লাভ করে। ইহাই পথ।

    এই শাস্ত্র অধ্যয়ন যেন আমাদিগকে রক্ষা করে, আমাদিগকে পালন করে, আমাদিগকে শক্তি ও বীর্য দেয়, আমরা যেন পরস্পরকে বিদ্বেষ না করি। শান্তি, শান্তি, শান্তি। ওঁ সহনাববতু সহ নৌ ভুনক্তু সহ বীর্যং করবাবহৈ। তেজস্বিনা-ধীতমস্তু মা বিদ্ধিষাববৈ। ওঁ শান্তিঃ, শান্তিঃ, শান্তিঃ।

    বেদান্ত দর্শনে তোমরা এই চিন্তাধারা দেখিতে পাইবে। প্রথমতঃ আমরা দেখিতে পাই যে, পৃথিবীর অন্যান্য গ্রন্থে নিবদ্ধ ভাব অপেক্ষা সম্পূর্ণ পৃথক্‌ একটি ভাব বেদান্ত দর্শনে আছে। অন্যান্য গ্রন্থের মত বেদের প্রাচীন অংশে একই প্রকার অনুসন্ধান চলিয়াছিল—সেই অনুসন্ধান ছিল বাহিরে। কতকগুলি প্রাচীন গ্রন্থে প্রশ্ন তোলা হইয়াছিলঃ আদিতে কি ছিল? যখন অস্তি বা নাস্তি কিছুই ছিল না, যখন অন্ধকার অন্ধকারকে আবৃত্ত করিয়াছিল, তখন কে ওই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি করিয়াছিল? অতএব অনুসন্ধান আরম্ভ হইল। দেবদূত, দেবতা এবং আরও অন্যান্য অনেক বিষয়ের কথা বলা হইতে লাগিল, পরে আমরা দেখিতে পাই—এই অনুসন্ধান নৈরাশ্যপূর্ণ বলিয়া পরিত্যক্ত হইল। সেই সময়ে অনুসন্ধান চলিয়াছিল বাহিরে এবং কোন ফল পাওয়া যায় নাই; কিন্তু আমরা বেদে দেখিতে পাই পরবর্তী কালে এই স্বয়ম্ভূ ঈশ্বরের অনুসন্ধান চলিয়াছিল ভিতরে। বেদের এই একটি মূল ভাব আছে যে, নক্ষত্ররাজিতে নীহারিকায় ছায়াপথে—এই সমগ্র বাহ্য জগতে অনুসন্ধান করিয়া কোন ফল পাওয়া যায় নাই, জীবন ও মৃত্যুর সমস্যা, কখনও মীমাংসিত হয় নাই। অন্তর্জগতের বিস্ময়কর কার্যপ্রণালী ও রহস্য বিশ্লেষণ করিতে হইয়াছিল, বিশ্লেষণের ফলে বিশ্বের রহস্য উদ্ঘাটিত হইল; নক্ষত্র অথবা সূর্য ইহা করিতে পারিত না। মানুষের শরীর বিশ্লেষণ করা হইয়াছিল—মানুষের শরীরকে নয়, আত্মাকে নিরূপণ করিতে হইয়াছিল। সেই আত্মাতেই অনুসন্ধানের উত্তর পাওয়া গেল। কি উত্তর পাওয়া গেল? উত্তর মিলিল—দেহের পিছনে, এমন কি মনের পিছনে স্বয়ম্ভূ আত্মা আছেন। তাঁহার জন্ম নাই, মৃত্যু নাই। এই স্বয়ম্ভূ আত্মা সর্বগ, সর্বত্র বিরাজমান, কারণ তিনি অমূর্ত। যাহা নিরবয়ব, নিরাকার দেশ বা কাল দ্বারা অপরিচ্ছিন্ন, তাহা কোন স্থানে অবস্থান করিতে পারে না। ইহা কিরূপে পারে? আত্মা সর্বত্র বিদ্যমান, সর্বগ, আমাদের সকলের মধ্যে সমভাবে অনুস্যূত।

    মানুষের আত্মা কি? এক সম্প্রদায় বলিত, ঈশ্বর একজন আছেন; ইহা ছাড়া অসংখ্য জীবাত্মা আছে, যাহারা ঈশ্বর হইতে স্বরূপতঃ চির পৃথক্‌। ইহা দ্বৈতবাদ। এটা প্রাচীন অপরিণত ভাব। অন্য এক সম্প্রদায় উত্তরে বলিত, জীবাত্মা অনন্ত পরমেশ্বরের অংশ। যেমন এই দেহ স্বয়ং একটি ক্ষুদ্র জগৎ এবং ইহার পশ্চাতে আছে মন বা চিন্তা, এবং ইহারও পশ্চাতে আছেন আত্মা, তেমনি সমগ্র জগৎ একটি শরীর, ইহার পশ্চাতে সর্বজনীন মন, এবং তৎপশ্চাতে বিশ্বজনীন আত্মা। যেমন এই দেহ সর্বজনীন দেহের একটি অংশ, তেমনি এই মন সর্বজনীন মনের একটি অংশ এবং মানুষের আত্মা বিশ্বজনীন আত্মার (পরমাত্মার) অংশ। এই মতকে বিশিষ্টাদ্বৈতবাদ বলে। এক্ষণে আমরা জানি বিশ্বজনীন আত্মা অনন্ত। অসীম বা অন্তরের অংশ কিভাবে হইতে পারে? ইহাকে কিভাবে ভাঙা যায়, ভাগ করা যায়? ইহা খুবই কবিত্বের কথা হইতে পারে যে, আমি অসীম অনন্ত পরমেশ্বরের একটি স্ফুলিঙ্গ, কিন্তু চিন্তাশীল মনের কাছে ইহা অসম্ভব। অনন্তকে ভাগ করার অর্থ কি? ইহা কি কোন জড়বস্তু, যাহা তুমি খণ্ডিত বা পৃথক্‌ করিতে পার? অনন্তকে কখনও ভাগ করা যায় না। যদি ইহা সম্ভব হইত, তাহা হইলে ইহা আর অনন্ত থাকিত না। তবে সিদ্ধান্ত কি? সিদ্ধান্ত এইঃ সর্বজনীন আত্মাই তুমি; তুমি সর্বজনীন আত্মার অংশ নও, সমগ্র। তুমিই পরমেশ্বরের সমগ্র। তাহা হইলে এইসকল ভেদ বা বৈষম্য কি? আমরা কোটি কোটি জীবাত্মাকে দেখিতেছি। তাহারা কি? যদিও সূর্য লক্ষ লক্ষ জলবিন্দুতে প্রতিবিম্বিত হয়; প্রতি জলবিন্দুতে সূর্যের সম্পূর্ণ আকৃতি বা ছায়া পড়ে; কিন্তু সেগুলি শুধু ছায়া বা আকৃতি, প্রকৃত সূর্য মাত্র একটি। অতএব আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে যে আপাত-প্রতীয়মান আত্মা আছেন, তিনি ঈশ্বরের ছায়া বা আকৃতি মাত্র, ইহা ব্যতীত অন্য কিছু নয়। পশ্চাতে যিনি প্রকৃতসত্তা আছেন, তিনি সেই এক ঈশ্বর। আমরা সকলেই সেখানে এক। আত্মারূপে বিশ্বে কেবল একজনই আছেন। সেই আত্মা তোমাতে ও আমাতে এবং মাত্র একটি। সেই এক আত্মা ভিন্ন ভিন্ন দেহে ভিন্ন ভিন্ন আত্মারূপে প্রতিবিম্বিত। কিন্তু আমরা ইহা জানি না; আমরা মনে করি, আমরা পরস্পর পৃথক্‌ এবং ঈশ্বর হইতে ভিন্ন। এবং যতদিন আমরা এরূপ ভাবি, ততদিন জগতে দুঃখ থাকিবে। ইহাই মায়া।

    তারপর দুঃখের অন্য মহৎ কারণ—ভয়। কেন একজন আর একজনের অনিষ্ট করে? কারণ তাহার আশঙ্কা—সে যথেষ্ট ভোগ করিতে পারিবে না। একজন আশঙ্কা করে যে, হয়তো তাহার যথেষ্ট অর্থ হইবে না, এবং এই আশঙ্কাবশতই সে অপরের অনিষ্ট করে এবং অর্থ লুণ্ঠন করে। যেখানে কেবল এক সত্তা আছে, সেখানে ভয়ের স্থান কোথায়? যদি আমার মাথায় একটি বজ্রপাত হয়, আমি-ই সেই বজ্র, কারণ আমিই একমাত্র সত্তা। যদি প্লেগের আবির্ভাব হয়, আমিই সেই প্লেগ; যদি একটি ব্যাঘ্র আসে, আমিই সেই ব্যাঘ্র; যদি মৃত্যু আসে, আমিই সেই মৃত্যু। আমি জন্ম ও মৃত্যু দুই-ই। আমরা দেখিতেছি যে, বিশ্বে দুইটি সত্তা আছে—এই ধারণা হইতেই ভয় আসে, ‘পরস্পরকে ভালবাস’—এ-কথা প্রচারিত হইতে আমরা সর্বদা শুনিয়া থাকি। কিন্তু কি জন্য সকলকে ভালবাসিব—তাহার ব্যাখ্যা এখানে। আমি প্রত্যেককে ভালবাসিব কেন? কারণ তাহারা ও আমি এক। আমার ভ্রাতাকে ভালবাসিব কেন? কারণ সে ও আমি এক। এই একত্ব—এই সমগ্র বিশ্বের অখণ্ডত্বই ভালবাসার কারণ। পদতলবিহারী ক্ষুদ্রতম কীট হইতে উচ্চতম জীব পর্যন্ত সকলেরই ভিন্ন ভিন্ন শরীর আছে, কিন্তু তাহারা সকলেই এক আত্মা। সকল মুখ দিয়াই তুমি খাও; সকল হাত দিয়াই তুমি কাজ কর; সকল চোখ দিয়াই তুমি দেখ। লক্ষ লক্ষ দেহে তুমি স্বাস্থ্যসুখ উপভোগ করিতেছ, লক্ষ লক্ষ শরীরে তুমি ব্যাধি-যন্ত্রণা ভোগ করিতেছ। যখন এই ভাব আসে এবং আমরা ইহা উপলব্ধি করি, দেখি, অনুভব করি, তখনই দুঃখের নিবৃত্তি হইবে, এবং সঙ্গে সঙ্গে ভয়ও চলিয়া যাইবে। আমি কিরূপে মরিতে পারি? আমাকে ছাড়া কিছুই নাই। ভয় চলিয়া যায়, এবং কেবল তখনই পূর্ণ সুখ ও পূর্ণ প্রেম আসে। সেই অবিনাশী সর্বজনীন সহানুভূতি, সর্বজনীন প্রেম, সর্বজনীন সুখ মানুষকে সর্ববস্তুর উপরে তুলিয়া ধরে। ইহার কোন প্রতিক্রিয়া নাই, কোন দুঃখ ইহাকে স্পর্শ করিতে পারে না। কিন্তু জগতের এই সামান্য পান-ভোজন সর্বদাই একটি প্রতিক্রিয়া আনয়ন করে। ইহার সমগ্র হেতু এই দ্বৈতবাদ—বিশ্ব হইতে ভগবান্‌ হইতে আমি পৃথক্‌, এই ভাব। কিন্তু যে-মুহূর্তে আমরা উপলব্ধি করিয়াছি যে, ‘আমিই তিনি, আমি বিশ্বের আত্মা, আমি চিরসুখী, চিরমুক্ত’, তখনই আসিবে প্রকৃত প্রেম, চলিয়া যাইবে সব ভয় এবং অবসান হইবে সকল দুঃখের।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleচাচা কাহিনী – সৈয়দ মুজতবা আলী
    Next Article স্বামী বিবেকানন্দ রচনাবলী ৯ম খণ্ড

    Related Articles

    স্বামী বিবেকানন্দ

    স্বামী বিবেকানন্দ রচনাবলী ১ম খণ্ড

    December 8, 2025
    স্বামী বিবেকানন্দ

    স্বামী বিবেকানন্দ রচনাবলী ২য় খণ্ড

    December 8, 2025
    স্বামী বিবেকানন্দ

    স্বামী বিবেকানন্দ রচনাবলী ৩য় খণ্ড

    December 8, 2025
    স্বামী বিবেকানন্দ

    স্বামী বিবেকানন্দ রচনাবলী ৪র্থ খণ্ড

    December 8, 2025
    স্বামী বিবেকানন্দ

    স্বামী বিবেকানন্দ রচনাবলী ৫ম খণ্ড

    December 8, 2025
    স্বামী বিবেকানন্দ

    স্বামী বিবেকানন্দ রচনাবলী ৬ষ্ঠ খণ্ড

    December 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }