Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হর-পার্বতী সংবাদ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প44 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. গণতন্ত্র জিনিসটা কী বস্

    আচ্ছা মহেশ্বর, তুমি বলতে পারো গণতন্ত্র জিনিসটা কী বস্তু! আমি জগৎ সৃষ্টি করলুম, প্রজা সৃষ্টি করলুম। পৃথিবীকে ঘুরিয়ে দিলুম লাটুর মতো। বলে দিলুম, রাজার কর্তব্য কী, প্রজাপালন কীভাবে করতে হয়! সমাজ কীভাবে গড়ে উঠবে। সামাজিক রীতিনীতি কী হবে। মোটামুটি সবই তো বলে দিয়েছিলুম। তারপর কী হল বলো তো মহেশ্বর?

    সব তালগোল পাকিয়ে গেল প্রভু। খোদার ওপর খোদকারি। আপনার মানুষের মতো বেয়াড়া জীব আর দুটি নেই। আপনার সৃষ্টির কলঙ্ক। আপনার মুখে চুনকালি লেপে দিয়েছে। টাকা আর ক্ষমতা। ক্ষমতা আর টাকা, এই হয়েছে ধ্যান-জ্ঞান। কামিনী আর কাঞ্চন, অমৃতের পুত্ররা এই নিয়েই মেতে আছে প্রভু। এ ওকে গুঁতোচ্ছে, ও একে। সারা পৃথিবী জুড়ে মানুষের বাঁদরামি এত বেড়েছে আপনার আসল বাঁদরেরা হাঁ হয়ে গেছে।

    বাঁদর থেকে ধাপে-ধাপে আমি মানুষ সৃষ্টি করেছিলুম, ধাপে-ধাপে আবার বাঁদর হয়ে যাচ্ছে তো মহেশ্বর?

    কী জানি প্রভু। আমার তো সেই রকমই মনে হচ্ছে।

    চলো না একবার দেখে আসি। আহা ওরা তো আমারই সন্তান।

    প্রথমে কোন দেশে নামবেন?

    কেন, ভারতে? ভারত হল পুণ্যভূমি। গঙ্গা, সিন্ধু, যমুনা যে দেশে প্রবাহিত। যার উত্তরে দেবতাদের আবাসস্থল, হিমালয়। যুগ-যুগ ধরে সংসারত্যাগী সন্ন্যাসীরা সেই গিরি করে বসে দিবা নিশি আমার নাম করে চলেছে। যে দেশের দক্ষিণ তটভাগে সমুদ্রের অবিরত চুম্বন। সেই তীর্থভূমি ভারতেই চলো আমরা অবতরণ করি। স্বাধীনতা সেখানে প্রবীণ হতে চলেছে। বয়েস হল সাঁইত্রিশ। চলো-চলো মহেশ্বর, গণতন্ত্রের সেই পীঠস্থানে চলো।

    মহেশ্বর এই সেই হিমালয়?

    হ্যাঁ প্রভু এই সেই গিরিরাজ।।

    কিন্তু এ কী! সেই পুণ্যভূমির এ অবস্থা নে? এখানে, ওখানে, সেখানে ডাণ্ডা পোঁতা ঝাণ্ডা, হুহু বাতাসে উড়ছে। কারণটা কী মহেশ্বর?

    প্রভু এক্সিপিডিশান। এদেশ, ওদেশ, সে-দেশ সারা বছরই, কোনও না কোনও সময়ে পর্বত অভিযানে আসছে। এদল এপাশ দিয়ে ওঠে তো ওদল ওপাশ দিয়ে। দেশে-দেশে প্রতিযোগিতা। মাউন্টেনিয়ারিং এখন একটা ফ্যাশান। মনে নেই প্রভু, এভারেস্টের মাথায় হিলারি আগে উঠেছিল, না তেনজিং আগে, এই নিয়ে কী ঝামেলা।

    বেশ সে না হয় হল। ছেলেমানুষরা অমন করেই থাকে। আমরাও যখন ছোট ছিলুম তখন ঢিবি দেখলেই চড়ে বসতুম। কিন্তু এত আবর্জনা কেন চারপাশে! এ তোমার কলকাতা না করাচি!

    ওই যে প্রভু, দলে-দলে যারা এক্সপিডিশানে আসে তারা ফিরে যাওয়ার সময় টন-টন মাল, কাগজ, কৌটো হ্যাঁনা-ত্যানা ফেলে রেখে যায়। কে আর পরিষ্কার করে প্রভু! ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে সবই।

    মহেশ্বর, ভারতীয়রা দেবতাত্মা হিমালয়ের এইভাবে, এঁটো-কাঁটা ফেলে মাহাত্ম্য নষ্ট করছে? বেদ-বেদান্তের দেশের মানুষ কি শেষে ঈশ্বরে অবিশ্বাসী হয়ে গেল!

    ঈশ্বর! কিছু মনে করবেন না প্রভু! আপনাকে, আপনার সন্তানরা কবর দিয়ে দিয়েছে। বেদ আছে বেদান্ত আছে। গীতা আছে। কয়েকশো ব্যাখ্যা আছে। মন্দির আছে, মসজিদ আছে, গীর্জা আছে, গুরু আছে, চ্যালা আছে, মেলা আছে, প্রণামী আছে, সব আছে, কেবল আপনিই অনুপস্থিত।

    মহেশ্বর আমার এ দশা হল কেন?

    মানুষকে অত পাওয়ার দিলে এইরকমই হবে প্রভু। পিতা হয়ে পিতার কর্তব্য করেননি। শাসনের অভাব। আদরে সব বাঁদর হয়ে গেছে। পায়ের জিনিস এখন মাথায় উঠে নাচছে। ধর্ম কর্ম সব গেছে। থাকার মধ্যে আছে রাজনীতি। আপনাকে ভজে-ভজে মানুষের খুব আক্কেল হয়ে গেছে। পায় তো ঘোড়ার ডিম! কেউ তারকেশ্বর, কেউ কাশীর বিশ্বনাথ মন্দিরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। নিজের অন্ন না জুটলেও আপনার সেবা ঠিকই চড়ায়। পাণ্ডা আর সেবাইতদের পেট মোটা হয়। ঐশ্বর্য বাড়ে। নিজেরা পায় কঁচকলা। ছেলের চাকরি জোটে না। স্বামীর ক্যান্সার ভালো হয় না। কেউ দুর্ঘটনায় মরছে। কেউ ছুরি খাচ্ছে। সোনার সংসার এক কথায় ছারখার হয়ে যাচ্ছে। আপনার ওপর মানুষের আর আগের মতো বিশ্বাস নেই।

    কেন মহেশ্বর, আমি তো বলেই দিয়েছি, কর্মফলেই এইসব হয়।

    ওই পুরোনো যুক্তি মানুষ আর মানতে চাইছে না। সায়েবদের হাওয়া গায়ে লেগেছে। নিৎসে কী বলেছে জানেন, দি গড ইজ ডেড। আপনি মারা গেছেন।

    সে আবার কে?

    সে এক পাগল দার্শনিক। হিটলারের গুরু।

    হিটলার? ও সেই পাগলাটা, যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাঁধিয়েছিল। ওর দোষ নেই মহেশ্বর। যুদ্ধ, প্রাকৃতিক বিপর্যয় সব আমারই খেলা। মানুষকে শিক্ষা দেবার জন্য এসব আমারই ব্যবস্থা। নাও চলল, এই বরফের টঙে চড়ে আমার আর ভালো লাগছে না। শীত-শীত করছে। আমার স্বর্গে তো চির বসন্ত।

    প্রভু এই হল আমাদের কাশ্মীর। যাকে ভূস্বর্গ বলে মানুষ নাচানাচি করে। সারা বছর ক্যামেরা কাঁধে ট্যুরিস্টরা এসে গুলমার্গ, সোনা মার্গে বরফের ওপর কাঠের জুতো পায়ে হড়কে-হড়কে বেড়ায়।

    তাই না কী, এই তোমার সেই কাশ্মীর! এইখানেই তোমার সেই জাফরানের খেত। আহা কী শোভা!

    আর এগোবেন না প্রভু। গুলি করে দেবে। শ্রীনগরে কার্ফু।

    কার্ফু? সে আবার কী?

    ও হল মানুষের জগতের নিয়ম। রাস্তায় বেরিয়েছ কী মরেছ।

    তার মানে? ভূস্বর্গে লোকে বেড়াতে আসবে না?

    এর নাম রাজনীতি মালিক। এটা তো বর্ডার স্টেট। সেই স্বাধীনতার পর থেকেই একটা -একটা ঝামেলা লেগেই আছে। ওপাশে পাকিস্তান, এপাশে হিন্দুস্তান। হাত ধরে টানাটানি। মা আমার ধর্ষিতা। দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ।

    আমার কৃষ্ণ কোথায়। সুদর্শন চক্র কি আর ঘোরে না।

    প্রভু এক কুরুক্ষেত্রেই কৃষ্ণ কাত। গীতায় কিছু বাণী রেখে তিনি সরে পড়েছেন। চক্র এখন ছবি হয়ে আটকে আছে ভারতের তেরঙা জাতীয় পতাকায়।

    তাহলে আমি আর একজন কৃষ্ণ তৈরি করি।

    সে কৃষ্ণ শুধু বাঁশিই বাজাবে প্রভু। আর রাধার সঙ্গে প্রেম করবে। গণতন্ত্রে ভোট যুদ্ধই একমাত্র যুদ্ধ।

    ব্যাপারটা একটু বুঝিয়ে বলো মহেশ্বর। পলিটিক্যাল সায়েন্সে আমার কোনও ডিগ্রি নেই।

    ডিগ্রি, ডিপ্লোমার ব্যাপার এদেশ থেকেও ঘুচে গেছে প্রভু। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সব জায়গাতেই এখন পেটো-পটকার খেলা। দু-দলে কাজিয়া। ভিসিরা ঘেরাও হয়ে বসে থাকে মল মূত্র চেপে।

    ভিসি মানে?

    ভাইস চ্যান্সেলার মালিক। কে ভাইস চ্যান্সেলার হবে সেই ফঁপরে পড়ে পশ্চিমবাংলার রাজ্যপালকে রাজভবন ছেড়ে পালাতে হয়েছে। ওরা এখন বলছে, রাজ্যপালের পদটাই তুলে দাও।

    ওরা মানে?

    ওই যারা বাম আর কী?

    মানুষের আবার বাঁ-ডান আছে না কি। আমি তো ওদের দুটো হাত দিয়েছিলুম। একটা ডান আর একটা বাঁ। তা শুনেছি সরকারি অফিসে বাঁ-হাতের কারবার হয়।

    ঠিকই শুনেছেন। তবে রাজনীতিরও বাঁ-ডান হয়েছে। আমেরিকা যাদের টিকি ধরে আছে তারা হল ডান। আর রাশিয়া যাদের কান ধরে আছে তারা বাঁ। তারা কেবল বলছে; বিপ্লব, বিপ্লব। আগে বিপ্লব তারপর জীবন। বলছে লড়ে যাও।

    কার সঙ্গে লড়বে?

    নিজেদের সঙ্গেই। রামের সঙ্গে শ্যাম, শ্যামের সঙ্গে যদু। এই তো সেদিন পশ্চিমবঙ্গে এক রাউন্ড হয়ে গেল। পূর্তমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর।

    মন্ত্রীতে-মন্ত্রীতে লড়াই! কী নিয়ে হল?

    প্রভু, পৃথিবীর সব লড়াইয়ের মূলে তিনটি জিনিস–জমি, মেয়েমানুষ আর টাকা। টাকা নিয়েই হল। এ বলে, রুপেয়া লে আও, ও বলে কঁহা রুপেয়া। শ্রেণী সংগ্রাম প্রভু। যার আছে সে দেবে না। যার নেই সে ছাড়বে না।

    এই বললে বামে-ডানে লড়াই। এখন বলছ বামে-বামে লড়াই।

    প্রভু কত রকমের বাম আছে জানেন? মাথা খারাপ হয়ে যাবে। ও আপনার না জানাই ভালো। ভোট যুদ্ধের কথা শুনুন।

    কিছু বুঝব না তো।

    খুব সহজ। লোহার ফুটো বাক্সে লোকে ছাপামারা কাগজ ফেলবে। কিছু লোক নিজে নিজে ফেলবে। কিছু লোকের হয়ে অন্যে ফেলবে। তাকে ইংরিজিতে আগে বলত প্ৰসি এখন বলে রিগিং। সেই ভোটে একগাদা এম. এল. এ. হয়। এম. এল. এ. থেকে মন্ত্রী। মন্ত্রী থেকে একজন মুখ্যমন্ত্রী। ওদিকে কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী। তারপর দাবার খেল। দান ফেলল আর দান তোলো। মন্ত্রিসভা ফেলো। এম. এল. এ. কেনো। আর এক মুখ্যমন্ত্রী বসাও। গোলাগুলি, কার্ফু। আবার তাকে ফেলো, ফেলে আর একজনকে বসাও। ফেলা আর তোলা এই হল দাদা তোমার খেলা।

    সারা দেশ জুড়ে এই ইয়ারকিই চলছে বুঝি! তা প্রজাপালনের কী হচ্ছে?

    কঁচকলা হচ্ছে মালিক। রাজা-মহারাজাদের আমলে প্রজাপালন হত। এক রাজা আর তার চেলারা কত খাবে প্রভু। দেশের মানুষ তখন খেতে পেত। রাস্তাঘাট হত। পুকুর কাটানো হত। জলের ব্যবস্থা হত। মন্দির প্রতিষ্ঠা হত। উৎসব হত। গণতন্ত্রে প্রজা নেই, আছে ভোট। আর আছে শয়ে শয়ে এম পি, এম এল এ, মন্ত্রী। প্রভু তারা ভালো থাকলেই হল। খাচ্ছে-দাচ্ছে ভুড়ি বাগাচ্ছে। আর একবার এ-দল, একবার ও-দল করছে। প্রজাপালন সেকেলে ব্যাপার মহারাজ। তাদের জন্যে একটা সংবিধান আছে। তাও সাতশোবার জোড়াতালি মারা হয়েছে।

    এ তুমি আমাকে কোথায় আনলে মহেশ্বর।

    আপাতত আপনার পায়ের তলায় ভূস্বর্গ কাশ্মীর। শেখ আবদুল্লার জমিদারি ছিল। ফারুক আবদুল্লা দখলদারি নিয়েছিল। কেন্দ্র ল্যাং মেরে দিয়েছে।

    তখন থেকে কেন্দ্র-কেন্দ্র করছ। কেন্দ্রটা কী।

    আজ্ঞে দিল্লি। ইন্দিরার রাজধানী।

    অ, সেই জওহরলালের মেয়ে!

    আজ্ঞে মায়ে পোয়ে এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এক ছেলে বিমান ভেঙে খসে গেছে তার বউ আবার একটা দল করে শাশুড়িকে ল্যাং মারার তাল খুঁজছে। বড় পোলা সিংহাসনে বসার জন্যে মায়ের পেছন-পেছন বিলিতি বউ নিয়ে ঘুরছে। আবার মোটরগাড়ির কারখানা খুলেছে। আর ওই দেখুন প্রভু ডাল লেকে সারি-সারি হাউসবোট। জনপ্রাণী নেই। কেউ আর বেড়াতে আসে না। গালে হাত দিয়ে বসে আছে। ট্যুরিস্ট এলে তবেই না তাদের গলা কেটে সারা বছর চলবে। পানি আছে, দানা নেই। দানার মধ্যে আছে বুলেট। একটা খেলেই এ রাজত্ব থেকে আপনার রাজত্বে।

    মহেশ্বর গোলগুলির আওয়াজ পাচ্ছ?

    পাচ্ছি প্রভু? একটু দূরে। অমৃতসরে লড়াই হচ্ছে।

    কে আক্রমণ করলে?

    কেউ না। নিজেদের মধ্যেই হচ্ছে। দেশটাকে শত-টুকরোর চেষ্টা চলেছে। পাঞ্জাব দু-টুকরো হয়েছে। আরও এক টুকরো করার তালে কিছু লড়াকু লোক বিদেশি মদত নিয়ে স্বর্ণমন্দিরে ঢুকে বসে আছে। কেন্দ্রের সেনাবাহিনী কামান দাগছে।

    হায় ঈশ্বর!

    আপনি নিজেই তো ঈশ্বর প্রভু। আপনার সন্তানদের খেল দেখুন।

    শুনেছিলুম স্রষ্টা সৃষ্টি থেকে মহান। মহেশ্বর এ যে দেখি সৃষ্টিই মহান। আমার আর বেঁচে থেকে কী হবে? কোথায় আমার গুরু নানক। গুরু গোবিন্দ। তাদের একবার ডাকো।

    কোনও লাভ নেই প্রভু। হয় আমেরিকা না হয় রাশিয়াকে ডাকুন।

    চলো তা হলে ইন্দিরার কাছে যাই।

    প্রভু দেখা হবে না। তিনি এখন অন্ত্র নিয়ে ন্যাজে-গোবরে।

    অন্ধ্রে আবার কী বাঁধালে?

    আমি বাঁধাব কেন? নিজেরাই লাগিয়ে বসে আছে। ফিল্মসের এক কৃষ্ণ নাম তার রাম রাও চৈতন্য রঙ্গমে চেপে একেবারে রমরম করে রাজ্য-সিংহাসনে বসেছিল। বেশ চলছিল। প্রায় একবারে সাধু হয়ে গিয়েছিল। শেষে বিকল হৃদয় সারাতে গিয়ে বিদেশ থেকে ফিরে এসে দেখে শ্যালক সিংহাসনে চেপে বসে আছে। কেন্দ্র খুব তো দড়ি টানাটানি করছিল। রামবাবু আবার অ্যায়সা চাল দিলেন শ্যালক চিৎপাত। মাঝখান থেকে হায়দরাবাদে কমুনাল রায়াটে সব চৌপাট হয়ে গেল।

    এসবের কী মানে মহেশ্বর?

    প্রভু এর নাম গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাজ্যশাসন। যেখানে দেশের চেয়ে গদি বড়। প্রজার চেয়ে চামচা বড়। আইনের চেয়ে ক্রাইম বড়।

    ধরো।

    কাকে ধরব পরমেশ্বর?

    ইন্দুকে ফোনে ধরো।

    হ্যালো। হ্যালো।

    হ্যালো প্রাইমমিনিস্টারস সেক্রেটারিয়েট।

    ইন্দু আছে?

    কে ইন্দু?

    তোমাদের প্রধানমন্ত্রী গো! বলো পরমেশ্বর কথা বলবেন।

    পরমেশ্বর। সে আবার কে? কোন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী?

    বলো, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের যিনি প্রধান তিনি কথা বলবেন।

    পি এম পাগলদের সঙ্গে কথা বলেন না।

    অ, তাই নাকি? আচ্ছা সে কথা আমি খোদ মালিককে জানাচ্ছি। প্রভু পি এম আপনাকে পাগল ভেবেছেন। তার পি-এ বলছে, প্রধানমন্ত্রী পাগলদের সঙ্গে কথা বলে না।

    আচ্ছা, তাই নাকি! তাহলে বাতাস-তরঙ্গে সরাসরি তার সঙ্গে কথা বললে কেমন হয়।

    কোনও প্রয়োজন নেই। প্রভু আমি বরং একটু মজা করি। আবার একবার ফোন করি।

    হ্যালো।

    প্রাইম মিনিস্টারস…

    মহেশ্বর বলছি।

    কে মহেশ্বর প্রসাদ সিং?

    না শুধু মহেশ্বর। ভক্তরা বলে ভোলা মহেশ্বর। তোমার মালকানকে বলো খোদ পরমেশ্বর কথা বলতে চেয়েছিলেন, তুমি যাকে পাগল বলে উড়িয়ে দিলে। মা-মণিকে শুধু স্মরণ করিয়ে দিও, নির্বাচন তো এসে গেল।

    মহেশ্বর ফোন ছেড়ে দিলেন। কী মনে হল পি এম-কে একবার জানালেন, কে এক মহেশ্বর ফোন করেছিল, বলেছিল বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের মালিক পরমেশ্বর আপনার সঙ্গে কথা বলবেন। পাগল ভেবে লাইন দিইনি। আবার ফোন করে বললে, বলে দিও নির্বাচন আসছে। তারপর লাইন ছেড়ে দিলে।

    পি এম লাফিয়ে উঠলেন, মূর্খ? আমার সব সাধনা ব্যর্থ করে দিলে। আমি কখনও বেলুড়, কখনও তিরুচেরুপল্লী, কখনও আকালতখতে গিয়ে রাতের-পর-রাত সাধনা করে যাঁকে নামিয়ে আনলুম তাকে পাগল বলে ভাগিয়ে দিলি গাধা! সামনের নির্বাচনে আমার ফিউচার তোরা ভাবলি না। এখুনি যোগাযোগ কর ফোনে।

    মাতাজি ভগবানের ফোন নম্বর যে পৃথিবীর ডাইরেক্টারিতে নেই!

    তুমি মরে ভূত হয়ে জেনে এসো।

    দেশের প্রায় সবাই তো মরে এসেছে দিদি! আর তাড়াহুড়োর কী দরকার। আপনি আর পরমশ্বের ছাড়া এরপর আর তো কেউ থাকবে না।

    সব কটা স্যাটেলাইট একসঙ্গে চেষ্টা করতে লাগল– হ্যালো পরমেশ্বর, হ্যালো। কলকাতার সব ফোন বিকল? কারণ, সব ফোনই পরমেশ্বরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। হ্যালো পরমেশ্বর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    Next Article গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    গুহা – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    সাজাহানের জতুগৃহ – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    শ্রীকৃষ্ণের শেষ কটা দিন – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মনুষ্যক্লেশ নিবারণী সমিতি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    মধুর এক প্রেমকাহিনি – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    লোটাকম্বল – সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

    November 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }