Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হাঁসুলী বাঁকের উপকথা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প529 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩.৪ ঘোড়াগোত্ত কাহারদের ডাক এসেছে

    ‘ঘোড়াগোত্ত’ কাহারদের ডাক এসেছে। বর-কনের পালকি বহন করতে হবে। ইলাম বকশিশ-কাপড়, পুরনো জামা, মদ, পেট ভরে লুচিমণ্ডা। যেতে হবে বৈকি। তারা যাবে। আটপৌরেদের ‘রাইবেঁশে’র দল আছে, ওদেরও নিয়ে যাবে। আলাদা হলে ওরাও কাহার, তারাও কাহার। পরমকে বলা যাক। পরমের ঘরে কালোশশীকেও একবার দেখে আসা হবে।

    এই খানিক আগে, শিলাবর্ষণের সময়ে কালোশশী এসেছিল নীলবাধ থেকে হাঁস তুলে নিতে। যাবার সময়ে বকটাক্ষ করে গিয়েছে। সম্ভবত রাগ করেছে সে। রাগ হবারই কথা। বনওয়ারীরই মধ্যে মধ্যে রাগ ধরে নিজের উপর। মাতব্বরির পদ মনে হয় যেন আগুনে তপ্ত শালের উনোনের খবরদারির আসন। মাতব্বর যদি সে না হত, কালোশশীকে নিয়ে এই বয়সেই সে চলে যেত দেশান্তরের কাহার সমাজে। তাকে সাঙা করে ঘর বাঁধত। শুধু মাতব্বরির জন্য। ভাবতে ভাবতে নিজেই শিউরে ওঠে বনওয়ারী। বহু ভাগ্যের মনুষ্যজন্ম পেয়েও পূর্বজন্মের হীন কর্মের জন্য নীচকুলে জন্ম হয়েছে, ঘোড়াগোত্ত কাহার, মানুষ হয়েও ঘোড়ার মত উচ্চকুলের মানুষদের বহন করতে হয়, পালকির ডাণ্ডা ঘাড়ে নিয়ে, ঘাটা পড়ে সেখানে। বাকা বইতে হয়। মনিব-বাড়ির মরা গরু মোষ কুকুর বিড়াল ফেলতে হয়েছে এককালে—কালের গুণে বহু কষ্টে বনওয়ারীর মাতব্বরির আমলেই তা থেকে রেহাই পেয়েছে। কিন্তু চরণের তলে তো থাকতেই হবে চিরকাল। এ সব পূর্বজন্মের ফল। আবার এ জন্মে মন্দ কাজ করে কাহার থেকেও নীচকুলে জন্মাবে? কালারুদ্দের চড়কের পাটায় সে চেপেছে এবার। চড়ক-পাটার লোহার কাঁটায় শুয়ে আকাশপানে চেয়ে ডেকেছে বাবাকে। বাবা দয়া করেছেন, আবার সে পাপ করবে? আবার? না। না। ক্ষমা কর, প্রভু, ক্ষমা কর।

    কিন্তু দেখতে, দেখা করতে দোষ কি? তাতে তো পাপ নাই? কালোশশীকে দেখবে। বুঝিয়ে বলবে তাকে এ জনমে হল না ভাই, আসছে জনমে যাতে তুমি পাও আমাকে আমি পাই তোমাকে তার লেগে বাবার থানে দুবেলা পেনাম কোরো। কালারুদ্দের থানে বটগাছের নামালে ঢেলা বেঁধো। আমিও তাই করব। আর মনের আগুনে পোডড়া, আমিও পুড়ি, পুড়ে পুড়ে খাটি হই, জ্বলুক। দিবানিশি কুলকাঠের ‘আঙোরা’র মত ভালবাসার আগুন ধিকিপিকি জ্বলুক। ঐ পুণ্যেই পাব আমরা দুজন দুজনকে।

    রতন প্রহ্লাদ ছোকরারাও খুব উৎসাহিত হয়ে উঠেছে। অনেক দিন পর মোটা পাওনার ভাল বায়না এসেছে। উৎসাহে সদ্য এতবড় ঝড় এবং শিলাবৃষ্টির কথা ভুলে গিয়েছে। ‘বাত’ অর্থাৎ আবহাওয়া হয়েছে ভাল। এই জল এবং শিলাবৃষ্টির পরদিন হবে ঠাণ্ডা। ওদিকে মাঠে হয়েছে কাদা, সেখানে কাজ নাই। মুনিবদের চাল ভিজে ডব-ডব করছে, ও চালে এখন কদিন চাপা। যাবে না। ‘নিশ্চিন্দি’ অর্থাৎ নিশ্চিন্ত হয়ে চল সব।

    মিত্ৰ-গোপালপুরে কায়স্থ মহাশয়দের উন্নতির অবস্থা। জাঙলের ঘোষ মহাশয়ের চেয়েও বাড়বাড়ন্ত। তাদের ছেলের বিয়ে। ধুমধামের বিয়ে। ‘বেলাতি বাজনা’ ‘গড়ের বাদ্যি’ ঢোল সানাই রসুন্চৌকি, শ্যামটা নাচ, রায়বেশেসে অনেক কাণ্ড। কাহারদের কপাল ভাল বিয়ে রেলরাস্তায় নয়, গায়ের পথে। আট আট ষোল বেহারার দুখানা পালকি যাবে। লুচি, মিষ্টি, পোলাও, মাছ, মাংস পেট পুরে খাওয়া—থমথমে অথচ চরণ ঠিক রাখা। তারপর সঙ্গে বিড়ি সিগারেট, ভাল কাষ্ঠগড়ার তামাক—মধুর মধুর গন্ধ, এ তো কাহারেরা মরে স্বর্গে গেলেও পাবে না। তার উপর প্রতিজনের এক-একখানা লাল গামছা কনের বাড়ির বকশিশ।

    বরের বাড়ির বিদায়! এ কি ছাড়া চলে? আর কাহারেরা ছাড়লেই বা মিত্র মহাশয়েরা শুনবেন কেন? আর তো কলের গাড়ি—মোটর গাড়ির আমদানি হয়ে কাহারদের রেহাইই দিয়েছেন ওঁরা, নেহাত কঁচাপথ হলেই ডাকেন। এ না করলে চলবে কেন? এই পথের জন্যেই পালকিকাহার চাই, নইলে মিত্র মহাশয়রা ভাড়ার মোটর, বাস-মোটর আনতেন।

    আট ক্রোশ করে যোল ক্ৰোশ পথ। খানিকটা পাকা, তারপর ক্রোশ ছয়েক কাচা গরুর গাড়ির পথ মাঝখানে খানিকটা আলপথ।

    পালকি নইলে উপায় নেই। কাহারদের সৌভাগ্য।

    পাগল আসতেই তার পিঠ চাপড়ে বনওয়ারী বললে—যেতে হবে সেঙাত। শুনেছ তো?

    পাগলের খুব ইচ্ছে নাই, তবুও সে বললেচল। আজই সকালে কুলকন্ম নিয়ে বনওয়ারী তাকে যেসব কথা বলেছে, তাতে ‘না’ বললে বিচ্ছেদ হবে হয়ত।

    –নাচ খানিক, নাচ।

    পাগল নাচলে না। বসে পড়ল দাওয়ার উপর। তার মনে এখনও ঘুরছে করালীর কথা। তা ছোকরা খুব জবরদস্ত কথা বলছে—জাত মারে কে? তার ঘর কোথা? বটে, কথা ঠিক বটে। তুমি যদি ঠিক থাক তো জাত মারে কে? আবার বনওয়ারীর কথাও ফেনা নয়, পিতিপুরুষের কথা। সে ভাবছে।

    বনওয়ারী পাগলের ভাবগতিক দেখে বিস্মিত হল। বললে—তোর হল কি বল দি-নি?

    –বলব। গোপনে বলব। কঠিন কথা। বুয়েচ? মাথা ঘুরে যাবে।

    বনওয়ারীর প্রাণে আনন্দের ছোয়াচ লেগেছে। পাগলের কথায় সে খুব চিন্তিত হল না; সেই পাগল তো! তার উপর করালীর ঘর উড়ে যাওয়ার পর, করালীর দম্ভের কথা সে ভাবতেই পারে না। করালীর ঘরখানা উড়ে যাওয়ায় দুঃখ হলেও সে খুশি হয়েছে। অর্থাৎ দুঃখও হয়েছে, খুশিও হয়েছে। দুঃখ-ঘরখানা, এমন ঘরখানা গেল! খুশিফঁড়া কেটেছে, পাপের অপরাধের দণ্ড ওই ঘরখানার চালের উপর দিয়ে গিয়েছে। সে তো চোখে দেখেছে মেঘের মধ্যে বাবার বাহনের রূপ। যাক ফাঁড়া কেটে গিয়েছে। এবং মনে মনে ধারণাও হয়েছে যে, করালীচরণ নিশ্চয় মনে মনে বুঝছেন। বাবাধন আজই উঠেছিলেন বাবাঠাকুরের আদ্যিকালের শিমুলবৃক্ষে। অনেক উঁচুতে উঠে খুব উঁচু হয়েছেন ভেবেছিলেন। তা এক ঝাপটে শাসনের নমুনা খানিকটা দেখিয়ে দিলেন বাবা; এবং এটাও নিশ্চয় যে, এই বনওয়ারী যদি বাবাঠাকুরকে না সন্তুষ্ট করত, তবে করালী এত অল্পে রেহাই পেত না। হয়ত বজ্ৰাঘাতই হয়ে যেত আজ।

    সে চলে গেল আটপৌরে-পাড়ার দিকে। পরমের উঠানে গলার সাড়া দিয়ে ডাকলপরম! পরম রইছিস?

    বেরিয়ে এল কালোশশী। পিচ কেটে ঠোট বেঁকিয়ে বললেও বাবা! পুণ্যিবান মাতব্বর। কি হে?

    ভুরু নাচিয়ে ইশারা করে বনওয়ার প্রশ্ন করলে—কই? সে কোথায়? অর্থাৎ পরম।

    বিচিত্ৰ হাসি হেসে কালোবউ বললে—কে জানে? হয়ত পেনয়িনীর বাড়িতে। তা তুমি? তুমি কি মনে করে? পথ ভুলে?

    কিছুদিন আগের একটা কথা মনে পড়ে গেল বনওয়ারীর, সে বললপুণ্যির ভাগ দেবার কথা ছিল ভাই, তাই ভাগ এনেছি।

    উত্তরে রসিকতা না করে মাথায় ঘোমটা টেনে দিয়ে কালোশশী চাপা গলায় বললে— আসছে।

    –পরম? ঘুরে তাকাল বনওয়ারী। পরম বেশ মদ খেয়েছে। টলতে টলতে আসছে।

    –ক্যা? ক্যা রে? কোন্ শালো?

    গম্ভীর স্বরে বনওয়ারী বললে—আমি রে পরম।

    —তুমি ক্যা রে? আমিও তো আমি রে।

    –আমি বনওয়ারী।

    —বনওয়ারী?

    –হ্যাঁ। মিত্তি-গোপালপুরের বিয়ের বায়না এয়েছে। কাহার, আইবিশে চাই। তাই খবর দিতে এয়েছি।

    -হুঁ। মিত্তি-গোপালপুর? খুব ধুম! লয়?

    –হ্যাঁ। যাবি তো?

    —তা যাব। কিন্তুক–

    —কি?

    —তোর সঙ্গে আমার—বুলি কিনা, আমার একটা কাজ আছে।

    —কি কাজ?

    —আছে। আছে। বুলি কিনা, খুব দরকারি কাজ। তা—।

    -বল কেনে।

    –উঁ-হুঁ। বলব, সে একদিন বলব। বুয়েছিস? বেশ করে সব বুঝিয়ে বলব। তা, আজ লয়। বিয়েটা সেরে আসি, বুল্লি? কি বল্‌?

    —বেশ, তাই বলিস।

    বনওয়ারী ফিরল। এই সব পেঁচি মাতালের সঙ্গে তার বনে না। মদ খাবে—মদ কাহারদের। পোষ্টাই, তা খাও, কিন্তু টললে চলবে কেনে? পেঁচি মাতাল! কিন্তু এদিকে আবার সামনে কে?

    সে হাঁকলে—কে?

    –আমি।

    –কে তু?

    –আমি পানু–পানকেষ্ট।

    –পানা? পা থেকে মাথায় রক্ত উঠতে লাগল বনওয়ারীর।—তু এখানে?

    —মুনিব-বাড়ি যেয়েছিলাম। বাড়ি যেছি।

    —হুঁ। বুঝেছে বনওয়ারী। পানা এখনও পাক দিচ্ছে সুতোয়। দে, তা দে। বনওয়ারী ভয়। করে না।

    পানু বললে—তুমিঃ পরমের ঘর আইছিলে বুঝি?

    -হ্যাঁ। বায়না আছে আইবেশের। মিত্তিবাড়িতে।

    —তুমি সিরগাটটি খাও। আমার মুনিবের ছেলে স্কুলে পড়ে তো, সিরগাট খায়। আজ পকেট থেকে বার করে একেছিল কুলুঙ্গীতে, আমি এক ফাঁকে বুল্লে কিনা। হাসতে লাগল। পানা। আবার বলে— তা চুরি করাই সার হল। দুটির বেশি ছিল না বাক্সতে। আমি একটি খাব, তুমি একটি খাও।

    নিমতেলে পানু ভেতরে তেতো, বাইরে মিষ্টি। বিলাতি নিমের কথা শুনেছে বনওয়ারী, ও সেই বিলাতি নিম। পানু হেসে বললেন্দুধর্মের কল বাতাসে লড়ে গেল। পিতিফল হয়ে গেল।

    বনওয়ারী কোনো উত্তর দিলে না।

    পানু বলেই গেল ঘর উড়ল করালীর। এত বাড় সহ্য হবে কেনে? নতুন ছাওয়ানো ঘর। বাবাঠাকুরের কোধ। একটু চুপ করে থেকে বললে—বাবাঠাকুর ওকে লেবেন, বুয়েচ? এ আমি নিশ্চয় বললাম। তার পমাণ আমি পেয়েছি।

    অন্ধকারের মধ্যে খানিকটা দূর থেকে কে উত্তর দিয়ে উঠল—তা আবার পাবি না? তু বলে কত পুণ্যাত্মা, কত তোর সাধন ভজন, তু আবার পমাণ পাবি না? বলে, সেই পুণ্যির ছটায় আনারে আলো হয়। নখে তোর তিন কাল, চোখের দিষ্টিতে বক মরে, ঝুলিতে তো সিঁদকাঠি,

    —তু আবার পমাণ পাবি না?

    নসুবালা। কণ্ঠস্বর আর কথার ভঙ্গিতে চিনতে দেরি হল না নসুবালাকে। পানু চুপ করে। গেল। বনওয়ারী বললেন?

    —হ্যাঁ? নসুবালাই বটি আমি।

    —কোথা যাবি?

    —মিত্তিবাড়ি চললাম। ওদের লোক পেয়েছি, চলে যেছি।

    মিত্র-বাড়ির যে লোক বায়না দিতে এসেছে, তারই সঙ্গে নসুবালা চলেছে মিত্র-বাড়ি। এ অঞ্চলে বিয়েবাড়িতে নসুবালার বাধা নিমন্ত্রণ। ও নিজেই নেয় নিমন্ত্রণ। গিয়ে হাজির হয়। পরনে। মেয়ের সাজ, নাকে নথ, মাথায় খোপা, গায়ে গয়না, কাধে ঝুড়ি। গিয়ে ঝুড়িটি রেখে প্ৰণাম করে বলে—এয়োদের মঙ্গল হোক। এলাম মাঠাকরুণ, দিদি ঠাকরুণরা। এঁটোকাটা ফেলব, পাট-কাম করব, গান শোনাব। নাচব। যাবার সময় একখানি শাড়ি পোব, খাবার লোব, গুণগান করে নাচতে নাচতে বাড়ি যাব।

    নসু তাই চলেছে। বনওয়ারী হাসলে। পানা পালাচ্ছে হনহন করে। নসুবালার তা চোখ এড়াল না। সে তার সিগারেটের আগুনটাকে চলতে দেখে বুঝতে পারছে। সে বললে—আজ ঘর উড়েছে, কাল হবে। বলেছে, এবার লোহার তার দিয়ে বাঁধেঙ্গা। বুঝলি রে সিড়িঙ্গি।

     

    পরের দিনই করালী ঘর মেরামতের আয়োজনে লেগে গেল। ভোরে উঠেই চলে গেল চন্ননপুর, সেখান থেকে দুদিনের ছুটি নিয়ে ট্রেনে কাটোয়া গিয়ে ফিরল বিকেলে। ফিরল একেবারে ছুতোরমিস্ত্ৰি সঙ্গে নিয়ে। শুধু আফসোস হল, বনওয়ারী বাড়িতে নাই। থাকলে দেখিয়ে দিত চন্ননপুরের কারখানায় কাজ করার মুরদটা। ওরাও আজ সব খেয়েদেয়ে রওনা হয়ে। গিয়েছে মিত্তি-গোপালপুর বিয়ের পালকি বইতে। সুচাঁদ বললে—উ কি আমার যে-সে নোক! মোটা চাকরি করে। সায়েব হল মুনিব। সেকালে কুঠির সায়েবেরা মুনিব ছিল, তখনকার কাহারদের মত ভাগ্যি আমার করালীর।

    করালী এ কথাতে চটে গেল।-বেশি বকিস না। সায়েবদের পালকি বহন করি না আমি।

    সুচাঁদ বুঝতে পারে না, করালীর এতে রাগ করার কি আছে! এ নিয়ে ঝগড়াও একটা বাঁধতে পারত, কিন্তু করালীই ক্ষান্ত হল। নিজের যুক্তির মধ্যেই জোর পায় না করালী। পালকি না বইলেও এই সেদিন ছোট একটা খালের ঘাটে তাকে দশজন সাহেবকে কাঁধে তুলে পার করতে হয়েছে। যুদ্ধের জন্য সায়েব এসেছে অনেক।

    উদ্যোগ আয়োজন সব ঠিক হয়ে গেল। পরের দিন কিনে-কেটে নিয়েও এল সব। কিন্তু করালীর সবই আশ্চর্য! নতুন বাঁশ কেটে দড়ি কিনে খড় কিনে পুনরায় চাল তৈরি করবার ঠিকঠাক করে সে হঠাৎ ঘোষণা করে দিল—উঁহু, থাঁক্।

    —থাকবে কি? এবং কেন? পাখী বললে—মর মর্মর ঢঙ দেখে বাঁচি না!

    –ঢঙ লয়, ঘরের চাল উড়েছে—ভালই হয়েছে, এবারে ‘নেপাট’ করে ভেঙে নতুন কোঠাঘর করব।

    —কোঠা?

    –হ্যাঁ, ওপরে যোব। নামোতে আন্না হবে, হাঁড়িকুঁড়ি থাকবে।

    পাখী আনন্দে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে হাঁ করে চেয়ে রইল করালীর মুখের দিকে। লোকজন বিদায় হতেই সে ছুটে এসে দুই হাতে করালীর গলা জড়িয়ে ধরে পা গুটিয়ে ঝুলতে লাগল। মহানন্দে।

    করালী অনেক ভাবলে, গবেষণা করলে, বললেঘর করব পুদুয়ারী, পচি বাগে থাকবে সিঁড়ি। দক্ষিণ দিকে আর পুব দিকে দুটো ‘বারজালা’ হবে। ইস্টিশান থেকে নেয়ার তার আনব, ইস্টিশানের টিনের ঘরে কোণে কোণে যেমন তার দিয়ে বেঁধে মাটিতে খুঁটো পুঁতে বাঁধন দিয়ে টান দেয়, তেমনি টান দোব। দেখি, বেটার ঝড় এবার কি করে ঘর ওড়ায়?

    পাখীর নাচবার কথাই। পাখী সত্যই নাচল। নসুবালা নাই, সে গিয়েছে বিয়েবাড়ি নাচতে, এঁটো পরিষ্কার করতে। সে থাকলে ছড়া কেটে কোমর ঘুরিয়ে নাচত। বসন ভালমানুষ লোক, উচ্ছসিত হওয়া তার স্বভাব নয়, সে শুধু হাসলে। সুচাঁদ প্রথমটা হাসলে, ছড়া কাটলে, তারপর কদলে পাখীর বাপের নাম করে—তুই কোথা গেলি বাবা, দেখে যা রে পাখীর কোঠা হবে রে!

    লোকে বিস্ময়ে স্তব্ধ হয়ে গেল।

    হাঁসুলী বাঁকের ঘর ঝড়ে উড়লে, বা আগুনে পুড়লে লোক ঘরের দেওয়াল অবশ্য আধ হাত এক হাত উচু করে চাল তোলে, কেউ কেউ উপরের নতুন দেওয়ালে হাঁড়ির মুখ বসিয়ে একটু আধটু বাতাস ঢোকার ব্যবস্থা করে নেয়। বানে ঘর পড়ে গেলে নতুন করে পছন্দমত ঘর তৈরি করে ছোটখাটো জানালাও রাখে, ঘরদোর হয়ে গেলে বলে—মা-কোপাইয়ের দয়াতে এ এক রকম ভালই হয়েছে।

    যাদের ভাঙে নাই, তারা আফসোস করে বলে আমার ঘরখানা পড়লে বাতাম! শুধু একপাট দ্যাল পড়েই ত্রিভঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়ে অইল যি!

    সেই সায়েবডোবা চৌধুরী-বাড়িতে মা-লক্ষ্মী এসেছিলেন বানে, সেই বানে গোটা কাহারপাড়া ভেঙেছিল। সেবার নতুন করে হয়েছিল কাহারপাড়া। তার আগে নাকি কাহারপাড়ার ঘরগুলিতে কেউ সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারত না। সেবার নতুন করে কাহারপাড়া তৈরি হল, ঘরগুলি বর্তমানের আয়তন পেয়েছিল। এখন মাঝখানে মানুষ বেশ স্বচ্ছন্দে দাঁড়াতে পারে; কিন্তু চার কোণে এখনও মাথা ঠুকে যায়। এখন কাহারপাড়ার যে বড় ঘরগুলি দেখা যায়, সেগুলি সবই বানে ভেঙে যাওয়ায়, ওই মা-কোপাইয়ের দয়ায় হয়েছে। সেগুলির কোণে আর মাথা ঠুকে যায় না, দেওয়ালের উপর দিকে ছোট জানালাও আছে। কিন্তু করালীর এ যে বিষম কাণ্ড! ঝড়ে ঘরের চাল উড়ল, দেওয়াল খাড়া আছে, সেই দেওয়াল খরচ করে ভেঙে নতুন ঘর! তাও আবার কোঠাঘর! যা কখনও কাহারপাড়ায় হয় নাই?

    বসন করালীকে ডেকে চুপিচুপি প্রশ্ন করলে বাবা, কোঠাঘরে খরচা অ্যানেক। তা—

    করালী তাকে অভয় দিলে—তার লেগে তুমি ভেবো না।

    বসন পাখীকে জিজ্ঞাসা করলে–হাঁ লো, টাকা কসগুলি আছে বল্ দি-নি!

    -লবডঙ্কা।

    –তবে?

    —ধার করবে। ইস্টিশানে একজন টাকা ধার দেয়।

    —ও মা গো! বসন শিউরে উঠল।–ধার করবে কি লো?

    –হ্যাঁ। হপ্তা হপ্তা সুদ মিটিয়ে দেবে। আর কিছু কিছু আসল দিয়ে শোধ করবে।

    অবাক হয়ে গেল বসন। আবার সে গেল করালীর কাছে। করালী তাকে জলের মত বুঝিয়ে দিলে। চন্ননপুর ইস্টিশানে একজন মাড়োয়ারী আছে, সে গোটা ঘোট লাইন বরাবর লাইনের বাবু থেকে আরম্ভ করে কুলিদের পর্যন্ত টাকা ধার দেয়। টাকায় নেয় একআনা হিসাবে সুদ, সপ্তাহে সপ্তাহে এক পয়সা হিসেবে টাকায় সুদ সে আদায় নেয়। মাসের শেষে কিছু করে আসলে উসুল চায়। দিতে পার ভাল, না পার তম্বি নাই। আর তিন মাসের মাসে আসলে উসুল কিছু চাই-ই। করালী তার কাছেই এক শো টাকা নেবে। সপ্তাহে তার রোজ এখন আট টাকা চার আনা ইস্টিশানে দুটো-চারটে মাল বয়, তাতেও টাকা দুয়েক হয়। এই দশ টাকা চার আনা থেকে সপ্তাহে সুদ তাকে দিতে হবে এক টাকা ‘ল’ আনা। থাকবে আট টাকা এগার আনা। মহাজন মাড়োয়ারী বলেছে, ও থেকে যদি করালী সপ্তাহে আড়াই টাকা হিসেবে আসলে উসুল দিয়ে যায় তো মোটা হিসেবে দশ মাসে এক শো টাকা শোধ হয় সূক্ষ্ম হিসেব সে পরে করে দেবে। এবং সে হিসেব সে মাস্টারবাবুকে দিয়ে যাচাই করে নেবে। বিশ্বাস না হলে শাশুড়ি মাথলাকে জিজ্ঞাসা করে দেখতে পারে, সেও চাল তৈরি করবার জন্য তার কাছে তিরিশ টাকা ধার নিচ্ছে। নটবরকেও জিজ্ঞাসা করতে পারে। মাথলা নটবর এরা যখন চাষ ছেড়ে লাইনের কাজে ঢুকেছে।

    বসন আরও অবাক হয়ে গেল। এমন ধারার লেনদেনের কথা সে কখনও শোনে নাই। হাঁসুলীর বাঁকের উপকথায় এ হিসেব—এ কারবার নতুন। জাঙলের মণ্ডল মহাশয়দের সঙ্গে কারবার তাদের অন্যরকম। ধান নেয়। এক মন নিলে দেড় মন দিতে হয়, শোধ না গেলে সুদে আসলে এক হয়ে আবার সুদ টানে। টাকা নেয়, ধার নয়—দাদন। সারের উপর দাদন, দুধের। উপর দাদন। নগদ সার বেচাকেনা হয় টাকায় তিন গাড়ি, চার গাড়ি, চার গাড়ি দরের সারের দাদনের দর-সাড়ে পাঁচ গাড়ি। টাকায় যোল সের দুধ, দাদন নিলে দুধের দর দিতে হয় টাকায়। বাইশ সের। পাঁচ টাকার উপর দাদন হলে দর দিতে হয় চব্বিশ সের। দশ টাকার বেশি দাদনই। নাই। ঘটি, বাটি, রুপোর গয়নাও দু-এক পদ বাধা দিতে হয় কঠিন বিপদে। তার হিসেব অত্যন্ত জটিল, সে ওরা বুঝতে পারে না, বুঝতেও চায় না, কারণ সে আর কখনও ফেরে না। সুতরাং এমন লেনদেনের কারবার বসনের কাছে পরমাশ্চর্যের কথা।

    পৃথিবীতে যা আশ্চর্য, তাই হাঁসুলী বাঁকে ভয়ের কস্তু। আশ্চর্যকে ঘেঁটে দেখে তার স্বরূপ নির্ণয় করার মত বুদ্ধির তাগিদ ওদের নাই। যদিবা আদিকালে কখনও ছিল, বারবার ঘা খেয়ে খেয়ে তা মরে গেছে। সাহেব সদ্‌গোপ বাবুদের শাসন ঠেলে কখনও তা কঠিন এবং ধারালো হয়ে আশ্চর্যকে ভেদ করে ছেদ করে দেখবার মত নিৰ্ভয় বিক্রম লাভ করতে পারে নাই। বসন তাই শঙ্কিত হয়ে উঠল এ প্রস্তাবে। সারাদিন চিন্তা করে সে কোনো উপায় দেখতে পেলে না। করালীকে নিরস্ত করবার। অবশেষে মনে পড়ল বনওয়ারীকে। সন্ধ্যায় করালীকে ডেকে সে বললে আমি বলি কি বাবা, আজ কাল দুটো দিন সবুর কর।

    করালী আজই কাজ শুরু করতে বদ্ধপরিকর। পুরনো ঘরখানাকে সে তার বন্ধু দুজনকে নিয়ে ভেঙে ফেলতে চায়। সে বললে—সবুর কেনে? কিসের সবুর?

    —এই বনওযারীদাদা, অতনদাদা, পেল্লাদদাদা—এরা ফিরে আসুক। এদের সব শুদিয়ে। আবিয়ে যা বলবে সবাই, তাই করবে।

    করালী হেসেই খুন-আমি ঘর করব তা শুধাব কাকে?

    —শুধাতে হয়। মাতব্বরকে তো শুধাতে হবে। একটা রনুমতি নিতে হয়। বিয়েশাদির মতন এটাও তো শুভ কাজ।

    —উঁই, রনুমতি আমার লেখা আছে। হঠাৎ হেসে সে বললে—রনুমতি? কার রনুমতি, কিসের রনুমতি? আমি করব ঘর, আর অনুমতি দেবে মাতব্বর। উঁহু। লে, লে, চাল গাঁইতি।

    সে নিজেই দেওয়ালে উঠে কোপাতে লাগল।

    আশ্চর্যের কথা, ঠিক সময় ছুটতে ছুটতে সুচাঁদ এল, হাঁপাচ্ছিল সে। হাঁপাতে পাতে বললে–না না না। কোঠাবাড়ি করতে পাবি নাপাবি নাপাবি না।

    —যা ম’ল। তু আবার সঙু করতে এলি কেনে?

    ওরে কেউ কখনও করে নাই। কাহারপাড়ায় কোঠাঘর করলে তু মরে যাবি। সইবে না। সুচাঁদ গিয়েছিল গুগলি তুলতে, সেই পুকুরের জলে গুগলি খুঁজতে খুঁজতে মনে পড়েছে কথাটা, যা পিতিপুরুষে করে না, তা করতে নাই। সয় না। সহ্য হয় না, মানুষ মরে যায়।

    সুচাঁদ কাদতে লাগল। কথাটা বসন্তের মনে হল। সেও শিউরে উঠল।

    সুচাঁদের কথার কোনো জবাবই দিলে না করালী। সে ভাঙতে লাগল ঘর। আঃ, বনওয়ারী কবে ফিরবে:

    ***

    মাথলা নটবর এরাও মুখ ফুটে বলে ফেললো ভাই, মাতব্বরকে একবার শুধাবি না? সে এসে যদি আগ-টাগ করে?

    করালী মাথা ঝুঁকি দিয়ে চুলগুলোকে পিছনে ফেলে দিয়ে বললে—আগ করে ঘরের ভাত বেশি করে খাবে। মাতব্বর কে রে? আমার মাতব্বর আমি। তারপর হঠাৎ বললে—চল্‌।

    —কোথা?

    –চল্‌। আজ আবার শিমুলগাছে উঠব। সেদিন গাছে উঠেছিলাম বলে নাকি ঝড়ে আমার ঘর উড়েছে। আজ আবার গাছে উঠব। আজ কি হবে হোক! সঙ্গে সঙ্গেই সে চলল। মাথলারা সভয়ে অনুসরণ করলে। না করে উপায় নাই। করালী এখন ওদের সর্দার যে। চন্ননপুরে ওর তবেই বেচারাদের খাটতে হয়।

    করালী বললে-ভাল করলে মন্দ হয় কিনা! চন্ননপুরে তারে খবর এল—পেচণ্ড ঝড় আসছে। তুদিকে পেলাম না, ছুটে গাঁয়ে এলাম—গেরাম সাবধান করতে। এসে দেখি, গাঁয়ের মরদরা সব জাঙল গিয়েছে ঘোষেদের ঘর ছাওয়াতে। কি করি! আকাশ দেখি কালচে হয়ে গিয়েছে। বুঝলাম, চারিদিকে ঝোপের আড়ালে চালে বসে ঠাওর পায় নাই। উঠে পড়লাম শিরীষগছে। উঠে দেখি, পচি দিকে অঃ, সে কি ঘটা, কি বলব মাইরি। তা শিরীষ গাছটা তো খুব উঁচু লয়, দেখে সুখ হল না। তখন উঠে পড়লাম ওই গাছটাতে। বলিহারি! বলিহারি! সে আচ্ছা বাহার হয়েছিল!

    নটবর বললে হয়েছিল, দেখেছিলি, বেশ করেছিলি। আজ আর থাক্। কাজ কি দেবতার গাছে উঠে?

    শিমুলগাছটার কাণ্ডটা বিশাল, ওটাকে আঁকড়ে ধরে ওঠা অসম্ভব। করালী কাটার গায়ের কোটর ধরে উঠতে শুরু করে দিলে। উপরে প্রথম ডালটায় উঠে নটবরের দিকে থুতু ফেলে বললে—ভাগ শালা! তারপর বললেবা, এখান থেকে দয়ে ঝাপ দিতে ভারি সুবিধে মাইরি!

    —এই, এই দয়ে কুমির আছে। বাবাঠাকুর আছে।

    –তা বটে কুমির থাকতে পারে।

    দয়ে আঁপ খাওয়া মুলতুবি রেখে উপরের দিকে উঠতে লাগল সে। উঠে সে আজ আবার হক মারলে—হো-

    অর্থাৎ দেখ, তোমরা দেখ, আবার আমি উঠেছি শিমুলগাছে—

    গোটা কাহারপাড়া সে হাক শুনে গাছের দিকে সভয়-বিস্ময়ে তাকিয়ে রইল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাইকমল – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article গল্পসমগ্র – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গল্পসমগ্র – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    রাইকমল – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    চৈতালী-ঘূর্ণি – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    ধাত্রী দেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গণদেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    নাগিনী কন্যার কাহিনী – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }