Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্যার, আমি খুন করেছি – প্রচেত গুপ্ত

    প্রচেত গুপ্ত এক পাতা গল্প201 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নষ্টচরিত্র

    এখন রাত বারোটার কিছু বেশিই হবে। আমি হাঁটছি। হাঁটছি একটা সরু গলি দিয়ে। নির্জন গলি। কোনো আলো নেই। আশপাশে বাড়িও কম। যে কটা আছে, সেখানে মনে হয়, সবাই শুয়ে পড়েছে। বাড়িগুলোও থমথমে অন্ধকার। একটু মাঠ, একটু ঝোপঝাড়। অন্ধকারে হাঁটতে অসুবিধে হওয়ার কথা, আমার হচ্ছে না। খানিক আগে কুকুর ডাকছিল। আমি গলিতে ঢুকতেই চুপ মেরে গেল। কেন? নিজের ডান হাতটা তুলে দেখলাম। না, দেখা যাচ্ছে না। আজ কি অমাবস্যা? নাকি আমার চোখের সমস্যা হয়েছে? এখনও বেশ খানিকটা পথ হাঁটতে হবে। এটা একটা মুশকিল। অন্যসময়ে মুশকিল নয়, আজ মুশকিল। কারণ আজ আমার ডানদিকের বুকে ব্যথা। আমি বুকে হাত চেপে চলেছি। একটা রিকশা পাওয়া গেলে ভাল হতো। রিকশা করে যেতে পারতাম। এত রাতে রিকশা পাওয়া যাবে কোথায়?

    আমার নাম গৌর

    গৌর নামের লোকের গায়ের রং হয় ফর্সা। আমার গায়ের রং কালো। অর্ডিনারি কালো নয়, তিনফুটানি কালো। তিনফুটানি কালো হল, চা তিনবার ফুটোনোর পর চায়ের রং যেমন কালো হয় তেমন কালো। এমন কালো ছেলের নাম কে ‘গৌর’ রেখেছিল?

    রেখেছিল আমার বাবা। তাঁর বিশ্বাস ছিল, গৌর নাম রাখলে, কালো সন্তান একদিন ফর্সা হবে। সময় লাগবে, কিন্তু হবে। বাবা নাকি ছোটবেলায় গ্রামে এমন ঘটনা দেখেছে। বেঁটে সন্তানকে ‘ঢেঙা’ এবং বোকাকে ‘চালাকচন্দর’ ডেকে ফল পাওয়া গেছে। গ্রামদেশে একে বলা হতো ‘নাম টিটমেন্ট’। তবে নিজের সন্তানের বেলায় বাবার এই ‘টিমেন্ট’ কাজ দেয়নি। ঘটনা ঘটেছে অন্যরকম। বাবার ছেলে ফর্সা তো হয়ইনি, উলটে যতদিন গেছে, তার শরীরের কালো ভাব বেড়েছে। এখন তো অবস্থা খুবই খারাপ। ভাগ্যিস বাবা বেঁচে নেই। নইলে আমায় দেখলে চোখ কপালে উঠত। দুঃখও পেতেন।

    ‘গৌর, এ কী অবস্থা হয়েছে তোর!’

    ‘কী অবস্থা বাবা? ভালোই তো আছি।’

    ‘ভালো কী বলিস! একবার আয়নায় নিজেকে দেখেছিস? দেখেছিস ভাল করে?’

    ‘আমার বাসায় বড় আয়না নেই। ছোট একটা রয়েছে, দেয়ালে ঝোলে। ওই আয়নায় মুখের একটা গাল দেখা যায় শুধু। আমি দাড়ি কামবার সময় এক গালে কাজ সেরে তবে আরেকটা গালে সাবান ঘষি।’

    ‘এত বড় হলি, বাড়িতে একটা আয়না কিনতে পারলি নে? ছ্যা ছ্যা। তুই চিরকালের নির্বোধ হয়ে রইলি। চরিত্রে কোনো জোর নেই। ফ্যানফ্যানা চরিত্র। ফ্যানফ্যানা কী জানিস? বাতাস দিলে গাছের নষ্ট পাতার মতো ফনফন করে কাঁপে। এই চরিত্রও নষ্ট।’

    বাবার ধমক খেয়ে আমি বলতাম, ‘বাবা, আয়নার সঙ্গে চরিত্রের সম্পর্ক কী? রোজগারপাতির অবস্থা ভালো নয়। শখ আহ্লাদের পিছনে পয়সা ঢালতে পারব না।’

    বাবা দাঁত কিসমিস করে বলত, ‘অবশ্যই চরিত্রের যোগ আছে। যার চরিত্র জোরালো, নির্ভীক সেই পারে প্রয়োজন অপ্রয়োজন বুঝতে। আয়না কোনো শখের জিনিস হল? নির্বোধ একটা।’

    আমি মিনমিন করে বলতাম, ‘ভাত রুটি ছাড়া সবই শখের জিনিস বাবা।’

    বাবা বলত, ‘বড় বড় কথা বলিস না। তুই এখন করিসটা কী?’

    আমি বলতাম, ‘নিজেই ব্যবসা করি।’

    বাবা চোখ কপালে তুলে বলত, ‘ব্যবসা! ফ্যানফ্যানা চরিত্রের নির্বোধ, তুই ব্যবসার বুঝিস কী! চাষির ছেলে। তুই বুঝবি বীজতলা, ধনঞ্চা, খরালি— বর্ষালি। লাভ ক্ষতির হিসেব রাখা কি তোর কম্ম?’

    আমি বলতাম, ‘অমন করে বোলো না বাবা। লোকে শুনলে হাসবে। চাষির ছেলে নয়, বলো ভাগচাষি ছেলে। তাও তোমার ভাগের জমিজমা অনেকদিন গেছে। গত দশ বৎসর তুমি বেকার। এখানে ওখানে জনমজুর খাটো। ফুসফুসে অসুখ বাধিয়ে ঘরে বসা। আয় রোজগার কিছু নাই। তুমি আর চাষি কই?’

    বাবা আবার চিৎকার দেবে। আমার চরিত্র নিয়ে চিৎকার। ফুসফুস কাণ্ডে গলায় নেই জোর, তাই চিৎকার জমবে না। শুধু গলার শিরা ফুলবে। আমার বাবার এই এক গুণ ছিল। পরিবারকে খাওয়া পরা দিতে পারেননি কিন্তু ধমক দিয়েছে প্রচুর।

    এবার আমার পরিচয়।

    আমার বয়স ছত্রিশ। ছত্রিশ বছর কয়েক মাস। বাড়ি নদীয়া জেলা, গ্রাম গোপালপুর। স্ত্রীর নাম বীণা। তার বয়স ছাব্বিশ। না, ছাব্বিশ নয় সাতাশ। প্রেম করে বিয়ে। কৃষ্ণনগর লোকালে প্রেম। সেই প্রেমের গল্প মজার।

    একবার তাড়াহুড়ো করে লেডিজ কামরায় উঠে পড়েছিলাম। মাঝেমধ্যেই উঠি। কামরা হালকা থাকে। অতগুলো মেয়েদের সঙ্গে থাকতেও মজা লাগে। সেদিন মেয়েরা ধরল ঘিরে। চড়-থাপ্পড় শুরু হয় হয় অবস্থা। একজন কানও মুলে দিল। সঙ্গে গালিগালাজ তো আছেই। এক ষণ্ডামার্কা মহিলা কোমরে শাড়ি পেঁচিয়ে এসে বললে, ‘এভাবে হবে না, বেটাকে ধাক্কা মেরে ট্রেন থেকে ফেলে দে। মেয়েছেলের কামরায় উঠে গায়ের গন্ধ শোঁকার শখ বেরিয়ে যাবে।’ সত্যি সত্যি কজন মিলে আমাকে দরজার ধারে নিয়েও গেল। শুরু হল টানামানি। আমি রড ধরে পরিত্রাহী চেঁচাতে থাকি। আমি অতি ভীতু স্বভাবের এক পুরুষ মানুষ। বাবার ভাষায় ফ্যানফ্যানা চরিত্রের নির্বোধ। মেয়েদের কামরায় ওঠবার লোভ রয়েছে, কিন্তু গোলমাল সামলানোর মনের জোর নেই। তাই চিৎকার দিলাম।

    ‘বাঁচাও, বাঁচাও।’

    একটি তরুণী সত্যি সত্যি বসার আসন ছেড়ে উঠে এলো।

    ‘অ্যাই, তোমরা ওকে ছাড়ো। আমিই ওকে এই কামরায় উঠতে বলেছি।’ সবাই বলল, ‘তুমি কে?’

    ‘যেই হই, ছাড়ো ওকে।’

    একজন বলল, ‘তোমাকেও ফেলে দেব।’

    ‘সাহস থাকলে দাও দেখি।’

    কথাটা বলে শালোয়ার কামিজ পরা সেই মেয়েও ওড়নাটা ভালো করে পেঁচিয়ে আরো এগিয়ে এল। বলল, ‘লেডিজ কামরা থেকে মেয়েছেলেকে ফেলবার হিম্মৎ কত আছে দেখি তোমাদের। সবাইকে হাজতে পুরব।’

    এই হুমকিতে মেয়েরা থতমত খেল। কথাটা ঠিক। মামলা গড়বড়ে হবে। আমাকে ছেড়ে তারা এদিক ওদিক সরেও পড়ল। পরের স্টেশনে সেই ওড়না- মেয়ে নেমে পড়লে, আমিও নামলাম। মেয়েটি হনহন হেঁটে গেলে আমি পিছু নিলাম। একটা ধন্যবাদ তো জানাতে হয়। একটু এগিয়ে থমকে পিছন ফিরে আমার দিকে তাকাল মেয়েটি। কালোর ওপর সুশ্রী। সবথেকে বড় কথা শরীরকে টানার ক্ষমতা রয়েছে। পুরুষমানুষ টানবার ‘টান।’ দেখলে মনে হয় না, ভিতরে তেজ।

    ‘কী চাই?’

    ‘আপনাকে ধন্যবাদ জানাই।’

    ‘ঠিক আছে।’

    ‘আপনাকে চা খাওয়াতে পারি?’

    ‘না, পারেন না।’

    ‘তাহলে অন্য কিছু? অমলেট?’

    ‘না।’

    ‘তাহলে একটু কোথাও বসে কথা বলি?’

    ‘দেখুন, আমি ট্রেন থেকে ফেলা যেমন আটকাতে পারি, তেমন বদ ছেলেদের মেঝেতে ফেলে দু’ঘা দিতেও পারি। পিছন পিছন আসবেন না।’

    এই ঘটনার এক বৎসরের মাথায় এই মেয়েকে বিয়ে করলাম। আজ আট মাস হল সে আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। তবে পালিয়ে যায়নি, বলে কয়ে গেছে। যার সঙ্গে গেছে সেই লোকের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভালো। নাম বাবলু পাল। কাপড়ের ব্যবসা। গাঁটরি নিয়ে ঘোরে। কলকাতার বড়বাজার থেকে ছিটকাপড় এনে হাটে সাপ্লাই দেয়। আমার সঙ্গে আলাপ হতে একদিন বাড়িতে এলো। বীণা চা বিস্কুট দিয়ে গেল। দুদিন পর আবার এলো। বীণা চায়ের সঙ্গে ঘুগনি দিল। তিনদিন পরে আবার হাজির। বীণা চায়ের সঙ্গে মাছ ভাজা দিল। আমার তখন টাকা পয়সার বিরাট টানাটানি। বাল্ব বানানোর ফ্যাক্টরিতে কাজ করতাম, সেটা গেছে বন্ধ হয়ে। বাবলু পাল বলল, ‘তুমি আমার সঙ্গে ব্যবসা করতে তো পারো।’

    আমি চোখ কপালে তুলে বললাম, ‘তোমার সঙ্গে ব্যবসা! আমার টাকা কই?’

    বাবুল পাল বলল, ‘প্রথমে টাকা দিতে হবে না। তুমি আমার মাল নিয়ে ঘুরে ঘুরে বেচবে। লাভের ওপর কমিশন পাবে। তবে খাটতে হবে। দূরের হাটে, গঞ্জে যেতে হবে। যদি রাজি থাকো বলবে।’

    বাড়িতে গিয়ে বীণাকে বললাম। বীণা বিয়ের আগে ছিল রোগা। বিয়ের পর আরও গায়েগতরে হয়েছে। গালগুলো হয়েছে টসটসে। টসটসে গাল নেড়ে সে বলল, অবশ্যই করবে। ঘুরে ঘুরে ব্যবসা করবে। যত ঘুরবে তত ব্যবসা, তত লাভ। বেটাছেলে দুপুরে ঘরে থাকবে কেন? ছি।’

    আমি বাবুল পালের কাপড়ের গাঁটরি নিয়ে দুপুরে হাটেমাঠে বেরিয়ে পড়লাম। বাবলু পাল দুপুরে আমার বাড়িতে ঢুকে পড়ল। একদিন দুম করে বাড়ি ফিরে এসে দেখি দরজা বন্ধ। বাইরে স্কুটার। বাবলু পালের স্কুটার। আমি রোয়াকে শুয়েই দিলাম ঘুম। বিকেলে দরজা খুলে বীণা ঘরে ডেকে নিল। বলল, ‘জোরে কথা বল না। বাবলুদা ঘুমোচ্ছে।’

    ‘বাবলুদা’র ঘুম ভাঙলে বীণা দুজনকে চা দিল। একসঙ্গে চা খেলাম। বাবলু পাল আমার কাছ থেকে ব্যবসার হিসেবপত্র বুঝল। ব্যবসা ভালো হয়েছে বলে পিঠ চাপড়ে দিল। বলল, ‘তুমি পারবে।’

    রাতে বীণা এসে পাশে শুয়ে বলল, ‘এদিকে ফেরো।’

    আমি বললাম, ‘খুব খাটনি গেছে। ঘুম পাচ্ছে।’

    বীণা বলল, ‘না, এখনই আমার দিকে ফিরবে।’

    আমি কী আর করব? বীণাকে আমি ভয় পাই। বাধ্য হয়ে পাশ ফিরলাম।

    বীণা বলল, ‘তুমি আমাকে কিছু বললে না কেন?’

    আমি বললাম,’কী বলব?’

    বীণা বলল, ‘বাঃ, একটা বাইরের লোকের সঙ্গে দরজা দিয়েছি, আর তুমি কিছু বলবে না! দুটো চড় তো মারবে।’

    আমি হেসে বললাম, ‘কী যে বল। তোমার গায়ে হাত তুলব? ছিছি।’

    বীণা একটু চুপ করে থেকে বলল, ‘তোমার বাবা ঠিকই বলত, তোমার চরিত্র নষ্টচরিত্র। ফ্যানফ্যানা চরিত্র তো নষ্টই হল? হল না? বেটাছেলের চরিত্র গাছের পাতার মতো কাঁপে? নাও এবার আমার জামা খোলো। খুলে আদর করো।’

    পরদিন সকালে বীণা সুটকেস গুছিয়ে চলে গেল। যাবার সময় বলল, ‘সাবধানে থাকবে। ফ্যানফ্যানা চরিত্রের পুরুষমানুষের সঙ্গে থাকায় মজা নেই। সিকিওরিটিও নাই। যে কেউ ঘরে ঢুকে আসে। তাই বাবলু পালের কাছে চললাম।’

    আমি বললাম, ‘আচ্ছা যাও। খবর দিও।’

    দরজা পর্যন্ত বীণাকে এগিয়েও দিলাম। মনটা খুবই খারাপ হল। তা হোক, মেয়েটা তো এবার মজায় থাকবে। তবে বাবলুদার সঙ্গে আমার সম্পর্ক খারাপ হল না। বরং বাবলুদা আমাকে আদর করে ‘তুই তোকারি’ করতে শুরু করল। একদিন আমাকে ওর গোডাউনের খুপরি অফিসে বসে বলল, ‘দুঃখ করিস না গৌর, সবাই চিরকাল কাছে থাকে না। যাঃ তোর ব্যবসা আমি ডবল করে দিলাম। এতদিন ছিল দশদিন ধার, এবার কুড়ি দিন ধারে মাল পাবি।’

    আমি ব্যবসায় মন দিলাম। গোলমাল বাধল মাস কয়েক পরে। আবার একদিন লোকাল ট্রেনের লেডিজ কামরায় উঠেছি। সঙ্গে কাপড়ের গাঁটরি। লেডিজ কামরা কম ভিড় বলে মাল নিয়ে উঠতে সুবিধা। দেখেছি, বেশিরভাগ সময়েই গোলমাল হয় না। মাঝেমধ্যে এক-দু’বার ধরা পড়তে হয়। এইটুকু ঝামেলা তো নিতেই হবে। সেদিন ঝামেলা হল বেশি। মেয়েরা ‘রে রে’ করে তেড়ে এলো। আমাকে দেখে যতটা না, তার থেকে বেশি কাপড়ের গাঁটরি দেখে। তবে এবার আর আমাকে ট্রেন থেকে ফেলতে চায় না। কাপড়ের গাঁটরি ফেলবে। একবারে তিন হাজার টাকার মাল গচ্চা যাবে। আমি তো গাঁটরি জড়িয়ে বসে রইলাম। সেদিনও শুরু হল টানা হেঁচড়া। অবাক কাণ্ড সেদিনও জানলার ধার থেকে একটি মেয়ে বলে উঠল, ‘আপনারা ওকে ছাড়ুন। ওকে আমি উঠতে বলেছি।’

    এক মহিলা তেড়েফুঁড়ে বলল, ‘তুমি উঠতে বলার কে? এ লোক তোমার কে হয়?’

    মেয়েটি সিট ছেড়ে উঠে কাছে এসে দাঁড়াল। বলল, ‘উনি আমার স্বামী হন।’

    স্টেশনে নেমে বীণা বলল, ‘এই কাগজের টুকরোটা রাখো। আমার বাড়ির ঠিকানা রয়েছে। জায়গাটা ফাঁকা ফাঁকা। মোবাইল নম্বর তো জানো। ফোন করে চলে আসবে।’

    আমি কাপড়ের গাঁটরি ঘাড়ে তুলে হাঁটতে হাঁটতে অবাক হয়ে বললাম, ‘বাবলুদা? বাবলুদা থাকবে না?’

    বীণার চেহারায় অনেক জেল্লা বেড়েছে। কাপড়-চোপড়ও ঝলমলে। মুখে পাউডার, রং মেখেছে। বেশ ঢলঢলে লাগছে। নিজের বউকে চিনতেই পারছি না।

    ‘ভয়ের কিছু নেই, বাবুলদা রোজ থাকে না। তার নিজের বউ বাচ্চা আছে না? রক্ষিতার ঘরে রাতদিন পড়ে থাকলে হবে?’ কথা শেষ করে ঠোঁটের ফাঁকে হাসল বীণা। ঠোঁটে বেশি করে রং দিয়েছে। গলা নামিয়ে বলল, ‘লোকটা মেদামেরা। আগেও বুঝেছিলাম। টাকার জন্য আছি। ফুরোলেই লাথি মেরে চলে আসব।’

    আমি আমতা আমতা করে বললাম, ‘আমার কি লুকিয়ে যাওয়াটা ঠিক হবে?’

    বীণা ঝাঁঝিয়ে উঠে বলল, ‘বোকার মরণ। কেন হবে না? তুমি আমার স্বামী না? তোমাকে কি আমি ডিভোর্স দিয়েছি? যেদিন আসবে কিছু টাকা নিয়ে যাবে।’

    আমি অবাক হয়ে বলি, ‘কীসের টাকা?’

    বীণা ঠোঁট বেঁকিয়ে বলল, ‘ন্যাকা। বোঝ না? তোমার জন্য সরিয়ে রেখেছি, বাবলুদার খপ্পর থেকে বেরিয়ে আলাদা ব্যবসা করতে হলে টাকা লাগবে না? সেই টাকা। অ্যাই, চা খাওয়াবে?’

    আমি বললাম, ‘না, গোডাউনে মাল ফেলতে হবে।’

    বীণা ফট করে আমার হাত ধরে বলল, ‘পরে ফেলবে। চলো খুব খিদে পেয়েছে। অমলেট খাওয়াবে।’

    আমি কাঁদো কাঁদো গলায় বললাম, ‘দেরি হয়ে যাবে বীণা। হাত ছাড়ো।’ বীণা আমার হাত তো ছাড়লই না উলটে আরো জোরে চেপে ধরল। বলল, ‘চলো তো কোথাও একটু বসি। কতদিন তোমার সঙ্গে দুটো কথা হয় না।’ আমি বললাম, ‘কথা বলবার দরকার কী? তুমিই তো চলে গেছ। ‘ বীণা হেসে বলল, ‘ছেলেমানুষ একটা। তুমিও তো আটকাওনি। নষ্টচরিত্রের পুরুষ কোথাকারে।’

    আমি চুপ করে রইলাম। বীণা মাথা নামিয়ে বলল, ‘আমি ভুল করেছি। মানুষ ভুল করে না?’

    আমি বললাম, ‘ভালোই করেছ। আমার সঙ্গে থাকলে কষ্টে থাকতে হত। এখন কত ভালো রয়েছ।’

    বীণা হাতে চাপ দিয়ে বলল, আবার ছেলেমানুষের মতো রাগ দেখায়। বলছি তো আমি একট খুব বড় ভুল করে ফেলেছি। করেছি বলেই বুঝতে পেরেছি, মানুষের কষ্টে থাকার থেকে ভালো থাকাটা বেশি জরুরি। যা করেছি তোমার ওপর রাগ করে করেছি। তুমি যদি শক্ত হতে, আমাকে কটা চড় দিতে…পরদিন আমাকে আটকাতে পারতে। বাবলু পালকে গিয়ে চেপে ধরতে পারতে। কেন যাওনি?’

    আমি মাথা নামিয়ে বললাম, ‘বীণা, জান তো আমার মনে জোর নেই।’

    বীণা বলল, ‘যাক, এসব পরে হবে, আগে আমায় খাওয়াবে চলো। খুব খিদে পেয়েছে।’

    বীণার ঠিকানা দেওয়া বাড়িতে যেতে শুরু করলাম। একদিন, দুদিন, তিনদিন। তিনদিনের মাথায় ধরাও পড়লাম। আমার হল, ধরা পড়া ভাগ্য। তবে এটা ঠিক ট্রেনের লেডিজ কামরায় ধরা পড়বার মতো নয়। বীণার ওখান থেকে বেরিয়ে গলি দিয়ে হাঁটছিলাম। হনহন করেই হাঁটছিলাম। এই গলি থেকে বড় রাস্তা বেশ খানিকটা। রাত তখন এগারোটা। গলির মুখে পৌছোতে আমার মুখে আলো পড়ল। আমি বাঁ হাত তুলে চোখ ঢাকলাম। ব্রেক কষার আওয়াজে হাত সরিয়ে বুঝতে পারলাম স্কুটারের আলো।

    ‘গৌর, তুই! এখানে কোথায় এসেছিস’

    আমি কোনোরকমে নিজেকে সামলে স্বাভাবিক গলায় বললাম, ‘একজনের বাড়িতে কাপড় দিতে এসেছিলাম। তুমি এ পাড়ায় থাকো বাবলুদা?’

    বাবলু পাল কোনো কথা না বলে পাশ কাটিয়ে চলে গেল। অন্ধকার ছিল বলে ওর মুখটাও দেখতে পেলাম না। রাতে বীণাকে ফোন করতে ভরসা হল না। পরদিন দুপুরে মাল নিতে গিয়ে দেখি বাবলু পাল বসে। আমাকে খুপরি ঘরে ডেকে নিয়ে গেল। পকেট থেকে একটা কাগজ বের করল। ছোট কাগজ। আমারই হাতে লেখা কাপড়ের হিসেব। গুচিমুচি করে লেখা।

    ‘নে ধর। কাল ওই বাড়িতে ফেলে এসেছিলি।’

    কান মাথা ঝাঁ ঝাঁ করে উঠল। আমার মনে হল সব রক্ত আমার শরীর থেকে বেরিয়ে গেছে। বাবলু পাল স্থির চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘কাগজটা কোথায় ফেলেছিলি জানিস? খাটের নিচে। নির্বোধ।

    আমি বিড়বিড় করে বললাম, ‘ভুল হয়ে গেছে।’

    বাবলু পাল শান্ত গলায় বলল, ‘ভয় পাচ্ছিস কেন গৌর? নিজের বউয়ের কাছে গিয়েছিলি, এতে ভয়ের কী আছে?’

    ‘আর যাব না।’

    বাবলু পাল দাঁতে দাঁত ঘষে বলল, ‘নিশ্চয় যাবি, তবে পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়ে যাবি। বউয়ের সঙ্গে ফস্টি নস্টি করবার পর, ওই টাকা বালিশের নিচে রেখে আসবি। আমি হিসেব করে দেখেছি, এখন পর্যন্ত তোকে আমি বাহান্ন হাজার টাকার মাল দিয়েছি। দু’হাজার টাকা ছেড়ে দিচ্ছি। মাল বেচে পয়সা কিছু ফেরত দিয়েছিস ঠিকই, কিন্তু ইনভেস্টমেন্ট তো আমারই। আমি কাপড় না দিলে কী নিয়ে ব্যবসা করতিস? টাকা ফেরত দিবি।’

    আমি নিচু হয়ে বাবলু পালের পা ধরলাম।

    ‘এই কাজ আর করব না বাবলুদা। মাইরি বলছি, আমি যেতে চাইনি, বীণা আমাকে যেতে বলেছিল…। ওই যত নষ্টের গোড়া। জোর করল। আমি বলেছিলাম, যাব না।’

    বাবলু পাল একটু চুপ করে থেকে বলল, ‘বীণাকে আমি বুঝে নেব। তুই শুনলি কেন? একটা নষ্টচরিত্রের মেয়েছেলে। স্বামীকে ছেড়ে চলে আসে, তার কথা তোকে শুনতে হবে?’

    আমি বললাম, ‘আর শুনব না।’

    ‘মনে থাকবে?’

    আমি দু’হাতে কান ধরে বললাম, ‘মনে থাকবে। আর কোনোদিন যাব না। দোহাই আমাকে ব্যবসা থেকে তাড়িও না। না খেতে পেয়ে মরে যাব।’

    বাবলু পাল স্থির চোখে কিছুক্ষণ তাকিয়ে আমার ওঠবোস দেখল। তারপর হাত বাড়িয়ে পাশের লোহার টেবিলের ড্রয়ার খুলল। একটা কালো রঙের রিভলবার। আমার গায়ের মতো কালো। তিনফুটানি। বাবলু পাল সেটা হাতে নিয়ে নাচাতে নাচাতে বলল, ‘যদি মনে না থাকে একদম মেরে দেব।’

    আমি প্রায় কেঁদে ফেলে বললাম, ‘হ্যাঁ, মেরে দিও।’

    এই পর্যন্ত জানবার পর নিশ্চয় মনে হচ্ছে, গৌর নামে লোকটার গালে কষিয়ে দুটো চড় মারি। তারপর মারি টেনে একটা লাথি। ভীতু, মেরুদণ্ড না থাকা, লোভী, ফ্যানফ্যানা চরিত্রের কোনো লোকের জন্য এটা হবে কম শাস্তি। নিজের বউয়ের কাছে গেছে বলে একজন খারাপ লোকের সামনে কান ধরে ওঠবোস করলে তার শাস্তি অনেক বেশি হওয়া উচিত। তার ওপর আবার হাত জোড় করে ক্ষমা চাইছে! শুধু তাই নয়, মেয়েটার ঘাড়ে কেমন দোষ চাপাল! এটা কি মানুষ? এই লোককে আচ্ছা করে পিটুনি দেওয়াই উচিত। হাত পা বেঁধে জলে ফেলে দিলেও অন্যায় হবে না। আমার মনে জোর থাকলে, আমি তাই করতাম।

    তবে সমস্যা হয়েছে। আজ একটা কাণ্ড করে ফেলেছি। করেছি সন্ধের দিকে। এমন নয় ঝোঁকের মাথায় করেছি। করেছি ভেবেচিন্তেই।

    বাবলু পালের গোডাউনের খুপরি অফিসে যাই। কাপড়ের গাঁটরি জমা দিই।

    ‘বাবলুদা, আমি ঠিক করেছি, টাকাটা ফেরত দিয়ে দেব।’

    বাবলু পাল অবাক হয়ে বলল, ‘মানে! কীসের টাকা?’

    আমি বললাম, ‘তোমার ব্যবসার টাকা। এই নাও কিছুটা এখনই রাখো বাকিটা ভাগে ভাগে দেব।’

    আমি টেবিলের ওপর টাকার বান্ডিল রাখলাম। বাবলুদা টাকায় হাত না দিয়ে রাগে গরগর আওয়াজ করে বলল, ‘তুই কী চাস?’

    আমি শান্ত ভাবে বললাম, ‘আমি কী চাইব? ভীতু মানুষ। আমি কিছু চাই না, বীণা চায়।’

    বাবলুদা চোখ সরু করে বলল, ‘বীণা! সে কী চায়?’

    আমি বললাম, ‘সে আমার কাছে ফিরে আসতে চায়। এই টাকা সে দিয়েছে। তোমার দেওয়া টাকা।

    বাবলুদা বিড়বিড় করে বলল, ‘হারামজাদি নষ্ট মেয়েছেলে। তাকে পিষে মারব। তার আগে মারব তোকে…।’

    বলতে বলতে টেবিলের ড্রয়ার টেনে রিভলবার বের করে ফেলে বাবলুদা। আমি কিছু বুঝে ওঠবার আগেই গুলি চালিয়ে দেয়। গুলি লাগল আমার ডানদিকে। বুকের একটু ওপরে। অত কাছ থেকে তো, জোর খুব ছিল। আমি ছিটকে পড়লাম। এত তাড়াতাড়ি লোকটা এরকম একটা কাজ করে বসবে আমি ভাবতেও পারিনি। কিন্তু এখন কী হবে? আমি মরে যাব আর বীণা এই পশুটার কাছে আটকে থাকবে? হতেই পারে না। কিছুতেই না। আমি বাবলু পালের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লাম। টেনে নিলাম পাশে পড়ে থাকা কাপড়ের বড় গাঁটরিটা। ধরলাম চেপে বাবলু পালের মুখের ওপর।

    ধস্তাধস্তি বড়জোড় তিন কী চার মিনিট। বাবলু পাল আমার আগে মরল। বেচারি। যে কাপড়ের জোরে এত কিছু করছে সেই কাপড়ের হাতেই মৃত্যু। আমি মরেছি, আরও খানিকক্ষণ পর। বাবলু পালের গোডাউনের ছেলেটা আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে। ততক্ষণে অনেকটা রক্ত বেরিয়ে গেছে।

    আমি এখন গলি পেরিয়ে বীণার বাড়ির দরজায়। তাকে সব ঘটনা খুলে বলব। বুকের রক্তও দেখাব। আমি জানি মরে গেলেও সে আমাকে ভয় পাবে না। সে দরজা থেকে সরে দাঁড়িয়ে, আমাকে ঘরে ঢুকতে দেবে।

    আমি বলব, ‘তোমার ভয় করছে না বীণা? আমি একজন মরা মানুষ।’

    সে বলবে, ‘তাতে কী হয়েছে? তোমাকে তো আমি ভালোবাসি। ভালোবাসার আবার বাঁচা মরা কী?’

    আমার বাবা যদি বেঁচে থাকত আর এই দৃশ্য দেখতে পেত, আমি জানি খুব বকা দিত। বলত, ‘নির্বোধ ছেলে, ফ্যানফ্যানা চরিত্র। আজ একটু ফুল আনতে পারলি না? এমন দিনে মেয়ের কাছে ফুল ছাড়া কেউ আসে? তুই একটা চাষির ছেলে, তোর ফুলের অভাব?’

    আমি বলতাম, ‘আমাকে বকছ কেন বাবা! মরা মানুষ কখনো হাতে করে ফুল আনে?’

    বাবা হুংকার দিত, ‘আলবাত আনে।’

    আমি বুকের রক্ত মুছে বলব, ‘ভুল হয়ে গেছে বাবা।’

    এই সময় দরজা ধরে দাঁড়িয়ে থাকা বীণা বলবে, ‘কী এতক্ষণ বাইরে দাঁড়িয়ে আছ, এসো, ভিতরে এসো।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন – সম্পাদনা : পৌলোমী সেনগুপ্ত
    Next Article নীল আলোর ফুল – প্রচেত গুপ্ত

    Related Articles

    প্রচেত গুপ্ত

    দেরি হয়ে গেছে – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    পঞ্চাশটি গল্প – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    ধুলোবালির জীবন – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    রুপোর খাঁচা – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    মাটির দেওয়াল – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    প্রচেত গুপ্ত

    নুড়ি পাথরের দিনগুলি – প্রচেত গুপ্ত

    September 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }