Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প201 Mins Read0
    ⤶

    স্যার, আমি খুন করেছি

    ‘স্যার, আমি খুন করেছি।’

    অবাক হলেন? হবারই কথা। আপনারা স্যার সবসময় উলটো কথা শুনে অভ্যস্থ। সবাই বলে, ‘খুন আমি করিনি, আমাকে ছেড়ে দিন।’ তখন স্বীকারোক্তি আদায় করতে আপনাদের কী ঝামেলাতেই না পড়তে হয়। মারধোর, পুলিশ কুকুর, হাতের ছাপ, রক্তের নমুনা একবারে বিতিকিচ্ছিরি কাণ্ড। আমার বেলায় সেসব কিছুই করতে হবে না। আমি নিজেই বলতে এসেছি। আমাকে অ্যারেস্ট করুন। লকাপে নিয়ে যান স্যার। কাল কোর্টে চালান করবেন। কোনো চিন্তা নেই, আমি সব স্বীকার করব। কেন খুন করলাম, কীভাবে খুন করলাম সব। যদি মনে করেন, কাল আমার মন ঘুরে যেতে পারে, অপরাধ অস্বীকার করতে পারি, বলতে পারি, গতকাল যা সত্যি বলেছিলাম, আজ আমার কাছে তা মিথ্যে, তবে এখনই আমার বয়ান নিয়ে রাখুন। কাগজে সই করে দিচ্ছি। যা বলেছি সত্যি বলেছি, সত্যি ছাড়া মিথ্যে বলব না…।

    আপনার মুখ দেখে বুঝতে পারছি আমার কথা আপনার বিশ্বাস হচ্ছে না। আপনার চোখদুটো সরু হয়ে গেছে, ভুরু গেছে কুঁচকে, নাকের পাটা অল্প অল্প কাঁপছে। সবই অবিশ্বাসের লক্ষণ। বিশ্বাসের লক্ষণ আলাদা। তখন চোখ ঝলমল করে।

    আপনি স্যার একজন পুলিশ অফিসার। কোথায় যেন শুনেছিলাম, পুলিশ আর নেতারা চট করে কিছু বিশ্বাস করে না। নিয়মে নেই। তারা সবসময় মনে করে, আমরা বাস করি মিথ্যের জগতে। সেখানে মিথ্যের ছদ্মবেশে কিছু সত্যি ঘুরে বেড়ায়। তাদের খুঁজে বের করতে হয়। স্যার, আমি পুলিশ নই, নেতাও নই। আনন্দ আর দুঃখের মধ্যে দিয়ে আমি জেনেছি সত্যি আর মিথ্যে আসলে একটাই বিষয়। তাদের আলাদা করা ঠিক নয়। একে অপরের পাশে তারা চলে চুপিসাড়ে, হামাগুড়ি দিয়ে। কোনটা আলো, কোনটা ছায়া বোঝা যায় না।

    আমার এই খুনের ঘটনাটাই দেখুন না স্যার। একটা মিথ্যের ওপর দাঁড়িয়ে মালবিকাকে আমি খুন করেছি। কিন্তু সেই মিথ্যে যখন সরে গেছে, দিনের আলোর মতো আমার সামনে সত্যিটা স্পষ্ট হয়েছে। সেদিক থেকে বলতে গেলে, মালবিকাকে ভালোবাসি এই মিথ্যে কারণে তাকে যেমন খুন করেছি, আবার মালবিকাকে ভালোবাসি এই সত্যি কারণে আপনার কাছে ধরা দিতেও এসেছি। আপনাদের ভাষায় একে কী বলে? আত্মসমর্পণ? সে যাই বলুক, মজার ঘটনা হল, একই ভালোবাসা একসময়ে সত্যি, একসময়ে মিথ্যে। একসময়ে আলো, একসময়ে ছায়া। আমার কথা কি স্যার বুঝতে সমস্যা হচ্ছে? প্রথমটায় আমারও সমস্যা হয়েছিল স্যার। নিজে কী বলছি, নিজেই ধরতে পারতাম না। ধীরে ধীরে পেরেছি। বুঝতে পেরেছি, শেষ পর্যন্ত ওরা দুজনেই এক। যা সত্যি তাই মিথ্যে। অথবা মিথ্যেটাই আসলে সত্যি। আর তাই আমার হামবেল রিকোয়েস্ট স্যার, আপনিও ফারাক রাখবেন না। অন্তত আমার জন্য একটু নরম হোন। আমার কথা বিশ্বাস করুন। দোহাই স্যার।

    স্যার, মুখ দেখে মনে হচ্ছে, এবার আমার কাছে জানতে চাইবেন, কোনো প্রমাণ আছে কিনা।

    না স্যার, কোনো প্রমাণ নেই। মালবিকাকে খুনের জন্য আমি কোনো অস্ত্র ব্যবহার করিনি। তার গলা টিপিনি, ধাক্কা দিয়ে ছাদ থেকে ফেলেও দিইনি। সত্যি কথা বলতে খুনের সময় আমি তার ধারেকাছেও ছিলাম না। সে ছিল তার কলকাতার বাড়িতে, আমি ছিলাম আমডাঙায়। পুরো আমডাঙাতেও নয়, আরও খানিকটা দূরে। দেশের বাড়িতে। গ্রামের নাম মরাবিল, পোস্টাপিস মিরাহাটা, থানা নন্দীপুর। আমাদের গ্রামে মস্ত একটা বিল রয়েছে। তার নামেই গ্রামের নাম। নাম শুনে মনে হয়, বিল মরা, শুকনো। ঘটনা তা নয়। বিলে সারা বছর জল টলমল করে। কী জীবন্ত যে লাগে! যখন বাতাস বয়, এপার ওপার জুড়ে ঢেউ ওঠে, মনে হয় প্রাণশক্তিতে উচ্ছল, উন্মাদ। মনে হয়, চিৎকার করে বলছে, ‘মোরে আরও আরও আরও দাও প্রাণ’। তারপরেও নাম মরাবিল! আশ্চর্য না? দেখুন স্যার, এখানে আবার সেই সত্যি মিথ্যে মিশে গেছে। একে অপরের ঘাড়ে চেপেছে। নাম মরা অথচ কত জীবন্ত! কত আনন্দ!

    আপনার চোখমুখ বলছে, আপনি বিরক্ত হচ্ছেন। হবারই কথা। আপনাদের মতো কাজের মানুষের সামনে যদি গাঁয়ের বিল নিয়ে গপ্পো ফাঁদি, বিরক্ত হবারই কথা। যাক, প্রমাণের প্রসঙ্গে ফিরে আসি। যেহেতু খুনের সময় আমি ছিলাম না, ‘উইপেন ইউসড ফর মার্ডার’ ধরনের কিছু আমার কাছে নেই। থাকলে আপনার টেবিলে রাখতাম। আপনিও ‘এভিডেন্স নম্বর ওয়ান’ লিখে প্লাস্টিকে পুরে মুখ বন্ধ করে ফেলতেন। দুঃখিত স্যার। সে সুযোগ হল না। তবে একটা কথা কি আপনি বিশ্বাস করেন যে অনেক সময় খুনের জন্য অস্ত্র লাগে না?

    স্যার, নিজেকে দোষী প্রমাণ করবার সমস্যা আরও আছে। কোনো ভাড়াটে খুনিকে কাজে লাগাই নি। যাকে বলা হয়, সুপারি কিলার’। ফলে আমি যে তার নাম বলে দেব আর আপনি বাংলা, বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড থেকে তাকে পাকড়াও করে নিয়ে আসবেন সে উপায় নেই। খুনি ভাড়া কি চাট্টিখানি কথা? আমার অত পয়সা কই স্যার? বাকি রইল একটাই। আত্মহত্যার জন্য প্ররোচনা। আমি কি আত্মহত্যার জন্য মালবিকাকে প্ররোচনা দিয়েছি? আইপিসি কত যেন?

    আমি স্যার মালবিকাকে চিঠি লিখেছিলাম,’তোমাকে ভালোবাসি।’ সেই চিঠি নিশ্চয় স্যার আপনাদের হেফাজতে জমা পড়েছে। ‘ভালোবাসি’ কি প্ররোচনা?

    স্যার, আপনার মুখ দেখে বুঝতে পারছি, এখনও আপনি আমাকে বিশ্বাস করছেন না। শুধু বিশ্বাস করছেন না এমন নয়, বিরক্তও হচ্ছেন। নাকের কাছটা একটু লাল, চোখের মণি স্থির। এরপরেও যদি একই কথা বলে যাই, আপনি রেগে যাবেন। একজন হাবিলদারকে ডেকে বলবেন, এই লোকটাকে ঘাড় ধরে বের করে দাও তো।’ দয়া করে এমন কাজ করবেন না স্যার। আমাকে আর একটু সুযোগ দিন। আমি বরং হড়বড়িয়ে গল্পটা আপনাকে বলে ফেলি। তারপর আপনি বিচার করবেন। বিচার করে দেখবেন, আমাকে ধরা করা উচিত কিনা। যদি মনে করেন, উচিত তাহলে তো ল্যাঠা চুকে গেল, আর যদি মনে হয়, ভুল, গালে দুটো চড় মেরে বের করে দেবেন।

    তাহলে শুরু করি? আপনি চা দিতে বলুন। চায়ের শেষে আমাকে একটা সিগারেট দেবেন। এক চা-সিগারেটেই গল্প শেষ হবে। খুব বেশি হলে, আরেক কাপ চা। শুধু একটা অনুরোধ, গল্পের সত্যি মিথ্যে নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। সত্যি মিথ্যে নিজের মতো থাকবে, আপনি গল্প শুনবেন আপনার মতো।

    একেবারে নিজের নাম থেকে শুরু করা যাক। আমার নাম পরিতোষ। ডাক নাম পরি। বয়স ছাব্বিশ বছর দু’মাস। সামান্য এক চাষি পরিবারের সন্তান। বাড়ি কলকাতা থেকে দূরে। সাইকেলে বড়রাস্তায়। সেখানে ক্ষিরোদকাকার দোকানে সাইকেল রেখে, বাসে রেলস্টেশন যেতে হবে। দিনে কলকাতা যাওয়ার দুটো মাত্র ট্রেন। ট্রেন যত জোরেই ছুটুক হাওড়া পৌঁছোতে তিন ঘণ্টা। গাঁয়ের নাম তো আগেই বলেছি, মরাবিল। সেখানে আমাদের একফালি জমি আছে, একটা হাফ কুঁড়ে হাফ পাকা দোতলা বাড়ি রয়েছে। বাড়ির পিছনে কটা বড় গাছ আছে, একটা পাতকুয়ো আছে, একটা পাকা পায়খানা আছে। পাকা পায়খানা আগে ছিল না। দু’বছর হল হয়েছে। আমাদের ফালি জমিতে ধান ছাড়াও কিছু সবজি হয়। বেশি কিছু নয়, তবে কিছুটা বেচে, কিছুটা খেয়ে আমাদের ছোটো সংসার টেনেটুনে চলে। সংসারে বলতে, বাবা-মা, আমি আর আমার ভাই। আমার ভাইয়ের নাম মহীতোষ। ডাকনাম মহি। মহির সঙ্গে আমার বয়েসের পার্থক্য লম্বা। বারো বছর। সমস্যা সেটা নয়, সমস্যা হল, আমার ভাই জন্ম থেকেই শোওয়া। মেরুদণ্ডের কঠিন রোগ। ডাক্তার বলেছে, রোগ নয়, শিরদাঁড়ায় খামতি রয়েছে। মানুষের সোজা হওয়ার জন্য যে জরুরি কশেরুকাগুলির অতি প্রয়োজন, মহির তার মধ্যে দুটি নেই। এই মানুষকে কৃত্রিম উপায় কিছুটা সোজা করবার জন্য বিপুল খরচ। সেই খরচের দশভাগের এক ভাগও আমাদের নেই। ফলে একটা সেকেন্ড হ্যান্ড হুইল চেয়ার জোগাড় করা ছাড়া আমাদের করবার কিছু ছিল না। সেই চেয়ারে তেমন কাজ হত না। ধরে না থাকলে ভাইয়ের মাথা হেলে পড়ত। তারপরেও বাবা বাবার মতো, মা মায়ের মতো চেষ্টা করেছে। যেটুকু পারে ডাক্তার দেখিয়েছে, মা পুজোআচ্চা, তাবিজ, জলপড়ায় গেছে। একসময়ে দুজনেই হাল ছাড়ল। ভাই থাকল শুয়ে। স্নান, খাওয়া, পেচ্ছাপ, পায়খানা সব শুয়ে। মা আর আমি ভাগাভাগি করে সামলাতাম। বাবা জমিতে থাকত। না থাকলে খাব কী? একটু বয়স হলে, মাও আর পেরে উঠত না। মহির শরীর ভারি হয়ে উঠল। আমিই মহিকে দেখতে শুরু করলাম।

    বাড়ির এই কঠিন অবস্থা সত্ত্বেও, কী ভাবে যেন আমি লেখাপড়ায় ভালো করেছি। তারপরেও স্কুল শেষ করে হওয়ার পর ঠিক করলাম, লেখাপড়া আর করব না। বাবারও বয়স বাড়ছে। একা ক্ষেতের কাজ সামলাতে পারে না। তারওপর বাড়িতে মহি রয়েছে।

    মজার কথা কি জানেন স্যার? মহি আমাকে বলল, ‘দাদা, তুমি যদি কলেজে পড়তে না যাও, আমি খাওয়া বন্ধ করে দেব।’

    আমি অবাক বললাম, ‘তা কী করে হবে? বাবা-মায়ের বয়স হয়েছে। তারওপর তোমার এই অবস্থা…।’

    মহি বলল, ‘কোনও কথা শুনব না দাদা, যা হবার হবে। তোমাকে যেতেই হবে।’

    স্যার, একবার বুঝুন মহির কথা! বলছে যা হবে। কী হবে ও জানে না। পোশাক নোংরা করে বিছানায় পড়ে থাকতে হবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। জানে না ও? তারপরেও একথা বলছে! শুধু বলছে না, এরপর একটা মজার কাণ্ড করল। সে সত্যি সত্যি খাওয়া বন্ধ করে দিল। দাদার লেখাপড়া চালু রাখতে ভাইয়ের হাঙ্গার স্ট্রাইক। একটা মজার ঘটনা না স্যার? আমি বাধ্য হয়ে কলকাতায় গিয়ে কলেজে ভর্তি হলাম। সেখানে মেসে ঘর নিলাম। কটা টিউশন এবং কলেজস্ট্রিটে বইয়ের দোকানে পার্ট টাইম বসে খরচের খানিকটা তুলতে হত। ছুটি হলেও কলকাতা দৌড়োতে পারতাম না। টিউশন, পার্টটাইম চাকরি সবই তো থাকত।

    ইউনিভার্সিটি শেষ করবার পর আমার জীবন বাঁক নিল। বাঁক! না, বাঁক বলা ঠিক হবে না, বলা উচিত, কঠিন সত্যি থেকে খুব বড় একটা মিথ্যেতে ঢুকে পড়লাম। ট্রেন অন্ধকার টানেলে ঢোকবার মতো।

    এক অপরূপ সুন্দরী আমার প্রেমে পড়ল। একটু-আধটু প্রেমে পড়া নয়, মরাবিলের উন্মাদনার মতো প্রেম। এই মেয়ে আমার ইউনিভার্সিটির এক অধ্যাপকের কন্যা। ভালো রেজাল্ট করবার জন্য প্রফেসর আমাকে একদিন বাড়িতে চা খেতে ডেকেছিলেন। সেখানেই মালবিকাকে দেখি। নাকি মালবিকা আমাকে দেখে? সেটা বলাই যথার্থ হবে। মেয়েটি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া সবে শেষ করেছে। চাকরি বাছাই করছে। ভালো কোম্পানি? নাকি আরও ভালো কোম্পানি? এদেশে? নাকি বিদেশে? আমাদের চায়ের আসরে সে যোগ দিয়েছিল। স্যার পরিচয় করিয়ে দিলেন।

    ‘মালবিকা, মিট পরিতোষ। ভেরি ব্রাইট বয়। খুব হার্ড জীবনের মধ্যে দিয়ে চলেও লেখাপড়া ভীষণ ভালো করেছে! শহরে থাকলে বইয়ের দোকানে পার্ট টাইম কাজ করে, গ্রামে গেলে বাবার সঙ্গে লাঙল ধরে। আমি ঠিক করেছি ও যাতে গবেষণা করতে পারে তার জন্য সবরকম অ্যাসিসটেন্স দেব।’

    মালবিকা সহজভাবে বলল, ‘ভালো।’

    স্যার, তখন বুঝতে পারেনি, ওই মেয়ে আমার প্রেমে পড়ে গেল। বোঝার কোনো কারণও ছিল না। আমি তো মুখ তুলেও তাকায়নি। শিক্ষিত, বুদ্ধিমতী কোনো মেয়ে এভাবে ‘দেখলাম আর ভালোবেসে ফেললাম’ সিস্টেমে প্রেমে পড়ে না। ও ঘটনা উত্তম-সুচিত্রা সেনের আমলেই শেষ হয়ে গেছে। আমার জীবনে সেই জিনিসই ফিরে এল আমি বুঝব কী করে। প্রথম দেখার দিন পনেরো পরে আবার প্রফেসরের বাড়িতে গিয়েছি। উনি ছিলেন না। খবর পাঠিয়েছেন, কোথায় আটকে গেছেন, ফিরতে দেরি হবে। মালবিকা আমার কাছে বসল। একথা সেকথার পর গম্ভীর গলায় বলল, ‘আমি যদি একটা কথা বলি, আপনি রাজি হবেন?’

    আমি চমকে উঠে বলি, ‘কী কথা?’

    মালবিকা চোখ তুলে তাকাল। তাকে দেখতে এতোই সুন্দর যে গম্ভীর হলেও সুন্দর লাগত।

    ‘আগে বলুন রাজি আছেন?’

    তার চোখের চাহনিতে আমি নার্ভাস হলাম। এমনিতেই এই মেয়ের প্রখর ব্যক্তিত্ব। তারওপর প্রফেসরের মেয়ে। প্রফেসর আমাকে সবরকম সাহায্য করছেন। গবেষণার গাইড হয়েছেন তো বটেই, বইপত্র দিয়েছেন, ইউনিভার্সিটি হস্টেলে ঘর ঠিক করে দিয়েছেন। আমি আমতা আমতা করে বললাম, ‘রাজি। বলুন কী কথা?’

    মালবিকা উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ‘কথা জানার দরকার নেই। তুমি রাজি এটাই জানার ছিল।’

    সুন্দরীর মুখে ‘তুমি’ সম্বোধনে আমি চমকে উঠেছিলাম।

    সময় কম, প্রেমের বিস্তারিত ঘটনায় যাব না স্যার। শুধু বলে রাখি, প্রেমের প্রকাশ ছিল সত্যি এবং মিথ্যের মাঝখানে। গভীর রাতে ঘুম ভেঙে যখন মনে হয়েছে, মেয়েটাকে ভালোবাসি, তখন ভয় করেছে। নিজেকে বুঝিয়েছি, এ ভালোবাসা সত্যি নয়, এ ভালোবাসা মিথ্যে। এই মিথ্যে কথা মালবিকা এখনই বলা যাবে না। সময় সুযোগ মতো বলতে হবে। কিছুদিনের মধ্যে মালবিকা বাইরে চলে যাওয়ার সুযোগ পেল। দুবাই। মাইনে, বাড়ি, গাড়ি, আর্দালির বিরাট প্যাকেজ।

    আমি মালবিকাকে বললাম, ‘এমন হতে পারে না মালবিকা। তুমি ভালো চাকরি পেয়েছ, বিদেশে চলে যাচ্ছ।’

    ‘কেন হতে পারে না? কেন?’

    ‘মালবিকা, তুমি আমার বাড়ির অবস্থা জান না।’

    জানি। তোমার বাড়ির সঙ্গে তোমার আমাদের বিয়ের কী সম্পর্ক?’

    ‘আমাদের বাড়ি চাষির বাড়ি। বাবা ধান কাটে, মা পাতকুয়োর পাশে বসে কাপড় কাচে, বেড়ার দেওয়ালে ঘুঁটে দেয়। আমি বাড়ি গেলে মহি’র মলমূত্র পরিষ্কার করি।’

    মালবিক ঠান্ডা গলায় বলে, করবে না। চাকরি করে লোক রাখবে। গাঁয়ের জমি বাড়ি বেচে দিয়ে সবাইকে কলকাতায় এনে রাখবে। এখন তোমার টাকা নেই, তখন তোমার টাকা হবে। আমি তোমার পাশে থাকব।’

    ‘এখন বলছ, পরে এসব হবে না মালবিকা। আমরাও পারব না, ওরাও রাজি হবে না।’

    মালবিকা আমাকে শক্ত করে চেপে ধরেছিল। মুখ নামিয়ে আমাকে চুমু খাওয়ার আগে হিসহিসিয়ে বলেছিল, না হলে না হবে। আমি তো তোমার বাড়িকে চাই না, তোমাকে চাই। তোমাকে বিয়ে করব। তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচতে পারব না।’

    আমি মালবিকাকে সরিয়ে দিতে গেলাম। সে আমাকে ছাড়ল না। ওই প্রথম জানতে পারলাম, মেয়েদের প্রেম কত ক্রূর, নিষ্ঠুর!

    স্যার, আর এক কাপ চা বলবেন নাকি? না হলে ক্ষতি নেই। গল্প প্রায় শেষ করে এনেছি। আর একটু।

    আমি মরাবিলে গিয়ে মাকে মালবিকার কথা বললাম। মা চুপ করে শুনল।

    ‘খুব ভালো মেয়ে মা। ইঞ্জিনিয়ার। চাকরি নিয়ে বিদেশ চলে যাচ্ছে। আমাকে নিয়ে যাবে বলছে।’

    মা মুখ তুলে বলল, দেখ না, মহিকে যদি বিদেশে নিয়ে গিয়ে ডাক্তার দেখাতে পারিস।’

    আমি ফিরে মালবিকাকে বললাম, ‘মা রাজি হয়েছে। মহিকেও বাইরে নিয়ে যাব।’

    মালবিকা ভুরু কুঁচকে বিরক্ত মুখে বলল, ‘এটা একটু বেশি হয়ে যাচ্ছে না পরি? আগে আমি যাই, তোমাকে নিয়ে যাই। তারপর তো তোমার ভাইয়ের কথা।’

    আমি লজ্জা পেয়ে বললাম, ‘সরি, ঠিক বলেছ।’

    মালবিকা আমার গালে হাত রেখে নরম গলায় বলল, ‘চল তোমার গাঁয়ের বাড়ি থেকে ঘুরে আসি। তোমার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করি।’

    ‘আচ্ছা যাব।’

    মালবিকা বলল, ‘যাব না। কাল সকালেই চলো। এরপরে আর পারব না। খুব ভোরে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে যাব।’

    আমি দেশে আগাম খবর দিতে পারলাম না। পরদিন বেলায় আমি আর মালবিকা মরাবিলে পৌঁছোলাম। গোটা পথটা মালবিকা খুব উৎসাহে কাটাল। বাড়িতে এসে মুখ শুকিয়ে গেল। যাবারই কথা। মা বিরাট জ্বর বাধিয়ে বিছানায় শুয়ে কোঁকাচ্ছে। বাবা ক্ষেতে গিয়েছে। মহি বিছানা নোংরা করে শুয়ে আছে কুঁকড়ে লজ্জা পেয়ে। যেমনটা ও চিরকাল পেয়েছে। যেন ওর অসমর্থ শিড়দাঁড়ার জন্য ও দায়ী। দুর্গন্ধে বাড়িতে ঢোকা যাচ্ছে না। আমি মালবিকাকে বাইরে একটা মোড়া এনে দিলাম।

    ‘বস।’

    মালবিকা বসল না। সে কাঁধ থেকে ব্যাগ রেখে মাকে নিয়ে পড়ল। মাথা ধুইয়ে গা স্পঞ্জ করে দিল। রান্নাঘরে গিয়ে খুঁজে পেতে দুধ বের করল। স্টোভ জ্বেলে গরম করল। মাকে দিল। নিজের ব্যাগ থেকে প্যারাসিটামল ট্যাবলেট বের করে দিল। আমি ভাইকে পরিষ্কার করলাম। পাঁজাকোলা করে নিয়ে গিয়ে স্নান করালাম। মালবিকা ওর বিছানায় পাউডার ছড়াল। একপাশে ধূপ জ্বেলে দিল। বাবা জল কাদা মেখে ফিরলে মালবিকা পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করল। তারপর রান্নঘরের দখল নিল। ভাত বসাল, ডাল তরকারি বানাল। ঘরে যা ছিল শশা টশা তাই দিয়ে স্যালাড বানাল। দুপুরে সবাই গরম ভাত খেলাম। বাবা মা, ভাই মালবিকার ওপর খুব খুশি। মা তার মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করল। যাবার সময় মহি মালবিকার হাত চেপে ধরল। দিদিকে সে ছাড়বে না। সবথেকে মজার কাণ্ড করল বাবা। বলল, ‘মাগো, তোমার বাবাকে তোমার কুষ্ঠিটা বের করে রাখতে বল দেখি। আমাদের বাড়িতে আবার বিয়ের আগে কুষ্ঠি বিচার না করলে হয় না।’

    স্যার, আমি বুঝতে পারছিলাম, এসবই মিথ্যে। এই যত্ন, এই খুশি, এই ভালোবাসা সব। সব ফুরিয়ে যাবে। এই বাড়ির জন্য, বাড়ির লোকজনের জন্য যে অবহেলাটুকু পড়ে থাকবে সেটাই শেষপর্যন্ত সত্যি হবে। আর আমিও সেই সত্যির একটা অংশ হয়ে যাব। আবার একদিন মা জ্বর বাধিয়ে বিছানায় শুয়ে কোঁকাবে। বাবা ক্ষেতে যাবে জল কাদা মাখতে। মহি বিছানা নোংরা করে শুয়ে থাকবে কুঁকড়েমুকুড়ে অনেকটা লজ্জা নিয়ে। মালবিকা চাইলেও আমি এখানে সেদিন আসব না। ঝগড়া করব। বিরক্ত হব। কারণ আমিও ততক্ষণে যে মিথ্যেকে ভালোবেসে ফেলেছি।

    বিকেলে মালবিকার সঙ্গে কলকাতা ফিরতে ফিরতে ঠিক করলাম, এই মেয়ের থেকে অনেক দূরে পালাব। নয়তো অন্য কোনো উপায় ভাবতে হবে। স্যার, তখনও আমি খুনের কথা ভাবিনি।

    যে বিপদের কথা ভেবেছিলাম তাই হল। হল কিছুদিন পর। মালবিকা আমাকে বিয়ের কথা বলল। যাওয়ার আগে সে রেজিস্ট্রি করতে চায়। তারপর আমার গবেষণা শেষ হলেই আমাকে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করবে। আমি চুপ রইলাম। নিজের ঘরে ফিরে সারারাত ছটফট করলাম। এ বিয়ে আমি করব না। কারণ আমি মালবিকাকে যতটা ভালবাসি, ঠিক ততটাই ভালোবাসি না। শুধু আমার বাবা, মা, শয্যাশায়ী ভাইকে ছেড়ে চলে যাওয়ায় নয় স্যার, মালবিকা এমন একজন যে আমাকেও আমার থেকে সরিয়ে নিতে পারবেও। সেই সম্মোহন, সেই মায়া, সেই ক্ষমতা ওর আছে। ময়াল সাপের মতো জাপটে, পিষে, ভালোবেসে মারবে আমাকে। আমার দমবন্ধ হয়ে যাবে। আমি কী নিয়ে থাকব স্যার?

    পরদিন ভোর হতে আমি কলকাতা ছেড়ে পালালাম। পালানোর আগে মালবিকাকে এক লাইন চিঠি লিখি। যে চিঠি এখন আপনাদের হেফাজতে। চিঠিতে লিখি ‘মালবিকা, আমি তোমাকে ভালোবাসি।’

    আমি হারিয়ে গেলাম। মালবিকা উন্মাদের মতো আমাকে খুঁজতে লাগল। সে হস্টেলে গেল, আমাকে পেল না। মরাবিল গেল, আমাকে পেল না এভাবে এক মাস কেটে গেল স্যার। মালবিকা তার বিদেশ যাওয়া পিছিয়ে দিল। আবার মরাবিল গেল। আমি ক্ষেতে লুকিয়ে থাকলাম। স্যার, আমি জানতাম মেয়েটা এরপর পারবে না। একটা কিছু করবে। ভয়ংকর কিছু। এই প্রথম তাকে মুখ ফুটে এতো স্পষ্ট করে ভালোবাসার কথা জানিয়েছি না। এরপর আমাকে ছাড়া সে থাকবে কী করে?

    আমার অনুমান ঠিক হল স্যার। মালবিকা শেষপর্যন্ত গাদাখানেক ঘুমের ওষুধ খেয়ে বসল। চিঠি লিখে গেল আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।

    এবার বলুন স্যার, এই মৃত্যুর জন্য আমি কি দায়ী নই? এটা কি খুন নয় আর সেই খুন কি আমিই করিনি?

    স্যার, কথা শেষ। এবার দয়া করে একটা সিগারেট দিন। আরাম করে টেনে লকাপে ঢুকি। এই গল্পের কোনটা সত্যি কোনটা মিথ্যে আমি নিজেও তেমন জানি না। আপনিও জানতে চাইবেন না। একটা মিথ্যের কথা বলে শুধু জানিয়ে রাখি, আপনার মামলা সাজাতে হয়তো সুবিধে হবে। যেদিন মালবিকা আমার সঙ্গে প্রথম মরাবিলে যায়, আমার গাঁয়ের বাড়িতে সেদিন ফেরার পথে সে ক্রমাগত বমি করতে থাকে।

    ‘কী হয়েছে মালবিকা? শরীর খারাপ?’

    ‘না, দুৰ্গন্ধ।’

    ‘দুর্গন্ধ! কীসের?’

    মালবিকা বলেছিল, ‘তোমাদের বাড়ির দুর্গন্ধ।

    আমি অবাক হয়েছিলাম স্যার। দুর্গন্ধ তার সেভাবে পাওয়ার কথা নয়। সে তো বাড়িতে ঢোকেই নি। আমি একটা মোড়া এনে দিয়েছিলাম। বাইরে বসেছিল। জলটুকু পর্যন্ত ছোঁয়নি। তাহলে?

    স্যার আমাকে এবার লক-আপে পোরবার ব্যবস্থা করুন।

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত
    Next Article নীল আলোর ফুল – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }