Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হরতন ইশকাপন – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প79 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. আঁখিতারা বাসায় ফিরেছে

    ৭

    আঁখিতারা বাসায় ফিরেছে। তার গলায় দুটা তাবিজ। মিসির আলি কাকরাইল মসজিদের সামনের ফুটপাতের দোকান থেকে তাবিজ দুটা কিনেছেন। আঁখিতারা খুবই আগ্রহের সঙ্গে গলায় তাবিজ পরে ঘুরছে। তাকে দেখে মনে হচ্ছে, সে অনেক দিন পর বাবার বাড়িতে ফিরে আনন্দে আত্মহারা। মেয়েটার আনন্দ দেখে মিসির

    আলির ভালো লাগছে।

    আঁখিতারা বলল, বড় বাবা, চা বানায়ে দিব?

    মিসির আলি বললেন, দাও।

    দুপুরে রান্ধা কী হইব? ঘরে বাজার নাই।

    ডাল-ভাত কর। ঘন ঘন বাজারে যেতে আমার ভালো লাগে না।

    রসুন ভর্তা করব? রসুন ভর্তা খাইবেন? রসুন আর শুকনা মরিচ পুড়াইয়া ভর্তা বানাইতে হয়। খাইবেন?

    হুঁ, খাব।

    মিসির আলির মনে হল হাসপাতাল থেকে ফিরে আঁখিতারার মুখে বুলি ফুটেছে। মেয়েটা ফটফট করে কথা বলছে। ‘পোস্টমাস্টার’-এর রতনের সঙ্গে এই মেয়ের ভালোই মিল আছে। রতনও ছিল ফটফটানি মেয়ে।

    চা বানিয়ে মিসির আলির সামনে রাখতে রাখতে আঁখিতারা বলল, বড় বাবা, চাইরটা ঘর-বন্ধন তাবিজ ঘরের চাইর কোনায় লটকাইয়া দিলে ঘরে কিছু ঢুকব না।

    ঘর-বন্ধন তাবিজ কোথায় পাওয়া যায়?

    আমরার দেশের মৌলানা সাব ঘর-বন্ধন তাবিজ দেন।

    তুমি যখন দেশে যাবে, তখন আমার জন্য ঘর-বন্ধন তাবিজ নিয়ে এস।

    আইচ্ছা।

    আঁখিতারা, শোনো, আজ তোমার এত কাজকর্ম করার দরকার নেই। হাসপাতাল থেকে এসেছ। বিশ্রাম কর। খাবার আমি হোটেল থেকে আনিয়ে নেব।

    আমার অত বিশ্রামের দরকার নাই। অনেক বিশ্রাম হইছে।

    মিসির আলি চায়ের কাপ নিয়ে বসার ঘরে বেতের চেয়ারে বসলেন। তিনি সেখান থেকেই আঁখিতারার প্রবল বেগে ঘর ঝাঁট দেবার শব্দ শুনলেন। মেয়েটার কাণ্ডকারখানায় তিনি বেশ আনন্দ পাচ্ছেন।

    মিসির আলির আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হল না। কিছুক্ষণের মধ্যে তার ভুরু কুঁচকে গেল। সিগারেটে টান দিয়ে আনাড়ি সিগারেটখোরদের মতো খকখক করে কাশতে লাগলেন। কোনো কারণে তাঁর মনে যদি খটকা তৈরি হয়, তখন এই ব্যাপারটা ঘটে। সিগারেটে টান দিয়ে কাশতে শুরু করেন। আজকের এই খটকা তৈরি হয়েছে মনসুরের চিঠির কারণে। মনসুর এই চিঠি ডাকে পাঠায় নি। খামে বন্ধ করে দরজার ফাঁক দিয়ে ঢুকিয়ে দিয়ে গেছে।

    পরম শ্রদ্ধেয় স্যার

    জনাব মিসির আলি।

    স্যার, আমি আপনার সঙ্গে পরপর কয়েকটি অন্যায় করেছি। অন্যায়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনার কারণে আপনাকে লিখছি। হয়তোবা আপনি আমাকে ক্ষমা করবেন।

    আমার প্রথম অন্যায় থার্মোমিটার আনার কথা বলে আমি চলে গিয়েছিলাম, আর ফিরে আসি নি। এই অন্যায়টি কেন করেছি আপনার মতো বুদ্ধিমান মানুষের তা না বোঝার কোনো কারণ নেই। স্যার, আমি থার্মোমিটার দিয়ে কোনো ম্যাজিক দেখাতে পারি না। থার্মোমিটার নিয়ে উপস্থিত হলে ম্যাজিক দেখাতে হতো। কাজেই আমি পালিয়ে চলে গেছি।

    আপনি আমার কাজকর্মে সন্দিহান হয়ে পড়েছেন। সন্দেহভাজন একজন মানুষ যত ভালো কাজই করুক তার কাজকে দেখা হয় সন্দেহের চোখে।

    আপনি যখন জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তো আঁখিতারাকে চেনো না, তা হলে তার নাম কীভাবে জানলে? আমি ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যাবার কারণে তৎক্ষণাৎ জবাব দিলাম না। কী করে তার নাম জানি আর কেনইবা আমি পকেটে থার্মোমিটার নিয়ে ঘুরছিলাম সেটা বলি। আপনার কাছে জোড়হাতে অনুরোধ করি, আমার কথাগুলো দয়া করে পড়ুন। হয়তোবা আপনি আমার বিচিত্র কর্মকাণ্ড বুঝতে পারবেন।

    ওইদিন আঁখিতারা মেয়েটি প্রবল জ্বরে ছটফট করছিল। আমি তখন এসেছি আপনার সঙ্গে দেখা করতে। আপনার ঘরের দরজা বেশিরভাগ সময়ই খোলা থাকে। আমি ঢুকে গেলাম আপনার বসার ঘরে। সেখান থেকে শুনলাম আপনি মেয়েটার সঙ্গে কথা বলছেন। মেয়েটার প্রবল জ্বর তাও বুঝলাম। আমি আপনাকে চমকে দেবার জন্যই ঘর থেকে বের হয়ে ফার্মেসিতে চলে গেলাম। জ্বর কমানোর অষুধ প্যারাসিটামল কিনলাম। আপনার বাসায় থার্মোমিটার নাও থাকতে পারে, এই ভেবে একটা থার্মোমিটারও কিনলাম। স্যার, আমি যে সত্যি কথা বলছি তা কি বিশ্বাস করছেন? যদি বিশ্বাস করেন তা হলে আরেকটা সত্যি কথা বলি। রেবু (রাবেয়া) নামের মেয়েটা তার স্বামী ও সন্তানকে হত্যা করেছে—এই ঘটনাটাও সত্যি। মেয়েটা সাইকোপ্যাথিক! সে তার পছন্দের মানুষদের খুন করে। আমি জানি আপনি তার পছন্দের মানুষদের একজন। একই ঘটনা আপনার ক্ষেত্রেও ঘটতে যাচ্ছে। আপনি অতি বুদ্ধিমান মানুষ হয়েও ব্যাপারটা বুঝতে পারছেন না। এইখানেই আমার দুঃখ।

    স্যার, আমার কথা আপনি যদি বিশ্বাস নাও করেন, একটু সাবধানে থাকবেন। আমার মন বলছে কোনো এক গভীর রাতে সে আপনার ঘরে ঢুকে পড়বে। হয়তোবা ইতিমধ্যেই ঢুকেছে।

    ইতি
    চৌধুরী খালেকুজ্জামান

    চিঠি শেষ করে মিসির আলি সিগারেটে টান দিয়ে আবারো খকখক করে কাশতে লাগলেন। আঁখিতারা বলল, বড় বাবা, আপনারে আরেক কাপ চা দিব?

    মিসির আলি বললেন, দাও।

    চা সে বানিয়েই রেখেছিল। মিসির আলির কথা শেষ হবার আগেই সে চায়ের কাপ নিয়ে উপস্থিত হল। মিসির আলি কাপ হাতে বারান্দায় এসে দাঁড়ালেন। আজমল সাহেব ব্যাগভর্তি বাজার নিয়ে রিকশা করে ফিরছিলেন। মিসির আলিকে দেখে বললেন, আপনার কাজের মেয়েটার কী হয়েছে? হাসপাতালে নাকি ভর্তি করিয়েছেন? ডেঙ্গু—ফেঙ্গু নাকি?

    মিসির আলি বললেন, না। এখন সুস্থ। বাসায় নিয়ে এসেছি।

    এই এক যন্ত্রণা, একশ টাকা মাসের কাজের মেয়ে তার চিকিৎসার পেছনে খরচ পাঁচশ। আমার ঘরে তো অসুখবিসুখ লেগেই আছে। এখন আবার একটার হয়েছে জন্ডিস। বড় বিপদে আছি।

    মিসির আলি বললেন, ব্যাগভর্তি বাজার। আজ কি কোনো উৎসব?

    আজমল সাহেব আনন্দিত গলায় বললেন, আপনি বুদ্ধিমান লোক। ঠিকই ধরে ফেলেছেন। রেবুকে আজ দেখতে আসবে। ছেলে সুইডেনে থাকে। ভালো কিছু করে বলে মনে হয় না। লেবার টাইপ। আমি মেয়ে পার করতে পারলেই খুশি। বিদেশে গিয়ে বাথরুমের গু-মুত পরিষ্কার করলে করবে। আমার কী? আপনি আমার নিজের লোক। আপনাকে বলতে অসুবিধা নাই। ওর ইতিহাস ভালো না। শুনলে চমকে উঠবেন। যদি ভালোয় ভালোয় বিয়ে হয়ে যায়, রেবুকে বিদায় করতে পারি, তা হলে দুঃখের কথা বলব। কাউকে বলতে ভালো লাগে না।

    বলতে ইচ্ছা না করলে বলবেন না।

    আপনাকে তো আমি বলতেই পারি। শুনুন ভাই, আজ রাতে আমাদের সঙ্গে খানা খাবেন। আমিন বাজার থেকে গরুর মাংস কিনেছি। খেলে বুঝবেন কী জিনিস। আসবেন কিন্তু মনে করে। আর একটু খাস দিলে দোয়া করবেন। আমার পীর ভাই বলেছেন, এই বিয়ে হবে। উনি যা বলেন তাই হয়। উনি বলেছেন কিন্তু হয় নি তা কখনো হয় নাই। অতি কামেল লোক, উনার কথা মিথ্যা হবে না। বাকি আল্লাহ মালিক। আপনাকে এত চিন্তিত লাগছে কেন? এত চিন্তা করবেন না। সব আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিয়ে বসে থাকেন। রাতে মনে করে খানা খেতে আসবেন।

    মিসির আলি বললেন, আজ বরং বাদ থাকুক, বাইরের লোকজন থাকবে। আমি আবার অপরিচিত মানুষদের সঙ্গে খেতে পারি না।

    আজমল সাহেব বললেন, আমারও একই প্রবলেম। আমিও পারি না। আপদরা বিদায় হলে আপনাকে খবর দিব। তারপর দুই ভাই মিলে খানা খাব। এই আমার ফাইনাল কথা। আজমল সাহেব বাড়ির ভেতর ঢুকে গেলেন। মিসির আলি লক্ষ করলেন দোতলার বারান্দায় রেবু এসে দাঁড়িয়েছে। সে একদৃষ্টিতে তাঁর দিকে তাকিয়ে আছে। রেবুকে একটা প্রশ্ন করবেন বলে তিনি ভেবে রেখেছিলেন। তার সঙ্গে যখন দেখা হয় তখন আর প্রশ্নটা করা হয় না। আজ অবশ্যই প্রশ্ন করতে হবে। প্রশ্নটা হিন্দি ছবি নিয়ে। মারামারির দৃশ্যে দেখা গেল নায়কের শার্টের একটা বোতাম নেই। কিন্তু মৃত্যু দৃশ্যে বোতামটা ঠিকই আছে। এর পেছনে রহস্যটা কী?

    .

    রসুন ভর্তা জিনিসটা যে এত সুস্বাদু মিসির আলি কল্পনাও করেন নি। তিনি শুধু রসুন ভর্তা দিয়েই এক গামলা ভাত খেয়ে ফেললেন। আঁখিতারার দিকে তাকিয়ে বললেন, আজ থেকে আমি তোমার নাম দিলাম কুটু মিয়া।

    কুটু মিয়া কে?

    কুটু মিয়া একটা উপন্যাসের চরিত্র। তার মতো রান্না কেউ করতে পারে না।

    আঁখিতারা আনন্দে নুয়ে পড়ল। মিসির আলি বললেন, এখন তুমি আমাকে বল, তুমি যে রাতে জিনকে দেখলে সেই জিন কী করল?

    চিমটি দিছে।

    দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চিমটি দিল না বসে চিমটি দিল?

    বসছে। তারপরে চিমটি দিছে।

    ভূত চিমটি দেয় আমি কোনোদিন শুনি নি। চিমটি দেয় মেয়েরা।

    আঁখিতারা গম্ভীর গলায় বলল, আমারে চিমটি দিছে জিনে।

    মিসির আলি বললেন, এখন তো আর চিমটি দিতে পারবে না। গলায় তাবিজ। ঠিক নয়?

    হুঁ।

    তোমার চৌকিটা আমি আমার ঘরে ঢুকিয়ে ফেলব। জিন যদি আসে তুমি

    আমাকে ডাকবে।

    আনন্দে অভিভূত হয়ে আঁখিতারা ডান দিকে ঘাড় কাত করল। মিসির আলির মনে হল বাচ্চা এই মেয়েটির জীবনে যে ক’টি আনন্দময় ঘটনা ঘটেছে আজকের এই সিদ্ধান্ত তার একটি।

    আঁখিতারা।

    জি।

    মন দিয়ে শোনো, ভবিষ্যতে তুমি যতবার রান্না করবে একটা আইটেম যেন অবশ্যই থাকে। রসুন ভর্তা।

    আঁখিতারা আবার ঘাড় কাত করল। তার এতই আনন্দ হচ্ছে যে, কেঁদে ফেলতে ইচ্ছা করছে। সে কিছুতেই বুঝতে পারছে না একটা মানুষ এত ভালো হয় কীভাবে? সামান্য কিছু মন্দ তো মানুষের মধ্যে থাকতে হবে। যদি না থাকে তা হলে মানুষ আর ফেরেশতায় তফাত কী?

    আঁখিতারা!

    জি।

    তুমি লেখাপড়া জানো?

    না।

    লেখাপড়া শিখতে হবে। রসুন ভর্তা বানালে হবে না। আমি তোমাকে স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেব।

    আঁখিতারা ঘাড় কাত করল। এইবার সে আর চোখের পানি আটকাতে পারল না। তার চোখ দিয়ে পানি পড়তে লাগল।

    মিসির আলি তাকিয়ে দেখলেন। কিছু বললেন না। তিনি চাচ্ছেন মেয়েটা আরো কাঁদুক। আনন্দের কান্না দেখতে তাঁর বড় ভালো লাগে।

    আঁখিতারা।

    জি।

    খাওয়া শেষ করে আমার মাথায় তেল দিয়ে দাও। তুমি আমার অভ্যাস খারাপ করে দিয়েছ। রসুন ভর্তা দিয়ে যে খাওয়া খেয়েছি আজ দুপুরে না ঘুমুলে চলবে না। আজ আমি মড়ার মতো ঘুমাব।

    মিসির আলি সত্যি সত্যি মড়ার মতো ঘুমালেন। তার ঘুম ভাঙল রাত ন’টায়। দিনের বেলায় এত লম্বা ঘুম তিনি তাঁর জীবনে আর কখনো ঘুমিয়েছেন বলে মনে করতে পারলেন না। মৃত্যুর কাছাকাছি ঘুম। শান্তি এবং তৃপ্তির ঘুম। সবকিছুরই কারণ আছে। তৃপ্তিময় দীর্ঘ ঘুমেরও নিশ্চয়ই কারণ আছে। সব সময় কারণ খুঁজতে ভালো লাগে না। তিনি হাত-মুখ ধুতে গেলেন। রাতে আজমল সাহেবের বাড়িতে খেতে যেতে হবে। আঁখিতারাকে সঙ্গে নিয়ে যাবেন। মেয়েটাকে অবশ্যই একা রেখে যাওয়া যাবে না। জিনবিষয়ক ভীতি মেয়েটার মাথার ভিতর আছে। যে কোনো সুযোগে আবার সেই ভয় ডালপালা মেলতে পারে।

    আঁখিতারা বলল, বড় বাবা, চা খাইবেন?

    মিসির আলি বললেন, না। দাওয়াত খেতে যাব। তুমিও সঙ্গে যাবে।

    আঁখিতারা বলল, আপনের কি শইল খারাপ?

    মিসির আলি বললেন, শরীর খারাপ না। শরীর ভালো।

    আপনে ঘুমাইতেই আছেন। ঘুমাইতেই আছেন। ঘুমাইতে ঘুমাইতে মানুষ মারা যায়।

    কে বলেছে?

    বড় বাবা বলেছে। এই জন্য বড় বাবা যখন বেশি ঘুমায় তখন আমার ভয় লাগে। আমি ডাক দিয়া তুলি।

    আমাকে ডাক দিয়ে তুললে না কেন?

    আমি ডাকছি। আপনের ঘুম ভাঙে নাই।

    মিসির আলি বললেন এত লম্বা আরামের ঘুম কেন ঘুমিয়েছি শোনো। কারণটা কিছুক্ষণ আগে পরিষ্কার হয়েছে। আমার মাথা জট পাকিয়ে গিয়েছিল। আন্ধা গিট্টু লেগে গিয়েছিল। গিট্টু খুলে গেছে বলে আরাম করে ঘুমিয়েছি, বুঝেছ?

    কিছু না বুঝেই আঁখিতারা মাথা নাড়ল। মানুষটা যে ঘুমের মধ্যে মরে যায় নি এতেই সে খুশি।

    রাতে মিসির আলি আজমল সাহেবের বাড়িতে খেতে গিয়ে অস্বস্তিতে পড়লেন। বাড়িতে শোকের ছায়া। বরপক্ষের লোকজন কেউ আসে নি। তারা কোনো খবরও পাঠায় নি। আজমল সাহেব বললেন, মানুষ এত খারাপ কেন, বলেন তো ভাই সাহেব? আসবি না ভালো কথা। একটা খবর তো দিবি।

    মিসির আলি বললেন, ক’টার সময়ে আসার কথা?

    সন্ধ্যাবেলা আসার কথা। মুরুব্বিরা আসবে, বিয়ের কথাবার্তা হবে, তারপর খানাপিনা।

    রাস্তার যানজটে মনে হয় আটকা পড়েছে। সব মুরুব্বিদের একত্র করে আসতেও দেরি হয়।

    আজমল সাহেব হতাশ গলায় বললেন, ওরা আসল খবর পেয়ে গেছে। সবকিছু এত গোপন করে রাখি, তারপরেও আসল খবর বের হয়ে যায়। আপনি আমার নিজের লোক, আপনাকে বলি। রেবুর আগে বিয়ে হয়েছিল। একটা মেয়েও হয়েছিল। স্বামী-সন্তান দু’জনই মারা যায়। তারপর থেকে রেবুর মাথা খারাপ। নতুন করে ঘর-সংসার হলে মাথা ঠিক হয়ে যেত। মাথা খারাপের আসল অষুধ বিবাহ। প্রশ্ন করবেন না করবেন না ভেবেও মিসির আলি প্রশ্ন করে ফেললেন। তিনি ইতস্তত করে বললেন, তারা মারা যায় কীভাবে?

    আজমল সাহেব বললেন, কাজের মেয়ে খুন করে টাকাপয়সা, গয়নাগাটি নিয়ে পালিয়ে যায়। বিশাল ইতিহাস। আরেকদিন বলব। আপনাকে বলতে কোনো বাধা নেই রে ভাই। আপনি আমার আপনা লোক। পুলিশ টাকা খাওয়ার জন্য কী যে করেছে বললে বিশ্বাস হবে না। পুলিশ আসামি করেছিল রাবেয়াকে।

    রাবেয়া কে?

    রেবুর ভালো নাম রাবেয়া। ঘটনার পরে আমরা রেবুর নাম চেঞ্জ করে ফেলি— তার নাম দেই শেফালী। ডাকনাম শেফু। মেয়েটার বিয়ে তো দিতে হবে। আগের নামধাম রাখার কোনো যুক্তি আছে, আপনিই বলেন?

    মিসির আলি কিছু বললেন না। ছোট্ট করে নিঃশ্বাস ফেললেন। আজমল সাহেব মিসির আলির দিকে এগিয়ে এসে গলা নিচু করে বললেন, স্ত্রী স্বামীকে খুন করে, এ ইতিহাস আছে। কিন্তু কোনো মা তার সাত মাসের ফুটফুটে বাচ্চা খুন করতে পারে? আপনি বলেন? আপনি তো ‘বোকা…না’ খারাপ কথা বলে ফেলেছি। ভাই, কিছু মনে করবেন না।

    আজমল সাহেব বললেন, তোরা পারলে যে কাজের মেয়ে খুন করে পালিয়েছে তাকে ধরে আন। তা না, উল্টাপাল্টা জেরা। রেবুর মাথাটাই খারাপ করে দিল। মামলা থেকে রেবুকে বের করে আনতে কত টাকা গেছে বলুন তো? দেখি আপনার অনুমান?

    বলতে পারছি না। মামলা-মুকাদ্দমা বিষয়ে আমার অনুমান খুবই খারাপ।

    চার লাখ একুশ হাজার। থানা স্টাফ নিয়ে দুই লাখ, আর এসপি সাহেবকে দিয়েছি দুই লাখ।

    মিসির আলি বললেন, একুশ হাজার টাকার হিসাবটা কী?

    পত্রিকাওয়ালাদের দিতে হয়েছে। উল্টাপাল্টা খবর ছেপে দিলে মুশকিল না? ভাই সাহেব আপনার কি খিদে লেগেছে? খানা দিতে বলি?

    মিসির আলি বললেন, আরেকটু অপেক্ষা করি।

    আজমল সাহেব বললেন, কোনো লাভ নেই। শুয়োরের বাচ্চারা আসবে না। রেবু মেয়েটা কী কপাল নিয়ে এসেছে! ঝাড়ু মারি কপালে। একবার ইচ্ছা করে আমিই গলা টিপে মেয়েটিকে শেষ করে দেই। যন্ত্রণা শেষ হোক।

    নিচে গাড়ির শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। একটা না, বেশ কয়েকটা গাড়ি। মিসির আলি বললেন, আমার ধারণা বরপক্ষের লোকজন চলে এসেছে। আপনার পীর ভাইয়ের কথা সত্যিই হয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিসির আলির চশমা – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article মিসির আলি অমনিবাস ২ – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }