Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হরি ঘোষের গোয়াল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প124 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হরি ঘোষের গোয়াল – ২

    ২

    গুপীর চায়ের দোকানে নির্মল বসে আছে। কখন চা খেয়েছিল, সামনে পড়ে আছে খালি কাপ। চায়ের তলানিতে সর পড়ে আছে। খাওয়া সিগারেটের টুকরো ফেলেছে। সরাদিনের বিধ্বস্ত কাগজের ওপর হাতের কনুই। চোখ দুটো দোকানের বাইরে, রাস্তার দিকে খোলা। নির্মল আমি দুজনে একই সঙ্গে দৌড় শুরু করেছিলুম। আমার যা হয় একটা কিছু জুটেছে, নির্মলের এখনও ঝুলে আছে। প্যানেলে নাম, তিন জন না চার জনের পর। প্যানেল বেঁচে থাকবে এক বছর। তার মধ্যে হল ভালো। না হলে আবার দৌড় শুরু।

    ‘বোস। কেমন গেল চাকরির প্রথম দিন।’

    ‘দাঁড়া, তার আগে চা বলি।’ দু কাপ চা বলে, একটু গুছিয়ে বসলুম। বড় আপন দোকান। তেলচিটে বেনচি, ধোঁয়া কালো, দেওয়াল, ছোঁড়া ছেঁড়া ক্যালেন্ডার, খালি সিগারেটের প্যাকেট। এই দোকানে আমার ছাত্রজীবন পড়ে আছে। তর্কবিতর্ক, গান গল্প, ঝগড়া, মারামারি। আমাদের অদ্ভুত স্বাধীনতার সেই সব ভারমুক্ত দিন ঝরাপাতার মতো ছড়িয়ে আছে এখানে। পা রাখলেই মচমচ শব্দ শোনা যায়।

    নির্মল আর আমি চোখাচোখি হয়ে বসে আছি। কারুর মুখেই কথা নেই। জানি নির্মল কী ভাবছে। বন্ধুত্বের শেষ জুটি ভেঙে গেল এতদিনে। দিনের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ সময়টা আমার রোজই বিকিয়ে যাবে গোলামখানায় সামান্যমাত্র মূল্যে। নির্মল অফুরন্ত সময়ের স্বাধীন মালিক হয়ে বসে থাকবে একা। ও ভাবছে বড় দুঃখে আছে। আজ আমি জানি ও কত সুখী। এখনও সুখী। নিজেকে বিকিয়ে দুঃখ আমি জানি।

    ‘কি রে কিছু বল। বোবা হয়ে গেলি যে!’ নির্মল এতক্ষণে কথা বলল।

    ‘হেল। নরক একগাদা ফ্রাসট্রেটেড লোক পরস্পর পরস্পরের ওপর লাঠি ঘুরিয়ে চলেছে। কাজ কি জানি না, অকাজের খেলা চলেছ। ওপর দিকে ওঠার পথ নেই, নীচের দিকে নামার পথ খোলা পড়ে আছে।’

    চায়ে চুমুক দিয়ে নির্মল বললে, ‘তার মানে উপরি টুপরির বেশ ঢালাও সুযোগ, র—মেটিরিয়াল, লাইসেন্স, পারমিট, পারচেজ। ভালোই ত রে, চট করে গুছিয়ে নিতে পারবি। ওই বাড়িটা দেখতে পাচ্ছিস?’

    ‘কোনটা? ওই মোড়ের মাথায়? অমৃতবাবু না কি যেন নাম?’

    ‘হ্যাঁ অমৃতবাবু। নীল রঙের গাড়ি চাপেন। অমৃতবাবু যে জায়গায় চাকরি করেন সেই জায়গা থেকে গাড়ির পারমিট, লাইসেন্স বেরোয়। রবরবাটা দেখেছিস? পাড়ার পুজোয় দেড় হাজার টাকা চাঁদা দিয়েছেন।’

    ‘অমৃতবাবুদের মতো হতে গেলে অতীত ভুলতে হবে, ভবিষ্যৎও ভুলতে হবে। শুধু বর্তমান নিয়েই থাকতে হবে। এগজিসটেনসিয়ালিস্ট। পাপ নেই,পুণ্য নেই শুধু ভোগ আর বিলাস। খাও দাও, ফুর্তি কর।

    ‘বুকের পাটাফাটা বাজে কথা। আসল কথা হল সারকামস্ট্যানসেস মেক এ ম্যান। সুযোগ পেলে তুইও হয়তো ওইরকমই হয়ে যাবি।’

    ‘বলতে পারি না, তবে আমার বাবা বলেন, যাঁরা ওইভাবে সুখের মুখ দেখতে চান তাঁরা দুঃখই পেয়ে থাকেন। কারুর বউ পাগল হয়ে যায়। কারুর ছেলে মারা যায়। মেয়ে পালিয়ে যায়। নিজের থ্রম্বোসিস হয়ে পক্ষাঘাতে পড়ে থাকে। অ্যাকসিডেন্টে পা কাটা যায়। একটা না একটা কিছু হবেই। বাবা জীবনে এসব অনেক দেখেছেন।’

    ‘এ ত সেই ধর্মের কল বাতাসে নড়ে গোছের ব্যাপার। তুই এসব বিশ্বাস করিস। অমৃতবাবুর কিন্তু এখনও কিচ্ছু হয়নি। বেশ শাঁসে জলে চেহারা। মুখে ঢলঢলে হাসি। দুবেলা তুইও ত দেখিস। নলে সাকেও ত দেখছিস। সরষের তেল, চাল, ডাল, মশলা, বেবিফ্রুট ব্ল্যাক করে পাহাড়ের মতো চেহারা। সোনা দিয়ে মোড়া কেলে বউ। ও সব বাজে কথা রে। পাপও নেই, স্বর্গও নেই, নরকও নেই।’

    ‘হতে পারে ভাই। যে যেমনভাবে নেয়। তবে আমার বাবার থিওরি ধর্মের ঘরে পাপ সহ্য হয় না।’

    ‘হয়, হয়, মন্দিরে গিয়ে দেবতার পায়ে ফুল চড়াতে হয় । দেখিসনি ওপারে দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরে ভণ্ডের সংখ্যা দিন দিন কেমন বাড়ছে।

    নিতু হাঁপাতে হাঁপাতে দোকানে এসে ঢুকল। চোখে মুখে উত্তেজনা। ‘খবর শুনেছিস? যুদ্ধ বেধে গেছে। গুপীদা তোমার রেডিয়োটা খোল না।’ নিতু আর তর সইল না। নিজে গিয়েই রেডিয়োটা খুলে দিল। খবর বলা সবে শুরু হয়েছে। ছাম্ব আক্রমণ করেছে পাকিস্তান। সামনে মার্কিন ট্যাঙ্ক, সাজোয়া গাড়ি, পেছনে তিন চার হাজার পাকিস্তানী সৈন্য। ভারতীয় এলাকায় ঢুকে পড়েছে। আমাদের বিমান আক্রমণ প্রতিহত করছে। সংবাদ—পাঠক উত্তেজিত কণ্ঠে যুদ্ধের খবর পড়ছেন। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্বের কাহিনি বলছেন। প্রধানমন্ত্রী বিভেদ ভুলে দেশের মানুষকে এক হতে বলেছেন। অসামরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বলেছেন।

    নির্মল বলল, ‘নাও শালা গোদের ওপর বিষ ফোঁড়া। জিনিসপত্রের দাম এমনই আকাশছোঁয়া, যুদ্ধের মওকায় সব উধাও করে এমন এক আর্টিফিসিয়াল স্কেয়ারসিটি তৈরি করবে আমাদের মতো লোকের আর দিন চলবে না। ওদিকে ব্যবসায়ীবাবুরা ফুলে ফেঁপে ঢোল হবেন। আর চাকরিটাও যাও বা হবার আশা ছিল যুদ্ধের নামে সরকার বলবেন, নো ফারদার রিক্রুটমেন্ট। খেল খতম, পয়সা হজম। আমার প্যানেল গঙ্গায়ৈ নমঃ।’

    নিতু বললে, ‘ঘাবড়াচ্ছিস কেন? তুই আর আমি বিজনেসে নেমে পড়ব।’

    ‘কী বিজনেস করবি? ক্যাপিটাল কোথায়।’

    ‘বিনা ক্যাপিটেলেই হবে। চোরাই মালের বিজনেস। সত্যটাকে দেখেছিস। ব্যাটা খেতে পেত না, এখন লাল হয়ে গেছে। মাল খেয়ে ভুঁড়ি নেমেছে। এদিকে আবার পলিটিকস করছে। নেকস্ট ইলেকশনে এম এল এ।’

    ‘সত্য কী করে জানিস?’

    ‘ওয়াগন ব্রেকিং।’

    ‘আমরা পারব?’

    ‘দলে ভিড়ে যাব।’

    ‘তারপর গুলি খেয়ে মরব।’

    ‘আরে শালা এমনি না খেয়ে মরবি, তার চেয়ে গুলি খেয়ে মরা ঢের ভালো। হিরোস ডেথ।’

    নিতু বলল, ‘একটু চা খাও মাইরি। মানব তুই খাওয়া। চাকরি পেলি। সেই বেলা তিনটে থেকে গাধা ঠেঙিয়ে গলা ভেঙে গেল। কি যন্ত্রণার কাজ মাইরি এই টিউশানি। মাইনে পনেরো কুড়ি তাও তিন কিস্তি, চার কিস্তিতে মাল ওগরাবে।’

    দোকান থেকে বেরিয়ে বাড়ির পথ ধরেছি, বাতাসে বেশ উত্তেজনা। সকলের মুখেই যুদ্ধের কথা। বিজয়দার নতুন বাড়ি হচ্ছে। এক—তলার গাঁথনি হয়েছে, ছাদ ঢালাই বাকি। বিজয়দা মিস্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলছেন, ‘হয়ে গেল। ছাদ আর ঢালাতে হচ্ছে না। সিমেন্টও উধাও হবে, লোহা হবে সোনা। ওই তেরপল লাগিয়েই বাকি জীবনটা কাটাতে হবে।’

    রাতে খাওয়াদাওয়ার পর বাবাকে সেই হরিদার কথা বললুম। ভেবেছিলুম পুরোনো পরিচিতের কথা শুনে খুশি হবে। অনেক স্মৃতি মনে পড়বে। মুখটা মনে হল গম্ভীর হয়ে উঠেছে।

    ‘হরি ওখানে কী করছিল?’

    ‘আমাদের বড়কর্তার ঘরে বসেছিলেন। তাঁর সামনেই আপনার খুব প্রশংসা করতে লাগলেন।’

    ‘বি কেয়ারফুল ব্যাপারটা দ্যাট ম্যান। আই নো হিম ফর এ লং টাইম। কলেজে আমাদের জুনিয়র ছিল। কলেজ—টলেজ ছেড়ে স্বদেশি করতে গেল। তারপর যা হয়। এদেশের যেমন রেওয়াজ। যারা রিয়েল ফাইটার ছিলেন হয় তারা ইংরেজের জেলে পচে মরলেন, না হয় চলে গেলেন আধ্যাত্মিকতার পথে, না হয় সাইফার হয়ে বিস্মৃতির অতলে। কিছু করিতকর্মা চুনোপুঁটি ম্যানিপুলেট করে চলে এলেন ক্ষমতার ছাতার তলায়। বাঘের জায়গায় হায়না। অ্যান্ড হি বিলংস টু দ্যাট লট। শুনেছি সি এ না কি একটা হয়েছে। আসল হি ইজ এ টাউট। বহুবার দিল্লিতে আমার কাছে গেছে নানা কেস নিয়ে। সবই কোনও না কোনো ব্যবসায়ীর জন্যে অন্যায় তদবির। প্রথমে সেই কলেজের বন্ধুত্বের সুবাদে, তারপর ক্ষমতার ভয় দেখিয়ে আমাকে, অ্যাডমিনসট্রেশানকে পারচেজ করতে চেয়েছে। বাট অ্যাজ ইউ নো, ফিয়ার অর ফেভার কোনোটাকেই আমার চাকরি—জীবনে আমি পরোয়া করিনি। হরি কোনও দিন আমাকে কাবু করতে না পেরে এখন হঠাৎ প্রশংসা করতে শুরু করেছে। শুনে অবাক হচ্ছি। হয় এটা তার কোনও চাল, না হয় ফ্যাগ এন্ড দি লাইফে সত্যিই হয়তো সে শুধরেছে। তবু তুমি কেয়ারফুল হবে। বলা যায় না আমার ভেনজেনস নিতে না পেরে মেকসিকান ফুয়েডের কায়দায় তোমাকেই হয়তো কাবু করে দিলে। সাপের দাঁত থেকে বিষ নামিয়ে দিলেও আবার বিষ জমতে থাকে। স্নেকস আর স্নেকস।’

    সারাদিনের পর বিছানায় শুয়ে পড়েছিলুম। একপাশে আমার বিছানা, আর একপাশে বাবার। নিস্তব্ধ রাত। আমাদের এদিকটায় মানুষের উত্তাপ তাড়াতাড়ি জুড়িয়ে আসে। গাছপালা একটু বেশি। তাই রাতের দিকে বোঝা যায় শীত আসছে। ব্রিজের ওপর দিকে মালগাড়ি যাচ্ছে, গুম গুম শব্দ করে। বহু দূরের কোনও আকাশে এখন যুদ্ধে আমাদের রেখা। বিমান উড়ছে তলপেটে বোমা নিয়ে। মহাশূন্যে ভেসে বেড়াচ্ছে মানুষের পাঠানো উপগ্রহ, লুনা, ম্যারিনার। মানুষের ইতিহাস জয়ে পরাজয়ে। একদিকে সংকীর্ণতা, নীচতা, আর একদিকে মহত্ত্ব, উদারতা। দু কদম দূরেই বেলুড়মঠ। আমাদের ঘরের দেয়ালে স্বামী বিবেকানন্দের পরিব্রাজক মূর্তির ছবি। কতদিন রোদ ঝলমলে দুপুরে নিজের ঘরে ওই উজ্জ্বল মূর্তির দিকে তাকিয়ে মনে হয়েছে ঠোঁট দুটো কাঁপছে, তিনি বলেছেন,

    If the Sun by the cloud hidden a bit,

    If the welkin shows that gloom

    Still hold on yet a while, brave heart

    The victory is sure to come.

    আশায় বলীয়ান হয়ে বসে পড়েছি কমপিটিটিভ পরীক্ষার প্রস্তুতিতে। মাঝে মাঝে মনে বড় অবিশ্বাস, বড় ভয় এসে যায়। শ্রীকৃষ্ণ, গীতা, ভগবান চৈতন্য, বুদ্ধ, রামকৃষ্ণ, বিবেকানন্দ, এসেছেন চলে গেছেন, তবু দেশের কেন এই অবস্থা। সত্যর বাবা বড় সাত্ত্বিক মানুষ ছিলেন, সত্য হল ওয়াগন ব্রেকার। নলে সাহার বাবাকে দেখেছি। সামান্য মুদিখানার দোকান ছিল। গলায় তুলসীর মালা। পরম হরিভক্ত। বাড়িতে ভাগবত পাঠ। তার ছেলে নলে সা শিশু মেরে বড় লোক। বেবিফুড চেপে রাখা মানেই শিশু হত্যা। তেলে ভেজাল, ওষুধে ভেজাল, সর্বত্র মানুষ মারার ব্যাবসা চলেছে। এরা দেখছি স্বামীজিকে অন্যভাবে নিলেন This is your cup—the cup assigned to you ঠিকই এই আমাদের পেয়ালা। of fault and passion, I made the stones that never give you rest.

    বাবা শুয়ে পড়েছিলেন। মশারির ভেতর থেকে বললেন, ‘যুদ্ধটা তা হলে বেশ ভালো করেই বাঁধল।’

    ‘আজকের রেডিয়োর খবর শুনে তো তাই মনে হচ্ছে।’

    ‘দেশটা ছারখার হয়ে গেল। কাদের পাল্লায় যে পড়া গেল। কোনও জিনিসে তো হাত দেবার উপায় নেই। আগুন দাম। অদ্দেক জিনিস ত পাওয়াই যায় না। কোন মহাপ্রভু আবার ঠান্ডা ঘরে বসে দেশের মানুষকে কাঁচকলা খাবার উপদেশ ঝাড়ছেন। শহরে মানুষের এই অবস্থা, ভেবে দেখ গ্রামের মানুষ তা হলে কী ভাবে বেঁচে আছে। এর নাম স্বাধীনতা। তস্কর ধরেছে, রাজার বেশ। এই বুড়ো রক্তেও মাঝে মাঝে আগুন ধরে যায়।’

    রাতেও বাবার ভালো ঘুম হয় না। তার ওপর এই সব উগ্রচিন্তা। রিটায়ার করার পর জীবনযাত্রার মান অনেক নেমে গেছে। ভেবেছিলেন ছেলে হয়তো কেউকেটা হবে। ঘোড়ার ডিম হয়েছে। যেমন করেই হোক এ চাকরি থেকে সরতে হবে। না আছে প্রোমোশান, না আছে জব স্যাটিসফ্যাকশন। বাড়ির সামনে দিয়ে বেশ একটা ভারী ধরনের গাড়ি চলে যাবার শব্দ হল। মনে হল গাড়িটা কিছু দূরে গিয়ে থামল। অ্যামুনিশাল বুটের শব্দ তুলে এক দল লোক যেন দৌড়োদৌড়ি করছে। এত রাতে এ আবার কি ব্যাপার।

    বাবা বললেন, ‘এ আবার কি ব্যাপার। মনে হচ্ছে পুলিশ রেড। কার আবার কি হল কে জানে। দেশটাতো মাণিকে ভরে গেছে। চতুর্দিকে হীরের টুকরো ছড়ানো।’

    রাস্তাঘাটে আজকাল আর আলো জ্বলে না। মানুষ সবই যখন মেনে নিতে পারে অন্ধকারও গা সহা ব্যাপার। দেশের সাধারণ মানুষ আর ছাগলে খুব একটা তফাত নেই। ওই ঘাসটাস খেয়ে ছানাপোনা নিয়ে দিন গত পাপক্ষয় করে যাও। বেশি আদর দিলে মাথায় চেপে বসবে। পায়ের তলায় দুশো বছর ছিলে, এখনও তাই থাকবে। রক্তে চলে গেছে কেঁচোর স্বভাব।

    বারান্দায় দাঁড়িয়ে তেমন স্পষ্ট না দেখতে পেলেও পাড়ায় একটা বড় রকমের উত্তেজনা ঢুকে পড়েছে, বেশ বোঝা যাচ্ছে। ঢাউস একটা কালো ভ্যান। পুলিশ নলে সার গোডাউনটা ঘিরে ফেলেছে। টর্চের আলো জ্বলছে নিবছে। শুনেছি নলে সার অনেক বড় জায়গায় সুতো বাঁধা আছে। পুলিশ—টুলিসের ক্ষমতা নেই তার কিছু করে। তবু এ খেলা কেন? নিশ্চয়ই লোক দেখানো। না কি অন্য কোনও কারণ আছে!

    অন্ধকারে একটা আলো চমকে উঠল। সঙ্গে সঙ্গে শব্দ। একটা বোমা পড়ল। নলের অনেক পোষা গুন্ডা আছে। তারাই বোধহয় আরও জল ঘোলা করতে চাইছে। গাছের ঝোপঝাড়ের মাথায় টর্চের আলোয় ধোয়ার একটা তাল জমাট হয়ে ওপর দিকে উঠে যাচ্ছে। কিছু পুলিশ ওই দিকে দৌড়ল।

    ‘ঘরে চলে এস।’ বাবার গলা। ‘কী আর দেখবে ওসব। শেয়ালে শেয়ালে লড়াই হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষকে এক হয়ে বিদেশি শত্রুর মোকাবেলা করতে বলেছেন। এই ভাবেই কর।’

    পর পর কয়েকটা গুলির শব্দ হল। পুলিশ বন্দুক ধরেছে। একগাদা পাখি শব্দে চমকে উঠে ডাকছে, ঝটাপটি করছে। কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দ। পাক ভারত যুদ্ধ একেবারে বাড়ির পাশেই।

    ‘অর্থ আর লোভ কী জিনিস দেখেছ। মানুষ যত পায় তত চায়। রাম দত্ত মশাইয়ের সেই গানটা তোমার মনে আছে, ভিখারি বাসনা করি হইতে চায় লক্ষপতি, লক্ষপতি হলেও সে হইতে চায় কোটিপতি। ঐশ্বর্যের সঙ্গে অপরাধের হলায় গলায় সম্পর্ক। সে—যুগের জমিদার, ওই যুগের ব্যবসাদার, পলিটিস্যান, সব এক মাটিতে তৈরি। আজকাল সর্বত্রই তুমি শুনতে পাবে সৎ মানুষের স্থান নেই। তারা সব এক ঘরে। দে আর উইকলিংস। তারা মার খাবে না। না খেয়ে মরবে। মাথা তুলে দাঁড়াতে লজ্জা পাবে। এই সব ব্যভিচারীরা দয়া করে আমাদের খেতে দেবে, আমাদের ছেলেদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢোকার সুযোগ দেবে, আমাদের ছেলেদের মেরিট থাকা সত্ত্বেও দয়া হলে ফার্স্টক্লাস দেবে, নয়তো সেকেন্ড ক্লাসে ঠেলে দেবে, দয়া করে চাকরি দেবে, দয়া করে প্রোমোশান দেবে। পথ চলায় ওদের দয়া, দু বেলার আহারে ওদের দয়া, রাতের ঘুম ওদের দয়া। এর নাম স্বাধীনতা। ফ্রিডাম অফ স্পিচ, এক্সপ্রেসান, এডুকেশান, অপারচুনিটি, রিলিজান। রাবিশ!’

    রাবিশ বলার সঙ্গে সঙ্গে আর একটা বোমা। আও দু রাউন্ড গুলি। বৃদ্ধমানুষ, ভীষণ উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন। একেই ঘুমোতে পারেন না, তার ওপর মাঝরাতে এই হল্লা। টিনের ওপর হাতুড়ি পেটানোর শব্দ হচ্ছে। নলের গুদামের দরজা ভাঙা হচ্ছে। পাড়ায় যেন উৎসব লেগে গেছে রে। যেমন অন্ধকার রাত, মনে হয় অমাবস্যা, তেমনি হাওয়া ছেড়েছে ভূতুড়ে। ঠাস করে আবার একটা গুলির শব্দ। একটা আর্তনাদ ভেসে এল। পুলিশের হাতে একটা মানুষ শিকার হল। কী করতে চাইছে ওরা। নলের নুনের এত জোর? তাজা তাজা ছেলেরা চারপাশ থেকে বাধা দেবার চেষ্টা করছে। এ যেন ক্রিমিন্যালদের আমেরিকান ক্রাইম সিন্ডিকেট।

    আর্তনাদ শুনে বাবা বললেন, ‘অমাবস্যার রাত কাপালিকদের তন্ত্র সাধনা হচ্ছে। আমাদের তো যাবার সময় হল। কোনওরকমে চলে যাব। তোমাদের অবস্থা যে কী হবে। দেশের এইটটি পার্সেন্ট মানুষই এরপর অপঘাতে মরবে। নাও এবার ঘুমোবার চেষ্টা কর।’

    অনেক রাতে পুলিশের গাড়িটা চলে গেল। শুয়ে শুয়ে শুনলুম। চড়চাপড়ের শব্দও কানে এল। মনে হল নলে সাহার গলা।

    ভোরবেলা অক্ষয় কাকাবাবু আর বাবা বেড়াতে বেরোন চা খেয়ে। চা তৈরির দায়িত্ব আমার। পিতা—পুত্রের সংসারে দ্বিতীয় কোনও প্রাণী নেই। একটা মিনি বেড়াল আছে। ভোর থেকেই পায়ে পায়ে ঘোরে। মিউ মিউ করে। ঘুরতে ফিরতে বাবা বেড়ালটার সঙ্গে কথা বলেন। মাঝে মাঝে সহবত শেখান। সাদা তুলোর পুঁটলির মতো মেঝেতে থেবড়ে বসে আধবোজা চোখে সব শোনে। কতই যেন ভালো মেয়ে নাম আবার গৌরী। আমার বড় বোনের নাম ছিল গৌরী। আমি আসায় সে মাকে নিয়ে সরে পড়েছে। বাবার কথার য পলায়তি স জীবতি।

    অক্ষয়কাকার কাশি হয়েছে। খুক খুক করে কাশছেন। গলায় একটা কমফার্টার জড়িয়েছেন।

    ‘বুঝলে বিভূতি কল্যই আমার শেষ রজনী হচ্ছিল। এতক্ষণ শ্মশানে!’

    ‘কেন হে! কাশি?’

    ‘বলতে পার কাশি। কাশি ইনভাইট করে আনছিল গুলি কিংবা বোম।’

    ‘কেন? এত কাশছিলে যে ব্রাহ্মণী শেষে বোমা মেরে ঠান্ডা করতে চাইছিলেন? মাঝ রাতে কাশি খুব ইরিটেটিং। অনবরত শুনতে শুনতে মাথায় খুন চেপে যায়। আমার হলে মানবকে পাশের ঘরে শুতে বলি।’

    ‘কাল রাতে তুমি কি জেগেছিলে?’

    ‘লাস্ট ফাইভ ইয়ারস আমি জেগেই থাকি। নট এ উইঙ্ক অফ স্লিপ।’

    ‘তা হলে জান না কাল রাতে কি হয়ে গেছে?’

    ‘খুব জানি।’

    ‘ওই বোম, একটা আমার জানালায় ঝেড়েছিল। তারপরই গুলি! জানলা ফাঁক করে বুড়ো মড়া দেখতে গিয়েছিলুম ব্যাপারটা কী? ছাম্ব ত বহু দূরে। হঠাৎ আবার কী হল। কে একটা ভূতের মতো ছুটছিল। কাশি চাপতে পারিনি। অন্ধকারে প্রথমে একটা গালাগাল ছুঁড়ল তারপর ঝেড়ে দিলে বোম। খুব বাঁচা বেঁচে গিয়েছি বিভূতি। এসো আজ দু কাপ চা দিয়ে সেলিব্রেট করি।’

    ‘শেষ অবধি কী হল? প্রথমটা আমরা জানি।’

    ‘খড়খড়ি খাঁক করে দেখলুম, ঘর অন্ধকার করে। নলে সার বেলুন চুপসে গেল। গোডাউন থেকে এতদিনের জমানো সব মাল বের করল টেনে টেনে। নলের কোমরে দড়ি বেঁধে টানতে টানতে নিয়ে গেল। নলে শালা…’

    ‘স্টপ। মাইন্ড ইয়োর ল্যাংগোয়েজ।’

    ‘ল্যাংগোয়েজ। এতদিনের রাগ বিভূতি! তুমি জান ওই নলে ছুঁতো থেকে চোখের সামনে হাতি হয়ে গেল। তবে ভেরি স্যাড, ভেরি ভেরি স্যাড। গঙ্গার ধারে নাকি একটা ডেড বডি পড়ে আছে।’

    ‘ডেড বডি? কার ডেড বডি? ভেসে এসেছে বুঝি?’

    ‘ভেসে এসেছে, কি, কাল গুলি খেয়ে ওখানে লটকে পড়েছে, বোঝা যাচ্ছে না। পুলিশ এখন বের করুক। আজ আর গঙ্গার ধারে না যাওয়াই ভালো বিভূতি।’

    ‘অ্যাজ প্রোপোসড।’

    ‘তুমি যে দেখছি আমাদের টার্মস ইউস করছ!’

    ‘সারাজীবন যে আমলাগিরিই করে এসেছি ভাই। জীবন কেটেছে সেরেস্তায়। ফাইল তলার দিক থেকে ওপরে ওঠে। শেষ বড় সাহেব ফাইল ছাড়েন অ্যাজ প্রোপোসড বলে সই মেরে। বিপদে কেউ চোপ ধরতে পারবে না। তোমরা প্রোপোজ করেছ আমি ডিটো মেরেছি। ধরতে হয় তলার লোকটিকেই ধর। ওপর আনটাচড! একেই বলে পাকাল মাছের টেকনিক।’

    দুই বৃদ্ধ ঠুকঠুক করে বেড়াতে বেরিয়ে গেলেন। আমার সকালের সবচেয়ে বড় কাজ বাজার করা। বাড়িতে যত কাপ চা—ই খাওয়া হোক না কেন সকালে সংবাদপত্র সহযোগে গুপীদার দোকানে এক কাপ চা না খেলে দিন ঠিকমতো শুরু হয়েছে বলে মনেই হয় না। কিন্তু একি! গুপীদার দোকান একেবারে এয়ারটাইট বন্ধ। সামনে দু—চার জন জটলা করছে। সেই দলে নির্মল আর নিতুও রয়েছে। নির্মল বললে, ‘শুনেছিস গুপীদার বড় ছেলেটা মারা গেছে।’

    ‘কী করে?’

    ‘গুলি খেয়ে।’

    ‘সে কি রে?’

    ‘হ্যাঁ রে? কাল রাতের পুলিশ ফায়ারিং—এ। গঙ্গার ধারে লাশ পড়ে আছে। গুপীদা মাইরি পাগলের মতো হয়ে গেছে।’

    গুপীদার ছেলেকে কিছুদিন আমি পড়িয়েছিলুম। চোখের সামনে মুখটা ভাসছে। পড়াশোনা করার ছেলে সে ছিল না ঠিকই তবে গুলি খেয়ে মরবে ভাবতেও পারিনি।’

    ‘ওই সময় চাঁদু কোথায় ছিল রে? ঘটনা ত অনেক রাতে ঘটেছিল।’

    ‘চাঁদু মনে নলে সার গুন্ডার দলে নাম লিখিয়েছিল। ইদানীং ওর চালচলন কীরকম হয়ে গিয়েছিল লক্ষ্য করেছিস?’

    কথাটা শুনে মনটা কি রকম হয়ে গেল। একটু আগে চাঁদুর জন্যে মন খারাপ হচ্ছিল এখন কি রকম ঘৃণা হচ্ছে। মানুষ মনুষ্যত্ব হারালে তার বেঁচে থাকা আর মরে যাওয়ার কোনও তফাত নেই। রাগ হচ্ছে গুপীদার ওপর। বাবা হয়ে ছেলেকে যে সু—পথে রাখতে পারে না তার আবার শোক কীসের। লোকটা পাগল হয়ে যাক। ছেলের রোজগারে নিশ্চয়ই ভাগ বসাত। কোনওদিন গুপীর দোকানে আর চা খাব না।

    গুপীর দোকানের সামনে দিয়ে একটা রাস্তা সোজা পশ্চিমে গঙ্গার দিকে চলে গেছে। সার সার লোক চলেছে। মহিলারা চলেছেন হাঁপাতে হাঁপাতে। যেন মেলা বসেছে গঙ্গার ধারে। মা ছোট ছেলের হাত ধরে টেনে নিয়ে যেতে যেতে বলছেন, ‘আয়, আয় শিগগির আয় উনুনে ভাত বসিয়ে এসেছি।’

    কোথায় চলেছেন এঁরা? একটি যুবকের মৃত্যু দেখতে। মৃত্যু এত দর্শনীয়। পশ্চিম থেকে ভোরের ঠান্ডা গঙ্গার হাওয়া ফুরফুর করে উড়ে আসছে। সে হাওয়ায় মৃত্যুর গন্ধ নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসঞ্জীবের সেরা ১০১ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article মিত্তির বাড়ি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }