Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্যালভেশন অফ আ সেইন্ট – কিয়েগো হিগাশিনো

    কেইগো হিগাশিনো এক পাতা গল্প340 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্যালভেশন অফ আ সেইন্ট – ১৩

    অধ্যায় ১৩

    মাইকে কথাটা শোনার পর চোখ বন্ধ করে ফেলল হিরোমি। কিছুক্ষণ বাদে বিটলসের ‘দ্য লং অ্যান্ড উইন্ডিং রোড’ গানটা বেজে উঠল স্পিকারে। খুব কষ্ট হচ্ছে তার নিজেকে সামলাতে। ইয়োশিতাকা বিটলসের প্রচণ্ড ভ ছিল। ফলে গাড়িতে আর বাসার সিডি প্লেয়ারে এই গানটা বেশ কয়েকবার শুনেছে হিরোমি। ধীর ছন্দের গানটার তালে তালে মাথা দোলাতো ইয়োশিতাকা। সুরের মূর্ছনায় ভেসে যেত যেন। নিশ্চয়ই আয়ানের পরামর্শে গানটা বাজছে। ভাবনাটা মাথায় আসতেই কেন যেন একইসাথে অনুতাপ আর ঈর্ষা চেপে বসলো ওর চিত্তে। তবে এরকম একটা অনুষ্ঠানের জন্যে একদম যথার্থ গানটা।

    বুকের ওপর চেপে বসা পাথরটার ওজন বেড়ে গেছে যেন হঠাৎ। শেষ পর্যন্ত আর চোখের পানিতে বাঁধ দেয়া সম্ভব হলো না। অঝোর ধারায় অশ্রু ঝরতে লাগলো দুই গাল বেয়ে। কিভাবে তাকে ভুলে থাকবে ও? হিরোমি খুব ভালো করেই জানে যে এখানে কান্নাকাটি করাটা একদমই উচিত হচ্ছে না তার। লোকে কি ভাববে? সবার চোখে আমি তো ইয়োশিতাকার স্ত্রীর ছাত্রি। আয়ানেই বা কি ভাববে?

    গানটার সুর মিলিয়ে যাবার পর শুরু হলো পুষ্পস্তবক অর্পন পর্ব। সারিবদ্ধভাবে বেদীর সামনে গিয়ে ফুলের তোড়াগুলো নির্দিষ্ট স্থানে রাখলো অতিথিরা। ধর্ম-কর্মে অবশ্য কখনোই অতটা মনোযোগ ছিল না ইয়োশিতাকার। শেষকৃত্যের আয়োজন করার সিদ্ধান্তটা আয়ানের। চুপচাপ বেদীর একপাশে দাঁড়িয়ে আছে সে।

    একদিন আগে পুলিশের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয় যে মরদেহ হস্তান্তরে আর কোন বাঁধা নেই। সেদিনই একটা ফিউনারেল হোমে নিয়ে আসা হয় ইয়োশিতাকার লাশ। তাতসুহিকো ইকাই অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যাপারে সর্বাত্মকভাবে সাহায্য করেছে আয়ানেকে। আজকের প্রাথমিক অনুষ্ঠানের পর আগামীকাল আরো বড় করে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে ফিউনারেল হোমের পক্ষ থেকে।

    একসময় হিরোমির ফুল দেয়ার পালা আসলো। একপাশে দাঁড়িয়ে থাকা ফিউনারেল হোমের কর্মীর হাত থেকে ফুল নিয়ে সেটা বেদিতে শুইয়ে দিল হিরোমি। এরপর সামনে টাঙানো মৃতের ছবির দিকে তাকিয়ে হাতজোড় করে প্রার্থনা করল কিছু সময়। ছবিটায় হাস্যোজ্বল ইয়োশিতাকাকে দেখা যাচ্ছে।

    কষ্ট করে হলেও কান্না চাপলো হিরোমি। হঠাৎই তার পেটে মোচড় দিয়ে উঠল এ সময়। ভীষণ বমি পাচ্ছে। মুখে হাত চেপে দ্রুত সেখান থেকে কেটে পড়ার মুহূর্তে চোখাচোখি হলো আয়ানের সাথে। কোন অনুভূতি খেলা করছে না তার সেলাই শিক্ষকের চেহারায়। তার উদ্দেশ্যে একবার বাউ করে চলে যেতে উদ্যত হলো হিরোমি।

    “ঠিক আছো তুমি? হিরোমি?” নরম কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল আয়ানে।

    “হ্যাঁ,” কোনমতে বলল হিরোমি।

    মাথা নেড়ে আবারো বেদির সামনে জড়ো হওয়া অতিথিদের দিকে মন দিল আয়ানে।

    ঘরটা থেকে বেরিয়ে এলো হিরোমি। এখান থেকে বের না হওয়া পর্যন্ত শান্তি লাগবে না। দরজার উদ্দেশ্যে দ্রুত এগোচ্ছে এমন সময় কেউ একজন হাত রাখলো তার কাঁধে। ইউকিকো ইকাই।

    “হ্যা-হ্যালো…” তোতলাতে শুরু করল হিরোমি।

    “তোমাকে খুব জ্বালাতন করেছে পুলিশের লোকজন, তাই না?” বলল ইউকিকো। “মুখটা একদম শুকিয়ে গেছে।” মহিলার চোখে আসলেও উদ্বেগ খেলা করছে, সেই সাথে খানিকটা কৌতূহল।

    “তাদের সাথে কথা বলা শেষ,” হিরোমি বলল।

    “কি তদন্ত করছে কে জানে, এখনও তো কোন কিছু শুনতে পেলাম না। কোন সন্দেহভাজনকেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি।”

    “জানি,” হিরোমি মাথা নাড়লো।

    “তাতসুহিকো বলছিল যে যত তাড়াতাড়ি কেসটা নিষ্পত্তি হবে, কোম্পানির জন্যে তত মঙ্গল। তাছাড়া আয়ানেও বাসায় ফিরতে পারছে না। কি একটা অবস্থা!”

    আবারও মাথা নাড়লো হিরোমি।

    “তোমরা দু’জন এখানে কি করছো?” ওদের উদ্দেশ্যে এগোতে এগোতে জিজ্ঞেস করল তাতসুহিকো ইউকা। “খাবার আর পানীয় সব গেস্ট হলে রাখা আছে।

    “তাই না কি?” বলে হিরোমির দিকে তাকালো ইউকিকো। “চলো তাহলে?”

    “না, আমার ক্ষুধা নেই একদমই। ধন্যবাদ।”

    “আরে এসো! তুমি তো আয়ানের জন্যে অপেক্ষা করবেই। সবাইকে বিদায় জানাতে জানাতে ওর বেশ খানিকটা সময় লেগে যাবে।“

    “না,” এবারে আগের চেয়ে খানিকটা জোর দিয়ে বলল হিরোমি। “আসলে আমি আজ তাড়াতাড়ি ফিরবো।”

    “কিছুক্ষণের জন্যে হলেও এসো। আমাকে সঙ্গ দাও।”

    “এত জোর করছো কেন?” এসময় পাশ থেকে বলল তাতসুহিকো। “ওনার তো অন্য কোন কাজও থাকতে পারে।”

    এমন ভাবে ‘অন্য কোন কাজ’ কথাটা উচ্চারণ করল তাতসুহিকো যে হিরোমির মেরুদণ্ড বেয়ে শীতল একটা স্রোত বয়ে গেল যেন। ঠাণ্ডা দৃষ্টিতে ওর দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলো মি. ইকাই।

    “আমি দুঃখিত। পরে নাহয় একসময় কথা বলবো…” বলে আর অপেক্ষা না করে ওখান থেকে বেরিয়ে এলো হিরোমি। আমার আর ইয়োশিতাকার সম্পর্কের ব্যাপারে জানেন তিনি। আয়ানে নিশ্চয়ই কিছু বলেনি। পুলিশের লোকদের কেউ কি জানাতে পারে? মিসেস ইকাইকে অবশ্য বলেননি কিছু। আমার সম্পর্কে তার ধারণাই পাল্টে গেছে।

    অস্থির লাগছে হিরোমির। এখন কি হবে ওর? লোকে তো সত্যটা জানবেই এক সময়। আর একবার সেটা হবার পর আয়ানের সাথেও আর যোগাযোগ করতে পারবে না। মাশিবাদের চেনাজানা সকলের কাছ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে হবে।

    আমাকে হয়তো কখনোই ক্ষমা করবেন না তিনি।

    বেদির পাশে দাঁড়িয়ে ওর দিকে যেভাবে তাকিয়ে ছিল! ফুল দেয়ার সময় ওভাবে মুখে হাত চাপা দেয়াটা উচিত হয়নি। আয়ানে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছে, কেন অমনটা হয়েছিল। সেজন্যেই ঠিক আছে কি না জানতে চেয়েছে।

    যদি এমন হতো, মি. মাশিবার সাথে অল্প ক’দিনের সম্পর্ক ছিল ওর, তাহলে হয়তো আয়ানে ওকে ক্ষমা করলেও করতে পারতো। স্বামীর সাময়িক পদস্খলন বলে নিজেকে সান্ত্বনা দিত হয়তো। কিন্তু হিরোমির পেটে মি. মাশিবার ভালোবাসার ফসল।

    হ্যাঁ, আয়ানে হয়তো সন্দেহ করেছিল ব্যাপারটা। কিন্তু সন্দেহ এক জিনিস এবং স্বামীর প্রেয়সীর মুখ থেকে সত্যটা শোনা সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাপার বেশ কয়েকদিন হতে চলল ডিটেক্টিভ উতসুমির সামনে প্রেগন্যান্সির ব্যাপারটা স্বীকারের ঘটনার। এরপর থেকে এখন অবধি আয়ানে সে নিয়ে কিছুই বলেনি। আমার সম্পর্কে তার ধারণাও নিশ্চয়ই আরো বদলে গেছে, হিরোমি ভাবলো। কিন্তু ধারণার এই বদলের প্রতিক্রিয়া কি হতে পারে সে সম্পর্কে অনেক ভেবেও কিছু খুঁজে পেলো না হিরোমি।

    সামনের দিনগুলোর কথা ভাবলেই চোখে আঁধার দেখছে? এখন কি করবো আমি?

    বাচ্চা নষ্ট করে ফেললেই ভালো হবে বোধহয়। ওর কি ক্ষমতা আছে একা একটা বাচ্চার লালন পালন করার? তাছাড়া বাচ্চাটার বাবা ইতোমধ্যেই মারা গেছে, অর্থাৎ শুরু থেকে একটা ভাঙা পরিবারের মধ্যে বড় হতে হবে বেচারাকে। কিছুদিনের মধ্যে হয়তো হিরোমির চাকরিটাও চলে যাবে। বাচ্চাটা রাখার সিদ্ধান্ত নিলে আয়ানে কি আর ওকে চাকরিতে বহাল থাকতে দিবে?

    যতই ভাবলো, ততই মনে হতে লাগলো যে ওর হাতে অন্য কোন উপায় নেই। তবুও মন মানতে চায় না। হয়তো ইয়োশিতাকাকে এখনও ভালোবাসে বলেই তার শেষ স্মৃতিচিহ্নটাকে মুছে ফেলার কথা মনে হতেই আঁতকে উঠছে। তাছাড়া একজন মা’র পক্ষে কি কখনো জেনেবুঝে তার সন্তানকে হত্যার কথা চিন্তা করাটা সহজ?

    তবে যে সিদ্ধান্তই নিক, সেটা নিতে হবে দুই সপ্তাহের মধ্যে। এরপর অ্যাবরশনের ক্ষেত্রে দেরি হয়ে যাবে।

    ফিউনারেল হল থেকে বের হয়ে ট্যাক্সি খুঁজছিল, এমন সময় পেছন থেকে কেউ একজন ডেকে উঠল, “মিস ওয়াকাইয়ামা?”

    ভূকুটি করে পেছনে তাকাতেই ডিটেক্টিভ কুসানাগিকে ওর দিকে আসতে দেখলো।

    “আপনাকে খুঁজছিলাম। বাসায় যাচ্ছেন?”

    “হ্যাঁ। খুব ক্লান্ত লাগছে।”

    ডিটেক্টিভ নিশ্চয়ই ওর প্রেগন্যান্সির ব্যাপারটা জানে। ভাবলো একবার বলবে যে এরকম মুহূর্তে বারবার বিরক্ত না করতে। গর্ভবতী অবস্থায় মানসিক চাপের মধ্যে থাকাটা মা এবং বাচ্চা কারো জন্যেই ভালো নয়।

    “আমি জানি আপনি ভীষণ ক্লান্ত। এই অবস্থায় বিরক্ত করার জন্যে দুঃখিত, কিন্তু কিছু কথা ছিল। খুব বেশি সময় লাগবে না।”

    অসন্তোষ লুকানোর কোন চেষ্টা করল না হিরোমি। “এখনই বলতে হবে?”

    “হ্যাঁ, আমি আসলেও দুঃখিত।”

    “আমাকে কি আবার স্টেশনে যেতে হবে?”

    “না, নিরিবিলি কথা বলা যায় এরকম কোথাও হলেই হবে।” এটুকু বলে একটা ট্যাক্সি ডাক দিল কুসানাগি। চালককে হিরোমির বাসার কাছের একটা রেস্তোরাঁর ঠিকানা বলে ভেতরে উঠে বসলো।

    হয়তো আসলেও তাড়াতাড়ি ছেড়ে দেবে, কিছুটা স্বস্তিবোধ করল হিরোমি।

    রেস্তোরাঁটা প্রায় খালিই বলা চলে। একদম পেছন দিকের একটা টেবিল দখল করল ওরা।

    এখানে চা আর কফি কাউন্টার থেকে নিজে গিয়ে নিয়ে আসতে হয়, তাই দুধ অর্ডার করল হিরোমি। কুসানাগি নিজের জন্যে কফি নিয়ে আসলো।

    “ইদানীং এরকম রেস্তোরাঁগুলোয় ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আপনার কোন অসুবিধে হবে না আশা করি,” হেসে বলল ডিটেক্টিভ

    হিরোমি নিশ্চিত, কুসানাগি কথাটা বলেছে এটা বোঝাতে যে, প্রেগন্যান্সির ব্যাপারটা সে জানে। আপাতদৃষ্টিতে খুবই সাধারণ একটা মন্তব্য। কিন্তু ভেতরে ভেতরে অন্তর্দ্বন্ধে ভোগার কারণে এই মন্তব্যটাই খুব রূঢ় ঠেকলো হিরোমির কাছে।

    “কী জানতে চাচ্ছিলেন?” টেবিলের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল সে।

    “আমাদের সময় নষ্ট করা উচিত নয় একদমই। আপনাকে দ্রুত বাসায় ফিরতে হবে,” বলে কিছুটা সামনের দিকে ঝুঁকে এলো কুসানাগি। “ইয়োশিতাকা মাশিবার প্রেমিকাদের সম্পর্কে জানতে চাই আমি।”

    “মানে?” চট করে মুখ তুলে জিজ্ঞেস করল হিরোমি।

    “মানে…অন্য কারো সাথে তার সম্পর্ক ছিল কি না। আপনি বাদে?”

    চেয়ারে সোজা হয়ে বসলো হিরোমি। লোকটা কি পাগল? “এরকম উদ্ভট প্রশ্ন করার কারণ কি?”

    “অন্য কেউ কি ছিল?”

    “আপনারা কি এরকম কিছু জানতে পেরেছেন?” তীক্ষ্ণ কণ্ঠে পাল্টা জিজ্ঞেস করল হিরোমি।

    দূর্বল হেসে হাত নাড়লো কুসানাগি। “না, এরকম কিছু শুনিনি আমরা। শুধু একটা সম্ভাবনার কথা ভাবছিলাম, তাই জিজ্ঞেস করলাম।”

    “এ ব্যাপারে কিছু জানি না। আমার মাথায় এটা ঢুকছে না, অন্য কারো থাকার কথা কেন ভাবছেন আপনি।”

    হাসি মুছে গেল কুসানাগির মুখ থেকে। “আপনি তো জানেন,” বলল সে, “মি. মাশিবাকে বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে। আর যে ব্যক্তি বিষ মিশিয়েছে, মাশিবাদের বাসায় হত্যাকাণ্ডের দিনে নির্বিঘ্নে প্রবেশ করেছে সে। সেই হিসেবে চিন্তা করলে আপনিই প্রধান সন্দেহভাজন।

    “আপনাকে ইতোমধ্যেই কয়েকবার বলেছি। আমি কাজটা-’

    “বুঝলাম,” তার কথা শেষ হবার আগেই বলে উঠল কুসানাগি। “কিন্তু আপনি যদি কাজটা না করে থাকেন, তাহলে কে করল? ঐ বাসায় কার কার যাতায়ত ছিল? মি. মাশিবার অফিসের কর্মচারী এবং অন্যান্য পরিচিত লোকদের সাথেও কথা বলেছি আমরা। তাদের মধ্যে কাউকেই সন্দেহ হয়নি। তাই সেখান থেকেই এই সম্ভাবনাটার কথা ভাবতে বাধ্য হয়েছি যে, দ্বিতীয় কারো সাথে সম্পর্ক থাকতে পারে মি. মাশিবার।”

    এবারে বুঝতে পারলো হিরোমি, তবুও ব্যাপারটা মানতে কষ্ট হচ্ছে। তাছাড়া ইয়োশিতাকার এরকম কিছু করার কথাও না।

    “ডিটেক্টিভ, আপনি ওকে ভুল বুঝছেন। হয়তো কিছু ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে ও জীবনে, আমার সাথে সম্পর্কও করেছে-আমি বুঝতে পারছি, কেন এই সম্ভাবনাটা মাথায় উঁকি দিয়েছে আপনার। কিন্তু যে যা-ই বলুক ইয়োশিতাকা কোন প্লেবয় নয়। আমার সাথে সম্পর্কটার ছেলেখেলার জন্যে করেনি সে।”

    হিরোমি ভেবেছিল ওর কথা শুনে কুসানাগি হয়তো কিছুটা হলেও দমে যাবে, কিন্তু ডিটেক্টিভের চেহারার অভিব্যক্তির কোন পরিবর্তনই হলো না।

    “তাহলে তার জীবনে অন্য কোন নারীর উপস্থিতির ব্যাপারে কিছু জানেন না আপনি?”

    “না, একদমই না।”

    “কোন প্রাক্তন প্রেমিকা? তাদের ব্যাপারে কিছু জানেন?”

    “প্রাক্তন প্রেমিকা? মানে বিয়ের আগে যাদের সাথে সম্পর্ক ছিল ওর? এটা শুনেছি যে তালিকাটা খুব একটা ছোট নয়, কিন্তু এ ব্যাপারে খুব বেশি কথা হয়নি আমাদের মধ্যে।”

    “কিছুই কি বলেননি? এই যেমন তারা কি কাজ করতো বা কোথায় তাদের সাথে দেখা হয়েছিল?”

    থুতনিতে হাত ঠেকিয়ে ভাবতে লাগলো হিরোমি। আসলে বেশ কয়েকজন প্রাক্তনের ব্যাপারে টুকটাক আলাপ হয়েছিল ওদের মধ্যে। কিন্তু প্রেমিকা হয়ে প্রেমিকের প্রাক্তনদের ব্যাপারে শুনতে কারোই ভালো লাগার কথা নয়। তবে দুই একজনের কথা এখনও মনে আছে।

    “প্রকাশনার সাথে জড়িত এক মহিলার কথা বলেছিল একবার।

    “ প্রকাশনার সাথে জড়িত। যেমন, সম্পাদক?”

    “না, লেখিকা খুব সম্ভবত।“

    “ঔপন্যাসিক?।”

    কাঁধ ঝাঁকালো হিরোমি। “ঠিক বলতে পারবো না। খালি এটুকু বলেছিল যখনই নতুন কোন বই লেখতো সে, ইয়োশিতাকার কাছে মতামত চাইতো। ব্যাপারটা ভালো লাগতো ওর। এটা জিজ্ঞেস করেছিলাম যে কি ধরণের বই লেখেন মহিলা, কিন্তু আর কিছু বলেনি ও। আসলে প্রাক্তনদের ব্যাপারে কথা বলতে ওর নিজেরও ভালো লাগতো না, তাই আমিও আর জোর করিনি।”

    “আর কিছু বলেছিল কখনো?”

    “এটা বলেছিল, কখনো স্ট্রিপার বা পতিতাদের শরণাপন্ন হয়নি। এমনকি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্টিগুলোতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মডেলদের দাওয়াত দেয়ার ব্যাপারটাও পছন্দ করতো না।“

    “কিন্তু নিজের স্ত্রীর সাথে তো এরকম একটা পার্টিতেই দেখা হয়েছিল ওনার।”

    “ওনার স্ত্রী তো কোন মডেল নয়,” মাথা নিচু করে বলল হিরোমি।

    “আপনার কি কখনো মনে হয়েছে, কোন প্রাক্তনের সাথে হয়তো এখনও যোগাযোগ আছে তার?”

    “না মনে হয়,” ডিটেক্টিভের দিকে তাকিয়ে বলল হিরোমি। “আপনাদের ধারণা ওর পুরনো প্রেমিকাদের কেউ কাজটা করেছে?”

    “করতেও পারে, এটা একটা সম্ভাবনা। এজন্যেই আপনাকে বলছি এ সম্পর্কে যা যা জানেন, খুলে বলতে। পুরুষেরা সাধারণত পুরনো সম্পর্কের ব্যাপারে অত রাখঢাক করে না। হয়তো আলাপ করতে করতে সময়ে কিছু একটা বলেছিল তিনি আপনাকে?”

    “সরি,” দুধের কাপটা নিজের দিকে টেনে নিয়ে বলল হিরোমি। “এরকম কিছু মনে পড়ছে না,” একবার চুমুক দিয়েই নাক কুঁচকে ফেলল। চা অর্ডার করলেই ভালো হতো। বার বার ন্যাপকিন দিয়ে ঠোঁট মুছতে হবে এখন।

    এসময় হঠাৎই একটা পুরনো স্মৃতি ভেসে উঠল তার মনের পর্দায়। কুসানাগির চোখ বরাবর তাকালো।

    “কিছু মনে পড়েছে?”

    “ইয়োশিতাকা সবসময় কফি খেতো ঠিকই, কিন্তু চা সম্পর্কেও অনেক কিছু জানতো ও। একবার এই ব্যাপারে প্রশ্ন করেছিলাম। তখন বলে যে, ওর এক প্রাক্তন প্রেমিকা চায়ের পাগল ছিল, সবসময় নিহোনবাশির নির্দিষ্ট একটা দোকান থেকেই চা কিনতো সে।”

    নোটপ্যাড বের করে সেখানে কিছু কথা টুকে নিল কুসানাগি। দোকানটার নাম মনে আছে?”

    “না। ও বোধহয় নাম সম্পর্কে কিছু বলেনি।”

    “হয়তো শুধু চা বিক্রি করে এমন কোন দোকান?”

    “সরি, আর কিছু মনে পড়ছে না।“

    “সমস্যা নেই,” বলে আবারো হাসলো কুসানাগি। “অনেক সাহায্য করেছেন ইতোমধ্যে। মিসেস মাশিবাকেও এ সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিলাম, কিন্তু তিনি কিছু জানাতে পারেননি। হয়তো আপনার সাথে কথা বলতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন মি. মাশিবা।”

    ডিটেক্টিভের এহেন মন্তব্যে বিরক্ত হলো হিরোমি। লোকটার আক্কেল-জ্ঞান আসলেও কম। হয়তো ওকে সান্ত্বনা দেয়ার লক্ষ্যেই কথাটা বলেছে সে, কিন্তু গর্দভ না হলে কেউ এভাবে কথা বলে না।

    “আমি কি এখন উঠতে পারি?” জিজ্ঞেস করল হিরোমি।

    “নিশ্চয়ই। আপনার সময়ের জন্যে ধন্যবাদ। অন্য কিছু মনে পড়লে দয়া করে আমাকে ফোন করে জানাবেন।”

    “ঠিক আছে,” হিরোমি বলল।

    “আপনাকে বাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিচ্ছি।“

    “সেটার দরকার হবে না। আমি একাই চলে যেতে পারবো।”

    উঠে দাঁড়িয়ে হনহন করে দরজার দিকে হাঁটা দিল হিরোমি, বিলের দিকে ফিরেও তাকালো না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স – কিয়েগো হিগাশিনো
    Next Article রিং – কোজি সুজুকি

    Related Articles

    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য হাউস হোয়ার আই ডাইড ওয়ান্স – কেইগো হিগাশিনো

    January 6, 2026
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য রেড ফিঙ্গার – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য মিরাকলস অব দ্য নামিয়া জেনারেল স্টোর – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    নিউকামার – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    ম্যালিস – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }