Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হাঁসুলী বাঁকের উপকথা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প529 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩.২ নয়ানের মা যে-অভিসম্পাতই দিক

    নয়ানের মা যে-অভিসম্পাতই দিক, বনওয়ারী তার উপর রূঢ় হতে পারলে না। সে মাতব্বর, তার সে কর্তব্য নয়। বরং নয়ানের প্রতি যে অবিচার সে করেছে তার প্রতিকারের জন্যই সে ব্যস্ত হয়ে উঠল। নয়ানের সাঙা দেবার জন্যে কন্যে খুঁজতে লাগল। তবে অবসর যে কম। কাজ যে অনেক। বৈশাখ মাস, দিন যাচ্ছে জাঙলের সদূগোপ মহাশয়দের ঘর ছাওয়াতে। কাহারেরা পাকা বারুই, বনওয়ারী প্রহ্লাদ রতন—এ অঞ্চলের ডাকসাইটে বারুই। ঘর ছাওয়াবার মজুরিও বেশি। এটা একটা রোজগারের মরসুম তাদের। চন্ননপুর পর্যন্ত যেতে হয় তাদের। এখন যে দিন-রাত্রির মধ্যে বিশ্রাম মিলছে না। দিনে ঘর ছাওয়ানো, রাত্রে রয়েছে জমি কাটার কাজ। শুক্লপক্ষ চলছে, এই পক্ষে চাঁদের আলোয় কাহারদের নিয়ে বনওয়ারী জমিটা কাটছে। গাঁইতি চলছে। পাথরেরা জব্দ হয়েছে। ভাগ্য ভাল, পাথরের থাক’ অর্থাৎ স্তরটা খুব পুরু নয়, পাথরের নিচে মাটিও ভাল। বনওয়ারীর কাছে কাহারেরা মজুরি নেয় না, নেয় দৈনিক মদের মূল্যটা। রোজই চন্ননপুরের পচাইয়ের দোকান থেকে দুটি জালা মদ ওরা ঘাড়ে বয়ে নিয়ে আসে, খায়, তারপর সন্ধে পার হলেই ঘরে সন্ধ্যা প্রদীপ জ্বললেই তারা যে যার ‘হাতিয়ার’ অর্থাৎ কোদাল টামনা-গাঁইতি-ঝুড়ি নিয়ে দল বেঁধে চলে সায়েবডাঙার দিকে। পথে বাবাঠাকুরকে প্রণাম করে নেয়। ধুলো মাথায় নিলেই নিৰ্ভয়—বাস, চল এইবার।

    মধ্যে মধ্যে ওদের সঙ্গে করালীও এসে মাটি কেটে দেয়। করালী অনেকটা বশ মেনেছে। কদিন আগেই তাক বুঝে বনওয়ারী বলেছে—এইবার তোর মঙ্গল হবে করালী। সুমতি ফিরছে। তোর।

    করালী হেসে মাথায় ঝুঁকি দিয়ে সামনে ঝুলে-পড়া চুলগুলি পিছনে ফেলে বললে—তা মতিভ্যম তো হয় মানুষের।

    আবার কিছুক্ষণ নীরবে কাজ করে যায় বনওয়ারী। সবাই নীরব। শুধু শব্দ করে লোহার হাতিয়ার আর মাটি পাথর—ঠং-খ-খ-ঘং; সঙ্গে সঙ্গে চারি বেড়ে ঝুড়ির মাটি পড়ে ঝপ-ঝুপ-ঝাপ। বনওয়ারীর জমি দেখতে দেখতে বেড়ে যায়।

    পাশে পরমের জমিটা পড়েই আছে। যে ডাঙা, সেই ডাঙা। কোনো একটা চুরি বা ডাকাতি করে পয়সা হাতে না পেলে পরমের জমি কাটানো হবে না।

    কিছুক্ষণ পরে বনওয়ারী আবার কথা বললে। আফসোসের সুরে দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে বললে— আঃ, তু যদি ওই খ্যাতটি না করতিস করালী!

    —কি? করালী মাথা ঝুঁকি দিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়াল। কি করলে সে? ভুরু কুঁচকে উঠল তার।

    —ওই বাবাঠাকুরের বাহনটিকে। আবার দীর্ঘনিশ্বাস ফেললে সে। কিছুতেই সে ভুলতে পারছে না এই ভয়টিকে। ভুলতে তাকে দিচ্ছে না নয়ানের মা। নিত্য সে গালাগালি করছে। যখনই শোনে বনওয়ারী তখনই সে চমকে ওঠে। মন তার খারাপ হয়ে যায়।

    করালীর মনে কিন্তু এজন্য কোনো শঙ্কা বা সংশয় নাই। রেললাইনে সে কাজ করে, মাটি কাটতে গিয়ে কত সাপ বেরিয়ে পড়ে। সাপ দেখলেই মারে। তা ছাড়া ওই সাপটা মারবার কিছুদিন আগে ঠিক এমনি একটা চন্দ্রবোড়াকে তাদের সায়েব গুলি করে মেরেছে তার চোখের সামনে। সাপটা তার কাছে সেই জন্যেই সাপ ছাড়া আর কিছু নয়। সঙ্গী সাথীদের কেউ এ কথা বললেই সে বলে—ভাগ। বনওয়ারীর কথার উত্তরে সে এই কথাটা বলতে পারলে না, তবু ঠোট বেঁকিয়ে বললেওই তোমার এক কথা। সাপ আবার–

    ও কথা বোলো না বাবা, ও কথা বোলো না।

    করালী চুপ করে গেল। বনওয়ারীর কণ্ঠস্বরে গুরুগম্ভীর সুর গমগম করে উঠেছে। সে কোদাল ছেড়ে দুই হাত জোড় করে প্রণাম করেছে।

    কিছুক্ষণ পর বনওয়ারী আবার বললে–চন্ননপুর ছাড় তু করালী। ওখানে গিয়েই তোর এই সব মতিগতি। কিছু জমি কেন—

    –জমি?

    –হ্যাঁ। জমি কে, বলদ কে, চাষ কর।

    সে বুড়ো বয়সে করব। হাসতে লাগল করালী। তারপর বললে—ওরে বাপ রে! এখন রেলের কাজ ছাড়তে পারি? যুদ্ধ আবার জোর ধরল। রেলের কাজ যুদ্ধের শামিল হবে। বুয়েচ? মজুরি বেড়ে ডবল হবে। এখন লোক-লোক শব্দ উঠেছে।

    যুদ্ধের ব্যাপার। কালারুদ্দের মন, মহিমা। তিনিই লাগান যুদ্ধ। তার চড়কের পাকে ঘটে বড় বড় ব্যাপার। আকাল আসে, মহামারণ আসে। যুদ্ধও এসেছে।

    যুদ্ধ, নাকি ঘোর ‘যুদ্ধ’ লেগেছে। সেই যুদ্ধের জন্যই নাকি এ দিকেও অনেক ব্যাপার হবে। লাইন বাড়বে। কোথা নাকি উড়োজাহাজের আচ্ছা হবে। গোটা রেললাইনই নাকি যুদ্মকোম্পানি নিয়েছে কেড়ে। অনেক নতুন লোক নেবে। অনেক খাটুনি, অনেক মজুরি। দেশবিদেশ, রেঙুন, না কোথা বোমা পড়েছে। ‘জাপুনি’ না কারা আসছে! কলকাতা থেকে লোক পালাচ্ছে। চন্ননপুরেও নাকি আসছে কলকাতার লোক। চন্ননপুরে হইহই পড়ে গিয়েছে।

    বাঁশবাঁদির হাঁসুলী বাঁকের মাথার উপর দিয়েও উড়োজাহাজ উড়ে যাচ্ছে মধ্যে মধ্যে। পক্ষীগুলো কলরব করে ওঠে, দূর আকাশে বিন্দুর মত উড়ন্ত চিলগুলো জাহাজ দেখে ভয় খেয়ে পাখা গুটিয়ে সন্স করে নেমে পড়ে। কাহারপাড়ার মেয়েপুরুষ অবাক হয়ে দেখে। ছেলেগুলো অবোধ, মাঠে মাঠে ছুটতে থাকে ঊড়োজাহাজের সঙ্গ নিয়ে। আকাশে মেঘ থাকলে উড়ে চলে। মধ্যে মধ্যে মেঘের ভিতর ঢাকা পড়ে, আবার মেঘ কেটে বেরিয়ে পড়ে; গো-গোঁ শব্দে যায়। কোন্ মুলুক থেকে কোন্ মুল্লুকে।

    প্রথম যেদিন উড়োজাহাজ উড়ে যায়, সেদিনের কথা বনওয়ারীর আজও মনে আছে। রাত্রিকাল, নয়ানের মা গাল পাড়ছে, বনওয়ারী বসে আছে একা। হঠাৎ বাঁশবাঁদির অন্ধকার কাঁপিয়ে আকাশের কোণে সে এক মহাশব্দ।

    গোঁ-গোঁ শব্দ উঠেছে আকাশের দূর কোণ থেকে। শব্দ ক্রমশ এগিয়ে এল।

    বনওয়ারীর হাত-পা কাঁপতে লাগল।

    বাবার বাহন ফণা তুলে আবার কোনো নতুন রূপ ধরে আসছে নাকি! সমস্ত কাহারপাড়া অন্ধকার আকাশপানে উদ্গ্রীব শঙ্কিত দৃষ্টিতে চেয়ে দাঁড়িয়ে রইল।

    লাল-নীল দুটো তারা যেন ছুটে আসছে। তার সঙ্গে ওই শব্দ।

    করালীর সাকরেদ মাথলা ও নটবর বললে—উড়োজাহাজের শব্দ। উড়োজাহাজ। ওরই আচ্ছা হবে চন্ননপুরের পাশে কোন্‌খানে।

    হে ভগবান! হাঁসুলী বাঁকের মাথার উপর দিয়ে উড়ে গেল অলক্ষুণে উড়োজাহাজ!

    এখন আর ভয় হয় না। কিন্তু এ যে অলক্ষণ, তাতে সন্দেহ নাই। ধানের দর চড়তে লেগেছে। কাপড়ও চড়ছে। অন্য ‘দব্য’ অর্থাৎ দ্রব্যের দরও চড়েছে কিন্তু কাহারদের আছে শুধু খাওয়া আর পরা—অন্য দ্রব্যের দর চড়লে বেশি কিছু যায়-আসে না।

     

    রাত্রি নটার গাড়ি ঝমঝমিয়ে বাদ্যি বাজিয়ে কোপাইয়ের পুল পার হলেই জমি কাটার কাজ শেষ করে কাহারেরা বাড়ি ফেরে।

    খেটেখুটে আর মজলিস জমে না। যে যার শুয়ে পড়ে। শুধু করালীর ঘরে আরও কিছুক্ষণ মজলিস চলে। ছোকরার দল, খেটে ওদের ক্লান্তিও হয় না, আর বয়সের কারণে খানিকটা আমোদ না করে ঘুমও আসে না। ওদের মজলিসে আজকাল মাঝখানে বসে হাঁসুলী বাঁকের আদ্যিকালের বদ্যিকুড়ি সুচাঁদ। ওর এক পাশে গা ঘেঁষে বসে নসুবালা, অন্য দিকে পাখী। চারিপাশে বসে ছোকরারা। ছোকরারা মাতব্বরের জমি কেটে না ফেরা পর্যন্ত যত অল্পবয়সী। মেয়েরা বসে। পুরুষেরা ফিরলেই ঘরে ফেরে তারা। মধ্যখানে জ্বলে একটা নতুন লণ্ঠন। হাঁসুলী বাঁকে সেকালে জ্বলত পিদিম। তাও নিম এবং রেড়ীর তেলের। নিমফল কুড়িয়ে, রেড়ীর ফল সংগ্রহ করে গড়াবাড়ি থেকে পেষাই করে আনত। ‘কেরাচিনি’ অর্থাৎ ‘কেরোসিন’ উঠে ‘লম্প’ অর্থাৎ ডিবে হয়েছে। লণ্ঠন আজও কাহারদের কেউ কেনে নাই। বনওয়ারীর বাড়িতে আছে একটা, তাও ঘোষ-বাড়ির দেওয়া পুরনো। পানার ঘরেও একটা আছে, সেটাও পুরনো সেটা মনিব-বাড়ি থেকে চুরি করা। পুরনো রঙ ঢাকতে প্রাণকেই তাতে আলকাতরা মাখিয়েছে। নয়ানদের বাড়ি সে আমলের চৌধুরী-বাড়ির একটা ভাঙা লণ্ঠন পড়ে আছে। তলাটা ফুটে গিয়েছে, মাথাটা নাই, কাচটা ভাঙা; সেটার আবার চারিপাশে তারের বেড় দেওয়া আছে। এসব আলোর কোনোটাই ওরা বড় একটা জ্বালে না। পালে-পার্বণে দায়ে-দৈবে জ্বালে। একটা লণ্ঠনের তেলে চারটে লম্প জ্বলে। সুতরাং কেন জ্বালবে কাহারেরা? চন্ননপুরের কারখানার চাকরে করালীর কিন্তু লণ্ঠন জ্বালা চাইই– সুচাঁদের আবার সেটি চাই ঠিক মুখের সামনে। একেবারে উজ্জ্বল করে জ্বলা চাই। তাকিয়ে দেখে আর হাসে। মধ্যে মধ্যে আরও একটু দম বাড়িয়ে দেয়, একটু বাড়াতে গিয়ে বেশি বেড়ে গেলে হাউমাউ করে ওঠে–গেল রে গেল রে—হেই মারে! ও পাখী–ও নসু–! ওরা কমিয়ে দিলে শান্ত হয়ে বলে হু-হু, সায়েবি কল!

    পাখী বলে মরণ, লণ্ঠনেই মজেছে বুড়ি!

    সুচাঁদ চুলের গোড়া থেকে দু আঙুলে টিপে টেনে কিছু বার করে নসুকে বলে—দেখ তো ভাই, ডেঙুর না নিকি?

    নসু বলে–ও মাগো, এ যে ডেঙুর! অ্যাই একেবারে বলদের মতন বলে সেটা নিয়ে বা হাতের বুড়ো আঙুলের উপর রেখে ডান হাতের নখ দিয়ে টিপে মারে—পট করে শব্দ হয়। সঙ্গে সঙ্গে নসুও মুখে শব্দ করে! ওই শব্দটি না করলে উকুনের স্বৰ্গ হয় না।

    পাখী বলে—ওই শোণের নুড়িগুলান কেটে ফেলাস। উকুনের রাজি হয়েছে।

    —কি বললি? কেটে ফেলাব?

    –হ্যাঁ।

    —চুলগুলান?

    –হ্যাঁ।

    —আমার চুল শোণের নুড়ি?

    —লয়? আয়না নিয়ে দেখবি?

    –চিৎকার করে ওঠে বুড়ি—আতে আয়না? না। দেখে কাজ নাই আমার।

    —কেনে?

    –এই বুড়ো বয়সে কলঙ্ক হবে।

    সমস্ত মেয়েরা এবার হেসে ভেঙে পড়ে। নসুবালা গান ধরে দেয়—

    ‘লষ্টচাঁদের ভয় কি লো সই, কলঙ্ক মোর কালো ক্যাশে
    কলঙ্কিনী রাইমানিনী–নাম রটেছে দ্যাশে দ্যাশে।’

    হঠাৎ ওই সুরে সুর মিশিয়ে অতি সুন্দর পুরুষালি গলায় কে বাড়ির বেড়ার ধার থেকে গেয়ে উঠল—

    ‘শ্যাম কলঙ্কের বালাই লয়ে–
    ঝাঁপ দিব সই কালীদহে,
    কালীগের প্রেমের পাকে মজব আমি অবশ্যাষে!’

    সকলেই চমকে উঠল।—কে লো?

    সুচাঁদ এবার হেসে গড়িয়ে পড়ল, বললে-রবশ্যাষে এল!

    নসু লাফ দিয়ে সরে এসে বললেউ মুখপোড়া কোথা থেকে এল লো? মড়া মরে নাই তা হলে?

    পাখী খিলখিল করে হেসে উঠল।

    এইবার গায়ক এসে বাড়ি ঢুকে লণ্ঠনের আলোয় দাঁড়াল। অদ্ভুত বেশ। মাথায় জটা, হাতে ত্রিশূল—কিন্তু মহাদেব নয়, গাজনের সঙের নন্দীর বেশ।

    পাখী হাততালি দিয়ে উঠল। —পাগল-দাদা!

    পাগল কাহার-পাগল-পাগল ভাব, কারুর ভাতে নাই, কারুর মন্দতে নাই। ঘর নাই, সংসার নাই, ‘স্তী’ নাই, ‘পুত্ত’ নাই, বিচিত্র মানুষ পাগল। একটিমাত্র কন্যে, তার বিয়ে দিয়েছে। ভিন গায়ে। এখানে যদি দশ দিন থাকে তো পাগল সেখানে থাকে পনের দিন, বাকি পাঁচ দিন এখানে ওখানে সেখানে। নেহাত অভাব হলে কিছুদিনের জন্য কাজকর্মে মন দেয়, নগদ মজুরিতে রোজ খাটে, খায়। খাটুনির অভাব নাই, লোকটার বিদ্যে অনেক। ঘর ছাওয়ার কাজে ওস্তাদ, মাটির দেওয়ালের কাজে পাকা কারিগর, ঘর লেপনের কাজে সুন্দর হাত, বাঁশ কেটে ফেলে দাও, ঝুড়ি তৈরি করে দেবে পাকা ডোম কারিগরের মত, খাচা তৈরি করবে। লোকটার সবেই পাকা হাত। সবচেয়ে সেরা বিদ্যে গান, নিজেই গান বেঁধে গায়, গানও অতি চমৎকার। এখানকার ঘেটুগান একালে বরাবর পাগল বেঁধে আসছে। বনওয়ারীর পরম বন্ধু। কার নয়? সবারই বন্ধু পাগল। গলাগলি ঢলাটলি নিয়েই থাকে। হবে না কেন? সুচাঁদ পিসি বলেপাগলের মা অঙ খেলেছিল বোষ্টম আজমিস্ত্রি আখাল আজা দাস বোষ্টমের সঙ্গে। চন্ননপুরে নয়, জাঙলে বাবা কালারুদ্দুর থানটিতে যখন পাকা ইমারতের কাজ হয়, তখন জাঙলের চৌধুরীরা খুঁজে খুঁজে বোষ্টম আজমিস্ত্রিকে এনেছিলেন কাটোয়া থেকে। পাগলের গায়ে আছে সেই বেষ্টমের অক্ত। এককালে পাগলই আনত চন্ননপুরের সকল খবর। সে তখন নিত্য যেত চন্ননপুর। চন্ননপুরের বামুন-বউ লালঠাকরুণের সঙ্গে সে ‘দিদি’ পাতিয়েছিল। ছেলে ছিল না, বিধবা মানুষ, কি যে ভক্তি হয়েছিল পাগলের, ‘দিদি বলতে অজ্ঞান হত, রোজ যেত দিদির বাড়ি একটি ঘটিতে দুধ নিয়ে। ঘরের গাই নিজে হাতে দুয়ে কাপড় ছেড়ে নির্জলা দুধ দিয়ে আসত; পাগলের দিদি লালঠাকরুণ ‘আত্তিকালে’ সেবা করতেন, একাদশীর পরদিন লালঠাকরুণ পিরণ করে পাগলকে পেসাদ দিতেন। চন্ননপুরে কারুর বাড়িতে ভোজ-কাজ হলে লালঠাকরুণ থালা নিয়ে যেতেন, বলতেন—আমার বাড়িতে পুরুষ নাই, আমার ছদা দাও, আমি নিয়ে যাব, কাহার-ভাইকে। খাওয়াব। খাওয়াতেন তিনি। লালঠাকরুণের স্বগ্‌গ হয়েছে। পাগলও চন্ননপুর ছেড়েছে, হেথাহোথা যাওয়াও বেড়েছে। এখন নেশা পড়েছে কন্যের কন্যে পাঁচ বছরের কন্যে, নাতনীর ওপর। তাকে নিয়ে ছড়া বেঁধেছে-“গান বেঁধেছে-“এ বুড়ো বয়সে তুমি আমার নতুন নেশা হে।

    ওই নেশায় মজে সে দেশ ছাড়ায় হাঁসুলী বাঁকের আনন্দ ম্লান হয়ে গিয়েছে। এবার ঘেঁটু ভাল হয় নাই। বনওয়ারী মনে মনে আফসোস করেছে, পাগল থাকলে আটপৌরে-পাড়ার ঘেঁটুর জবাব দিত সে। গাজনের সময় পাগল থাকলে গাজন আরও জমত। সকলেই পাগলের আশা ছেড়েই দিয়েছিল। হঠাৎ আজ সে এসে উপস্থিত হল বছরখানেক পর। উপস্থিত হল বিচিত্র বেশে।

    সুচাঁদ বললে—এলে তা হলে? বস বস। তা ই ব্যাশ কেনে? গাজন তো ফুরিয়েছে।

    পাগল বললে—এই ব্যাশেই বেরিয়েছিলাম, বলি-গাজনের সঙে একেবারে গিয়ে নাচতে লেগে যাব। তা পথে কাটোয়ার ধুম দেখে সেইখানেই থেমে গেলাম। গাজ. গেল। ব্যাশ আর খুললাম না, এই ব্যাশে গান করে ভিখ মাগতে মাগতে চলে এলাম। কথায় বলে—ভ্যাক লইলে ভিখ মেলে না, জান তো! তা তোমার দেখলাম, বুয়েচ, পাওনা তোমার ভালই হয়েছে।

    নিজের ঝোলাটা দেখালে সে। বললে—অ্যানেক আছে। চা পেলাম, বেচে টাকা করলাম। হাসতে লাগল সে।

    সুচাঁদ বললে— এখানেও এবারে খুব ধুম।

    –শোনলাম। ব্যানো চড়কে চেপেছিল!

    –হ্যাঁ। বাবা নেমেছিল এবার কাহারপাড়ায়।

    –হ্যাঁ, তাও শোনলাম। করালীর খুব নাম শোনলাম। পাখীর সঙ্গে অঙের কথা শোনলাম, সাপ-মারার কথা শোনলাম। তা বেশ, তা বেশ। বলেই সে হঠাৎ সুচাঁদের গা টিপে এবং ইঙ্গিত দিয়ে উচ্চকণ্ঠে বললে—তা এই বারেতে আমার বেবস্থা কর। না কি?

    নসু চমকে উঠল এবং সঙ্গে সঙ্গে গালাগাল দিয়ে উঠল—মরু, মক্ খালভরা।

    কথাটা কৌতুকের। পাগল সবালাকে ওই স্ত্রী-বেশের জন্য ক্ষ্যাপায়, বলে বিয়ে করব। নসু একেবারে ক্ষেপে যায়। ছুটে পালায়।

    এই হাসি কৌতুকের মধ্যেই কোপাইয়ের পুল পার হয়ে নটার ট্রেন চলে গেল। মেয়েরা যে যার উঠল। করালীর দল ফিরল। পাগল তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে বললে—বলিহারি, বলিহারি!

    —পাগল-দাদা?

    পাগল গান ধরে দিলে

    “পেমে পাগল হলাম আমি, পেমের নেশা ছুটল না—
    হায় সখি গোসনজে হল ঝিঙের ফুল কই ফুটল না!”

    করালী গানের বাহবা দিলে না, ঢোল পেড়ে বসল না। বরং উল্টে পাগলের হাত ধরে টেনে বললে—ঠিক নোক পেয়েছি।

    —আই দেখ, নোক কিসের?

    –ঠিক কথা বলবার। বল তুমি, বল!

    —কি?

    —বস নসুদিদি, বার কর বোতল।

    —নসু ঝংকার দিলে—পারব না। উ মুনষে ভারি বদ। মুনষে অর্থাৎ মানুষটি–মানে এই পাগল!

    এতক্ষণে করালী হাসলে। বললে—মর মুখপুড়ী মর। বুড়ো বসে ঢঙ দেখ।

    সুচাঁদ একদৃষ্টে ওদের মুখের দিকে তাকিয়ে কথা শুনছিল, মুখের দিকে তাকিয়ে শুনলে কথা বুঝতে খুব কষ্ট হয় না ওর। সুচাঁদ এবার বললে—দেখ কেনে, আমাকে আবার বলে-বুড়ো বয়সে ঢঙ!

    নসু গজগজ করতে করতে বোতল এনে দূর থেকে হাত বাড়িয়ে দিলে করালীর হাতে।

    করালী বললে—অল্যায় কোনখানটা বল?

    কথাটা হল—বনওয়ারী বাড়ি ফিরবার পথে করালীকে এবং করালীর অন্য অন্তরঙ্গদের সাবধান করেছে, শাসিয়েছে। যুদ্ধ লেগেছে—চন্ননপুরের কারখানায় অনেক লোক চাই, মজুরি ডবল হয়ে গিয়েছে। অনেকে গোপনে করালীকে বলেছে, তারা যেতে চায়। কিন্তু বনওয়ারী বলেছে—খবরদার! খবরদার! হাঁসুলী বাঁকের গণ্ডি পেরিয়ো না বাবারা। চন্ননপুর হাঁসুলী বাঁকের উত্তর দিকে। কিন্তু আসলে ওই হল দক্ষিণপুরী। উপকথায় আছে—সব দিক পানে চেয়ে দেখো, মন চায় তো হাঁটতেও পার, কিন্তু দক্ষিণ দিক পানে চেয়ে দেখোনা; ও দিকে, ও পথে হেঁটো না।

    শেষে গম্ভীর গলায় বলেছে- সাবোধান! সাবোধান!

    করালী বলতে চায়—কিসের সাবোন? বল তুমি পাগল-দাদা, তুমি হলে গুণী নেক, তুমি বল কিসের সাবোন?

    পাগল বললে–হুঁ, তুইও মন্দ বলছিস না ভাই, বনওয়ারীও মন্দ বলছে না।

    নসুবালা সুযোগ পেয়ে বলে উঠল হাত নেড়ে-তুমিও মন্দ বলছ না ভাই। তুমিও ভালি, আমিও ভালি–ন্যাজ বাধা দিয়ে চরতে গেলি। তুইও মন্দ বলছিস না—বনওয়ারীও মন্দ বলছে না। খুব বলা হল।

    সকলে হেসে উঠল। পাগল কিন্তু চটল না, অপ্রস্তুতও হল না। সেও হাসতে লাগল।

    করালী বললে—এখন যে কামিয়ে লেবে, সেই কামিয়ে লেবে। তা ছাড়া ছেরকাল চাই করবে নাকি? আমি চাষ করলে এমুনি হত আমার। ওই জাঙলের সদূগোপদের কিল খেয়ে জান যেত। জান, মাথলা এবার চাষ করে কি পেয়েছে? পাঁচ আড়ি ধান। ধু! মায়ূ চাষের মাথায় ঝাড়!

    সকলেই সমর্থন করে, কিন্তু নীরবে। কিছুক্ষণ চুপ হয়ে রইল মজলিসটা। হঠাৎ সুচাঁদ বললে—যুন্ধু যুদ্ধ! কিসের যুন্ধু বাবা! ক্যা জানে?

    করালী বললে—মরণ! সায়েব নোকের যুদ্ধ। ইংরাজ, জারমুনি, জাপুনী–

    সুচাঁদ বললে—তোর মাথা আর আমার মুণ্ডু। যুদ্ধ হয়েছিল সেকালে। বর্গী এয়েছিল। ছেলে ঘুমলো পাড়া জুড়ললা বর্গী এলো দেশে! সে বাবা শুনেছি বাপ-পিতেমর আমলে। অ্যাই বৰ্গীরা এল। ঘোড়া ছুটিয়ে টগবগ টগবগ করে তরোয়াল ঘুরিয়ে—কেটে-কুটে ঘর-দোর জ্বালিয়ে ভেঙে মানুষের নাক কেটে কান কেটে হাত কেটে মুণ্ড কেটে-খচখচখচাখচ, চলে গেল! লোকে তাদের ভয়ে পোড়া মালসা মাথায় দিয়ে জলে গলা ড়ুবিয়ে বসে থাকত।

    পাগল বলে–হা দিদি, সাঁওতাল হাঙ্গামা-সেটা বল?

    বুড়ির চোখ বড় হয়ে ওঠে। এই সিঁদুরে মুখ আঙিয়ে, কালো যমের মত সব—হেই বাবা! গাঁ কেঁপে ওঠে মা।

    বুড়ি বলে যায় সে গল্প। পাখী বিরক্ত হয়ে বলে–গান কর পাগল-দাদা!

    –গান?

    –হ্যাঁ। যুদ্ধ আর যুন্ধু; ই কোথা যুদ্ধ হচেআর উ কোনকালে হয়েছে। তার চেয়ে তুমি রাম-রাবণের পাঁচালি বল।

    পাগল শুরু করলে। করালী উঠল মজলিস থেকে। মাথলাদের নিয়ে বাইরে গিয়ে পরামর্শ শুরু করে দিলে। করালী বনওয়ারীর উপর ক্ষুব্ধ হয়েছে। তা ছাড়া, এ কি রে বাপু? সাবোধান আর সাবোধান! বেটাছেলের আবার সাবোধান আছে? সে বললে—চল, তোরা চর্চ। তা’পরেতে যা হয় হবে।

    মাথলা বললে—এই দেখ, কাউকে বলি নাই, দেখাই নাই, এই দেখ। সে করালীর হাতখানা নিয়ে নিজের মাথায় চুলের মধ্যে খুঁজে একটা স্থান দেখিয়ে দিলে।

    করালী শিউরে উঠল—কাটল কি করে?

    —মুনিব মেরেছে পাচন দিয়ে।

    —কেনে?

    –আমি বললাম, কৃষাণ করতে লারব। তা বলে—পাঁচ টাকা পাব দে, দিয়ে যেখানে খুশি যা। আমি বললাম, মাশয়, আপুনি যদি টাকাই পাবেন, তবে আমি পাঁচ আড়ি ধান ফেরত পেলাম কেনে? হিসেব করে আপুনিই তো দিয়েছ। তা আমার হাতের পাচনটা ফরা করে টেনে নিয়ে মেরে দিলে এক বাড়ি। কেটে গেল মাথা। তা আবার দয়া করে খানিক ন্যাকড়া পুড়িয়ে লাগিয়ে দিয়ে এক আঁচল মুড়ি দিয়ে বললে—ফের চালাকি করব তো আবার ঠ্যাঙাব!

    করালী বললে—দাঁড়া। বলে হনহন করে ঘরে ঢুকে কিছু নিয়ে বেরিয়ে এল। মাথলার হাতে পঁচ টাকার নোট দিয়ে বললে—কালই ফেলে দিয়ে আসবি, বুঝলি? তারপর সটান চলে যাবি চন্ননপুরে। মাথলা আমার সঙ্গেই যাবে। আমি ঠিক দাঁড়িয়ে থাকব ইস্টিশানের সিগনালের ধারটিতে, বুঝলি?

    পাগলের তখনও চলেছে পাচালি। রাম-রাবণের যুদ্ধ। সীতাকে নিয়ে বনে গেলেন রাম। দেশসুদ্ধ লোকে কাঁদল। রাম চলেন, সীতা চলেন, লক্ষ্মণ চলেন পিছনে পিছনে। পথে গুহক চণ্ডালের সঙ্গে পাতালেন মিতালি। এ-বন সে-বন ঘুরতে ঘুরতে শেষে ‘সুপ্যনখার’ সঙ্গে দেখা। লক্ষ্মণ তার নাক কাটলেন। রেগে এলেন রাবণ। সোনার হরিণের মায়া দেখিয়ে সীতাকে হরণ করলেন। রাম-লক্ষ্মণ খুঁজতে খুঁজতে কাঁদতে কাঁদতে বনের বানরকে দিলেন কোল, মিতালি করলেন। জয়রাম ধ্বনি দিলে বানরেরা। সাগর বাঁধলেন, লঙ্কায় এলেন। যুদ্ধ আরম্ভ হল, অগ্নিবাণ নিবে যায় বরুণবাণে। বরুণবাণ ওড়ে বায়ুবাণে। সর্পবাণ কাটে অর্ধচন্দ্রবাণে। ব্রহ্মবাণে জ্বলে ওঠে দাউদাউ করে আগুন। মহাপাপী রাক্ষসের বুক কঁপতে থাকে। পৃথিবী কঁপে থরথর করে। পশুপক্ষী কলরব করে। নদীর জল স্তম্ভিত হয়। গাছপালা ঝলসে যায়।

    পাখী এবং শ্রোতারা নির্বাক হয়ে শোনে। হাঁসুলী বাঁকে কাহারদের পূর্বপুরুষেরা কেঁপেছিল। সেকালে। হাঁসুলী বাঁকের পশুপক্ষী কলরব করেছিল, কোপাইয়ের জল স্তম্ভিত হয়েছিল। বাঁশঝাড়গুলির পাতা ঝলসেছিল। যত কালই হোক, হাঁসুলী বাক তো ছিল সেকালে। সেই রামরাবণের যুদ্ধের কালে।

    হঠাৎ পাখী চকিত হয়ে আকাশের দিকে তাকালে। গুর-গু-গু-গু-গুর-গুর শব্দ উঠেছে আকাশের হুই কোণে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাইকমল – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article গল্পসমগ্র – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গল্পসমগ্র – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    রাইকমল – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    চৈতালী-ঘূর্ণি – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    ধাত্রী দেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গণদেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    নাগিনী কন্যার কাহিনী – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }