Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    স্যালভেশন অফ আ সেইন্ট – কিয়েগো হিগাশিনো

    কেইগো হিগাশিনো এক পাতা গল্প340 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্যালভেশন অফ আ সেইন্ট – ৯

    অধ্যায় ৯

    বিল্ডিংয়ের ভেতরটা বেশ ঠাণ্ডা। লোকজন না থাকায় নিজের পায়ের শব্দই কানে এসে বাজছে; যদিও পরনের ট্রেইনার জুতোর সোলগুলো রাবারের।

    সিঁড়ি বেয়ে ওপরতলায় ওঠার পর অবশেষে একজনের দেখা পাওয়া গেল। চশমা পরা একটা ছেলে। খানিকটা বিস্ময়ের দৃষ্টিতেই ওর দিকে তাকালো ছেলেটা। বোধহয় খুব বেশি অপরিচিত নারীকে এখানে দেখেনি, মনে মনে বলল কাওরু উতসুমি।

    শেষবার এখানে পা পড়েছিল বেশ কয়েক মাস আগে, ফোর্সে জয়েন করার পর প্রথম তদন্তের একটা কাজে। ভেবে অবাক হয়েছিল, কুসানাগি কেন একজন পদার্থবিদের কাছে কেসের ব্যাপারে পরামর্শের জন্যে পাঠাচ্ছে তাকে। কোথায় যেতে হবে মনে আছে এখনও।

    ১৩ নম্বর ল্যাবরেটরি আগের জায়গাতেই আছে। একটা সাদা হোয়াইট বোর্ড ঝুলছে দরজায়। ল্যাবের লোকজন কে কোথায় আছে তার বিস্তারিত লেখা আছে সেখানে। ‘ইউকাওয়া’ নামটার পাশে একটা লাল রঙের চুম্বক লাগানো। ভেতরেই আছেন তিনি। লম্বা একটা শ্বাস নিল উতসুমি। যাক, অন্তত একই কাজে দ্বিতীয়বার আসতে হচ্ছে না।

    বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী ল্যাবের অন্য সবাই এ মুহূর্তে বাইরে। এটাও স্বস্তির একটা কারণ। অন্য কারো সামনে কেস নিয়ে কথা বলতে ভালো লাগতো না।

    দরজায় কড়া নাড়লো উতসুমি। “আসুন।” অপেক্ষা করতে লাগলে সে।

    “দরজাটা অটোম্যাটিক নয়,” কিছুক্ষণ পর আবারো বলল ভেতরের কন্ঠস্বর।

    হালকা ধাক্কা দিতেই খুলে গেল দরজা। উতসমির দিকে পিঠ দিয়ে বসে আছে একজন। পরনে কালো রঙের টিশার্ট। মনোযোগ সামনের স্ক্রিনের দিকে। আশপাশে নানারকম যন্ত্রপাতি সাজানো।

    “সিঙ্কের পাশের কফিমেকারের সুইচটা দিতে পারবেন?” না ঘুরেই জিজ্ঞেস করল লোকটা। “খুব বেশি সময় লাগবে না।”

    সিঙ্ক ওর ডানদিকে। কফিমেকারটা দেখে নতুন মনে হচ্ছে। সুইচে চাপ দিতেই শব্দ করে চালু হয়ে গেল ওটা।

    “আমি শুনেছিলাম আপনার ইন্সট্যান্ট কফি পছন্দ,” বলল উতসুমি।

    “ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে জেতার পুরষ্কার হিসেবে পেয়েছি জিনিসটা। ভাবলাম কাজে লাগিয়ে দেখি। খারাপ না যন্ত্রটা, প্রতি কাপে খরচও তুলনামূলক কম।”

    “তাহলে তো আরো আগে নিলেই ভালো হতো।”

    “না। একটা ঝামেলা আছে।”

    “কি?”

    “স্বাদ ইন্সট্যান্ট কফির মতন হয় না,” কিবোর্ডের একটা বাটনে শব্দ করে চাপ দিয়ে বলল মানার ইউকাওয়া। পরমুহূর্তে ঘুরে উতসুমির দিকে তাকালো। “ফোর্সে মানিয়ে নিচ্ছেন তাহলে?”

    “নিচ্ছি ধীরে ধীরে।”

    “আমার একটা থিওরি আছে। ধীরে ধীরে তদন্তের কাজের সাথে মানিয়ে নেয়া আর মনুষত্য বিসর্জন দেয়া অনেকটা একই রকম।”

    “ডিটেক্টিভ কুসানাগিকে আপনার এই থিওরির ব্যাপারে বলেছেন?”

    “বেশ কয়েকবার। তবে ও বুঝেছে বলে মনে হয় না,” আবারও মনিটরের দিকে দৃষ্টি ফেরালো ইউকাওয়া। হাত মাউসে।

    “কি এটা?”

    “ফেরাইটের ক্রিস্টালাইন স্ট্রাকচার। স্ফটিক তো চেনেন?” ফেরাইট…মানে চুম্বক?”

    একবার ভ্রু নাচালো ইউকাওয়া। “ফেরোম্যাগনেটিক আসলে …তবে আপনি ঠিক পথেই এগোচ্ছেন।”

    “একবার পড়েছিলাম কোথায় যেন। ম্যাগনেটিক হেড বানাতে ব্যবহৃত হয় এগুলো, তাই না?”

    “কুসানাগি এখনও জানে না কী রকম সহকারি পেয়েছে,” বিড়বিড় করে বলল ইউকাওয়া। মনিটরটা বন্ধ করে উতসুমির দিকে ফিরলো সে। প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু করা যাক। আমি করছি প্রথমটা। আপনার এখানে আসার ব্যাপারে কেন কুসানাগিকে কিছু জানাবো না?”

    “সেটা ব্যাখ্যা করতে হলে আমাকে আগে কেসটার ব্যাপারে জানাতে হবে।”

    ধীরে মাথা ঝাঁকালো ইউকাওয়া। “আপনি যখন ফোন দিয়েছিলেন, প্রথমে না করেছিলাম। কারণ পুলিশের কেস নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে আমার নেই। কিন্তু মত বদলেছি যখন আপনি বললেন, কুসানাগি আপনার এই আগমনের ব্যাপারে কিছু জানবে না। ব্যাপারটা কৌতূহলোদ্দীপক মনে হয়েছে আমার কাছে। সেজন্যেই ব্যস্ত শিডিউল সত্ত্বেও আপনাকে আসতে বলেছি। তাই আগে এই প্রশ্নেরই উত্তর দিন। এরপর আমি সিদ্ধান্ত নেব, আপনার অন্য কথাগুলো শুনবো কি না।“

    কথা বলার সময়টুকু প্রফেসরের চেহারার দিকে তাকিয়ে ছিল উতসুমি। কুসানাগি তাকে বলেছিল যে ‘ডিটেক্টিভ গ্যালিলিও’ পুলিশি তদন্তে অনেকবারই সাহায্য করেছে। কিন্তু বিশেষ একটা কেসের কারণে তাদের মধ্যে দূরত্বের সৃষ্টি হয়। তখন থেকেই একে অপরের সাথে দেখা সাক্ষাৎ কমে গেছে। কেউ অবশ্য সেই কেসটার ব্যাপারে উসুমিকে কিছু বলেনি।

    “কেসের ব্যাপারে না বললে কেন এই গোপনীয়তা, সেটা ব্যাখ্যা করাটা কঠিন হয়ে যাবে।“

    “মনে হয় না। আপনি যখন কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন, তখন কি তাকে পুরো কেস সম্পর্কে খুলে বলেন? ওরকম ক্ষেত্রে যেভাবে কাজ করেন, সেটাই করুন না হয়। আর দ্রুত। যত বেশি সময় নষ্ট করবেন, ল্যাবে মানুষ আসার সম্ভাবনা ততই বেড়ে যাবে।”

    প্রফেসরের চাঁছাছোলা কথা বলার ধরণ পছন্দ হলো না উতসুমির।

    “কোন সমস্যা?” চোখ সরু করে জিজ্ঞেস করল ইউকাওয়া। “কথা বলতে ইচ্ছে করছে না?”

    “ওরকম কিছু না।“

    “তাহলে যত দ্রুত বলবেন, আপনার জন্যেই মঙ্গল। খুব বেশি সময় নেই আমার হাতে।”

    “বেশ,” ভেতরে ভেতরে কথা গুছিয়ে নিয়ে বলল উতসুমি। “ডিটেক্টিভ কুসানাগি…” ইউকাওয়ার চোখের দিকে তাকিয়ে শুরু করল সে, “… প্রেমে পড়েছেন।”

    “কি?” ইউকাওয়ার কন্ঠস্বরের শীতল ভাবটা দূর হয়ে কৌতূহল ভর করল। ক্ষণিকের জন্যে বিস্ময় খেলা করে গেল তার চোখে। “প্রেম?”

    “হ্যাঁ,” উতসুমি বলল।

    চেয়ারে হেলান দিয়ে বসলো ইউকাওয়া। হাত দিয়ে চশমা ঠিক করল একবার। “কার প্রেমে?” উতসুমির দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল সে।

    “সন্দেহভাজনের,” জবাব দিল উসুমি। “আমাদের বর্তমান কেসের একজন সন্দেহভাজনের প্রেমে পড়ে গিয়েছেন তিনি। এতে তার চিন্তাধারা ব্যহত হচ্ছে। সেজন্যেই চাচ্ছিলাম না, আমার এখানে আসার ব্যাপারটা তার কানে যাক।“

    “তাহলে এক্ষেত্রে সে কোনরকম পরামর্শে আশা করছে না আমার কাছ থেকে?”

    “না,” মাথা ঝাঁকিয়ে বলল উতসুমি।

    বুকের ওপর হাত ভাঁজ করে চোখ বুঝলো ইউকাওয়া। চেয়ারে হেলান দিয়ে লম্বা করে শ্বাস নিল কয়েকবার। “আমি আসলে আপনাকে খাটো করে দেখছিলাম এতক্ষণ। আগে থেকেই ঠিক করে রেখেছিলাম যে আপনি কারণটা বলা মাত্রই সাহায্যের ব্যাপারে মানা করে দেবো। কিন্তু যা বললেন…একদমই অপ্রত্যাশিত। প্রেম? আপনি কি আসলেই ডিটেক্টিভ কুসানাগির ব্যাপারে কথা বলছেন?”

    “এবারে কি আপনাকে কেসটা সম্পর্কে বলতে পারি?” উতসুমি জিজ্ঞেস করল বিজয়ীর সুরে।

    “আগে কফি খেয়ে নেই। বিস্তারিত আলোচনার আগে একটু ক্যাফেইন দরকার আমার।”

    উঠে দাঁড়িয়ে দু’টা কাপে কফি ঢাললো ইউকাওয়া।

    “সবকিছু এটাকে ঘিরেই,” একটা কাপ তুলে নিয়ে চুমুক দিয়ে বলল উতসুমি।

    “মানে?”

    “কফি। কেসের শুরুটা কফি দিয়েই।”

    “শুরু করুন তাহলে,” চেয়ারে বসে বলল ইউকাওয়া।

    ইয়োশিতাকা মাশিবার হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে যা যা জানে সবকিছু ধারাবাহিকভাবে খুলে বলল উতসুমি। আনুষ্ঠানিকভাবে অবশ্য ফোর্সের বাইরের কাউকে কোন কেস সম্পর্কে তথ্য দেয়া নিষিদ্ধ। কিন্তু কুসানাগি তাকে আগেই বলে দিয়েছিল, ইউকাওয়ার কাছ থেকে কিছু লুকানোর অর্থ তার সাহায্য পাবার সম্ভাবনা শূন্য। তাছাড়া ডিটেক্টিভ গ্যালিলিওর প্রতি ভরসা আছে উতসুমির।

    সব কিছু শুনে শূন্য কফির কাপের দিকে একদৃষ্টিতে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলো ইউকাওয়া।

    “অর্থাৎ-আপনি ভিক্টিমের স্ত্রীকে সন্দেহ করেন, কিন্তু কুসানাগি করে না। বরং মহিলার প্রেমে পড়ে গিয়েছে সে, এইজন্যে পরিস্কারভাবে চিন্তাভাবনাও করতে পারছে না।”

    “হয়তো শুরুতেই ‘প্রেম’ বলাটা উচিত হয়নি আমার। আপনার মনোযোগ আকর্ষণের কারণে বলেছিলাম। কিন্তু এটা সত্য, মিসেস মাশিবার প্রতি একটু হলেও আকৃষ্ট ডিটেক্টিভ কুসানাগি। তার আশপাশে অদ্ভুত আচরণ করেন তিনি। তার সম্পর্কে কথা বলার সময়েও একই অবস্থা।“

    “আমি এটা জিজ্ঞেস করবো না, কিভাবে আপনি এতটা নিশ্চিত হলেন এই ব্যাপারে। মেয়েরা এসব জিনিস বরাবরই ভালো বোঝে।”

    “কথাটা প্রশংসা হিসেবেই নিলাম।”

    ভ্রু কুঁচকে কফি কাপটা ডেস্কে নামিয়ে রাখলো ইউকাওয়া। “তবে আপনার কথা শুনে কিন্তু এটাও মনে হচ্ছে না যে, কুসানাগির চিন্তাধারা একদম ভুল। আয়ানে মাশিবা বললেন না মহিলার নাম? তার অ্যালিবাই তো শক্তপোক্তই।”

    “হত্যাকাণ্ডে যদি ছুরি বা বন্দুক ব্যবহার করা হতো তাহলে আমিও ডিটেক্টিভ কুসানাগির সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশ করতাম না। কিন্তু এটা বিষ প্রয়োগে হত্যা। ইচ্ছে করলে আগে থেকেই সব ব্যবস্থা করে রাখা সম্ভব।”

    “এখন আপনি চাইছেন, আমি বের করি কিভাবে সেটা করা হলো?” চুপ করে থাকলো উতসুমি।

    একটা পরিচিত হাসি ফুটলো পদার্থবিদের চেহারায়। “আমার সম্পর্কে আপনি বোধহয় ভুল শুনেছেন। পদার্থবিজ্ঞান কোন জাদুবিদ্যা নয় যে ছড়ি ঘুরালাম আর উত্তর সামনে চলে আসবে।”

    “কিন্তু এর আগে আপনি অনেক জটিল জটিল কেসের সমাধান করেছেন।”

    “অপরাধের কৌশল আর জাদুর কৌশলের মধ্যে পার্থক্য আছে। জানেন সেটা কি?” উতসুমির মাথা ঝাঁকানো অবধি অপেক্ষা করে নিজেই উত্তর দিল ইউকাওয়া। “দুটো কৌশলই গোপন। কিন্তু জাদুর ক্ষেত্রে প্রদর্শনীর পর দর্শকদের কোন সুযোগ থাকে না গোপন কৌশলটা জানার। কিন্তু অপরাধের ক্ষেত্রে সব খুঁটিনাটি বিবেচনা করা হয় কৌশল উদঘাটনের উদ্দেশ্যে। যে কোন অপরাধের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন বিষয় হচ্ছে অপরাধ সংঘটনের পর সবকিছু ধামাচাপা দেয়া, এ ব্যাপারে তো আপনি আমার সাথে একমত?”

    “যদি এই কেসে সবকিছু আসলেই ঠিকমতো ধামাচাপা দেয়া হয়ে থাকে?”

    “আপনার কাছ থেকে যা যা শুনলাম, মনে তো হচ্ছে সে সম্ভাবনা একদমই ক্ষীণ। মি. মাশিবার প্রেমিকার নাম যেন কী বললেন?”

    “হিরোমি ওয়াকাইয়ামা।”

    “সে ভিক্টিমের সাথে কফি খাওয়ার কথা স্বীকার করেছে, তাই না? কফি বানানোর কথাও বলেছে। যদি আসলেই কোনভাবে কফিতে বিষ মেশানো হয়ে থাকে তাহলে তারও মারা যাবার কথা। তা হলো না কেন? আপনি কোন গোপন উপাদানের কথা বলছেন, যা হয়তো স্বাদ বাড়ানোর জন্যে মেশানো হতে পারে। সেটা একটা ভালো সম্ভাবনা। অর্থাৎ ভিক্টিম নিজ হাতেই নিজের মৃত্যু ডেকে আনবে। কোন গোয়েন্দা উপন্যাসের জন্যে এটা ভালো প্লট, কিন্তু বাস্তবে কতটা সম্ভব সে সম্পর্কে প্রশ্ন থেকেই যায়।”

    “কেন?”

    “ধরুন আপনিই অপরাধী। আপনি ভিক্টিমকে উপাদানটা ব্যবহারের কথা বললেন, কিন্তু সেটা সে বাসার বাইরে নিয়ে গেল। বন্ধুর বাসায় গিয়ে স্ত্রীর দেয়া উপাদানটা মিশিয়ে একসাথে কফি খেল, তখন?”

    ঠোঁট কামড়ে ধরলো উতসুমি। যুক্তি আছে ইউকাওয়ার কথায়।

    “স্ত্রী-ই যদি খুনি হয়ে থাকে তাহলে তাকে তিনটি প্রধান বাঁধার সম্মুখীন হতে হবে,” তিন আঙুল দেখিয়ে বলল ইউকাওয়া। “এক, মুখে দেয়ার আগে এ ব্যাপারে কারো কোন সন্দেহ পোষণ করা যাবে না যে কফিতে বিষ মেশানো আছে। সেক্ষেত্রে, অ্যালিবাই তৈরি করেও কোন লাভ বেই। দুই, তাকে নিশ্চিত হতে হবে, একমাত্র মি. মাশিবাই বিষ মেশানো কফি খাবেন। তিন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করা যায় এরকম কোন পদ্ধতি হতে হবে। হোক্কাইদো যাবার আগের রাতে তাদের বাসায় দাওয়াত ছিল, তাই তো? যদি বেশি আগে বিষ মেশানো হয় তাহলে অন্য কেউ সেটা মুখে দিয়ে ফেলতে পারে, সেক্ষেত্রে লোকজন চলে যাবার পরেই কাজ সারতে হবে তাকে। আর সেটা কিভাবে সম্ভব, তা আমার মাথায় আসছে না। দুঃখিত।”

    “এই বাঁধাগুলো অতিক্রম করা কি আসলেও এতটা কঠিন?”

    “আমার কাছে তো কঠিনই মনে হচ্ছে। বিশেষ করে প্রথমটা। মিসেস মাশিবা নির্দোষ সেটা ধরে নেয়াই বেশি যুক্তিযুক্ত।”

    দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো উতসুমির বুক চিড়ে। ডিটেক্টিভ গ্যালিলিও নিজেই যদি বলেন এটা অসম্ভব, তাহলে বোধহয় আসলেই তাই। তার মোবাইল বেজে উঠল এসময়। রিসিভ বাটনে চাপ দেয়ার সময় আড়চোখে ইউকাওয়াকে আবারো কাপে কফি ঢালতে দেখলো।

    “কোথায় তুমি?” খানিকটা রুক্ষ শোনালো কুসানাগির কন্ঠস্বর।

    “একটা ফার্মেসিতে এসেছি আর্সেনাস এসিড সম্পর্কে টুকটাক প্ৰশ্ন করতে। কিছু হয়েছে?”

    “ফরেনসিকের রিপোর্ট এসেছে। কফি ছাড়াও অন্য জায়গাতে বিষের অস্তিত্ব পেয়েছে তারা।“

    শক্ত করে ফোনটা চেপে ধরলো উতসুমি। “কোথায়?”

    “স্টোভে চাপানো কেতলিতে।”

    “কেতলিতে? আসলেই?”

    “খুব অল্প পরিমাণে, কিন্তু হ্যাঁ। হিরোমি ওয়াকাইয়ামাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে নিয়ে আসছি আমি।”

    “তাকে? কেন?”

    “কেতলিতে তার হাতের ছাপ ছিল।”

    “তা তো থাকবেই। রবিবার সকালে সে-ই কফি বানিয়েছিল।”

    “অর্থাৎ তার পক্ষে বিষ মেশানো সম্ভব।

    “শুধুমাত্র তার হাতের ছাপই কি পাওয়া গিয়েছে?”

    “না, মি. মাশিবার হাতের ছাপও মিলেছে।

    “মিসেস মাশিবার?”

    ওপাশে লম্বা শ্বাস ছাড়লো কুসানাগি। “তা তো মিলবেই। উনি ওখানেই থাকেন। কিন্তু শেষ স্পর্শ তার ছিল না, এটা ফরেনসিক থেকে নিশ্চিত করেছে। সেই সাথে তারা এ ব্যাপারেও নিশ্চিত যে, গ্লোভস পরে কেউ কেতলিতে হাত দেয়নি।”

    “গ্লোভস পরে হাত দিলেও অনেক সময় বোঝা যায় না।”

    “সেটা জানি আমি। কিন্তু তুমি আরেকটু ভালোভাবে আলামতগুলো নিয়ে চিন্তা করে দেখো। মিস ওয়াকাইয়ামা বাদে অন্য কারো পক্ষে সম্ভব নয় কেতলিতে বিষ মেশানো। তাকে স্টেশনে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তুমিও থাকবে।”

    উতসুমি কিছু বলার আগেই লাইন কেটে গেল।

    “কিছু জানতে পেরেছেন মনে হচ্ছে?” কফির কাপে চুমুক দিয়ে বলল ইউকাওয়া।

    কুসানাগির বলা কথাগুলোই পুনরাবৃত্তি করল উতসুমি।

    “কেতলিতে? আসলেই?”

    “আমিও অবাক হয়েছি। হয়তো একটু বেশিই ভেবে ফেলেছিলাম। রবিবার সকালে হিরোমিকা ওয়াকাইয়ামা ঐ কেতলিতে কফি বানিয়েছে। অর্থাৎ তখন কেতলিতে বিষ ছিল না। আয়ানে মাশিবার পক্ষে বিষ মেশানো সম্ভব নয় কেতলিতে।”

    “তাহলে এটাও মেনে নিচ্ছেন না কেন যে আয়ানে মাশিবার বিষ মেশানোর কোন দরকারই ছিল না?”

    কি বলবে খুঁজে পেলো না উতসুমি।

    “এইমাত্রই কিন্তু আপনি স্বীকার করলেন, মিসেস মাশিবার পক্ষে কাজটা করা সম্ভব নয়,” ইউকাওয়া বলল, “কিন্তু সেটা একমাত্র তখনই সম্ভব হবে যখন মি. মাশিবা শেষবার কেতলিতে ব্যবহারের আগে অন্য কেউ ওটা ব্যবহার করবে ঠিকই, কিন্তু তার কোন ক্ষতি হবে না। যদি এরকম হতো যে অন্য কেউ কেতলিটা ব্যবহার করেনি তাহলে কিন্তু পুলিশ প্রথমেই মিসেস মাশিবাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতো। এগুলো তো তার জানার কথা, সেক্ষেত্রে অ্যালিবাই তৈরি করারও কোন উপযোগিতা থাকতো না।”

    “তা ঠিক বলেছেন,” মাথা নিচু করে বলল উতসুমি। “দু’ভাবে চিন্তা করলেই মিসেস মাশিবাকে সন্দেহের তালিকা থেকে বাদ দেয়া যায়, তাই না?”

    ইউকাওয়া জবাব দিল না, কেবল তাকিয়ে রইলো উতসুমির দিকে। কিছুক্ষণের নীরবতার পর বলল, “তাহলে এখন কী করবেন? কুসানাগির সাথে আপনিও হিরোমি ওয়াকাইয়ামাকে সন্দেহ করা শুরু করবেন?”

    মাথা ঝাঁকিয়ে না করে দিল উতসুমি। “নাহ।”

    “বেশ আত্মবিশ্বাসী আপনি। কেন সন্দেহ করবেন না, জানতে পারি? দয়া করে এটা বলবেন না, মি. মাশিবাকে ভালোবাসে মিস ওয়াকাইয়ামা,” চেয়ারে পা ভাঁজ করে বসে বলল ইউকাওয়া।

    আবারও কথার খেই হারিয়ে ফেলল উতসুমি। এই কথাই বলতে চলেছিল সে। এছাড়া অন্য কোন কারণ মাথায় আসছে না।

    কিন্তু কেন যেন তার মনে হচ্ছে, ইউকাওয়াও বিশ্বাস করে না যে হিরোমি ওয়াকাইয়ামা দোষী। এর পেছনে নিশ্চয়ই কোন কারণও আছে।

    কেসটা সম্পর্কে উতসুমি তাকে যতটুকু বলেছে কেবল সেটুকুই জানেন তিনি। সুতরাং এই তথ্যগুলোর মধ্যেই লুকিয়ে আছে উত্তরটা।

    “ওহ!” কিছুক্ষণ পর হঠাৎ বলে উঠল উতসুমি

    “কি?”

    “কেতলিটা ধুয়ে রাখতো সে!”

    “মানে?”

    “কেতলিতে যদি মিস ওয়াকাইয়ামা বিষ মেশাতেন, তাহলে পুলিশের লোক আসার আগেই সেটা ধুয়ে ফেলতেন। পর্যাপ্ত সময় ছিল তার কাছে।“

    সন্তুষ্ট ভঙ্গিতে মাথা নাড়লো ইউকাওয়া। “ঠিক ধরেছেন। সেই সাথে এটাও বলা যায় যে তিনিই যদি খুনি হতেন তাহলে কেতলিটা ধুয়ে ফেলার পাশাপাশি পুরনো কফি বিনগুলো আর ব্যবহৃত পেপার ফিল্টারও সরিয়ে নিতেন। আমি হলে মৃতদেহের পাশে কিছুটা বিষ ছড়িয়ে দিতাম, যাতে আত্মহত্যা মনে হয়।“

    একবার বাউ করল উতসুমি। “আপনার সাথে কথা বলার সিদ্ধান্তটা ঠিক ছিল। ধন্যবাদ।”

    ঘুরে দরজার উদ্দেশ্যে হাঁটতে শুরু করল সে। “ডিটেক্টিভ,” পেছন থেকে ডাক দিল ইউকাওয়া। থেমে গেল উতসুমি।

    “আমার পক্ষে তো ঘটনাস্থলে যাওয়া সম্ভব নয়। আপনি যদি ক্রাইম সিনের কিছু ছবি…

    “কিসের ছবি?”

    “রান্নাঘরটা, যেখানে কফিতে বিষ মেশানো হয়েছিল। এ ব্যাপারটা আমাকে কৌতূহলী করে তুলছে যে কিভাবে হোক্কাইদো থেকে একজনের পক্ষে টোকিওতে বিষ মেশানো সম্ভব হলো।”

    চেষ্টা করেও হাসি চাপতে পারলো না উতসুমি। কাঁধের ব্যাগ থেকে একটা ফাইল বের করে ইউকাওয়ার দিকে বাড়িয়ে ধরলো। “নিন।”

    “কি এটা?”

    “আপনি যে ছবিগুলো চাচ্ছিলেন। সকালেই ব্যাগে ঢুকিয়ে রেখেছিলাম।”

    ফাইলটা হাতে নিয়ে ভেতরে চোখ বোলালো ইউকাওয়া।

    “আমরা যদি বের করতে পারি, কিভাবে কফিতে বিষ মেশালেন মিসেস মাশিবা,” ইউকাওয়া হেসে বলল, “কুসানাগির চেহারাটা যা হবে না!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স – কিয়েগো হিগাশিনো
    Next Article রিং – কোজি সুজুকি

    Related Articles

    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য হাউস হোয়ার আই ডাইড ওয়ান্স – কেইগো হিগাশিনো

    January 6, 2026
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য রেড ফিঙ্গার – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    দ্য মিরাকলস অব দ্য নামিয়া জেনারেল স্টোর – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    নিউকামার – কেইগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    কেইগো হিগাশিনো

    ম্যালিস – কিয়েগো হিগাশিনো

    August 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }