Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হরর 13 – বিশ্বখ্যাত ১৩ লেখকের ১৩টি সেরা হরর গল্প

    লেখক এক পাতা গল্প247 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    তেরো বছরের নরমান ওয়েরমের আতঙ্কে সিঁটিয়ে রয়েছে। ঢোলা সুট পরনে তার, এ নিয়ে অস্বস্তিও কম নয়। মা আর ছোট বোনকে নিয়ে ট্যাক্সির পেছনের আসনে মুখ শুকনো করে বসে আছে সে। ট্যাক্সি ছুটে চলেছে অসংখ্য গাড়ির মাঝ দিয়ে। ড্রাইভারের পাশে বসেছেন ওর বাবা।

    ‘এবারের ছুটিটা বেশ মজার কাটবে,’ ঘাড় ঘুরিয়ে বললেন বাবা। নরমান কোন মন্তব্য করল না। সে জানে বাবা ভুল বলেছেন। তার ধারণা ভয়ানক কিছু একটা ঘটতে চলেছে। আজ শুক্রবারের ১৩ তারিখ। ক্যাব ছুটছে ম্যাসাচুসেটসের বোস্টন শহরের ১৩ নম্বর রাস্তা দিয়ে। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৩ নম্বর রাজ্য। ঘড়ি দেখল নরমান। প্রায় একটা বাজে। মিলিটারি সময় ১৩০০ ঘণ্টা।

    ১৩! নরমানের মস্তিষ্কে যেন গরম লোহার ছ্যাঁকা লাগল সংখ্যাটা মনে করে। পকেট থেকে খরগোশের পা বের করে হাতের তালুতে ঘষতে লাগল সে।

    ‘ভাইয়া, আবার সেই জঘন্য জিনিসটা সঙ্গে করে নিয়ে এসেছ!’ বলল ছোট বোন পলা। ‘তোমার যে কী কুসংস্কার!’

    ‘কীসের কুসংস্কার!’ ধমক দিল নরমান। ‘তোরা কেউ বুঝতে পারছিস না কী ঘটতে চলেছে? আমাদের সামনে ভয়ানক কোন বিপদ ওঁৎ পেতে আছে,পৈশাচিক কিছু। সোজা ওটার ফাঁদে গিয়ে পড়ব।’

    ওর বাবা ঘাড় ঘুরিয়ে কটমট করে তাকালেন ছেলের দিকে। ‘নরমান, ফাজলামো অনেক হয়েছে। আর না। ফালতু কুসংস্কার ছাড় তো। ১৩ সংখ্যাটা নিয়ে এত লাফালাফি করিস কেন? আমরা মজা করতে যাচ্ছি এসব কুসংস্কার বাদ দে। নইলে নিজের মজা মাটি তো করবিই, আমাদেরটাও। বোঝা গেছে?’

    নরমান চুপচাপ বসে রইল। কোন মন্তব্য করল না। তর্ক করে লাভ কী? গম্ভীর মুখে ভাবছে সে। এরা আমার কথা শুনতেই চাইবে না। বুঝবেও না।

    ‘হোটেল আর কদ্দূর?’ বাবা জিজ্ঞেস করলেন ড্রাইভারকে।

    ‘এই তো সামনে, স্যার,’ জবাব দিল ড্রাইভার।

    নীরবতা নেমে এল গাড়িতে,আরও তেরোটি ব্লক পার হচ্ছে যান্ত্রিক বাহন। এক, দুই করে গুনছে নরমান।

    অবশেষে উইলমন্ট রিজেন্সি হোটেলের সামনে গাড়ি থামাল ড্রাইভার, সাথে সাথে কেমন অদ্ভুত একটা অনুভূতি হলো নরমানের। লবি ধরে হাঁটছে ওরা, অনুভূতিটা জোরাল হয়ে উঠল তার মাঝে

    ‘আমি আগেও এখানে এসেছি,’ বলল সে।

    ‘কী বকবক করছিস, নরমান,’ বাবা মৃদু ধমক দিলেন। ‘তুই এর আগে জীবনেও বোস্টনে পা দিসনি।’

    নরমান তাকাল চারপাশে। ‘কিন্তু সবকিছু এত পরিচিত লাগছে!’

    পলা চোখ ঘুরিয়ে বলল, ‘তুমি সত্যি একটা অদ্ভুত ভাই!’

    ‘প্লিজ, নরমান,’ অনুনয় মা’র গলায়। ‘আবার শুরু করিস না।’

    ‘তোর ফালতু প্যাচাল শুনে শুনে আমি ক্লান্ত,’ থমথমে গলায় বললেন বাবা। ‘এখন একটু ক্ষ্যামা দে, নাকি?’ স্পষ্ট বিরক্তি তাঁর চেহারায়, এগিয়ে গেলেন রেজিস্ট্রেশন ডেস্কে। ওখানে তাল গাছের মত লম্বা এক মহিলা, বড় বড় কুচকুচে কালো চোখ, ওদেরকে অভ্যর্থনা জানাল।

    মনের মধ্যে রাগ পুষে, কালো মুখ নিয়ে লবিতে ঘুরে বেড়াতে লাগল নরমান। ওর মা আর বোন বাবার সঙ্গে রিসেপশন ডেস্কে। নরমান নিশ্চিত এ হোটেলে সে আগেও এসেছে। ফুল আঁকা গোলাপি সবুজ কার্পেট, নতুন দেখতে গোলাপরঙা সোফা, সুসজ্জিত স্ফটিকের ঝাড়বাতি, এ সবই ও আগে দেখেছে…কিন্তু কবে বা কখন?

    হঠাৎ অদ্ভুত, ঘররর একটা শব্দ শুনতে পেল নরমান। পাঁই করে ঘুরল, হোটেল এলিভেটর থেকে আওয়াজটা আসছে।

    আগেকার মডেলের রেপ্লিকা বা নকল। এ এলিভেটর অবশ্যই আগে কখনও দেখেছে নরমান।

    পুরানো যন্ত্রটার দিকে হেঁটে গেল সে। খাঁচার মত গরাদ দেয়া জিনিসটার মাঝ দিয়ে এলিভেটরের দিকে তাকাল। অন্ধকার, আয়তাকার একটা গর্ত, তাতে মোটা মোটা বিদ্যুতের তার ঝুলছে। এক লোকের মাথা দেখতে পেল নরমান, তারপর পুরো শরীরটা। এলিভেটর নিয়ে উঠে এল সে। খাঁচার মধ্যে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘উপরে যাবে?’

    এ লোক নিশ্চয়ই এলিভেটর অপারেটর। গেটের মত দেখতে চকচকে দরজা খুলল সে। এলিভেটরের মেঝেতে সবুজ কার্পেট, দেয়ালে আয়না।

    ‘না,’ পিছিয়ে এল নরমান। অপারেটরের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। লোকটা বেঁটেখাটো, মাথা ভর্তি লাল চুল, থুতনিতে মস্ত আঁচিল।

    ‘কী হয়েছে?’ জিজ্ঞেস করল লোকটা।

    নরমান লোকটার উপর থেকে চোখ ফিরিয়ে নিতে পারছে না। একে কোথাও দেখেছে সে। কিন্তু কোথায়?

    ‘আ, আমি বোতামে চাপ দিইনি,’ বিব্রত গলায় বলল নরমান। ‘এলিভেটরে ওঠার কোন ইচ্ছেও আমার নেই।’

    বেঁটে লোকটা কাঁধ ঝাঁকাল শুধু, কিছু বলল না। নরমান দ্রুত ফিরে এল বাবা-মা আর পলার কাছে। এক বেল বয় একটি কার্টে ওদের মাল তুলছে। বেল বয়টিকে প্রথমে বাচ্চা ছেলে ভেবেছিল নরমান। লক্ষ করতে বুঝল এ বামন। মস্ত বড় মাথাটা ক্ষুদ্র শরীরের সাথে একেবারেই বেমানান।

    ‘মা,’ মাকে এক পাশে টেনে নিয়ে ফিসফিস করল নরমান। আমি এখানে থাকতে চাই না। আমার কেমন ভয় লাগছে।’

    ‘কেন! হোটেলটা তো খুবই সুন্দর!’ চেঁচিয়ে উঠলেন মা, দ্রুএকবার চোখ বুলিয়ে নিলেন চারপাশে।

    ওর বাবা পেছন পেছন চলে এসেছেন। ‘আবার কী হলো?’

    ‘ঠিক বোঝাতে পারব না,’ শুরু করল নরমান, ‘তবে কোথাও একটা ভজকট আছে।’

    ‘কী?’ অধৈর্য গলা বাবার।

    ‘জানি না। তবে কিছু একটা ঘটবে মনে হচ্ছে। অদ্ভুত কিছু।’

    হেসে উঠল পলা। ‘তুমি নিজেই তো অদ্ভুত।’

    ‘কোন অদ্ভুত ঘটনাই ঘটবে না,’ বললেন বাবা। ‘এসব নিয়ে কথা বলতে তোকে মানা করলাম না!’

    নরমান উত্তেজিত হয়ে কিছু বলতে যাচ্ছিল, থেমে গেল কাঁধে মায়ের হাতের স্পর্শ পেয়ে। ‘শান্ত হ, বাপ,’ বললেন তিনি। ‘মাথা থেকে আজে বাজে চিন্তাগুলো ঝেড়ে ফেলে দে। অন্তত আমার জন্যে এটুকু করবি না?’ কথাটা শেষ করেই বেল বয়ের পেছনে হাঁটা দিলেন মা। সে ওদের ঘর দেখিয়ে দেবে।

    ‘কেউ আমার কথা শুনতে চায় না,’ বিড়বিড় করল নরমান। এলিভেটরের দিকে পা বাড়াল সে পরিবারের পেছন পেছন।

    ‘কোন্ ফ্লোর?’ নিরাসক্ত গলায় জানতে চাইল অপারেটর।

    ‘রূম নাম্বার ১৩০২,’ হাতের চাবি দেখে বললেন বাবা।

    ‘ওহ্, দারুণ!’ লাফিয়ে উঠল পলা, চোখ টিপল ভাইকে। ‘তেরো নম্বর ফ্লোর!’

    ‘সর্বনাশ!’ আঁতকে উঠল নরমান, ঝট্ করে নেমে পড়ল এলিভেটর থেকে। ‘আমি এ হোটেলে থাকব না। তেরো নম্বর ফ্লোরে তো নয়ই!’

    ‘ফিরে আয় বলছি!’ শাসালেন মা।

    ‘প্রশ্নই ওঠে না,’ খেঁকিয়ে উঠল নরমান। নিতম্বে হাত, চেহারায় বেপরোয়া ভাব।

    অপারেটরকে অপেক্ষা করতে বলে এলিভেটর থেকে নেমে এলেন বাবা, নরমানের সামনে এসে বললেন, ‘অনেক হয়েছে, নরমান। ফাজলামো রাখ।’

    ‘আমি ফাজলামো করছি না,’ দৃঢ় গলা নরমানের

    প্রচন্ড রাগে মুহূর্তের জন্য কথার খেই হারিয়ে ফেললেন বাবা। নিজেকে সামলে নিয়ে গোলাপরঙা সোফার দিকে আঙুল তুলে হিম গলায় বললেন, ‘আমরা আমাদের ঘরে যাচ্ছি। আর তুই এ সব ফাজলামো বাদ না দেয়া পর্যন্ত ওখানেই থাকবি।’

    নরমান চেঁচিয়ে উঠল, ‘আমি কি বাচ্চা ছেলে নাকি যে যা বলবে তা-ই শুনতে হবে।’

    ‘তুই বাচ্চা ছেলেরও অধম,’ বললেন বাবা। ‘দুগ্ধপোষ্য শিশুর মত আচরণ করছিস।’

    ‘না, করছি না। আমি অনেক বড় হয়ে গেছি। তুমি আমাকে বাচ্চা ভাবলেও আমার কিছু আসে যায় না।’

    বাবা ঝাড়া কয়েক সেকেন্ড আগুন চোখে তাকিয়ে রইলেন ছেলের দিকে। কষে চড় মারার ইচ্ছেটা দমন করলেন বহু কষ্টে। এলিভেটরে ফিরে গেলেন তিনি। ‘উপরে যান,’ বললেন অপারেটরকে। কটমট করে তাকালেন ছেলের দিকে। ‘তোকে কয়েক মিনিটের মধ্যে উপরে দেখতে চাই।’

    ‘কিন্তু আমি তোমার চেহারা আর কখনও দেখতে চাই না,’ তারস্বরে চেঁচাল নরমান। ‘তোমাদের কাউকে না!

    ‘যা বলবে ভেবে চিন্তে বোলো, খোকা,’ একটা লিভার ধরে টান দিল অপারেটর। ‘অনেক সময় বেমক্কা কথাও ফলে যায়।’

    ‘ফলে গেলেই ভাল!’ একই জোরে চেঁচাল নরমান। রাগে জ্বলছে শরীর।

    চকচকে দরজাটা শব্দ করে বন্ধ হয়ে গেল। তারপর একটা গুঞ্জন উঠল, নরমান দেখল তার পরিবারকে নিয়ে উপরে রওনা হয়েছে এলিভেটর। এক মুহূর্ত পরে অদৃশ্য হয়ে গেল।

    .

    অনেকক্ষণ লবিতে দাঁড়িয়ে রইল নরমান, প্রতি মিনিটে বাড়ছে ক্রোধ। শেষে রাগ সামলাতে না পেরে ঝড়ের বেগে হোটেল থেকে বেরিয়ে এল সে দাঁতে দাঁত ঘষতে ঘষতে। অচেনা শহরে একা একা ঘুরতে লাগল। মূর্তি বোঝাই একটি পার্কের বেঞ্চিতে বসে রইল কিছুক্ষণ, তারপর হাঁটা দিল বাইক চলা একটি পথ ধরে। হাঁটতে হাঁটতে একটা গোরস্তানের সামনে চলে এল। নিজেকে ভীষণ একা, রদ্দি আর বাতিল মাল মনে হচ্ছে, যেন বাবা ওকে ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা করেছেন।

    গোরস্তানের পাশের ফুটপাথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে নরমান ভাবতে লাগল কিছুক্ষণ আগে কী রকম ব্যবহার করে এসেছে সে তার পরিবারের সঙ্গে। আস্তে আস্তে ঠান্ডা হতে লাগল মাথা। সবার সঙ্গে সে যাচ্ছে তাই আচরণ করেছে! দোষ সম্পূর্ণ ওরই। সাধে কি আর ওর বন্ধুরা ওকে ‘রগচটা, অদ্ভুত ভাবুক’ বলে ডাকে। বন্ধুরাও জানে কুসংস্কারে সাংঘাতিক বিশ্বাস তার। কিন্তু কী করবে নরমান? কীভাবে সে তার বাবা-মাকে বোঝাবে এক অদ্ভুত, অশুভ শক্তি ক্রমে ওকে গ্রাস করে ফেলছে?

    আগে কখনও কুসংস্কার নিয়ে মাথা ঘামাত না নরমান। এখন সে কালো বেড়াল ভয় পায়, মইয়ের নিচে দিয়ে কক্ষনো হাঁটে না, বিশেষ করে ১৩ সংখ্যাটির প্রতি তার ভয়ানক ভয়। এই যে সে ফুটপাথ ধরে হাঁটছে, সতর্ক নজর রয়েছে যাতে কোন ফাটল বা গর্তে পা না পড়ে। এটাও এক ধরনের কুসংস্কার।

    নরমান জানে অবশেষে তাকে হোটেলেই ফিরতে হবে, সে ওদিকে পা বাড়াল। তবে এখুনি হোটেলে ঢোকার ইচ্ছে তার নেই। জায়গাটাকে সে শুধু ভয় পায় বলে নয়, এখনও রাগটা পড়েনি যে! মাত্র আড়াইটা বাজে। এত তাড়াতাড়ি হোটেলে গেলে ব্যাপারটা ওর জন্য অস্বস্তিকর হয়ে উঠবে।

    কিন্তু কী করবে নরমান? সময় কাটাবে কীভাবে? রাস্তার ওপারে একটা সিনেমা হল-এ আটকে গেল চোখ। সিনেমা দেখে সময় কাটানো যায় পা চালিয়ে রাস্তা পার হলো নরমান। টিকেট কিনে ঢুকে পড়ল অন্ধকার প্ৰেক্ষাগৃহে।

    ছবির টাইটেল দেখানো শুরু হয়ে গেছে। ছবির নাম ‘কলিশন কোর্স’। নাম দেখে মনে হলো প্রচুর অ্যাকশন আছে। কিন্তু একটা খামার বাড়ির কে দখল নেবে তা নিয়ে এক লোক আর এক মহিলার বিরক্তিকর দ্বন্দ্বের নিয়ে ছবি। তবে অদ্ভুত ব্যাপার হলো ছবি চলার সময় নরমানের মনে হতে লাগল এ ছবি আগেও দেখেছে সে অনেক আগে, তবে কবে, কোথায় মনে করতে পারল না। রদ্দি মার্কা সিনেমা আর ভ্রমণের ক্লান্তি ঘুম এনে দিল নরমানের চোখে। ঘুমিয়ে পড়ল সে।

    .

    সিনেমা হল থেকে বেরিয়ে এসে নরমান দেখে রাত নেমেছে। বাবা-মা ওকে এত দেরিতে ফিরতে দেখলে নিশ্চয়ই রেগে যাবেন, ভাবল নরমান। দ্রুত পা চালাল হোটেল অভিমুখে। চোখে ঝাপসা দেখছে সে, হাড় আর জয়েন্টগুলো আড়ষ্ট ও ব্যথা করছে, এক ঝলক শীতল বাতাস ঝাপটা মেরে ঢুকে পড়ল ওর বিশ্রী সুটের মধ্যে। এ জিনিস বাবা-মা ওকে বানিয়ে দিয়েছেন প্লেনে পরে আসার জন্য। তবে ঢোলা সুটটা কোন কারণে এখন টাইট লাগছে, কলারটাও।

    আশ্চর্য! ভাবল নরমান। এ পোশাক তো আমার গায়ে ঢিলে হত।

    হিম বাতাসে কাঁপতে কাঁপতে হোটেলে ঢুকে পড়ল সে। দূর থেকে ব্যাপারটা লক্ষ করেনি নরমান, কিন্তু লবিতে ঢুকেই পার্থক্যটা চোখে পড়ল। অবাক হয়ে দেখল জায়গাটা বদলে গেছে। সব কিছুর যেন বয়স বেড়ে গেছে, গোরস্তানের বাসী একটা গন্ধ ভাসছে বাতাসে।

    এক মুহূর্তের জন্য ভাবল নরমান ভুল কোন হোটেলে চলে এসেছে ও, পরক্ষণে চোখে পড়ল রেজিস্ট্রেশন ডেস্কের উপরে, দেয়ালে ঝোলানো ম্লান সোনালি-বাদামি অক্ষরের প্ল্যাকার্ড : উইলমন্ট রিজেন্সি।

    চারপাশে চোখ বুলাল নরমান। গোলাপি-সবুজ রঙের ফুল আঁকা কার্পেট ঠিকই আছে, তবে আগের চেয়ে বিবর্ণ লাগছে দু’এক জায়গায়, ছিঁড়ে সুতো বেরিয়ে গেছে। গোলাপ রঙের সোফা, আগে যা মনে হয়েছে ঝাঁ চকচকে, দেখাচ্ছে জীর্ণ, ডেলার মত, লবির মাঝখানের বড় ক্রিস্টালের ঝাড়বাতিটি জ্বললেও গায়ে ধুলো জমে থাকার দরুন আলো প্রায় দেখাই যাচ্ছে না।

    হঠাৎ নরমান গোঙানির মত ঘররর একটা আওয়াজ শুনল। ঘুরল। হোটেল এলিভেটর থেকে শব্দটা আসছে। ওদিকে ছুটল সে, উপরে গিয়ে মিলিত হবে পরিবারের সঙ্গে। কিন্তু ছোটার গতি মন্থর হয়ে গেল প্যান্টের জন্য। বিচিত্র কোন কারণে তার প্যান্ট এত ছোট হয়ে গেছে, জোরে দৌড়ালে ফট্ করে ছিঁড়ে যেতে পারে।

    এলিভেটর এসে পৌঁছুল। নরমান বিকট দর্শন, বয়সের ভারে ক্ষয়ে যাওয়া গরাদের গেট পার হয়ে ভিতরে ঢুকল।

    ‘উপরে যাবেন?’ জিজ্ঞেস করল অপারেটর নিরাসক্ত গলায়।

    নরমানের ইচ্ছে করল গলা ফাটিয়ে চিৎকার দেয়। এ সেই আগের অপারেটর, তবে এ মুহূর্তে অনেক বুড়োটে লাগছে, গালে আর কপালে ভাঁজটাজ পড়ে গেছে, মাথার চুলও পাতলা দেখাচ্ছে, থুতনির আঁচিলটা যেন আকারে আরও বড় হয়েছে। লোকটা লম্বা, হলুদ দাঁত বের করে হাসল, ‘কী হয়েছে?’

    নরমান ফাঁকা দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল তার দিকে, মুখে রা নেই।

    ‘কোন্ ফ্লোর?’ জানতে চাইল লোকটা।

    ‘তে-তেরো,’ অবশেষে বিড়বিড় করে বলল নরমান।

    লোকটা অদ্ভুত ভঙ্গিতে তাকাল নরমানের দিকে। ‘এখানে তেরো নম্বর ফ্লোর নেই।’

    ‘অ্যা?’ হতভম্ব দেখাল নরমানকে। ‘কী বললেন?’

    ‘বললাম এখানে তেরো নম্বর ফ্লোর নেই,’ পুনরাবৃত্তি করল লোকটা হিম গলায়।

    ঢোক গিলল নরমান। ‘এসব ঘটছে কী এখানে?’ জিজ্ঞেস করল সে, টের পেল শিরদাঁড়া বেয়ে বরফ শীতল জল নামছে। ‘আমার সঙ্গে ইয়ার্কি হচ্ছে?’

    ‘উপরে যাবেন কি যাবেন না?’ প্রশ্ন করল বুড়ো, ভাবলেশহীন চেহারা।

    পিছিয়ে এল নরমান, পা চালিয়ে চলে এল রেজিস্ট্রেশন ডেস্কে। ধাতব হ্যান্ড বেল ক্রমাগত বাজানোর পরে তাল গাছের মত লম্বা এক মহিলা বেরিয়ে এল ব্যাক রূম থেকে।

    এ সেই মহিলা, বড় বড় কালো চোখ। তবে এরও বয়স বেড়ে গেছে, নুয়ে পড়েছে কাঁধ।

    ‘কোন সাহায্য করতে পারি?’ কর্কশ গলায় জিজ্ঞেস করল সে।

    নরমান জানাল অপারেটর তাকে বলেছে এ হোটেলে নাকি তেরো নম্বর ফ্লোর বলে কিছু নেই।

    মাথা ঝাঁকাল মহিলা। ‘ঠিকই বলেছে সে। উইলমন্ট রিজেন্সিতে তেরো নম্বর ফ্লোর ছিল, তবে অগ্নিকান্ডের ঘটনার পরে লোকে কুসংস্কারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। তেরো নম্বর ফ্লোর তারপর বাদ দেয়া হয়েছে। ‘

    ‘কী-কীসের অগ্নিকান্ড?’ কথা জড়িয়ে গেল নরমানের।

    ‘বেশ কয়েক বছর আগে তেরো নম্বর ফ্লোরে আগুন লেগে যায়। সে এক ভয়াবহ কান্ড! মেরামতের পরে নাম্বার পাল্টে ফেলা হয়।’ কাঁধ ঝাঁকাল মহিলা। ‘এ স্রেফ কুসংস্কার ছাড়া কিছু নয়, তবে নাম্বারগুলো এখন ১১… ১২…১৩’র বদলে ১১…১২…১৪। কাজেই, স্যার, আমার ধারণা, আপনি আসলে চোদ্দ নম্বর ফ্লোর খুঁজছেন যা আগে তেরো নম্বর ফ্লোর ছিল।’

    ‘আগুনে,’ জিজ্ঞেস করল নরমান, মনে মনে ভাবছে মহিলা তাকে ‘স্যার’ সম্বোধন করল কেন, ‘কেউ হতাহত হয়েছিল?’ মহিলার চেহারা বিষণ্ন দেখাল। ‘জ্বী, তিনজন মানুষ মারা যায়।’ এক মুহূর্ত বিরতি দিল। ‘কিন্তু সে তো অনেক আগের কথা।’

    ‘মারা যায়!’ চেঁচিয়ে উঠল নরমান। ‘আমার বাবা-মা ছিলেন ওই ফ্লোরে!’

    ‘আপনার কথা বুঝতে পারছি না, সার,’ বলল মহিলা। ‘আমি দুঃখিত যদি -’

    কিন্তু মহিলার কথা কানে ঢোকেনি নরমানের। আতঙ্কিত ও হতভম্ব হয়ে সে রওনা দিয়েছে এলিভেটরের উদ্দেশে।

    ‘আমার পরিবার কোথায়?’ বুড়ো অপারেটরকে ধমকের সুরে প্রশ্ন করল সে।

    খাঁচার ভিতরে লোকটা অদ্ভুত ভঙ্গিতে হাসল।

    ‘তুমি সব জানো, না?’ খেঁকিয়ে উঠল নরমান।

    মাথা দোলাল লোকটা।

    ‘আমার পরিবারের কী করেছ তুমি?’

    ‘আমি কিছু করিনি,’ ঠান্ডা গলা লোকটার। ‘আপনি করেছেন।’

    ‘আমি করেছি মানে?’ গলা কেঁপে গেল নরমানের।

    ‘আপনাকে আগেই সাবধান করে দিয়েছিলাম,’ বলল বুড়ো। ‘কোন

    কিছু চাইবার আগে ভেবেচিন্তে তা কামনা করতে হয়।’

    ‘ঠিক আছে, আমি এখন ১৩০২ নাম্বার রূমে যেতে চাইছি!’

    ‘মানে ১৪০২, স্যার,’ অপারেটর শুধরে দিল তাকে।

    ‘আমাকে স্রেফ উপরে নিয়ে চলো!’ হুকুম দিল নরমান।

    ‘আপনি যা বলেন, স্যার।’

    ‘আর স্যার স্যার করবে না,’ ঘেউ করে উঠল নরমান। ঢুকে পড়ল এলিভেটরে। আর তখন দেয়ালের আয়নায় নিজের প্রতিবিম্ব দেখতে পেল।

    মাঝ-বয়েসী হয়ে গেছে সে!

    ঝনঝন শব্দে গেট টেনে বন্ধ করল অপারেটর, টান দিল একটি লিভার ধরে, ক্যাচ কোঁচ শব্দ তুলে উপরে রওনা হয়ে গেল এলিভেটর। ঘেমে নেয়ে গেছে নরমান, দাগপড়া, ফাটা আয়নায় নিজের ভাঙা চোরা প্রতিবিম্ব থেকে চোখ সরাতে পারছে না। তারপর বহু কষ্টে ফ্লোর ইন্ডিকেটরের দিকে দৃষ্টি ফেরাল। বিস্ফারিত চোখে দেখল এক এক করে জ্বলে উঠছে সংখ্যাগুলো : ৯…১০…১১…১২…১৪!

    মৃদু ঝাঁকি খেয়ে থেমে গেল এলিভেটর। ‘আপনার ফ্লোর, স্যার।’ বলল অপারেটর, মুখে অশুভ হাসি।

    পুরানো হোটেলটির বিবর্ণ হলওয়েতে পা রাখল নরমান। চারদিকে অযত্নের ছাপ, বোঝা যায় অনেক আগে এখানে রিপেয়ারের কাজ চলেছে। সে দ্রুত ১৪০২ লেখা রূমের সামনে চলে এল। দমাদম ঘুসি মারতে লাগল দরজায়।

    ক্যাআচ শব্দে খুলে গেল দরজা, বদমেজাজি চেহারার এক বুড়ি উঁকি দিল। ‘কে? কী চাই?’ খ্যাক করে উঠল সে।

    ‘আমি আমার বাবা-মাকে খুঁজছি,’ ব্যাকুল গলায় বলল নরমান ‘আমার বোন পলাকেও। ওরা সবাই এ ঘরে থাকত, তবে তা অনেক আগে। আমি ওদেরকে এখন কোথাও খুঁজে পাচ্ছি না।

    ‘কেটে পড়ুন তো। যত্তসব যন্ত্রণা,’ ঘোঁত ঘোঁত করল মহিলা, নরমানের মুখের উপরে ঠাস করে বন্ধ করে দিল দরজা।

    নরমান ছুটে এল এলিভেটরে। ‘আমার পরিবারের কী হয়েছে?’ কাঁদো কাঁদো গলা।

    ‘আগুনে পুড়ে মারা গেছে,’ জবাব দিল অপারেটর, শয়তানি হাসি মুখে।

    ‘আর আমি, আমার এরকম দশা হলো কী করে? আমি তো বাচ্চা একটা ছেলে ছিলাম, আর এখন—’

    ‘এখন আপনি বড় হয়ে গেছেন,’ মুখ বাঁকাল বুড়ো। ‘অন্তত এখন আর কেউ আপনাকে বাচ্চা ছেলে বলে অবহেলা করবে না।’

    ‘কিন্তু আমি তো বাচ্চা ছেলেই,’ বলল নরমান। ‘অন্তত ছিলাম।’

    কাঁধ ঝাঁকাল বুড়ো। ‘আপনি যা কামনা করেছিলেন পেয়ে গেছেন! ভয়ঙ্কর খনখনে গলায় হেসে উঠল সে, একটা লিভার ধরে টান দিল।

    ভীত নরমান দেখল এলিভেটর নিচে নামতে শুরু করেছে। ভিতরে, ময়দার তালের মত তেলতেলে বুড়োর মুখটা ক্রমে অদৃশ্য হয়ে যেতে লাগল, এলিভেটর নামছে, ভৌতিক, খনখনে হাসি হেসেই চলেছে লোকটা, তারপর নেই হয়ে গেল চোখের সামনে থেকে।

    টলতে টলতে কয়েক পা পিছিয়ে এল নরমান। ‘মা! বাবা!’ বারবার চিৎকার করল ও একা হলওয়েতে দাঁড়িয়ে যা এক সময় উইলমন্ট রিজেন্সির তেরো নম্বর ফ্লোর ছিল। ওর চিৎকারে হলঘরের দু’পাশের কয়েকটি ঘরের দরজা খুলে গেল, উঁকি দিল বাসিন্দারা। বিরক্ত ও বিস্মিত হয়ে দেখল হলওয়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে এক মধ্য বয়স্ক লোক তার বাবা মাকে ডাকছে আর হাপুস নয়নে কাঁদছে…বাচ্চা ছেলেদের মত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআবার অশুভ সঙ্কেত – অনীশ দাস অপু
    Next Article সেরা ভূতের গল্প – ব্রাম স্টোকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }