Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্যালভেশন অফ আ সেইন্ট – কিয়েগো হিগাশিনো

    কেইগো হিগাশিনো এক পাতা গল্প340 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্যালভেশন অফ আ সেইন্ট – ৮

    অধ্যায় ৮

    আয়ানে মাশিবার পৈতৃক নিবাস খুঁজে পেতে খুব একটা সমস্যা হলো না। একটা ছিমছাম আবাসিক এলাকায় তিনতলা বাড়ি। নিচতলাটা গ্যারেজ এবং স্টোররুম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। একটা সিঁড়ি উঠে গেছে দোতলার প্রবেশ ফটক অবধি।

    “এখানকার বেশিরভাগ বাড়িই এরকম,” আয়ানের বাবা, কাজুহিরো মিতা বলল। মেহমানের জন্যে চালের পিঠা তৈরি করা হয়েছে। “ঠাণ্ডার সময় প্রচুর বরফ পড়ে আমাদের এখানে। তাই মূল প্রবেশ ফটক ইচ্ছে করেই উঁচুতে বানানো হয়েছে।”

    মাথা নাড়লো কুসানাগি। টোকিও শহর থেকে একদম ভিন্ন জায়গাটা, যেন অন্য একটা জগত। আয়ানের মা, তোকিকো চা নিয়ে প্রবেশ করলে ধোঁয়া ওঠা কাপটা তুলে নিল কুসানাগি। খালি ট্রে নিয়ে স্বামীর পাশে বসে পড়লো তোকিকো।

    “ইয়োশিতাকার খবরটা শুনে আমরা প্রচণ্ড অবাক হয়েছি। যখন আমাদের জানানো হলো, ওর মৃত্যু স্বাভাবিক নয়, পুলিশি তদন্ত হচ্ছে, তখন বিস্ময়ের পরিমাণ আরো বেড়েছে,” কাজুহিরো বলল। তার সফেদ ভ্রু জোড়া কিছুটা কুঁচকে আছে এখন।

    “খুন কি না সেটা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি,” কুসানাগি বলল।

    “ওর শত্রুর সংখ্যা কম নয়। সব প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রেই অবশ্য এই কথাটা খাটে। তবে আপনাকে মাথায় রাখতে হবে, গতানুগতিক অন্য সবার চেয়ে সে একটু বেশিই….”

    পাঁচ বছর আগে একটা স্থানীয় ক্রেডিট ইউনিয়ন থেকে অবসর গ্রহণ করে কাজুহিরো মিতা। ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে ভালোই জানাশোনা তার।

    “আমি ভাবছিলাম,” পাশ থেকে তোকিকো বলল এই সময়। “আয়ানের কি অবস্থা? ফোনে গলা শুনে তো মনে হলো, ঠিকই আছে। কিন্তু ও নিশ্চয়ই চায় না যে আমরা দুশ্চিন্তা করি।”

    “ভালোই আছেন। ভীষণ কষ্ট পেয়েছেন অবশ্যই,” কুসানাগি বলল। “কিন্তু আমাদের যথাসম্ভব সাহায্য করেছেন।”

    “যাক, একটু স্বস্তি পেলাম,” চেহারা থেকে দুশ্চিন্তার ভাবটা কিছুটা হলেও কমলো মিসেস মিতার।

    “আয়ানে বলছিলেন যে শনিবারে স্যাপ্পোরোতে এসেছিলেন তিনি। আপনার শারীরিক অবস্থা নিয়ে চিন্তা হচ্ছিল তার,” কাজুহিরোর দিকে তাকিয়ে বলল কুসানাগি। বয়স্ক ভদ্রলোক কিছুটা রোগা, কিন্তু তাকে দেখে মনে হচ্ছে না, কোন অসুখে ভুগছে।

    “হ্যাঁ, আসলে…” বলে এক মুহূর্তের জন্যে থামলো কাজুহিরো। “অগ্নাশয়ে সংক্রমণ হয়েছিল আমার তিন বছর আগে। তখন থেকেই শারীরিক অবস্থা ভালো না। মাঝে মাঝে জ্বর আসে। পেটে এত ব্যথা হয় যে নড়াচড়াই করতে পারি না। কিন্তু মানিয়ে নিয়েছি আমি। এই বয়সে এটাই করতে হয় সবাইকে। মানিয়ে নেয়া শিখতে হয়।”

    “আয়ানের সাথে কি বিশেষ কোন দরকার ছিল এবার আপনার?”

    “না, ওরকম কিছু না,” একবার স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে বলল কাজুহিরো। মাথা ঝাঁকালো তোকিকো। “শুক্রবার রাতে ফোন দিয়ে বলে, পরদিন আসবে। বাবাকে নিয়ে না কি দুশ্চিন্তা হচ্ছিল ওর, তাছাড়া বিয়ের পরে একবারও আসেনি।”

    “এখানে আসার অন্য কোন কারণ কি ছিল?”

    “ওরকম কিছু বলেনি আমাদের।”

    “কতদিন থাকতে চেয়েছিলেন।”

    “সে ব্যাপারেও স্পষ্ট কিছু বলেনি। আমি যখন জিজ্ঞেস করেছিলাম বলেছিল যে তখনো ঠিক করেনি।”

    হঠাৎ স্যাপ্পোরোতে ফেরার কোন কারণ ছিল না, মনে মনে ভাবলো কুসানাগি। তাহলে বাবা-মার সাথে এভাবে দেখা করতে এলো কেন সে? বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, একমাত্র স্বামীর সাথে সমস্যা হলেই বিয়ের পরে বাড়ি ফেরে মেয়েরা।

    “ইয়ে মানে, মি. কুসানাগি…” খানিকটা দ্বিধান্বিত স্বরে বলল কাজুহিরো। “আয়ানে এখানে কেন এসেছিল সেটা নিয়ে খুব চিন্তিত মনে হচ্ছে আপনাকে। কারণটা আমাদের বলা যাবে?”

    হাসলো কুসানাগি। বয়স্ক ব্যংকার সাহেবের চিন্তা ভাবনা এখনও পরিস্কার। “মি. মাশিবা যদি আসলেও খুন হয়ে থাকেন, তাহলে খুনি বুঝে শুনেই এই সময়টা বেছে নিয়েছিল। আয়ানে মাশিবা বাড়ির বাইরে থাকলে তার সুবিধেই হবার কথা,” ধীরে কিন্তু স্পষ্টস্বরে বলল ডিটেক্টিভ। “আর

    সেটাই যদি হয়ে থাকে, তাহলে আমাদের জানতে হবে যে মিসেস মাশিবার এখানে আসার কথা কিভাবে জানলো খুনি। সেজন্যেই এই প্রশ্নগুলোর জবাব জানাটা জরুরি। আশা করি বুঝতে পারছেন।”

    “বেশ,” বলে মাথা নাড়লো কাজুহিরো। কুসানাগির কথা বিশ্বাস করেছে কি না সেটা অবশ্য তার চেহারা দেখে বোঝা যাচ্ছে না।

    “এখানে এসে কি করছিলেন তিনি?” কুসানাগি জিজ্ঞেস করল বয়স্ক দম্পতির দিকে তাকিয়ে।

    “শনিবার সারাদিন বাসাতেই ছিল। রাতে স্থানীয় একটা সুশি রেস্তোরাঁয় গিয়েছিলাম সবাই মিলে। জায়গাটা ওর পছন্দের,” তোকিকো বলল।

    “রেস্তোরাঁটার নাম কি?”

    চোখে সন্দেহ নিয়ে পাশে বসে থাকা স্বামীর দিকে তাকালো একবার তোকিকো।

    “দুঃখিত,” কুসানাগি আবারো হেসে বলল। “ছোটখাটো সব তথ্যই কাজের। তাই খুঁটিনাটি জানতে হবে আমাকে। তাছাড়া টোকিও থেকে আবারো এখানে আসার ইচ্ছে নেই আমাদের।”

    তোকিকোকে দেখে মনে হলো না কুসানাগির ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট সে কিন্তু রেস্তোরাঁটার নাম বলল সে। “লাকি সুশি।”

    “আর রবিবারে তো এক বন্ধুর সাথে হট স্প্রিং রিসোর্টে গিয়েছিলেন তিনি?”

    “হ্যাঁ, সাকির সাথে। মিডল স্কুল থেকে বন্ধুত্ব ওদের। এখান থেকে পাঁচ মিনিটের দূরত্বে ওর বাবা-মা’র বাসা। বিয়ের পর শহরের দক্ষিণ প্রান্তে চলে গিয়েছে সাকি, কিন্তু শনিবার তাকে ফোন দেয় আয়ানে। খুব সম্ভবত জোযানকেইতে গিয়েছিল।”

    মাথা নেড়ে নোটপ্যাডের দিকে তাকালো কুসানাগি। মামিয়া আগেই আয়ানের বন্ধুর নাম জেনে নিয়েছিল-সাকিকো মোতুকা। উতসুমি তার সাথে দেখা করবে রিসোর্ট থেকে ফেরার পথে।

    “আপনি বললেন, বিয়ের পরে এই প্রথম স্যাপ্পোরোতে ফিরেছিলেন আয়ানে। তিনি কি মি. মাশিবা ব্যাপারে কিছু বলেছেন?”

    “শুধু বলেছে যে কাজ নিয়ে খুব ব্যস্ত ইয়োশিতাকা,” ঘাড় কাত করে বলল তোকিকো। “কিন্তু গলফ খেলার সময় ঠিকই পায়। এই ধরণের কথাবার্তা আর কি …“

    “ওখানে সব ঠিকঠাক আছে কি না, এ ব্যাপারে কিছু বলেছিলেন?

    “নাহ, একটা শব্দও না। বরং আমাকেই প্রশ্নবাণে জর্জরিত করেছে। ওর বাবা কেমন আছে, ভাই কেমন আছে, কি করছে-ওহ, ওর কিন্তু একটা ভাই আছে। আমেরিকায় থাকে।”

    “তিনি যেহেতু বিয়ের পরে এখানে আসেননি,” কুসানাগি বলল, “আপনাদের সাথে তাহলে মি. মাশিবার খুব কমই দেখা হয়েছে?”

    “হ্যাঁ, এটা সত্যি। ওদের বিয়ের আগ দিয়ে একবার গিয়েছিলাম। তখনই ভালোমতো কথা হয়েছিল। আমাদের অবশ্য অনেকবার বলেছে যেতে, কিন্তু কাজুহিরোর শরীরের যে অবস্থা…সুযোগ হয়ে ওঠেনি।”

    “সর্বসাকুল্যে চারবার তার সাথে দেখা হয়েছে আমাদের,” কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল কাজুহিরো।

    “বিয়ের ব্যাপারে খুব দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেন তাহলে তারা?”

    “অনেকটা সেরকমই। আয়ানের বয়স ত্রিশ হয়ে গিয়েছিল। আমরা তো ভাবছিলাম যে আদৌ কখনো বিয়ে করবে কি না সে। এমন সময় একদিন ফোন দিয়ে বলে যে গাঁটছড়া বাঁধবে খুব শিঘ্রই,” তোকিকো বলল অভিমানী মায়ের কণ্ঠে

    আয়ানের বাবা-মা’র কথা অনুযায়ী আট বছর আগে টোকিওতে পাড়ি জমায় সে। এর আগে দুই বছর জুনিয়র কলেজে পড়ে এবং এক্সচেঞ্জ স্টুডেন্ট প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে ইংল্যান্ডে কিছু দিন থাকে। সেলাই নিয়ে হাইস্কুল থেকেই আগ্রহ ছিল; গ্র্যাজুয়েশনের আগেই দক্ষ সেলাইশিল্পী হিসেবে বেশ নামডাক ছড়িয়ে পড়ে তার। কিছু প্রতিযোগীতায় বিজয়ীও হয়। ইংল্যান্ড থেকে ফেরার পর সেলাইকর্ম নিয়ে একটা বই প্রকাশ করে আয়ানে। এরপর আর পিছে ফিরে তাকাতে হয়নি।

    “কাজ নিয়ে এতটাই ব্যস্ত থাকতো যে আমরা বিয়ের কথা জিজ্ঞেস করলে বলতো, কারো বউ হবার সময় নেই ওর,” তোকিকো বলল, “আমি এতটাই ব্যস্ত যে আমার নিজেরই একটা বউ দরকার” এটাই বলেছিল।”

    হেসে উঠল কুসানাগি। “তার বাসা কিন্তু ভীষণ সাজানো গোছানো।” মাথা ঝাঁকালো কাজুহিরো। “হাতের কাজ ভালো পারা মানেই এটা নয় যে ঘরের কাজও ভালো পারবে। এখানে যতদিন ছিল, একটা কাজও কখনো করেনি। আমার তো সন্দেহ টোকিওতে একা একা থাকার সময় নিজের জন্যেও কখনো রান্না করেছে কি না।”

    “তাই?”

    “হ্যাঁ,” তোকিকোও তাল মেলালো স্বামীর সাথে। “কয়েকবার গিয়েছিলাম আমরা। ওরকম পরিস্কার চুলা আর কোথাও দেখিনি। কেনা খাবার খেতো ও।”

    “কিন্তু তাদের বন্ধুদের মতে প্রায় সময়ই বাসায় দাওয়াতের আয়োজন করতো মিস্টার এবং মিসেস মাশিবা। আপনার মেয়েই সবকিছু রান্না করতো।”

    “আমরাও শুনেছি সেটা। আয়ানেই বলেছিল। বিয়ের পরে নিশ্চয়ই রান্নার স্কুলে ভর্তি হয়েছিল। আমরা তো বলতাম ‘ওর স্বামীর কপাল খারাপ, নিজেকেই রান্না করে খেতে হবে।”

    “একদম হঠাৎই মারা গেল ছেলেটা,” মাথা নিচু করে বলল কাজুহিরো।

    “আমরা যদি ওর সাথে দেখা করি, তাহলে কি কোন সমস্যা হবে?” তোকিকো জিজ্ঞেস করল। “শেষকৃত্যের কাজে ওকে সাহায্য করতে চাই।“

    “না, সমস্যা কিসের,” কুসানাগি বলল। “তবে আমি নিশ্চিত নই, মি. মাশিবার দেহ কবে হস্তান্তর করা হবে।“

    “ওহ,” দমে গেল তোকিকো।

    “আয়ানের সাথে যোগাযোগ করে সব ব্যবস্থা করবো আমরা,” স্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলল কাজুহিরো।

    ধন্যবাদ জানিয়ে বের হবার জন্যে উঠে দাঁড়ালো কুসানাগি। জুতা পায়ে দেয়ার সময় দরজার পাশে হুকের সাথে একটা সেলাইয়ের কাজ করা জ্যাকেট চোখে পড়লো। গায়ে দিলে প্রায় হাঁটু অবধি নেমে আসবে ওটা।

    “আমাদের জন্যে কয়েক বছর আগে জ্যাকেটটা তৈরি করেছিল ও,” তোকিকো বলল পেছন থেকে। “শীতের সময় কাজুহিরোকে পেপার আর টুকটাক জিনিসপত্র আনার জন্যে প্রায়ই দোকানে যেতে হয়।”

    “একটু বেশিই রঙচঙে,” কাজুহিরো বলল। কিন্তু জ্যাকেটটা যে তার ভীষণ পছন্দের, তা চেহারাতেই স্পষ্ট।

    “একবার আয়ানের দাদী শীতের মধ্যে বাইরে গিয়ে পা পিছলে পড়ে কোমরের হাড় ভেঙে ফেলেছিল। সেই কথা মনে রেখেছে আয়ানে। তাই জ্যাকেটের পেছন দিকে মোটা করে কাপড়ও দিয়ে দিয়েছে, “ লম্বা জ্যাকেটটার ভেতরের দিকটা দেখিয়ে বলল তোকিকো।

    সবসময়ই অন্যের কথা চিন্তা করা তার অভ্যাস, কুসানাগি ভাবলো।

    মিতাদের বাসা থেকে বের হয়ে লাকি সুশির উদ্দেশ্যে রওনা দিল কুসানাগি। ‘বন্ধ’ সাইন ঝোলানো থাকলেও ভেতরে প্রধান কুক ছিল তখনো। সবকিছু গুছিয়ে রাখছিল সে। বয়স পঞ্চাশের আশপাশে। আয়ানেদের কথা মনে আছে তার।

    “বেশ লম্বা সময় পর এখানে এসেছিল ওরা, তাই চেষ্টা করেছিলাম ওদের সর্বোচ্চ সন্তুষ্ট করার। প্রায় রাত দশটা অবধি ছিল। কিছু হয়েছে?” এক ভ্রু উঁচিয়ে জিজ্ঞেস করল কুক।

    জনে জনে মি. মাশিবা মারা যাবার ব্যাপারটা বলে বেড়ানোর কোন প্রয়োজনীয়তা অনুভব করল না কুসানাগি। প্রশ্নটা পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে এলো। রাতের খাবারের সময় হোটেলের লাউঞ্জে উতসুমির সাথে দেখা করার কথা তার। ওখানেই পেল তাকে, নোটপ্যাডে কিছু একটা লিখছিল জুনিয়র ডিটেক্টিভ।

    “কিছু জানতে পেরেছো?” উতসুমির উল্টোদিকে বসে জিজ্ঞেস করল কুসানাগি।

    “আয়ানে তো আমাদের বলেছিলেনই যে জোযানকেইতে একটা হট স্প্রিং রিসোর্টে ছিলেন তিনি। ওখানকার একজন কেয়ারটেকারের সাথে কথা হয়েছে আমার। বান্ধবীর সাথে ভালোই সময় কাটিয়েছেন।”

    “আর মিস সাকিকো মোতুকা?”

    “তার সাথেও দেখা হয়েছে।”

    “মিসেস মাশিবার কথার সাথে মেলেনি এমন কিছু জানতে পেরেছো?” মেঝের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে মাথা ঝাঁকালো উতসুমি। “নাহ। যা যা বলছেন সব মিলে গেছে।”

    “এদিকেও একই ঘটনা। টোকিওতে গিয়ে আবার এখানে ফিরে আসার মত সময় ছিল না তার।

    “মিস মোতুকা বলেন, রবিবার ভোরে মিসেস মাশিবার সাথে দেখা করেন তিনি। এটাও সত্যি যে রাতের আগে মেসেজগুলো চোখে পড়েনি তার।”

    “অ্যালিবাইতে কোন রকমের ছেদ তো চোখে পড়ছে না,” হেলান দিয়ে বসে বলল কুসানাগি। “আয়ানে খুনি নন। আমি জানি, তুমি এখনও হয়তো বিশ্বাস করছো না কথাটা। কিন্তু বাস্তবতা সেটাই ইঙ্গিত করছে।”

    এক মুহূর্তের জন্যে অন্যদিকে তাকিয়ে আবারো কুসানাগির চোখে চোখ রাখলো উতসুমি। “তবে মিস মোতুকার কথা শুনে কিছু ব্যাপারে খটকা লেগেছে আমার।“

    “যেমন?”

    “দীর্ঘ সময় তাদের মধ্যে কোন দেখা সাক্ষাৎ ছিল না। মিসেস মাশিবার বিয়ের আগেও লম্বা সময় যোগাযোগ বন্ধ ছিল।”

    “তার বাবা-মা’ও এটাই বলেছে।”

    “মিস মোতুকার কাছে মনে হয়েছে, তার বান্ধবী অনেকটাই বদলে গেছে। আগের মত উচ্ছাস না কি চোখে পড়েনি। বরং একটু বেশিই ধীরস্থির মনে হয়েছে।”

    “তো?” কুসানাগি বলল। “এমনটাও হতে পারে যে স্বামীর পরকীয়ার ব্যাপারে জানতেন আয়ানে। সেসব ব্যাপারে চিন্তা করার জন্যেই এখানে এসেছিলেন হয়তো। এগুলো নিয়ে চিন্তা করার কি আছে? চিফ তো বলেই দিয়েছেন। এখানে কেবল মিসেস মাশিবার অ্যালিবাই খতিয়ে দেখার জন্যে এসেছি আমরা। আর কিছু বলবে?”

    “আরেকটা ব্যাপার,” উতসুমি বলল একই সুরে। “মিস মোতুকা কয়েকবার ফোন চালু করতে দেখেছেন আয়ানেকে। মেসেজ এসেছে কি না দেখে আবার বন্ধ করে রেখেছেন।”

    “চার্জ বাঁচানোর জন্যে। আমিও করি এটা।”

    “আসলেও?”

    “কেন, তোমার কি ধারণা?”

    “হয়তো কোন কলের অপেক্ষায় ছিলেন তিনি, কিন্তু সেটা ধরার ইচ্ছে ছিল না। বরং মেসেজ পেয়ে কলব্যাক করতে চেয়েছিলেন।

    মাথা ঝাঁকালো কুসানাগি। উতসুমির চিন্তাভাবনা একজন জুনিয়র ডিটেক্টিভ হিসেবে যথেষ্ট পরিস্কার। কিন্তু কিছুটা গোঁয়ার ধরণের। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে উঠে দাঁড়ালো সে। “চলো, না-হলে প্লেন ছুটে যাবে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স – কিয়েগো হিগাশিনো
    Next Article রিং – কোজি সুজুকি

    Related Articles

    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য হাউস হোয়ার আই ডাইড ওয়ান্স – কেইগো হিগাশিনো

    January 6, 2026
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য রেড ফিঙ্গার – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য মিরাকলস অব দ্য নামিয়া জেনারেল স্টোর – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    নিউকামার – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    ম্যালিস – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }